Health is Wealth.

Health is Wealth. prevention is better than cure...

28/04/2026
Aliments for disappointment..
14/04/2026

Aliments for disappointment..

Happy..World Homeopathy Day, Today, April 10, marks the 271st birth anniversary of Dr. Samuel Hahnemann, the founder of ...
10/04/2026

Happy..
World Homeopathy Day, Today, April 10, marks the 271st birth anniversary of Dr. Samuel Hahnemann, the founder of homeopathy.
This year’s theme
"Homeopathy for Sustainable Health," reminds us that true wellness is holistic, gentle, and in harmony with nature.
​Homeopathy doesn't just treat the symptoms; it treats the person as a whole. Let’s choose a path that strengthens our natural immunity!

15/03/2026

শিশুদের অরুচি দূর করার হোমিও ঔষধ

-শিশুদের কৃমির লক্ষণ থাকে।
-শিশু খিটখিটে, রাগী,
দাঁত কাটে, নাক ঘষে, খোটে, চুলকায়।
-ক্ষুধা থাকলেও খেতে চায় না।
-মিষ্টির প্রতি চাহিদা বেশি।
-অনেক সময় খায় দায় বেশি কিন্তু গায়ে লাগেনা।


-শিশু দুর্বল, চিকন, বাড়তে দেরি হয়।
-খেতে চায় না, সহজে ক্লান্ত,মাথার ব্রহ্মতালু জোড়া লাগেনা।
–দাঁত দেরিতে ওঠে,দুর্বলের কারণে হাঁটতে পারে না।

muriaticum
-চুপচাপ, সংবেদনশীল,কথা শিখতে দেরি হয়।
-শিশুর খাবার খেতে অনীহা।
-নুন বা লবণাক্ত খাবার পছন্দ।কাঁচা লবণ হাতে নিয়ে খেয়ে বেড়ায়।
-চিকন চাকান বিশেষ করে গলার দিকে বেশি চিকন।


-জিহ্বা সাদা, মোটা আবরণ পড়ে,দুধের সরের মতো প্রলেপ।
-বেশি খেলে বমি হয়।
-সহজে বদহজম হয়।ডায়রিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে।
-গোসল করতে চায় না, ঠান্ডা পানির প্রচন্ড ভয়।

-শিশু রোগা, দুর্বল, লাজুক,ভীরু।
পায়ের দিকে বেশি শীর্ণ।
-খেতে অনাগ্রহ, দুধ সহ্য হয় না।
-ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না।
-কান পাকা সমস্যা থাকে।
-পায়খানা কষা থাকে, মল রিসিভ করে
অর্থাৎ একবার ঢুকে একবার বের হয়।

--খুব খামখেয়ালি প্রকৃতির।
-এক খাবার একবার ভালো লাগে, পরক্ষণেই বিরক্ত।
-ওজন বাড়ে না।
-খুব সহজেই সর্দি কাশি লাগে, কিভাবে সর্দি লাগে শিশুর মা সেটা বুঝে উঠতে পারে না।

-ক্ষুধা আছে, কিন্তু দু–এক লোকমা খেলেই খাওয়া বন্ধ।
-বিকেল ৪–৮টার মধ্যে সমস্যা বেশি।
পেট ও হজম
-পেট ফাঁপা,খাবারের পর ঢেঁকুর ওঠে।
-ডান পাশে পেটের সমস্যা বেশি।
-মল কষ্টকর, কোষ্ঠকাঠিন্য।
-মিষ্টি এবং গরম খাবার পছন্দ করে।

-শিশু ফ্যাকাসে, রক্তস্বল্পতা।
-খেতে চায় না, দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

-শিশুর খাদ্যদ্রব্যে অভক্তি
খাবার ইচ্ছা তো দূরের কথা, খাবার
দেখলেও অস্বস্তি লাগে।
-খাদ্যদ্রব্যের গন্ধে বমি আসতে চায়।
-খাবার খাওয়াতে গেলে ওঁক টানে।
-পেটে অত্যাধিক বায়ু জমে, পেট ফুলে ওঠে।


-শিশুর অরুচি, যা খায় তা ভালোভাবে হজম হয় না।
-পেটে গ্যাস হয়, পেট ব্যথা সহ ঘনঘন মলত্যাগের ইচ্ছা।
-সামান্য পরিমাণে মল বের হয় এবং মলত্যাগের ইচ্ছা থেকেই যায়। শিশু খিটখিটে, শীতকাতর।


-শিশুর পেটে ক্ষুধা থাকে
কিন্তু খেতে ইচ্ছা হয় না।
-কোন খাদ্যদ্রব্য মুখে ভালো লাগেনা।
-জিহ্বা হলদে, অপরিষ্কার ও পুরু।
-কোষ্ঠকাঠিন্য,পাকস্থলীতে বহুদিন মল জমে থাকে।
এর সাথে
Amloky Q
Alfalfa Q
Avena Sat Q
লক্ষণ সাদৃশ্যে ব্যবহার করতে হবে!
সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। কেউ কপি করে আপলোড করবেন না।

 #মেছতা (Melasma) মূলত ত্বকের এক ধরণের পিগমেন্টেশন সমস্যা। এটি সাধারণত গাল, কপাল, নাক বা চিবুকে কালচে বা বাদামী দাগ হিসে...
03/03/2026

#মেছতা (Melasma)
মূলত ত্বকের এক ধরণের পিগমেন্টেশন সমস্যা। এটি সাধারণত গাল, কপাল, নাক বা চিবুকে কালচে বা বাদামী দাগ হিসেবে দেখা দেয়। এর পেছনে মূল কারণগুলো হলো হরমোনের পরিবর্তন, সরাসরি সূর্যের আলো বা বংশগত প্রভাব।
​এখানে আমি বিষয়টি আরও সহজ করে দিচ্ছি যেন আপনি আপনার লক্ষণের সাথে মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন:

