MHP Herbal

MHP Herbal ALL UNANI & AYURVEDIC SOLUTION

✅আপনি কি অর্শ্ব/গ্যাজ পাইলস রোগে আক্রান্ত? ✅চিন্তা-হতাশার দিন শেষ। ✅আপনি কি অর্শ্ব /গ্যাজ পাইলস, ফিস্টুলা ভগন্দ্র রোগে ভ...
04/11/2024

✅আপনি কি অর্শ্ব/গ্যাজ পাইলস রোগে আক্রান্ত?
✅চিন্তা-হতাশার দিন শেষ।
✅আপনি কি অর্শ্ব /গ্যাজ পাইলস, ফিস্টুলা ভগন্দ্র রোগে ভুগছেন? ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।

💥 MHP Herbal চিকিৎসালয়ে পাইলস জনিত সকল সমস্যার সমাধান এখানেই।
👉আপনার কি পায়ুপথের সমস্যা?
বিনা অপারেশনে পাইলস,অর্শ,গেজ,ফিস্টুলা,
বুটির বেরাম এর কার্যকরী চিকিৎসা
🧑‍✈ আপনার কি পায়ু পথ দিয়ে
🛑 রক্ত পরে,
🛑 পুজ পরে,
🛑 খুব ব্যথা, ফুলে থাকে
🛑 জালা পোড়া করে,
🛑 গুটির মতো হয়ে গেছে,
🛑 মাংস বাইরে বের হয়ে আসে,
যতো পুরাতন বা অপারেশন করার পরও ভাল হয় নি তাদের জন্য বিনা অপা-রেশনে পাই-লস, ফিস্টুলা ও এনাল ফিসার রোগের স্থায়ী চিকিৎসা।
📢📢ম-লদ্বারের যে কোন রোগ হোক না কেন, বিনা অপা-রেশনে ভালো করে।
১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই র-ক্তপাত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়।🌹🌹🌹🌹
সকল ধরণের চুলকানি ও ব্যথা বন্ধ হয়ে যাবে।
🌼🌼এই Piles Stop নিয়মিত সেবন করলে স্থায়ীভাবে ১০/১৫ দিনের মধ্যেই এই রোগ থেকে চিরস্থায়ী মুক্তি পাবেন ইনশাল্লাহ
💥১ মাসের ঔষধ এক ১৫০০ টাকা

❤ অর্ডার কনফার্ম করতে যোগাযোগা করুন
WhatsApp 01824952390
🛑YouTube Channel:Mhpherbal

✅আপনি কি অর্শ্ব/গ্যাজ পাইলস রোগে আক্রান্ত? ✅চিন্তা-হতাশার দিন শেষ। ১০০% সমাধান ।✅আপনি কি অর্শ্ব /গ্যাজ পাইলস, ফিস্টুলা ভ...
29/10/2024

✅আপনি কি অর্শ্ব/গ্যাজ পাইলস রোগে আক্রান্ত?
✅চিন্তা-হতাশার দিন শেষ। ১০০% সমাধান ।
✅আপনি কি অর্শ্ব /গ্যাজ পাইলস, ফিস্টুলা ভগন্দ্র রোগে ভুগছেন?🏵১০০% সমাধান ইনশাআল্লাহ।

💥 MHP Herbal চিকিৎসালয়ে পাইলস জনিত সকল সমস্যার সমাধান এখানেই।
👉আপনার কি পায়ুপথের সমস্যা?
বিনা অপারেশনে পাইলস,অর্শ,গেজ,ফিস্টুলা,
বুটির বেরাম এর ১০০% কার্যকরী চিকিৎসা
🧑‍✈ আপনার কি পায়ু পথ দিয়ে
🛑 রক্ত পরে,
🛑 পুজ পরে,
🛑 খুব ব্যথা, ফুলে থাকে
🛑 জালা পোড়া করে,
🛑 গুটির মতো হয়ে গেছে,
🛑 মাংস বাইরে বের হয়ে আসে,
যতো পুরাতন বা অপারেশন করার পরও ভাল হয় নি তাদের জন্য বিনা অপা-রেশনে পাই-লস, ফিস্টুলা ও এনাল ফিসার রোগের স্থায়ী চিকিৎসা।
📢📢ম-লদ্বারের যে কোন রোগ হোক না কেন, বিনা অপা-রেশনে ভালো করে।
১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই র-ক্তপাত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়।🌹🌹🌹🌹
সকল ধরণের চুলকানি ও ব্যথা বন্ধ হয়ে যাবে।
🌼🌼এই ইজি পাইলস নিয়মিত সেবন করলে স্থায়ীভাবে ১০/১৫ দিনের মধ্যেই এই রোগ থেকে চিরস্থায়ী মুক্তি পাবেন ইনশাল্লাহ
💥মূল্য ১৫ দিনের ঔষধ ৫০০ টাকা
💥১ মাসের ঔষধ এক ১০০০ টাকা

❤ অর্ডার কনফার্ম করতে যোগাযোগা করুন
WhatsApp 01824952390 বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন
🌐www.rimonherbal.com
🛑YouTube Channel:Mhpherbal

09/06/2024
16/05/2021

আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

🛡️একজন ইহুদি যুবকের মেসেজ!

আমি একজন ইহুদি। এতে আমি গর্বিত। কেননা দুনিয়ায় আজ আমাদেরই রাজত্ব। জিহাদে তোমাদের সাথে পেরে উঠতে না পেরে আমরা কি করেছি জান?? খুব সহজে তোমাদের যুবতিদের থেকে পর্দা উঠিয়ে দিয়েছি। কোরআনের শিক্ষা থেকে তোমাদের সরিয়ে দিয়েছি। তোমাদের কাছে আমাদের পোশাক পাঠিয়ে দিয়েছি, আমাদের সংস্কৃতি পাঠিয়ে দিয়েছি, আমাদের সভ্যতা রপ্তানি করেছি।

তোমাদের শপিংমলগুলোর দিকে তাকাও। কি দেখতে পাচ্ছ?? সব উলঙ্গ পোশাকের মেলা। তাই না? মজার ব্যপার হল, তোমরা বড় সহজে তা গ্রহণ করে নিয়েছ। তোমরা কি জান না?? লুত সম্প্রদায়ের এই হাল ছিল?? কত নির্বোধ তোমরা!! হাহাহা।

তোমরা শ্লোগান দেও, ইহুদিরা আমাদের পবিত্র ভূমি ছিনিয়ে নিয়েছে, আমাদের প্রথম কিবলা দখল করে রেখেছে, কোরআন সুন্নাহকে শেষ করে দিচ্ছে, কিন্তু কই?? কি করেছ তোমরা?? কিছুই করতে পারনি। পারবেও না। হাহাহা।

দৃষ্টি মেলে তাকাও, রাস্তায় রাস্তায় তোমাদের যুবতিরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। আহ ! কি খুশির কথা ! তোমাদের অবস্থা সূচনীয়। তোমরা মুসলমানরা শেষ হয়ে গেছ। প্রভূ আমাদের সহায় হোন। তোমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা বদলে দিয়েছি। সেখানে ইসলাম বলতে কিছুই নেই। আছে কিছু বিকৃত মতবাদ। টেলিভিশনে দিয়েছি সব নিচু মানষিকতার প্রোগ্রামস। তোমাদের এখন চুপচাপ থেকে আমাদের বাতলানো পথে চলাই ভাল। যদি বাঁচতে চাও। আর দেখে যাও আমাদের প্রোগ্রামগুলো।

আমরা তোমাদের যুবকদের মগজকে নষ্ট করে
দিয়েছি। এক সময় তোমরা বড় সম্মানী জাতি ছিলে। এখন আমরা সম্মানী। তোমাদের যুবকরা আমাদের হাতের দিকে তাকিয়ে থাকে। তোমরা এখন চাকর জাতি। আমরাই তোমাদের এখন পরিচালনা করি।

তোমাদের জাতীয় ভাষাকে আমরা বদলে দিয়েছি। যে ভাষায় কোরআন, যে ভাষা স্বর্গের, যে ভাষা তোমাদের নবীর। এখন তোমরা আমাদের ভাষা শিখে, আমাদের ভাষায় (হাই, হ্যালো, মার্সি ইত্যাদি) কথা বলতে পেরে গর্ববোধ কর। এখন তোমরা আরবি ভাষাকে অহেতুক মনে কর। হাহাহা।

তোমরা একতাবদ্ধ থাকো সেটা আমাদের পছন্দ হয়নি। তাই তোমাদের মসজিদে মসজিদে বিরোধী ফিরকা তৈরি করে দিয়েছি। এখন তোমরা মুসলমান মুসলমানের সাথেই লড়ছ। আমরা তোমাদের দ্বীনকে বড় গভীরভাবে অধ্যায়ন করেছি এবং ছোট ছোট মাসআলা দিয়ে

তোমাদের মধ্যে ফিরকা তৈরি করেছি। তোমরা এখন সেই আগুনেই পোড়ে মরছ। এখন তোমাদের বাচ্চারা সিরিয়াল দেখে দেখে বড় হয়। আর তোমরা তাদেরকে শান্ত রাখতে সিরিয়ালে মত্ত রাখ আর নিজেরা ডুবে থাকো অন্য সিরিয়ালে। হাহা।

অধ্যায়ন থেকে তোমাদের দূরে রাখতে আমরা বিভিন্ন ধরনের গেমস আবিষ্কার করেছি। যাতে তোমরা গেমসে ব্যস্ত থেকে কোরআনের জ্ঞানার্জন করতে না পার। কোরআনকে ভুলে যাও, তোমাদের আলেমদের ভুলে যাও, মুসলিম বিজ্ঞানীদের ভুলে যাও।

তোমাদের নতুন প্রজন্ম এমন প্রজন্ম, যারা সত্য বলতে ভয় পায়, সত্য না বলাকে হেকমত মনে করে। আমরা তোমাদেরকে এমন এক মিডিয়া দিয়েছি যাতে সারাদিন পড়ে থাকা যায় ও নামাজ, কোরান থেকে দুরে রাখা যায়। এটা আমাদেরই সফলতা। হাহাহা।

আমরা ইহুদি জাতি এই কথার উপর গর্ব করি যে, আমরা সংখ্যায় অতি নগণ্য হয়েও তোমাদেরকে আজ তরকারির ন্যায় খরিদ করে নিয়েছি। আর এতে তোমরা মোটেও চিন্তিত নও। বরং আমাদের অধিনে কাজ করতে পেরে তোমরা গর্ববোধ কর। প্রভূ আমাদের কৃপা করুন। যাতে একজন মুসলিমও না থাকে।

🟥এই লিখার সম্পূর্ণ স্টিল ক্রেডিটঃ
Md Shohel Hossain

আর রাহিকুল মাখতুম

04/10/2020

িসেবে_গাছ_গাছড়া_খাবো_কেনো?

