Dental Aid Barisal- Tuhin Dental Care

Dental Aid Barisal- Tuhin Dental Care Cosmetic & General Dentistry

17/12/2025
14/11/2025

Mighty Molar Tooth: Your Chewing Superhero

13/11/2025

5 tips for dental care

TuhinDentalCare

TuhinDentalCare
12/11/2025

TuhinDentalCare

A new study from the University of South Carolina has linked gum disease to damage in the brain’s white matter — the tis...
11/11/2025

A new study from the University of South Carolina has linked gum disease to damage in the brain’s white matter — the tissue responsible for communication between different brain regions. Researchers found that people with periodontal disease had significantly higher levels of white matter hyperintensities, a marker of small vessel disease.

This means persistent gum inflammation might not just harm the mouth — it could influence brain health, potentially increasing the risk of stroke and cognitive decline. Chronic oral bacteria and inflammation may trigger changes in blood vessels, silently damaging the brain over time.

Scientists emphasize this doesn’t prove direct cause and effect yet, but the findings are a serious reminder that oral hygiene impacts more than just teeth. Keeping gums healthy through regular dental care, cleaning, and early treatment of bleeding or swelling could also help protect long-term brain health.

Good oral health is whole-body health — and the mouth may be the first place your brain shows warning signs.

🔬 Source:
Meyer J, Martin C, Wood S, et al.
Neurology: Open Access. 2025;1(4).
doi:10.1212/WN9.0000000000000037


-----------------------------------

ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ক্যারোলাইনার একটি নতুন গবেষণায় মস্তিষ্কের সাদা পদার্থের ক্ষতির সাথে মাড়ির রোগের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। এই সাদা পদার্থ মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগের জন্য দায়ী। গবেষকরা দেখেছেন, যাদের পেরিওডন্টাল ডিজিজ (মাড়ির রোগ) রয়েছে, তাদের মস্তিষ্কের সাদা পদার্থে হাইপারইনটেনসিটির মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, যা স্মল ভেসেল ডিজিজ (ছোট রক্তনালীর রোগ) এর একটি নির্দেশক।

এর অর্থ হলো, স্থায়ী মাড়ির প্রদাহ শুধু মুখের ক্ষতিই করে না — এটি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করতে পারে, যা স্ট্রোক এবং জ্ঞানীয় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। দীর্ঘস্থায়ী মুখের ব্যাকটেরিয়া এবং প্রদাহ রক্তনালীতে পরিবর্তন ঘটিয়ে সময়ের সাথে সাথে নীরবে মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে।

বিজ্ঞানীরা জোর দিয়ে বলেছেন, এখানে এখনও সরাসরি কারণ-প্রভাব সম্পর্ক প্রমাণিত হয়নি, তবে এই ফলাফল একটি গুরুতর অনুস্মারক যে মৌখিক স্বাস্থ্য কেবল দাঁতের চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে। নিয়মিত ডেন্টাল যত্ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং রক্তপাত বা ফুলে যাওয়ার প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে মাড়ি সুস্থ রাখা দীর্ঘমেয়াদী মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষাতেও সহায়ক হতে পারে।

ভাল মৌখিক স্বাস্থ্য হল সমগ্র দেহের স্বাস্থ্য — এবং আপনার মস্তিষ্কের সতর্কতা সংকেত প্রথমে মুখেই দেখা দিতে পারে।

🔬 সূত্র:
Meyer J,Martin C, Wood S, et al.
Neurology:Open Access. 2025;1(4).
doi:10.1212/WN9.0000000000000037

🦷 Ectopic Tooth কি?Ectopic Tooth বা অবস্থানভ্রষ্ট দাঁত হলো এমন একটি অবস্থা যখন একটি দাঁত স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরে গিয়ে...
09/11/2025

🦷 Ectopic Tooth কি?

Ectopic Tooth বা অবস্থানভ্রষ্ট দাঁত হলো এমন একটি অবস্থা যখন একটি দাঁত স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরে গিয়ে ভুল জায়গায় (যেখানে দাঁত সাধারণত গজায় না) অঙ্কুরিত হয় বা অবস্থান নেয়।

· সহজ ভাষায় বলতে গেলে : দাঁতটি তার নির্ধারিত জায়গায় না উঠে কাছাকাছি অন্য কোনো জায়গায়, যেমন মাড়ির ভেতর, উপরের দিকে, নিচের দিকে, বা এমনকি নাক বা সাইনাসের কাছেও উঠতে পারে।
· এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ক্যানাইন দাঁতে , কিন্তু যে কোনো দাঁতেই হতে পারে।
· এটি শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বেশি সাধারণ।

Ectopic Tooth-এর সাধারণ উদাহরণ:

· উপরের চোয়ালের ক্যানাইন দাঁতটি মুখের তালুর দিকে (প্যালাটাল সাইডে) উঠা।
· একটি দাঁত অন্য দাঁতের গোড়ায় আটকে থাকা।
· নিচের চোয়ালের দাঁতগুলি একটির উপর আরেকটি হয়ে উঠা।

---

🧐 Ectopic Tooth কেন হয়?

একটি দাঁতের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও অবস্থান নির্ভর করে অনেকগুলো ফ্যাক্টরের উপর। যখন এই ফ্যাক্টরগুলোর কোন একটি বা একাধিক বিঘ্নিত হয়, তখন দাঁতটি ectopic হতে পারে। প্রধান কারণগুলো হলো:

১. জেনেটিক বা বংশগত কারণ: পরিবারে কারো এই সমস্যা থাকলে অন্যদেরও হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

২.দাঁতের অস্বাভাবিক সংখ্যা: মুখে অতিরিক্ত দাঁত (Supernumerary Tooth) থাকলে তা স্থানের অভাব তৈরি করে এবং অন্য দাঁতের পথ আটকে দেয়।

৩.দাঁতের আকার-আকৃতির সমস্যা: দাঁত অস্বাভাবিক বড় বা ছোট হলে, বা দাঁতের গঠনগত ত্রুটি থাকলে।

৪.দাঁত আগেই হারানো: দুর্ঘটনা বা অপরিষ্কার থাকার কারণে শিশুর দুধের দাঁত আগেই পড়ে গেলে বা তুলে ফেললে, স্থায়ী দাঁত উঠার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নাও পেতে পারে।

৫.দাঁতের সিস্ট বা টিউমার (Cyst/Tumor): চোয়ালের হাড়ের মধ্যে কোনো সিস্ট বা টিউমার থাকলে তা দাঁতের অবস্থান পরিবর্তন করে দিতে পারে।

৬.হাড়ের রোগ: কিছু নির্দিষ্ট হাড়ের রোগ বা সিনড্রোম থাকলে যা হাড়ের বৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে।

৭.অন্যান্য কারণ: মুখ-মণ্ডলের জম্মগত ত্রুটি (Cleft Lip/Palate), আঘাত প্রভৃতি।

---

💉Ectopic Tooth-এর চিকিৎসা কি?

চিকিৎসার ধরন সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে রোগীর বয়স, দাঁতটি কোনটি, এটি কতটা ভুল অবস্থানে আছে এবং এটি আশেপাশের দাঁত বা টিস্যুর জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তার উপর।

প্রধান চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো হলো:

১. নিরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ (Monitoring):

· যদি ectopic দাঁতটি কোনো সমস্যা সৃষ্টি না করে এবং আশেপাশের দাঁত বা গঠনের জন্য ঝুঁকি না হয়, তাহলে ডেন্টিস্ট শুধুমাত্র নিয়মিত এক্স-রে (ওপিজি) করে দেখতে পারেন যে অবস্থার কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কিনা।

২. অর্থোডন্টিক চিকিৎসা (Orthodontic Treatment/ব্রেসিস):

· এটি সবচেয়ে সাধারণ এবং পছন্দনীয় চিকিৎসা পদ্ধতি।

· এই পদ্ধতিতে প্রথমে মুখে জায়গা তৈরি করার জন্য কিছু দাঁত তুলে নেওয়া হতে পারে (যদি জায়গার অভাব থাকে)।

· তারপর, ব্রেসিস (Braces) বা অন্যান্য অর্থোডন্টিক appliance-এর সাহায্যে ধীরে ধীরে ectopic দাঁতটিকে তার সঠিক অবস্থানে টেনে আনা হয়।

· এই প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত লাগতে পারে।

৩. সার্জিক্যাল এক্সপোজার ও অর্থোডন্টিক ট্র্যাকশন:

· যদি দাঁতটি সম্পূর্ণরূপে মাড়ি বা হাড়ের নিচে আটকে থাকে, তাহলে প্রথমে একটি ছোট সার্জারির মাধ্যমে দাঁতটির উপরিভাগ খুঁজে বের করা হয় (Surgical Exposure)।

· তারপর দাঁতের উপর একটি ব্র্যাকেট বা বন্ধনী লাগিয়ে, অর্থোডন্টিক তারের মাধ্যমে সেটিকে ধীরে ধীরে টেনে সঠিক সারিতে আনা হয়। এটিকে ট্র্যাকশন বলে।

৪. দাঁত তুলে ফেলা (Extraction):

· নিচের অবস্থাগুলোতে দাঁতটি তুলে ফেলাই সর্বোত্তম সমাধান:
· দাঁতটি এতটাই ভুল অবস্থানে যে সেটিকে সঠিক জায়গায় আনা অসম্ভব।

· দাঁতটি আশেপাশের অন্য গুরুত্বপূর্ণ দাঁতের শিকড় ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

· সংক্রমণ বা সিস্ট তৈরি হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি আছে।

· দাঁতটি নাক বা সাইনাসের মধ্যে ঢুকে গেছে এবং সমস্যা সৃষ্টি করছে।

৫. অটোট্রান্সপ্লান্টেশন (Autotransplantation):

· এটি একটি তুলনামূলকভাবে কম প্রচলিত পদ্ধতি। এতে ectopic দাঁতটিকে সার্জারির মাধ্যমে বের করে আনা হয় এবং সাথে সাথে একই মুখের অন্য একটি জায়গায় (যেখানে একটি দাঁত অনুপস্থিত) প্রতিস্থাপন করা হয়।

---

👁️‍ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: শিশুর বয়স ৭ বছর হওয়ার আগেই একজন ডেন্টিস্ট বা অর্থোডন্টিস্ট-এর পরামর্শ নেওয়া উচিত। তারা প্রাথমিক এক্স-রেই বুঝতে পারেন কোনো দাঁত ectopic হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে চিকিৎসা অনেক সহজ এবং সফল হয়।

_____________________________________


_____________________________________

👨‍⚕️ডা. মো সাইদুল ইসলাম তুহিন
বিডিএস (ডিইউ)
ডেন্টাল সার্জন
তুহিন ডেন্টাল কেয়ার,
হাতেম আলী চৌমাথা, বরিশাল
📞01706220110

👩‍⚕️ডা. সাদিয়া আফরোজ
বিডিএস (ডিইউ), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডেন্টাল সার্জন
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মুলাদী,বরিশাল

02/11/2025

U🦷দাঁত ও মাড়ির অবহেলা সরাসরি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়ই উপেক্ষিত স্বাস্থ্য বিষয়। নিচে দাঁতের অবহেলা ও হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকির মধ্যকার সম্পর্কটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

♦️দীর্ঘস্থায়ী মাড়ির রোগ (পিরিয়ডোন্টাইটিস) শরীরে একটি ধীরগতির প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা রক্তনালীগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস (ধমনী শক্ত হওয়া ও সরু হয়ে যাওয়া) প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

---

#বিস্তারিত_ব্যাখ্যা:

কীভাবে দাঁতের সমস্যা হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে?

১. মুখ হল শরীরের "প্রবেশদ্বার":

আমাদের মুখে হাজারো ব্যাকটেরিয়া থাকে, যাদের অনেকেই ক্ষতিকর। দাঁতের যথাযথ যত্ন না নিলে এই ব্যাকটেরিয়া মাড়িতে সংক্রমণ সৃষ্টি করে, যা প্রথমে জিনজিভাইটিস (মাড়ি ফুলে ও রক্ত পড়া) এবং পরে পিরিয়ডোন্টাইটিসে (মাড়ি ও চোয়ালের হাড় ক্ষয়) রূপ নেয়।

২. দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের কেন্দ্র:

পিরিয়ডোন্টাইটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনক রোগ। এই অবস্থায় মাড়ি লাল, ফুলে যায় এবং সহজেই রক্ত পড়ে। এই জায়গা থেকে ব্যাকটেরিয়া এবং তাদের বিষ (টক্সিন) রক্তের প্রবাহে ঢুকে পড়ে।

৩. সমগ্র শরীরে প্রভাব:

রক্তে প্রবেশ করা এই ব্যাকটেরিয়া এবং প্রদাহ সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থ (যেমন: সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন, ইন্টারলিউকিনস) সমগ্র শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি সিস্টেমিক (সমগ্র শরীরব্যাপী) প্রদাহের সৃষ্টি করে।

