প্রবাসীদের অনলাইন হোমিও চিকিৎসা

প্রবাসীদের অনলাইন হোমিও চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন প্রতিদিন।

অর্শ- পাইলস বা ভগন্দর রোগের হোমিও চিকিৎসা। অর্শ,পাইলস ও ভগন্দর একটি যন্ত্রণা দায়ক রোগ। রোগী হাটতে,বসতে,চলতে সর্বদা যন্ত্...
04/02/2026

অর্শ- পাইলস বা ভগন্দর রোগের হোমিও চিকিৎসা।

অর্শ,পাইলস ও ভগন্দর একটি যন্ত্রণা দায়ক রোগ।

রোগী হাটতে,বসতে,চলতে সর্বদা যন্ত্রণা অনুভব করে।

মলদ্বারে যন্ত্রণা বা রক্ত বেড় হলেই আমরা অর্শ বলে মনে করি।

মলদ্বারে তিন ধরনের রোগ হতে পারে।

১) অর্শ বা পাইলস

২) এনাল ফিসার

৩) এনাল ফিশ্চুলা

অর্শ:-

মলদ্বারের বাহির ও ভিতরে শিরা ফুলে উঠে ও মটর দানার ন্যায় বলি দেখা যায়, মূলত এটাই হল অর্শ।

এনাল ফিসার :-

এনাল ফিসারকে এনাল আলসার ও বলাহয়।

মিউকাস মেমব্রেন ফেটে ক্ষতের সৃষ্টি হয়া।

রক্ত বেড় হওয়া।

বা পাইলস এর কারনে ও এনাল ফিসার হতে পারে।

ভগন্দর বা ফিশ্চুলা:-

আয়ুর্বেদ বা বাংলায় এটিকে ভগন্দর বলে।

এট পায়ুপথে এক প্রকার ঘাঁ। যাকে নালী ঘাঁ হিসেবে ও অনেকে চিনে থাকে।

পায়ুপথে যন্ত্রণা, পূজ পানি পড়া, যন্ত্রণা হওয়া,পায়ুপথ ফুলে যাওয়া সহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে ক্যান্সারের মত ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

হোমিও চিকিৎসক গন রোগীর সার্বিক অবস্থা যেনে

রোগ নির্নয় করে চিকিৎসা পত্র প্রদান করলে অল্প সময় ও অল্প খরচে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করে থাকে।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পেতে যোগাযোগ করুন WhatsApp +601126157126

🔴 পুরুষদের যৌন সমস্যায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাপার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন | নিরাপদ | দীর্ঘস্থায়ী সমাধানবর্তমান জীবনের অতিরিক্ত ম...
17/01/2026

🔴 পুরুষদের যৌন সমস্যায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন | নিরাপদ | দীর্ঘস্থায়ী সমাধান
বর্তমান জীবনের অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অনিয়মিত জীবনযাপন, ধূমপান, অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও হরমোনজনিত সমস্যার কারণে অনেক পুরুষই বিভিন্ন যৌন সমস্যায় ভুগছেন। হোমিওপ্যাথি এই সমস্যাগুলোর মূল কারণ থেকে চিকিৎসা করে।

⚠️ সাধারণ যৌন সমস্যা

✔️ যৌন দুর্বলতা
✔️ দ্রুত বীর্যপাত
✔️ ইরেকশন সমস্যা (শক্ত না হওয়া)
✔️ যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া
✔️ বীর্য পাতলা বা কম হওয়া
✔️ স্বপ্নদোষ
✔️ মানসিক অস্থিরতা ও আত্মবিশ্বাসের অভাব
✔️ বিবাহিত জীবনে অসন্তুষ্টি

✅ হোমিওপ্যাথির সুবিধা

✔️ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই
✔️ শরীর ও মনের ভারসাম্য রক্ষা করে
✔️ দীর্ঘস্থায়ী ফল দেয়
✔️ গোপনীয়তা সম্পূর্ণ বজায় থাকে
📌 কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ
✔️ পর্যাপ্ত ঘুম
✔️ ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার
✔️ পুষ্টিকর খাবার
✔️ মোবাইল ও পর্ন আসক্তি কমানো
✔️ নিয়মিত ব্যায়াম
📞 চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

👉 আপনার সমস্যার ধরন জানাতে ইনবক্স করুন

👉 অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের মাধ্যমে নিরাপদ চিকিৎসা নিন

#পুরুষেরযৌনসমস্যা
#হোমিওপ্যাথি_চিকিৎসা
#যৌনদুর্বলতা
#দ্রুতবীর্যপাত
#ইরেকশনসমস্যা

দাউদ / Ringworm  কি? দাউদ বা Ringworm একটি ছত্রাকজনিত (Fungal) চর্মরোগ। নামের মধ্যে “worm” থাকলেও এটি কোনো কৃমিজনিত রোগ ...
28/12/2025

দাউদ / Ringworm কি?
দাউদ বা Ringworm একটি ছত্রাকজনিত (Fungal) চর্মরোগ। নামের মধ্যে “worm” থাকলেও এটি কোনো কৃমিজনিত রোগ নয়। ত্বকের উপরিভাগে ফাঙ্গাস সংক্রমণের ফলে এই রোগ হয়।

🦠 দাউদের প্রধান বৈশিষ্ট্য ;
গোলাকার বা আংটির মতো লালচে দাগ। দাগের চারপাশ উঁচু, মাঝখান তুলনামূলক পরিষ্কার। তীব্র চুলকানি, বিশেষ করে রাতে। ঘাম হলে জ্বালা ও চুলকানি বাড়ে। মাথা, মুখ, কুঁচকি, বগল, কোমর, হাত-পা যেকোনো জায়গায় হতে পারে।

⚠️ সংক্রমণের কারণ ;
অতিরিক্ত ঘাম। অপরিষ্কার ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। সংক্রমিত ব্যক্তির কাপড়/তোয়ালে ব্যবহার। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা।

🌼 দাদ (Ringworm) - এ ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ;

📌 কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ ;
✔ ত্বক পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন
✔ আলাদা তোয়ালে ও কাপড় ব্যবহার করুন
✔ ঘাম জমতে দেবেন না
✔ দাদ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা ;
চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগ করা যাবে না।

Constipation (কোষ্ঠকাঠিন্য) কি?Constipation বা কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন অবস্থা যেখানে➡️ মলত্যাগ কম হয়,➡️ মল শক্ত ও শুকনো হয়,...
21/12/2025

Constipation (কোষ্ঠকাঠিন্য) কি?

Constipation বা কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন অবস্থা যেখানে
➡️ মলত্যাগ কম হয়,
➡️ মল শক্ত ও শুকনো হয়,
➡️ বা মল ত্যাগ করতে অনেক কষ্ট/জোর দিতে হয়।

সাধারণত সপ্তাহে ৩ বারের কম মল হলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়।

🔹 সাধারণ লক্ষণ

শক্ত, শুকনো মল

মলত্যাগে কষ্ট বা ব্যথা

পেট ফাঁপা, ভারী লাগা

মল পুরো পরিষ্কার হয়নি মনে হওয়া

মাঝে মাঝে পেট ব্যথা

🔹 কারণ

কম পানি পান

ফাইবারযুক্ত খাবার কম খাওয়া

দীর্ঘক্ষণ মল চেপে রাখা

শারীরিক পরিশ্রম/ব্যায়াম কম

কিছু ওষুধ (আয়রন, ব্যথার ওষুধ, অ্যান্টাসিড ইত্যাদি)

গর্ভাবস্থা, বয়স বৃদ্ধি

থাইরয়েড বা অন্যান্য রোগ

🔹 করণীয় / প্রতিরোধ

দিনে ২–৩ লিটার পানি পান

শাকসবজি, ফল, আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান

নিয়মিত হাঁটা/ব্যায়াম

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে টয়লেটে বসার অভ্যাস

প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে laxative

⚠️ কখন ডাক্তার দেখাবেন?

দীর্ঘদিন (২–৩ সপ্তাহ) ধরে থাকলে

মলের সাথে রক্ত

হঠাৎ ওজন কমে গেলে

তীব্র পেট ব্যথা বা বমি হলে

 #হস্তমৈথুনের_অভ্যাস_দূর_করতেহস্তমৈথুনের অভ্যাস মানসিক, শারীরিক বা অভ্যাসজনিত কারণে তৈরি হয়। এটা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব...
21/12/2025

#হস্তমৈথুনের_অভ্যাস_দূর_করতে
হস্তমৈথুনের অভ্যাস মানসিক, শারীরিক বা অভ্যাসজনিত কারণে তৈরি হয়। এটা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব, তবে সচেতন ও নিয়মিতভাবে চেষ্টা করতে হয় অন্তর থেকে, নিজের প্রচেষ্ঠা থাকতে হয় গভীর থেকে। নিচে ধাপে ধাপে কার্যকর কিছু পরামর্শ দেওয়া হলোঃ

১. মনোভাব পরিবর্তন করাঃ
হস্তমৈথুনকে “অপরাধবোধ” নয়, বরং “একটা অভ্যাস” হিসেবে দেখো যেটা তুমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
লক্ষ্য নির্ধারণ করো — কেন তুমি বন্ধ করতে চাও (যেমন: আত্মনিয়ন্ত্রণ, আত্মবিশ্বাস, শারীরিক শক্তি রক্ষা, মানসিক শান্তি)।

২. ধীরে ধীরে কমানঃ
হঠাৎ বন্ধ না করে ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়াও (যেমন: প্রতিদিন → ৩ দিনে একবার → সপ্তাহে একবার → বন্ধ)।
একটি “স্ট্রিক কাউন্টার” বা ডায়েরিতে লিখে রাখো কতদিন সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলে।

৩. উত্তেজক বিষয় এড়িয়ে চলাঃ
পর্ন, অশ্লীল ভিডিও, ছবি, গল্প বা চিন্তা এড়িয়ে চলো।
ফোন বা ইন্টারনেটে "SafeSearch" চালু রাখো।
রাত জেগে মোবাইল ব্যবহার কমাও।

৪. শরীরকে ব্যস্ত রাখাঃ
প্রতিদিন ৩০–৪৫ মিনিট ব্যায়াম করো (দৌড়, পুশআপ, যোগব্যায়াম, সাঁতার)।
নতুন শখ নাও — যেমন বই পড়া, গান শেখা, আঁকাআঁকি, খেলাধুলা ইত্যাদি।

৫. মনোসংযম চর্চা করোঃ
প্রার্থনা, ধ্যান বা মেডিটেশন করো — এতে যৌন চিন্তা কমে।
গভীর শ্বাস নাও, মনোযোগ অন্য কাজে ঘুরিয়ে নাও যখন ইচ্ছা হয়।

৬. শারীরিক যত্নঃ
পরিমিত ঘুম (৭–৮ ঘন্টা)
পুষ্টিকর খাবার (বাদাম, ফল, দুধ, ডিম) শরীর ক্লান্ত থাকলে হস্তমৈথুনের প্রবণতা কমে যায়।
৭. সহায়তা নেনঃ
যদি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারো, মনোবিজ্ঞানী বা হোমিও/চিকিৎসকের পরামর্শ নাও। সাপোর্টিভ বন্ধু বা ভাইয়ের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করো (লজ্জা নয়, এটি মানসিক অভ্যাস)।

এটি দূর করতে না পারলে যে সকল সমস্যা হতে পারে, সেগুলো এক নজরে দেখে নাও।
১. খুবই দ্রত বী:র্যপাত হয়ে যাবে।
২. সহ:বাসে লি:ঙ্গ যথেষ্ঠ শক্ত হবে না। ইচ্ছে করেও শক্ত করা যাবে না। অনেক সময় নিয়েও শক্ত হয় না।। শক্ত হলেও সাথে সাথে নেতিয়ে যায়। বা প্রবেশ করানোর মত শক্ত হয় না।
৩. বী:র্য পাতলা হবে।
৪. বী:র্যে শুক্রানো কমে যাবে
৫. স্মৃতি শক্তি বা মেধাশক্তি/ স্মরণ শক্তি কমে যাবে।
৬. শরীর সর্বদা দূর্বল লাগবে।
৭. সে-ক্স হরমোন টেস্টো:স্টেরন কমে যাবে। প্রচুর মাথার চুল উঠবে। চুলের রং ফ্যাকাশে হবে, লাল হতে থাকবে।
৯. যৌ+ন চাহিদা কমতে থাকবে। সহ,বা,সে ইচ্ছে কমে যাবে।
১০. যৌ-ন চাহিদা থাকবে কিন্তু সক্ষমতা কমে যাবে।
১১.লি-ঙ্গ প্রবেশের আগেই বা সাথে সাথে বীঃর্যঃপাঃত হবে।
১২. ibs, বদ হজম, ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হলে। অন্ডকোষ ঝুলে যাবে অতিরিক্ত।
১৩. অন্ড-কোষ মারাত্নক ভাবে ঝুলে যাবে।।
১৪. স্বাস্থ্য শুকিয়ে যাবে, ত্বকের লাবণ্য কমে যাবে।
১৫. দৃষ্টিশক্তি কমবে।
১৬. ধৈর্য থাকবে না, সর্বদা অস্থিরতা কাজ করবে
১৭. পড়াশোনা, চাকরি, পেশায় মনোযোগ থাকবে না।
১৮. অনিয়ন্ত্রিত সপ্ন:দোষ হতে পারে বা একদম হবে না শরীরে ঘাটতি থাকলে।
১৯. লি:ঙ্গের বৃদ্ধি হবে না।
২০. শরীর, স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পাবে না। খাবারে অরুচি থাকবে।

এছাড়াও ব্যক্তিভেদে নানা ধরনের জটিলতা থাকতে পারে।

মনে রাখবেন:- লিঙ্ক বড়, মোটা, লম্বা করা কোন মলম, মালিস, তৈল, জেল, অলিভ ওয়েল, সান্ডার তৈল, জোকের তৈল, অলিভ ওয়েল, সরিষার তৈল আবিস্কার হয়নি। tv তে, ফোনে, পোস্টারে, ব্যানারে যত বিজ্ঞাপন দেখেন সব ১০০০০% ভুয়া, প্রতারনা, বাটপারি। সাধারণত যারা বেকার, মা বাবার ঘাড়ে চেপে পরিবারের খাবার নষ্ট করে, পড়াশোনা ঠিক নাই, বাদাইম্যার মত চলাপেরা করে তারাই লিঙ্ক নিয়ে পরে থাকে। কোন চাকরি বা কাজ করলে দায়িত্বের সঙ্গে পালন করে না তারাই লিঙ্ক নিয়ে দুশ্চিন্তা করে। কোন দায়িত্বশীল লোক লিঙ্ক নিয়ে পরে থাকার কথা না। সহবাসের জন্য মাত্র শক্ত অবস্থায় ৩"-৩.৫" হলেই হয়। তাহলে টেনশন কেন করবেন? লিঙ্গের সাইজ আপনার যা আছে কোন সমস্যা নেই, ঠিকঠাক আছে। টাইমিং ও শক্ত হওয়াই আসল।

উপরের ১ থেকে ২০ টি সমস্যা ভালো করে দেখেন আবার, নিজের সাথে মিলিয়ে নেন।

গ্যাস ও পেটফোলার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:-গ্যাস ও পেটফোলা সাধারণত বদহজম এবং তলপেট অঞ্চলে অত্যধিক গ্যাস জমা হওয়ার কারণে ঘটে...
21/12/2025

গ্যাস ও পেটফোলার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:-

গ্যাস ও পেটফোলা সাধারণত বদহজম এবং তলপেট অঞ্চলে অত্যধিক গ্যাস জমা হওয়ার কারণে ঘটে। এতে পেটে চাপ ধরা বা ফোলাভাব এবং কিছু চরম ক্ষেত্রে শরীর দুর্বল করে দেওয়া তীব্র ব্যথা ও অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ফুলে যাওয়া এবং গ্যাসের অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে গম বা ময়দায় অ্যালার্জি, অস্বস্তিকর পেটফাঁপার লক্ষণ, যা খেলে পেট ফেঁপে যাওয়া, ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতার পাশাপাশি অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো গুরুতর পরিস্থিতি।

