Dr. Kiddo

Dr. Kiddo Growing Healthy Together

ফেব্রুয়ারী/মার্চ মাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা নেয়ার উপযুক্ত সময়।
14/02/2026

ফেব্রুয়ারী/মার্চ মাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা নেয়ার উপযুক্ত সময়।

আগামী জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারিতে ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকার ক্যাম্পেইন করবো।

বরাবরই শিশু-কিশোরদের টিকার উপর সচেতনতা বাড়ানো দরকার।

❤️ ভ্যালেন্টাইন্স ডে: ভালোবাসা শুরু হোক পরিবার থেকে ❤️ভ্যালেন্টাইন্স ডে শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার জন্য নয় — এটি ভালোবাসা, ...
14/02/2026

❤️ ভ্যালেন্টাইন্স ডে: ভালোবাসা শুরু হোক পরিবার থেকে ❤️

ভ্যালেন্টাইন্স ডে শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার জন্য নয় — এটি ভালোবাসা, যত্ন আর সম্পর্ককে মূল্য দেওয়ার একটি দিন। ইতিহাসে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের ত্যাগ ও মানবিকতার গল্প থাকলেও আজকের দিনে এই দিনটি আমাদের শেখায় ভালোবাসা প্রকাশ করতে।

👨‍👩‍👧‍👦 শিশুদের জন্য ভালোবাসা মানে নিরাপত্তা, আদর আর সময়।
একটি হাসি, একটি আলিঙ্গন, অথবা বাবা-মায়ের সাথে কাটানো ছোট্ট মুহূর্ত — এগুলোই শিশুর মানসিক বিকাশে বড় ভূমিকা রাখে।
💡 আজকের দিনে আমরা পারি —
✨ সন্তানকে বেশি সময় দিতে
✨ তাদের কথা মন দিয়ে শুনতে
✨ পরিবারে ভালোবাসার পরিবেশ তৈরি করতে

ভালোবাসা শুধু একটি দিন নয়, প্রতিদিনের অভ্যাস।
আসুন, আজ থেকে প্রতিটি দিন হোক
“Growing Healthy Together” 🌱

💖 শুভ ভ্যালেন্টাইন্স ডে 💖

আপনার শিশুর বয়স যদি ৬ সপ্তাহ থেকে ৩২ সপ্তাহ হয়, তাহলে রোটা ভাইরাস এর টীকা দেয়ার এটিই উত্তম সময়।
14/02/2026

আপনার শিশুর বয়স যদি ৬ সপ্তাহ থেকে ৩২ সপ্তাহ হয়, তাহলে রোটা ভাইরাস এর টীকা দেয়ার এটিই উত্তম সময়।

রোটা ভাইরাল টীকার গুরুত্ব (Importance of Rotavirus Vaccine):

রোটা ভাইরাস (Rotavirus) হলো শিশুদের ডায়রিয়ার একটি প্রধান কারণ, যা মারাত্মক পানিশূন্যতা এবং এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এই ভাইরাসটি বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তাই রোটা ভাইরাসের বিরুদ্ধে টীকা (vaccine) নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



✅ রোটা ভাইরাল টীকার গুরুত্ব:
1. ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে:
রোটা ভাইরাস টীকা শিশুকে ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া থেকে রক্ষা করে, যা ঘন ঘন পাতলা পায়খানা, বমি এবং শরীরের পানি ও লবণের ঘাটতির কারণ হয়।
2. মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়:
রোটা ভাইরাসের কারণে প্রতিবছর হাজার হাজার শিশু মারা যায়, বিশেষ করে দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। এই টীকা মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
3. চিকিৎসা খরচ কমায়:
ডায়রিয়ার কারণে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হতে পারে। টীকা নিলে সেই খরচ বাঁচে এবং পরিবারের আর্থিক বোঝা হ্রাস পায়।
4. স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর চাপ কমায়:
টীকাদান প্রোগ্রাম মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণ কমে গেলে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর উপর চাপও কমে।
5. সম্প্রদায়িক প্রতিরোধ গড়ে তোলে:
যখন অনেক শিশু রোটা ভাইরাস টীকা পায়, তখন এটি “হার্ড ইমিউনিটি” তৈরি করে। এর ফলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার হারও কমে যায়।



🕒 টীকা দেওয়ার সময়সূচি:

বাংলাদেশে সাধারণত ৬ সপ্তাহ বয়স থেকে শুরু করে ৩২ সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়। মোট ২ বা ৩ ডোজ, ব্যবহৃত টিকার ধরন অনুযায়ী।

উল্লেখ্য যে রোটা ভাইরাল টীকা মুখে খাওয়ানো হয়। তাই অনায়াসে শিশুদের দেয়া যায়।

জন্মের দুই সেকেন্ড পরে যখন বুঝতে পারলো এটা বাংলাদেশ; এক্সপ্রেশন বি লাইক! 🥲🤦‍♂️
12/11/2025

জন্মের দুই সেকেন্ড পরে যখন বুঝতে পারলো এটা বাংলাদেশ; এক্সপ্রেশন বি লাইক! 🥲🤦‍♂️

যাদের বাবু তিতা ওষুধ খেতে চায়না চলে এলো সমাধান! 😅🥰
06/11/2025

যাদের বাবু তিতা ওষুধ খেতে চায়না চলে এলো সমাধান! 😅🥰

🩺
27/10/2025

🩺

রোটা ভাইরাল টীকার গুরুত্ব (Importance of Rotavirus Vaccine):

রোটা ভাইরাস (Rotavirus) হলো শিশুদের ডায়রিয়ার একটি প্রধান কারণ, যা মারাত্মক পানিশূন্যতা এবং এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এই ভাইরাসটি বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তাই রোটা ভাইরাসের বিরুদ্ধে টীকা (vaccine) নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



✅ রোটা ভাইরাল টীকার গুরুত্ব:
1. ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে:
রোটা ভাইরাস টীকা শিশুকে ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া থেকে রক্ষা করে, যা ঘন ঘন পাতলা পায়খানা, বমি এবং শরীরের পানি ও লবণের ঘাটতির কারণ হয়।
2. মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়:
রোটা ভাইরাসের কারণে প্রতিবছর হাজার হাজার শিশু মারা যায়, বিশেষ করে দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। এই টীকা মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
3. চিকিৎসা খরচ কমায়:
ডায়রিয়ার কারণে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হতে পারে। টীকা নিলে সেই খরচ বাঁচে এবং পরিবারের আর্থিক বোঝা হ্রাস পায়।
4. স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর চাপ কমায়:
টীকাদান প্রোগ্রাম মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণ কমে গেলে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর উপর চাপও কমে।
5. সম্প্রদায়িক প্রতিরোধ গড়ে তোলে:
যখন অনেক শিশু রোটা ভাইরাস টীকা পায়, তখন এটি “হার্ড ইমিউনিটি” তৈরি করে। এর ফলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার হারও কমে যায়।



🕒 টীকা দেওয়ার সময়সূচি:

বাংলাদেশে সাধারণত ৬ সপ্তাহ বয়স থেকে শুরু করে ৩২ সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়। মোট ২ বা ৩ ডোজ, ব্যবহৃত টিকার ধরন অনুযায়ী।

উল্লেখ্য যে রোটা ভাইরাল টীকা মুখে খাওয়ানো হয়। তাই অনায়াসে শিশুদের দেয়া যায়।

❤️❤️❤️উৎসব-আনন্দের পাশাপাশি আপনার শিশুর স্বাস্থ্য-সুরক্ষার জন্য কিছু ভেবেছেন কি??❤️❤️❤️আপনার শিশুকে রোটা ভাইরাস টিকা দিল...
28/09/2025

❤️❤️❤️উৎসব-আনন্দের পাশাপাশি আপনার শিশুর স্বাস্থ্য-সুরক্ষার জন্য কিছু ভেবেছেন কি??

❤️❤️❤️আপনার শিশুকে রোটা ভাইরাস টিকা দিলে ৫ বছর পর্যন্ত শিশুদের ডায়রিয়ার অন্যতম কারণ রোটা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

❤️❤️❤️আপনার শিশুর বয়স যদি দেড় মাস থেকে ৮ মাসের মধ্যে হয় তাহলে রোটা ভাইরাস টিকা খাওয়ানোর জন্য উপযুক্ত সময়।

❤️❤️❤️১ মাস পরপর মোট ৩ টি ডোজ মুখে খাইয়ে দিতে হয়। এতে শিশুর কোন ব্যথা বা অন্য অসুবিধা হয় না।

শারদীয় দুর্গা পূজার আগাম শুভেচ্ছা!  ❤️❤️
25/09/2025

শারদীয় দুর্গা পূজার আগাম শুভেচ্ছা! ❤️❤️

পৃথিবীর সবচেয়ে ধারালো যন্ত্র!! 😅🫡
20/09/2025

পৃথিবীর সবচেয়ে ধারালো যন্ত্র!! 😅🫡

রোটা ভাইরাল টীকার গুরুত্ব (Importance of Rotavirus Vaccine):রোটা ভাইরাস (Rotavirus) হলো শিশুদের ডায়রিয়ার একটি প্রধান ক...
15/09/2025

রোটা ভাইরাল টীকার গুরুত্ব (Importance of Rotavirus Vaccine):

রোটা ভাইরাস (Rotavirus) হলো শিশুদের ডায়রিয়ার একটি প্রধান কারণ, যা মারাত্মক পানিশূন্যতা এবং এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এই ভাইরাসটি বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তাই রোটা ভাইরাসের বিরুদ্ধে টীকা (vaccine) নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



✅ রোটা ভাইরাল টীকার গুরুত্ব:
1. ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে:
রোটা ভাইরাস টীকা শিশুকে ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া থেকে রক্ষা করে, যা ঘন ঘন পাতলা পায়খানা, বমি এবং শরীরের পানি ও লবণের ঘাটতির কারণ হয়।
2. মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়:
রোটা ভাইরাসের কারণে প্রতিবছর হাজার হাজার শিশু মারা যায়, বিশেষ করে দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। এই টীকা মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
3. চিকিৎসা খরচ কমায়:
ডায়রিয়ার কারণে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হতে পারে। টীকা নিলে সেই খরচ বাঁচে এবং পরিবারের আর্থিক বোঝা হ্রাস পায়।
4. স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর চাপ কমায়:
টীকাদান প্রোগ্রাম মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণ কমে গেলে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর উপর চাপও কমে।
5. সম্প্রদায়িক প্রতিরোধ গড়ে তোলে:
যখন অনেক শিশু রোটা ভাইরাস টীকা পায়, তখন এটি “হার্ড ইমিউনিটি” তৈরি করে। এর ফলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার হারও কমে যায়।



🕒 টীকা দেওয়ার সময়সূচি:

বাংলাদেশে সাধারণত ৬ সপ্তাহ বয়স থেকে শুরু করে ৩২ সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়। মোট ২ বা ৩ ডোজ, ব্যবহৃত টিকার ধরন অনুযায়ী।

উল্লেখ্য যে রোটা ভাইরাল টীকা মুখে খাওয়ানো হয়। তাই অনায়াসে শিশুদের দেয়া যায়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Kiddo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram