Health Care Homeo Centre

Health Care Homeo Centre একটি আধুনিক এবং পূর্ণাঙ্গ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কেন্দ্র

27/10/2025

আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন সবাই।

12/02/2023

মেয়েদের ওভাৱিয়ান/ ডিম্বাশয়ের বিভিন্ন সিস্ট ও তার প্রতিকার।
===========================

মেয়েদের গুরুত্বপূর্ণ এক শারীরিক সমস্যা হলো ওভারিয়ান সিস্ট। ওভারি বা ডিম্বাশয় হচ্ছে জরায়ুর দুই পাশে অবস্থিত দুটি ছোট গ্রন্থি, যা থেকে মহিলাদের হরমোন নিঃসরণ হয় এবং ডিম্বাণু পরিস্ফুটন হয়। ওভারিয়ান সিস্ট হলো ওভারিতে পানিপূর্ণ থলে। ঋতুবতী মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রায়ই এই সিস্ট দেখা যায়। ওভারিয়ান সিস্ট অনেক রকম হয়ে থাকে, সবচেয়ে বেশি হয় সিম্পল বা ফাংশনাল সিস্ট। ওভারি থেকে কোনো কারণে ডিম্বস্ফুটন না হলে অথবা ডিম্বস্ফুটন হওয়ার পরও ফলিকলগুলো চুপসে না গেলে সিস্ট তৈরি হতে পারে। ফাংশনাল সিস্ট ছাড়াও ওভারিতে আরও অনেক রকম সিস্ট হতে পারে, যেমন;

# পলিসিস্টিক ওভারি : অনেক দিন ধরে ক্রমাগত ডিম্বস্ফুটন না হলে ওভারিতে ফলিকলগুলো জমতে থাকে। এর সংখ্যা ১০ বা এর অধিক হলে পলিসিস্টিক ওভারি বলা হয়।

# এন্ডমেট্রিওটিক সিস্ট : এই সিস্ট থাকলে মাসিকের সময় অনেক পেইন হয় এবং রোগী বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভুগে থাকে।

# ডারময়েড সিস্ট : এটি এক ধরনের ওভারিয়ান টিউমার, যাতে শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রতঙ্গের মতো টিস্যু থাকে। শুনতে অবাক লাগবে, কিন্তু এ ধরনের সিস্টে থাকতে পারে দাঁত, চুল ইত্যাদিও।

# লক্ষণ : ফাংশনাল সিস্টের কোনো লক্ষণ থাকে না, এটি সাধারণত রুটিন আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় ধরা পড়ে। তবে মাঝেমধ্যে পেটে ব্যথা, মাসিকের অনিয়ম নিয়েও কেউ কেউ আসতে পারে।

# পরীক্ষা : পেটের আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষায় ওভারিয়ান সিস্ট দেখা গেলে এটি আসলেই ফাংশনাল সিস্ট কি না তা অনেক সময় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে। এসব পরীক্ষার মধ্যে আছে ট্রান্স-ভেজাইনাল আলট্রাসাউন্ড, ল্যাপারস্কপি ও বায়োপসি এবং ক্যানসার অ্যান্টিজেন টেস্ট।

# চিকিৎসাঃ
এলোপ্যাথিক সিস্টেমে, কোনো লক্ষণ না থাকলে এবং এর সাইজ ৫ সেমি’র নিচে থাকলে রোগীকে দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত অবজারভেশনে রাখা হয়। সাধারণত এ সময়ের মধ্যে ফাংশনাল সিস্ট অপসারিত হয়।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ
হোমিওপ্যাথি একটি লক্ষ্মণ ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি, রোগীর সামগ্রিক লক্ষ্মণ সংগ্রহ করে চিকিৎসা দিলে দ্রুত আরোগ্য সম্ভব।
তবে অবশ্যই একজন বিএইচএমএস ডিগ্রিধারী রেজিস্ট্রার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, অন্যথায় প্রতারিত হতে পারেন।

সিস্ট প্রতিকারের উপায়:

# ইস্ট্রজেন নিয়ন্ত্রণ : ওভারিতে সিস্ট হওয়ার অন্যতম কারণ ইস্ট্রজেন হরমোনের সাম্য নষ্ট হওয়া। ইস্ট্রজেনের পরিমাণ বেড়ে গেলে ওভিউলেশন অনিয়মিত হয়। যার ফলে ওভারিতে সিস্ট তৈরি হয়। তাই সিস্ট রুখতে শরীরে ইস্ট্রজেন ব্যালান্সের দিকে খেয়াল রাখুন। সয়া প্রোটিন, প্রসেসড মিট শরীরে ইস্ট্রজেনের পরিমাণ বাড়ায়। প্লাস্টিকের বোতল থেকে জল খেলেও শরীরে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ইস্ট্রজেনের পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই ডায়েটে যতটা সম্ভব অরগ্যানিক মিট ও ডেয়ারি প্রডাক্ট রাখুন। এতে ইস্ট্রজেনের সঠিক মাত্রা বজায় থাকবে।

# ডায়েট : চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর ডায়েট ও অনিয়মিত লাইফস্টাইল ওভারিয়ান সিস্টের অন্যতম কারণ। ডায়েটে ফল, সবুজ শাক-সবজি, গোটা শস্যের পরিমাণ বেশি থাকলে সিস্টের মোকাবিলা করা সহজ হবে।

02/10/2022

#আপনি জানেন কি ❓
🟥 #আপনার শিশু কেন নাক ডাকে?বিছানায় প্রস্রাব করে বা মুখ দিয়ে লালা পড়ে?

কারন ➖
শিশুদের সর্দিজনিত বিভিন্ন ধরনের সমস্যা বেশি হয়। বিশেষ করে গলা ও কানের সমস্যা বেশি হয়
যাদের ঠান্ডা-কাশি লেগে থাকে তাদের শিশুর নাকের পেছনে মাংস বেড়ে যেতে পারে। এমনটি হলে শিশুদের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, নাক দিয়ে না নিয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়।
এটি সাধারণত এডিনয়েড এর জন্য হয়।

🟥এডিনয়েড গ্রন্থি কী➖
নাকের পেছনে এডিনয়েড গ্রন্থি থাকে। এটি গঠনগত দিক থেকে টনসিলের মতো। এডিনয়েড বাইরে থেকে দেখা যায় না। কারণ আমাদের তালুর ওপরে এডিনয়েড থাকে।
এডিনয়েড দেখতে হলে এক্স-রে করতে হবে অথবা লক্ষন দেখে বুঝতে হবে।
শিশুর ঘনঘন ঠান্ডা লাগার কারণে নাকের পেছনে এডিনয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যায়। যার কারণে নাকের মাংস বাড়ে।

🔴এডিনয়েড গ্রন্থি বড় হলে যেসব সমস্যা হয়➖

১)শিশু মুখ হাঁ করে ঘুমায়। রাতে ঘুমের মধ্যে শব্দ হয় বা নাক ডাকে। এ সমস্যা বেশিমাত্রায় হলে ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসতে পারে। যাকে চকিং বলে। ঘুমের মধ্যে কিছু সময়ের জন্য দম বন্ধ থাকতে পারে। যাকে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ এপনিয়া বলে।
২) শিশু ঘনঘন সর্দি-কাশিতে ভোগে।সদি-কাশি হলে তা সহজে সারতে চায় না।
৩) সর্দি থেকে কানে ঘনঘন ব্যথা, কানে ইনফেকশন, কানের পর্দা ফেটে যাওয়া, কানের ভেতর পানি জমা, কানে কম শোনা বা গ্লুইয়ার সমস্যা হতে পারে।
৪) ঘনঘন গলার ইনফেকশন, খুসখুসে কাশি, গলার স্বর বসে যেতে পারে।
৫)শরীরের ভেতর অক্সিজেনের স্বল্পতার জন্য সব সময় ঘুম ঘুম ভাব হতে পারে।
৬)পড়ালেখা ও স্কুলে অমনোযোগী হওয়া,
৭)বুদ্ধিমত্তা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়।
৮)রাতে বিছানায় প্রস্রাবও করতে পারে।
এসব উপসর্গ দেখলে বুঝবেন শিশু এডিনয়েডের সমস্যায় ভুগছে।
৯)মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়ার কারণে শিশুর খাবার গ্রহণে বিলম্ব কিংবা অসুবিধা হয়।
১০)শিশুর মুখের কোনা দিয়ে লালা পড়তে পারে।
১১)দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকলে শিশুর উপরের পাটির সামনের দাঁত উঁচু হয়ে যায়, মাড়ি নরম হয়ে পড়ে, নাক চেপে যায়,
১২) চেহারায় একটা হাবাগোবা ভাব চলে আসে। সামগ্রিকভাবে এই উপসর্গসমূহের কারণে শিশুর চেহারায় যে পরিবর্তন সূচিত হয় তাকে বলা হয়➖
🚫 #এডিনয়েড ফেসিস’।

🏷️এডিনয়েডের সঙ্গে কানের সম্পর্ক ➖
কানের সঙ্গে উর্ধ্বশ্বাসনালীর সংযোগ রক্ষাকারী পথটিকে বলা হয় ইউস্টেসিয়ান টিউব। এর পাশেই থাকে এডিনয়েড। তাই এডিনয়েড বড় হলে ইউস্টেসিয়ান টিউবের পথটি রুদ্ধ হয়ে পড়তে পারে। ফলে মধ্যকর্ণে শ্লেষ্মা আবদ্ধ অবস্থায় জমে যেতে পারে, কানে ব্যথা হতে পারে এবং অবস্থাভেদে শিশু কানে কম শুনতে পারে।

🟥চিকিৎসা➖
বাচ্চাদের এ সমস্যার ক্ষেত্রে অবশ্যই নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অথবা বিএইচএমএস ডিগ্রিধারী রেজিস্ট্রার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

🟥কখন অস্ত্রোপচার করাবেন➖
বেশির ভাগ শিশু অস্ত্রোপচার ছাড়া ধৈর্য ধরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়।
অনেক সময় শিশুর বয়স ১২-১৪ বছর হলেও এডিনয়েড স্বাভাবিক হয় না।
তখন সম্পূর্ণ অজ্ঞান করে অপারেশনের মাধ্যমে এডিনয়েড ফেলে দিতে হয়, যা একটি নিরাপদ সার্জারি ।

চিকিৎসা না করালে যে ঝুঁকি➖
১)দীর্ঘদিন ধরে শিশুর নাক বন্ধ থাকার কারণে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। এর ফলে শিশুর মস্তিষ্কের সঠিক #বিকাশ বিঘ্নিত হয়।
২) শিশুর বুদ্ধির বিকাশ কম হয়।
৩) শিশু ক্রমাগতভাবে কম শোনে।
৪) ক্লাসে অমনোযোগী হয়ে পড়ে, পড়াশোনায় খারাপ করে এবং শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়।
৫) শিশুর মধ্যকর্ণের ইনফেকশন হয়ে কানের পর্দা ফুটো হয়ে কান পাকা রোগ হতে পারে।

এই ধরনের রোগ নিয়ে বসে থাকা মানে সমস্যা ডেকে নিয়ে আসা।

কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা রোগের প্রকোপ বর্তমানে খুব দেখা দিচ্ছে।চোখ উঠা রোগ দেখা দিলে স্থানীয় সরকারি হাসপাতাল, চক্ষু বিশে...
19/09/2022

কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা রোগের প্রকোপ বর্তমানে খুব দেখা দিচ্ছে।
চোখ উঠা রোগ দেখা দিলে স্থানীয় সরকারি হাসপাতাল, চক্ষু বিশেষজ্ঞ অথবা বিএইচএমএস ডিগ্রিধারী রেজিস্ট্রার্ড হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের নিকট চিকিৎসা নিন।
চোখের যত্ন নিন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সমমানের বিএইচএমএস ডিগ্রী অর্জন ক...
29/08/2022

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সমমানের বিএইচএমএস ডিগ্রী অর্জন করে চিকিৎসক হতে চাইলে আবেদন করতে পারেন।

15/08/2022

Address

Sabera , Sobhan Govt. Girls High School Road, North Mourail(Banik Para)
Brahmanbaria
3400

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801788822599

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Care Homeo Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Health Care Homeo Centre:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category