31/10/2022
প্রথমেই জানা প্রয়োজন এন্টিমাইক্রোবিয়াল কি?
এন্টিমাইক্রোবিয়াল বা জীবানু নিরোধক বলতে এমন কিছু সক্রিয় রাসায়নিক যৌগকে বোঝায় যেগুলো জীবানু বা অনুজীব নাশ করতে পারে বা এগুলির প্রজনন ও বৃদ্ধি ব্যহৃত করতে পারে। আবার বলা যায়, এন্টিমাইক্রোবিয়াল বলতে সে ধরণের সাবস্টেন্ট বা উপাদান কে বুঝায় যারা মাইক্রো অর্গানিজমের বিরুদ্ধে কাজ করে। যেমন:- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাংগাস প্রোটোজোয়া।
এন্টিমাইক্রোবিয়াল এর অকার্যকারিতা কেন হয়?
যখন কোন নির্দিষ্ট মাইক্রো অর্গানিজম এর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোন এন্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট কাজ করতে ব্যর্থ হয় তখন এই অবস্থায় কে বলা হয় এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্ট। সেটা হতে পারে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স, অ্যান্টি ভাইরাল রেজিস্ট্যান্স, প্রোটোজোয়াল রেজিস্ট্যান্স ইত্যাদি।
এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে সঠিক মাত্রায় এন্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট গ্রহণ না করা এবং ইনফেকশনের সঠিকভাবে যত্ন না নেওয়া। সঠিক মাত্রায় এন্টি মাইক্রোবিয়াল এজেন্ট গ্রহণ না করার কারণে মাইক্রো অর্গানিজম গুলো পুরোপুরিভাবে নির্মূল হয় না এবং তারা ধীরে ধীরে এন্টি মাইক্রোব্যাল এজেন্ট এজেন্ট এর কার্যকারিতা পুরোপুরি ভাবে নষ্ট করে দেয়।
প্রাণীর শরীরে যখন অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট হয় তখন এইভাবে হয়ে থাকে সেটা হচ্ছে জেনেটিক মিউটেশনের মাধ্যমে হতে পারে অথবা অন্য অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট জন্য এটা হতে পারে।
এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স আছে কিনা সেটা জানার জন্য কালচারাল এন্ড সেনসিটিভিটি টেস্ট করা হয়ে থাকে।
সুতরাং এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স রোধ করার জন্য সঠিক মাত্রায় এন্টি মাইক্রোবাল এজেন্ট গ্রহণ করার বিকল্প নেই।