Nabab dental care

Nabab dental care all dental problem solution

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করেছে ICDDR,B। তারা দেখেছে- বাংলাদেশে গড়ে প্রত্যেক ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ৯১৩জন টাইফয়েড-এ আক্রা...
16/10/2025

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করেছে ICDDR,B। তারা দেখেছে- বাংলাদেশে গড়ে প্রত্যেক ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ৯১৩জন টাইফয়েড-এ আক্রান্ত হয়। মানে টাইফয়েড আক্রান্তের শতকরা পরিমাণ ১%-এর কম। অর্থাৎ টাইফয়েডে আক্রান্তই হয় না ৯৯% মানুষ। একই গবেষণায় আরো দেখা গেছে- এক ডোজ টাইফয়েডের টিকা সর্বোচ্চ ১৮ মাস পর্যন্ত ৮৫% শতাংশ সুরক্ষা (!) দিতে পারে (যদিও সেটা প্রশ্নবোধক)। তাহলে টিকা নেওয়ার পরেও সুরক্ষা (!) পায় না ১৫%। তার মানে দাড়াচ্ছে- টিকা গ্রহণ করলেও সর্বোচ্চ টাইফয়েড হতে পারে ১৫% আর গ্রহণ না করলে টাইফয়েড হবে বড়জোর ১%

যে কোনো টিকা হচ্ছে ওই রোগের জীবাণুর অংশবিশেষ- যা রোগ ঠেকানোর নামে শরীরে প্রবেশ করানো হয়; উদ্দেশ্য শরীরকে আগেভাগে জীবাণু চেনানো। তার মানে যাদের টাইফয়েড হয় নাই বা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নাই, তাদের শরীরেও অহেতুক টাইফয়েড-এর জীবাণু ঢোকানো হচ্ছে! গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন তো- এর আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি না?!?

টাইফয়েড তো সেই মাত্রার কোনো রোগ নয় কিংবা চিকিৎসা নেই- এমনও নয়। তাহলে কাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আগে থেকেই আমরা গণহারে টাইফয়েড রোগের জীবাণু-খণ্ড আমাদের শরীরে প্রবেশ করাবো? এর মাধ্যমে টাইফয়েড থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে কিনা বলা মুশকিল, কিন্তু আরো অনেকগুলো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যে দেখা দেবে- সেটা সুনিশ্চিত। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, সরাসরি রক্তে কিছু মেশানো সম্পূর্ণরূপে শরীয়ত বিরোধী কর্মকাণ্ড।

আমি প্রায়ই বলি- ওষুধ নামক সিন্থেটিক ড্রাগস সেবন করবেন না। এগুলো কেমিক্যালের তৈরি কৃত্রিম বস্তু এবং মানবদেহের ভেতরে ঢোকার অনুপযুক্ত। এগুলো যারা তৈরি ও বিপনন করছে, সেটা তাদের ব্যবসা ও অর্থ উপর্জনের মাধ্যম। তারা চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ যেন তাদের বানানো ড্রাগগুলো ব্যবহার করে আজীবন অসুস্থ থাকে। এতে তারা ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হবে। এজন্য তারা বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অর্থ ঢেলে নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী গবেষণা ফলাফল তৈরি করাতেও পিছ পা হয় না, তারপর মিডিয়াতে টাকা ঢেলে সেটা প্রচার করায়, অতঃপর ভুলভাল জনমত গড়ে উঠলে সরকারকে প্রভাবিত (রাষ্ট্রীয়ভাবে বিক্রি) করে জনগণকে বিষ গ্রহণে বাধ্য করে। এর নেপথ্য উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যতের রোগী বাড়ানো! গণহারে টিকা দিলে জনগণের যতটুকু লাভ (!), তার থেকে ঢের লাভবান হয় ড্রাগস কোম্পানিগুলো।

টাইফয়েডের ভ্যাকসিন কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকায় দেওয়া হয় না? চাপিয়ে দেওয়া হয় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল কিংবা আফ্রিকান দেশগুলোর অসচেতন জনগণের ওপরে। এসব ভ্যাকসিনের আড়লে তাদের যে ভিন্ন পরিকল্পনা (ষড়যন্ত্র) রয়েছে- সে বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণাও হয় না!

অনুগ্রহ করে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন- এই যে ৫ কোটি কোমলমতি শিশুর শরীরে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে, এর মধ্যে বড় অংশের শরীরে আগে থেকেই এন্টিবডি তৈরি হয়ে আছে। তাহলে কেন টিকা গ্রহণ করে নিজের শরীরে বিষ ঢোকাতে হবে? রাষ্ট্রের কোনো অধিকার থাকতে পারে কি কারো দেহের ভিতরে কিছু ঢুকাতে বাধ্য করার? একটা বাচ্চার শরীরে যদি আগে থেকেই এন্টিবডি থাকে, তবে টিকা গ্রহণের কী দরকার? কোনোপ্রকার টেস্ট না করিয়ে কেন গণহারে শরীরে টিকা গ্রহণ করতেই হবে?

এখানেই আসল ব্যবসা। বাচ্চাদের গণহারে টিকা দেওয়াই বলে দেয়- শিশুদের স্বার্থের তুলনায় ব্যবসা করাটা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ড্রাগস মাফিয়াদের কাছে। ব্যবসার পাশাপাশি আমাদের বাচ্চাগুলোকে স্রেফ গিনিপিগ বা কুকুর-বিড়াল বা ইঁদুরের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্ষতিকারক জীবাণু বাচ্চাদের শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়ার কুপরিণামে ভবিষ্যতে আরো বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হবে! ভবিষ্যতে সন্তানহীনতা এবং প্রতিবন্ধী শিশুর জন্মহার বেড়ে যাবে। তখন কিন্তু টিকার পক্ষে প্রচারনাকারীদেরকে খুঁজেও পাওয়া যাবে না? আশা করি কথিত করোনা টিকার কুফল মানুষ এতো দ্রুত ভুলে যায়নি?

ড্রাগস মাফিয়ারা যে তাদের স্বার্থে আমাদের আদরের শিশুদেরকে কুকুর-বিড়ালের মতো ব্যবহার করছে- এটা নিয়ে কেউ মুখ খোলে না, কথাও বলে না। দোষ তো আমাদেরই; ইউরোপ-আমেরিকার সাদা চামড়ারা কিছু বললেই আমরা সেগুলো ধর্মগ্রন্থের চাইতেও বেশি বিশ্বাস করি! দীর্ঘমেয়াদে বাচ্চাদের উপর কথিত টিকার কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, তা না জেনে অন্ধের মতো আদরের বাচ্চাদের শরীরে কী ভয়ঙ্কর ইনজেকশন পুশ করাচ্ছেন, সেটা হয়তো কল্পনাও করতে পারবেন না!

অভিভাবকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ- ভবিষ্যতে দাদা-দাদী/নানা-নানি হওয়ার ইচ্ছে থাকলে বিনামূল্যের ভ্যাকসিন দিয়ে আপনার আদরের বাচ্চাদের শরীরটাকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না। এসব ষড়যন্ত্র থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন আর জনসচেতনতা বাড়াতে এই পোস্টটি শেয়ার করুন।copy by # ahmed #

12/08/2024

গত ১৬ বছরে জেল ও বর্তমান আয়নাঘর থেকে আলেম বের হতে দেখেছি, কিন্তু একজন পুরোহিত বের হতে দেখলাম না।
আসলে সংখ্যালঘু কারা?

অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন। সম্পাদক. দৈনিক নয়াদিগন্তসাবেক অধ্যাপক : ইসলামী ইতিহাস বিভাগ, ওমরগণি এমইএস কলেজ, চট্টগ্রাম...
08/08/2024

অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন।
সম্পাদক. দৈনিক নয়াদিগন্ত
সাবেক অধ্যাপক : ইসলামী ইতিহাস বিভাগ, ওমরগণি এমইএস কলেজ, চট্টগ্রাম। মুহাদ্দিস জিরি মাদ্রাসা পটিয়া,চট্টগ্রাম।
গেস্ট টিচার : আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।
খণ্ডকালীন অধ্যাপক, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
আলেম প্রতিনিধি হিসেবে সব বিবেচনায় ইনি-ই পারফেক্ট।♥♥

26/05/2023

আজকে আপনার ছোট্ট সোনামনির দাঁতের যত্ন নিয়েছেন তো???

08/02/2023

এরপরও শিক্ষামন্ত্রী বলবে একটি দল চক্রান্ত করতেছে

12/01/2023

সকলের জন্য দাওয়াত রইল

12/01/2023

টঙ্গীর ইজতেমা আগেও যেমন ছিল,এখনও তেমনই আছে।শুধুমাত্র বাতিলগুলো আলাদা হয়েছে....।

الحمد لله.....

🎙️ইকামাত মুকাব্বিরের সেই আগের কণ্ঠে
মুফতি আমানুল্লাহ ছাহেব হাফিঃ
🎙️সেই জুমার খুতবা আগের কণ্ঠে
মাওলানা জুবায়ের ছাহেব হাফিঃ
🎙️মজমায় আম বয়ান করবেন আগের মতো
মাওলানা জুবায়ের ছাহেব হাফিঃ
🎙️মজমায় বয়ান করবেন ইব্রাহিম দেউলা ছাহেব হাফিঃ যাঁকে বলা হয় বাহরুল ইলম বা ইলমের সমুদ্র। 🎙️বয়ান করবেন আহমদ লাট ছাহেব হাফিঃ।সেই আপসহীন কণ্ঠে বিশ্ববাসীকে হকের দিকে আহ্বানকারী।
🎙️মজমায় বয়ানের তরজমা করবেন আগের মতো মাওলানা জোবায়ের ছাহেব হাফিঃ,মাওলানা ওমর ফারুক ছাহেব হাফিঃ,মাওঃ রবিউল হক ছাহেব হাফিঃ।
🎙️ফজরের আগে ঘুম থেকে জাগানোর তরগিব সেই আগের কণ্ঠে সেই আগের মতো। রুহানিয়াত নুরানিয়াত সেই আগের মতো।

গত টঙ্গীর ইজতেমার অভিজ্ঞতাঃ

🎙️ছাত্রদের মজমায় আগে যারা বয়ান করতেন প্রফেসর নাদির শাহ/ ড. আব্দুল আউয়াল/ ভাই ফারুক ছাহেব তাঁরা এখনো করবেন।

🎙️মুকাব্বির আগে থেকেই মুফতি আমানুল হক ছাহেব হাফিঃ।

🎙️মজমা জড়োকারী আগে থেকেই মাওলানা আব্দুর রশিদ ছাহেব হাফিঃ

তাশকিলের জিম্মাদার আগে থেকেই ইঞ্জিনিয়ার আনিস স্যার।
ওলামা টেন্টের জিম্মাদার আগে থেকেই মাওলানা জাকির ছাহেব হাফিঃ।

🎙️শুক্রবার আসরের পড়ে বিবাহের খুতবা আগে পড়তেন মাওলানা জুবাইরুল হাসান রহ., আর এখন হযরতের ছেলে মাও. জুহাইরুল হাসান হাফিঃ পড়েন।

আসুন বাতিলের ধোঁকা থেকে সকল ভাইদের সচেতন করি।
আগামী ১৩,১৪,১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং টঙ্গী ইজতেমায় অংশগ্রহণ করি।
Copy by #আহমাদ জাকারিয়া ভাই

জুমআর দিনের বিশেষ কিছু আমলআসুন জুমআর দিনে সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করিযদি এমন একটা অফার পাওয়া যায় যে,"প্রতি কদমে এক বছর নফল র...
02/12/2022

জুমআর দিনের বিশেষ কিছু আমল

আসুন জুমআর দিনে সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করি

যদি এমন একটা অফার পাওয়া যায় যে,

"প্রতি কদমে এক বছর নফল রোজা, আর এক বছর নফল নামাজের সওয়াব আমাদের আমলনামায় লেখা হবে"

আমরা কি কেউ তা মিস করব? নিশ্চয়ই না!

জুমআর দিন ৫টি কাজের মাধ্যমে জুমআর নামাজে অংশ নিলে আল্লাহ তায়ালা বান্দার প্রতি কদমে কদমে এক বছরের নফল রোজা ও এক বছরের নফল সালাতের সওয়াব দান করেন। সুবহানাল্লাহ!!!
অর্থাৎ কারো বাসা থেকে মসজিদের দূরত্ব যদি ১০০ কদম হয়, তাহলে এই পাঁচটা কাজ করলে সে ব্যক্তি ১০০ বছর নফল রোজা ও ১০০ বছর নফল সালাতের সওয়াব পেয়ে যাবে।

পাঁচটি কাজ হচ্ছেঃ

১। গোসল করা
২। আগে আগে মসজিদে আসা
৩। পায়ে হেটে মসজিদে আসা
৪। ইমামের কাছাকাছি বসা।
৫। অনর্থক কথা না বলে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা।

রেফারেন্সঃ
==========
আওস ইবনু আওস আস-সাক্বাফী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ

যে ব্যক্তি জুমু’আহ্‌র দিন গোসল করবে এবং (স্ত্রীকেও) গোসল করাবে, প্রত্যুষে ঘুম থেকে জাগবে এবং জাগাবে (সকাল-সকাল ও আগে-আগে (মসজিদে যাওয়ার জন্য) প্রস্তুত হবে), জুমু’আহ্‌র জন্য বাহনে চড়ে নয় বরং পায়ে হেঁটে মাসজিদে যাবে এবং কোনরূপ অনর্থক কথা না বলে ইমামের নিকটে বসে খুতবা শুনবে, তার (মাসজিদে যাওয়ার) প্রতিটি পদক্ষেপ সুন্নাত হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে সে এক বছর যাবত সিয়াম পালন ও রাতভর সলাত আদায়ের (সমান) সাওয়াব পাবে।

(হাদীসের মানঃ সহীহ। আবু দাউদ ৩৪৫)

আল্লাহ আমাদেরকে প্রতিটা জুমআতেই এই সওয়াব লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

জুমআর দিনের মাসনূন কিছু আমল সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এখান থেকেঃ
https://hellohasan.com/2021/06/11/জুমার-দিনের-আমল

আমাদের পরিবারের নারী সদস্যগণ, যারা জুমআয় অংশ নিতে পারেন না। তাদের জন্য আলেমগণ পরামর্শ দেন তারা যেন বাসার পুরুষদেরকে এই আমলগুলো করতে উৎসাহ দেন ও উদ্বুদ্ধ করেন। পুরুষদেরকে এই ভাল কাজগুলোতে সহযোগিতা করার মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ নারীরাও এই সওয়াবের অংশীদার হতে পারবেন।

জুমআর দিনের আরো কিছু সুন্নাহ সমর্থিত আমলঃ
- গোসল করা
- ফজরের ফরজ সালাতে সূরা সাজদা ও সূরা দাহর/ইনসান তিলাওয়াত করা
- উত্তম পোশাক পরা
- সুগন্ধি ব্যবহার করা
- আগে আগে মসজিদে যাওয়া
- সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা (বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত যে কোনো সময়ে)
- জুমআর সালাতে মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকাত সালাত আদায় করা
- দুই খুতবার মাঝে দুআ করা। এসময় দুআ কবুল হয়। এছাড়াও সারা দিন সাধ্য মত দুআ করা
- বেশি বেশি দরূদ পড়া
- মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা, খুতবার সময় কথা না বলা বা কোনো অনর্থক কাজ না করা। মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকা এমন কি এ সময়ে মসজিদের দানবাক্স চালানোও অনর্থক কাজের অন্তর্ভুক্ত। খুতবার সময় কেউ কথা বলতে থাকলে তাকে নিষেধ করলেও তা অনর্থক কাজ হিসাবে গণ্য। আর খুতবার সময় অনর্থক কাজ করলে তা জুমআকে বরবাদ করে দেয়। তাই খুতবার খুতবা শোনা ব্যতীত সকল কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো ক্রমেই এ সময় মসজিদের দানবাক্স চালানো যাবে না। খুতবার আগে বা সালাতের পরে দানবাক্স চালানো যেতে পারে। (https://www.alkawsar.com/bn/article/804/)

আবু হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযূ করার পর জুমু‘আর সলাতে এলো, নীরবে মনোযোগ সহকারে খুতবাহ্‌ শুনল, তার পরবর্তী জুমু‘আহ্‌ পযর্ন্ত এবং আরো অতিরিক্ত তিন দিনের পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি (অহেতুক) কঙ্কর স্পর্শ করল সে অনর্থক, বাতিল, ঘৃণিত ও প্রত্যাখ্যানযোগ্য কাজ করল।
(সহীহ মুসলিম ১৮৭৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জুমু’আর দিন যখন তোমার পাশের মুসল্লীকে চুপ থাক বলবে, অথচ ইমাম খুত্‌বা দিচ্ছেন, তা হলে তুমি একটি অনর্থক কথা বললে।
(বুখারী ৯৩৪)

আল্লাহ আমাদেরকে জুমআর সময় সকল অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন।

This content is copied from Muslims Day Android App
Download Link: https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan

শুক্রবারের আমলঃ গোসল করা, সুগন্ধি লাগানো, আগে আগে মসজিদে যাওয়া, ঈমামের কাছাকাছি বসা, মনযোগ দিয়ে খুতবা শোনা, সূরা কা....

Address

Bhandaria
Barishal
PIROJPUR

Telephone

+8801770621529

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nabab dental care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nabab dental care:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram