Dr. Md. Ferdous Rayhan

Dr. Md. Ferdous Rayhan MBBS(DHAKA),BCS(HEALTH)
D-ORTHO(NITOR),MS-ORTHO(NITOR)
ORTHOPEDIC TRAUMA & SPINE SURGEON

বর্তমানে আমরা সময়ের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে কেমন জানি অস্থির হয়ে উঠেছি। সবকিছুতেই কেমন একটা তাড়া অনুভব করি। দ্রুত হাঁটা, দ্...
30/01/2026

বর্তমানে আমরা সময়ের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে কেমন জানি অস্থির হয়ে উঠেছি। সবকিছুতেই কেমন একটা তাড়া অনুভব করি। দ্রুত হাঁটা, দ্রুত খাওয়া, একটা কাজ শেষ করে তাড়াতাড়ি আবার অন্যটা শুরু করা, ঘুমের সময়টা অন্যান্য কাজে ব্যয় করে মাঝরাতে খুব দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা। বাইরের থেকে দেখলে মনে হয় লোকটা বেশ কর্মঠ। কিন্তু শরীরের ভেতরে এর প্রতিক্রিয়া ঘটে ঠিক উল্টো। শরীর তাড়াহুড়ো পছন্দ করেনা। শরীর কাজ করতে চায় নিয়ম মেনে, ছন্দে, ধীর-স্থিরভাবে।

আমরা যখন সব সময় তাড়াহুড়োর মধ্যে থাকি, তখন শরীর এটাকে বিপদের সংকেত ভেবে নেয়। তখন শরীরে চালু হয় Fight or Flight Response।
এর ফলে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোন বেড়ে যায়, হার্টবিট দ্রুত হয়, রক্তচাপ বাড়ে। এই অবস্থা শরীরে অল্প সময়ের জন্য উপকারী হলেও দীর্ঘদিন থাকলে এটা শরীরে বিষের মতো কাজ করে। খেয়াল করলে দেখবেন বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষই বদহজমে ভুগছেন। খাওয়ার পরে বুক জ্বালা, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা ডায়রিয়া আমাদের নিত্যসঙ্গী। এর পেছনেও কিন্তু এই তাড়াহুড়ো দায়ী। তাড়াহুড়ো করে খাওয়া বা খাওয়ার সময় মানসিক চাপ থাকলে পাকস্থলীতে রক্তপ্রবাহ কমে যায়, হজম এনজাইম ঠিকমতো নিঃসৃত হয় না, খাবার ঠিকভাবে ভাঙে না। দীর্ঘদিন তাড়াহুড়ো আর মানসিক চাপ চলতে থাকলে কর্টিসল বেড়ে যায়, ইনসুলিনের কাজ ব্যাহত হয়, থাইরয়েড ও রিপ্রোডাকটিভ হরমোনেও নেগেটিভ প্রভাব পড়ে। এর ফল হতে পারে হঠাৎ ওজন বাড়া বা কমা, ঘুমের সমস্যা, মেয়েদের অনিয়মিত পিরিয়ড, পুরুষদের শক্তিহীনতা ও ক্লান্তি।

তাড়াহুড়ো করা মানুষ সাধারণত একসাথে অনেক কিছু ভাবে, এক কাজের মাঝে আরেক কাজ ঢুকিয়ে দেয়, শরীর বিশ্রাম পেলেও ব্রেইন বিশ্রাম পায়না। এর ফল মনোযোগ কমে যায়, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়, এংজাইটি ও ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বাড়ে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়। ব্রেইন বিশ্রাম না পেলে শরীর কখনোই সুস্থ থাকবে না। শরীর কোনো মেশিন না, যা সব সময় ফুল স্পিডে চলতে থাকবে। আপনি যত বেশি তাড়াহুড়ো করবেন শরীর তত বেশি প্রতিরোধ করবে।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

29/01/2026

কোমর লক হয়ে গেলে করনীয়

অস্টিওআর্থ্রাইটিস কি পুরোপুরি সারানো সম্ভব? অস্টিওআর্থ্রাইটিসে হাড়ের দুই প্রান্তে থাকা কার্টিলেজ ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে...
27/01/2026

অস্টিওআর্থ্রাইটিস কি পুরোপুরি সারানো সম্ভব?

অস্টিওআর্থ্রাইটিসে হাড়ের দুই প্রান্তে থাকা কার্টিলেজ ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে, জয়েন্টের ফাঁক কমে আসে, হাড়ের শেষ প্রান্তে অতিরিক্ত হাড় তৈরি হতে পারে। ফলে ব্যথা, শক্তভাব, নড়াচড়ায় অসুবিধা দেখা দেয়। কার্টিলেজ যদি একবার ক্ষয় হয় শরীর তা আগের মতো করে পুনরায় তৈরি করতে পারে না। এটি বয়সজনিত ও মেকানিক্যাল ক্ষয়ের রোগ। কার্টিলেজে রক্ত সরবরাহ নেই তাই নিজে নিজে মেরামত হয় না। একারণেই অস্টিওআর্থ্রাইটিসের রোগী কখনো পুরোপুরিভাবে সেরে উঠেনা। তবে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগের ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, জয়েন্টের শক্তভাব কমানো, নড়াচড়ার ক্ষমতা বজায় রাখা, দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করা সম্ভব।

অস্টিওআর্থ্রাইটিস ১০০% প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়না। কিন্তু সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমে ঝুঁকি অনেকটা কমানো যায়। অস্টিওআর্থ্রাইটিস প্রতিরোধে করণীয়ঃ-

▪️ ওজন নিয়ন্ত্রণ
▪️ দীর্ঘসময় একইভাবে বসে না থাকা
▪️ নিয়মিত ব্যায়াম করা
▪️ সঠিক মাপের ও আরামদায়ক জুতা ব্যবহার
▪️ পুরোনো ইনজুরির সঠিক চিকিৎসা করানো

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

বর্তমান সময়ে অফিস, ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ক্লাস সবকিছুই দীর্ঘ সময় বসে থাকার সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। কিন্তু সমস্যা হলো, কতক্ষণ ব...
26/01/2026

বর্তমান সময়ে অফিস, ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ক্লাস সবকিছুই দীর্ঘ সময় বসে থাকার সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। কিন্তু সমস্যা হলো, কতক্ষণ বসে আছি তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কী ভঙ্গিতে বসে আছি। ভুল ভঙ্গিতে দীর্ঘ সময় বসে কাজ করলে মেরুদণ্ড, ঘাড়, কাঁধ ও হাঁটুর ধীরে ধীরে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। আজ কথা বলবো বসে কাজ করা মানুষদের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর ৫টি ভঙ্গি নিয়ে।

1️⃣ মাথা বেশি সামনে ঝুঁকিয়ে কাজ করা
ল্যাপটপ বা মোবাইল স্ক্রিনের দিকে মাথা এগিয়ে নিয়ে কাজ করা এখন প্রায় সবার অভ্যাস। মাথা যত সামনে যায়, ঘাড়ের উপর চাপ তত গুণ বেড়ে যায়। এতে ঘাড় ব্যথা, কাঁধ শক্ত হয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন হলে নার্ভ চাপে পড়ার ঝুঁকি থাকে।

2️⃣ কুঁজো হয়ে বসে কাজ করা
চেয়ারে ঝুঁকে পড়া, পিঠ বাঁকা করে বসা বা মাথা সামনে ঝুলিয়ে রাখা এটাই সবচেয়ে কমন কিন্তু সবচেয়ে ক্ষতিকর ভঙ্গি। এতে ঘাড় ও কোমরের মেরুদণ্ডে অস্বাভাবিক চাপ পড়ে। দীর্ঘমেয়াদে সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস, লোয়ার ব্যাক পেইন, ডিস্কের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

3️⃣ পা ঝুলিয়ে বা পা গুটিয়ে বসা
চেয়ারে বসে পা ঠিকভাবে মাটিতে না রেখে ঝুলিয়ে রাখা বা এক পা ভাঁজ করে বসা খুবই ক্ষতিকর। হাঁটু ও হিপ জয়েন্টে অসম চাপ পড়ে, রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। হাঁটু ব্যথা, হিপ পেইন ও পেশি শক্ত হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

4️⃣ টানা দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে বসে থাকা
ভঙ্গি ঠিক হলেও একটানা দীর্ঘ সময় বসে থাকা নিজেই ক্ষতিকর। মেরুদণ্ড ও পেশিতে রক্ত চলাচল কমে যায়, জয়েন্ট শক্ত হয়ে পড়ে। কোমর, ঘাড় ও কাঁধে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তৈরি হয়।

5️⃣ নিচু বা অতিরিক্ত নরম চেয়ারে বসে কাজ করা
অনেকে আরাম মনে করে খুব নিচু বা বেশি নরম সোফা/চেয়ারে বসে কাজ করেন। এতে কোমরের স্বাভাবিক বাঁক (lumbar curve) নষ্ট হয়, পিঠের পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, দীর্ঘমেয়াদে ক্রনিক লোয়ার ব্যাক পেইন তৈরি হতে পারে।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

আমরা প্রায়ই শুনি ব্যালান্সড ডায়েট খেতে হবে। কিন্তু বাস্তবে এক প্লেট খাবারে ঠিক কী থাকলে সেটাকে সত্যিকার অর্থে ব্যালান্সড...
25/01/2026

আমরা প্রায়ই শুনি ব্যালান্সড ডায়েট খেতে হবে। কিন্তু বাস্তবে এক প্লেট খাবারে ঠিক কী থাকলে সেটাকে সত্যিকার অর্থে ব্যালান্সড মিল বলা যায়, সেটা অনেকের কাছেই পরিষ্কার না। ব্যালান্সড মিল মানে এমন এক প্লেট খাবার যেখানে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রধান পুষ্টি উপাদান সঠিক অনুপাতে থাকে, যা শক্তি দেয়, পেশি ও টিস্যু গঠন করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখে, দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থূলতা কমাতে সাহায্য করে।

বিজ্ঞানসম্মতভাবে একটি ব্যালান্সড প্লেটকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়ঃ-

১️. অর্ধেক প্লেট সবজি ও ফল (৫০%)
রঙিন সবজি: লাউ, কুমড়া, পালং, ব্রকলি, গাজর
ফল: পেঁপে, আপেল, কমলা, পেয়ারা।
এগুলো ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদা পূরণ করে, হজম ভালো রাখে, কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

২️. এক-চতুর্থাংশ প্লেট কার্বোহাইড্রেট (২৫%)
ভাত/আটা রুটি/ওটস/ব্রাউন রাইস।
কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া নয়, রিফাইন্ড কার্ব কমানোই এখানে মূল লক্ষ্য।

৩️. এক-চতুর্থাংশ প্লেট প্রোটিন (২৫%)
মাছ, ডিম, মুরগি, ডাল, ছোলা, সয়াবিন, দুধ বা দই
প্রোটিন পেশি গঠন, ক্ষত সারানো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য অপরিহার্য।

৪️. অল্প কিন্তু জরুরি স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
সরিষার তেল, অলিভ অয়েল, বাদাম, বীজ
ফ্যাট শূন্য ডায়েট স্বাস্থ্যকর নয়। অল্প ভালো ফ্যাট হরমোন ও ভিটামিন শোষণে জরুরি।

ব্যালান্সড মিল কোনো ডায়েট ট্রেন্ড নয়। এটা শরীরের মৌলিক চাহিদার বৈজ্ঞানিক উত্তর।
আপনার প্রতিদিনের এক প্লেট খাবার যদি এই কাঠামোর কাছাকাছি হয়, তাহলে সেটাই সত্যিকারের ব্যালান্সড মিল।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

23/01/2026

হাতের তালুর রেখায় ভাগ্য দেখতে যেও না গালিব, ভাগ্য তাদেরও আছে যাদের হাত নেই।
- কবি মির্জা গালিব।

আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যেখানে “সবসময় ক্লান্ত লাগছে” কথাটা প্রায় সবার মুখে। কাজের চাপ, পড়াশোনা, পরিবার, মোবাইল, দুশ্চি...
22/01/2026

আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যেখানে “সবসময় ক্লান্ত লাগছে” কথাটা প্রায় সবার মুখে। কাজের চাপ, পড়াশোনা, পরিবার, মোবাইল, দুশ্চিন্তা সব মিলিয়ে ক্লান্ত থাকাটাকে এখন অনেকেই স্বাভাবিক ধরে নিয়েছে। কিন্তু সব সময় ক্লান্ত থাকা মোটেও নরমাল নয়। এটা অনেক সময় শরীরের ভেতরে চলতে থাকা সমস্যার একটা গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। ক্লান্তি শুধু ঘুম পাচ্ছে বা শক্তি নেই এমন না।চিকিৎসাবিজ্ঞানে Fatigue বলতে বোঝায় বিশ্রামের পরও শক্তি ফিরে না আসা, দৈনন্দিন কাজ করতে অস্বাভাবিক কষ্ট হওয়া, শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া। যদি এই অবস্থা ২-৩ সপ্তাহের বেশি থাকে, তাহলে এটাকে আর সাধারণ ক্লান্তি বলা যায় না।

এখানে বড় সমস্যা হলো সমাজ এটাকে কোনো সমস্যা মনে করেনা। সবাই তো ক্লান্ত থাকে, বয়স বাড়লে এমন হবেই, চাপ বেশি, তাই নরমাল। এই যুক্তিগুলো শুনতে স্বাভাবিক লাগলেও বিজ্ঞানসম্মতভাবে এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ সুস্থ শরীর বিশ্রাম পেলে পুনরুদ্ধার করতে পারে। যদি না পারে, তাহলে কোথাও গড়বড় আছে। সবসময় ক্লান্ত থাকার কিছু কারনঃ-

✔️ থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা
✔️ রক্তস্বল্পতা
✔️ মানসিক চাপ, এংজাইটি, ডিপ্রেশন
✔️ অনিয়মিত/অগভীর ঘুম
✔️ ডায়াবেটিস ও অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগ
✔️ ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি

ডা. মো: ফেরদৌস রায়হান

মেরুদন্ড বা স্পাইন আমাদের শরীরের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি ক্ষতিগ্রস্থ বা ব্যথায় আক্রান্ত হলে আমরা শারীরিক, মানসি...
21/01/2026

মেরুদন্ড বা স্পাইন আমাদের শরীরের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি ক্ষতিগ্রস্থ বা ব্যথায় আক্রান্ত হলে আমরা শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হই। তাই এই মেরুদণ্ড বা স্পাইন ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আগেই সতর্ক হোন। পুষ্টিকর খাবার খান, নিয়মিত ব্যয়াম করুন, হাঁটা ও বসার ভঙ্গি সঠিক করুন। সঠিক ওজন ধরে রাখুন। ভারি কিছু তোলার সময় আগে হাঁটু ভাজ করুন। দীর্ঘ সময় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। অবশ্যই আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করুন।

ব্যথায় আক্রান্ত বা ক্ষতি গ্রস্থ হওয়ার পর সঠিক পদ্ধতির চিকিৎসা গ্রহন করুন। চিকিৎসা শুরুর আগে সঠিক রোগ নির্নয় জরুরী। সঠিক রোগ নির্নয়ের জন্য চিকিৎসক মেরুদণ্ড বা স্পাইনের কিছু ল্যাব পরীক্ষার ( এক্স রে, এম,আর,আই ও সি, টি স্ক্যান ) পরামর্শ দিতে পারেন। এই সকল বিষয়ে দেরী করা ঠিক নয়। অসুস্থ্য হওয়ার আগেই সুস্থ্যতাকে প্রাধান্য দিন। সুস্থ্য থাকুন ভালো থাকুন।

ডা. মো: ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক ( অর্থপেডিক সার্জারী )
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

সিঁড়ি ভাঙতে কষ্ট হচ্ছে মানেই হাঁটু সমস্যা এই ধারণাটা ভুল। অনেক ক্ষেত্রে দায়ী থাকে হিপ জয়েন্ট, মাংসপেশি, লিগামেন্ট বা স্ন...
20/01/2026

সিঁড়ি ভাঙতে কষ্ট হচ্ছে মানেই হাঁটু সমস্যা এই ধারণাটা ভুল। অনেক ক্ষেত্রে দায়ী থাকে হিপ জয়েন্ট, মাংসপেশি, লিগামেন্ট বা স্নায়ু। ব্যথার লোকেশন (Pain location) ঠিকভাবে বুঝলে সমস্যার উৎস ধরাও সহজ হয়।

✔️ হাঁটুর সামনে বা ভিতরের দিকে ব্যথা
সিঁড়ি ওঠানামার সময় হাঁটুর সামনে চাপ লাগা, বসা থেকে উঠলে বা নামার সময় ব্যথা, কখনো কট কট শব্দ এসব হতে পারে অস্টিওআর্থ্রাইটিস, Patellofemoral Pain Syndrome, Meniscus সমস্যা, Quadriceps muscle দুর্বলতার কারণে।

✔️ নিতম্ব বা কোমর থেকে উরুতে ছড়ানো ব্যথা
একপাশে বেশি ব্যথা, জ্বালা, ঝিনঝিনি, অবশ ভাব, দীর্ঘক্ষণ বসলে বা দাঁড়ালে বাড়ে এরকম লক্ষনের ক্ষেত্রে হাঁটু বা হিপ দায়ী নয়। কোমরের/স্নায়ু চাপে সমস্যার কারনে এমনটা হয়ে থাকে।

✔️ কুঁচকি বা উরুর ভেতরের দিকে ব্যথা
সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গেলে পা তুলতে কষ্ট হওয়া, বসে জুতা পরতে সমস্যা হওয়া, পা ঘোরাতে গেলে ব্যথা অনুভব হওয়ায় অনেক রোগী ভুল করে হাঁটুর সমস্যা ভাবেন। অথচ এসব ক্ষেত্রে আসল সমস্যা থাকে হিপে।

সিঁড়ি ভাঙতে কষ্ট হওয়া কোনো সাধারণ বিষয় নয়।
হাঁটু, হিপ বা কোমর, কে দায়ী সেটা আন্দাজে নয় বরং ব্যথার লোকেশন সঠিক পরীক্ষা দিয়েই নিশ্চিত করা যায়। ভুল জায়গায় চিকিৎসা মানে সময়, টাকা আর সমস্যার অবনতি সবই একসাথে। তাই ব্যথা সহ্য না করে, সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

19/01/2026

হাড়,হার্ট,কিডনি,দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে,ডায়াবেটিস,উচ্চ রক্তচাপ,ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে শীতকালে বেশি করে শালগম খান

চা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এটা সবার জানা।স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদিবিডির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে চা মানবদেহের রোগপ্রত...
18/01/2026

চা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এটা সবার জানা।স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদিবিডির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে চা মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং দেহের কোষের ক্ষয়রোধ করে।শুধু তাই নয় হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো রঙ চা নাকি দুধ চা কোনটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? এই নিয়ে আছে অনেক বিতর্ক।চলুন দেখে নি বিশেষজ্ঞদের কি মত!তারা কোনটিকে পাস মার্ক দেয়!

আমরা যদি ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালের দিকে তাকাই তাহলে দেখবো যে তারা বলছেন রঙ চা মানবদেহের রক্তনালি এবং ধমনীর কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।
অপরদিকে দুধ চা রক্ত পরিবহনতন্রে বাধা সৃষ্টি করে। এবং দুধ চায়ে যেই দুধ মেশানো হয় সেই দুধে থাকা প্রোটিন চায়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সাথে মিশে চায়ের ঔষধিগুন নষ্ট করে দেয়।

সুতরাং এটা বলাই যায় যে দুধ চা নয় বরং রঙ চা ই বেশি হেলদি।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

বাজারে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল সাপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়। অনেকেই ভাবেন এগুলো কিনে খেলেই শরীরের ভিটামিনের চাহিদা খুব সহজেই প...
17/01/2026

বাজারে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল সাপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়। অনেকেই ভাবেন এগুলো কিনে খেলেই শরীরের ভিটামিনের চাহিদা খুব সহজেই পূরন করা যাবে। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় প্রাকৃতিক খাবার থেকে। খাবারে একইসাথে ভিটামিনের পাশাপাশি ফাইবার, এন্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য নিউট্রিয়েন্ট থাকে যা শরীরের জন্য খুবই কার্যকর।

ডাক্তারের নির্দেশনা না থাকলে শুধু শুধু নিজের ইচ্ছাখুশিমতো ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট না খেয়ে চেষ্টা করুন খাদ্যের মাধ্যমে এর চাহিদা পূরনের। চলুন জেনে নেই কোন উৎস থেকে কোন ভিটামিন পেতে পারেন যাতে আপনাদের জন্য বিষয়টা আরো সহজ হয়ে যায়।

✅ ভিটামিন বি কমপ্লেক্স নার্ভের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখে ও রক্ত তৈরিতে সহায়তা করে। ডিম, দুধ, মাছ, ডাল, শাকসবজি, বাদাম থেকে সহজেই ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পাবেন।

✅ ভিটামিন-কে রক্ত জমাট বাঁধতে ও হাড় মজবুত রাখতে সহায়তা করে। পালংশাক, শালগম, বাঁধাকপি ও ব্রকলি আপনার এ চাহিদা পূরন করবে।

✅ ভিটামিন-এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কলিজা, ডিমের কুসুম, গাজর, মিষ্টি আলু, পালংশাক ভিটামিন-এ এর খুব ভালো উৎস।

✅ ভিটামিন-ডি দাঁত ও হাড়ের গঠন শক্ত করে। সূর্যের আলো ভিটামিন-ডি এর প্রধান উৎস। এছাড়াও ডিম, মাছ ও দুধেও রয়েছে ভিটামিন ডি।

✅ ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ত্বকের ক্ষত শুকাতে অত্যন্ত কার্যকর। আমলকি, লেবু, কমলা, পেয়ারা, ক্যাপসিকাম ভিটামিন-সি এর উৎস।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান

Address

Popular Diagnostic Center
Barisal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Ferdous Rayhan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Ferdous Rayhan:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category