Lose To Gain - লুজ টু গেইন

  • Home
  • Lose To Gain - লুজ টু গেইন

Lose To Gain - লুজ টু গেইন Lose To Gain is an online fitness & wellness platform. Where we provide free and also paid guided co

Your online Health & Fitness companion that offers free assistance on its Facebook Group and provides quality paid / guided personal training packages by and through website. We are the first ever, online manifesto in Bangladesh to make your lifestyle active, healthy and blissful. Lose to Gain is the place you will select when you think of getting fit.

১২-১৩ ঘন্টা রোজা রেখে অটোফেজি হয়ে একদম তেলেসমাতি হয়ে যাবে- এমন ভাববেন না।অটোফেজি শুরু হতে সাধারণত ১২–১৬ ঘণ্টা ফাস্টিং কর...
15/02/2026

১২-১৩ ঘন্টা রোজা রেখে অটোফেজি হয়ে একদম তেলেসমাতি হয়ে যাবে- এমন ভাববেন না।

অটোফেজি শুরু হতে সাধারণত ১২–১৬ ঘণ্টা ফাস্টিং করা লাগে। অর্থাৎ যখন আপনি ইফতার করবেন তখন কেবল লিভারে জমা থাকা শুগার (গ্লাইকোজেন) খরচ হয়ে ফুরিয়ে এসেছে। এটা যথেষ্ট পরিমাণে খরচ না হতে অটোফেজি শুরুই হবে না, আর প্রপারলি অটোফেজি শুরু হতে মোটামুটি ১৮ ঘন্টা ফাস্টিং করতে হয়।

এখন আপনি বলতে পারেন- একটানা ১২ ঘন্টা ফাস্টিং করে গেলে কয়েকদিন পর কি অটোফেজি আরও অল্প সময়েই শুরু হয়ে যাবে না?

না, নিয়মিত ১২ ঘণ্টা ফাস্টিং করলে অটোফেজি “আরও আগেই” শুরু হয়ে যাবে এমন শক্ত প্রমাণ নেই।

অটোফেজি কোনো সুইচ না যে আজ ১২ ঘণ্টা করলে কাল ১০ ঘণ্টাতেই অন হয়ে যাবে। এটা হরমোন + এনার্জি স্ট্যাটাস + কোষের স্ট্রেস এর উপর নির্ভর করে। ফাস্টিং করলে ইনসুলিন কমে, ফ্যাট ব্যবহার বাড়ে, তখন ধীরে ধীরে অটোফেজির সিগন্যাল আসে।

এসব আমার কথা নয়, এই ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি এসেছে অটোফেজির তত্ত্বের জনক Yoshinori Ohsumi–এর কাজ থেকে।

বাস্তবে যা হয়ঃ

- ১২ ঘণ্টা ফাস্টিং এর পর গ্লাইকোজেন খালি হওয়া শুরু হয়

- ১৪–১৬ ঘণ্টা ফাস্টিং এর পর অটোফেজির সিগন্যালিং শুরু

- ১৮ ঘণ্টা+ ফাস্টিং এর পর প্রক্রিয়াটা আরও স্পষ্ট হয়

আপনি যদি প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা ফাস্টিং করেন তবে শরীর এতে অভ্যস্ত হয়। মানে সেই ১২ ঘণ্টা আর “স্ট্রেস” হিসেবে মনে করে না। ফলে উল্টোটা হয় অর্থাৎ অটোফেজি দ্রুত শুরু না হয়ে, বরং একই থ্রেশহোল্ডেই থাকে। যেমন আপনি প্রতিদিন হাঁটলে প্রথমে কিছুক্ষণ হাঁপান, পরে হাঁপান না, কিন্তু হাঁপাচ্ছেন না বলে দৌড়ানোর ফিটনেস চলে আসে না।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কথা। আপনি যদি ওয়েট ট্রেনিং করেন এবং মাসল ধরে রাখতে চান, তাহলেঃ

- ১২ ঘণ্টা ভালো “মেনটেইন্যান্স ফাস্টিং”

- ১৪–১৬ ঘণ্টা মাঝে মাঝে করলে অটোফেজি + ফ্যাট লস দুটোই পাবেন

- এর বেশি নিয়মিত করলে পারফরম্যান্স ও রিকভারি খারাপ হতে শুরু করবে

অতএব ১২-১৩ ঘন্টা রোজা রেখে অটোফেজির আলাপ করবেন না, অটোফেজির জন্য এখনও বাস্তবসম্মত মিনিমাম উইন্ডো ১৪–১৬ ঘণ্টাই।

🌠রোজায় ওজন কমানো কি আসলেও সম্ভব?অধিকাংশ মানুষের ধারণা রমজান মানেই ইফতারি থেকে সেহরি পর্যন্ত ভরপেট খাওয়া, আর মাস শেষে ওজন...
14/02/2026

🌠রোজায় ওজন কমানো কি আসলেও সম্ভব?

অধিকাংশ মানুষের ধারণা রমজান মানেই ইফতারি থেকে সেহরি পর্যন্ত ভরপেট খাওয়া, আর মাস শেষে ওজন কয়েক কেজি বেড়ে যাওয়া। কিন্তু সত্যি বলতে, রমজান ওজন বাড়ানোর মাস নয়, বরং ওজন কমানোর সেরা সময়!

সমস্যা রমজানের খাবারে নয়, সমস্যা আমাদের পছন্দে বা ফুড সিলেকশনে। একই ইফতারের টেবিলে বসে একজন ওজন বাড়াতে পারেন, আবার অন্যজন ওজন কমাতে পারেন।

✅পরিমিত খাবার/Portion Size- গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি কী খাচ্ছেন তার চেয়ে কতটুকু খাচ্ছেন তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি দেশীয় প্রচলিত খাবারও পরিমিত খেলে ওজন বাড়ে না। যদি মেপে না খেতে পারেন তাহলে পাহাড় সমান খাবার প্লেটে না নিয়ে ছোট বাটি বা প্লেট ব্যবহার করুন।

✅ইফতার বা সেহরিতে আগে প্রোটিন জাতীয় খাবার(যেমন: ছোলা, ডিম বা চিকেন)খেলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এবং মিষ্টি বা ভাজাপোড়া খাওয়ার ইচ্ছা কমিয়ে দেয়।

✅ ভাজাপোড়া বা মিষ্টি একেবারেই বাদ দিতে হবে এমন নয়, তবে এটি কতবার এবং কী পরিমাণে খাচ্ছেন তা খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিদিন না খেয়ে সপ্তাহে এক-দুইদিন অল্প করে খেতে পারেন।

✅পানীয় নির্বাচনে সতর্ক থাকতে হবে।চিনিযুক্ত শরবত বা ক্যালরিযুক্ত পানীয় খুব দ্রুত ওজন বাড়িয়ে দেয়, যা আমরা অনেক সময় খেয়াল করি না। তাই ডাবের পানি বা সাধারণ পানি পান করা সবচেয়ে ভালো।

রমজান হলো সচেতনতা এবং শৃঙ্খলার মাস। আপনি যদি "অটোপাইলট" মোডে (সামনে যা পেলেন তা-ই খাওয়া) না খেয়ে একটু চিন্তা করে খান, তবে এই মাসেই ওজন কমানো সবচেয়ে সহজ।

ঈদের দিন নিজেকে আরও ফিট এবং চনমনে দেখতে আজ থেকেই এই নিয়মগুলো মেনে চলুন।

✅আপনার কাছে ইফতারের সবচেয়ে কঠিন পার্ট কোনটি?
১. ভাজাপোড়া নিয়ন্ত্রণ করা?
২. জিলাপি বা মিষ্টি সামলানো?
৩. নাকি ড্রিঙ্কস পছন্দ করা?

কমেন্টে জানান-

#রমজান২

🌙 সুস্থ ও প্রশান্ত রমজানের প্রস্তুতি,ক্লান্তি ছাড়াই কাটুক এবারের রমজান! ✅রমজানের প্রথম কয়েকদিন কি আপনারও খুব ক্লান্তি বা...
13/02/2026

🌙 সুস্থ ও প্রশান্ত রমজানের প্রস্তুতি,
ক্লান্তি ছাড়াই কাটুক এবারের রমজান!

✅রমজানের প্রথম কয়েকদিন কি আপনারও খুব ক্লান্তি বা মাথাব্যথা লাগে? হঠাৎ রুটিন বদলে যাওয়ায় আমাদের শরীর কিছুটা সময় নেয়। তবে এখন থেকেই ছোট কিছু পরিবর্তন আনলে এবারের রমজান কাটতে পারে অনেক বেশি প্রশান্তিতে। দীর্ঘ সময় রোজা রাখার জন্য আমাদের শরীরকে প্রস্তুত করা প্রয়োজন। শরীর সুস্থ থাকলে ইবাদতেও মন বসানো সহজ হয়। নিজেকে শারীরিকভাবে ফিট এবং মানসিকভাবে সতেজ রাখতে এখন থেকেই মেনে চলতে পারেন এই সহজ টিপস:

🔹হঠাৎ করে রোজা শুরু করলে অনেকের মাথা ব্যথা বা দুর্বলতা অনুভূত হয়। তাই এখন থেকেই খাবারে অতিরিক্ত লবণ, ভাজা-পোড়া তেল এবং মিষ্টি বা চিনিজাতীয় পানীয় ধীরে ধীরে কমিয়ে আনুন। এতে রোজার সময় শরীরের ওপর চাপ কম পড়বে।

🍱রোজা রাখলে শরীরে ক্যালরি ডেফিসিট হয়, কিন্তু লক্ষ্য রাখতে হবে যেন পুষ্টির ঘাটতি না হয়। খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার (যেমন: দুধ, ডিম, মাছ, মাংস ও পর্যাপ্ত শাকসবজি) রাখুন। বিশেষ করে ভিটামিন B12, D3, ওমেগা এবং প্রোটিন আপনাকে সারাদিন কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করবে। আপনার শরীরের অবস্থা অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন কি না, তা জানতে একজন ডক্টর বা নিউট্রিশনিস্ট এর পরামর্শ নিন। বিশেষজ্ঞের গাইডলাইন মেনে চললে সারাদিন কর্মক্ষম থাকা সহজ হবে।

🏋️‍♀️যারা নিয়মিত দীর্ঘ সময় এক্সারসাইজ বা জিম করেন, তারা এখন থেকেই তা কমিয়ে ৩০ মিনিটের মধ্যে নিয়ে আসতে পারেন। হালকা হাটাচলা বা ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ শরীরের জন্য এই সময়ে বেশি উপযোগী।

​💧 পর্যাপ্ত পানি পান করুন।রোজা শুরুর আগেই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস করুন। এতে রোজার সময় পানিশূন্যতার ঝুকি কমবে। রোজার সময় ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত বিরতি দিয়ে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

​😴 ঘুমের রুটিন ঠিক রাখুন।সেহরির জন্য আমাদের ঘুমের সময়সূচীতে পরিবর্তন আসে। তাই এখন থেকেই একটু আগে ঘুমানোর এবং সেহরির সময় ওঠার অভ্যাস করুন। পর্যাপ্ত ঘুম (৬-৭ ঘণ্টা) আপনার মস্তিষ্ককে সতেজ রাখবে। রোজার সময় ইফতারের পর এবং সেহরির আগে ঘুমিয়ে নিন, প্রয়োজনে দিনের বেলায় হালকা বিশ্রাম নিন।

রমজানে নিজেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে পরিশুদ্ধ করতে হয়।সঠিক পরিকল্পনা আর সামান্য সচেতনতাই পারে আমাদের এই ইবাদতের মাসটিকে আরও আনন্দময় ও প্রশান্তিময় করে তুলতে। আজ থেকেই শুরু হোক আপনার সুস্থ রমজানের প্রস্তুতি।

​আপনি কি এবারের রমজানের জন্য কোনো বিশেষ রুটিন ফলো করছেন? কমেন্টে আমাদের জানাতে পারেন! 👇

#রমজান২০২৬

🏋️‍♀️ওয়েটলস জার্নিতে আপনার কি তিন দিন পরেই সব ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করে? তবে জোর করে নয়, অভ্যাসের গতিতে ওজন কমান!ওজন কমানোর কথ...
30/01/2026

🏋️‍♀️ওয়েটলস জার্নিতে আপনার কি তিন দিন পরেই সব ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করে? তবে জোর করে নয়, অভ্যাসের গতিতে ওজন কমান!

ওজন কমানোর কথা উঠলে সবাই স্ট্রিক ডায়েট বা জিমের কথা বলে, কিন্তু সবচেয়ে জরুরি বিষয়টা কেউ তেমন গুরুত্ব দেয় না। সেটা হলো- 'মোমেন্টাম' বা কাজের গতি।

খেয়াল করেছেন কি, টানা তিন দিন নিয়ম মেনে চলার পর চতুর্থ দিনে সবকিছু কেমন সহজ মনে হতে শুরু করে? এটাই মোমেন্টাম। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, বেশিরভাগ মানুষ এই গতিটা পাওয়ার আগেই হাল ছেড়ে দেয়।

আমরা ভুলটা কোথায় করি?
আমরা ভাবি প্রথম দিন থেকেই জীবনটা একদম উল্টেপাল্টে ফেলতে হবে। নতুন ডায়েট, কঠিন ব্যায়াম, ঘুমের সময় বদলানো—সব একসাথে শুরু করি। ফলাফল? চার দিনের মাথায় শরীর আর মন বিদ্রোহ করে বসে, আর আমরা ভাবি আমাদের দিয়ে কিচ্ছু হবে না।

সফল হওয়ার সহজ টিপস:
▪️ছোট কাজ মানেই ছোট ছোট জয়।
▪️এই ছোট জয়গুলোই আপনার মনে আত্মবিশ্বাস জাগাবে।
▪️আত্মবিশ্বাস এলে আপনি কাজটা রোজ করতে চাইবেন, আর এই ধারাবাহিকতাই রেজাল্ট এনে দেবে।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, মোমেন্টাম সবকিছুকে সহজ করে দেয়। প্রথম দিনে যে এক্সারসাইজ অসম্ভব মনে হতো, ৩০তম দিনে গিয়ে দেখবেন সেটা পানির মতো সহজ লাগছে। এটা শুধু আপনার ফিটনেসের জন্য নয়, বরং আপনি একটা গতি তৈরি করতে পেরেছেন বলেই সম্ভব হয়।

তাই শুরুতেই খুব বেশি দৌড়ঝাপ করার দরকার নেই। একটা অভ্যাস দিয়ে শুরু করুন, সেটা আয়ত্তে এলে আরেকটা যোগ করুন। কঠিন কাজগুলো করার দায়িত্ব মোমেন্টামের ওপর ছেড়ে দিন।

আমরা সবাই জানি,সবচেয়ে কঠিন দিনটি হলো আজ। কালকের দিনটা আজকের চেয়ে একটু হলেও সহজ হবে। এভাবেই একদিন একদিন করে এগিয়ে যান।

⛔ডিম নিয়ে ভয় আর নয়, ভুল ধারণা বনাম আধুনিক বিজ্ঞান 📋🥚​দীর্ঘ বছর ধরে ডিমের একটি দুর্নাম ছিল যে এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিক...
12/01/2026

⛔ডিম নিয়ে ভয় আর নয়, ভুল ধারণা বনাম আধুনিক বিজ্ঞান 📋

🥚​দীর্ঘ বছর ধরে ডিমের একটি দুর্নাম ছিল যে এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আধুনিক বিজ্ঞান ও সাম্প্রতিক গবেষণা এখন ভিন্ন ও আরও ভারসাম্যপূর্ণ তথ্য দিচ্ছে।

🥚অনেকেই শুধু ডিমের সাদা অংশ খান। কিন্তু ডিমের কুসুম প্রয়োজনীয় ভিটামিন, হেলদি ফ্যাট এবং এমন সব পুষ্টিগুণে ভরপুর যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান গবেষণা দেখাচ্ছে যে, সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে ডিম খাদ্যজনিত কোলেস্টেরল সেভাবে বাড়ায় না, যেমনটা আগে মনে করা হতো।
বরং এটি খুব সহজেই আমাদের রোজকার ব্যালেন্স ডায়েটে জায়গা করে নিতে পারে।

🥚আমরা ডিম কেন খাব?

ডিম হলো উন্নতমানের প্রোটিনের এক চমৎকার উৎস। প্রতিদিনের ডায়েটে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ডিম খুব ​সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য। এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে, শরীরে শক্তি জোগাতে এবং সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়তা করে।

✅ প্রকৃত সুস্বাস্থ্য শুরু হয় পুরনো ভুল ধারণাগুলো ভুলে সঠিক তথ্য জানার মাধ্যমে। সঠিক জানুন, সুস্থ থাকুন।

​ ⚠️ ডায়াবেটিস, হাইপারলিপিডেমিয়া বা হৃদরোগ থাকলে ডিম খাওয়ার পরিমাণ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই সবার জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়, এক্ষেত্রে ড: এর পরামর্শ আবশ্যক।

References-

​PMID: 32132155 (Harvard University) -
নিয়মিত ডিম খাওয়া এবং হৃদরোগের ঝুঁকি নিয়ে বৃহৎ গবেষণা।

​PMID: 31842733 (American Heart Association)- খাদ্যের কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকি সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক পরামর্শ।

​PMID: 23021013 (Clinical Study)-প্রতিদিন ডিম খাওয়ার নিরাপত্তা ও শরীরে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বৃদ্ধি সংক্রান্ত গবেষণা।


🧘‍♀️শরীর আপনার, যত্নও আপনার!💚​আমরা অনেকেই বলি, আমি যেমন আছি, নিজেকে সেভাবেই ভালোবাসি। নিজেকে ভালোবাসা অবশ্যই ভালো, কিন্ত...
05/01/2026

🧘‍♀️শরীর আপনার, যত্নও আপনার!

💚​আমরা অনেকেই বলি, আমি যেমন আছি, নিজেকে সেভাবেই ভালোবাসি। নিজেকে ভালোবাসা অবশ্যই ভালো, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা আমাদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেব না।
​আপনার ওজন যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তবে কেবল সুন্দর দেখানোর জন্য নয়, বরং সুস্থ থাকার জন্য ব্যালেন্স ডায়েট, এক্সারসাইজ করা জরুরি। মনে রাখতে হবে-

​✅ নিজের জন্য ফিট থাকা জরুরী। লোকে আপনাকে কি বলছে বা অন্যরা আপনার সম্পর্কে কি ভাবছে,সেটা বড় কথা নয়। নিজের শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে এবং দীর্ঘকাল সুস্থ থাকতে হেলদিলাইফস্টাইল ফলো করতে হবে।

​✅ আমাদের ঘরে গাড়ি বা কোনো ইলেকট্রনিক জিনিস থাকলে আমরা নিয়মিত সেটির যত্ন নিই, সার্ভিসিং করাই। আমাদের শরীর তো আরো বেশি মূল্যবান, একে সচল রাখা আমাদের নিজেদেরই দায়িত্ব।

​✅ নিজেকে ভালোবাসার আসল অর্থ হলো নিজের শরীরকে অবহেলা না করে যত্ন নেয়া। একটি সুস্থ শরীরের মাধ্যমেই আপনি সুন্দরভাবে জীবন উপভোগ করতে পারবেন।

🎯​তাই আজ থেকেই নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া শুরু করুন। শরীর ফিট রাখা আপনার দায়িত্ব এবং নিজের প্রতি নিজের কর্তব্য।


💚মন ভালো তো, সব ভালো!❤️✅আপনি কেমন অনুভব করেন, সেটাই হলো সবকিছুর ভিত্তি-আপনার স্বাস্থ্য, আপনার অভ্যাস, আপনার সিদ্ধান্ত, আ...
24/12/2025

💚মন ভালো তো, সব ভালো!❤️

✅আপনি কেমন অনুভব করেন, সেটাই হলো সবকিছুর ভিত্তি-আপনার স্বাস্থ্য, আপনার অভ্যাস, আপনার সিদ্ধান্ত, আপনার জীবন।

✅মন যদি অশান্ত থাকে, তবে কোনো এক্সারসাইজ বা ডায়েট দিয়েই শরীরকে পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব নয়।

✅​দুঃখজনক সত্যটি হচ্ছে আপনার আশেপাশের বেশিরভাগ মানুষ আপনার অনুভূতির বিষয়ে সত্যিই চিন্তা করে না এবং এটাই স্বাভাবিক।

✅তাই ​নিজের মনকে ভালো রাখা ভালো বা ভালো অনুভব করানো, আপনার মনের অবস্থা এবং আপনার মানসিক সুস্থতা রক্ষা করা ১০০% আপনার দায়িত্ব।

​🧠 মন ভালো রাখতে যা করতে পারেন:

​সবাই শরীর নিয়ে ভাবলেও, আপনি আপনার মনকে গুরুত্ব দিন। নিজের মন ভালো রাখা যেহেতু আপনার নিজের দায়িত্ব, তাই এই অভ্যাসগুলো আপনার মানসিক প্রশান্তি ফিরিয়ে আনবে:

▪️​কৃতজ্ঞতা প্রকাশ/Gratitude- প্রতিদিন অন্তত ৩টি ছোট বিষয়ের কথা ভাবুন বা লিখুন যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ। এটি মস্তিষ্কের নেতিবাচকতা দূর করে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে।

▪️​নিজের সাথে কথা বলা ও যত্ন/Self-talk- আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলুন যে আপনি আপনার সেরাটা দিচ্ছেন। নিজের প্রতি দয়ালু হোন এবং প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিট প্রিয় শখ ( বই পড়া বা বাগান করা) পূরণ করুন।

▪️​ডিজিটাল ডিটক্স- সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের 'পারফেক্ট' জীবনের সাথে নিজের তুলনা করা বন্ধ করুন। নিজের মানসিক শান্তির জন্য প্রয়োজনে দিনে নির্দিষ্ট কিছু সময় ফোন থেকে দূরে থাকুন।

▪️​গভীর শ্বাস ও বর্তমান-যখনই অস্থির লাগবে, লম্বা শ্বাস নিন। অতীত বা ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে 'বর্তমান' মুহূর্তের ওপর গুরুত্ব দিন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করুন।

▪️ পর্যাপ্ত ঘুম দরকার তাই সময় ঠিক রেখে ৭-৮ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করুন।

▪️​যা আপনার মানসিক শান্তি নষ্ট করে বা অহেতুক চাপ সৃষ্টি করে, এমন বিষয় বিনয়ের সাথে 'না' বলতে শিখুন।

❓আপনি মানসিকভাবে ভালো আছেন তো?

​ #সুস্থতা

🔴সুস্থ থাকতে ঠিক কিভাবে হাঁটা উচিত? 🚶‍♀️🚶‍♂️আমরা সবাই এখন 'স্টেপ কাউন্ট' বা কত পা হাঁটলাম সেদিকে নজর দিই। এটি খুব ভালো অ...
23/12/2025

🔴সুস্থ থাকতে ঠিক কিভাবে হাঁটা উচিত? 🚶‍♀️🚶‍♂️

আমরা সবাই এখন 'স্টেপ কাউন্ট' বা কত পা হাঁটলাম সেদিকে নজর দিই। এটি খুব ভালো অভ্যাস, তবে হাঁটার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:

✅ যাদের হাঁটা ৪০০০ স্টেপের কম:

আপনাদের প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত এই সংখ্যাটা বাড়ানো। সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন অন্তত ৪০০০-এর বেশি স্টেপ হাঁটা প্রয়োজন। তাই আজ থেকেই ধীরে ধীরে এই সংখ্যাটি বাড়ানোর চেষ্টা করুন।

✅ শুধু সংখ্যা নয়, সময়ের বণ্টনও জরুরি:

হাঁটার মোট সংখ্যাটাই বড় কথা নয়, বরং আপনি সারাদিন কতটা সচল থাকছেন সেটাই আসল। আমরা অনেকেই মনে করি সারাদিন ডেস্কে বসে থেকে দিনের শেষে একবারে ৮-১০ হাজার স্টেপ হাঁটলে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু আসলে স্টেপ কাউন্টের চেয়েও বেশি জরুরি হলো এই হাঁটাটা সারাদিন জুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া।

✅ কেন একবারে হাঁটা যথেষ্ট নয়?

আপনি যদি সারাদিন একটানা বসে বা নিষ্ক্রিয় (sedentary) থাকেন এবং দিনের শেষে ১-২ ঘণ্টা হেঁটে লক্ষ্য পূরণ করেন, তবুও সেটি সারাদিনের জমে থাকা শারীরিক জড়তা পুরোপুরি কাটাতে পারে না। সহজ কথায়, এক ঘণ্টার হাঁটা সারাদিনের অলসতার সব ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পারে না।

✅ কাজের মাঝে ছোট বিরতি নিতে হবে। একটানা বসে না থেকে প্রতি এক ঘণ্টা পরপর অন্তত ৫ মিনিটের জন্য একটু উঠে দাঁড়ান বা পায়চারি করুন। এতে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ও মেটাবলিজম সচল থাকে, যা সুস্থ থাকতে দারুণ কার্যকর।

✅ ব্যস্ততায় কাজের চাপে যারা সারাদিন হাঁটার সুযোগ পান না, তাদের জন্য দিনের শেষে এক ঘণ্টা হাঁটাও অনেক বড় অর্জন! এতে আপনার হার্ট ভালো থাকবে এবং মানসিক চাপ কমবে। তবে সবচেয়ে ভালো ফল পেতে, এই হাঁটার পাশাপাশি কাজের ফাঁকেও শরীরটাকে একটু নাড়াচাড়া করার চেষ্টা করুন।

🎯মূল কথা হলো- শরীরকে সারাদিন ছোট ছোট মুভমেন্টের মধ্যে রাখাই হলো সুস্থ থাকার আসল রহস্য।


আপনার লাইফস্টাইল কি আপনাকে বুড়িয়ে দিচ্ছে!নিজেকে আয়নায় দেখলে কি মাঝে মাঝে মনে হয় যেন বয়সটা একটু বেশিই দ্রুত বেড়ে যাচ...
13/12/2025

আপনার লাইফস্টাইল কি আপনাকে বুড়িয়ে দিচ্ছে!

নিজেকে আয়নায় দেখলে কি মাঝে মাঝে মনে হয় যেন বয়সটা একটু বেশিই দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে? কখনও ভেবে দেখেছেন কি, কেন একই বয়সের দু'জন মানুষকে দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা লাগে? একজনের চেহারায় তারুণ্য ঝলমল করে, আর অন্যজনের চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে যায় দ্রুত?

​আসলে, শুধু ক্রিম বা মেকআপ নয়, চেহারার এই তারতম্য লুকিয়ে আছে আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাসে! বয়স তো শুধু একটা সংখ্যা, কিন্তু আপনি কেমন দেখতে, সেটা নির্ভর করে আপনার লাইফস্টাইলের ওপর।

ছবিতে দেখুন,আপনি অজান্তেই আপনার তারুণ্যকে দূরে ঠেলে দিচ্ছেন, নাকি যত্ন করে ধরে রাখছেন। কোন অভ্যাসগুলো আপনাকে ৪০-এও ৩০-এর মতো ফ্রেশ রাখবে, আর কোনগুলো আপনাকে দ্রুত ৫০-এর দিকে ঠেলে দিচ্ছে 👇

"শুধু হাঁটলে হবে না?"এমন প্রশ্ন কিন্তু আমাদের সবার মনেই এসেছে। উত্তর হচ্ছে, হবে। কথা হচ্ছে আমি আসলে কি হবার কথা জানতে চা...
06/12/2025

"শুধু হাঁটলে হবে না?"

এমন প্রশ্ন কিন্তু আমাদের সবার মনেই এসেছে। উত্তর হচ্ছে, হবে। কথা হচ্ছে আমি আসলে কি হবার কথা জানতে চাইছি?

▪️হেলথ হবে? - হ্যাঁ অবশ্যই, হার্ট ভালো থাকবে, লাংস ভালো থাকবে, হজম ভালো হবে।

▪️ফিটনেস হবে? - হ্যাঁ অবশ্যই, হাঁটার ধরন, পরিমাণ এবং ইনটেনসিটির ওপর নির্ভর করে লোয়ার বডির মাসল ডেভেলপ হবে, ব্যালেন্স ভালো হবে, বডি ফ্যাট কমে গিয়ে স্লিম হওয়া যাবে, পেট কমানো যাবে।

▪️ওয়েলনেস হবে?- হ্যাঁ অবশ্যই, টাইমিং এবং লোকেশনের ওপর নির্ভর করে ঘুম ভালো হওয়া, ক্ষুধামন্দা দূর হওয়া, ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পাওয়া, ইনজুরি বা ডিজিজ থেকে রিকভারি ভালো হওয়ার মত ব্যাপারও হবে।

সব হবে, কেবল ৩টা শর্ত মানতে হবে।

▪️ডায়েট পারফেক্ট হতে হবে।

▪️হাঁটার ধরন ও পরিমাণ আমার জন্য উপযুক্ত হতে হবে।

▪️ঠিকমত ঘুমানো এবং স্ট্রেস কমানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

অতএব, জিম না যেতে পারলে হতাশ হবেন না, দুনিয়ার বেশিরভাগ ফিট মানুষ জিমে না গিয়েই ফিট আছেন।

ভাই চর্বি আপনার পুরুষত্ব কমাচ্ছে। ওভারড্রামাটিক বা ওভারসিমপ্লিফাইড হলেও ঘটনা একদম সত্য। আপনি যত মোটা হচ্ছেন, আপনার নিজের...
03/12/2025

ভাই চর্বি আপনার পুরুষত্ব কমাচ্ছে।

ওভারড্রামাটিক বা ওভারসিমপ্লিফাইড হলেও ঘটনা একদম সত্য। আপনি যত মোটা হচ্ছেন, আপনার নিজের শরীর ততই আপনার পুরুষত্বের ক্ষতি করছে। আরেকটু ভেঙ্গে বলি।

চর্বি, বিশেষত ভিসেরাল ফ্যাট যা শরীরের একদম ভেতরে থাকে, যখন বেড়ে যায় তখন "এরোমাটেজ" নামে একটা এনজাইমের সক্রিয়তা বেড়ে যায়। এই এনজাইম "টেস্টোস্টেরন" ভেঙ্গে ফেলে, ভেঙ্গে "এস্ট্রাডিয়ল" তৈরি করে। "এস্ট্রাডিয়ল" হচ্ছে মেয়েদের হরমোন "এস্ট্রোজেন" এর প্রাথমিক রুপ। ড্রামাটিক স্টেটমেন্ট হলেও এক অর্থে পুরুষের শরীর মেয়ের শরীরের মত আচরণ করে। এই "এস্ট্রাডিয়ল" বেড়ে যাওয়া হরমোনাল ইমব্যালেন্স তৈরি করে, মাসল কমিয়ে চর্বি বাড়িয়ে তোলায় ভূমিকা রাখে। অর্থাৎঃ

অতিরিক্ত চর্বি → টেস্টোস্টেরন কমিয়ে দেয় → কম টেস্টোস্টেরন আবার ফ্যাট জমাকে সহজ করে → স্থূলতার দুষ্টচক্র।

অনেক ক্ষেত্রেই পুরুষের লো-টেস্টোস্টেরন সমস্যার কারণ এই অতিরিক্ত চর্বি এবং তার হরমোনাল প্রভাব।

টেস্টোস্টেরন শুধু “পুরুষালি হরমোন” নয়, পুরুষের জন্য এটি তার শক্তি, আত্মবিশ্বাস লিবিডো, মাসল, মেটাবলিজম সবকিছুর সাথেই গভীরভাবে জড়িত। তার মানে দাঁড়াচ্ছে, ওজন বাড়া শুধু পেট বাড়াচ্ছে না…পুরুষত্বও কমিয়ে দিচ্ছে।

সমাধান?

জটিল কিছু নয়, ওজন কমান, চর্বি কমান। বিশেষ করে পেটের চর্বি।

অতিরিক্ত চর্বি কমলে অ্যারোমাটেজের সক্রিয়তা কমে, আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টেস্টোস্টেরন ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের দিকে ফিরতে শুরু করে। এবং এই ক্ষেত্রে বলাই যায়, ওজন নিয়ন্ত্রণ মানে হরমোন নিয়ন্ত্রণ, আর হরমোন নিয়ন্ত্রণ মানে নিজের পুরুষত্ব রক্ষা।

Khan Ehsan Xeon
CPT, CNC, FNC, CSCS
Mentor- Lose To Gain

💔নিজের ফিটনেস নিয়ে সচেতন আপনি, কিন্তু খেয়াল করেছেন মায়ের প্লেটে কি আছে?প্রোটিনের অভাব কি অজান্তেই দুর্বল করছে আপনার মাকে...
02/12/2025

💔নিজের ফিটনেস নিয়ে সচেতন আপনি, কিন্তু খেয়াল করেছেন মায়ের প্লেটে কি আছে?প্রোটিনের অভাব কি অজান্তেই দুর্বল করছে আপনার মাকে?

আমরা যারা নিজেদের ফিটনেস নিয়ে সচেতন, প্রতিদিন প্রোটিন মেপে খাচ্ছি, জিমে যাচ্ছি - আমরা কি কখনও মন দিয়ে দেখেছি আমাদের মায়ের প্লেটে কি থাকে?

😢 যে গল্পটা সব বাড়িতেই একই। আমাদের মায়েরা আমাদের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁরা নিজের খাবারের বেলায় সবসময় উদাসীন। একটা খেলেই হলো।তাঁদের প্রতিদিনের ডায়েট মানেই হলো:
▪️সকাল-সন্ধ্যা ডাল রুটি,ভর্তা আর ভাত।
▪️মাসে একবার হয়তো এক টুকরো চিকেন বা ডিম।
▪️আর সব রান্নাতেই সেই তেল-মশলা।
মা হয়তো জানেন না এই অভ্যাসটা তাঁর শরীরের ভেতরে মারাত্মক ক্ষতি করছে। এই নীরব সমস্যাটি হলো প্রোটিনের অভাব/Protein Deficiency।

⚠️ প্রোটিন ডেফিসিয়েন্সি কেন ক্ষতিকর?
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রোটিন শুধু মাসলের জন্য নয়, এটা আসলে শরীরের অভ্যন্তরীণ মেরামত (Repair) এবং কার্যক্ষমতার জন্য দরকার।
প্রোটিনের অভাবে কি হয়?
▪️এনার্জি লেভেল কমে যায়।শরীর সবসময় দুর্বল লাগে, অল্প কাজ করলেই হাপিয়ে ওঠেন।
▪️হাটাচলায় কষ্ট হয়।বয়স বাড়ার আগেই হাত-পা আর জয়েন্টগুলো দুর্বল হয়ে যায়।
▪️রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) কমে যায়। সহজে সর্দি-কাশি লাগে, শরীর দ্রুত রোগকে কাবু করতে পারে না।

🤱🏻 আপনার দায়িত্ব-মা যেন ভালো থাকেন সেদিকে মনোযোগী হতে হবে। মায়েদেরকে আমাদের মতো ১০০-১৫০ গ্রাম প্রোটিন খাওয়ার দরকার নেই। খেতেও চাইবেনা তাই সেটা সম্ভবও নয়। কিন্তু তাঁদের শরীরে প্রতিদিন ন্যূনতম প্রোটিনের জোগান দেওয়াটা আমাদের কর্তব্য। যদি মা সাধারণ তেলযুক্ত খাবারের পরিবর্তে প্রতিদিনের ডায়েটে একটু পুষ্টিযুক্ত খাবার রাখেন:
▪️ডিম- প্রতিদিন ২টি ডিম সেদ্ধ বা ভেজে দিন। এটা সহজে হজম হয় এবং উচ্চমানের প্রোটিন দেয়।
▪️দুধও পনির- রাতে এক গ্লাস দুধ, দই বা পনির/ছানা—এটা একদিকে যেমন প্রোটিন দেবে, তেমনই ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত রাখতে সহায়তা করবে।
▪️মাংস/মাছ/ডাল- খাবারের সময় অন্তত এক টুকরো মাছ বা মুরগি অথবা এক বাটি ঘন ডাল রাখুন।

এখন যদি আপনি মায়ের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন না নেন, তবে ভবিষ্যতে তাঁর দুর্বলতা বা অসুস্থতার জন্য আপনারই কষ্ট বাড়বে। তাই ​আপনার পরিবারের সবার খাবারের প্লেটটি যেন এমন পুষ্টিতে ভরা থাকে এই দায়িত্বটা এখন আপনার। মায়েদের দিকে একটু বেশি মনোযোগ দিন, মা কে ভালোবাসুন..💚


Address


Opening Hours

Monday 09:30 - 20:00
Tuesday 09:30 - 20:00
Wednesday 09:30 - 20:00
Thursday 09:30 - 20:00
Saturday 09:30 - 20:00
Sunday 09:30 - 20:00

Telephone

+8801786929256

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lose To Gain - লুজ টু গেইন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Lose To Gain - লুজ টু গেইন:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram