12/04/2026
শুনলাম ঢাকা মেডিকেলের একটা স্টুডেন্ট হার্ট এটাক(MI) করে মারা গেছে। কত আর বয়স হবে, ২১/২২ বছর। চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করায় এটা একসময় অকল্পনীয় মনে হলেও এখন অনেকটা নিয়মিতই হয়ে গেছে৷
আমাদের অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইল ও দৈনন্দিন স্ট্রেস এর কারণ বৈ কি?
🫀 হার্ট অ্যাটাক কীভাবে হয়?
মূল কারণ:
করোনারি ধমনিতে (হার্টের রক্তনালি) ব্লক হলে ওই ধমনীর সরবরাহকৃত হার্টের বিভিন্ন অংশে রক্ত ও অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। এছাড়া atherosclerosis (চর্বি জমা) প্লাক ফেটে গিয়ে রক্ত জমাট (thrombus) তৈরির
ফলে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়→ হার্ট মাসল পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না।
⚠️ প্রধান লক্ষণসমূহ :
♦️বুকে চাপ বা ব্যথা (চেপে ধরার মত)
♦️ব্যথা বাম হাত, গলা, চোয়াল বা পিঠে ছড়ায়
♦️শ্বাসকষ্ট
♦️অতিরিক্ত ঘাম
♦️বমি বমি ভাব বা বমি
♦️মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়া
👉 ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে “Silent MI” হতে পারে (ব্যথা কম থাকে)
উপরোক্ত লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরাণাপন্ন হোন। কারণ মনে রাখবেন হার্ট এটাকের ক্ষেত্রে "Time is Muscle " যত সময় যাবে তত বেশি হার্ট মাসল ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
🛡️ প্রতিরোধ (Prevention) :
🚭 ধূমপান বন্ধ করুন
🚫কম চর্বিযুক্ত খাবার খাবেন
✅ প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দৌড়ান/জোরে হাটুন
✅রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✅ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন
✅রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর চেষ্টা করুন (৭-৮ ঘন্টা)
তাই বুকে ব্যথা মানেই গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা ভাববেন না!
স্বাস্থ্য সচেতন হোন ও নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক আপনার হার্টের পরিচর্যা করুন।