💊 বর্তমানে আমরা আলোপ্যাথিক ঔষধের প্রতি ঝুঁকে পড়েছি। একটু কিছু হলেই প্যারাসিটামল, ডাক্তার, এক গাদা ঔষধ। একটু সুস্থ হয়ে সপ্তাহ যেতে না যেতেই আবার কিছু না কিছু সমস্যা, আবার ডাক্তার আবার আরো এক গাদা ঔষধ। এতেই শেষ না, ডাক্তার সাহেব বলেও দেন ঔষধটা খেয়ে দেখেন সুট না করলে চেঞ্জ করে অন্য কিছু দিবো।

💊 এত এত ঔষধ খেয়ে বাঁচা যায় নাকি। মাঝে মাঝে তো মনে হয় ছোট বেলা থেকে যে পরিমানে ঔষধ খেয়েছি, পেট চিরে যদি বের করা যেতো তাহলে দিব্যি একটা বড় রকমের ঔষধের দোকান দেয়া যেতো। কিন্তু কি আর করার, রোগ হলে তো ঔষধ খেতেই হয়, আর উপায় কি।

💊 এই যে আমরা অহরহ এত এত ঔষধ খেয়েই যাচ্ছি কেউ কি কখনো চিন্তা করে দেখেছেন আসলে ঔষধ জিনিস টা কি? বা কোন ঔষধ খেলে কোন রোগ সারে এটা কিভাবে এসেছে আমাদের মাঝে।

👩‍👩‍👦‍👦 মনে হয় না কারোর এত চিন্তা করার সময় আছে। সবাই ব্যস্ত মানুষ। কি দরকার এত চিন্তা করার। খাচ্ছি ঠিক হয়ে যাচ্ছি আর কি লাগে, শুধু শুধুই সময় নষ্ট করার প্রয়োজন আছে।

👉 যাক সেসব কথা বাদই দিলাম, ধরে নিলাম সেগুলোর তেমন কোনো প্রয়োজন নাই কিন্তু মাঝে মাঝে ঔষধ ব্যবহারের সময় #সাইড_ইফেক্টস নামক একটা টেনশন আপনার কাধে চেপে বসে, বসে না?

👉 অবশ্যই বসে। ব্যবহার করার আগেই আমরা অল্প হলেও জানার চেষ্টা করি যেই ঔষধটা ব্যবহার করি তাই কি কি #সাইড_ইফেক্টস_আছে।

👉 আচ্ছা, ঔষধের সাইড ইফেক্টস থাকে কেনো? এই ভদ্রলোকের হাত থেকে কি বাঁচা যায় না? বা এমন কি কোনো ঔষধ আছে যার কোনো সাইড ইফেক্টস নাই?

আমরা অনেকেই আবার এই সাইড ইফেক্টস এর হাত থেকে বাঁচার জন্য হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবহার করি। মাঝে মাঝে খুব ভালো ফলও পাই। কিন্তু যখন আলোপ্যাথি আর হোমিওপ্যাথি কোনোটাই রোগ সারাতে না পারে তখন কি করা যায় বলুন তো???

👇কি, দিলাম তো আপনার মনে অনেক অনেক প্রশ্ন জাগিয়ে? সমস্যা নাই তো, এখন জাগিয়ে তোলা সকল প্রশ্নের উত্তরও দিবো, শুধু একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ে যাবেন ।

👱 ছোটবেলায় আমাদের গ্রামে রাস্তার ধারে লতানো কিছু উদ্ভিদ দেখা যেতো। দেখতে খুব সুন্দর পাতাগুলাতে অনেক অনেক রোম, ফুলগুলো হতো হলুদ হলুদ আর ফলগুলো ত্রিকোনাকার।

👱 হঠাৎ একদিন কোনো কারনে হাতে সেই গাছটা লেগে যায়, তার যা শুরু হলো বলার মতো না৷ এমন চুলকাতে শুরু হলো,তারপর সুন্দর গোল গোল চাকা চাকা হয়ে হয়ে জায়গাটা জলতে শুরু হলো। মনে তো হছিলো মাটিতে গড়াগড়ি শুরু করে দিই তার জ্বালায়।

🙋 এক বড় বাই পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো, আমার সেই অবস্থা দেখে বললো আরে বিছাতুর(বিছুটি, Tragia involucrata) গাছে হাত দিয়েছিস কেনো, থাম আমি ব্যবস্থা করছি। এই বলে সেই বিছাতু গাছের পাতা হাতের তালুতে নিয়ে দলা দিলো তারপর রসটা আমার হাতের জ্বালার জায়গায় দিয়ে দিলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখলাম ঠিক হয়ে গেলো।

🕵 আমি তো অবাক, ভাই এটা কিভাবে জানলেন? ভাই বললো তাকে আরেকজন কেউ এই পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়েছে। ভালোই হলো পরে যদি কেউ এই বিপদে পড়ে আমিও তাকে এটা শিখিয়ে দিবো।

