13/04/2021
রমযানে কিভাবে সাস্থ্যকর খাবার খেয়েও করোনা মোকাবিলা করা যাবে?????
এই রমযানে পরিমিত এবং সাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করে রোযা রেখেও আমরা আমদের রক্তের চাপ , সুগার, ক্রিয়েটিনিন, ইউরিক এসিড এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে রাখার পাশাপাশি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াতে পারি। আবার অপরিকল্পিত এবং উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার যেমন অনেকের বিভিন্ন অসুস্থতা থেকে শুরু করে মৃত্যুর কারণও হতে পারে এই করোনাকালে।
ইফতারিতে ডুবো তেলে ভাজা নাস্তা যেমন বেগুনি, পিয়াজু এবং আলুর চপ পরিহার করতে হবে।পাশাপাশি আঁশযুক্ত কাচা খাবার যেমন ফল, বিভিন্ন রকম সালাদ, খেজুর, বাদাম, প্রাকৃতিক তবে চিনি ছাড়া সরবত(বেলের/তরমুজ/আমের/পেপের/লেবুর ইত্যাদি) বা দই বা দই এর লাচ্ছি ও ছোলা (কম তেলে রান্না) খাওয়া যাবে। একসাথে অনেক ইফতারি একই দিনে না করে সপ্তাহে ভাগ করে বিভিন্ন ধরণ এর ইফতারি তৈরি করতে পারেন। এতে করে অতিরিক্ত ক্যালরি নেয়ার ফলে ওজন বাড়ার সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবেন।
যেহেতু রাতে কম সময়ের মধ্যে ২ বার খাওয়া হয়ে যাচ্ছে তাই রমযানে রাতের খাবার হতে হবে হাল্কা। নামায শেষে মাল্টিগ্রেইন রুটির সাথে সবজি বা ওটস-বাদাম-দুধের মিক্স খেতে পারেন। কিন্তু অবশ্যই এই সময় কলা বা অনান্য মিষ্টি ফল বা মিষ্টি নাস্তা এড়িয়ে যেতে হবে।
সেহেরীতে ভাল আমিষ জাতীয় খাবার প্রতিদিন রাখবেন, যেমন সামুদ্রিক মাছ, সিদ্ধ ডিম, ডাল বা কম তেলে রান্না মাংস। পাশাপাশি সামান্য হলেও সব্জী বা সালাদ খেতে হবে কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে। যেহেতু সেহেরীতে আয়রন জাতীয় খাবার বেশি থাকে তাই ভাতের সাথে কয়েক টুকরো লেবু খেতে পারেন আয়রন শরীরে বেশি শোষিত হওয়ার জন্য অথবা খাওয়া শেষে আমলকী/কমলা/মাল্টা/পেয়ারা খেতে পারেন ভিটামিন সি এর উৎস হিসাবে।
একসাথে অনেক পানি না খেয়ে ইফতার থেকে সেহেরী পর্যন্ত ১০-১২ গ্লাস পানি অল্প অল্প করে খেতে হবে।