01/03/2026
💁♂ #সহজেই মায়াজমের বিস্তারিত সম্পর্কে জানুনঃ-
👩🎤 #মায়াজম:
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিধান মতে,
মায়াজম হল রোগের মূল কারণ এবং জীবাণু গুলো হল উত্তেজক কারণ। যে সকল প্রাকৃতিক অদৃশ্য কারণসমূহ হইতে রোগ উৎপত্তি হয়, সে সকল কারণ সমূহকে মায়াজম বলে।
মহাত্মা হ্যানিম্যান বলেছেন,
চিররোগ সৃষ্টির মূল কারণ হইল তিনটি চিররোগবীজ। ইহাদের মধ্যে সোরা হইল আদি রোগ বীজ। সকল রোগের মূল কারণ হইল সোরা। এমনকি প্রমেহ এবং উপদংশ নামক আদি রোগবীজের উৎপত্তি ও সোরা হতে; এঅসংখ্য প্রকারের বিকৃতি, ক্ষত, বিশৃঙ্খলা ও যন্ত্রণার প্রতিমূর্তি রুপে অন্ত পীড়ায় সৃষ্টি করে থাকে।
সুতরাং মায়াজম হচ্ছে এক ধরনের গাতময় দূষণ মাধ্যম যাহা জীব দেহের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গে একবার প্রবিষ্ট হলে জীবনীশক্তির উপর প্রভুত্ব করে, ব্যক্তিকে সার্বিকভাবে এমনিধারায় দূষিত করে যার পিছনে একটি স্থায়ী রোগজ অবস্থা স্থাপন করে যাহা সম্পূর্ণ রুপে মায়াজম বিরোধী প্রতিকারক দ্বারা দূরীভূত না হলে রোগীর সারাজীবন ব্যাপী বিরাজ করবে এবং বংশপরস্পরায় প্রবাহমান থাকে।
💁♂ #মায়াজম ৪ প্রকার।
* সোরা
* সিফিলিস
* সাইকোসিস
* টিউবারকুলার
👩🎤 #সোরিক
যেকোনো কিছু কম বা অভাব বা উত্তেজনা কম মানেই হচ্ছে সোরা মায়াজম। যেমন ক্ষুধা কম, পিপাসা কম, ঘাম কম, রাগ কম, রাগ চাপা রাখা, ঘুম কম, ঋতুস্রাব কম, হজম শক্তি কম (Indigestion), চামড়ার মসৃণতা কম অর্থাৎ (শুষ্ক চামড়া), হিমোগ্লোবিন বা রক্ত কম, অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা, প্রেসার কম বা Low pressure গোসলে আগ্রহ কম, কর্মঠতা কম (অলসতা)।
সোরা মায়াজমের রোগীরা গরম খাবার দাবার ভালোবাসে, মিষ্টি পছন্দ করে, যে খাবার খেলে শরীরের মধ্যে উত্তেজনা বা চাঙ্গা ভাব আসে সেই খাবার সে খেতে চায় শারীরিক দুর্বলতার পূরণের জন্য (চা, কফি, সকল ধরণের কার্বনেটেড বেভারেজ ইত্যাদি), মানসিক উত্তেজনার জন্য খিটখিটে মেজাজ থাকে। এবং শারীরিক উত্তেজনার জন্য বিভিন্ন স্থানে চুলকানির ইতিহাস থাকে। এদের রোগ যে কোন সময় বৃদ্ধি পেতে পারে। জন্মের পর শিশুর চর্মরোগ, ঘা, পাচড়া, চুলকানি, হাড়ের দুর্বলতা, টিসু সমুহের অপুষ্টি, ঘন ঘন একই রোগে ভোগা, হাম, উদরাময় ইত্যাদি দেখা যেতে থাকলে ঐ শিশুকে সোরিক সংক্রামিত বলে নির্ণয় করা হয়।
👩🎤 #সোরা মায়াজমের লক্ষণসমূহঃ
1. ভুয়া দার্শনিক। স্বার্থপরতা কিন্তু নাটকীয় উদারতা দেখায়। কাজে কর্মে তাড়াহুড়া স্বভাব।
2. চর্মরোগ চাপা দেয়ার পর থেকে মানসিক উদ্বেগ, উত্তেজনা, ভয়, হতাশা, দুশ্চিন্তা ।
3. অসম্ভব চুলকানি, চুলকানোর পর জ্বালা।
4. সর্বদা ভীতিপূর্ণ, পরিপূর্ণ, অবসাদগ্রস্ত, শ্রমবিমুখ।
5. মেজাজ খিটখিটে সামান্য মতের অমিল হলে ক্ষিপ্ত হয়।
6. অস্বাভাবিক ক্ষুধা, খেলে আবার ক্ষুধা লেগে যায়।
7. হাত পায়ের তলা জ্বলে।
8. দেহের বর্জ নির্গমন পথগুলি লাল বর্ণের।
9. যে কোন স্রাব নির্গমনে আরাম বোধ।
10. দাঁতে, মাড়ীতে ময়লা জমে।
11. সকল কাজে তার অলসতা।কেবলই শুয়ে থাকতে চায়।
12. স্নায়ুকেন্দ্রে প্রবল বিস্তার করে কিন্তু যান্ত্রিক পরিবর্তন ঘটে না।
13. যে কোন সময় রোগাক্রমন বা বৃদ্ধি।
14. চোখে নানা রং দেখে ও দৃষ্টিভ্রম হয়।
15. বডি ল্যাঙ্গুয়েজে অস্থিরতা ভাব।
16. অন্যের দ্বারা কাজ করিয়ে নেয়ার স্বভাব। (হুকুম দেওয়া)
17. গোসলতার অনীহাভাব।
18. শরীরের বিভিন্ন ডিসচার্জের এর গন্ধ নিজের নাকে শুঁকে।
19. দাঁড়িয়ে থাকতে চায় না, বসে পড়তে পারলেই যেন বাঁচে।
20. শুধু কুকুরের ভয় বাদে অন্য সকল বস্তুর প্রতি ভয়।
21. খিটখিটে মেজাজ থাকে কিন্তু কারো উপর রাগ দেখালে কিছুক্ষণ পরে যেয়ে অনুশোচনা করে, এবং রাগ মিটিয়ে নেয়।
22. কৃপণ স্বভাবের হয়।
23. যেকোনো শারীরিক এবং মানসিক উত্তেজনা। (কন্ডুয়ান)
24. পরিকল্পনা করে প্রচুর কিন্তু কাজ করে কম। সব কাজ একবারে করার জন্য জমা রাখে।
25. অত্যাধিক ক্ষুদা, রাতে উঠে খেতে চায়। আহারের পরই ক্ষুধা, ক্ষুধার জন্য অস্থির, শূন্যতাবোধ, বিশেষ করে সকাল ১০-১১ টার
26. স্বপ্নের মধ্যে গান গায়। বোবায় ধরে। জীব জন্তু, ভূত-প্রেত মৃত ব্যক্তি, মলমূত্র ত্যাগ ও আগুন ইত্যাদি স্বপ্ন দেখে।
💁♂ #রোগ সমূহঃ
#সোরা
পেটফাঁপা, অজীর্ণ, চুলকানিযুক্ত চর্মরোগ, চক্ষু ও নাসিকা হতে জ্বালাকর স্রাব নিঃসরণ। প্রদাহ ও জ্বালাযুক্ত স্বরভঙ্গ, যে কোন অঙ্গে জ্বালাযুক্ত প্রদাহ। নানা যন্ত্রের শুধু কার্যগত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করাই সোরার কাজ। মানসিক দুঃশ্চিন্তা ও কু-মনয়ন হতে কৃ-প্রবৃতি, চুলকানী, বিসর্গ পক্ষাঘাত, হিষ্টিরিয়া, গর্ভপাত, এপেন্ডিসাইটস, বরিবেরী, রক্তস্রাব, বসন্ত, কলেরা, উদরাময়, খুস্কী, লিউকেরিয়া, নিউরলজিয়া, সরিওসিস, সাইটিকা , ইত্যাদি।
💁♂ #২০টি গুরুত্বপূর্ণ এন্টিসোরিক ঔষুধের নাম:
(১) সালফার, (২) সোরিনাম, (৩) লাইকোপোডিয়াম, (৪) ক্যালকেরিয়া গ্রুপ, (৪) নেট্রাম গ্রুপ, (৫) আর্সেনিক গ্রুপ, (৬) গ্রাফাইটিস, (৭) হিপার সালফ, (৮) জিনকাম মেট, (৯) ল্যাকেসিস, (১০) টিউবারকুলিলাম বা ব্যাসিলিনাম, (১১) এন্টিম ক্রুড, (১২) এনাকারডিয়াম, (১৩) সাইলিশিয়া, (১৪) স্ট্রামোনিয়াম, (১৫) সেলেনিয়াম, (১৬) ট্যারান্টুলা হিস্প, (১৭) অ্যালুমিনা, (১৮) কার্বোভেজ, (১৯) রুটা ও (২০) সিপিয়া
👩🎤 #সিফিলিটিক
ধ্বংস মানেই সিফিলিটিক মায়াজম। এর চিন্তাভাবনাও যেমন ধ্বংসাত্মক, বডি ল্যাংগুয়েজে তেমনি আক্রমনাত্মক। যে কোন আলসার যেমন (ডিউডেনাল আলসার, গ্যাস্ট্রিক আলসার, পেকটিক আলসার, গ্যাংগ্রিনাস আলসার), শরীরের গঠনশৈলীতে এব্রো থেবড়ো ভাব, হাত পায়ের আঙ্গুল বাঁকা, মুখমণ্ডল এবং মাথা কিছুটা এব্রো থেবড়ো, অথবা সৌন্দর্যহীন। জন্ম থেকেই কোন না কোন জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মগ্রহণ করা। (যেমন ঠোঁট কাটা, সমস্ত শরীরে ক্ষত যুক্ত চর্ম রোগ, কোন একটা অঙ্গ না থাকা, সময় কান্নাকাটি না করা ইত্যাদি)। এবং যে সকল রোগের বৃদ্ধি শুধুমাত্র রাতের বেলা হয় সূর্য অস্ত থেকে শুরু করে সূর্য উদয় পর্যন্ত তারাও সিফিলিটিক মায়াজমের অন্তর্ভুক্ত। এদের মধ্যে বিকৃত যৌন কামনা থাকে। (পায়ুপথে যৌন মিলন করা, হোমো সেক্স, লেসবিয়ান, ট্রান্সজেন্ডার ইত্যাদিরা), ওরাল সেক্স, অথবা পশু পাখির সাথে মিলন করা, রেপ করা (ধর্ষন), কেউ তার যৌন কামনায় বাধা দিলে তাকে খুন করা ইত্যাদি। চেহারা বাঁচ বিচার না করে যার তার সাথে যৌন মিলন করা ইত্যাদি সিফিলিস মায়াজমের বৈশিষ্ট্য। চিন্তা ভাবনায় ও বিকৃতি ভাব থাকে। নিজের বাবা-মা, ছেলে-সন্তান,
আত্মীয়-স্বজন, প্রয়োজনে কাউকে হত্যা করতে তারা দ্বিধাবোধ করে না। এবং তার মধ্যে কোন অনুশোচনা বোধ থাকে না। এজন্য জগতের যত জঘন্য কাজ আছে। এবং খারাপ কাজ আছে তোর সবগুলোই সিফিলিস মায়াজমের রোগীরা করে সেটা মদ্যপান হোক বা খুন-খারাবি, চুরি-ডাকাতি, রক্তের বদলা রক্ত নেওয়া ইত্যাদি। কিন্তু এসবের ভুলে যে মাস্টার মাইন্ড হিসেবে থাকে কিন্তু সরাসরি অংশগ্রহণ করে না বরং পেছন থেকে কলকাটি নারে তিনি কিন্তু সাইকোসিস মায়াজমের অধীনে। শরীরের যে কোন ন্যাচারাল ডিসচার্জ বা স্রাবে দুর্গন্ধ থাকে।
💁♂ #সিফিলিসের লক্ষণ :
1. নিজের জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা। আত্মহত্যা করার প্রবণতা।
2. নৈরাশ্য, হঠকারিতা, মূর্খতা, বিতৃষ্ণা। স্মরণশক্তি ও ধারণশক্তি হ্রাস।
3. সূর্যাস্ত হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত বৃদ্ধি। জিহ্বা মোটা ও দাঁতের ছাপযুক্ত।
4. চুলকানীবিহীন চর্মরোগ। বিকলঙ্গতা। অস্থির ক্ষয়প্রাপ্তি।
5. দয়া মায়াহীনতা। পাষণ্ড ও নিষ্ঠুর, ক্ষমা করতে পারে না।
6. যে কোন জিনিস তাড়াতাড়ি বুঝতে না পারা। বোকা-বুদ্ধ, হাঁদারাম।
7. অগ্নিকান্ড, হত্যাকান্ডের স্বপ্ন দেখে।
8. মাংসে অরুচি কিন্তু দুগ্ধ খাইবার ইচ্ছা।
9. স্রাবের প্রচুরতা, দুর্গন্ধতা এবং স্রাব নিসরনে রোগ বৃদ্ধি। দুষ্টজাতীয় ফোঁড়া
10. অতিরিক্ত গরম-ঠান্ডা অসহ্য।
11. বারবার চুরি ডাকাতি, খুন-খারাবি (নেতার গল্প)
12. রাগের সময় ভাঙচুর করা, মারধোর করা, ছুড়ে ফেলে দেয়া, উদ্ধত আচরণ করা। বিচারবুদ্ধি হারিয়ে ফেলা।
13. শারীরিক ও মানসিক খর্বতা, মানসিক জড়তায় কথা কম বলে।
14. যাকে ভালোবাসে তাকে অন্ধভাবে ভালবাসে এমনকি তার জন্য নিজের জীবনও বিলিয়ে দিতে পারে
15. বংশগতভাবে প্রাপ্ত হোক বা নিজে অর্জিত সিফিলিস চাপা দেওয়ার কারণে সামান্যতেই বিষন্ন এবং মন মরা ভাব ।
16. গোটা মাথা টাক হয়ে যাওয়া। স্মরণশক্তির প্রচন্ড রকমের অভাব।
17. বিকৃত যৌন লালসা।, পাপের জন্য কোন অনুশোচনা নেই।
18. নিজের ক্ষতির কোন চিন্তা না করে মাদকাসক্ত হওয়া।
19. দাঁতের ছাপযুক্ত জিহ্বা, ঘুমের মধ্যে লালা নিঃসৃত হয়।
20. বিশেষ করে ঝিল্লীতে, অস্থিতে ক্ষত এবং নালী ঘা সৃষ্টি করে থাকে।
21. পুনঃপুনঃ গর্ভপাত, মৃত সন্তান জন্মদান, শুক্রহীনতা, বিভিন্ন রকম বিকলাঙ্গতা এবং দেহযন্ত্র শুকিয়ে যায়।
22. মাংস খেতে প্রবল অনিচ্ছা। ঠান্ডা খাওয়ার প্রচন্ড আকাংখা। সাময়িক উত্তেজক খাবার খাইতে চায়। মাখন ও রুটি খাবার প্রবল ইচ্ছা। দুধ খেতে ভালবাসে।
23. ভয়ের স্বপ্ন দেখে, বিশেষ করে মারামারি, আগুন, এক্সিডেন্ট ইত্যাদি।
24. নখ সমূহ নখগুলো কাগজের ন্যায় পাতলা এবং তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি ঘটে।
25. সিফিলিস রোগীদের চর্মে চুলকানী থাকে না, টাটানী থাকে, পুঁজযুক্ত রস পড়ে, পুরু ও ভারী মামড়ী পড়ে, অনেক আইস থাকে। ক্ষতে বা চর্মে রোগের সঙ্গে লিম্ফ গ্লান্ডগুলি সক্রিয় থাকে। ক্ষতের চারিধার অসমান থাকে।
26. সিফিলিস রোগীদের ঘর্ম খুব বেশী। সামান্য গরমেই প্রচুর দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষতকর ঘাম হয়, ঘর্মে রোগের বৃদ্ধি ঘটে। ঘামে কাপড়ে দাগ হয়।
👩🎤 #রোগ সমূহঃ #সিফিলিস
শিশুর মুখে ঘা, বিভিন্ন বিষাক্ত ফোড়া, রক্ত দোষ, দেরীতে দাঁত উঠা, অল্প বয়সে দাঁতে পোঁকা, আমাশয়, রক্ত, আমাশয়, ভগন্দর, মামস,কানপাকা, বোকা, অন্ধত্ব, মাথার হাড়ে,কোমলতা বা দেরীতে জোড়া লাগা, বেটে ও বুদ্ধিহীনতা, পুঁজযুক্ত চুলকানী, ক্যান্সার, উচ্চ রক্ত চাপ, একজিমা, বাগী, শ্যাংকার ক্ষত, টাকপড়া, ব্রঙ্কোরিয়া, গুটি বসন্ত, কানপাকা, গ্যাংগ্রিণ, কুষ্ঠ, পাইওরিয়া, রাতে ক্রন্দন, হার্টে ছিদ্র থাকা, ঠোঁট কাটা, জিহ্বা কাটা, হাত-পা বা অন্যকোন অঙ্গে বিকৃত অবস্থা বা না থাকা, বাগী হওয়ার প্রবণতা। এছাড়া চরিত্রে এক ধরনের বদ মেজাজী ভাব, প্রতিশোধ পরায়ণতা, মানসিক ভারসাম্যহীনতা, পচনশীল যে কোন রোগ, দুর্গন্ধ পুঁজ ও রস নিঃসরণকারী চর্মপীড়া, দুর্গন্ধযুক্ত ঋতুস্রাব ও প্রদরস্রাব। কর্ণ, নাসিকা ইত্যাদিতে ক্ষত ও দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব। প্রস্রাব যন্ত্রের ক্ষত, গলক্ষত। মেরুমজ্জার ক্ষত, অস্থিক্ষয়, মুখে ক্ষত ও দুর্গন্ধ লালাস্রাব। পচন, উদরে ক্ষত, অন্ধত্ব, বধিরতা, উন্মাদ ইত্যাদি।
💁♂ #২০টি গুরুত্বপূর্ণ এন্টিসিফিলিটিক ঔষুধের নাম:
(১) মার্কুরিয়াস গ্রুপ, (২) সিফিলিনাম, (৩) অরাম মেট, (৪) ফুরিক এসিড, (৫) কারসিনোসিন, (৬) কেলি গ্রুপ, (৭) হাইড্রোফিনাম, (৮) নাইট্রিক এসিড, (৯) ক্রিয়োজোট, (১০) ফাইটোলক্কা, (১১) ট্যারেন্টুলা কিউবেন্সিস, (১২) সিনাবেরিস, (১৩) মেজেরিয়াম, (১৪) এসাফ্যাটিডা, (১৫) ল্যাকেসিস, (১৬) টিউবারকুলিনাম, (১৭) ফসফরাস, (১৮) সাইলিশিয়া, (১৯) ক্যালকেরিয়া আয়োড এবং ফ্লোর ও ২০) হিপার সালফ।
👩🎤 #গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটি শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন।
👩 #পরবর্তী দুটি মায়াজম সম্পর্কে জানতে এই পোস্টটি নতুনদের মাঝে বেশি বেশি শেয়ার করুন প্লিজ 🙏🙏
👩💼 #ডাঃ বিল্লাল হোসেন