#মেছতা বা পিগমেন্টেশন দূর করার ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি বেশ জনপ্রিয়, কারণ এটি সমস্যার মূল কারণ (যেমন হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা লিভারের সমস্যা) চিহ্নিত করে সমাধান করার চেষ্টা করে।
​তবে মনে রাখবেন, মেছতা রাতারাতি দূর হয় না; এর জন্য ধৈর্য এবং নিয়মিত ওষুধের প্রয়োজন। নিচে মেছতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কার্যকর কিছু হোমিওপ্যাথিক ওষুধের তালিকা দেওয়া হলো:
​১. মেছতার জন্য প্রধান অভ্যন্তরীণ ঔষধ:-
(সিপিয়া): মেছতার জন্য এটি সবচেয়ে কার্যকর ওষুধ হিসেবে বিবেচিত। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় বা মাসিকের সমস্যার কারণে নাকে বা গালে কালচে দাগ পড়লে এটি দারুণ কাজ করে।
Occidentalis (থুজা): ত্বকের যেকোনো ধরনের অস্বাভাবিক দাগ বা কালচে ভাব দূর করতে এটি ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে রোদে পোড়া দাগের জন্য এটি ভালো।
Aquifolium (বারবেরিস অ্যাকুইফোলিয়াম): এটিকে হোমিওপ্যাথির 'রং ফর্সাকারী' ওষুধ বলা হয়। এটি গায়ের রং উজ্জ্বল করে এবং ত্বকের দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
(লাইকোপোডিয়াম): যদি মেছতার সাথে পেটের সমস্যা বা লিভারের দুর্বলতা থাকে, তবে চিকিৎসকরা এটি দিয়ে থাকেন।

​২. বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য
(External Use):-
​ত্বকের দাগ দ্রুত হালকা করতে আপনি নিচের লোশন বা মাদার টিংচার ব্যবহার করতে পারেন:
​Berberis Aquifolium Q (মাদার টিংচার): ১০-১৫ ফোঁটা এই মাদার টিংচার সামান্য গোলাপ জল বা পরিষ্কার পানির সাথে মিশিয়ে দিনে দুবার (সকালে ও রাতে) তুলো দিয়ে মেছতার স্থানে লাগান। এটি দাগ দূর করতে সবচেয়ে জনপ্রিয়।

#মেছতা দ্রুত কমাতে ৩টি প্রাকৃতিক কৌশল
​ওষুধের পাশাপাশি এই নিয়মগুলো মেনে চললে দাগ দ্রুত হালকা হবে:

​টক দই ও লেবুর প্যাক: সপ্তাহে ২-৩ দিন মেছতার জায়গায় টক দই এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে দাগ কমায়।

​অ্যালোভেরা জেল: রাতে ঘুমানোর আগে টাটকা অ্যালোভেরা জেল দাগের ওপর ম্যাসাজ করুন। এটি ত্বকের মেলানিন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

রোদ থেকে সুরক্ষা: রোদে বের হওয়ার আগে অবশ্যই ভালো মানের সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন বা ছাতা ব্যবহার করুন।

​কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:-
#মেছতা নিরাময়ের জন্য শুধু ওষুধই যথেষ্ট নয়, কিছু জীবনযাত্রার পরিবর্তনও জরুরি:
প্রচুর পানি পান: শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে দিনে অন্তত ৩ লিটার পানি পান করুন।
​​পুষ্টিকর খাবার: ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফলমূল বেশি করে খান।
​সতর্কতা: ওষুধের শক্তি (Potency) এবং মাত্রা (Dosage) আপনার শারীরিক গঠন ও লক্ষণের ওপর নির্ভর করে। তাই কোনো ওষুধ সেবনের আগে একজন রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
​আপনি কি মেছতার পাশাপাশি অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা (যেমন- গ্যাস্ট্রিক বা হরমোনাল ইমব্যালেন্স) অনুভব করছেন?
#মেছতা (Melasma)


01/03/2026

💁‍♂ #সহজেই মায়াজমের বিস্তারিত সম্পর্কে জানুনঃ-

👩‍🎤 #মায়াজম:
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিধান মতে,
মায়াজম হল রোগের মূল কারণ এবং জীবাণু গুলো হল উত্তেজক কারণ। যে সকল প্রাকৃতিক অদৃশ্য কারণসমূহ হইতে রোগ উৎপত্তি হয়, সে সকল কারণ সমূহকে মায়াজম বলে।

মহাত্মা হ্যানিম্যান বলেছেন,
চিররোগ সৃষ্টির মূল কারণ হইল তিনটি চিররোগবীজ। ইহাদের মধ্যে সোরা হইল আদি রোগ বীজ। সকল রোগের মূল কারণ হইল সোরা। এমনকি প্রমেহ এবং উপদংশ নামক আদি রোগবীজের উৎপত্তি ও সোরা হতে; এঅসংখ্য প্রকারের বিকৃতি, ক্ষত, বিশৃঙ্খলা ও যন্ত্রণার প্রতিমূর্তি রুপে অন্ত পীড়ায় সৃষ্টি করে থাকে।

সুতরাং মায়াজম হচ্ছে এক ধরনের গাতময় দূষণ মাধ্যম যাহা জীব দেহের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গে একবার প্রবিষ্ট হলে জীবনীশক্তির উপর প্রভুত্ব করে, ব্যক্তিকে সার্বিকভাবে এমনিধারায় দূষিত করে যার পিছনে একটি স্থায়ী রোগজ অবস্থা স্থাপন করে যাহা সম্পূর্ণ রুপে মায়াজম বিরোধী প্রতিকারক দ্বারা দূরীভূত না হলে রোগীর সারাজীবন ব্যাপী বিরাজ করবে এবং বংশপরস্পরায় প্রবাহমান থাকে।

