Jagannath Pharmacy

Jagannath Pharmacy আপনাদের আস্থা ও ভালবাসায় স্বাস্থ্য স?

কি এমন ঠাটা পড়লো 1 মাসে 400 টাকা বাড়লো!দেশের মা-বাপ আগেও ছিলোনা এখনো নাই।
12/11/2024

কি এমন ঠাটা পড়লো 1 মাসে 400 টাকা বাড়লো!দেশের মা-বাপ আগেও ছিলোনা এখনো নাই।

আপনার মতামত দিন
01/07/2022

আপনার মতামত দিন

 #সংগৃহীত_পোস্টযাদের বাসায় ডায়বেটিস রোগী আছে দয়া করে পোস্টটি পড়বেন🙏সাবধান সাবধাননিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি- আমার মা ডায়াবে...
21/06/2022

#সংগৃহীত_পোস্ট
যাদের বাসায় ডায়বেটিস রোগী আছে দয়া করে পোস্টটি পড়বেন🙏
সাবধান সাবধান
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি-
আমার মা ডায়াবেটিক পেশেন্ট😔 উনি ২০১৮ সাল থেকে ডাঃ মোঃ লুৎফুল কবীর লিমন স্যারের চিকিৎসা নিচ্ছেন। হঠাৎ করে আমার মায়ের ইনসুলিন পুশ করার জায়গা গুলোন অস্বাভাবিক ভাবে ফুলে ওঠে, ব্যাথা হয় এবং ভীষণ জ্বালাপোড়া করে। এইদিকে সুগার লেভেল ও হাই হয়ে যায়। সাথে সাথে মাকে স্যারের কাছে পাঠিয়ে দিলাম। উনি বললো পুশ করা জায়গা গুলোতে ইনফেকশন হয়েছে। এন্টিবায়োটিক সাজেস্ট করলো, ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিলো এবং ১০ দিন পর চেক-আপ এর জন্য ডাকলো।
৩ দিন হয়ে গেল কিন্তু সমস্যাগুলো কমার পরিবর্তে আরও বেড়ে গেলো আর শরীর প্রচন্ড দুর্বল হয়ে পড়লো। তাই আজ আবার বাবাকে বললাম মাকে স্যারের চেম্বারে নিয়ে যেতে।
কিছুক্ষণ পরেই ফোন আসলো,মা যে ইনসুলিন ইউজ করে সেটা নিয়ে স্যার আমাকে ডাকলো। দৌড়ে গেলাম পপুলারে, স্যারের চেম্বারে। সাথে সাথে স্যার ইনসুলিন টা নিয়ে দেখলো এবং বললো এটা নষ্ট😐(কারণ টা পরে বলছি) আর আমাকে পপুলারের পাশের একটা দোকান থেকে ইনসুলিন নিয়ে আসতে বললো। নতুন ইনসুলিন নিয়ে যাওয়ার পর উনি বললেন, "এই দ্যাখো, নষ্ট ইনসুলিন টা ঝাঁকি দিলে বোতলের গায়ে দানা দানা আকারে লেগে থাকে আর যেটা ইনসুলিন নষ্ট নয় সেটা ঝাঁকি দিলে বোতলের গায়ে কোনো প্রকার দানা লেগে থাকে না, একদম পরিস্কার দেখা যায়। আমার কাছে ইদানিং এমন অনেক পেশেন্ট আসছে যাদের অধিকাংশেরই ইনসুলিন নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। নেক্সট টাইম ভালোভাবে দেখে কিনতে হবে"😊
অধিকাংশ ডায়াবেটিক পেশেন্ট Mixtard- 30 ইউজ করে। তাই এই ইনসুলিন কেনার সময় সকলকে সাবধান থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।
আগের ইনসুলিন টা মা এর শরীরে কাজ করে নি বরং আরো ক্ষতি করেছে। তাই ইনসুলিনে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ ঠিক দেয়া থাকলেও নষ্ট কি না সেটা যাচাই করে নেয়া উচিত🙂
ধন্যবাদ
#কালেক্টেড

আসুন আমরা সুনামগঞ্জের বন্যায় কবলিত মানুষের পাশে দাড়ায়। যে যেভাবে পারি তাদের জন্য সাহায্য  করি ..😓😓
18/06/2022

আসুন আমরা সুনামগঞ্জের বন্যায় কবলিত মানুষের পাশে দাড়ায়। যে যেভাবে পারি তাদের জন্য সাহায্য করি ..😓😓

04/05/2022
“পৌষ পার্বণ এবং মকর সংক্রান্তির জন্যআপনি এবং আপনার পরিবারের স্বাস্থ্য,শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করি!”
13/01/2022

“পৌষ পার্বণ এবং মকর সংক্রান্তির জন্য
আপনি এবং আপনার পরিবারের স্বাস্থ্য,
শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করি!”

অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল!টেস্টে প্রথমবারের মত নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ ক্...
05/01/2022

অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল!

টেস্টে প্রথমবারের মত নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নতুন বছরে বাংলাদেশ দল পুরো জাতিকে করেছে গর্বিত। সাবাস বাংলাদেশ! এগিয়ে যাও!!!

01/01/2022

On behalf of Jagannath Pharmacy, wish you all a Happy English New Year 2022. #জগন্নাথ ফার্মেসির পক্ষ থেকে, আপনাদের সবাইকে ইংরেজি নববর্ষ 2022 এর শুভেচ্ছা ।

 # # # # #সচেতন হউন!!  সাবধান হউন  # # # #       ৷৷  আজ আপনাদের একটা ভয়ংকর কথা বলব। যে লেখাটা লিখতে বসেও আমি ভয় পাচ্ছি। ...
16/11/2021

# # # # #সচেতন হউন!! সাবধান হউন # # # # ৷৷ আজ আপনাদের একটা ভয়ংকর কথা বলব। যে লেখাটা লিখতে বসেও আমি ভয় পাচ্ছি। আমার হাত কাঁপছে। একজন ফেসবুক স্ট্যাটাস দেওয়া তথাকথিত সেলিব্রেটি, গল্পলেখক মানুষের বাইরে আমি একজন ডাক্তার। আমার ডাক্তারি চোখে আমি যা দেখছি, নন-ডাক্তার অনেকেই হয়তো সেটা দেখতে পাচ্ছেন না। কারণ যা আমাদের মস্তিষ্কে নেই, তা আমরা কখনোই ভাবতে পারি না। এই দৃশ্য শুধু একজন ডাক্তারই দেখতে পায়।
স্ট্যাটাসের ছবিটা হচ্ছে পৃথিবী থেকে মানবজাতি বিলুপ্তির সত্যয়িত সনদপত্র। এই সনদ দিয়েছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ মেডিকেল মহীরুহ, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (পিজি হাসপাতাল)। ছবিতে আপনি নিতান্তই কিছু বর্ণ আর শব্দ দেখতে পাচ্ছেন। আমি সেটাকে বর্ণনা করবার পর আপনি বুঝে ফেলবেন-আপনি আর মাত্র কয়েকদিন পৃথিবীতে আছেন। মাত্র পঞ্চাশ বছরের মধ্যে পুরো মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আপনার সাথে আপনার বাবা মা, সন্তান সবাই অতীত হয়ে যাবে। মিলিয়ন বছরের মানবজাতি পৌছেছে সিঁড়ির শেষ ধাপটাতে। আর কোন ধাপ নেই। চাইলেও একধাপ একধাপ করে আর নামার পথ নেই। এখন পড়ে যেতে হবে। মানবজাতিকে হারিয়ে যেতে হবে মহাকালের চোরাস্রোতে।

ছবির রিপোর্টটিকে বলা হয়-ব্লাড কালচার। যখন কোন রোগ সনাক্ত করবার পরেও ঔষুধে ভালো হয় না, তখন আমরা ব্যাকটেরিয়াসমৃদ্ধ রক্তকে ল্যাবরেটরিতে পাঠাই। উদ্দেশ্য হল- কেন অতি সাধারণ একটা অসুখও ঔষুধ দিয়েও রোগ ভালো হচ্ছে না। ল্যাবে মাইক্রোবায়োলজিস্টরা সেই রক্তকে কয়েকদিন চাষ করেন। সেখানকার ব্যাকটেরিয়াদের উপর বিভিন্ন প্রকার এন্টিবায়োটিক দিয়ে দেখেন, সেই এন্টিবায়টিক ব্যাকটেরিয়াগুলোক মেরে ফেলতে সক্ষম কী না!
যদি মারতে পারে তখন সেই এন্টিবায়োটিকের পাশে লেখা হয়- S (S for Sensitive). সেন্সিটিভ শব্দের অর্থঃ ঐ এন্টিবায়োটিকটি ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলতে সক্ষম। যদি না পারে তখন আমরা লিখি- R (R for Resistant). অর্থঃ এখন আর এই এন্টিবায়োটিকটি ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলতে সক্ষম নয়। আগে কাজ করলেও ব্যাকটেরিয়া নিজেকে বদলে ফেলেছে। ফলে একই অস্ত্র (এন্টিবায়টিক) দিয়ে ব্যাকটেরিয়াটিকে মেরে ফেলা যাচ্ছে না।

এতে কী দাঁড়ায়?
অতি সাধারণ রোগও আর এন্টিবায়োটিক দিয়ে সারবে না। রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়াটি এখন ইচ্ছেমত বাচ্চাকাচ্চা দিতে পারবে। আপনার শরীরে রোগ সৃষ্টি করে বহাল তবিয়তে বেঁচে থাকবে। আপনি আমি শুধু দেখব দর্শক হয়ে দেখব। এরপর সব সাঙ্গ হবে। একদিন সেই ছোট্ট অসুখটা নিয়েই মানুষটা মারা যাবে।

উপরের ছবিতে দেখুন- রোগীর লিঙ্গ ছেলে। বয়স শুনলে চমকে যাবেন। বয়স মাত্র ৪ বছর। অথচ সব এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট। অর্থাৎ ছেলেটা নিরীহ একটা রোগ নিয়ে এসেছে। ঔষুধ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রোগ সারছে না। এখন কী ঘটবে?
আমরা তাকে আর বাঁচাতে পারব না। ছেলেটা নিশ্চিত মারা যাবে। অথচ আমাদের হাতে শতশত এন্টিবায়োটিক। আমরা চাইলেও প্রয়োগ করে আর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মারতে পারব না। কারণ ব্যাকটেরিয়া নিজের ডিএনএ-কে নিজেনিজেই পরিবর্তন করে ফেলেছে। ফলে সামান্য ব্যাকটেরিয়া মারার জন্য আমাদের হাতে আর কিছু নেই। বাচ্চাটির বাবা মা চেয়েচেয়ে দেখছে ছেলেটার অকাল মৃত্যু। অথচ তার বয়স মাত্র ৪ বছর। এত অল্পবয়সে নিশ্চয় সে নিজের মৃত্যুর জন্য দায়ী নয়।
দায়ী কারা?
আমরা।
আমাদের সামান্য জ্বর হয়। ফার্মেসীতে গিয়ে দুটো জিম্যাক্স (অ্যাজিথ্রোমাইসিন) খেয়ে ফেলি। একশ ব্যাকটেরিয়াকে মারার জন্য যদি সাত দিনের ডোজ লাগত, আমরা দুইদিন পর ভালো হলে আর ডোজটা পুর্ণ করি না। ৭০ টা ব্যাকটেরিয়া মরলেও বেঁচে থাকা বাকী ৩০ টি ব্যাকটেরিয়া জি-ম্যাক্সকে চিনে ফেলে। ফলে তারা নিজেদের গঠন দ্রুত বদলে ফেলে। তখন আর জি-ম্যাক্স দিয়েও পরেরবার আমরা রোগ সারাতে পারব না। কারণ জি-ম্যাক্সের বিরুদ্ধে সব ধরণের স্থায়ী ব্যবস্থা ব্যাকটেরিয়া নিয়ে ফেলেছে।
এখন এই ব্যাকটেরিয়াওয়ালা মানুষটি যদি আমাদের সামনে আসে, বসে, তার নিশ্বাস-হাঁচি- স্পর্শে আমাদের শরীরে জি-ম্যাক্স রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়াটি আমাদের শরীরেও চলে আসে। ফলে কী দাঁড়াল?
কেউ একজন নিজের শরীরে রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দিলে। আর আমরা কোনোদিন জি-ম্যাক্স না খেয়েও জি-ম্যাক্সের বিরুদ্ধে রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া দিয়ে নিজেদের শরীর ভরিয়ে ফেললাম। এইভাবে জি-ম্যাক্স রেজিস্টেন্ট ব্যাকটেরিয়া লাখ লাখ কোটি কোটি মানুষের দেহে সঞ্চারিত হবে। একটা নবজাতক যে কীনা গতকাল জন্মাল সেও আপনার ভুলের কারণে একটা রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়াকে নিজের শরীরে ধারণ করল। আপনি যে বাড়িতে থাকেন সেই বাড়ির বাসিন্দা, সে মেসে থাকেন সেই মেসের বোর্ডার, যে নদীতে পা চুবাবেন সেই নদীর অনুকূলের বাসিন্দারাও হয়ে গেল জি-ম্যাক্স রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়ার অভয়ারন্য সম্পন্ন শরীরের মানুষ।

শুধু জি-ম্যাক্স কেন?
আমাদের কেউকেউ অন্য রোগে আক্রান্ত হয়ে অন্য এন্টিবায়োটিক খাবে। আরেকটি ঔষুধের রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া তৈরি করবে। সে রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া ভাগাভাগি করবে সারাদেশের মানুষের সাথে। যেখানেইযাবে, যেখানটায় স্পর্শ করবে, সেখানেই হাচি দিবে, যেখানেই বসবে, যেখানেই খাবে সেখানেই ছড়িয়ে দিবে রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া। এভাবে একটা একটা করে সব ব্যাকটেরিয়া আরেকটি ব্যাকটেরিয়ার কাছ থেকে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট শিখে ফেলবে। ফলে সবার কাছ থেকে একটা একটা করে ধার করেও আমাদের দেহের ব্যাকটেরিয়াগুলো হয়ে যাবে সকল এন্টিবায়োটিকের রেজিস্ট্যান্ট। তাকে এখন যে ঔষুধই দিন না কেন, কাজ করবে না। ফলে আপনি ঔষুধের ডিসপেনসারিতে কোটিকোটি টাকার ঔষুধ রেখেও বিনাচিকিৎসায় মারা যাবেন।

ছবির ছেলেটার মত আমার মোবাইলে প্রায় ৩০০ টি মানুষের রিপোর্ট আছে। আমি দীর্ঘ এক বছর থেকে বিভিন্ন ডাক্তারের পোস্ট থেকে রিপোর্টগুলো ডাউনলোড করে সঞ্চয় করছি। যারা সব ধরণের ব্যাকটেরিয়ায় রেজিস্ট্যান্ট। তারা যত ধনীই হোক, দুনিয়ার যে দেশেই চিকিৎসা করাক, সে ঈশ্বরের কাছেই নিজেকে সমর্পণ করুক, সে আর ফিরবে না। তার মৃত্যু অনিবার্য!

ভয়ের কথাটা তাহলে কোথায়?
আপনার শরীর থেকে রক্ত নিয়ে কালচারে পাঠান। দেখুন আপনি নিজেও অলরেডি অর্ধেক এন্টিবায়োটিকের রেজিস্ট্যান্টওয়ালা ব্যাকটেরিয়া নিয়ে বেঁচে আছেন।

আরো ভয়ের কথা কোথায় জানেন?

যে ৩০০ জন মানুষ রেজিস্ট্যান্ট, তাদের ঘরের বাবা-মা সন্তান বন্ধুবান্ধবের অনেকেই অলরেডি রেজিস্ট্যান্ট হয়ে গেছে। কেউ অতি উৎসাহী হয়ে নিজের রক্ত কালচারের জন্য যেদিন হাসপাতালে আসবে সেদিনই তারা ধরে ফেলবে নিজের অজান্তেই এইডসের চাইতেও ভয়ানক একটি ব্যাপার নিয়ে সে এতদিন বেঁচে ছিল। আজ থেকে তার মৃত্যুর কাউন্ট ডাউন শুরু।
কেন এইডসের চাইতে ভয়ানক বললাম?

আপনি একজন এইডস আক্রান্ত রোগীকে আইসোলেট করলেই সে এইডস ছড়াতে পারবে না। কিন্তু একজন রেজিস্ট্যান্ট লোককে আপনি কীভাবে আইসোলেট করবেন? ব্যাকটেরিয়া শুধু হাঁচিতে ছড়ায় না। প্রস্রাবে ছড়ায়-পায়খানায় ছড়ায়, স্পর্শের ছড়ায়। তারা পানির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, খাবারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তারা মাটিতে থাকে। বাসের সিটে থাকে। রেস্টুরেন্টের গ্লাসে থাকে। ক্লাশের চেয়ারে থাকে। বন্ধুর কলমে থাকে, প্রেমিকের মোবাইলফোনের গায়ে লেগে থাকে, প্রেমিকার ঠোঁটে থাকে। তারা বাতাসে ভেসে থাকে। মাটিতে পড়ে থাকে। মাটির নিচে কলোনি করে থাকে। আপনি কোথায় গিয়ে বাঁচবেন?

আমাদের শরীরের ব্যাকটেরিয়া যে হারে রেজিস্ট্যান্ট হচ্ছে, সেই হারে এন্টিবায়োটিক তৈরি হচ্ছে না। আমাদের জীবনরক্ষাকারী প্রথম এন্টিবায়োটিক পেনিসিলিন আবিষ্কৃত হয় ১৯৪০ সালে। সবচেয়ে ক্ষমতাধর এন্টিবায়োটিক মেরোপেনেম প্যাটেন্টেড হয় ১৯৮৩ সালে। এর মাঝামাঝি সময়টায় আমরা মৎস্যবহুল নদীতে মাছ শিকারের মত হাজার হাজার এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করে ফেলেছি। কিন্তু ৮৩ এর পর, মেরোপেনেমের মত আর কোন শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক পৃথিবীতে আসেনি।
অথচ ছবিতে দেখুন- ৪ বছরের বাচ্চা ছেলেটির ব্যাকটেরিয়াটি সব ধরণের এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট। মেরোপেনেম সহ (Imipenem)। বাচ্চাটি বেঁচে আছে নাকি অলরেডি মারা গেছে আমার জানা নেই। কিন্তু সে আপনাদের দোষে পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছে। সে কী আমাদের ছেড়ে দিবে? তার শরীর থেকে রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া অবশ্যই অনেকের শরীরে (তার বাবা মা-সহ) ছড়িয়ে দিয়ে গেছে। দায়মুক্তি আমাদের হবে। পুরো মানবজাতি নিশ্চিহ্ন হবার পর আমাদের দায়মুক্তি ঘটবে।

প্রায়ই বিজ্ঞানীরা বলেন- পৃথিবী চলে আবে ভীনগ্রহীদের হাতে। এলিয়েনরা পরবর্তী রাজত্ব করবে। বিলিভ মি- এলিয়েন আসার নিশ্চয়তা না থাকলেও এই পৃথিবীর পরবর্তী বাসিন্দা হবে নিতান্তই সাধাসিধে ব্যাকটেরিয়া। লক্ষ লক্ষ বছর সে আমাদের দেহে নিরীহ বসে ছিল। আমরাই তাকে শিখিয়ে ফেলেছি কীভাবে আমাদের দেহে বসেই আমাদের হত্যা করা যায়। আমরা কখনো শিম্পাঞ্জি, কখনো ডোলফিন, কখনো হাতিঘোড়া কুকুরকে বলি মানুষের সমপর্যায়ের বুদ্ধিমান। আমরা কখনো বলি না, আমাদের চাইতে কে বেশি বুদ্ধিমান! ব্যাকটেরিয়া মাইক্রোস্কোপিক হয়েও হাত পা না থাকা স্বত্বেও, মস্তিষ্ক না পেয়েই শিখে ফেলল কীভাবে মানুষদের হত্যা করতে হয়! ভাবুন- কে বেশি বুদ্ধিমান?

বাঁচার উপায়?

শুনতে আপনার খুব খারাপ লাগবে কিন্তু আমাকে বলতেই হবে। আজ এই মুহুর্তে, এই মিনিটটা শেষ হবার আগেই প্রধানমন্ত্রীকে সংসদে না গিয়েই অফিশিয়াল মিটিং না ডেকেই বলতে হবে- এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্টেন্সির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। দেশের প্রত্যেকটা দোকান-ফার্মেসী-প্রেসক্রিপশন গোয়েন্দা দিয়ে খুঁজে বের করে নতুন করে এক পৃথিবী শুরু করতে হবে। প্রত্যেকটা এন্টিবায়োটিকের গায়ে সাটিয়ে দিতে হবে মোবাইলের মতো IMEI নাম্বার। কোন কোম্পানি বাজারে কয়টা ছেড়েছে, কোন ডাক্তার কয়টা প্রেসক্রিপশন করেছে, কোন রোগী কয়টা খেয়েছে সব হিশেব বের করতে হবে। না পারলেও আগামীকাল থেকে কীভাবে এন্টিবায়োটিক বিক্রি হবে, কীভাবে প্রেসক্রিপশন হবে, কীভাবে রোগী খাবে সেটা নির্ধারণ করতে হবে। যক্ষা নির্মুলের জন্য আমরা DOT প্রোগ্রাম শুরু করেছিলাম। প্রতিদিন সকালে স্বাস্থ্যকর্মী যক্ষা রোগীর বাসায় যাবে। রোগীকে ঔষুধ দিবে। রোগী সেটা স্বাস্থ্যকর্মীর সামনেই খাবে। এন্টিবায়োটিক খাওয়া DOT এর আন্ডারে আনতে হবে। অন্য কোন উপায় নেই।

খুব বেশি নিজেদের বাঁচাতে চাইলে, ফর গ্রেটার গুড... ধর্ষকদের মতোই বিচারবহির্ভূত ক্রসফায়ার চালু করতে হবে, যে লোকটি প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষুধ বিক্রি করবে, যে ফার্মেসীম্যান মহাজ্ঞানী জাহির করে আপনাকে এন্টিবায়টিক বদলে দিবে, নতুন ডোজ বাতিয়ে দিবে, যে রোগীটি অসম্পূর্ণ ডোজ এন্টিবায়োটিক খাবে তাকেও ক্রসফায়ারের আওতায় আনতে হবে। কারণ অসুস্থ রোগীটিই অসম্পুর্ণ ডোজ খেয়ে আরেকটি রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দিচ্ছে। নিজের মৃত্যুর সাথে পুরো মানবজাতিকে নিশ্চিহ্ন করবার কাজটি সেও করছে। এককোটি অজ্ঞ, ঘাড়ত্যাড়া এন্টিবায়োটিক ইউজারের বিনিময়ে হলেও বাকী ১৯ কোটি লোককে বাঁচাতে হবে।
সমস্ত আইনশৃংখলা বাহিনী সমস্ত চোর ডাকাত-ধর্ষক সব ছেড়ে পথে নামতে হবে। এইডসে পৃথিবী বিলুপ্ত হবে না। সোয়াইন ফ্লু, বার্ড ফ্লুতে মানবজাতি নিশ্চিহ্ন হবে না কিন্তু এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস পড়া শেষ হবার সাথে সাথে যদি আপনি বুকে হাত বাদ দিয়ে নিজের ধর্মগ্রন্থের উপর হাত রেখে প্রতিজ্ঞা না করেন, তাহলে মনে রাখবেন আপনি বেঁচে থাকবেন না আগামী পঞ্চাশ বছরে। আপনার অনাগত সন্তান বেঁচে থাকবে না ২০৭০ সাল দেখবার জন্য।

Do you believe my Status?
Who cares?
Fight or Die.
Choice is yours!

#আমি_অপ্রয়োজনে_এন্টিবায়োটিক_খাই_না
#খেলেও_ডাক্তারের_কথা_বিশ্বাস_করে_ফুলডোজ_খাই
#ফার্মেসীর_কথা_শুনে_এন্টিবায়টিক_বদলাই_না_ডোজ_কমাই_না

ডা. রাজীব হোসাইন সরকার

"ঔষধের" নামে বিষ! আমরা যখন গিনিপিগ! "ছয়মাস আগে প্রিয়াঙ্কা নামে দুই আড়াই বছরের ফুটফুটে একটা বাচ্চা মেয়েকে আমার কাছে নিয়ে ...
01/11/2021

"ঔষধের" নামে বিষ! আমরা যখন গিনিপিগ!

"ছয়মাস আগে প্রিয়াঙ্কা নামে দুই আড়াই বছরের ফুটফুটে একটা বাচ্চা মেয়েকে আমার কাছে নিয়ে আসে।বাচ্চার পিতা মাতার অভিযোগ,একমাস হচ্ছে ছোট্ট মেয়েটার ব্রেস্ট বড় হয়ে যাচ্ছে। আসলে সত্যি। বাচ্চাটার ব্রেস্ট বড় হয়ে যাচ্ছে।চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটাকে বলে Gynecomastia.
আমি বাচ্চাটার হিস্ট্রি নেওয়ার চেষ্টা করি।বাচ্চা কিছু খেতে চায়না।এই কারণে মাস দুয়েক আগে শহরের এক বড় চিকিৎসক দেখিয়েছেন। চিকিৎসক ঔষধ দিয়েছেন।এখন বাচ্চা খাবার খায়।কিন্তু বাচ্চার অন্য সমস্যাটি ই দেখা যাচ্ছে।আমি ডাক্তারবাবুর প্রেসক্রিপশনটা দেখি।মেডিসিনে, সিরাপ মেজেস্টল লিখা।এক চামচ করে তিনবার।বাচ্চার পেরেন্টস'কে জিজ্ঞেস করি "এই সিরাপটা কয়টা খাওয়াইছেন? পিতা বলল,তিন চারটে হবে,এখনো চলছে।আমি সিরাপটা "না খাওয়ানোর" জন্য অনুরোধ করি।কয়েকটি হরমোনাল পরীক্ষা দেয়।বাচ্চার মেয়েলি হরমোন বেড়ে গিয়েছে।

একবছর ধরে ইয়াং ছেলেদের মধ্যে বিয়ের আগে ডাক্তার দেখানোর একটা প্রচলন দেখা যায়।প্রায় ইয়াং ছেলেগুলো আসে একটাই প্রবলেম নিয়ে,"তাদের জৈবিক চাহিদা কমে গেছে"।কাম উত্তেজনা হয়না বললেই চলে।অনেকের আবার দ্রুতপতন,স্থায়িত্ব কম,( Erectile dysfunction, premature ej*******on) ইত্যাদি রোগও দেখা যায়।আমি তাদের হিস্ট্রি জানার চেষ্টা করি।এই সব স্মার্ট, সুদর্শন,ছেলে গুলো এপেটিজ সিরাপ অথবা মেজেস্টল সিরাপ চিকিৎসকের পরামর্শে অথবা বিনাপরামর্শে স্বাস্থ্যবান হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন সেবন করছে।তাই আজ তাদের এই অবস্থা।

চলুন,এই নীরব ঘাতক মেজেস্টল ও এপেটিজ সিরাপ সম্পর্কে সংক্ষেপে জেনে আসি...

"সিরাপ দুটোর জেনেরিক নাম মেজেস্ট্রল এসিটেট।এটা একধরনের হাইড্রক্সিপ্রজেস্টেরন হরমোন।স্টেরয়েড জাতীয়।এটা ব্রেস্ট ক্যান্সারে নির্দেশিত তবে কিছুক্ষেত্রে এইডস রিলেটেড কিংবা কেমোথেরাপি রিলেটেড ক্ষুধামন্দায় নির্দেশিত।"

কিন্তু চিকিৎসক, কোম্পানির,মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভদের কথায় বিশ্বাস রেখে যে কোন ধরনের ক্ষুধামন্দায়,ভিটামিন হিসেবে যেকোন বয়সী মানুষকে দিয়ে দিচ্ছে।যদিও মেডিসিনটি ৬৫ বছরের উর্ধ্বে বয়স্কদের জন্য এবং ১২ বছরে নিচে
কোন ভাবেই ব্যবহার করার যাবেনা। (তবে প্র‍য়োজনে, বিশেষ ক্ষেত্রে যদি এমন হয় যে, এই ঔষধ ব্যাতিত, আর কোন অপশন নেই তখন চিকিৎসক যে কোন রোগীকে দিতে পারেন)।

কিন্তু চিকিৎসকগন এসব না ভেবে, যাচ্ছেতাই ভাবে রোগিদেরকে ভিটামিন হিসেবে যেকোন ক্ষুধামন্দায় দিয়ে দিচ্ছে।"এই সিরাপ খেলে মোটা হয়" কথাটি একজন থেকে আরেকজন শুনে শুনে, মানুষ, "মারাত্মক" এই ঔষধটি খাচ্ছে।ফলে ঔষধের সাইডইফেক্ট ও মিসইউজ এর শিকার হচ্ছে।

যেসব সাইড ইফেক্ট হয়,
যেহেতু ঔষধটি হাইড্রক্সি প্রজেস্টোরন (একধরনের মেয়েলি হরমোন)তাই এই ঔষধ ব্যবহারে ৪৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের মেন্স সার্কেল অনিয়মিত হয়ে যায়।
দীর্ঘদিন মেন্স(ঋতু) না হওয়ায় জরায়ুতে Endometriosis হতে পারে।
এলবুমিনুরিয়া, লিউকোরিয়াও হতে পারে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ছেলেদের।তাদের সেক্সুয়াল আসক্তি কমে যায়।উত্থান হয়না।দ্রুত আউট হয়ে যায়।এটা মেয়েলি হরমোন হওয়ার কারণে,অনেক ছেলেদের মেয়েলি স্বভাব চলে আসতে পারে,কন্ঠ মেয়েলি মেয়েলি হয়ে যেতে পারে,স্তন বড় হয়ে যেতে পারে,এমনকি! ইম্পোটেন্স impotence (বন্ধা) হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

তাছাড়া মাথায় টাক হতে পারে,আবার চামড়া সাদা সাদা (আংশিক শ্বেতী) হতে পারে,চর্মরোগও হতে পারে,

আর যদি ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দেওয়া হয়,
পূর্বের ন্যায় আবারও ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়।যেটুকু স্বাস্থ্যবান হয়েছিল তার চেয়ে বেশি ওজন কমে যায়,শরীরের ভেতর জ্বর লেগেই থাকে,কলিজা কাপা বেশি হতে পারে(Tachycardia)

কলিজা ধুপধাপ করে, চোখ মুখ অন্ধকার হয়ে, নিশ্বাস স্লো হয়ে যেতে পারে।মনে হবে এই বুঝি প্রাণ বের হয়ে যাবে,অন্যরকম চটপটানি হবে,(Panic disorder)..
দিনে অনেকবার এই রকম চটপটানি হবে।

চিকিৎসকরা রোগ নির্ণয়ে বার বার ব্যর্থ হবেন।
এটাই "মেজেসট্রল এসিটেট" সাইডইফেক্ট। ঠিক স্টেরয়েড খাওয়ার মতন। ছেলেদের ক্ষেত্রে তার চেয়ে অনেক বেশি।

এই ঔষধ, মেজেস্টল নামে জিসকা ফার্মার,এপেটিজ নামে এরিস্টোফার্মার,মেজেস্ট নামে বিকন ফার্মার,মেস্ট্রল নামে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল, মেজোক্সিয়া নামে এভারেস্ট ফার্মার পাওয়া যায়।

মনে রাখবেন,এটা ক্ষুধাবৃদ্ধির ভিটামিন নই।এই মেডিসিন এড়িয়ে চলুন।নিজে সচেতন হউন।অন্যকে সচেতন করুন।

"ডাঃ কামরান উদ্দিন "

Address

Hat Damnash
Bagmara

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jagannath Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram