Skin Centre

Skin Centre এই পেজে চর্ম ওযৌন রোগের পরামর্শ দেওয়া হয়।

20/01/2024

বিউটি টিপস-
সৌন্দর্য্য বাড়ানোর কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় .

#ঘি বা “ঘৃত”(আয়ুর্বেদীয় উচ্চারণ)

ভালো মশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার –

ঘি এর মধ্যে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। সুতরাং ত্বকের পক্ষে একটি খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার হল ঘি । শুষ্ক ত্বক, খসখসে ত্বক ইত্যাদি সমস্যায় ভালোভাবে ঘিয়ের মাসাজে ত্বক হয়ে ওঠে মোলায়েম ও সুন্দর । বার্ধক্য জনিত দাগ, মেচেদার ছোপ, কালচে ভাব ইত্যাদি দূর করতেও ঘিয়ের মাসাজ খুবই প্রয়োজন।

চুলের সমস্যায় ঘি এর ব্যবহার –

শুষ্ক ,উস্কো -খুস্কো চুল এর ক্ষেত্রে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সাথে সামান্য ঘি মিশিয়ে তা চুলে লাগালে চুল সিল্কি ও মোলায়েম হয় এবং সাদা চুলের সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায়।

শীতে শুষ্ক ঠোঁটের সমস্যা রোধে –

শীতে শুষ্ক ঠোঁট সবারই সমস্যা। ঠোঁট ফেটে যাওয়া, ঠোঁটের চামড়া উঠে গিয়ে রক্ত বার হওয়া ইত্যাদি রোধে ঠোঁটের ওপর ঘি হালকা ভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। ঘিয়ের তেলতেলে ভাব ঠোঁটের চামড়ার ওপর একটি স্তর তৈরি করে এবং শীতকালের আর্দ্রতা থেকে ঠোঁটকে সুরক্ষা প্রদান করে।

পা ফাটার সমস্যা রোধে –

অনেকের শুধু শীতকালে পা ফাটে, কারও কারও আবার সারা বছরই পা ফাটার সমস্যা দেখতে পাওয়া যায় । এক্ষেত্রে রাতে শোবার সময় ঘিয়ের নিয়মিত মাসাজে পা ফাটার সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়

05/03/2023

দৈনিক মানবজমিনে প্রকাশিত হলো ভেরিকোজ ভেইন নিয়ে প্রবন্ধটি।
https://mzamin.com/news.php?news=43300

19/02/2023
17/02/2023

ভেরীকোজ ভেইন : সবারই জানা উচিত
……………………………….

মানুষ বা প্রাণীর শরীরের রক্তের প্রবাহ কিছু জটিল নিয়ম অনুসরণ করে। হৃদপিণ্ড পাম্প করে অক্সিজেনবাহী রক্ত মুহূর্তের মধ্যেই ধমনী উপধমনি দিয়ে সর্বাঙ্গে নিখুঁতভাবে পৌঁছে দেয়। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ বা টিস্যু এ রক্ত থেকে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় রসদ সংগ্রহ করে। যে নালী দিয়ে রক্ত আমাদের শরীরের আনাচে কানাচে পৌঁছায়, একই পথ দিয়ে সে কিন্তু ফিরে আসে না। ফিরে আসে অন্য পথে , শিরা-উপশিরা হয়ে।

এ রোগের লক্ষণ মানুষের পায়েই বেশি হয়। সাধারণত পায়ের রক্তনালী গুলোর ভেতরের রক্ত মাধ্যাকর্ষণ জনিত কারণে উপরের দিকে প্রবাহিত হতে বাধা পায়। পায়ের মাংস পেশী গুলো সংকোচন প্রসারনের মাধ্যমে রক্ত উপরের দিকে পাম্প করে নিয়ে যায়। পায়ের শিরা দিয়ে ফিরে আসার পথে রক্ত শিরার ভেতরে থাকা অনেকগুলা কপাট বা দরজার সম্মুখীন হয়। রক্তের ধাক্কায় এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায় এবং রক্ত প্রবাহিত হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ ও হয়ে যায়। ফলে গ্রেভিটি বা মাধ্যাকর্ষণীয় ভারজনিত কারণে পার হয়ে যাওয়ার রক্ত নিচে নেমে যায় না। যখন এই ভালভগুলি ক্ষতিগ্রস্ত বা বিনষ্ট হয়ে যায়, তখন রক্ত হৃৎপিণ্ডে না গিয়ে শিরায় ফিরে আসে। যার ফলে শিরাগুলির মধ্যে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রক্ত সঞ্চারিত হয়। ফলে শিরা ফুলে উঠে। এ অবস্থাকেই মূলত ভেরিকোজ ভেইন ডিজিজ বলা হয়।

এই রোগের প্রকোপ ভয়ানক ভাবে অনেক বেশি। আমাদের দেশে ৫ থেকে ১০% মানুষের এ রোগ হলেও পাশ্চাত্যে এ রোগের প্রকোপ প্রায় ২৫%। সৌদি আরবে প্রায় অর্ধেক মানুষেরই এ রোগের উপসর্গ দেখা যায়। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে,গবেষণায় দেখা গেছে, এ রোগের প্রকোপ এত উচ্চ মাত্রায় থাকলেও তুলনামূলকভাবে এ রোগ বিষয়ে সচেতনতা অনেক কম। খুব অল্প লোকেরই এ রোগের বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান রয়েছে।

উপসর্গ:
—-------
ভেরিকোস ভেইন পায়ের শিরাগুলোতে বেশি হয় এবং ত্বকের উপর থেকেই শিরাগুলো সহজেই দৃশ্যমান হয়। পুরুষের তুলনায় মহিলারা এই রোগে বেশি ভোগেন।
রোগীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পায়ের উরু থেকে হাঁটুর পিছন দিকের শিরাগুলি অস্বাভাবিক ভাবে ফুলে যাওয়ার উপসর্গ নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে আসেন । শিরাগুলি পেঁচানো এবং গাঢ় বেগুনি বা নীল রঙের হয়ে থাকে।
বেশিরভাগেরই পায়ে তেমন কোন সমস্যা হয় না। আবার কারো কারো অনেক উপসর্গ থাকে। যেমন :
সারাদিন পায়ে একটা অস্বস্তি বা জ্বালা থাকা, পা কামড়ানো, অসাড় বোধ হওয়া ও ব্যথাও পাওয়া, পা ভারী-ভারী মনে হওয়া। অনেকেরই রাতে পায়ে টান ধরে। যারা বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বেশিক্ষণ বসে কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রেই এই সমস্যাগুলো বেশি হয়।
পায়ের ত্বকে জটিলতা প্রায়ই দৃশ্যমান হয়। প্রথমেই আক্রান্ত শিরার উপরিস্ত ত্বকে চুলকানি বোধ হতে পারে, ত্বক সুষ্ক হয়ে যেতে পারে, এ স্থানে একজিমা হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে ত্বকের সংক্রমণ সহজেই ঘটে। ত্বকের আরেকটি মারাত্মক জটিলতা হলো ত্বকে আলসার বা ঘায়ের সৃষ্টি হওয়া। স্ফীত রক্তনালী থেকে অনেকের রক্তপাত ও ঘটে । বিরল হলেও কিছু কিছু রোগীর থ্রম্বোসিস হতে পারে, যেখানে শিরায় ‘ব্লাড ক্লট’ হয়ে জীবন বিপন্ন হতে পারে।

কারণ –
—-------

প্রকৃত কারণ অনেকটাই অজানা। তবে যারা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করেন, তাদের শিরায় (Vein) বেশি রক্ত জমা হয়ে যায় ও টান পড়ে। আবার শরীরের কিছু কিছু রোগ আছে যেখানে শরীরের রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায়, যেমন প্রেগন্যান্সি। এ সময়ে অনেকের শরীরে ভেরিকোস ব্রেইনের সৃষ্টি হয় । মাসিকের সময় এবং হরমোনের অস্বাভাবিকতার কারণেও এ রোগ হতে পারে। মোটা মানুষদের মধ্যে এ রোগের প্রকোপ বেশি কিছু কিছু রোগীর ক্ষেত্রে পারিবারিক ইতিহাস থাকে।

মেডিকেল চিকিৎসা :যাদের ক্ষেত্রে রোগের তীব্রতা বেশি
—---------------------

*ফোম স্কেলেরোথেরাপি– রোগের পরিসর সীমিত হলে ইনজেকশনের মাধ্যমে শিরাতে স্ক্লেরোসিং সলিউশন দেওয়া হয়।
*লেসার বা রেডিওফ্রেকুয়েন্সি ট্রিটমেন্ট– এই পদ্ধতিতে শিরাগুলিকে রেডিওফ্রিকুয়েন্সি বা লেসারের মাধ্যমে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
* সার্জারি মাধ্যমে স্ফীত রক্তনালী বন্ধ করে দেওয়া।

রোগীদের জন্য কিছু টিপস:
……………………………..
*জীবনাচরন পরিবর্তনের মাধ্যমে এরোগ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন। রোগ জটিল হয়ে গেলে চিকিৎসা কখনোই সহজ নয় । আবার অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসায় সফলতার হার অনেক কম।
*উঁচু হিলের জুতা পড়বেন না।
*বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করবেন না, ঘন ঘন পজিশন চেঞ্জ করবেন।
*কম লবণযুক্ত খাবার খাবেন।
*ধূমপান অবশ্যই ত্যাগ করবেন।
*নিয়মিত ব্যায়াম করবেন।
*শোয়ার সময় বা বসার সময় পায়ের নিচে কিছু রেখে পা উঁচু রাখবেন।

কৃতজ্ঞতা:ডা হাই স্যার।
#বাঘা_রাজশাহী।

আকস্মিক চুল পড়া রোগের নাম 'অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা'।।.................................................মাথা ভর্তি চুল দিন...
10/02/2023

আকস্মিক চুল পড়া রোগের নাম 'অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা'।।.................................................

মাথা ভর্তি চুল দিন কয়েকের মধ্যেই হাওয়া হয়ে গেল। মাঝে মাঝে এমনই ঘটে। কারো কারো ক্ষেত্রে একটা দুটো চুলবিহীন চাকা, কারো কারো ক্ষেত্রে পুরো মাথা, আবার কারো ক্ষেত্রে মাথার চুল তো বটেই সাথে ভুরু, দাড়ি, এমনকি শরীরের সব চুল। একই সাথে নখের কিছু সমস্যা, যেমন নখে লম্বা লম্বা দাগ পড়ে যাওয়া বা নখ দুর্বল হয়ে জায়গায় জায়গায় ভেঙ্গে পড়া ইত্যাদি। মেডিকেল পরিভাষায় এ রোগকে 'এলোপেসিয়া এরিএটা' বলা হয়। এ রোগ মোটেই বিরল নয়, অহরহ ঘটে।

এ রোগ নিয়ে আমাদের দেশে কুসংস্কার কম নয়। অনেকেই বলেন রাতে তেলাপোকা চুল খেয়ে ফেলেছে। এগুলো স্রেফ ভুল ধারণা। এ রোগটি মূলত একটি অটোইমিউন রোগ অর্থাৎ শরীরে ইমিউন সিস্টেমে এমন একটি বিপত্তি ঘটে যার ফলে, রোগ প্রতিরোধি কোষগুলো চুলের ফলিকলের বিশেষ কোষগুলোকে শত্রু ভেবে ধ্বংস করে ফেলে, এতে অকস্মাৎ চুল পড়া শুরু হয়ে যায়। অনেক রোগী প্রথম দিকে নিজে বুঝতেই পারেন না যে ওনার চুল পড়ে যাচ্ছে। অনেক সময় সেলুনে চুল কাটার সময়েই এ রোগ দৃশ্যমান হয়। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে শুধু ভুরু বা দাড়িতে এ রোগ শুরু হয়। প্রথম দিকে ছোট গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির হয়, ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগের উপসর্গ মৃদু বা মাঝারি হয়। যদিও কারো কারো ক্ষেত্রে এটি পুরো শরীর জুড়েই পরিলক্ষিত হয়। সাধারণত যাদের খুব কম বয়সে এটা শুরু হয় বা পুরো শরীর জুড়ে পরিলক্ষিত হয়, তাদের রোগ খুব একটা সারে না।

অনেকেরই আবার এ রোগের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে অর্থাৎ মা বাবা বা রক্তের সম্পর্কের মধ্যে এ রোগের প্রকোপ থাকে।

এ রোগের চিকিৎসা রয়েছে। যদিও নানা রকম অপচিকিৎসার অভাব নেই। চুল পড়া জায়গায় পেঁয়াজের রস লাগানো একটি জনপ্রিয় চিকিৎসা। যদিও এ চিকিৎসার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তবে যাদের রোগ মৃদু বা মাঝারি ধরনের তাদের অধিকাংশেরই বিনা চিকিৎসায়ই চুল গজায়।

বর্তমানে এ রোগের আধুনিক চিকিৎসা রয়েছে। মাথায় লাগানোর মলম Clobitasone বা Tactolimus ভালো কাজ করে। মুখে খাওয়ার জন্য কিছু নতুন ঔষধ রয়েছে যেমন JAK Inhibitor, যা অবশ্যই চর্মবিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে খেতে হয়। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি ওষুধেরই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে এবং
কারো ক্ষেত্রে স্বল্পকালীন আবার কারো কারো ক্ষেত্রে দীর্ঘকালীন চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

এ রোগ সারা বিশ্বে সব শ্রেণীর লোকজনের মধ্যে রয়েছে। অনেক সেলিব্রেটি ও প্রভাবশালীরা ও এ রোগে ভুগছেন। ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম এ তারা তাদের অভিজ্ঞতা অনেক সময় শেয়ার করেন এবং অন্যকে মনোবল বাড়াতে সাহায্য করেন। রোগীরা প্রয়োজনে পরচুলা, টুপি বা scarf পরতে পারেন, এতে একদিকে যেমন মাথায় একটি এস্তেটিক কাভারেজ দেয়া যায়, একই সাথে মাথা রোদ্রলোক থেকে সুরক্ষা দেওয়া যায়।

স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা কমানো এ রোগের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন। অনেকেই এ রোগের কারণে সামাজিকভাবে ও ব্যক্তিগত ভাবে বিভিন্ন বিড়ম্বনার সম্মুখীন হন। আমেরিকার লস এঞ্জেলসে সাম্প্রতিক এক অস্কার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এলোপেসিয়া রোগে আক্রান্ত একজন অভিনেত্রী উপস্থাপক কর্তৃক মশকরার শিকার হলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। এলোপেসিয়া রোগী নিয়ে এ ধরনের ব্যঙ্গ বিদ্রুপ আসলেই কাম্য নয়। আমাদের সবাইকেই এসব রোগীর সাথে সচেতন আচরণ করতে হবে।

কৃতজ্ঞতা:ডা.হাই স্যার।

BiotinVitamin B 7বায়োটিন ++++++++সুস্থ চুল, নখ ও স্কিনের জন্য আমাদের প্রতিদিন বায়োটিন দরকার  ৩০ মাইক্রোগ্রাম********* ১০...
10/02/2023

Biotin
Vitamin B 7
বায়োটিন
++++++++
সুস্থ চুল, নখ ও স্কিনের জন্য আমাদের প্রতিদিন বায়োটিন দরকার ৩০ মাইক্রোগ্রাম
********
* ১০০ গ্রাম গরুর কলিজা তে থাকে ৩০.৮ মাইক্রোগ্রামের বেশি বায়োটিন
* ১০০ গ্রাম রুই জাতীয় মাছে থাকে ৫ মাইক্রোগ্রাম বায়োটিন
* ১ টি ডিমে থাকে ১০ মাইক্রোগ্রামের বেশি বায়োটিন
*************
এখন আপনি সিদ্ধান্ত নিবেন
১/ খাবারের বায়োটিন খাবেন
না
২/ বায়োটিন ট্যাবলেট কিনে খাবেন

কৃতজ্ঞতা: ডা.বখতিয়ার কামাল স্যার।

30/10/2022

কোন খাবারে এলার্জি হয় বুঝবো কিভাবে?

প্রতি সপ্তাহে অন্য খাবারের সাথে শুধু একটা করে এলার্জির খাবার খাবেন, ঐ সপ্তাহে আর কোন এলার্জির খাবার খাবেন না।
তারপর দেখেন কোন খাবারে খুব বেশি এলার্জি সমস্যা হয়। সেটা খাওয়া বন্ধ করেন।
২ বছর সেই খাবার খাবেন না, ২ বছর পর আবার খেয়ে দেখেন কোন সমস্যা হয় কিনা। সমস্যা হলে খাওয়া বন্ধ রাখেন, না হলে খেতে থাকেন।

আর যারা মনেকরেন যাই খাই তাতেই এলার্জি হয় তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অনেকদিন ওষুধ খেয়ে যেতে হবে। ওষুধে কন্ট্রোল হলে তখন সব খাবার খেতে পারবেন।
কৃতজ্ঞতা:ইরফান উল্লাহ সাকিব।

21/10/2022

শরীরের প্রতিটি অংশই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে নখের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন।অনেকের নখ বড় রাখার অভ্যাস রয়েছে। আজকে জেনে নেই নখ বড় রাখলে কি কি সমস্যা হতে পারেঃ
১. নখের নিচে লুকিয়ে থাকা নোংরা ও জীবাণু পিনওয়ার্ম-এর মতো সংক্রমণ ছড়ায়।

২. নখের নিচের মাংসল অংশ, যাকে সাব-আংগুয়াল রিজিয়ন বলে। এখানে শত শত ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়।

৩. অনেকে আবার কৃত্রিম নখ লাগান। তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টে বেশি ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়।

৪. কৃত্রিম নখ পরিষ্কার করাও অনেক ঝক্কির বিষয়।

৫. নখ বড় রাখলে আপনি ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন প্রাণঘাতী অসুখে আক্রান্ত হতে পারেন।

তাই পরামর্শ, কৃত্রিম নখ না লাগানোই ভালো। নখ রাখতে হলে রাখুন। কিন্তু বেশি বড় করবেন না। নিয়মিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান দিয়ে নখ পরিষ্কার করুন।
কৃতজ্ঞতা:ডাঃ মোঃ রাশিদুল হাসান স্যার

Address

Baju Bagha
6280

Telephone

+8801730187672

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Skin Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Skin Centre:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category