Netraloy Eye Care Center

Netraloy Eye Care Center An ultra-modern eye hospital to provide quality surgery with best care and services for a better vision. Contact: 01711141737, 051-66030

Bio-microscopy, Surgical microscopy,Auto-keratometry, Laser Biometry, Auto-refractometry, Haag-applanation tonometry, Lensometer, Laser scan,LOCS grading machine, Fluorescence test,KOH test with scraping & cautery, Visual field perimetry , Ultrasonography of eye, Gonioscopy, Binocular indirect ophthalmoscopy, BCL, SPT, RBS, Scheirmer Test.

আমার হৃদয়ের অত্যন্ত কাছের মানুস ডাঃ বিপুল চন্দ্র রায় উত্তরবঙ্গের প্রখ্যাত চক্ষু চিকিতসক ও সার্জন, শ্রী অরবিন্দ চক্ষু হাস...
08/06/2025

আমার হৃদয়ের অত্যন্ত কাছের মানুস ডাঃ বিপুল চন্দ্র রায় উত্তরবঙ্গের প্রখ্যাত চক্ষু চিকিতসক ও সার্জন, শ্রী অরবিন্দ চক্ষু হাসপাতাল, বগুড়া ও শ্রী অরবিন্দ মিরা আশ্রম মহিষাবাথান গাবতলি, বগুড়ার প্রতিষ্ঠাতা, ০৫-০৬ -২০২৫ সকাল ১০.৪০ মিনিটে তার কর্মস্থল টি এম এস এস মেডিকেল কলেজে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

' দহেয়ং সর্বগাত্রানী দিব্যান্ লোকেন সঃ গচ্ছতু"।

অত্যন্ত বিনয়ী, নির্বিবাদী, নিরংহঙ্কারী মানুসটি নিবিষ্ট চিত্তে মানুসের উপকার করার সাথে সাথে মানুসকে আধ্মাত্যবাদের পথে মুক্তি খোঁজার অনেক পাথেয় করে গেছেন।

গাবতলীতে স্বচ্ছ সরোবরে প্রস্ফুটিত পদ্মদল, দেয়ালে দেয়ালে শতশত আধ্মাত্মিকতার প্রতীক, অরোভিলের আদলে বিশালাকার মাতৃমন্দির মানুসকে স্নান ও ধ্যানের শান্তি দিয়ে চলেছে চিরন্তন।
মাতৃমন্দিরের পাশেই একটা চিকিতসা সেবাশ্রম যখানে নামমাত্র ফি নিয়ে বা বিনে পয়সায় গরীব মানুসের চিকিতসা করতেন প্রতি শুক্রবার।

আধুনিক চক্ষু চিকিৎসার সকল প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এই অরবিন্দ চক্ষুহাসপাতালটি তার অবর্তমানে যেন জনবিচ্ছিন্ন বা জনবন্চিত না হয় তার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ রইলো।

নেত্রালয় আই কেয়ার হাসপাতালের সকল কর্তা ও কর্মীর পক্ষ থেকে অসীম শ্রদ্ধা সহ-

অধ্যাপক ডাঃ এন সি বাড়ই
সত্বাধিকারী
নেত্রালয় আই কেয়ার সেন্টার
ঠনঠনিয়া বগুড়া।

13/05/2025

Regularly seeing patients at Netraloy Eye Care, Bogura.

Eye specialist and surgeon. Fellow in Advanced Phaco and Glaucoma surgery. Cosmetic eye surgeon.

নেত্রালয় আই কেয়ার সেন্টারে ডিজিটাল অত্যাধনিক সব যন্ত্রাংশ দ্বারা চক্ষু চিকিৎসা করা হয় এবং সুসাস্থ্য নিশ্চিত করা হয় । বগু...
03/06/2024

নেত্রালয় আই কেয়ার সেন্টারে ডিজিটাল অত্যাধনিক সব যন্ত্রাংশ দ্বারা চক্ষু চিকিৎসা করা হয় এবং সুসাস্থ্য নিশ্চিত করা হয় ।
বগুড়ার সবচেয়ে আধুনিক চক্ষু পরিচর্যা কেন্দ্র, সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি সহ এখন Netraloy Eye Care Center🧿

বিজ্ঞপ্তি-----------চক্ষুবিজ্ঞান ও অপারেশান নিত্যনতুনভাবে অগ্রসরমান।সম্প্রতি  ইন্ডিয়ার চেন্নাইয়ের বিখ্যাত ডাঃ আগারওয়াল আ...
03/05/2024

বিজ্ঞপ্তি
-----------
চক্ষুবিজ্ঞান ও অপারেশান নিত্যনতুনভাবে অগ্রসরমান।
সম্প্রতি ইন্ডিয়ার চেন্নাইয়ের বিখ্যাত ডাঃ আগারওয়াল আই হাসপাতাল ও রিচার্স ইনস্টিটিউট থেকে এডভান্সড ফেকো,কম্প্লিকেটেড ফেকো ও গ্লুকোমা অপারেশানে পোক্ত ট্রেনিং নিয়ে প্রতিদিন অপারেশান করছেন ও রুগী দেখছেন

ডাঃ পার্থ এস বাড়ই
এম বি বি এস; এম এস ( চক্ষু).
এক্স এইচ এম ও
ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ অপথালমোলজি (এন আই ও) আগারগাঁও, ঢাকা।
ফেলো এডভান্সড ফেকো সার্জারী, ফেলো গ্লুড আই ও এল এবং ইয়েমেন টেকনিক।
(চেন্নাই, ভারত)

নেত্রালয় আই কেয়ার,
ঠনঠনিয়া,শেরপুর রোড, বগুড়া।
প্রোঃ অধ্যাপক ডাঃ এন সি বাড়ই।
ফেলো ফেকো ও গ্লুকোমা।
ফোন নং- ০১৭১১১৪১৭৩৭
০১৭১৮৪৪৩১৫৮
০১৭১৮৬৯০৩৯০

My first Yamane Technique of IOL Fixation. Dr. Partha S. Barai
01/05/2024

My first Yamane Technique of IOL Fixation. Dr. Partha S. Barai

My first Yamane technique of IOL fixation.

With the living legend Dr. Amar Agarwal. Inventor of single-pass four-throw pupilloplasty (SFT) and Glued IOL. A man ful...
25/04/2024

With the living legend Dr. Amar Agarwal. Inventor of single-pass four-throw pupilloplasty (SFT) and Glued IOL. A man full of inspiration and positivity.

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-----------------------ডাঃ পার্থ এস বাড়ইবিশেষ আমন্ত্রনে ১৬ এপ্রিল ২০২৪ থেকে "ফেলোশিপ ইন এ্যাডভান্সড,ফেমটো...
17/04/2024

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
-----------------------
ডাঃ পার্থ এস বাড়ই
বিশেষ আমন্ত্রনে ১৬ এপ্রিল ২০২৪ থেকে "ফেলোশিপ ইন এ্যাডভান্সড,ফেমটো (রোবোটিক) ফেকো সার্জারী এন্ড কম্প্লিকেটেড ক্যাটারাক্ট ম্যানেজমেন্ট এ নিবিড় প্রশিক্ষণের জন্য ডাঃ আগরওয়াল আই হসপিটাল এ্যন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, চেন্নাই,ইন্ডিয়াতে থাকবেন।

তিনি শুভানুধ্যায়ীদের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছেন।

স্রস্টা তার সৃস্টির রুপ, রস,শব্দ, গন্ধ,  ও স্শর্শের  জন্য যে পাঁচটি ইন্দ্রীয় দিয়েছন তার মধ্যে দৃষ্টিময় চোখ সবচেয়ে বেশী গ...
21/03/2024

স্রস্টা তার সৃস্টির রুপ, রস,শব্দ, গন্ধ, ও স্শর্শের জন্য যে পাঁচটি ইন্দ্রীয় দিয়েছন তার মধ্যে দৃষ্টিময় চোখ সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্ব এতই বেশী যে, স্বয়ং ইশ্বরই অন্য ইন্দ্রিয় গুলোর সেবায় একটা বা দুটা লাগালেও মস্তিষ্ক থেকে আসা বারটি স্নায়ুর পাঁচটিকেই চোখের সেবায় নিয়োজিত করেছেন।এই চোখে না দেখতে পারার বেদনা দৃস্টিহীন মানুষ ছাড়া সঠিক উপলব্ধি করতে পারেননা।চক্ষু বিজ্ঞানীরা সারা পৃথিবীর মানুষের কত মানুষ এবং কোন কারণে অন্ধ, তা নির্ণয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন করে এগিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রতিকারের দিকে নজর দিচ্ছেন।আমরা ভাবি ছানি অন্ধত্বের সবচেয়ে বড় কারণ।কিন্তু ছানির তো এখন সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে ,ফেকো করে লেন্স লাগালেই আবার দেখতে পাবেন। কিন্তু গ্লুকোমা বড় নির্দয়,জ্যোতি যেটুকু কেড়ে নেবে তার কিঞ্চিতও ফেরৎ দেবেনা। এই গ্লুকোমা কিন্তু প্রতিরোধ করা যায়। শুধুমাত্র সচেতনতা প্রয়োজন।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মর্মোপলব্ধি করেছেন বলে অন্যান্য রোগের বেলায় কেবল ‘দিবস’ আছে আর গ্লুকোমার জন্য পুরো একটা সপ্তাহ “গ্লুকোমা সচেতনতা সপ্তাহ” ঘোষণা করেছেন।সেটা হলো প্রতি বছর ১০ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ। এই সপ্তাহটা ৪০ এর বেশী বয়সী মানুষের মনের মধ্যে গেঁথে দেয়া দরকার যাতে তারা প্রতি জেলায় যেখানে গ্লুকোমা স্ক্রিনিং হচ্ছে সেখানে গিয়ে বিনা মুল্যে দৃষ্টিশক্তি, চোখের প্রেসার ও চোখের নার্ভের মাথাটার সাথে সাদা জায়গাটার( কাপ)রেসিও
মেপে নিয়ে আসেন। এই রেসিও ১০ঃ৩ স্বাভাবিক। যেমন বগুড়ায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১৪ মার্চ সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত চল্লিশোর্ধ সবার সেবা দিব। কারুর গ্লুকেমা ধরা পড়লে পরবর্তী একদিন ধার্য করা হবে। নিশ্চিত হওয়ার পরীক্ষাগুলো ৫০% ছাড় দিয়ে করার পরে চিকিৎসা দেয়ার জন্য।
সারা পৃথিবীতে ৮ কোটি মানুষ এই মুহুর্তে গ্লুকোমায় ভুগছেন।আমাদের দেশেও একটা সার্ভে হয়েছে।এখনো ফলাফল প্রকাশের অপেক্ষায়। তবে আমরা যা দেখতে পাই তাতে ৪০ উর্দ্ধ মানুষের মধ্যে প্রায় ৩%।এই মুহুর্তে দেশে গ্লুকোমার রুগি প্রায় ৩০ লাখ।তার মধ্যে ১০ লাখই চিকিৎসার বাইরে চলে গেছেন।গ্লুকোমা যখন এতই নির্মম তার ব্যাপারে
একটা সার সংক্ষেপ আলোকপাত করা যেতে পারে।
চোখের বাইরের তিনটি দেয়াল ছাড়া কোন রক্ত নালী নেই। অথচ কর্ণিয়া, লেন্স, ভিট্রাসের মত গুরুত্বপূর্ণ অংশ রযেছে। তাদের পুষ্টির জন্য রক্তের নির্যাস থেকে একটা জলীয় পদার্থ পুষ্টির সব উপাদান নিয়ে তৈরী হয়, তার নাম ‘একোয়াস হিউমার’। যে পরিমান তৈরী হচ্ছে তা কাজ শেষে বেরিয়ে যাবার রাস্তাও রয়েছে। এই পানিটা অনবরত সারকুলেট করছে একটা গ্লোবের মধ্যে যার পিছনে রয়েছে মস্তিষ্ক থেকে আসা অপটিক নার্ভ যা কিনা ১২ লক্ষ সুতার মত নার্ভ ফাইবারের একটা বন্ডিল।পানির একটা প্রেসার চোখে থাকা তাই বাঞ্চনীয়। সেটা কত? ১০ থেকে ২২ মি মি অফ মার্কারী। এই ২০/২২ প্রেসার উৎরে নার্ভ থেকে আসা রক্তনালিগুলো কিন্তু পুষ্টি দিয়ে চলেছে। এখন ধরুন প্রেসারের কারণ যে নির্যাস বা ‘একোয়াস’ তা বেরুতে বাধা পাচ্ছে, তাহলে প্রেসার বাড়বে। প্রেসার বাড়লে চারিদিকের শক্ত দেয়াল বা সামনের কর্নিয়া সামলে নিলেও বেচারী দুর্বল নার্ভটার সুতোগুলো চাপের ফলে শুকোতে থাকলো। আমাদের দৃষ্টিকে আমরা দুই ভাগে ভাগ করতে পারি, একটা সম্মুখ দৃষ্টি (সামনে দেখা) আর একটা পার্শ দৃষ্টি ( সামনে তাকালেও পাশে দেখতে পারা) । সামনে দেখার ম্যাকুলার নার্ভ ফাইবারগুলোর রক্ত সঞ্চালন ভালো বেশী বলে সামনের দৃষ্টিটা ধ্বংসযজ্ঞ শেষ না হওয়া অব্দি ভালো থাকে, গ্লুকোমার রুগীরা ভাবেন দেখতে পাচ্ছিইতো।কিন্তু সেটা টানেল ভিশান, শুধু সামনে দেখা।পাশ দিয়ে গরু ছাগল রিকসা ভ্যান গেলেও দেখতে পাননা।কিছুদিন পরে যখন সেটাও শেষ হয়ে যায় তখন তিনি পুরো অন্ধ এবং সবরকম চিকিৎসার বাইরে।এই চিকিৎসার বাইরে চলে যাওয়ার সংখ্যা দেশে ১০ লাখের উপরে।

