IDEAL HOMEO CARE

IDEAL HOMEO CARE We always try to provide world class Homeopathic Treatment with only Germany Potency Medicine.

01/04/2026

★★ হাম (Measles) চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি --

★“রোগীর লক্ষণের সাথে সাদৃশ্য বা মিল আছে এমন ঔষধ প্রয়োগ করে রোগীকে আরোগ্য করাই হলো হোমিওপ্যাথি।হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির মূল ভিত্তি হলো—ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা (Individualization)। অর্থাৎ, একই রোগে আক্রান্ত হলেও প্রত্যেক রোগীর শারীরিক গঠন, মানসিক অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন ও আচরণ ভিন্ন হওয়ায় তাদের জন্য নির্ধারিত ঔষধও ভিন্ন হতে পারে।

★একটি উদাহরণ:---
ধরা যাক, একই পরিবারের ৪ জন ব্যক্তি হাম (Measles) রোগে আক্রান্ত। তবুও তাদের জন্য একই ওষুধ প্রযোজ্য নাও হতে পারে। কারণ—

➤কারও শরীরে গরম, কারোও শীত বেশি।
➤কারও পানির পিপাসা বেশি বা কম।
➤কারো ও ডায়রিয়া, কারো কোষ্ঠকাঠিন্য।
➤ কারোও চুলকানো ঠান্ডা আবহাওয়ায় বৃদ্ধি, কারো গরমে।
➤সবার মানসিক অবস্থা ভিন্ন।
➤কারও দুর্বলতা বা অস্থিরতা বেশি

--এই ভিন্ন ভিন্ন উপসর্গ ও বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা ঔষধ নির্বাচন করেন।হোমিওপ্যাথি “একই রোগ, একই ঔষধ” নীতিতে বিশ্বাস করে না। উপসর্গ অনুযায়ী সঠিক ঔষধ নির্বাচনে গুরুত্ব দেয়।

★ হামের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কিছু কার্যকর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ:-

Pulsatilla
Belladonna
Bryonia
Aconite
Morbillinum
Camphora
Rhus tox
Mercurius sol
Natrium mur

⚠️ পরামর্শ:
অভিজ্ঞ ও নিবন্ধিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ গ্রহণ করবেন না।

ক্যালকেরিয়া আর্সেনিকোসা (Calc-ar.)----------------------------------------প্রধান বৈশিষ্ট্য: অভিযোগের সাথে বুক ধড়ফড়ানি...
09/02/2026

ক্যালকেরিয়া আর্সেনিকোসা (Calc-ar.)
----------------------------------------

প্রধান বৈশিষ্ট্য: অভিযোগের সাথে বুক ধড়ফড়ানি (Palpitations)

মানসিক লক্ষণ
অর্থনৈতিক বিষয়ে দুশ্চিন্তা: দারিদ্র্যের ভয়। অতিশয় লোভ বা কৃপণতা।

বিছানায় অস্থিরতা।

মেজাজ: খিটখিটে, ঘ্যানঘ্যানে, বিলাপ করা, বদমেজাজি; মানসিকভাবে অসন্তুষ্ট এবং অন্যদের প্রতি ও নিজের প্রতি অসন্তুষ্ট।

রাগ: রাগ করলে বুক ধড়ফড়ানি এবং মাথাব্যথা শুরু হয়।

ভয়: ভূমিকম্পের ভয়।

পারলৌকিক চিন্তা: নিজের মুক্তি (Salvation) নিয়ে উদ্বেগ এবং মৃত্যুর পরবর্তী জীবন নিয়ে ভয়। সন্ধ্যাবেলায়, রাতে বিছানায় এবং শীত লাগার (Chill) সময় উদ্বেগ বাড়ে।

মানসিক জড়তা: মনোযোগ দিতে অসুবিধা হওয়া।

শারীরিক লক্ষণ
অগ্ন্যাশয়ের (Pancreas) ক্যান্সার: এটি অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে নির্দেশিত হয়। এই ঔষধটি অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের জ্বালাপোড়া যন্ত্রণা উপশম করে এবং যদি শরীরে পর্যাপ্ত জীবনীশক্তি অবশিষ্ট থাকে তবে এটি আরোগ্য করতেও সক্ষম।

ম্যালিগন্যান্সি: পেটের অংশের ম্যালিগন্যান্ট রোগ। লসিকা গ্রন্থির (Lymphatic glands) ম্যালিগন্যান্সি; কুঁচকি (Inguinal) এবং মেসেন্টারিক গ্রন্থির ফোলা।

কিডনি বা বৃক্কের সমস্যা: যখন হৃদরোগ বা লিভারের সমস্যার কারণে কিডনি আক্রান্ত হয় (যেমন- নেফ্রিটিক সিনড্রোম, অ্যাডিসনস ডিজিজ, নেফ্রাইটিস) এবং প্রস্রাবে প্রচুর পরিমাণে অ্যালবুমিন (Albuminuria) নির্গত হয়।

প্রস্রাব: হৃদরোগের অনুবর্তী হিসেবে প্রস্রাবে অ্যালবুমিন যাওয়া। নেফ্রাইটিস বা কিডনির প্রদাহের সাথে কিডনি অঞ্চলে প্রচণ্ড সংবেদনশীলতা।

অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ফ্যাটি ডিজেনারেশন (চর্বিযুক্ত অবক্ষয়)। শিশুদের যকৃৎ (Liver) এবং প্লীহা (Spleen) বড় হয়ে যাওয়া।

বুক ধড়ফড়ানি (Palpitations): পরিশ্রমের পর, উত্তেজনা, রাগ এবং মৃগী রোগের (Epilepsy) পর বুক ধড়ফড়ানি।

দুর্বলতা: মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে দুর্বল। প্রচণ্ড অবসাদ। কাঁপুনিযুক্ত এবং পক্ষাঘাতগ্রস্ত দুর্বলতা। রক্তাল্পতার (Anaemia) ক্ষেত্রে দরকারী ঔষধ।

ঘাম: রাত ৩টার পর ঘাম হয়। একটি অদ্ভুত লক্ষণ হলো— রোগী এই সময়ে জেগে ওঠে এবং তার মধ্যে দুষ্টুমি করার প্রবণতা (Mischievous) দেখা দেয়।

মৃগী রোগ (Epilepsy): রাতে খিঁচুনিসহ মৃগী রোগ। মৃগীর আভা বা লক্ষণ (Aura) হিসেবে বুক ধড়ফড়ানি, মাথা ঘোরা, স্বরভঙ্গ, মাথায় রক্তাধিক্য, হৃদপিণ্ডে ব্যথা, কণ্ঠস্বর হারিয়ে ফেলা, মলত্যাগের বেগ এবং বাম হাতে ব্যথা হতে পারে।

বৃদ্ধি: পরিশ্রম করলে কষ্ট বাড়ে, যার ফলে মূর্ছা যাওয়া, বুক ধড়ফড়ানি, শ্বাসকষ্ট এবং দুর্বলতা দেখা দেয়।

ম্যালেরিয়া: দীর্ঘস্থায়ী বা চাপা পড়া ম্যালেরিয়া।

ভার্টিগো (Vertigo): মাথা ঘোরার সময় মনে হয় যেন সে ভাসছে।

মোডালিটিস (বৃদ্ধি ও উপশম)
বৃদ্ধি (Aggravation): ঠান্ডা, রাত ৩টা, ভুট্টা (Corn) খেলে।

ইচ্ছা (Desires): স্যুপ, তরল খাবার, অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়, ঠান্ডা পানীয়।

অনিচ্ছা (Aversion): অ্যালকোহল, ঠান্ডা পানীয়, ভুট্টার আটা বা কর্ন মিল।

সোর্স: জর্জ ভিথোলকাস

01/02/2026
21/10/2025

MOST USED MEDICINE ACCORDING TO GEORGE VITHOULKAS TEAM:

1. Aconite nap 30 to CM
2. Aesculus Hip 30, 200,1M
3. Aethusa cyn 30, 200
4. Agaricus mus 200 to CM
5. Agnus cast 30 to CM
6. Allium cepa 30 to 10M
7. Aloe soc 30 to 10M
8. Alumen 30 to 10M
9. Alumina 30 to 10M
10. Ambra gr 30 to 10M
11. Ammon carb
12. Ammon mur
13. Anacardium ori
14. Angustura vera
15. Antim crud
16. Antim tart
17. Apis mel
18. Argent met
19. Argent nit
20. Arnica
21. Ars alb
22. Ars iod
23. Asafoetida
24. Asaram euro
25. Aurum met
26. Aurum mur
27. Bacillinum burnett
28. Baptisia
29. Baryta carb
30. Baryta iod
31. Baryta mur
32. Belladonna
33. Bellis per
34. Berberis vul
35. Borax
36. Bovista
37. Bromium
38. Bryonia alb
39. Bufo rana
40. Cactus
41. Caladium seg
42. Calc carb
43. Calc fluor
44. Calc phos
45. Calc sulph
46. Calendula
47. Camphor
48. Cannabis ind
49. Cannabis sat
50. Cantharis
51. Capsicum
52. Carbo ani
53. Carbo veg
54. Carbolic acid
55. Carboneum sulph
56. Causticum
57. Chamomilla
58. Chellidonium
59. China
60. China ars
61. China sulph
62. Cicuta virosa
63. Cimicifuga
64. Cina
65. Cinnabaris
66. Clematis
67. Cocculus ind
68. Coccus cacti
69. Coffea cruda
70. Colchicum
71. Colocynth
72. Conium
73. Copiva
74. Crocus sat
75. Crotalus hori
76. Croton tig
77. Cuprum met
78. Cyclemen
79. Digitalis
80. Dioscorea
81. Drosera
82. Dulcamara
83. Elaps cor
84. Eupat perf
85. Euphorbium
86. Euphrasia
87. Ferrum iod
88. Ferrum.met
89. Ferrum phos
90. Fluoric acid
91. Gelsemium
92. Glonoinum
93. Graphites
94. Gratiola
95. Guaiacum
96. Hamamelis
97. Helleborus
98. Hepar sulph
99. Hydrastis can
100. Hyoscyamus
101. Hypericum
102. Ignatia
103. Iodium
104. Ipecac
105. Iris vers
106. Kali ars
107. Kali b**h
108. Kali carb
109. Kali iod
110. Kali nit
111. Kali phos
112. Kali sulph
113. Kalmia lat
114. Kreasot
115. Lac can
116. Lachesis
117. Laurocerasus
118. Ledum
119. Lilium tig
120. Lycopodium
121. Lyssin
122. Mag carb
123. Mag mur
124. Mag phos
125. Mag sulph
126. Mancinella
127. Mangunum
128. Medorrhinum
129. Menyanthes
130. Merc cor
131. Merc iod flav
132. Merc sol
133. Mezereum
134. Moschus
135. Muriatic acid
136. Naja t
137. Nat carb
138. Nat ars
139. Nat mur
140. Nat sulph
141. Niccolum
142. Nitric acid
143. Nux moschata
144. Nux vom
145. Oleander
146. Oleum ani
147. O***m
148. Oxalic acid
149. Palladium
150. Paris quadri
151. Petroleum
152. Phosphoric acid
153. Phosphorus
154. Picric acid
155. Physostigma
156. Phytolacca D
157. Picric acid
158. Plantago m
159. Platina
160. Plumbum met
161. Podophyllum
162. Psorinum
163. Ptelea tri
164. Pulsatilla
165. Rananculus B
166. Ratanhia
167. Rhododendron
168. Rhus tox
169. Rumex cris
170. Ruta g
171. Sabadilla
172. Sabina
173. Sambucus nigra
174. Sanguinaria can
175. Sanicula aqua
176. Sarsaparilla
177. Secale cor
178. Selenium
179. Senega
180. Sepia
181. Silicea
182. Spigelia
183. Spongia tosta
184. Squilla
185. Stannum met
186. Staphysagria
187. Stramonium
188. Strontium.carb
189. Strichninum puru
190. Sulphur
191. Sulphuric acid
192. Syphillinum
193. Tabacum
194. Taraxacum
195. Tarentula His
196. Terebinthina
197. Teucr m v
198. Thuja
199. Tuberculinum
200. Valeriana
201. Veretrum alb
202. Verbascum
203. Zincum.met

10/10/2025

🎯ক্লিনিক্যাল নোটস অন হোমিওপ্যাথিক রিমেডিস -০৫

🧿একোনাইটাম ন্যাপেলাস
Aconitum napellus (Acon.)

🧿ক্লিনিকে চেনার উপায়ঃ
একোনাইট চেনার প্রধান উপায় হচ্ছে ভয়; মৃত্যুভয়। ভয় পেয়ে উৎপন্ন যেকোনো সমস্যা, যেমনঃ মৃত্যুভয়, অস্বাভাবিক আচরণ, পাগলামি, বিলাপ, হ্যালুসিনেশন, ডিলিউসন, ইলিউশন, বিলাপ, জ্বর, আমাশয় ইত্যাদি। শুষ্ক ঠান্ডা বাতাস (শীতকালীন) বা অতিরিক্ত রৌদ্রতাপ লেগে যেকোন সমস্যার প্রাথমিক অবস্থায় একোনাইট বিবেচনা করতে হবে।
নবজাতক ও শিশুদের জ্বর।

রোগ একিউট বা ক্রনিক যাইহোক, একোনাইটে অস্থিরতা, দূঃশ্চিন্তা ও মৃত্যভয় থাকে; রোগী মনে করে যে মৃত্যু আসন্ন বা অতি নিকটে। মৃত্যুর দিনক্ষণ সময় নির্ধারন করে দেয় এবং ভয়ে মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী মনে করে। ভয় পেয়ে উদ্ভুত সমস্যা। রোগের আক্রমন আকস্মিকভাবে ঘটে, অল্প সময়ের মধ্যেই জীবন-সংশয়ী অবস্থা তৈরি হয়। প্যানিক এ্যাটাক। আসন্ন মৃত্যুভয়।

🧿মানসিক লক্ষনঃ
ভয় (Fright) থেকে রোগের উৎপত্তি।

ভয়ঃ ভয়ানক মৃত্যুভয় (প্রসবকালীন, গর্ভাবস্থায়, ঋতুস্রাবে, হৃদরোগের ক্ষেত্রে, অচির প্রদাহজনক রোগে ইত্যাদি), মৃত্যুর সময় নির্ধারণ করে দেয়, মৃত্যুর পূর্বাভাস অনুভব করে। খোলা জায়গা, সংকীর্ণ স্থান, সুড়ঙ্গপথ, টানেল, সাবওয়ে, ভূমিকম্প, জনসমাগম, খারাপ সংবাদ, বিমানযাত্রা, হৃদরোগ, অন্ধকার, ভুত ইত্যাদির ভয়।

প্যানিক এ্যাটাক এর সাথে থাকেঃ বুক ধড়ফড়ানি, অস্থিরতা, মুখমন্ডলের লালচে বিবর্ণতা, একপাশে অবশভাব, মাথা ঘোরা, মূর্ছাভাব, অস্থিরতা, ঘাম, কাঁপুনি, শ্বাসকষ্ট, মৃত্যুভয়। এ্যাটাকের মধ্যবর্তী সময়ে রোগী সাধারণত নীরব, শান্ত ও নির্ভার থাকে।
যেকোন ভয়ানক ও ভীতিকর পরিস্থিতি থেকে উদ্ভুত সমস্যায় (যেমনঃ দুর্ঘটনা বা ভূমিকম্পের পর উদ্বেগজনিত অবস্থা)
অস্থিরতা।

প্যানিক এ্যাটাক সাধারনত সন্ধ্যার দিকে এবং ঘুমানোর পর শুরু হয়; ঘুমানোর ১ থেকে ২ ঘণ্টা পর ভয় বা আতঙ্ক নিয়ে উঠে পড়ে।

প্রসবকালীন সময়ে ভয়, ভয় পায় যেন এই বাচ্চা প্রসবেই তার মৃত্যু হবে।

অন্যদের জন্য উদ্বেগ ও ভয়।

সাথীসঙ্গ আকাঙ্ক্ষা করে।

ভয়ানক যন্ত্রণা সহ অস্থিরতা, তাৎক্ষনিক রোগমুক্তি চায়।

রোগীর ভাষ্য– ডাক্তার, কোনো লাভ নেই, আমি মারা যাচ্ছি! (প্রচন্ড মৃত্যুভয়)

রোগীর ভাষ্য— খুব ভয় হচ্ছে, আমি আর বাঁচবো না, আগামী দুপুর বারোটায় আমার মৃত্যু হবে! (প্রচন্ড মৃত্যুভয় থেকে ভবিষ্যতবানী করে)

🧿শারীরিক লক্ষণঃ
শুষ্ক ঠান্ডা বাতাস বা হিমেল বাতাসের সংস্পর্শে আকস্মিক লক্ষণ প্রকাশ পায় (জ্বর, কাশি, চোখের প্রদাহ, সর্দি, মুখমণ্ডলের স্নায়ুবেদনা ইত্যাদি )। ঘাম থেকে ঠান্ডা লেগেও লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। শুষ্ক ঠান্ডা বাতাস লেগে যেকোন অচির আক্রমনে শুরুতেই একোনাইট নির্দেশিত হয়।

জ্বরে ত্বক শুষ্ক ও উত্তপ্ত থাকে, প্রচণ্ড স্নায়বিক অস্থিরতা ও ছটফটানি, শীতভাবসহ কাঁপুনি, প্রচণ্ড ঠান্ডা পানির পিপাসা। পানি বাদে সকল খাবারে তিক্ত স্বাদ। এক গাল লাল ও উত্তপ্ত, অন্য গাল ফ্যাকাশে ও ঠান্ডা থাকে।

মুখমন্ডল ফোলা ও লালচে। পর্যায়ক্রমে লালচে ও ফ্যাকাশে ভাব।

শিরার মধ্যে শীতল অনুভূতি।

ঠান্ডা খাবার ও পানীয় গ্রহণের পর গ্যাস্ট্রাইটিস (পাকস্থলীর প্রদাহ)।

হৃদপিণ্ডের রোগ; রক্তসঞ্চয়, এন্ডোকার্ডাইটিস, পেরিকার্ডাইটিস। বাম উর্ধ্ব বাহুতে অসাড়তা সহ হৃদরোগ। আঙুলে ঝিনঝিন ভাব সহ হৃদপিণ্ডের বিবৃদ্ধি। মনে হয় যেন হৃদপিণ্ড থেমে যাবে।

নবজাতকের মূত্ররোধ। শিশুরা প্রস্রাবের পূর্বে যেন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়, ব্যথায় পুরুষাঙ্গ চেপে ধরে কান্না করে। সন্তান প্রসবের পর মায়ের মূত্ররোধ।

চোখে আঘাত লাগলে বা চোখে কোনকিছু ঢুকলে একোনাইট প্রাথমিক ওষুধ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। সম্পূরক হিসেবে বা চোখে জ্বালা অবশিষ্ট থাকলে সালফার প্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে।

ভয় পেয়ে হঠাৎ অন্ধত্ব।

উচ্চ জ্বর ও তীব্র ব্যথা সহ যেকোনও অচির রোগের আকস্মিক আবির্ভাবে একোনাইট প্রথম বিবেচ্য ওষুধ। অস্থিরতা, মৃত্যভয়।
ঠান্ডা বাতাস লেগে হঠাৎ ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া, বেলস পালসি (কস্টিকাম)।

ক্রুপ কাশির প্রথম বিবেচ্য ওষুধ (হিপার, স্পঞ্জিয়া, ব্রোমিয়াম)

🧿সার্বদৈহিক লক্ষণঃ
শক্তিশালী, স্বাস্থ্যবান এবং রক্সপ্রধান ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে উপযোগী।

ভয় বা আকস্মিক শক থেকে উদ্ভুত সমস্যা।

আঘাত বা দুর্ঘটনার পরে তীব্র ভয় ও শক। হঠাৎ শুরু হয় (বেলাডোনা)।

শুষ্ক ঠাণ্ডা বাতাসে বৃদ্ধি।

তাপে বৃদ্ধি (এমনকি মানসিক লক্ষণাবলীও)।

এতটাই ভয়ানক ব্যথা যে রোগী ব্যাথায় কাঁদতে বাধ্য হয়।
অস্থিরতা, স্থির থাকতে পারে না।

ভয় পেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়া।

🧿হ্রাসবৃদ্ধিঃ

🧿বৃদ্ধিঃ ঠান্ডা, শুষ্ক আবহাওয়া, ঠান্ডা বাতাস, ঘামে, স্পর্শে, নড়নচড়নে।
🧿উপশমঃ চিৎ হয়ে শয়ণে, বসা, হাঁটাচলা, ঘামে।
🧿আকাঙ্ক্ষাঃ ঠান্ডা পানি, বিয়ার, ওয়াইন।

07/10/2025

🎯ক্লিনিক্যাল নোটস অন হোমিওপ্যাথিক রিমেডিস- ০৪

🎯এব্রোটানাম
Abrotanum (Abrot.)

🧿ক্লিনিকে চেনার উপায়ঃ

“ঐ সমস্যার পরে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে” এমন তথ্য। নবজাতক বা শিশুদের নাভী সংক্রান্ত যেকোনও রোগ। নবজাতকের ওজন বৃদ্ধি না হওয়া।

মেটাস্ট্যাসিস (প্যাথলজিক্যাল অবস্থার বিকল্প পরিবর্তন) এবং সাপ্রেশন (অবদমন) – এব্রোটেনামের মুল চরিত্র। যেমনঃ মাম্পস বা প্যারোটিড গ্লান্ডের বিবৃদ্ধির পর অন্ডকোষ ফুলে যাওয়া বা স্তন প্রদাহিত হওয়া, ডায়রিয়া বন্ধ হয়ে পাইলসের সমস্যা দেখা দেওয়া বা নাক থেকে রক্তপাত বা প্রস্রাবের সাথে রক্ত, গাউট ও বাতব্যথা বন্ধ হয়ে হৃদরোগের উদ্ভব হওয়া, গাউটের সমস্যা দূর হয়ে পাইলসের সমস্যা দেখা দেয়া, চর্মরোগ অবদমিত হয়ে ফুসফুসের সমস্যা হওয়া ইত্যাদি।

এব্রোটেনামের প্যাথলজি অবদমিত হলে দ্রুত অন্য অঙ্গে রোগ তৈরি করে (এটি মেটাস্ট্যাটিক ক্যান্সার নয়, বরং রোগের অবস্থান বা অবস্থার পরিবর্তন)

গ্রন্থির (গ্লান্ড) উপর এর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

🧿মানসিক লক্ষণঃ

খিটখিটে মেজাজ ও প্রতিহিংসাপরায়ণতা।

বিরক্তিকর, বিষন্ন, খুবই খিটখিটে, নিষ্ঠুর স্বভাবের শিশু। মনে হয় যেন সবসময়ই তার নিষ্ঠুর প্রকৃতির কিছু করতে ইচ্ছে করে; মনে হয় যেন তার মধ্যে কোনো মানবিকতা নেই।

মানসিক ও শারীরিক লক্ষণাবলী পর্যায়ক্রমে দেখা দেয় (ইগ্নেশিয়া, প্লাটিনা)।

🧿শারীরিক লক্ষণঃ
স্রাব বা ক্ষরণ (discharge) বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নতুন রোগের উদ্ভব, বিশেষত ডায়রিয়া বন্ধ হওয়ার পর উদ্ভুত সমস্যায় এব্রোটেনাম নির্দেশিত হয়।

অর্শ (হেমোরয়েড) অবদমন হওয়ার পর উদ্ভুত সমস্যা।

রোগের অবস্থান বা অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন হলে অথবা রোগ অবদমনের ফলে সম্পূর্ণ নতুন রোগ বা সমস্যা দেখা দিলে প্রথমেই এব্রোটেনাম বিবেচনা করুন।

রোগের অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন হয়।

পর্যায়ক্রমে কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া; খাবার ঠিকমতো হজম হয় না (পডোফাইলাম)।

ম্যারাসমাস (শিশুদের অপুষ্টিজনিত অতি শীর্ণতা), বিশেষত পায়ের দিকে বেশি, যা ধীরে ধীরে উপরের দিকে বাড়তে থাকে (লাইকোপোডিয়াম ও ন্যাট্রাম মিউরের বিপরীত)।

খায়দায় ভালো কিন্তু নবজাতকের ওজন বৃদ্ধি হয় না এ লক্ষণে প্রথমেই এব্রোটেনাম বিবেচনা করুন ; ম্যারাসমাস (স্যানিকিউলা)।

বয়সের তুলনায় দেখতে বৃদ্ধের মতো দেখায়, যেন নবজাতক একজন ছোট্ট বৃদ্ধ মানুষ (ব্যারাইটা কার্ব, আয়োডিন, ন্যাট্রাম মিউর, ওপিয়াম*, সালফার)।

নবজাতকের নাভি থেকে ক্ষরণ হয়, নাভী শুকাতে দেরি হয়, সহজে শুকাতে চায় না। নাভীতে যেকোনও প্রকারের উদ্ভেদ বা ফুসকুড়ি।

পাইলোরিক স্টেনোসিস।

নবজাতকের ড্রপড হেড সিনড্রোম (ডিএইচএস) (ইথুজা, ক্যালক ফস)।

বালকদের হাইড্রোসিল; চর্মরোগ অবদমনের ফলে হাইড্রোসিল দেখা দেয়।

অপুষ্টিতে ভোগা শীর্ণকায় শিশুদের নাভী থেকে ক্ষরণ বা উদ্ভেদ দেখা দিলে নিশ্চিতভাবে এব্রোটেনাম নির্দেশিত হয়।

যক্ষার ভ্যাকসিন গ্রহনের পর শিশুদের শরীরে বারবার ফোঁড়া ওঠা, ওজন কমতে থাকা, হেকটিক জ্বর, টিউবারকুলার ম্যানিফেস্টেশন।
লিম্ফ গ্লান্ডের বিবৃদ্ধি বা প্রদাহ।

🧿হ্রাসবৃদ্ধিঃ
🧿হ্রাসঃ ডায়রিয়া হলে উপশম (ন্যাট্রাম সালফ, জিংকাম)।
🧿বৃদ্ধিঃ ঠান্ডা ও আর্দ্র আবহাওয়ায়, ইনফ্লুয়েঞ্জার পর (জেলস, ইনফ্লুয়েঞ্জিনাম), অবদমন (সাপ্রেশন)।

🧿তুলনীয়ঃ

ইথুজা, সিনা (খিটখিটে), পালসেটিলা (মাম্পস অবদমিত হয়ে স্তনে বা অন্ডকোষে রোগলক্ষণ), সাইলিশিয়া, টিউবার।

05/10/2025

🎯ক্লিনিক্যাল নোটস অন রিমেডিস- ০৩

🎯এবিস নাইগ্রা
Abies Nigra (Abies-n.

🎯ক্লিনিকে চেনার উপায়ঃ
অতিরিক্ত চা বা তামাকজাতীয় দ্রব্য, যেমনঃ বিড়ি,সিগারেট, জর্দা ইত্যাদি সেবনকারীদের বুকে চাকা বা ঢেলার মতো কিছু একটা আটকে আছে এমন অনুভূতি।

🧿শারীরিক লক্ষণঃ
উর্ধ্ব পেটে (এপিগ্যাস্ট্রিয়াম) একটি সিদ্ধ ডিম বা দলা বা পিণ্ড আটকে আছে এরকম অনুভূতি। রোগী অনুভব করে যেন, সে একটি পাথর বা ডিম গিলেছে এবং তা বুকে আটকে আছে। রোগী মনে করে, তার বুকে খাবার আটকে আছে।
খাওয়ার পর পেটে ব্যথা।
বয়স্ক রোগীদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।
হৃদযন্ত্রের সমস্যা, বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের

🧿তুলনীয়ঃ
এসাফোটিডা, ব্রায়োনিয়া, চায়না, নাক্স ভোম, পালসেটিলা।

🧿এবিস ক্যান ও নাইগ্রার প্রধান পার্থক্যঃ এবিস ক্যানে রাক্ষুসে ক্ষুধা থাকে, পেটে শূন্যতা অনুভূতি থাকে; অপরদিকে এবিস নাইগ্রার বুকে দলা আটকে থাকার অনুভূতি থাকে, সকালবেলা একদমই ক্ষুধা থাকে না, দুপুরে ও রাতে ক্ষুধা বৃদ্ধি পায় এবং ক্ষুধার জ্বালায় ঘুম হয় না।

নেক্সটঃ এব্রোটেনাম

05/10/2025

#হোমিও_ঔষধ
#সাইক্লামেন/Cyclamen
#বর্ণনাঃ-
১) স্মৃতিশক্তি মাঝেমধ্যে খুবই স্থুল,সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাও মনে করতে পারে না।

২) রোগীর মন সবসময় স্তব্ধ থাকে,শুধু প্রফুল্ল অবস্থায় তার মাথা পরিস্কার থাকে,তার নিজের সাথে যা ঘটে,তা সামান্যই বুঝতে পারে।

৩) ঘাড়ে ও মাথায় চাপবোধ,মনে হয় কাপড় দিয়ে মস্তিষ্ক আবৃত এবং অচেতন।

৪) ঘ্রাণ শক্তি হ্রাসপ্রাপ্ত,ঠোঁট শুস্ক,পিপাসা নেই।

৫) সকালে নাস্তার জন্য ক্ষুধা নেই। রুটি ও মাখন অপছন্দ।

৬) পেটে ব্যথা, হঠাৎ আসে হঠাৎ চলে যায়।

৭) বাম পায়ের আঙ্গুলগুলের মধ্যে দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম,বাম পায়ের বুড়ো আঙুলে চাপবোধ।

৮) সন্ধায় প্রচন্ড ক্লান্তি,শুয়ে ঘুমাতে বাধ্য হয়,অস্থির ঘুম,ঘুমের মধ্যে টাকার স্বপ্ন দেখে।

৯) সন্ধা পর্যন্ত সমস্ত কাজের প্রতি অনাগ্রহ।

১০) নরম মল, মলত্যাগের পুর্বে বায়ুনিঃসরণ।

১১) রেগীর জিহবা প্রলেপযুক্ত।

১২) ডান হাতে পক্ষাঘাতের মত অবস্থা যা আঙুল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়,লিখতে বাধা প্রদান করে।

১৩) শিশু সবসময় বিছানায় শুয়ে থাকতে চায়।

১৪) সকালে অনেক স্বপ্ন ও বীর্যপাত।

১৫) কথা বলার অনিচ্ছা,কথা বলা তার কাছে কষ্টের।

১৬) গভীর চিন্তায় ডুবে যায়,একাকীত্ব খুঁজতে থাকে এবং তার ভবিষ্যৎ ভাগ্যের কথা ভাবতে থাকে।

১৭) অভ্যন্তরীন দুঃখ এবং উদ্বেগ,যেন সে তার দায়িত্ব পালন করেনি অথবা অপরাধ করেছে।

১৮) মাঝেমধ্যে বদরাগী,আবার অদ্ভুত খুঁশি।

১৯) অস্পষ্ট দৃষ্টি,চোখের উপরের পাতা ফোলা।

উপরোক্ত লক্ষন অনুযায়ী ঔষধটি প্রয়োগ করতে পারলে,ইনশাল্লাহ খুবই দ্রুত সমস্যাগুলো স্থায়ীভাবে সমাধান হয়ে যাবে।

#যেকোন শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় পরামর্শ পেতে সরাসরি যোগাযোগ করুন অথবা কমেন্টে মতামত পেশ করুন।

04/10/2025

মহিলাদের গোপন অঙ্গ চুলকানি/ Female Genitalia/ S*x, Itching (Vaginal itching / Pruritus vulvae) একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর সমস্যা। অনেকেই লজ্জায় সে কাউকে না জানিয়ে কষ্ট করে। চিকিৎসক এর কাছে লজ্জিত হয়ে কিছু বলতে রাজি হয়না! রোগীনির লক্ষণ সমষ্টি সংগ্রহ করা একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের জন্য কষ্টসাধ্য।

যৌনাঙ্গে চুলকানির পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে যেমন –

* ফাঙ্গাল ইনফেকশন (Candida, Leucorrhoea)
* ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস
* পরজীবী সংক্রমণ (Trichomonas)
* হরমোনাল অসামঞ্জস্য (Menopause, Pregnancy)
* অ্যালার্জি বা অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস

হোমিওপ্যাথিকক চিকিৎসায় মোট (রেপার্টরি অনুযায়ী) ১২৩ টি মেডিসিন রয়েছে তন্মধ্যে ১৬ টি প্রথম গ্রেড, ৪০ টি দ্বিতীয় গ্রেড, ৬৭ টি তৃতীয় গ্রেড।
প্রথম গ্রেড ঔষধগুলো হলো -
এ্যাম্ব্রাগ্রেসিয়া, এমন কার্ব, ক্যালকেরিয়া কার্ব, ক্যালাডিয়াম সেগুইনাম, হেলোনিয়াস, ক্রিয়োজোট, মার্ক সল, নেট্রাম মিউর, এসিড নাইট্রিক, পেট্রোলিয়াম, প্লাটিনাম, রাস টক্স, সিপিয়া, সাইলেসিয়া, সালফার, টেরেন্টুলা হিসপেনিয়া।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ নির্বাচন গাইডলাইন
(রোগীর সম্পূর্ণ উপসর্গ দেখে নির্বাচন করতে হবে)

1. Sepia/ সিপিয়া

* যোনিতে শুষ্কতা, চুলকানি ও জ্বালাপোড়া।
* ঘন ঘন লিউকোরিয়া, হলুদ বা সবুজাভ স্রাব।
* মহিলার মানসিকভাবে বিরক্তি, পারিবারিক অনাগ্রহ, দুর্বলতা।

2. Kreosotum/ ক্রিয়োজোট

* যোনি থেকে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, যা যোনি ও বাহ্যিক অঙ্গে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে।
* স্রাবের কারণে কাপড় নষ্ট হয়ে যায়।

3. Calcarea Carbonica / ক্যালকেরিয়া কার্ব

* ঠান্ডা ও ভেজা পরিবেশে উপসর্গ বাড়ে।
* অল্প কাজেই ঘাম হওয়া, ওজন বেশি, দুর্বলতা।
* সাদা দুধের মতো লিউকোরিয়া।

4. Sulphur/ সালফার

* রাতের বেলায় বা বিছানায় ঢুকলে চুলকানি বেশি।
* সাধারণত রোগী অগোছালো ও অস্বাস্থ্যকর থাকতে পছন্দ করে।
* উষ্ণতা ও চুলকানির প্রবণতা।

5. Graphites/ গ্রাফাইটিস

* চটচটে, ঘন স্রাব।
* যোনি চারপাশে একজিমার মতো চামড়া খসে খসে পড়া ও ফাটল।
* মোটা ও শ্লথ প্রকৃতির মহিলা।

6. Nitric Acid/ নাইট্রিক এসিড

* যোনিতে জ্বালাপোড়া ও চুলকানি সাথে কাটা কাটা অনুভূতি।
* দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব।

7. Causticum (Caust.) কস্টিকাম

প্রধান লক্ষণ: দীর্ঘস্থায়ী চুলকানি, শুষ্ক বা ফোলা যোনি

সহায়ক লক্ষণ: ফুসকুড়ি, হালকা স্রাব, আবেগী বা দুঃখী মন

চুলকানি বৃদ্ধি: রাতে বা শীতকালে

🩺 সহায়ক পরামর্শ:

* পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।
* আঁটসাঁট কাপড়, সিনথেটিক আন্ডারওয়্যার পরিহার করা।
* তুলার অন্তর্বাস ব্যবহার করা।
* মিষ্টি ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার এড়ানো।

👉 সঠিক ঔষধ নির্বাচন রোগীর সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ, জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস ও রোগের ইতিহাস দেখে করা উচিত।

04/10/2025

✍️ পায়ের গোড়ালির বেদনার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-

পায়ের গোড়ালি ফ্যাটি টিস্যু দিয়ে তৈরি যা আমাদের পায়ের জন্য কুশন হিসেবে কাজ করে। হাঁটা এবং দৌড়ানোর মতো দৈনন্দিন কাজ করার সময় হিলের প্রাথমিক কাজ হল ভারসাম্য এবং সমর্থন প্রদান করা। কিন্তু গোড়ালি ব্যথার সাথে, মৌলিক ক্রিয়াকলাপগুলি চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। যদিও বাজারে অনেক ওভার-দ্য-কাউন্টার ব্যথা উপশমের ওষুধ পাওয়া যায়, তবুও বেশি মানুষ হিল ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দিকে ঝুঁকছে।

পায়ের গোড়ালির বেদনার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নির্বাচন -

পায়ের গোড়ালি ব্যথার জন্য শীর্ষ ৫টি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মধ্যে রয়েছে Rhus Tox, Ammonium Mur, Arnica, Calcarea Fluora এবং Aranea Diadema।
এই নিবন্ধটি হিল ব্যথার জন্য শীর্ষ হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলিকে হাইলাইট করবে। তবে তার আগে সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক গোড়ালি ব্যথার কারণগুলো।
পায়ের গোড়ালি ব্যথার কারণ
গোড়ালি ব্যথার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল হিল পেশীর অতিরিক্ত ব্যবহার। একই সময়ে, অন্যান্য রোগগুলি হিল ব্যথা হতে পারে, যেমন:
প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিস (গোড়ালির নীচে গোড়ালি ব্যথা)
অ্যাকিলিস টেন্ডিনাইটিস (গোড়ালির পিছনে গোড়ালি ব্যথা)
বারসাইটিস (জয়েন্টের প্রদাহ)
হাড়ের টিউমার
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (প্রদাহজনক জয়েন্ট রোগ)
অস্টিওমাইলাইটিস (হাড়ের সংক্রমণ)
হিল স্পার (হাড়ের বৃদ্ধি)
এই প্রাথমিক কারণগুলি ব্যতীত, ভিটামিন ডি এর ঘাটতিও গোড়ালিতে ব্যথার কারণ হতে পারে
ভিটামিন ডি আমাদের ত্বক, হাড় এবং স্নায়ুতন্ত্রের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যাবশ্যক। একটি বসে থাকা জীবনযাপন এবং সূর্যের কম এক্সপোজার ভিটামিন ডি এর অভাব সৃষ্টি করে।
হিল ব্যথায় হোমিওপ্যাথিক ওষুধের উপকারিতা
হিল ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধের ব্যাপক উপকারিতা রয়েছে। গোড়ালি ব্যথা শরীরে উচ্চ পরিমাণে ইউরিক অ্যাসিডের উপস্থিতি, জয়েন্ট এবং গোড়ালিতে প্রদাহ এবং হাড়ের স্পার থেকে উদ্ভূত হয়। হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলি কার্যকরভাবে এই অবস্থাগুলি পরিচালনা করে এবং নিম্নলিখিত সুবিধাগুলি রয়েছে:
তারা অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের তুলনায় কম প্রতিকূল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বহন করে।
এটি শরীরের রোগ-প্রতিরোধী প্রক্রিয়ার উপর কাজ করে এবং এর কার্যকারিতা উন্নত করে।
এগুলি যে কোনও বয়সের লোকেরা ব্যবহার করতে পারে।
অনেক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ গোড়ালির ব্যথায় উপকারী। গোড়ালির ব্যথার জন্য বহুল ব্যবহৃত শীর্ষ ৫টি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নিম্নরূপ:

√ Rhus Tox - হিল ব্যথার জন্য শীর্ষ ৫ হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মধ্যে একটি
এটি প্রধানত ক্যালকেনিয়াল স্পারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ব্যবহৃত হয় যারা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গোড়ালিতে ব্যথা অনুভব করেন। ক্যালকেনিয়াল স্পার হল গোড়ালির হাড়ের (ক্যালকেনিয়াম) একটি হাড়ের বৃদ্ধি, যা সাধারণত অনুপযুক্ত জুতাগুলির কারণে ঘটে। Rhus Tox হিলের হাড়ের চারপাশের লিগামেন্ট এবং পেশী নিরাময়েও সাহায্য করে, হিলের অতিরিক্ত আঘাত রোধ করে।
Rhus Tox ক্যালকেনিয়াল স্পার রোগীদের জন্য তিনটি ক্ষেত্রে কাজ করে: ব্যথা হ্রাস, পেশী বা লিগামেন্ট শক্তিশালীকরণ, এবং স্পার ডিসলুশন (হাড়ের বৃদ্ধির দ্রবীভূতকরণ)।

√ আর্নিকা
এটি হিল ব্যথার জন্য শীর্ষ 5 হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচিত হয়।
আর্নিকা নামে পরিচিত একটি উদ্ভিদের পেশীর স্ট্রেন, ক্ষত এবং মচকে যাওয়ার চিকিৎসায় ব্যবহারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।
হেলেনালিন, আর্নিকা উদ্ভিদে পাওয়া একটি প্রদাহ-বিরোধী রাসায়নিক, প্রদাহ হ্রাস করে ক্ষত এবং ফোলা কমাতে দেখানো হয়েছে। এটি গোড়ালির ব্যথার সাথে সম্পর্কিত প্রদাহ কমাতে ক্রিম, লোশন বা টিংচার হিসাবে একমাত্রিকভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

√ ক্যালকেরিয়া ফ্লুর
এটি ক্যালকেনিয়াল স্পার-সম্পর্কিত হিল অস্বস্তির সাথে সম্পর্কিত হিল ব্যথার জন্য সেরা হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলির মধ্যে একটি।
ক্যালকেরিয়া ফ্লুর বেদনাদায়ক এবং ব্যথাহীন ক্যালকেনিয়াল স্পার উভয়ের জন্যই উপকারী। এটি গোড়ালির ব্যথার জন্য শীর্ষ ৫টি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মধ্যে একটি কারণ এটি ক্যালকানেল স্পার্সে ব্যথা উপশমকারী এজেন্ট হিসেবে সবচেয়ে ভালো কাজ করে।

√ আরেনিয়া ডায়াডেমা
অ্যারানিয়া ডায়াডেমা হল গোড়ালির ব্যথার জন্য একটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ যাতে রোগী অসাড়তা এবং ঠান্ডা বাতাসের প্রতি সংবেদনশীলতা অনুভব করেন। এটি গোড়ালির ব্যথার জন্য সেরা হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলির মধ্যে একটি যা মধ্যরাতে এবং শেষ বিকেলে ফোটে।
হিল ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খাওয়ার সময় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন
হিল ব্যথার জন্য সেরা হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলি তখনই কাজ করে যখন হোমিওপ্যাথির নিয়ম ও নীতিগুলি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। পায়ের গোড়ালির ব্যথার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খাওয়ার সময় কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে। নিম্নলিখিত নির্দেশাবলী মনে রাখুন:
হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খাওয়ার সময় চা, কফি, বায়ুযুক্ত পানীয়, ওষুধযুক্ত সাবান, অত্যন্ত সুগন্ধযুক্ত চুলের তেল, টুথপেস্ট এবং টুথ পাউডার এড়িয়ে চলুন।
ঔষধি ভেষজ, ক্যাস্টর অয়েল এবং অন্যান্য নোনতা শোধনকারী ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
অনুগ্রহ করে সেগুলি নেওয়ার আগে আপনার তালুতে রাখবেন না, কারণ এটি তাদের শক্তি হ্রাস করবে।
দুধ এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য এড়িয়ে চলা ওষুধের ভাল কাজ করার জন্য সহায়ক।
হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খাওয়ার আগে এবং পরে, খাওয়ার আগে ৩০ মিনিটের ব্যবধান থাকা উচিত।

✓ বিশ্রাম :
প্রদাহ কমে না যাওয়া পর্যন্ত পায়ে কোনো ওজন না রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অপ্রয়োজনীয় হাঁটা বা দৌড়ানো এড়িয়ে চলুন।

✓ ব্যায়াম এবং স্ট্রেচিং :
আপনার গোড়ালি, বাছুর এবং পায়ের তলায় ফ্লেক্স করুন। পায়ে এবং নীচের পায়ের পেশীগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য ক্রিয়াকলাপগুলি সম্পাদন করুন। এটি গোড়ালিকে স্থিতিশীল করতে পারে, ব্যথা কমাতে পারে এবং প্লান্টার ফ্যাসাইটিসের পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধ করতে পারে।

✓ জুতাগুলিতে সন্নিবেশ ব্যবহার করুন:
এগুলি ইনসোল, আর্চ সমর্থন বা অর্থোটিক্সও হতে পারে এবং তারা আরও কুশন এবং সমর্থন দিতে পারে।

04/10/2025

🎯ক্লিনিক্যাল নোটস অন রিমেডিস - ০২

🎯এবিস ক্যানাডেনসিস
Abies Canadensis (Abies-c.)

✅ক্লিনিকে চেনার উপায়ঃ
জরায়ুর স্থানচ্যুতি, অত্যধিক দূর্বলতা এবং রাক্ষুসে ক্ষুধা।

🧿শারীরিক লক্ষণঃ
এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—পিঠে ঠান্ডা ভেজা কাপড়ের মতো অনুভূতি। রক্তপ্রবাহে বরফের মতো ঠান্ডা অনুভূতি।

অপুষ্টি ও দূর্বলতা হেতু জরায়ুর স্থানচ্যুতি, তৎসহ রাক্ষুসে ক্ষুধা; মাংস, আচার, মুলা, শালগম এবং হজমে ভারী প্রকৃতির খাদ্যের প্রতি আকাঙ্ক্ষা। খাদ্য হজম হওয়ার সক্ষমতার তুলনায় অধিক পরিমান খাওয়ার প্রবনতা (এলিয়াম স্যাট)। পেটে শূন্যতা অনুভূতি। পেটে জ্বালাপোড়া তৎসহ বুক ধড়ফড়ানি।

অত্যধিক দূর্বলতা, সবসময় শুয়ে থাকতে চায়। পা উপরের দিকে তুলে শুয়ে থাকলে উপশম হয়।

🧿তুলনীয়ঃ
এমন মিউর (দুই কাঁধের মধ্যবর্তী স্থানে ঠান্ডা পানির অনুভূতি), পালসেটিলা, সিপিয়া, এলেট্রিস ফেরি (জরায়ুর স্থানচ্যুতি তৎসহ সার্বক্ষনিক দূর্বলতা)।

29/09/2025

টিউবারকিউলিনাম

সাবধান, কোন বাজে মেটিরিয়া মেডিকা কিনে আর অর্থ নষ্ট করবেন না। নিজেরা কিছু বোঝেনা, শুধু কপি করা বা চোতা করা। ফলে কিছুই বুঝাতে পারবে না। এসব লেখকদেরকে বলুন -----

পরের মুখে শেখা বুলি
নটের মত কেন বলো,
যদি থাকে অভিজ্ঞতা
সেই পথে ভাই চলো চলো!

খুব তাড়াতাড়ি বাংলা মেটিরিয়া মেডিকা বই উপহার দেবো।

আজ লিখছি টিউবারকিউলিনাম

ভূমিকা

টিউবারকিউলোসিস রোগের মূলে যে একটি জীবানু তা প্রথম আবিষ্কার করেন রবার্ট কচ ১৮৮২ সালে। তা জানার পরে আমেরিকার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডাঃ সোয়ান একটি গরুর লিম্ফ গ্লান্ড থেকে কিছু টিসু নিয়ে টিউবারকিউলিনাম ঔষধটি তৈরি করেন।

পরে ডাঃ কেন্ট একই ফর্মুলায় নিজের তত্ত্বাবধানে একজন পশু চিকিৎসককে দিয়ে টি বি আক্রান্ত একটি ষাঁড়ের লিম্ফ গ্লান্ড থেকে টিসু কালেকশন করে ফিলাডেলফিয়ার বোরিক এ্যান্ড ট্যাফেল কোম্পানিকে দিয়ে আলাদাভাবে টিউবারকিউলিনাম ঔষধ তৈরি করান, এবং স্কিনার মেশিনে ৩০,২০০, ১০০০, ইত্যাদি উচ্চশক্তি বানান। কেন্ট তার তত্ত্বাবধানে তৈরি হওয়া টিউবারকিউলিনামের নাম দিলেন টিউবারকিউলিনাম বোভাইনাম। কারণ, বোভাইনাম ইংরাজি শব্দের অর্থ ষাঁড় জাতীয় গরু। যেহেতু ষাঁড়ের লিম্ফ গ্লান্ড থেকে তিনি ঔষধটি তৈরি করিয়েছিলেন তাই এই নামটি তিনি দিয়েছিলেন।

তবে টিউবারকিউলিনাম আর টিউবারকিউলিনাম বোভিনাম মোটামুটি একই ভাবে একই রকম কাজ করে।

এর বেশ কিছুদিন পরে লন্ডনের ডাঃ বার্নেট টি বি হওয়া একজন মানুষের ফুসফুসের অংশ কালেকশন করে নিজের তত্ত্বাবধানে ট্রাইটেশন করিয়ে 1X শক্তি তৈরি করান এবং পরে জাম্পিং পোটেনসির মাধ্যমে ৩০, ২০০, ১০০০, ইত্যাদি শক্তি বানান। তিনি এই প্রিপারেশনের নাম দেন ব্যাসিলিনাম। ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় লক্ষন মোটামুটি ঐ টিউবারকিউলিনামের মতন পাওয়া গেল।

তবে এই সব প্রিপারেশনগুলি ক্লিনিক্যালি পরীক্ষা হয়েছে। কোন প্রিপারেশন হ্যানিম্যানিয়ান পদ্ধতিতে প্রুভিং হয়নি।

ক্লার্কের ডিকসনারি অব মেটিরিয়া মেডিকা বা বোরিকের বইয়ের টিউবারকিউলিনাম ঔষধের রিলেশনে টিউবারকিউলিনাম কচ, টিউবারকিউলিনাম এ্যাভেরি, ইত্যাদি নামে কিছু ঔষধ দেখতে পাওয়া যায়। তবে এগুলি মোটেই নির্ভরযোগ্য নয়। ডাঃ পিয়ার স্মিথ তার Defective illness বইয়ে কিছু নোসোডস আলোচনা প্রসঙ্গে এইসব নতুন প্রিপারেশন সম্বন্ধে পরিষ্কারভাবে বলেছেন --As for the other Tuberculinum preparations, the indications we have are theoretical, arbitrary, conventional and empirical.

যাইহোক টিউবারকিউলিনাম এবং টিউবারকিউলিনাম বোভিনামের ক্লিনিক্যালি পাওয়া লক্ষণগুলি মোটামুটি একই রকম ----

★ প্রায় সর্দি কাশি লাগে, খুব সাবধানে থাকলেও কিভাবে যে সর্দি লাগে, কোথা থেকে লাগে, কেমন ভাবে লাগে, তা মোটেই বোঝা যায় না। দুই চার দিন অন্তর শুধু ঠান্ডা বা সর্দি কাশি লেগেই চলে। তাই মজা করে বলা যেতে পারে -- টিউবারকিউলিনাম রোগীর বিয়ের রাতে ঠান্ডা লাগলে তা সারে তার হানিমুন সফর শেষ হলেও সারে না।

( সহজে সর্দি লাগে -- ব্যারাইটা কার্ব, ক্যাল্কেরিয়া কার্ব, হিপার, কেলি কার্ব, নেট্রাম মিউর, নাইট্রিক এ্যাসিড, সোরিনাম, সাইলিসিয়া )

★ প্রচন্ড দুর্বলতা। দুর্বলতার কারণও বোঝা যায় না, খিদে ভালো, খায়-দায় ভালো, অথচ শরীরে ভীষণ দুর্বলতা। সবরকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও খারাপ কিছু রোগ ধরা পড়ে না, কিন্তু শরীরে ভীষণ দূর্বলতা।

( ভীষণ দুর্বলতা --- আর্সেনিক, জেলস ) ,

★ শরীর দিন দিন শুকিয়ে যায়, অর্থাৎ রোগা হতে থাকে, ওজন কমতে থাকে। খায় দায় অথচ শরীর শুকিয়ে যেতে থাকে, গায়ে মোটেই মাংস লাগে না, চেহারার কোন উন্নতি নেই

( এ্যাব্রোটেনাম, আয়োডাম, নেট্রাম মিউর, স্যানিকিউলা, টিউবার, )

★ লম্বা রোগাটে চেহারা, বুকের ছাতি প্রশস্ত নয়, কাঁধ দুটি যেন ভিতরের দিকে ডেবে থাকে।

★ পরিচ্ছন্ন, আর্টিস্টিক এবং শিল্পী মনের --- এরা খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বা টিপটপ থাকতে ভালোবাসে। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে বেড়াতে ভালোবাসে। বাচ্চারা বড়দের হাত ধরে টেনে টেনে বাড়ির বাইরে নিয়ে যেতে চায়।

★ গান-বাজনা খুব একটা পছন্দ করে না।

★ অ্যাডভেঞ্চার টাইপের মানসিকতা ---কোন কিছু চিন্তা ভাবনা করে না, যখন যা মনে হয় তাই করে । হঠাৎ ডিসিশন নিয়ে কোন জায়গায় বেড়াতে বেরিয়ে পড়ে। অফিসে জানালো না, স্ত্রীর সাথে কোন আলোচনা করলো না, কোথায় থাকবে, কিছু অসুবিধা হবে কি না , এসব চিন্তা করার কোন মানসিকতা থাকে না। কুইক ডিসিশন, কুইক স্টার্ট।

★ যে খাবারে রোগ বৃদ্ধি সেই খাবার খেতে চায়, যে কারণে রোগবৃদ্ধি সেই কারণকে কোনরকম গুরুত্ব দিতে চায় না,

★ ঝড়-বৃষ্টি মেঘলা আবহাওয়া ভালোবাসে, এইরকম আবহাওয়ায় মনে রোমাঞ্চ অনুভব করে।
( কার্সিনোসিন, সিপিয়া)

( ঝড় বৃষ্টি মেঘলা আবহাওয়া ভালোবাসে না, ভয় পায়,বা শরীর খারাপ করে --- জেলস, নেট্রাম কার্ব, মেডো, নেট্রাম মিউর, নাইট্রিক এ্যাসিড, ফসফরাস, সোরিনাম, রানানকিউলাস , রডোডেনড্রন,)

★ ভীষণ রাগ, জেদ --- অতি সহজেই রেগে যায়, রাগ কিছুতেই কন্ট্রোল করতে পারে না, রাগের চোটে জিনিসপত্র ছুঁড়ে ফেলে বা ভেঙে ফেলে। অতিশয় রুক্ষ, ও অসন্তুষ্ট৷ কোন ব্যাপারে কোনরকম উৎকন্ঠ থাকে না।

★ মনের বড় পরিবর্তনশীলতা ---বৈচিত্রতাই এদের জীবনের অঙ্গ। এক জায়গা বেশিদিন ভালো লাগে না, এক চাকরি বেশিদিন ভালো লাগে না, একই জায়গায় থাকতে বেশি দিন ভালো লাগে না, একই রকম জামা প্যান্ট পরতে বেশি দিন ভালো লাগে না, এক বন্ধু বেশিদিন ভালো লাগেনা, একজন ডাক্তারকে বেশীদিন দেখাতে চায় না --দুই চার দিন পরেই ধৈর্য হারিয়ে ফেলে। এদের সাথে যারা প্রেম করে তাদের কপালেও দুঃখ জোটে, হয়তো মেয়েটি স্বপ্ন দেখছিল ঘর বাঁধার, কিন্তু তার স্বপ্ন দেখার মাঝেই পাখি অন্য ডালে বসতে আরম্ভ করে!

( সবকিছুতে পরিবর্তনশীলতা নয়, শুধু যৌনসংসর্গ অর্থাৎ সহবাস করার জন্য বা সেক্স ডিজায়ার চরিতার্থ করার জন্য নিত্য নতুন পার্টনার চায়, সম্পর্ক একবার হয়ে গেলে আর যোগাযোগ রাখতে চায় না --- ফ্লুওরিক এ্যাসিড )

★ বড় আশবাদী ----নানান রকম রোগে ভুগলেও, এবং ভীষণ শারীরিক দুর্বলতা থাকলেও এরা খুব আশাবাদী, কোনরকম নৈরাশ্যবোধে ভোগে না, সহজে হতাশ হয় না।

( মোটেই আশাবাদী নয়, সহজে হতাশ বা আশাহত হয় -- সোরিনাম )

★ রোগের পরিবর্তনশীলতা ---এই ঔষধে শুধু একজন মানুষের মনের পরিবর্তন হয় তা নয়, একজন মানুষের শরীরের বিভিন্ন রোগেরও পরিবর্তন দেখা যায়, রোগ এক অর্গান থেকে অন্য অর্গানে, বা এক সিস্টেম থেকে অন্য সিস্টেমে ধাবিত হয়। যেমন কিছুদিন রেসপিরেটরি সিস্টেমের শ্বাসকষ্টের রোগ চলার পরে ডাইজেস্টিভ সিস্টেমের পাকস্থলী বা ইনটেসটিনের রোগ আরম্ভ হয়। কিছুদিন পর পর রোগের এইরকম সিস্টেমের পরিবর্তন হওয়ার পিছনে আপাতগ্রাহ্য কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।

★ টিউবারকিউলার ডায়াথেসিসের উন্নতি হয় ---- টিউবারকিউলার ডায়াথেসিস রোগীদের ঠিক করতে বা সুস্থ রাখতে এই ঔষধের উচ্চশক্তির দুই এক ডোজ লক্ষন মিলিয়ে দিলে রোগীদের অত্যন্ত উপকার হয়।

ব্যাপারটা কি? ডায়াথেসিস কথার অর্থ হলো প্রবণতা বা টেন্ডেন্সি। যেমন, রোগীর টি বি হয়নি। বাহ্যিক কোন পরীক্ষা নিরীক্ষায় টি বির কোন জার্ম পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু টি বি রোগ হলে যে সব কমন সিমপটমসগুলি দেখা যায়, সেইরকম কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যেমন --শরীরে জ্বর জ্বর ভাব থাকছে বিশেষ করে রাতের দিকে, খিদে কম হচ্ছে, চেহারা শুকিয়ে যাচ্ছে , ওজন কমে যাচ্ছে, প্রায়ই সর্দি কাশি লাগছে, রাতে ঘুমের মধ্যে শরীরে অল্পস্বল্প ঘাম হচ্ছে, ঘাড়ের লিম্ফ গ্লান্ড দুই একটা ফুলে থাকছে, ইত্যাদি।

এ্যলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা এমন স্টেজে টি বির মতন লক্ষণ পেলেও যেহেতু সব রিপোর্ট নেগেটিভ, তাই টি বির কোন ঔষধ দিতে পারবে না, আর দিলেও তা মারাত্মক ক্ষতিকর হবে। এই ক্ষেত্রে আমাদের শক্তিকৃত টিউবারকিউলিনাম রোগীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করতে পারে।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে -- রক্তে টি বির জার্ম নেই, তবু এমন টি বি, রোগের লক্ষনের মতন ভাব হচ্ছে কেন? উত্তর হচ্ছে -- রোগীর শরীরে টিবির জার্ম ঢুকেছে, তারা শরীরে অবস্থান করছে, কিন্তু জীবণী শক্তির সঙ্গে লড়াই করে ঠিক মতন আক্রমণ সানাতেতে পারছে না। রোগের এই অবস্থাকে বলা যেতে পারে সুপ্ত প্যাথলজি বা ডাইনামিক প্যাথলজি। বাজারে যেসব প্যাথলজি বা প্রাকটিস অব মেডিসিন বই পাওয়া যায়, যা বিভিন্ন কোর্সে পড়ানো হয়, যা চিকিৎসকরা জানে, পড়ে, মানে, তা হচ্ছে সবই ডায়নামিক প্যাথলজির পরের স্টেজ, অর্থাৎ গ্রস প্যাথলজি, অর্থাৎ স্ট্রাকচারাল প্যাথলজি। ডায়নামিক প্যাথলজির কথা কোন প্রাকটিস অব মেডিসিনে বইয়ে বলা নেই।

★ মাংস, ও মিষ্টি পছন্দ করে, পাতে কাঁচা নুনও অনেকে খেতে চায়৷ তবে মাংস কখনো অপছন্দের তালিকায়ও থাকে।

★ রোগী শীতকাতর কি গরম কাতর তা পরিষ্কার বোঝা যায় না, তবে কিছুটা গরম কাতর বলা যেতে পারে,তাই এই বিষয় নিয়ে বেশি মাথা না ঘামানোই ভালো।

★ সামান্য চলাফেরায় বা পরিশ্রমে শরীরে খুব ঘাম হয়, তার সাথে থাকে দুর্বলতা।

★ রোগীর আগে একবার টি বি হয়েছিল, ঔষধ খেয়েছিল, ঔষধের কোর্স কমপ্লিটও করেছিল। কিন্তু তারপর থেকেই শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, প্রায় সর্দি কাশি লাগছে, ঘাড়ের কাছে গ্লান্ড ফুলছে, খিদে ভালো হচ্ছে না, এমন ক্ষেত্রে টিউবারকিউলিনাম উচ্চশক্তির দুই এক ডোজ ঐ রোগীকে সুস্থ করে।

★ সব লক্ষণ মিললেও সুনির্দিষ্ট ঔষধে কোনো কাজ হচ্ছে না, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্ন ঔষধ দিতে থাকলেও স্যাটিশফ্যাক্টরি বা আশাতীত ফল পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু বংশে কারুর টি বি ছিল, তা সে মায়ের বাড়ির দিকেই হোক বা বাবার দিকেই হোক, এমন ক্ষেত্রে টিইবারকিউলিনাম উচ্চশক্তির এক ডোজ প্রয়োজন হতে পারে, এবং দ্রুত রোগী উন্নতির দিকে যেতে পারে।

★ ট্যাকিকার্ডিয়া, অর্থাৎ হার্ট রেট কারুর কারুর বেশি হতে পারে।

★ জিভের উপরটা অনেকের লিচু ফলের বা স্ট্রবেরি ফলের বাইরের মতন ডুমো ডুমো দেখা যায়। একে বলা হয় Strawberry tongue.

★ পিপাসা ভালো, ঠান্ডা জল খেতে চায়।

★ ক্ষুধা পরিবর্তনশীল, কখনো ভালো ক্ষুধা, আবার কখনো একেবারেই ক্ষুধা থাকে না।

★ অনেক লক্ষণ সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

★ যদি কিছু চরিত্রগত লক্ষন মেলে তবে উপকার পাওয়া যেতে পারে নিম্নলিখিত ক্লিনিক্যাল কন্ডিশনগুলিতে --

* মহিলাদের ব্রেস্ট টিউমারে ,

* মহিলাদের মাসিকের সময় পেট ব্যথায়,

* মর্নিং ডায়েরিয়া অর্থাৎ সকালের দিকে পাতলা পায়খানা চলতে থাকলে ,

* তীব্র মাথা যন্ত্রণায়, বিশেষ করে ডান দিকের, এবং স্কুলে যাওয়া মেয়েদের ,

* বহুদিন ধরে ভুগতে থাকা টনসিলাইটিস রোগে,

* বিষফোঁড়া যখন দলে দলে বের হয়, ( সালফার )

* শরীরের স্থানে স্থানে একজিমা হতে থাকলে

★ টিউবারকিউলার মেনিনজাইটিস রোগে , ইত্যাদি।

Address

Chitalmari
Bagerhat
9360

Opening Hours

Monday 10:00 - 06:00
Tuesday 10:00 - 06:00
Wednesday 10:00 - 06:00
Thursday 10:00 - 06:00
Friday 10:00 - 06:00
Saturday 10:00 - 06:00
Sunday 10:00 - 06:00

Telephone

+8801716888540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IDEAL HOMEO CARE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to IDEAL HOMEO CARE:

Share