💁‍♂ #মায়াজম ৪ প্রকার।

* সোরা
* সিফিলিস
* সাইকোসিস
* টিউবারকুলার

👩‍🎤 #সোরিক

যেকোনো কিছু কম বা অভাব বা উত্তেজনা কম মানেই হচ্ছে সোরা মায়াজম। যেমন ক্ষুধা কম, পিপাসা কম, ঘাম কম, রাগ কম, রাগ চাপা রাখা, ঘুম কম, ঋতুস্রাব কম, হজম শক্তি কম (Indigestion), চামড়ার মসৃণতা কম অর্থাৎ (শুষ্ক চামড়া), হিমোগ্লোবিন বা রক্ত কম, অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা, প্রেসার কম বা Low pressure গোসলে আগ্রহ কম, কর্মঠতা কম (অলসতা)।
সোরা মায়াজমের রোগীরা গরম খাবার দাবার ভালোবাসে, মিষ্টি পছন্দ করে, যে খাবার খেলে শরীরের মধ্যে উত্তেজনা বা চাঙ্গা ভাব আসে সেই খাবার সে খেতে চায় শারীরিক দুর্বলতার পূরণের জন্য (চা, কফি, সকল ধরণের কার্বনেটেড বেভারেজ ইত্যাদি), মানসিক উত্তেজনার জন্য খিটখিটে মেজাজ থাকে। এবং শারীরিক উত্তেজনার জন্য বিভিন্ন স্থানে চুলকানির ইতিহাস থাকে। এদের রোগ যে কোন সময় বৃদ্ধি পেতে পারে। জন্মের পর শিশুর চর্মরোগ, ঘা, পাচড়া, চুলকানি, হাড়ের দুর্বলতা, টিসু সমুহের অপুষ্টি, ঘন ঘন একই রোগে ভোগা, হাম, উদরাময় ইত্যাদি দেখা যেতে থাকলে ঐ শিশুকে সোরিক সংক্রামিত বলে নির্ণয় করা হয়।

👩‍🎤 #সোরা মায়াজমের লক্ষণসমূহঃ

1. ভুয়া দার্শনিক। স্বার্থপরতা কিন্তু নাটকীয় উদারতা দেখায়। কাজে কর্মে তাড়াহুড়া স্বভাব।

2. চর্মরোগ চাপা দেয়ার পর থেকে মানসিক উদ্বেগ, উত্তেজনা, ভয়, হতাশা, দুশ্চিন্তা ।

3. অসম্ভব চুলকানি, চুলকানোর পর জ্বালা।

4. সর্বদা ভীতিপূর্ণ, পরিপূর্ণ, অবসাদগ্রস্ত, শ্রমবিমুখ।

5. মেজাজ খিটখিটে সামান্য মতের অমিল হলে ক্ষিপ্ত হয়।

6. অস্বাভাবিক ক্ষুধা, খেলে আবার ক্ষুধা লেগে যায়।

7. হাত পায়ের তলা জ্বলে।

8. দেহের বর্জ নির্গমন পথগুলি লাল বর্ণের।

9. যে কোন স্রাব নির্গমনে আরাম বোধ।

10. দাঁতে, মাড়ীতে ময়লা জমে।

11. সকল কাজে তার অলসতা।কেবলই শুয়ে থাকতে চায়।

12. স্নায়ুকেন্দ্রে প্রবল বিস্তার করে কিন্তু যান্ত্রিক পরিবর্তন ঘটে না।

13. যে কোন সময় রোগাক্রমন বা বৃদ্ধি।

14. চোখে নানা রং দেখে ও দৃষ্টিভ্রম হয়।
15. বডি ল্যাঙ্গুয়েজে অস্থিরতা ভাব।

16. অন্যের দ্বারা কাজ করিয়ে নেয়ার স্বভাব। (হুকুম দেওয়া)

17. গোসলতার অনীহাভাব।

18. শরীরের বিভিন্ন ডিসচার্জের এর গন্ধ নিজের নাকে শুঁকে।

19. দাঁড়িয়ে থাকতে চায় না, বসে পড়তে পারলেই যেন বাঁচে।

20. শুধু কুকুরের ভয় বাদে অন্য সকল বস্তুর প্রতি ভয়।

21. খিটখিটে মেজাজ থাকে কিন্তু কারো উপর রাগ দেখালে কিছুক্ষণ পরে যেয়ে অনুশোচনা করে, এবং রাগ মিটিয়ে নেয়।

22. কৃপণ স্বভাবের হয়।

23. যেকোনো শারীরিক এবং মানসিক উত্তেজনা। (কন্ডুয়ান)

24. পরিকল্পনা করে প্রচুর কিন্তু কাজ করে কম। সব কাজ একবারে করার জন্য জমা রাখে।

25. অত্যাধিক ক্ষুদা, রাতে উঠে খেতে চায়। আহারের পরই ক্ষুধা, ক্ষুধার জন্য অস্থির, শূন্যতাবোধ, বিশেষ করে সকাল ১০-১১ টার

26. স্বপ্নের মধ্যে গান গায়। বোবায় ধরে। জীব জন্তু, ভূত-প্রেত মৃত ব্যক্তি, মলমূত্র ত্যাগ ও আগুন ইত্যাদি স্বপ্ন দেখে।

💁‍♂ #রোগ সমূহঃ

#সোরা
পেটফাঁপা, অজীর্ণ, চুলকানিযুক্ত চর্মরোগ, চক্ষু ও নাসিকা হতে জ্বালাকর স্রাব নিঃসরণ। প্রদাহ ও জ্বালাযুক্ত স্বরভঙ্গ, যে কোন অঙ্গে জ্বালাযুক্ত প্রদাহ। নানা যন্ত্রের শুধু কার্যগত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করাই সোরার কাজ। মানসিক দুঃশ্চিন্তা ও কু-মনয়ন হতে কৃ-প্রবৃতি, চুলকানী, বিসর্গ পক্ষাঘাত, হিষ্টিরিয়া, গর্ভপাত, এপেন্ডিসাইটস, বরিবেরী, রক্তস্রাব, বসন্ত, কলেরা, উদরাময়, খুস্কী, লিউকেরিয়া, নিউরলজিয়া, সরিওসিস, সাইটিকা , ইত্যাদি।

💁‍♂ #২০টি গুরুত্বপূর্ণ এন্টিসোরিক ঔষুধের নাম:

(১) সালফার, (২) সোরিনাম, (৩) লাইকোপোডিয়াম, (৪) ক্যালকেরিয়া গ্রুপ, (৪) নেট্রাম গ্রুপ, (৫) আর্সেনিক গ্রুপ, (৬) গ্রাফাইটিস, (৭) হিপার সালফ, (৮) জিনকাম মেট, (৯) ল্যাকেসিস, (১০) টিউবারকুলিলাম বা ব্যাসিলিনাম, (১১) এন্টিম ক্রুড, (১২) এনাকারডিয়াম, (১৩) সাইলিশিয়া, (১৪) স্ট্রামোনিয়াম, (১৫) সেলেনিয়াম, (১৬) ট্যারান্টুলা হিস্প, (১৭) অ্যালুমিনা, (১৮) কার্বোভেজ, (১৯) রুটা ও (২০) সিপিয়া

👩‍🎤 #সিফিলিটিক

ধ্বংস মানেই সিফিলিটিক মায়াজম। এর চিন্তাভাবনাও যেমন ধ্বংসাত্মক, বডি ল্যাংগুয়েজে তেমনি আক্রমনাত্মক। যে কোন আলসার যেমন (ডিউডেনাল আলসার, গ্যাস্ট্রিক আলসার, পেকটিক আলসার, গ্যাংগ্রিনাস আলসার), শরীরের গঠনশৈলীতে এব্রো থেবড়ো ভাব, হাত পায়ের আঙ্গুল বাঁকা, মুখমণ্ডল এবং মাথা কিছুটা এব্রো থেবড়ো, অথবা সৌন্দর্যহীন। জন্ম থেকেই কোন না কোন জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মগ্রহণ করা। (যেমন ঠোঁট কাটা, সমস্ত শরীরে ক্ষত যুক্ত চর্ম রোগ, কোন একটা অঙ্গ না থাকা, সময় কান্নাকাটি না করা ইত্যাদি)। এবং যে সকল রোগের বৃদ্ধি শুধুমাত্র রাতের বেলা হয় সূর্য অস্ত থেকে শুরু করে সূর্য উদয় পর্যন্ত তারাও সিফিলিটিক মায়াজমের অন্তর্ভুক্ত। এদের মধ্যে বিকৃত যৌন কামনা থাকে। (পায়ুপথে যৌন মিলন করা, হোমো সেক্স, লেসবিয়ান, ট্রান্সজেন্ডার ইত্যাদিরা), ওরাল সেক্স, অথবা পশু পাখির সাথে মিলন করা, রেপ করা (ধর্ষন), কেউ তার যৌন কামনায় বাধা দিলে তাকে খুন করা ইত্যাদি। চেহারা বাঁচ বিচার না করে যার তার সাথে যৌন মিলন করা ইত্যাদি সিফিলিস মায়াজমের বৈশিষ্ট্য। চিন্তা ভাবনায় ও বিকৃতি ভাব থাকে। নিজের বাবা-মা, ছেলে-সন্তান,
আত্মীয়-স্বজন, প্রয়োজনে কাউকে হত্যা করতে তারা দ্বিধাবোধ করে না। এবং তার মধ্যে কোন অনুশোচনা বোধ থাকে না। এজন্য জগতের যত জঘন্য কাজ আছে। এবং খারাপ কাজ আছে তোর সবগুলোই সিফিলিস মায়াজমের রোগীরা করে সেটা মদ্যপান হোক বা খুন-খারাবি, চুরি-ডাকাতি, রক্তের বদলা রক্ত নেওয়া ইত্যাদি। কিন্তু এসবের ভুলে যে মাস্টার মাইন্ড হিসেবে থাকে কিন্তু সরাসরি অংশগ্রহণ করে না বরং পেছন থেকে কলকাটি নারে তিনি কিন্তু সাইকোসিস মায়াজমের অধীনে। শরীরের যে কোন ন্যাচারাল ডিসচার্জ বা স্রাবে দুর্গন্ধ থাকে।

💁‍♂ #সিফিলিসের লক্ষণ :

1. নিজের জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা। আত্মহত্যা করার প্রবণতা।

2. নৈরাশ্য, হঠকারিতা, মূর্খতা, বিতৃষ্ণা। স্মরণশক্তি ও ধারণশক্তি হ্রাস।

3. সূর্যাস্ত হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত বৃদ্ধি। জিহ্বা মোটা ও দাঁতের ছাপযুক্ত।

4. চুলকানীবিহীন চর্মরোগ। বিকলঙ্গতা। অস্থির ক্ষয়প্রাপ্তি।

5. দয়া মায়াহীনতা। পাষণ্ড ও নিষ্ঠুর, ক্ষমা করতে পারে না।

6. যে কোন জিনিস তাড়াতাড়ি বুঝতে না পারা। বোকা-বুদ্ধ, হাঁদারাম।
7. অগ্নিকান্ড, হত্যাকান্ডের স্বপ্ন দেখে।

8. মাংসে অরুচি কিন্তু দুগ্ধ খাইবার ইচ্ছা।

9. স্রাবের প্রচুরতা, দুর্গন্ধতা এবং স্রাব নিসরনে রোগ বৃদ্ধি। দুষ্টজাতীয় ফোঁড়া
10. অতিরিক্ত গরম-ঠান্ডা অসহ্য।

11. বারবার চুরি ডাকাতি, খুন-খারাবি (নেতার গল্প)

12. রাগের সময় ভাঙচুর করা, মারধোর করা, ছুড়ে ফেলে দেয়া, উদ্ধত আচরণ করা। বিচারবুদ্ধি হারিয়ে ফেলা।

13. শারীরিক ও মানসিক খর্বতা, মানসিক জড়তায় কথা কম বলে।

14. যাকে ভালোবাসে তাকে অন্ধভাবে ভালবাসে এমনকি তার জন্য নিজের জীবনও বিলিয়ে দিতে পারে

15. বংশগতভাবে প্রাপ্ত হোক বা নিজে অর্জিত সিফিলিস চাপা দেওয়ার কারণে সামান্যতেই বিষন্ন এবং মন মরা ভাব ।

16. গোটা মাথা টাক হয়ে যাওয়া। স্মরণশক্তির প্রচন্ড রকমের অভাব।

17. বিকৃত যৌন লালসা।, পাপের জন্য কোন অনুশোচনা নেই।

18. নিজের ক্ষতির কোন চিন্তা না করে মাদকাসক্ত হওয়া।

19. দাঁতের ছাপযুক্ত জিহ্বা, ঘুমের মধ্যে লালা নিঃসৃত হয়।

20. বিশেষ করে ঝিল্লীতে, অস্থিতে ক্ষত এবং নালী ঘা সৃষ্টি করে থাকে।

21. পুনঃপুনঃ গর্ভপাত, মৃত সন্তান জন্মদান, শুক্রহীনতা, বিভিন্ন রকম বিকলাঙ্গতা এবং দেহযন্ত্র শুকিয়ে যায়।

22. মাংস খেতে প্রবল অনিচ্ছা। ঠান্ডা খাওয়ার প্রচন্ড আকাংখা। সাময়িক উত্তেজক খাবার খাইতে চায়। মাখন ও রুটি খাবার প্রবল ইচ্ছা। দুধ খেতে ভালবাসে।

23. ভয়ের স্বপ্ন দেখে, বিশেষ করে মারামারি, আগুন, এক্সিডেন্ট ইত্যাদি।

24. নখ সমূহ নখগুলো কাগজের ন্যায় পাতলা এবং তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি ঘটে।

25. সিফিলিস রোগীদের চর্মে চুলকানী থাকে না, টাটানী থাকে, পুঁজযুক্ত রস পড়ে, পুরু ও ভারী মামড়ী পড়ে, অনেক আইস থাকে। ক্ষতে বা চর্মে রোগের সঙ্গে লিম্ফ গ্লান্ডগুলি সক্রিয় থাকে। ক্ষতের চারিধার অসমান থাকে।

26. সিফিলিস রোগীদের ঘর্ম খুব বেশী। সামান্য গরমেই প্রচুর দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষতকর ঘাম হয়, ঘর্মে রোগের বৃদ্ধি ঘটে। ঘামে কাপড়ে দাগ হয়।

👩‍🎤 #রোগ সমূহঃ #সিফিলিস

শিশুর মুখে ঘা, বিভিন্ন বিষাক্ত ফোড়া, রক্ত দোষ, দেরীতে দাঁত উঠা, অল্প বয়সে দাঁতে পোঁকা, আমাশয়, রক্ত, আমাশয়, ভগন্দর, মামস,কানপাকা, বোকা, অন্ধত্ব, মাথার হাড়ে,কোমলতা বা দেরীতে জোড়া লাগা, বেটে ও বুদ্ধিহীনতা, পুঁজযুক্ত চুলকানী, ক্যান্সার, উচ্চ রক্ত চাপ, একজিমা, বাগী, শ্যাংকার ক্ষত, টাকপড়া, ব্রঙ্কোরিয়া, গুটি বসন্ত, কানপাকা, গ্যাংগ্রিণ, কুষ্ঠ, পাইওরিয়া, রাতে ক্রন্দন, হার্টে ছিদ্র থাকা, ঠোঁট কাটা, জিহ্বা কাটা, হাত-পা বা অন্যকোন অঙ্গে বিকৃত অবস্থা বা না থাকা, বাগী হওয়ার প্রবণতা। এছাড়া চরিত্রে এক ধরনের বদ মেজাজী ভাব, প্রতিশোধ পরায়ণতা, মানসিক ভারসাম্যহীনতা, পচনশীল যে কোন রোগ, দুর্গন্ধ পুঁজ ও রস নিঃসরণকারী চর্মপীড়া, দুর্গন্ধযুক্ত ঋতুস্রাব ও প্রদরস্রাব। কর্ণ, নাসিকা ইত্যাদিতে ক্ষত ও দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব। প্রস্রাব যন্ত্রের ক্ষত, গলক্ষত। মেরুমজ্জার ক্ষত, অস্থিক্ষয়, মুখে ক্ষত ও দুর্গন্ধ লালাস্রাব। পচন, উদরে ক্ষত, অন্ধত্ব, বধিরতা, উন্মাদ ইত্যাদি।

💁‍♂ #২০টি গুরুত্বপূর্ণ এন্টিসিফিলিটিক ঔষুধের নাম:

(১) মার্কুরিয়াস গ্রুপ, (২) সিফিলিনাম, (৩) অরাম মেট, (৪) ফুরিক এসিড, (৫) কারসিনোসিন, (৬) কেলি গ্রুপ, (৭) হাইড্রোফিনাম, (৮) নাইট্রিক এসিড, (৯) ক্রিয়োজোট, (১০) ফাইটোলক্কা, (১১) ট্যারেন্টুলা কিউবেন্সিস, (১২) সিনাবেরিস, (১৩) মেজেরিয়াম, (১৪) এসাফ্যাটিডা, (১৫) ল্যাকেসিস, (১৬) টিউবারকুলিনাম, (১৭) ফসফরাস, (১৮) সাইলিশিয়া, (১৯) ক্যালকেরিয়া আয়োড এবং ফ্লোর ও ২০) হিপার সালফ।

👩‍🎤 #গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটি শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন।

👩‍ #পরবর্তী দুটি মায়াজম সম্পর্কে জানতে এই পোস্টটি নতুনদের মাঝে বেশি বেশি শেয়ার করুন প্লিজ 🙏🙏

👩‍💼 #ডাঃ বিল্লাল হোসেন

Basics of Human  Anatomy :-********************আমি সহজ বাংলায় এর সারমর্ম বুঝিয়ে দিচ্ছি:​১. অ্যানাটমি বা শারীরস্থানবিদ্যা...
24/02/2026

Basics of Human Anatomy :-
********************
আমি সহজ বাংলায় এর সারমর্ম বুঝিয়ে দিচ্ছি:

​১. অ্যানাটমি বা শারীরস্থানবিদ্যা কী?
​মানুষের শরীরের গঠন কেমন এবং এর বিভিন্ন অংশগুলো দেখতে কেমন, তা জানাই হলো অ্যানাটমি। শরীরকে সঠিকভাবে বোঝার জন্য এটি জানা খুবই জরুরি।

​২. এই পাঠে আমরা কী কী শিখব?
​এই অধ্যায়টি পড়ার পর তুমি নিচের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারবে:

#​হাড়ের শ্রেণিবিভাগ ও গঠন: শরীরের হাড়গুলো কোন অঞ্চলে অবস্থিত এবং সেগুলো কী দিয়ে তৈরি।

#​হাড়ের কাজ: আমাদের শরীরে হাড়গুলো আসলে কী কী কাজ করে।

#​আকৃতি অনুযায়ী হাড়ের ভাগ: হাড়গুলো দেখতে কেমন (লম্বা, খাটো, চ্যাপ্টা ইত্যাদি), সেই অনুযায়ী তাদের ভাগ।

#​বিকাশ ও কাঠামো অনুযায়ী ভাগ: হাড়গুলো কীভাবে বড় হয় এবং তাদের অভ্যন্তরীণ গঠন কেমন।

#​ত্বক(Skin): চামড়া বা ত্বকের গঠন এবং এটি আমাদের শরীরে কী কী কাজ করে।

#​ভিসেরা(Viscera): শরীরের ভেতরের নরম অঙ্গগুলো (যেমন: হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ইত্যাদি) সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা।

​সহজ উদাহরণ দিয়ে বোঝা:
​মনে করো, তুমি একটি বাড়ি বানাবে। এই বাড়ির অ্যানাটমি হবে—বাড়িটির দেওয়ালগুলো কী দিয়ে তৈরি, জানলা কোথায় আছে এবং এর কঙ্কাল বা পিলারগুলো কেমন। আমাদের শরীরের ক্ষেত্রেও হাড় হলো সেই পিলার, আর চামড়া হলো বাড়ির বাইরের রঙ বা প্রলেপ।

★হাড় (Bones) এবং ত্বক (Skin) আমাদের শরীরে কী কী কাজ করে, তা নিচে সহজভাবে আলোচনা করা হলো:

​১. হাড়ের কাজ (Functions of the Bones)
​আমাদের শরীরের কঙ্কাল বা হাড়ের কাঠামো অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে:

#​কাঠামো তৈরি (Support): হাড় আমাদের শরীরের মূল কাঠামো তৈরি করে, যার ফলে আমরা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারি।

#​সুরক্ষা (Protection): হাড় শরীরের নরম ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে। যেমন—মাথার খুলি মগজকে এবং পাঁজরের হাড় হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসকে আগলে রাখে।

#​চলাচল (Movement): হাড়ের সাথে পেশি যুক্ত থাকে, যা আমাদের হাত-পা নাড়াতে এবং হাঁটতে সাহায্য করে।

#​রক্তকণিকা তৈরি: হাড়ের ভেতরে থাকা মজ্জা (Bone marrow) থেকে শরীরের রক্তকণিকা তৈরি হয়।

#​খনিজ জমা রাখা: হাড় ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ শরীরে জমা রাখে।

​২. ত্বকের গঠন ও কাজ (Structure and Function of the Skin)
​ত্বক বা চামড়া হলো আমাদের শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ।
এর প্রধান কাজগুলো হলো:
i)​ঢাল হিসেবে কাজ করা: এটি বাইরের ধুলোবালি, জীবাণু এবং আঘাত থেকে শরীরের ভেতরের অংশকে রক্ষা করে।

ii)​তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ: ঘামের মাধ্যমে ত্বক আমাদের শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

iii)​অনুভূতি গ্রহণ: ত্বকের মাধ্যমেই আমরা ঠান্ডা, গরম, ব্যথা বা স্পর্শ অনুভব করতে পারি।

iv)​বর্জ্য নিষ্কাশন: ঘামের সাহায্যে শরীর থেকে কিছু ক্ষতিকারক বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়।

​৩. হাড়ের আকৃতি ও শ্রেণিবিভাগ

​হাড়ের গঠন এবং আকৃতি ভিন্নভিন্ন হয়:
#​লম্বা হাড় (Long bones): -
যেমন- আমাদের হাতের বা পায়েরহাড়।
#​ছোট হাড় (Short bones):-
যেমন- কবজি বা গোড়ালিরহাড়।
#​চ্যাপ্টা হাড় (Flat bones): -
যেমন-বুকের পাঁজরের হাড়।

আমাদের শরীরের হাড়গুলোকে তাদের অবস্থান এবং আকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়! নিচে সহজভাবে হাড়ের শ্রেণিবিভাগ দেওয়া হলো:-

​১. আঞ্চলিক শ্রেণিবিভাগ
(Regional Classification):-

​আমাদের শরীরকে মূলত দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করে হাড়ের হিসেব করা হয়:

১.​অক্ষীয় কঙ্কাল (Axial Skeleton): এটি শরীরের মাঝখানের অংশ। এতে থাকে মাথার খুলি (Skull),
মেরুদণ্ড (Vertebral column)
এবং বুকের খাঁচা (Ribs)।

২.​উপাঙ্গীয় কঙ্কাল (Appendicular Skeleton): এটি শরীরের হাত ও পায়ের অংশ। এতে হাত ও পায়ের হাড় এবং কাঁধ ও কোমরের হাড় অন্তর্ভুক্ত।

​★ আকৃতি অনুযায়ী হাড়ের ভাগ (Classification by Shape):-
​হাড়গুলো দেখতে কেমন, তার ওপর ভিত্তি করে এদের নাম দেওয়া হয়:

*★লম্বা হাড় (LongBones)
যেমন-আমাদেরহাতেরহাড়(Humerus)
বা পায়ের উরুর হাড় (Femur)।

*★​খাটো হাড় (Short Bones): এগুলো সাধারণত কবজি (Carpals) বা গোড়ালিতে (Tarsals) থাকে।

*★​চ্যাপ্টা হাড় (Flat Bones): যেমন আমাদের মাথার খুলির হাড় বা বুকের মাঝখানের হাড় (Sternum)।

*★​অনিয়মিত হাড় (IrregularBones):
যেগুলোর আকার নির্দিষ্ট নয়, যেমন আমাদের মেরুদণ্ডেরহাড় (Vertebrae)

​৩. হাড়ের গঠন (Composition of Bones)
​হাড় শুধু শক্ত পাথর নয়, এটি জীবন্ত কোষ দিয়ে তৈরি।

এতে থাকে:​
★ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস: যা হাড়কে শক্ত করে।

★​কোলাজেন: এক ধরনের প্রোটিন যা হাড়কে কিছুটা নমনীয় রাখে যাতে সহজে ভেঙে না যায়।

★​অস্থিমজ্জা (Bone Marrow): হাড়ের ভেতরের নরম অংশ যেখানে রক্ত তৈরি হয়।
​মনে রাখার সহজ উপায়:
আমাদের শরীরে মোট ২০৬টি হাড় থাকে। জন্মের সময় শিশুদের আরও বেশি হাড় থাকে, কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে কিছু হাড় একসাথে জোড়া লেগে যায়।

23/02/2026

পালসেটিলার পরিচয়ঃ বহুল ব্যবহৃত এক হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন, যাকে সবাই কোমলমতি নামেই ডাকে।
জন্মঃ–উইন্ড ফ্লাওয়ার গাছ থেকে প্রস্তুত করা হয়েছে।

ক্রিয়াস্থলঃ মিউকাস মেমব্রেন। পাকস্থলী।স্ত্রী ও পুরুষ জননেন্দ্রিয়ের উপর বেশি কার্যকরী ।

ধাতুগত বৈশিষ্ট্যঃ

১.রোগী দেখতে ফর্সা, নম্র ভদ্র,স্নেহ প্রবণ,কোমলমতি।অল্পতেই কেঁদে ফেলে, গরম কাতর।

মায়াজমঃ
👉টিউবারকলার।

মূল কথাগুলোঃ–
১.শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনশীলতা।
২. যারা নম্র ভদ্র, ও ভীরু, তাদের জন্য বেশি উপযোগী।
৩.সহজেই কান্না করে, সান্তনা ও ভালোবাসা দিলে উপশম।
৪. শিশু ও নারীদের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত ।
৫.রোগী না কেদে রোগ লক্ষণ বলতে পারেনা।
৬. রোগী দেখতে মোটা, থলথলে, নাদুসনুদুস।
৭.মহিলাদের মাসিক দেরিতে হয়।
৮.রোগ লক্ষণ ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তিত হয়।
৯.যেকোনো ব্যথা হঠাৎ আসে ধীরে ধীরে যায়।
১০.মুখ শুষ্ক কিন্তু পিপাসা হীন।
১১.গুরু পাক খাবার খেয়ে পেটে সমস্যা।
১২.মাসিক ঋতুস্রাব দিনের বেলা বেশি হয়।
১৩.চোখের উপরের পাতায় অঞ্জনি হয়।
১৪.একাকীতে ভয়, অন্ধকারে ভয়, ভূতের ভয়।
১৫.সহানুভূতি পছন্দ করে।
১৬.সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে।
১৭.অর্থ সম্পদের প্রতি লোভ ওকৃপণ।
১৮.অত্যন্ত অভিমানী, আবেগপ্রবণ।
১৯. সামান্য কথায় কষ্ট পায় আবার একটু আদরেই সন্তুষ্ট।

পছন্দঃ –টক, আইসক্রিম, মিষ্টি
অপছন্দঃ –চর্বিযুক্ত খাবার, উষ্ণ খাদ্য, রুটি ও দুধ।

#বৃদ্ধিঃ

👉গরম ঘরে
👉সন্ধ্যায়
👉গুরুপাক খাদ্যে
👉উত্তাপে
👉নড়াচড়ায়

#উপশমঃ

👉খোলা বাতাসে
👉শীতল ঘরে
👉ঠান্ডা পানীয়ে
👉তৃপ্তি সহকারে কান্না করলে।

ক্রিয়া নাশকঃ
👉ক্যামোমিলা, কফিয়া, ইগ্নেসিয়া, নাক্স ভম।

সতর্কতাঃ
চোখ ওঠা রোগের প্রথম অবস্থায় কখনো পালসেটিলা ব্যবহার করা উচিত নয়।

> নরমাল ডেলিভারিঃ–
আট মাস পর থেকে ব্যবহার করলে নরমাল ডেলিভারি সহজ হয়।গর্ভাবস্থায় উল্টানো বাচ্চার পজিশন ঠিক করে। গর্ভাবস্থার প্রথম ভাগে পালসেটিলা ব্যবহার করা উচিত নয়।
ক্রিয়া কালঃ - ৪০ দিন।

মানব দেহে অসংখ্য হরমোন আছে যা শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এগুলো অন্তঃস্রাবী গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এব...
15/01/2026

মানব দেহে অসংখ্য হরমোন আছে যা শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এগুলো অন্তঃস্রাবী গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে লক্ষ্য কোষে পৌঁছায়।
হরমোনের প্রকারভেদ (গঠন অনুযায়ী):
অ্যামাইনো অ্যাসিড ডেরিভেটিভ: থাইরক্সিন, অ্যাড্রেনালিন।
পেপটাইড/প্রোটিন:- ইনসুলিন, গ্রোথ হরমোন, অক্সিটোসিন।
স্টেরয়েড: কর্টিসোল, ইস্ট্রোজেন, টেস্টোস্টেরন (কোলেস্টেরল থেকে তৈরি)।
হরমোন শরীরের ভারসাম্য (হোমিওস্ট্যাসিস) বজায় রাখতে এবং সুস্থ জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য
মানবদেহে অনেক হরমোন আছে, তবে ব্যবহারিকভাবে গুরুত্বপূর্ণগুলো নিচে দেওয়া হলো—
1️⃣ ** থাইরয়েড হরমোন (Thyroid Hormones):** থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় (T3, T4), বিপাক ক্রিয়া ও শক্তির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
গ্রন্থি: থাইরয়েড
কাজ:শরীরের মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ
ওজন, শক্তি, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ
ইম্ব্যালেন্স হলে:-
হাইপোথাইরয়েড→ ওজন বৃদ্ধি, অলসতা
হাইপারথাইরয়েড → ওজন কমা, ঘাম, হার্টবিট বেড়ে যাওয়া
2️⃣** ইনসুলিন (Insulin):** অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
গ্রন্থি: অগ্ন্যাশয় (Pancreas)
কাজ:রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ
ইম্ব্যালেন্স হলে:ডায়াবেটিস, দুর্বলতা, অতিরিক্ত পিপাসা
3️⃣ কর্টিসল (Stress Hormone)
গ্রন্থি: অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে আসে
কাজ:স্ট্রেস মোকাবিলা রক্তচাপ ও শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
ইম্ব্যালেন্স হলে:
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, ঘুমের সমস্যা
4️⃣ ** গ্রোথ হরমোন (Growth Hormone):** পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়
গ্রন্থি: পিটুইটারি
কাজ:
টিস্যু রিপেয়ার,শিশুদের বৃদ্ধি ও বিকাশ নিয়ন্ত্রণ করে।
ইম্ব্যালেন্স হলে:
শিশুদের বৃদ্ধি কম
প্রাপ্তবয়স্কদের দুর্বলতা
5️⃣ ** ইস্ট্রোজেন (Estrogen ):** ডিম্বাশয় থেকে আসে, ।এস্ট্রোজেন (মহিলা)
গ্রন্থি: ওভারি
কাজ:
নারীসুলভ বৈশিষ্ট্য,মহিলাদের প্রজনন ও মাসিক চক্র নিয়ন্ত্রণ করে!
ইম্ব্যালেন্স হলে:
অনিয়মিত মাসিক, মুড সুইং
6️⃣ প্রোজেস্টেরন*(Progesterone)*
কাজ:
গর্ভধারণ বজায় রাখা,মাসিক নিয়ন্ত্রণ
7️⃣ টেস্টোস্টেরন (Testosterone):** পুরুষদের যৌন বৈশিষ্ট্য ও প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ (ডিম্বাশয় ও অ্যাড্রেনাল গ্রন্থিতেও তৈরি হয়!
গ্রন্থি: টেস্টিস
কাজ:পুরুষত্ব,পেশি শক্তি,যৌন ক্ষমতা
ইম্ব্যালেন্স হলে:
যৌন দুর্বলতা, ক্লান্তি
8️⃣** অ্যাড্রেনালিন (Adrenaline):** অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে আসে, 'ফাইট অর ফ্লাইট' প্রতিক্রিয়ার জন্য জরুরি।
9️⃣** মেলাটোনিন (Melatonin):**
পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে আসে,
ঘুম-জাগরণ চক্র (circadian rhythm) নিয়ন্ত্রণ করে।

🔹 হরমোনাল ইম্ব্যালেন্সে সহায়ক হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন

🌿 থাইরয়েড সমস্যা
Thyroidinum – হাইপো/হাইপার থাইরয়েড
Calcarea Carbonica – ওজন বৃদ্ধি, ঠান্ডা লাগা
Iodum – ওজন কমে যাওয়া, অস্থিরতা
🌿 ডায়াবেটিস / ইনসুলিন সমস্যা
Syzygium Jambolanum – রক্তে সুগার কমাতে সহায়ক
Uranium Nitricum – তীব্র দুর্বলতা
Phosphoric Acid – মানসিক ক্লান্তি
🌿 স্ট্রেস ও কর্টিসল ইম্ব্যালেন্স
Nux Vomica – মানসিক চাপ, রাগ
Kali Phos – নার্ভ দুর্বলতা
Ignatia – দুঃখ, আবেগজনিত সমস্যা
🌿 মহিলা হরমোন সমস্যা
Pulsatilla – অনিয়মিত মাসিক
Sepia – হরমোনাল ডিপ্রেশন
Lachesis – মেনোপজ সমস্যা
🌿 পুরুষ হরমোন দুর্বলতা
Agnus Castus – যৌন দুর্বলতা
Selenium – শারীরিক ক্লান্তি
Caladium – ইচ্ছা থাকলেও শক্তি নেই
⚠️ নোট: এগুলো সাধারণ তথ্য। রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী মেডিসিন ভিন্ন হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।
🔹 অতিরিক্ত পরামর্শ
✔ নিয়মিত ঘুম
✔ স্ট্রেস কমানো
✔ জাঙ্ক ফুড এড়ানো
✔ প্রয়োজনে হরমোন টেস্ট
আপনি চাইলে আমি নির্দিষ্ট কোনো হরমোন সমস্যা (থাইরয়েড, PCOS, ডায়াবেটিস, পুরুষ বা মহিলা আলাদা করে) ব্যক্তিগত হোমিওপ্যাথিক সাজেশনও দিতে পারি।

Address

Silchar
788805

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health is Wealth. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Health is Wealth.:

Share