একটু একটু করে অন্ধ হওয়াকে বলা হয় ‘ওপেন এ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা, (খোলা কোন)বা চোরা গ্লুকোমা। আর একটা আছে যেখানে পানি প্রবাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। রুগী হঠাৎ দেখতে পায়না। প্রথমে কোন গোল আলোর দিকে তাকালে ঝাড় বাতির মত রংধনু দেখতে পায়।তারপরে অন্ধ।ব্যাথা এত অস্বাভাবিক যে বমি করা, বিছানায় গড়াগড়ি ক'রে তবে ডাক্তারের কাছে আসা।এটা ডাকাত গ্লুকোমা।(সুক্ষ্ম কন গ্লুকোমা।) তবে এতে রুগি দ্রুত চিকিৎসার সুযোগ পায়, কারন তাকে ডাক্তারের কাছে আসতে বাধ্য হতে হয়।।
জন্মগতভাবে মাতৃগর্ভে শিশুর চোখের গঠন যথেষ্ট না হলে পানি যাবার রাস্তা খোলেনা, প্রেসার বাড়ে,জন্মেই অন্ধ। এই চোখগুলো দেখতে ষাড়ের চোখর মত বড়বড়, কালো মনি ঘোলা, কারন এগুলো তখনো নরম। প্রসারের তোড়ে পানি ঢুকে যায়।১৫ থেকে ৩৫ বছরেও মুক্ত কোণ গ্লুকোমা হয়, সেটা ‘জুভেনাইল গ্লুকোমা’। লেন্সের পুরুত্ব যদি এত বড় হয় যে পানি যাবার রাস্তা ছোট বা বন্ধ করে দেয়, তাতেও গ্লুকোমা হয়। ছানি সময়মত না সরালে, আঘাত লেগে, বারবার চোখের ভিতরে ইনফ্লামেশান হলে চোখের প্রেসার বাড়ে।অনিয়ন্ত্রিত দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকলে চোখের মধ্যে রক্তক্ষরন হয়, তার ফলে পানি যাওয়ার পথ নতুন রক্তনালীতে আটকে দেয় তখন যে গ্লুকোমা হয় তা সারানো বেশ কঠিন।

গ্লুকোমা যে দৃষ্টি নেয় তা ফেরৎ আনা যায়না যা থাকে সেটুকু ধরে রাখাটাই চিকিৎসা।তাই যদি হয়, তাহলে গ্লুকোমাকে চোখের জ্যোতি নিতে দেব কেন। এটাই গ্লুকোমার সচেতনতা বাড়িয়ে চল্লিশের উপরের সব মানূস যেন বছরে একবার চোখের ডাক্তার দেখান তার সপ্তাহ পালন।প্রথমেই সচেতন হ’লে গ্লুকোমার ভালো ভালো ওষুধ আছে যা প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আছে কিনা যেমন রুটিন করে দেখতে হয়, গ্লুকোমা ধরা পড়লেও তাই।
কোন এক পর্যায়ে যদি ওষুধে প্রেসার কন্ট্রোল হচ্ছেনা ডাক্তার মনে করেন তাহলে এর অপারেশার রয়েছে। অপারেশানের ফলাফল ভালো। প্রাথমিক পর্যায়ে লেজার অপারেশান, না হলে পরে সার্জিকাল। তবে প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে।
এখন কত প্রেসার কার জন্য স্বাভাবিক সেটা ডাক্তার বুঝতে পারবেন। যাদের চোখের নার্ভ ২০/২২ ও সহ্য করতে না পেরে ক্ষয়ে যেতে থাকে, তাকে বলা হয় ‘নরমোটেনসিভ গ্লুকোমা’। তাদের প্রেসার ৮/১০ এ নামিয়ে রাখাটিই নিয়ম।অনেকের চোখের প্রেসার ২৫/৩০ অথচ নার্ভ এত শক্ত যে ক্ষয়ে যায়না, গ্লুকোমা নেই। তাদের ভবিষ্যতে বয়স বাড়ার ফলে নার্ভ যখন দুর্বল হতে থাকবে তখন গ্লুকোমা হতে পারে। সুতরাং প্রেসার কমিয়ে রাখতে হবে।গ্লুকোমাতে পার্শ দৃস্টি আগে নস্ট হয়।ক্ষতিটা ডাক্তাররা চোখের প্রেসার,কর্ণিয়ার পুরুত্ব, নার্ভের মাথাটার সাথে মাঝের সাদার রেসিও,ফিল্ড এনালাইসস, গোনিওস্কোপ এবং ও সি সি টি (কর্ণিয়ার পুরুত্ব) পরীক্ষা করে বুঝতে পারেন।রুগী কিন্তু নির্ণিত হবার আগে এসে বলেনা যে তার গ্লুকোমা হয়েছে।বড় জোর বলে আমার বংশে ওমুক গ্লুকোমায় অন্ধ।

গ্লুকোমার সঠিক কারণ নির্ণয়ে বিজ্ঞানীরা কাজ করে যাচ্ছেন।যতটুকু জানা যায় তাতে একটা বংশগত ধারা পরিলক্ষিত হয়,অর্থাত জেনেটিকাল। জন্ম ত্রুটির কারণে শিশু গ্লুকোমা হয়।আঘাত,হাই মাওপিয়া (যারা মাইনাস লেন্সে পরেন), ডায়াবেটিস, দীর্ঘদিন ধরে কোন কারনে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা, ছানি ইত্যাদিতে সেকেন্ডারী গ্লুকোমা হয়।
যেহেতু গ্লুকোমার হারিয়ে যাওয়া দৃষ্টি ফেরৎ পাওয়া যায়না, তাহলে হারাবার আগেই সচেতন হতে হবে।কিছু কিছু লক্ষন এরকম যে ঘনঘন চোখের পাওয়ার পাল্টে যাচ্ছে,সামনে তাকালেও পার্শ জ্যোতির কোথায়ও কালো ছায়া মনে হচ্ছে, বংশে গ্লুকোমা থাকলে, ডায়াবেটিস থাকলে , আঘাৎ লাগলে, আলোর চারিদিকে ঝাড়বাতির মত রংধনু দেখতে পেলে অবশ্যই চোখ দেখাতে হবে।
এবারে গ্লুকোমা সপ্তাহের শ্লোগান হলো “একসঙ্গে হাত ধরি, গ্লুকোমামুক্ত বিশ্ব গড়ি।”আমরা স্ক্রিনিং করছি, আপনারা শুধু সেবাটা নিয়ে আমাদের এ লক্ষে পৌঁছুতে সাহায্য করুন।
মধ্য যুগীয় কবি বড়ু চন্ডিদাসের কবিতা দিয়ে শেষ করি।তিনি শ্রী রাধার বরাত দিয়ে মৃত্যু রুপি কাককে বলছেন,
"সর্ব অঙ্গ খেয়োরে কাক (সর্ব অঙ্গ নাও হে মৃত্যু)
না রাখিও বাকি।
কৃষ্ণ (বিশ্ব) দরশন লাগি
রেখো দুটি আঁখি।"

সবাই সুস্থ ও দৃস্টিময় চোখ নিয়ে দীর্ঘজীবন ভালো থাকুন এই কামনা।

অধ্যাপক ডাঃ এন সি বাড়ই
গ্লুকোমা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।
নেত্রালয় আই কেয়ার সেন্টার
(ফায়ার সার্ভিসের সামনে)
ঠনঠনিয়া,বগুড়া।

Address

Thantthania, Sherpur Road (opposite Fire Service)
Bogura
5800

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801711141737

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Netraloy Eye Care Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Netraloy Eye Care Center:

Share