28/04/2025
🥛🥛ডিহাইড্রেশন কি? 🥛🥛
ডিহাইড্রেশন হল আমাদের শরীরে পানি কম পড়ার লক্ষণ। যেহেতু আমাদের শরীরের প্রায় 75% জল থাকে, তাই আমাদের নিজেদেরকে হাইড্রেটেড রাখতে হবে।
আমাদের তৃষ্ণার প্রক্রিয়ায় সাড়া দিয়ে জল খাওয়ার মাধ্যমে তরল পদার্থের ক্ষতি প্রতিস্থাপন করতে হবে। ডিহাইড্রেশন গুরুতর প্রতিক্রিয়া এবং অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা সমস্যার কারণ হতে পারে। নিজেদেরকে হাইড্রেটেড রাখলে এটা প্রতিরোধ হবে।
🥤🥤ডিহাইড্রেশনের উপসর্গ বা লক্ষণ🥤🥤
শরীরে ড্রিহাইড্রেশন সমস্যা থাকলে আপনার মধ্যে বেশকিছু উপসর্গ দেখা দেবে। এগুলো হলো-
১। মাথাব্যথা ও ঘোরা
২। বারবার জিহ্বা, গলা ও মুখ শুকিয়ে যাওয়া
৩। বারবার পানির পিপাসা পাওয়া
৪। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া
৫। পেশিতে টান পড়া
৬। চামড়া শক্ত হয়ে যাওয়া
৭। চোখের দৃষ্টিগত সমস্যা দেখা দেয়া
৮। হজমে সমস্যা হওয়া
৯। পরিপাক তন্ত্রের কাজ ব্যাহত হওয়া
১০। মূত্রের পরিমাণ কমে যাওয়া, মূত্রের রং হলুদ হয়ে যাওয়া
১১। শারীরিক দুর্বলতা
১২। বুক ধড়ফড় করা ইত্যাদি।
🧋🧋ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ বা এড়াতে করণীয়🧋🧋
তাই ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করতে দাবদাহের এ সময় সবারই কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে ‘বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন’। যেমন-
১। কিছুক্ষণ পরপর প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত।
২। গরমে আমিষজাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। তবে ডায়েটে আমিষযুক্ত খাবার থাকলে নিশ্চিত করুন দৈনিক ৩ লিটার পানি গ্রহণের।
৩। তৃষ্ণা মেটাতে সোডা, শর্করাজাতীয় কোমল পানীয়, আইসক্রিম এড়িয়ে চলুন।
৪। খাবারে পানিসমৃদ্ধ ফল ও সবজি রাখুন। যেমন ডাব, তরমুজ, আনারস, লেবু, শসা, টমেটো, লাউ ইত্যাদি।
৫। প্রখর রোদে বাইরে বের হলে, খেলাধুলা করলে, ব্যায়াম কিংবা শারীরিক পরিশ্রমে ২০ মিনিট পরপর পানি বা শরবত পান করুন।
৬। গরমে হাই প্রোটিন ও অ্যালকোহলপূর্ণ খাবার বাদ দিতে হবে।
মনে রাখবেন, স্বল্প মাত্রার ডিহাইড্রেশন পানি পান করার মাধ্যমে ঠিক হয়ে গেলেও গুরুতর ডিহাইড্রেশনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
🟩যোগাযোগঃ
Saic General Hospital Ltd.
Bhai Pagla Mazar Lane, Bogura
☎ 01936-005870, 01936-005871
🌐www.saicgeneralhospital.com
সাইক জেনারেল হস্পিটাল লিমিটেড