🙋 আর কথা না বাড়িয়ে এখন মূল কথায় আসি। বাস্তব পক্ষে ঔষধের ধারণা এইভাবেই এসেছে। প্রাচীন কালে কেউ কোনো রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং কোনো গাছ পালা লতাপাতা খেয়ে আরোগ্য লাভ করেছে তখন সেটা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে যে উমুক রোগের জন্য তমুক গাছটা খেলে উপকার পাওয়া যায়।

কিছু কিছু লোকজন আবার বংশ পরম্পরায় সেই তথ্য, জ্ঞান রক্ষাও করেছে এবং আজো করে আসছে।

🤞কিন্তু বর্তমানে কৃত্রিম ঔষধের আবির্ভাবের পর থেকে এই ধারায় সিথিলতা দেখে দিয়েছে । যখন মানুষ একটু বিজ্ঞান মনস্ক হলো তখন জানতে চাইলো একটা গাছ সেই রোগটা কিভাবে আরোগ্য করে। আদৌ করে কি না? হলো বিভিন্ন পরীক্ষা। বের করা হলো গাছের কি কি উপাদান জড়িত আছে সেই রোগের সাথে।

🖖আরেকটু গভীরভাবে বলতে গেলে, যেটা খেলে সুস্থ হওয়া যায় উদ্ভিদের সেই অংশটার কেমিক্যাল এনালাইসিস করা হলো এবং তার উপাদান গুলো আলাদা করা হলো। তারপর পরীক্ষা করা হলো সেগুলোর কোন স্পেসিফিক উপাদানটা রোগটা কমাতে সহায়তা করছে।

👋 উদাহরণ হিসেবে ধরুন একটা গাছের পাতা খেয়ে আপনার জ্বর সেরে যাচ্ছে সেই পাতাটার কেমিক্যাল এনালাইসিস করে পাওয়া গেলো মোট ৭০-৮০ টা উপাদান সেখানে আছে। নিশ্চয়ই সব গুলো উপাদানই আর আপনার জ্বর কমায় নি, তাই পরীক্ষা করা হলো ইদুরের উপর।

প্রত্যেকটা উপাদানকে প্রয়োগ করা হলো এবং দেখা গেলো যে ৩ টা বা ৪ টা উপাদান জ্বর কমাতে সাহায্য করছে বাকিগুলোর জ্বরের সাথে কোনো ভূমিকা নাই।

ব্যাস, কাজ হয়ে গেছে আমরা জেনে ফেলেছি কোন উপাদানটা খেলেই রোগ ভালো হয়ে যাবে। সেটার ফর্মুলা দিয়ে বানিয়ে ফেললাম জ্বরের ঔষধ।

👌 আর অনেক অনেক গাছ গাছড়া না, একটা ছোট্ট বড়ি খাবো আর সুস্থ হয়ে যাবো। সত্যিই ঔষধটা কাজ করলো, রোগ সেরে গেলো। আবিস্কারকরা তো বুক ফুলিয়ে বলতে শুরু করলো কি আর সপ্তাহের পর সপ্তাহ গাদা গাদা গাছ গাছড়া খাবো, কোনোই দরকার নাই।

👌 সেই গাদা গাদা খেয়ে যেটুকু পাওয়া যাবে তার চেয়ে দশগুন পনেরো গুন বিশগুন বেশি এই ছোট্ট বড়িতে, ছোট্ট ট্যাবলেটে পুরে দিয়েছি। খাও আর কিছু দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যাও। ভুলে যাও সেই গাছ গাছড়ার আদিম পদ্ধতি।

সত্যিই, যেই না রোগ আরোগ্য হলো সাথে সাথে এর ব্যপকভাবে প্রয়োগ শুরু হলো। শুধু কোন রোগ কোন গাছ পালা খেলে ভালো হয় সেটা জেনে কেমিক্যাল এনালাইসিস করে বের হতে লাগলো হাজার হাজার রোগের ঔষধ। এই নতুন ঔষধের সংসার বেশ কিছুদিন ভালোই চলছিলো কিন্তু হঠাৎ দেখা গেলো এই ঔষধ খেয়ে সেই রোগটা সেরে যাচ্ছি ঠিকই কিন্তু অন্যধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

👋 দেখাগেলো যে একটানা বেশিদিন কোনো ঔষধ খেলে নতুন একটা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে যাকে আমরা সাইড ইফেক্টস বলি। এমনটা কেনো হলো, গাছ-পালা খেয়ে তো সবাই কোনো সমস্যা ছাড়াই ঠিক হয়ে যাচ্ছিলো কিন্তু এখানে এমন হচ্ছে কেনো???

👮এই নিয়ে আমাদের ডিপার্টমেন্টের কিংবদন্তি স্যার, প্রফেসর মোঃ আবুল হাসান স্যারের খুব সুন্দর একটি কথা আছে। তিনি বলেন, "গাছ-পালা খেলে রোগ সারে কিন্তু কোনো সাইড ইফেক্টস নাই কারণ এর মধ্যে থাকা কিছু উপাদান রোগ সারাতে সাহায্য করে এবং বাকি উপাদান গুলো একে অন্যান্য ক্রিয়া থেকে নিষ্ক্রিয় রাখে। এটা আল্লাহ তালার একটা বড় নিয়ামত।"

মানে ঐ যে উদাহরণ দিয়েছিলাম মনে আছে? আরে একটু উপরেই আছে, ঐ যে বলেছিলাম কেমিক্যাল এনালাইসিস করে ৭০-৮০ টা উপাদানের মধ্যে হয়ত ৩-৪টা উপাদান রোগ সারাতে ভূমিকা রাখে আর বাকি গুলার রোগ সারাতে কোনো ভুমিকা নাই।

☝আসলে আল্লাহ তালা কোনো কিছুই এমনি এমনি বানাই নি, বাকি যে উপাদান গুলো উপস্থিত থাকে সেগুলো ঐ ৩-৪ টা উপাদানকে অন্যকোনো কিছু না করে সেটার খেয়াল রাখে মানে ঐ ৩-৪টা উপাদানের পারিপার্শ্বিক ক্রিয়াকে নিষ্ক্রিয় করে দেয় ফলে কোনো সমস্যা হয় না।

কিন্তু আমরা শুধু ঐ ৩-৪ টা উপাদান দিয়েই ঔষধ বানায়, বাকি গুলো তো নিই না, তাহলে তো সাইড ইফেক্টস থাকতেই পারে।

💆 দেখা যাবে প্রচন্ড মাথা ব্যাথা, মাথা ব্যাথার ঔষধ খেলেন একটু সুস্থ হলেন, পরের দিন আবার ব্যাথা আবার খেলেন আবার ব্যাথা আবার খেলেন এইভাবে খেতে থাকলে কিছুদিন পর হয়ত সর্দির সমস্যা দেখা দিলো, আপনি সর্দির ঔষধ খেতে শুরু করলেন, খাচ্ছেন, খাচ্ছেন দেখা গেলো সর্দি ভালো হলো ঠিকই কিন্তু বুকে জ্বালা শুরু হলো, আপনি আবার কোনো ঔষধ খাবেন আবার কোনো সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এইভাবে ঔষধ খেতেই থাকবেন নতুন কোনো সমস্যার সৃষ্টি হবে।

🙇 কি তাইলে কি ঔষধ খাবো না? হ্যাঁ অবশ্যই খাবেন, খাবেন না কেনো? অসুখ হলে তো খেতেই হবে কিন্তু মনে রাখবেন একটানা একই ঔষধ বেশি দিন খাবেন না।

বেশি দিন খাবো না মানে? অসুখ না সারলে কি করবো, ঔষধ তো খেতেই হবে। আর কি কিছু করার আছে?

শর্টকাট চাইলে নাই, আপনি ঐ ঔষধই খান, এটাই আপনার জন্য ভালো। আর যদি স্থায়ী কোনো সমাধান চান তাহলে একটু কষ্ট করা লাগবে। একটু তো কষ্ট করাই লাগবে।

💁 তবে হ্যাঁ, ক্ষতিকর দিক দিয়ে হোমিওপ্যাথি এই দিক দিয়ে আলোপ্যাথির চেয়ে কিছুটা ভালো কারণ এই হোমিওপ্যাথির প্রায় ৮০-৮৫ শতাংশ ঔষধ বা মাদার টিংচার আসে সরাসরি গাছ পালা থেকে। কিন্তু এখানেও একটু সমস্যা আছে। অনেক সময় এতেও অন্যান্যদের মতো সাইড ইফেক্টস দেখা দেয় তবে খুব কম।

আচ্ছা এই বিষয়টা বুঝি না, আমিও জানি আপনিও জানলেন যে ঔষধ আসে গাছপালা থেকে তাহলে একে গ্রহণ করতে এতো সংকোচ বোধ হয় কেনো? এটা থেকে অন্য কিছু বানিয়ে দিলে সেটা গ্রহণ করতে অসুবিধা নাই কিন্তু এটা সরাসরি গ্রহণ করা যাবে না। আজব কথা না???

🙆 ও আচ্ছা, বুঝেছি। এই ভেষজ ঔষধের প্রতি একটা খারাপ মনোভাব পোষণ করার কারণ হলো বর্তমানের হকাররা। তারা এই গুরুত্বপূর্ণ একটা চিকিৎসা পদ্ধতিকে নিজেদের লাভের জন্য নিজেদের স্বার্থের জন্য, নিজেদের স্বল্পজ্ঞানের জন্য মানুষের কাছে এমনভাবে উপস্থাপন করেছে যে এই ভেষজ ঔষধ, ভেষজ চিকিৎসা এখন মানুষের কাছে একটা হাস্যকর বিষয়। মানুষ ভেষজ চিকিৎসার কথা শুনলেই ঠাস ঠুস করে উড়িয়ে দেয়। তাদের কাছে আর কোনো মূল্যই নাই আর ভেষজ ঔষধের।

সেটা মানুষ চিন্তা করতেই পারে, মানুষ স্বাধীন চিন্তার অধিকারী। কোনো চিন্তাই কেউ কারোর উপরে চাপিয়ে দিতে পারে না, আমিও পারবো না।

কিন্তু হ্যাঁ, শেষ একটা কথা বলে রাখি যদি কোনো দিন অসুস্থ হোন তাহলে একদম অন্তিত চিকিৎসা, মানে আলোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি তে ট্রাই করে রোগা না সারলে নিঃসংকোচে চলে আসবেন এই #ভেষজ_চিকিৎসায়। এই ধরুন গুরুপাক খাবার খেয়ে এসিডিটির সমস্যা শুরু হলো, একটা অমেপ্রাজল না খেয়ে এক টুকরা আদা খেলে কি খুব সমস্যা হবে? হ্যাঁ, স্বাদটা একটু কেমন লাগতে পারে কিন্তু কাজ সেই ট্যাবলেট আর ক্যাপসুল অথবা লিকুইড ঔষধ সব কিছুর চেয়ে অনেকগুনে ভালো।

গাছ-গাছড়ার নাম শুনেই অবহেলা করছেন, করুন আমার কোনো আপত্তি নাই কিন্তু প্রয়োজন হলে ফিরে আসুন এইদিকেই।

হয়তো আপনার অবহেলার গাছ গাছড়ায় ফিরিয়ে দিতে পারে আপনার অমূল্য সুস্থতা।

21/08/2020

ফার্মেসীওয়ালাদের বড় ডাক্তার বিশ্বাস করে যারা ওষুধ খান, তাদের ফলাফল

#দ্যা_কিডনি_কিলার ... ... ...

লোকটা নৌকার মাঝি। হাসপাতালে ভর্তি হল তীব্র বমি নিয়ে। Serum creatinine ১২.৮। কিডনির অবস্থা মারাত্মক খারাপ। হিস্ট্রি নিয়ে জানলাম শরীর ব্যাথার জন্য সে অনেক দিনে থেকে কড়া ব্যাথার ওষুধ খাচ্ছে এক ফার্মেসিওয়ালার পরামর্শে‍!!! ফার্মেসিওয়ালা তাকে কোন দিনও ওষুধের এই মারাত্মক পার্শ পতিক্রিয়া সম্পর্কে বলে নি। হয় সে জানে না, না হয় সে তার ব্যাবসার ক্ষতি চায় নি!!

#মোটাতাজা_করন ... ... ...

মেয়েটা বয়স ২৫ বছর। ভর্তি হল পেটে ব্যাথা নিয়ে। এন্ডোসকপি করে দেখা গেল মারাত্মক আলসার পেটে। সাথে ডায়াবেটিস ও ধরা পড়ল। ওজন বাড়ানোর জন্য ফার্মেসিওয়ালার পরামর্শে সে Cortan খেয়ে জাচ্ছে ৬-৭ বছর। ফলাফল এই বয়সে ডায়াবেটিস। ডায়াগনোসিস iatrogenic Cushing syndrome.

াক্তার ... ... ...

লোকটা ভর্তি ICU তে, অজ্ঞান। WBC count ৪২২! (স্বাভাবিক মাত্রা ৪০০০-১১০০০)। serum bilirubin ১৮.৮৮!!! serum creatinine ৩.৫৫। এক রেজিস্টার ডাক্তার সাহেব তাকে psoriasis এর জন্য MTX খেতে দিয়েছেন সপ্তাহে ১ টা করে কিন্তু ওষুধ কিনতে গিয়ে বিজ্ঞ ফার্মেসিওয়ালা বলল, “আমি বহু ডাক্তারের প্রেস্ক্রিপশানের ভুল বের করে রোগ ভাল করেছি। আপনি MTX সপ্তাহে ১ করে না খেয়ে প্রতিদিন ১ টা করে খান। তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে জাবেন”। শর্টকাটে বিশ্বাসী বাঙালি ধ্রুত পার পাওয়ার আশায় আজকে ICU তে লাখ টাকা বিলের সাথে জীবন নিয়ে লড়ছে!!!

#প্রফেসর_অফ_প্রেসার ... ... ...

মহিলার নাকি খালি প্রেসার লো। ডাক্তার সাহবের কাছে গেলেন, প্রেসার ২১০/১১০!!! ডাক্তার সাহেব দিলেন প্রেসারের ওষুধ। ভদ্র মহিলা ফার্মেসিওয়ালার কাছে গিয়ে প্রতিদিন প্রেসার মাপায় আর নাকি লো পায়। তাই ফার্মেসিওয়ালার প্রেসারের ওষুধ বাদ দিয়ে তাকে প্রতিদিন একটা করে সেলাইন পুশ করে। কিসের ডাক্তার; ফার্মেসিওয়ালা বস মানুষ। কিছুদিন পরে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে ভর্তি; স্ট্রোক করেছেন। তখন প্রেসার ২৩০/১২০!!! সাথে কিডনির অবস্থা দফারফা।

#কমিশন_বিহীন_টেস্ট ... ... ...

লোকটার হেপাটাটিস বি ভাইরাস ক্যারিয়ার। তার বি ভাইরাসের অবস্থা জানার জন্য তাকে টেস্ট দেওয়া হল HBeAg। রোগীর পরিচিত এক ফার্মেসিওয়ালা তাকে বলল, “ডাক্তারদের কথা শুনার টাইম কই, বেশি ব্যাস্ত। খেয়াল করে নাই তাই ভুল লিখছে না হয় কমিশন খাওয়ার জন্য আজাইরা টেস্ট লিখেছে। আপনি শুধু HBsAg টেস্ট করে নিয়ে যান, তাহলেই হবে!!!” লোকটা তাই করে নিয়ে আসল। ফলাফল ঘোড়ার ডিম।

হোক সেটা ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা, হোক সেটা নিজের জীবনের কিংবা অন্যের জীবনের; ঐ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে হয়।ইচ্ছা করে একজন ডাক্তার ভুল চিকিৎসা করে না, ইচ্ছা করে ভুল ওষুধ লিখে না; কারন তার একটা সার্টিফিকেট আছে, রেজিস্ট্রেশান আছে।
কিন্তু যাকে ডাক্তার থেকে বেশি বিশ্বাস করেন সেই ফার্মেসিওয়ালা!!! তার না আছে সার্টিফিকেট,না আছে রেজিস্ট্রেশান।

কার্টেসিঃ
ডা. নেওয়াজ শরীফ

16/08/2020

রক্তচাপ বা (Blood pressure) নির্ণয় এবং নিয়ন্ত্রনগত ভূল সমূহ ও ট্রেডিশনাল ন্যাচারাল চিকিৎসা পদ্ধতি :-- (হাতে যথেষ্ট সময় থাকলে পুরোটা পড়ে নিতে পারেন,অথবা শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন,আশাকরি সময় বৃথা যাবেনা)

ডাঃ হাকীম এম এ আল-হেলাল।
অধ্যক্ষ, ফেনী অল্টারনেটিভ মেডিক্যাল ইনষ্টিটিউট এন্ড দাতব্য চিকিৎসালয় ।
ন্যাচারাল ট্রেডিশনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

রক্তচাপ নির্ণয়ঃ- ( ১) বাজারে প্রচলিত তিন রকম রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্র পাওয়া যায়।
(১) মার্কারি (Markari) (২) এনরয়েড (Android) (৩) ও ডিজিটাল (Digital) ।
এর মধ্যে মারকারিটা সবচেয়ে ভালো কিন্তু খুব কম চিকিৎসকই এটা ব্যাবহার করেন। সবাই গণহারে যেটা ব্যাবহার করে সেটা এনরয়েড।
"এই এনরয়েড প্রতি ৬ মাস পরপর মার্কারি যন্ত্রের সাথে মিলিয়ে নিয়ে ঠিক করার কথা যেটা আমরা কেউই করি না"।

(২) ব্লাড প্রেসার মাপার ক্ষেত্রে কাফ এর পরিমাপ খুব গুরুত্বপূর্ন। মোটা বা স্বাস্থ্যবান মানুষদের জন্য ১২*৪০, সাধারন মানুষদের জন্য ১২*২৪ এবং চিকন বা হেংলা পাতলা এবং বাচ্চাদের জন্য ১২*১৮ সাইজের কাফ হচ্ছে আদর্শ পরিমাপক । এর হেরফের হলে বিশেষ করে Obese রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারন কাফ ব্যাবহার করলে প্রেসার ১০মিমি পর্যন্ত বেশি আসতে পারে।

(৩) বিপি ( blood pressure) মাপার সময় রোগীকে কমপক্ষে ৫ মিনিট চুপচাপ বসিয়ে রাখতে হবে, রোগী চেয়ারে পেছনে হেলান দিয়ে বসে, দুই হাত টেবিলের উপর থাকবে, রক্ত চাপ মাপার সময় রোগী কোন কথা বলবে না, রোগীর মূত্রথলি খালি থাকতে হবে, রোগীকে উদ্বেগ কমিয়ে বসতে হবে, বিপি মাপার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্ব পর্যন্ত রোগী কোন পান, সিগারেট, জর্দা, গুল, চা, কফি, ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে । বিপি মাপার সময় কাপড় এমনভাবে গুটিয়ে হাতের বাহুর উপর আনা যাবে না যাতে হাতের উপর কাপড়ের প্রেসার তৈরী হয়। এগুলো হচ্ছে প্রেসার মাপার সাধারন নিয়ম।
দেখা গেছে বিপি মাপার সময় কথা বলতে থাকলে ১০মিমি,
ব্লাডার পূর্ন থাকলে ১০মিমি,
ঝুলন্ত হাতে ৬-১০ মিমি বেশি,
আবার দাঁড়ানো থেকে বসার সাথে সাথে মাপলে ২০ মিমি পর্যন্ত কম আসতে পারে।

৪) বিপি মাপতে হবে দু হাতেই, এবং কমপক্ষে দুইবার করে। দুইবারের মধ্যে যদি বেশি হেরফের থাকে তাহলে তৃতীয়বার মেপে গড় করতে হবে।

৫) কখনোই একবার মাত্র বিপি মেপে উচ্চরক্তচাপ বলা যাবে না। বিপি ১৪০-৯০ এর বেশি পেলে এ্যম্বুলেটরি বিপি মনিটরিং করতে হবে।

আমাদের দেশে এটা সেভাবে সম্ভব নয় বলে বাসায় বিপি মাপতে বলতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে দুইবার করে মোট ৭ দিন (কমপক্ষে ৪ দিন) মাপতে হবে এবং প্রথম দিনের প্রথম রিডিংটা বাদ দিয়ে বাকিগুলো গড় করে যদি ১৪০-৯০ এর বেশি পাওয়া যায় তখন HTN বা (hypertension) বলা যাবে।
৬) অসকালটেরি গ্যাপঃ- কিছু রোগীর বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে প্রেসার মাপার‍ সময় প্রকৃত সিস্টোলিক প্রেসার এবং শব্দ শুনতে পাওয়ার মাঝে একটা গ্যাপ তৈরী হয়। দেখা যায় শব্দ শোনা যাচ্ছে ১৪০ এ কিন্তু আসলে প্রেসার ১৮০। এটাই অসকালটেটরি গ্যাপ। এটা এড়ানোর জন্য সব রোগীর ক্ষেত্রেই প্রথমে পালপেটরি মেথডে (palpatory method) সিস্টোলিক প্রেসার দেখতে হবে, এবং ব্রাকিয়াল আর্টারির (brachial artery) উপরে হাত রেখে ব্লাডার ফোলাতে হবে যতক্ষন না পালস বন্ধ হয়। যেখানে বন্ধ হবে সেটাই সিস্টোলিক,এরপর বাতাস ছেড়ে দিয়ে আবার স্টেথো লাগিয়ে সিস্টোলিক এর ৩০ মিমি উপরে মিটার উঠাতে হবে এবং সাধারন নিয়মে প্রেসার দেখতে হবে।
৭) হোয়াইট কোট হাইপারটেনশনঃ- কিছু রোগীর হাসপাতালে কিংবা চেম্বারে আসলে দুঃচিন্তা বা উদ্বেগে প্রেসার বেশি পাওয়া যেতে পারে কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় প্রেসার স্বাভাবিক থাকে। এদের ক্ষেত্রেও বাসায় ৭ দিন প্রেসার মাপতে বলতে হবে।

নিয়ন্ত্রনঃ-
১) উচ্চরক্তচাপের (high blood pressure) চিকিৎসা করার সময় সবচেয়ে বড় অবহেলা আমরা যেটা করি, সেটা হল আমরা রোগীদের বলি না এটা একটা প্রায় অনিরাময় যোগ্য রোগ।
ওষুধ এবং অন্যান্য ব্যাবস্থাপত্র প্রায় সারাটি জীবনই মেনে চলতে হবে।
এটা না বলার কারনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগীরা কিছুদিন ওষুধ সেবন করে ব্লাড প্রেসার স্বাভাবিক পেলেই ওষুধ বন্ধ করে দেয়।

২) ওষুধ ছাড়াও “লাইফস্টাইল মডিফিকেশন” (life style modification) এর কথা প্রায় কখনোই রোগীকে বলা হয় না এবং বলা হলেও ভালোমত বুঝিয়ে দেয়া হয় না বলার মত এত সময়ও আমাদের দেশের চিকিৎসকদের কই।

৩) উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রনের ওষুধগুলো রক্তচাপ পুরোপুরি স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে বেশ কিছুদিন সময় নেয়, এবং ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারগুলো ২-৬ সপ্তাহের মাঝে রক্তচাপ স্বাভাবিক করে। অন্যান্য ওষুধগুলোতেও প্রায় এরকমই সময় লাগে।
এই সময়ের মাঝে রোগী এবং চিকিৎসক উভয়েই কাংখিত ফলাফল পেতে ব্যর্থ হন এবং ওষুধ (Medicine) পরিবর্তন ও সংযোজন করতে থাকেন।
অনেক ক্ষেত্রে এই সময়ে রোগীরা বিকল্প চিকিৎসাপদ্ধতিরও আশ্রয় নেন।
৭) উচ্চ রক্তচাপ ডায়াগনসিস করার সাথে সাথে কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম (Cardiovascular system) এবং রেনাল সিস্টেম (Renal system) এর প্যাথলজি (Pathology) চেক করে নিতে হবে।সর্বোপরি মডার্ন ট্রিটমেন্ট বা এলোপ্যাথিক ট্রিটমেন্টের পাশাপাশি দির্ঘদিন ইউনানী-আয়ুর্বেদিক অথবা হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট গ্রহণে রোগী প্রত্যাশিত ও নিরাপদ ফলাফল লাভ করে এবং এটা প্রমানিত সত্য।
উচ্চ রক্তচাপের একটি ট্রেডিশনাল ন্যাচারাল কার্যকরী ফরমূলা দেওয়া হলো, আগ্রহীগন গ্রহন করে দেখতে পারেন, খোসা সহ সম্পূর্ণ বড় লেবু একটি(মাঝারী হলে দুইটি) সাথে ৩/৪ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকাল সন্ধায় আহারের ৩-৪ ঘন্টা পূর্বে সেব্য, লেবু চামড়া সহ সেবনে স্টমার্কে হাইপার এসিডিটি প্রতিরোধ হয়,এবং এভাবে ৯০ দিন বা তিন মাস সেবনে রোগী সমূহ কার্যকারীতা লাভ করে এবং কখনো কখনো স্হায়ী চিকিৎসা লাভ করে।

লো ব্লাড (Low blood pressure) প্রেসার এর জন্য একগ্লাস টাটকা গরম গরুর দূ্ুধে একটি মুরগীর ডিম ভালভাবে মিশিয়ে নিয়ে ১/২ মিনিট পর সাথে ৩/৪ চা চামুচ মধু যোগ করে ভালভাবে মিশিয়ে প্রতিদিন সকাল সন্ধায় নাস্তার/আহারের পর সেবনে রোগী অল্প দিনেই কাংখিত ফলাফল লাভ করে,ইনসাআল্লাহ।

Address

Argabad
Chittagong
4000

Telephone

+8801824952390

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MHP Herbal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share