হোমিওপ্যাথি একটি বহু পুরোনো চিকিৎসা বিজ্ঞান যা প্রাকৃতিক ওষুধের সাহায্যে এই গ্যাস বদহজম এবং আরও অনেক ধরণের রোগের চিকিৎসা করার চেষ্টা করে। তবে সঠিক চিকিৎসা পাওয়ার জন্যডাক্তারের কাছে যাওয়া এবং তাকে আপনাকে সঠিকভাবে পরীক্ষা করার এবং ওষুধগুলির সঠিক সংমিশ্রণটি নির্ধারণ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। কেননা চিকিৎসক আপনার অবস্থা এবং রোগের লক্ষণগুলি যত ভাল বুঝতে পারবেন, তিনি তত ভাল চিকিৎসা আপনাকে দিতে পারবেন।

ফাঁপা পেট বলতে আসলে পেটে একরকম পূর্ণতার অনুভূতি, দৃঢ়তা এবং ফুলে যাওয়া বোঝায়। এতে পেটে অতিরিক্ত গ্যাস জমা হয়। পেটে ফুলে যাওয়া বেদনাদায়ক হতে পারে, পাশাপাশি ক্র্যাম্পিং বা খিলও ধরতে পারে।

এরকম পেট ফোলার পেছনে প্রধান কারণগুলি হল কোষ্ঠকাঠিন্য, অস্বস্তিকর পেটফাঁপার লক্ষণ, আটা-ময়দায় অ্যালার্জি, খেলে গ্যাস হয় এমন খাবার গ্রহণ, অতিরিক্ত পরিমানে খাবার খাওয়া, ল্যাকটোজের অসহিষ্ণুতার মতো খাবারের অসহিষ্ণুতা এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্স (ডিসপেপ্সি‌য়া)।

দোকান থেকে কিনতে পাওয়া তাৎক্ষণিক গ্যাস-উপশমকারী বড়ি এবং টনিকগুলি কেবল একটা অস্থায়ী আরাম বোধ হতে পারে, কিন্তু আসল কার্যকারক একই জায়গায় থেকে যায়। হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলি ফুলে যাওয়া বা ফোলা পেটের পুরোপুরি নিরাময় করতে পারে। প্রাকৃতিক পদার্থ থেকে তৈরি এবং কোনোরকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলো পেটের এইসব সমস্যা বারবার ঘটতে না দিয়ে সমস্যার মূলে আঘাত করে একে সম্পূর্ণরূপে সরিয়ে দেয়।

পেটফোলা এবং গ্যাসের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-

লক্ষণ বিবেচনায় উপরের পেটে গ্যাস লাইকোপোডিয়াম, নিজের পেটে গ্যাস কার্বোভেজ, পুরো পেট ফোলা ফোলা ভাব চায়না, খাবারের গন্ধ অসহ্য ও পুৱো পেট গ্যাসে বেশি ফোলা তাহলে কলচিকাম। এছাড়াও ম্যাগ কার্ব, নেট্রাম ফস, নাক্স ভোম , লক্ষণ ভেদে খাওয়া যেতে পারে।

★Piles★ (পাইলস), যাকে বাংলায় বলা হয় অর্শ রোগ।এটা হলো মলদ্বারের ভিতরে বা বাইরের অংশে থাকা রক্তনালির ফোলা বা স্ফীত হয়ে যাও...
09/12/2025

★Piles★ (পাইলস), যাকে বাংলায় বলা হয় অর্শ রোগ।এটা হলো মলদ্বারের ভিতরে বা বাইরের অংশে থাকা রক্তনালির ফোলা বা স্ফীত হয়ে যাওয়া অবস্থা।

✅ ☘️পাইলসের ধরন:

1. *Internal piles (ভিতরের অর্শ):*
- মলদ্বারের ভিতরে থাকে
- সাধারণত ব্যথাহীন, তবে রক্তপাত হতে পারে

2. *External piles (বাইরের অর্শ):*
- মলদ্বারের বাইরে দেখা যায়
- ব্যথা, ফোলা, চুলকানি এবং রক্ত জমে *থ্রম্বোসড পাইলস* হতে পারে

✅ ☘️সাধারণ লক্ষণ:

- মলের সঙ্গে তাজা রক্তপাত।
- মলদ্বারে চুলকানি, জ্বালাপোড়া ।
- বসলে বা হাটলে ব্যথা।
- মলদ্বারের বাইরে গুটি/পিণ্ড অনুভব ।
- কোষ্ঠকাঠিন্য।

✅ ☘️কারণ:

- দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য
- মলত্যাগের বেগ চেপে রাখা।
- দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা
- কম পানি পান করা
-পেটে ক্রিমির উপদ্রব
-গর্ভাবস্থা
- ভারী ওজন তোলা

✅ ☘️হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:

1. ★Aesculus Hippocastanum– ব্যথাযুক্ত গুটি, ভিতরে যেন অনেকগুলো কাঠি রয়েছে। সাধারণত বদ্ধ অর্শ অর্থাৎ (ব্লাইন্ড পাইলস) সেই সঙ্গে অসহ্য কোমরে ব্যথা।
2. ★Hamamelis – রক্তপাত প্রধান লক্ষণ তবে এর রক্ত কালো রঙের । রক্তক্ষরণে অর্শে ঘা দেখা দিলে হ্যামামেলিস ভাল কাজ করে।

3★ Nux Vomica – বসে থাকা জীবনযাপন, কোষ্ঠকাঠিন্য, মেজাজ খিটখিটে । মলদ্বারে বেশ চুলকায়। রোগীর রাত জাগা অভ্যাস।

4. ★Sulphur – দীর্ঘদিনের অর্শ, চুলকানি, গরমে খারাপ বোধ করে।রোগী নোংরা প্রকৃতির। গোসল করতে চায় না। অস্থির এবং সব সময় নিজেকে বড় মনে করে।
5. ★Ratanhia– মলের সময় আগুনের মতো জ্বালা।ঠান্ডা পানি দিলে ভালো বোধ করে। এর সাথে যদি দেখেন তার চোখে টেরিজিয়াম হয়েছে তাহলে রেটেনহিয়া নির্দিষ্ট।

এছাড়া- নাইট্রিক এসিড,পিওনিয়া,কলিনসোনিয়া,এলো সক,সাইলিসিয়া,থুজা ইত্যাদি

📝 পরামর্শ:

- বেশি পানি পান করুন
- আঁশযুক্ত খাবার খান
- মলত্যাগের সময় চাপ দেওয়া এড়িয়ে চলুন
- হোমিও চিকিৎসা নিয়মিত নিলে অপারেশন ছাড়াও সমপূর্ণ আরোগ্য সম্ভব।

পায়ুপথের গেজ,একটু পায়খানা শক্ত হলে রক্ত যেতে থাকে,এই সমস্যাগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত হোমিও চিকিৎসা পেতে হোয়াটসঅ্যাপ ...
06/12/2025

পায়ুপথের গেজ,একটু পায়খানা শক্ত হলে রক্ত যেতে থাকে,এই সমস্যাগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত হোমিও চিকিৎসা পেতে হোয়াটসঅ্যাপ +601126157126 করুন।

🩸আপনার কি মলদ্বার দিয়ে রক্ত আসে?টয়লেটের সময় মলদ্বার দিয়ে মাংস পিন্ড বের হয়ে আসে? 🩸মলদ্বারে জ্বালা পোড়া এবং ফুলে যায়?🩸মলদ...
02/11/2025

🩸আপনার কি মলদ্বার দিয়ে রক্ত আসে?
টয়লেটের সময় মলদ্বার দিয়ে মাংস পিন্ড বের হয়ে আসে?
🩸মলদ্বারে জ্বালা পোড়া এবং ফুলে যায়?
🩸মলদ্বার দিয়ে পুজ পড়ে?
🩸দীর্ঘদিন ধরে কষা?

মালয়েশিয়া প্রবাসী ভাইয়েরা যেকোন রোগের পরামর্শের জন্য অথবা মেডিসিন পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন।
ডাঃ শহীদুল হক।
বি এ অর্নাস
ডি,এইচ,এম,এস-(ঢাকা)
বি,এইচ,বি-(ঢাকা)
গভ রেজি-৩৩২৪৪
www.wasap.my/+8801711658043
www.wasap.my/+601126157126

যন্ত্রণাদায়ক নখকুনি থেকে বাঁচতে এ সময় করণীয়নখকুনির সমস্যায় অনেকেই কষ্ট ভোগ করেন। বর্ষায় এ সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে...
18/10/2025

যন্ত্রণাদায়ক নখকুনি থেকে বাঁচতে এ সময় করণীয়
নখকুনির সমস্যায় অনেকেই কষ্ট ভোগ করেন। বর্ষায় এ সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে নখের চারপাশে লালচে হয়ে ফুলে যায়। যা প্রচণ্ড ব্যথার সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যকটেরিয়া সংক্রমণের ফলেই নখকুনি হয়।

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন নিচের নাম্বারে
www.wasap.my/+8801711658043
www.wasap.my/+601126157126

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ‘ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক’-এর পোডিয়াট্রিস্ট (বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক) জিওরজিয়ানি বুটেক জানান, নখের আশপাশের ক্ষুদ্র কোনো ফাটল বা ক্ষতের মাধ্যমে সহজেই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে পারে।

নোংরা পানি বা ঘাম, ময়লা, ধূলাবালি ইত্যাদি কারণে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নখে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। এর ফলে নখকুনির সৃষ্টি হয়।

নখকুনি হওয়ার আরও যত কারণ

>> অনেকেরই নখ কামড়ানোর অভ্যাস আছে, এক্ষেত্রে নখের চারপাশের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সুযোগে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে ত্বকের ওই স্থান দিয়ে।

>> এছাড়া ছোট করে নখ কাটা বা ম্যানিকিউর করতে গিয়ে ক্ষত সৃষ্টির কারণেও নখে সংক্রমণ ঘটতে পারে।
>> এর পাশাপাশি টাইট ফিটিং জুতা পরার কারণেও এ সমস্যা হতে পারে।

>> নখের চারপাশের কোথাও কেটে গেলে কিংবা নখ সব সময় আর্দ্র অবস্থায় থাকার কারণে সহজেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে নখকুনি হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

নখকুনির লক্ষণ

নখকুনি হলে নখে প্রচণ্ড ব্যথা, লাল হয়ে ফুলে যাওয়ার মতো লক্ষণ। যদি প্রাথমিক পর্যায়ে নখকুনি নিয়ে অবহেলা করা হয়; তাহলে এর থেকে ইনফেকশন পর্যন্ত হতে পারে।

আর ইনফেকশন হলে নখের চারপাশ অতিরিক্ত ফুলে গিয়ে পুঁজ ও রক্ত বের হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে ঘরোয়া চিকিৎসার মাধ্যমেই নখকুনির সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

নখকুনি প্রতিরোধে করণীয়

>> নখ কাটার সময় গোলাকার ভাবে না কেটে সোজা ভাবে কাটুন। বিশেষ করে গোলাকার ভাবে কাটা নখের কোনা আঙ্গুলের ভেতর ঢুকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

>> সঠিক মাপের জুতা পরুন। টাইট জুতা পরার ফলে পায়ের নখে অনেক বেশি চাপ পড়ে, ফলে নখ আঙ্গুলের ভেতর ঢুকে যায়।

>> নখ কাটার জন্য কখনোই ব্লেড, কাঁচি বা এমন অপ্রচলিত কিছু ব্যবহার করবেন না। এ ছাড়া নখের ভেতর কাঠি বা কলমের ডগা ইত্যাদি দিয়ে খোঁচাবেন না। নেইল কাটার সেট পাওয়া যায়, সেখানে বিভিন্ন মাপের নেইলকাটার থাকে।

>> পা খোলামেলা রাখার চেষ্টা করুন। ধুলো বালি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। সারাদিন জুতা-মোজা পরে থাকবেন না। নিতান্তই বাধ্য হলে কিছুক্ষণ পর পর মোজা খুলে পায়ে বাতাস লাগার সুযোগ করে দিন।

>> প্রতিদিন গোসলের সময় পায়ের নিচের শক্ত চামড়া পরিষ্কার করতে হবে।

>> বর্ষায় বৃষ্টিতে চলাফেরার কারণে নখকুনির সমস্যা বাড়তে পারে। এজন্য ভালো মানের জুতা পরুন ও নোংরা পানিতে পা ভেজাবেন না।

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন
https://www.wasap.my/+8801711658043

শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, ডায়াবেটিস, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, পলিপাস, টনসিল, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

সায়োটিকা বাত রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।----------------------------------------------------------------------সায়াটিকা এ...
13/10/2025

সায়োটিকা বাত রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।
----------------------------------------------------------------------
সায়াটিকা একটা বেদনাদায়ক অবস্থার প্রতি নির্দেশ করে যা শরীরে সায়াটিক নার্ভ-এ (স্নায়ু) কোনও আঘাতের দ্বারা সৃষ্ট হয়। উপসর্গগুলির মধ্যে রয়েছে একটা অসাড় অবস্থার অনুষঙ্গী হয়ে পিঠের নীচের অংশে ব্যথা যা একটা পা বেয়ে নীচের দিকে বিকীর্ণ হয়। এটা প্রধানতঃ দু’ধরণের – স্নায়ুতান্ত্রিক ব্যথা এবং প্রতিফলিত ব্যথা । উপসর্গগুলি আচমকা প্রকাশ পায় এবং অত্যন্ত অসুখকর হতে পারে। কয়েকটি বিষয় থাকতে পারে যা সায়াটিকার দিকে চালিত করতে পারে।

সায়োটিকা বাতের উপসর্গ :-
* পিঠের নীচের অংশে, নিতম্বের হাড়ে, পায়ের পিছনে, এবং নিতম্বের দুটো গোলাকার মাংসল অংশে ব্যথা।
* পা গুলিতে জ্বলুনির সংবেদন।
* একটা পা বা পায়ের পাতায় ঘন ঘন অসাড়তা।
* একটা পায়ে দুর্বলতা।
* নীচের দিকে বিকীর্ণ হওয়া ব্যথা।
* পা অথবা পায়ের পাতা নড়াচড়ায়, দাঁড়িয়ে থাকায় অথবা হাঁটায় অসুবিধা।
* পায়ের পাতাগুলিতে যন্ত্রণাদায়ক সংবেদন যা নড়াচড়ায় ব্যাঘাত করে।
* পাগুলিতে দীর্ঘকালীন অসাড়তা।
* মূত্রত্যাগ এবং মলত্যাগে নিয়ন্ত্রণ হারানো।
* পায়ে দুর্বলতা।
* চলাফেরা করার চেষ্টা করলে ব্যথা।
* সায়াটিকার উপসর্গগুলি বেশির ভাগ যুক্ত সীমিত সক্রিয়তা এবং একটা খোঁচা বা জ্বলনের সংবেদন সহ গুরুতর ব্যথা যা পিঠ, পা, এবং পায়ের পাতাসহ শরীরের নীচের অংশে কয়েক মিনিটের মধ্যে চলে যায়।
* গর্ভাবস্থার মত অবস্থা গুলিতে পিঠের নীচের অংশে ব্যথা অনুভব করা হতে পারে।

সায়োটিকার কারণ: – নিউরাইটিসের কারণরূপে বর্ণিত সকল কারনেই ইহার উদ্ভব হইতে পারে । অধিকিন্তু অত্যধিক হাঁটাহাঁটি, কোষ্ঠবদ্ধতা, উপদংশ, মেরুদণ্ডের নিচের অংশে বা বস্তিপ্রদেশের অস্থিসমূহের ক্ষয়রোগ বা টিউবারকিউলোসিস, বস্তিমধ্যে অর্বুদ বা ভ্রুনের চাপ অথবা অস্থি-সন্ধিসমূহের প্রদাহ, উরু-সন্ধির ব্যাধি বা হিপ-জয়েন্ট ডিজিজ, অস্থিসমূহের গঠন-বিকৃতি, খাদ্যদ্রবে ভিইটামিনের অভাব, প্রভৃতিও ইহার কারণের মধ্যে পরিগণিত । সাধারণত বয়স্ক বা অ্যাডলট পুরুষগনই এই রোগে অধিক আক্রান্ত হয় । সন্তান প্রসবের পর প্রসূতিরও এই ব্যাধির অনুরূপ লক্ষণাদি প্রকাশ পাইতে পারে ।

ভোগ কাল :– সাধারণত এই রোগ দুর্দমনীয় ; ইহার ভোগকাল কয়েক মাস, এমন কি হ্রাস-বৃদ্ধি সহ কয়েক বৎসর ধরিয়া চলিতে পারে । একবার আক্রমণ হইলে ইহার পুনরাক্রমণ বিরল নহে এবং একপার্শ্বের স্নায়ুর আক্রমণ প্রতিরুদ্ধ হইয়া অপর পার্শ্বের স্নায়ু আক্রান্ত হইতে পারে । রোগ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইলে রোগী শয্যাগত হইয়া পড়ে ।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা – রোগের কারণ নির্ধারণ করিয়া তাহার সংশোধন চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত । গ্রন্থিবাত ও বহুমূত্রের সহিত সংশ্লিষ্ট রোগে উক্ত রোগসমূহের চিকিৎসা সমভাবে প্রয়োজন । রোগীর সম্পূর্ণ বিশ্রাম বিশেষ প্রয়োজন – এজন্য তাহার আক্রান্ত পা যে অবস্থানে রাখিয়া সে বিশেষ স্বস্তি বোধ করে সেই অবস্থায় তাহাকে শয়ন করাইয়া রাখিতে হইবে । সেঁক তাপে যন্ত্রণার আরাম হইলে সেঁক দেওয়ার ব্যবস্থা করিতে হইবে । ধাতুদোষ নিরাকরনের চেষ্টা ও সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি পালন বিশেষ প্রয়োজন । লক্ষণ সাদৃশ্যে হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করিতে পারিলে অল্প সময়ের মধ্যে রোগী আরোগ্য হয় । পুনর্বার আক্রমণের সম্ভাবনাও কম থাকে । নিন্মে সায়াটিকার কতকগুলি প্রয়োজনীয় ঔষধের সংক্ষিপ্তসার প্রদত্ত হইলঃ –
* একোনাইট – ঠাণ্ডা লাগিয়া হঠাৎ বেদনাসহ আক্রান্ত অঙ্গের পদাঙ্গুলি পর্যন্ত ঝিনঝিন ও অসাড়তা বোধ হয়।
* এমন মিউর – বাম পার্শ্বের সায়াটিকা ; বসিয়া থাকিলে বেদনা অত্যধিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় ও চলিবার সময় কিঞ্চিৎ পরিমাণে এবং শয়ন করিলে সম্পূর্ণ উপশম বোধ হয়।
* আর্সেনিক – ইহা সায়াটিকার একটি বিশেষ নির্ভরযোগ্য ঔষধ । প্রত্যহ মধ্যরাত্রির পর বেদনা বৃদ্ধি পাইয়া অসহনীয় হইয়া উঠে ও তৎসহ জ্বালা বোধ হয়।
* বেলেডোনা – হঠাৎ বেদনার আক্রমণ ; স্নায়ুর গতিপথে বেদনা, স্পর্শে অসহনীয়, মৃদ বায়ু স্পর্শ বা ঝাঁকি লাগিলে বেদনার বৃদ্ধি।
* ব্রায়োনিয়া – স্থির থাকিলে বেদনার উপশম ও নড়াচড়া করিলে বেদনার বৃদ্ধি ; আক্রান্ত পার্শ্ব চাপিয়া অবস্থানে উপশম ।
* ক্যামোমিলা – বাম পার্শ্বের সায়াটিকা ; তীব্র বেদনা সহ বেদনার তীব্রতায় রোগী উম্মাদের ন্যায় ব্যবহার করে ও সকলের প্রতি রুঢ় ব্যবহার করে ।
* কলোসিন্থ – দক্ষিণ পার্শ্বের সায়াটিকা । বেদনা হটাৎ আক্রমণ করিয়া স্থিরভাবে অবস্থান করে এবং মধ্যে মধ্যে বৃদ্ধি পাইয়া অসহনীয় হইয়া উঠে।
* ফেরাম মেট – সন্ধ্যা হইতে মধ্যরাত্রি পর্যন্ত বাম উরু বা হিপ-সন্ধি মধ্যে তীব্র বেদনা ;রোগীর মুখমণ্ডল রক্তহীন হইলেও সহজেই তাহা আরক্তিম হয় ।
* ন্যাফেলিয়াম – বেদনা উপশম হইলে অসাড়তা ও চলিতে অক্ষমতা, পা ঝুলাইয়া চেয়ারে বসিলে উপশম ।
* হাইপেরিকাম – পড়িয়া গিয়া মেরুদণ্ডাস্থির নিম্নদেশ আঘাত লাগা হেতু তীব্র সায়াটিকা, পদতলে সূচীবিঁধনবৎ যন্ত্রণা ।
* ইগ্নেসিয়া – দীর্ঘকালস্থায়ী সায়াটিকা ; গ্রীষ্মকালে উপশম, শীতকালে বৃদ্ধি ; উরু-সন্ধি মধ্যে দপদপানি বেদনা।
* ক্যালি বাইক্রোম – বাম পার্শ্বের সায়াটিকা ; চলিবার কালে ও পা মুড়িয়া রাখিলে উপশম।
* ল্যাকেসিস – প্রধানতঃ বাম পার্শ্বের আক্রমণ ; নিদ্রামধ্যে বেদনার বৃদ্ধি ; বেদনা পুনঃপুনঃ স্থান পরিবর্তন করিয়া কখনও মস্তকে, কখনও দন্তে।
* লিডাম – বেদনা পদতল হইতে ঊর্ধ্বমুখে ধাবিত হয় ও তৎসহ পদতলে অত্যধিক স্পর্শকাতরতা।
* ম্যাগ্নেসিয়া ফস – শয়ন করিলেই তীব্র বেদনার জন্য কেবলই দাঁড়াইয়া থাকিতে বাধ্য হয়; উত্তাপ প্রয়োগে উপশম ।
* মার্ক সল – রাত্রিকালে, বিশেষতঃ শয্যার উত্তাপে বেদনার বৃদ্ধি সহ অস্থিরতা ও উপশম বিহীন প্রচুর ঘর্ম ; জিহ্বায় দাঁতের ছাপযুক্ত, মুখমধ্যে দুর্গন্ধ।

তাছাড়া ইচ্ছা করলে আপনিও আমাদের থেকে জার্মানী ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ নিতে পারেন। আমাদের চিকিৎসা সেবা পৃথিবীর সকল দেশে পার্সেলে ঔষধ পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।
প্রয়োজনে -imo & WhatsApp
+6011 60956324
★★★ভালো লাগলে শেয়ার করুন★★★

★★★ভালো লাগলে শেয়ার করুন★★★

দাঁতের পোকা(ব্যাকটেরিয়া) ধরায় হোমিওপ্যাথি--,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,...
28/09/2025

দাঁতের পোকা(ব্যাকটেরিয়া) ধরায় হোমিওপ্যাথি--
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
দাঁত মানব দেহের অত্যান্ত মূল্যবান সম্পদ। ইহা মুখের সৌন্দর্য বর্ধন করে থাকে ও খাবার চিবিয়ে খেতে সাহায্য করে থাকে।
কিন্তু অনেক সময় দাঁত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে যার মধ্যে দাঁতের পোকা ধরা অন্যতম। শিশুদের মধ্যে এই রোগে বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

রোগ লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথি ঔষধ সমুহঃ...................................... ...............................

* Kreosotum: ইহা দাঁতের পোকা ধরায় অন্যতম প্রধান ঔষধ। দাঁতের পোকা ধরা, দাঁতের ব্যাথা, দাঁতের গোড়ায় ক্ষত ইত্যাদি লক্ষণে kreosotum উৎকৃষ্ঠ অব্যর্থ ঔষধ।
Kreosotum q দাঁতের গোড়ায় ব্যবহার করলে দ্রুত দাঁতের ব্যাথা দুর হয়ে যায়।

* Antim crud: দাঁতের গোড়ায় পোকা ধরে কিন্তু দাঁত কালো হয় না, রাতের বেলায় দাঁতের বেদনা বৃদ্ধি ইত্যাদি লক্ষণে antim crud শ্রেষ্ঠ ঔষধ।

* Silicea : দাঁতের অপুষ্টির জন্য দাঁত সহজে ভেঙে গেলে, দাঁতের গোড়ায় ক্ষত ও পুঁজ দেখা গেলে সেথায় silicea চমৎকার কাজ করে থাকে।

* Merc sol : দাঁতের মাড়ি শক্ত ও পুঁজ রক্ত বাহির হইলে, দাঁতে পোকা ধরা ও মুখে দুর্গন্ধ ইত্যাদি লক্ষণে mercsol অব্যার্থ ফলাফল প্রদান করে থাকে।

* Staphysag: দাঁতের গোড়া ফুলে যাওয়া, দাঁতের ব্যাথা, দাঁত পোকা ধরা ও দাঁত কালো হয়ে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণে staphysag সুন্দর কাজ করে থাকে।

* Hecla lava: দাঁতের অপুষ্টি, দাঁতের অসহ্য ব্যথা বেদনা ও দাঁতের পোকা ধরায় hacla lava চমৎকার কাজ করে থাকে।

* Carbo veg: দাঁত দিয়ে রক্ত পরলে দাঁতে ব্যাথা হলে একে স্মরণ করতে পারেন।

এছাড়াও আরো অসংখ্য ঔষধ আছে লক্ষন সদৃশ্য যেইটা রোগীর সাথে মিলবে সেইটাই প্রয়োগ করবেন। লক্ষন না মিললে কখনও অনুমানের উপর ঔষধ প্রয়োগ করে রোগীর ক্ষতি করবেন না।

Address

Kualalampur
Kuala Lumpur
55100

Telephone

+601160956324

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রবাসীদের অনলাইন হোমিও চিকিৎসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to প্রবাসীদের অনলাইন হোমিও চিকিৎসা:

Share