৪. হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কে আক্রমণ:

এই সিস্টেমিক প্রদাহ হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের রক্তনালীগুলোর উপর নিম্নলিখিত প্রভাব ফেলে:

· অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস ত্বরান্বিত করা: প্রদাহ রক্তনালীর ভেতরের প্রাচীর (এন্ডোথেলিয়াম) ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে কোলেস্টেরল, ফ্যাট ও অন্যান্য পদার্থ জমা হয়ে প্লাক (Atherosclerotic Plaque) তৈরি হয়, যা ধমনীকে সরু ও শক্ত করে তোলে।
· রক্ত জমাট বাঁধা: প্রদাহ রক্তকে বেশি "আঠালো" বা জমাট বাঁধার প্রবণতা বাড়িয়ে তোলে। এই কারণে ধমনীর ভেতরে তৈরি প্লাক ফেটে গেলে সেখানে সহজেই রক্ত জমাট বেঁধে যায় এবং রক্তনালী সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিতে পারে।
· ধমনী সংকোচন: প্রদাহ ধমনীগুলোর স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে দেয়, যার ফলে তারা প্রসারিত হতে পারে না এবং রক্তচাপ বাড়তে পারে।

🧿কোন অবস্থাগুলো ঝুঁকি বাড়ায়?

· দীর্ঘস্থায়ী মাড়ির রোগ (Chronic Periodontitis)
· দাঁত পড়ে যাওয়া: গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের বেশি সংখ্যক দাঁত পড়ে গেছে, তাদের হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি।
· অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস: ডায়াবেটিস মাড়ির রোগকে ত্বরান্বিত করে এবং মাড়ির রোগ আবার রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণকে কঠিন করে তোলে, একটি দুষ্টচক্র তৈরি হয়।
· ধূমপান: ধূমপান মাড়ির রোগের একটি প্রধান কারণ এবং এটি নিজেও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

---

🧿কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন?

১. সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করুন: দিনে দুইবার ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করুন। ব্রাশটি নরম হতে হবে।

২.ডেন্টাল ফ্লস বা ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করুন: শুধু ব্রাশ করলে দাঁতের মধ্যকার ৩০-৪০% জায়গা পরিষ্কার হয় না। ফ্লস ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩.নিয়মিত ডেন্টিস্ট দেখান: বছরে দুইবার ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে স্কেলিং (দাঁতের পাথর পরিষ্কার) ও চেক-আপ করান।
৪.মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে অবহেলা করবেন না: এটি মাড়ির রোগের প্রথম লক্ষণ। immediately ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।

৫.ধূমপান ত্যাগ করুন: ধূমপান মাড়ির রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়।

৬.স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন: চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলুন।

♦️♦️সর্বোপরি♦️♦️

দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য কেবল একটি সুন্দর হাসির জন্য নয়, এটি আপনার সমগ্র শরীরের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। দাঁতের যত্নকে অবহেলা করাকে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিকে আমন্ত্রণ জানানোর মতোই মনে করুন। একটি স্বাস্থ্যকর হৃদযন্ত্রের যত্ন শুরু হয় আপনার মুখগহ্বর থেকেই।

Dr. Saidul Islam Tuhin
Dental Aid Barisal- Tuhin Dental Care

#স্বাস্থ্য #দাঁতেরঅবহেলা #হৃদরোগ #স্ট্রোক #স্বাস্থ্যজ্ঞতি #দাঁতব্রেশ #সুস্থথাকা #স্বাস্থ্যসচেতনতা #দাঁতেরসুরক্ষা #হৃদযন্ত্র #স্ট্রোকজাতীয়রোগ #দাঁতেরউপকারিতা #স্বास्थ्यIPS #ডেন্টালহেলথ #হৃদরোগএবংস্ট্রোক #মূলবিষয় #স্বাস্থ্যসমাধান #দাঁতস্বাস্থ্য #সহজজীবন

Address

নবগ্রাম রোড, আর এম স্কুলের বিপরীতে, উদয়ন স্কুল চৌমাথা শাখা সংলগ্ন। হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা, বরিশাল
Barishal
৮২০০

Opening Hours

Monday 10:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 21:00
Sunday 10:00 - 21:00

Telephone

01706220110

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dental Aid Barisal- Tuhin Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram