Kotha Bondhu - Mental Health Support Society

Kotha Bondhu - Mental Health Support Society এটা একটি নন প্রফিট অর্গানাইজেশন।
বিনামূল্যে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক পরামর্শ দেয়া আমাদের মূল লক্ষ্য।

Lucid Dream : স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণলুসিড ড্রিম বলতে এমন এক ধরনের স্বপ্ন বুঝায় যেখানে একজন মানুষ চাইলে স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ, পরিবর...
09/01/2026

Lucid Dream : স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ

লুসিড ড্রিম বলতে এমন এক ধরনের স্বপ্ন বুঝায় যেখানে একজন মানুষ চাইলে স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ, পরিবর্তন করতে পারেন। একজন লুসিড ড্রিমার স্বপ্নের মাঝেও জেগে থাকেন এবং তিনি যে স্বপ্ন দেখছেন তা বুঝতে পারেন। স্বপ্ন দেখার সময় কোনো কিছু চিনে ফেলা হচ্ছে লুসিড ড্রিম এর প্রথম পর্যায়। আমরা যখন স্বপ্নে কাউকে চিনে ফেলি তখন আমাদের মস্তিষ্কের dorosolateral prefrontal cortex এ সাড়া জাগে এবং তা ঘুমের রেম পর্যায়ে যেতে সাহায্য করে। এখন প্রশ্ন হলো ঘুমের রেম পর্যায় আবার কি? এই পর্যায়ে কেন মানুষ লুসিড ড্রিম দেখে?

মানুষ গড়ে প্রতিদিন ঘুমের মাঝে ৪ থেকে ৬ বার স্বপ্ন দেখে। আমাদের ঘুমকে দুটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। একটি হলো Rapid Eye Movement (REM) এবং অন্যটি হলো Non Rapid Eye Movement (Non-REM)। মানুষ সাধারণত ঘুমের রেম পর্যায়েই লুসিড ড্রিম দেখে। ঘুমের এই সময়ে আমাদের মস্তিষ্ক সবচেয়ে সক্রিয় থাকে। লুসিড ড্রিম দেখার জন্য মানুষের মস্তিষ্কের ল্যাটারাল প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স দায়ী। মস্তিষ্কের এই অংশ মানুষের যুক্তিতর্ক ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। রেম ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্কের ল্যাটারাল প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স সাধারণত নিষ্ক্রিয় ই থাকে। কিন্তু অনেক সময় এই অংশটি সক্রিয় থাকে যার ফলে আমরা যুক্তি দিয়ে বিচার করে স্বপ্ন দেখি এবং তা নিজের মতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। science bee

কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে আমরা লুসিড ড্রিম ঘটাতে পারি। এতোক্ষণে আমরা জেনেছি যে লুসিড ড্রিম হয় ঘুমের রেম পর্যায়ে, এই সময়ে মস্তিষ্ককে সজাগ রাখলে লুসিড ড্রিম দেখা যাবে। এর জন্য আপনার একবার ঘুমানোর ঠিক পাঁচ ঘন্টা পর জেগে উঠতে হবে, তারপর আবার ঘুমিয়ে পড়তে হবে। এর ফলে আপনি সরাসরি ঘুমের রেম পর্যায়ে চলে যাবেন এবং লুসিড ড্রিম দেখতে পারবেন। অন্য একটি পদ্ধতি হলো MILD (Mnemonic Induction of Lucid Dreams)। এটি এক ধরনের আবেশ পদ্ধতি। এক্ষেত্রে আপনি প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনে মনে বার বার বলবেন "আমি আজ লুসিড ড্রিম দেখবো"। এছাড়া আরো একটি পদ্ধতি হচ্ছে নিজের দেখা স্বপ্নগুলো ডায়েরি তে লিখে রাখা এবং প্রতিদিন একবার করে সেগুলো পড়া। এইসব পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনার লুসিড ড্রিম দেখার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

তবে যাদের মানসিক অসুস্থতা রয়েছে তাদের জন্য লুসিড ড্রিম ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ ঘুমানোর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়া, কিন্তু লুসিড ড্রিম এর ফলে আপনি ঘুমের মাঝেও জেগে থাকবেন। যা আপনার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলবে। এর ফলে যারা বিষণ্ণতায় ভুগেন তাদের জন্য এবং সাধারণ মানুষের জন্যও লুসিড ড্রিম ক্ষতিকর।

© Nishat Tasnim (Science Bee)

17/10/2025

বাংলাদেশে আত্মহত্যার বিষয়টি সঠিকভাবে আলোচনায় না আসার পেছনে একটি বড় কারণ হলো আইনি জটিলতা।

এখনো রয়েছে ১৮৬০ সালের পেনাল কোড (দণ্ডবিধি), যেখানে আত্মহত্যার চেষ্টা করাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই আইনের ধারা অনুযায়ী— কেউ যদি আত্মহত্যার চেষ্টা করে এবং বেঁচে যান, তবে তাঁকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

এটি এক অমানবিক বাস্তবতা— যিনি নিজের জীবন শেষ করতে চেয়েছিলেন, তাঁকে সহায়তা না করে শাস্তি দেওয়া হয়! ফলে যারা আত্মহত্যার চেষ্টা থেকে ফিরে আসেন, তারা অনেক সময় সহায়তা নিতে অনীহা প্রকাশ করেন।

16/10/2025

প্রত্যেক পরীক্ষার রেজাল্টের পর আমরা একটা কমন প্যাটার্ন লক্ষ্য করি।কেউ জিপিএ-৫,কেউ পাস কিংবা কেউ ফেল।

সবাই সাজেশন্স দেয়, জীবনে রেজাল্ট কিছুই না ব্লা ব্লা।

তারপরও দেখা যায় কিছু মানুষ রাগে,ক্ষোভে, ঘৃণায়,হতাশায় নিজের দ*ন্ড নিজে কার্যকর করে।

এখানে আসলে যিনি পরীক্ষার্থী তারচেয়ে বেশী কিছু করার থাকে চারপাশের মানুষগুলোর।বিশেষ করে বাবা-মা।উনারা যদি যেকোন রেজাল্টকেই সাধুবাদ জানান তাহলে বর্তমানটা খারাপ করলেও ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার শক্তি পাবে।বেঁচে থাকার সাহস পাবে।আদারওয়াইজ, বর্তমান এবং ভবিষ্যত দুটোই নষ্ট হবে।

মনে রাখতে হবে, পৃথিবীতে এবসোলিউট সুখ বা দুঃখ বলতে কিছু নাই।সবকিছুই সাময়িক।

কেউ আত্মহত্যা করার আগে আমাদের এই কথাগুলো চিন্তা করা উচিত।  #মানসিক_স্বাস্থ্য                #2025  #আত্নহত্যা  #সুইসাইড ...
16/10/2025

কেউ আত্মহত্যা করার আগে আমাদের এই কথাগুলো চিন্তা করা উচিত।

#মানসিক_স্বাস্থ্য #2025 #আত্নহত্যা #সুইসাইড #

10/10/2025

আগে কেউ খারাপ আচরণ করলে তারে ধইরা গাইলাইতাম।
এখন চিন্তা করি- ওর ছোটবেলা কেমন ছিল, ওর মা বাপ কেমনে বড় করসে ওরে, ওর বড় হওয়ার পথে ও কি কি ট্রমা পাইসে, কি কি ট্রমা পেয়ে ও এই রকম হয়ে গেসে, এই রকম হওয়ার পর ওর কিরম লাগে।
🙂

10/10/2025

দেশে আজও একজন সাইকিয়াট্রিস্টকে জনগণ পাগলের ডাক্তার ভাবে। যে দেশে আজও একজন সাইকিয়াট্রিস্টকে নার্ভের ডাক্তার বা নামের আগে নিউরো জুড়তে হয় চেম্বারে রোগী পাওয়ার আশায়। যে দেশে আজও অনেকেই বলেন "ও কিছু না, সামান্য মানসিক সমস্যা হয়েছে" (মানসিক রোগ নয়)। যে দেশে আজও রোগীকে মানসিক বিভাগে রেফার করা হলেও সেই রোগী সেকেন্ড, থার্ড, ফোর্থ ওপিনিয়ন নিতে ছোটে কিন্তু সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যায় না। যে দেশে আজও কিছু মানুষ গলা উঁচিয়ে আমার তো প্রেসার, সুগার আছে, অ্যানজিওপ্লাস্টি করালাম বলতে পারেন কিন্তু সামান্য ডিপ্রেশন বা ফোবিয়া আছে সেটা লুকিয়ে যান। যে দেশে পরিবারে কারোর ক্যান্সার বা জেনেটিক রোগ থাকলেও সমস্যা নেই কিন্তু দূর সম্পর্কের কারোর কখনো মানসিক রোগের চিকিৎসা হলে সেই বাড়িতে বিয়ে দেওয়া যায় না, তাদের সাথে যোগাযোগ রাখাই হয় না। যে দেশের সিংহভাগ মানুষ আজও জানেন না যে মন খারাপ বা আত্মহত্যার প্রবনতায় একজন ডাক্তারের কাছে যেতে হয় বা ভূতে ধরা, ঈশ্বরের ভর ইত্যাদি একপ্রকার মানসিক রোগ এবং সর্বোপরি মানসিক রোগী মানেই পাগল বলে ধরে নেয়।

সে দেশে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা কতটা সহজ আপনারই বিবেচনা করুন।

বাংলাদেশের "মেডিকেলে পড়াবো" হাইপ নিয়ে একটা চরম সত'র্কতা। একটা ভ'য়ং'কর ঘটনা ঘটে গেছে ভারতে।অনুরাগ অনিল নামে একজন স্টুডেন্...
28/09/2025

বাংলাদেশের "মেডিকেলে পড়াবো" হাইপ নিয়ে একটা চরম সত'র্কতা। একটা ভ'য়ং'কর ঘটনা ঘটে গেছে ভারতে।

অনুরাগ অনিল নামে একজন স্টুডেন্ট ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৯৯.৯৯% এর চেয়ে বেশি পেয়ে ২৪ লাখ স্টুডেন্টের মধ্যে ১৪৭৫ তম হয়েছিলো। ২৪ লাখের মধ্যে ১৪৭৫ তম! মাথানষ্ট রেজাল্ট। তার যোগ্যতা ছিলো ১০০%।

বি.দ্র. বাংলাদেশে মেডিকেল এক্সাম দেয় সর্বোচ্চ মাত্র ১.৫ লাখ।

কিন্ত এরপরই অদ্ভুত ঘটনাটা ঘটে। মেডিকেল কলেজে ভর্তির আগের দিন সে সু'ই''সা''ইড করেছে। কারণ তার বাবা-মা তাকে জোর করে মেডিকেল পড়াতে চেয়েছিলো আর তার স্বপ্ন ছিলো বড় বিজনেসম্যান হওয়া। তার রেখে যাওয়া নোট থেকে এটাই জানা গেছে।

এর থেকে প্রমাণ হয়, বাংলাদেশের মা-বাবা যে জোর করে মেডিকেলে পাঠান, তাদের সন্তানদেরকে। মেডিকেল আসলে জোর করে পড়াশোনা করানোর জায়গা না। এখানে নিজের ইচ্ছা না থাকলে সারভাইভ করা খুব খুব কঠিন।

তাই মেডিকেলে আপনার সন্তানকে জোর করে পাঠাবেন না। তার যোগ্যতা থাকলেও। যোগ্যতা আছে বলেই, তার অনিচ্ছায় জোর করবেন না।

বাংলাদেশে তো দেখা যায়, জন্মগ্রহণের পরই অনেক বাবা-মা ঠিক করে ফেলেন, সন্তান পারুক বা না পারুক, তাকে মেডিকেলেই পড়াবেন। এরপর সন্তান চান্স না পেলে নেমে আসে অসহ্য মানসিক নির্যা'তন।

শাদমান আবরার,
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ

11/09/2025

যারা এখন বড় হইতেছো, বাবা মা হবা

দেশের পরের প্রজন্মকে বোধ বুদ্ধি সহ বড় করার জন্য তোমাদের কিছু দায়িত্ব আছে।

প্যারেন্টিং নিয়ে অত আহামরিও কিছু করার দরকার নাই।

জাস্ট কয়েকটা বেসিক জিনিস করা যাইতে পারে

পোলাপানকে কারো সাথে কম্পেয়ার কইরো না প্লিজ। প্রত্যেকটা বাচ্চা আলাদা, প্রত্যেকের নিজস্বতা আছে। তাকে আরেকটা বাচ্চার সাথে তুলনা কইরা, তার মধ্যে হীনমন্যতা পুশ করার কোন ফায়দা নাই।
এরকম করলে আজীবন বাচ্চাটা কনফিডেন্স হীনতায় ভুগবে।

পরিবার থেকে আমাদের আগের জেনারেশনের কিছু বিশ্রী শব্দ বিদায় করে দিতে পারো।

যেমন ধরো ফর্সা।

এর থেকে বিশ্রী বাংলা শব্দ খুব কম আছে। দুনিয়াতে ফর্সা বইলা কিছু নাই। বেসিক সাদা, কালা, বাদামী রঙের মানুষ দুনিয়ার সব জায়গাতেই আছে।

মাথায় রাইখো,
মানুষের গায়ের রঙ নিয়ে কথা বলে দুনিয়ার সবচেয়ে ছোটলোক, মিন আর রূড মানুষরা।

তোমার বাসায় কোনদিন কারো গায়ের রঙ নিয়ে কোনদিন আলাপ কইরোনা। বাচ্চাটা দেখবা এসবকে কখনো গুরুত্বই দিবেনা।

দয়া করে, বাসা, গাড়ি এসবের মডেল, পয়শা এইগুলা নিয়ে আলাপ করতে যাইয়োনা। বাচ্চাকে ছোটলোক বানানোর জন্য এর থেকে ভালো আলাপ আর হয়না!

মানুষের আইডেন্টিটি তৈরি করতে যদি ম্যাটেরিয়াল লাগে, তাইলে ভাইবো একেবারে ভুল একটা পথে হাটা শুরু হইছে তোমার।

বাচ্চাকে জাস্ট ভালোবাসাটা শিখায়ো।
মানুষের প্রতি দরদ শিখায়ো।

শিখায়ো, নিজের বড়লোকি দেখানো মানে আরেকজনকে গরিব ফিল করানো!

এর থেকে বিশ্রী আর কিছু হয়না।

বাচ্চাকে জানায়ো, মাত্র কিছু মানুষ সব কিছু কৌশলে কেড়ে না নিলে, পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষ আসলে একই জিনিস ডিজার্ভ করতো।

জানায়ো
পৃথিবীতে একটা দুর্ভিক্ষও খাদ্যের অভাবে হয়নি
হয়েছে সুষম বন্টনের অভাবে।।

08/09/2025

নিজেকে যেভাবে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখবেন–

১) প্রথমে এক গ্লাস পানি নিন।
২) তাতে কিছু কাঁদা মাটি ছেড়ে দিন।
৩) এবারে চামচ দিয়ে নাড়তে থাকুন।

কি দেখলেন? ঘোলা হয়ে গেছে তাইতো?

এখন একে পরিষ্কার করার জন্য নাড়াচারা করতে থাকুন।

পরিষ্কার না হয়ে আরও ঘোলা হয়ে গেল তাইতো?

এখন কিছুই না করে রেখে দিন। আস্তে আস্তে দেখবেন পানি পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে!!

ভাবছেন পানি ঘোলা আর পরিষ্কারে আমার কি হবে!?

ঘোলা পানি হলো আপনার দুশ্চিন্তা। আপনি যতই ঘাটাবেন ততই দুশ্চিন্তার কাঁদায় ডুবতে থাকবেন।

ইনশাআল্লাহ 🖤
07/09/2025

ইনশাআল্লাহ 🖤

07/09/2025

when life gives you a hundred reasons to cry,show life that you have a thousand reasons to smile🌻

06/09/2025

এখন থামতে শেখাটা জরুরি।

কোন কিছু দেখে বিরক্ত লাগছে, একটু থামুন।
কেউ অপছন্দনিয় কিছু বলছে, একটু থামুন।
কেউ অপছন্দনিয় কিছু করছে, একটু থামুন।
কাউকে কিছু বলতে ইচ্ছে করছে, একটু থামুন।
কারোও উপর রাগ হচ্ছে, একটু থামুন।
খুব স্ট্রেস লাগছে, একটু থামুন এবং নি:শ্বাসের দিকে মনোযোগ দিন।

একটু থেমে আবেগীয় স্বাস্থের যত্ন নিয়ে মানসিকভাবে ভালো থাকুন।

জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট।

Address

Dhaka. Bangladesh
Barishal

Telephone

+8801939902846

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kotha Bondhu - Mental Health Support Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram