23/01/2025
অ্যালার্জি হল শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া, যা সাধারণত নিরীহ পদার্থের সংস্পর্শে এলে ঘটে। এই পদার্থগুলিকে অ্যালার্জেন বলা হয়। অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে আসার পর শরীরের ইমিউন সিস্টেম হিস্টামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে, যা অ্যালার্জির লক্ষণগুলির জন্য দায়ী।
অ্যালার্জির লক্ষণগুলি বিভিন্ন রূপ ধারণ করতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:
* ত্বকের উপসর্গ: চুলকানি, লালভাব, ফুসকুড়ি, চাকা
* শ্বাসযন্ত্রের উপসর্গ: হাঁচি, নাক বন্ধ, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি, শ্বাসকষ্ট
* গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল উপসর্গ: বমি বমি ভাব, বমি, পেট ব্যথা, ডায়রিয়া
* অন্যান্য উপসর্গ: মাথা ব্যথা, ক্লান্তি, চোখে চুলকানি
অ্যালার্জির সাধারণ কারণগুলির মধ্যে রয়েছে:
* পরাগ
* ছত্রাক
* পোকার দংশন
* কিছু খাবার, যেমন হাঁসের ডিম, দুধ, বাদাম, মাছ, শেলফিশ
* কিছু ওষুধ, যেমন পেনিসিলিন
* ধুলোর টিক
* পোষা প্রাণীর রূপ
* ধোঁয়া
অ্যালার্জি নির্ণয় করার জন্য, একজন ডাক্তার রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস পর্যালোচনা করবেন, শারীরিক পরীক্ষা করবেন এবং অ্যালার্জি পরীক্ষা করতে পারেন। অ্যালার্জি পরীক্ষাগুলির মধ্যে রয়েছে রক্ত পরীক্ষা এবং ত্বক পরীক্ষা।
অ্যালার্জির চিকিৎসা লক্ষণগুলি উপশম করতে এবং অ্যালার্জেনের সংস্পর্শ এড়াতে কেন্দ্রীভূত। লক্ষণগুলি উপশম করার জন্য ব্যবহৃত ওষুধগুলির মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিহিস্টামাইন, ডিকংজেস্ট্যান্ট এবং ক্রোমোলিন সোডিয়াম। অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে এড়াতে পরিবেশগত নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে বাড়ি পরিষ্কার রাখা, এয়ার ফিল্টার ব্যবহার করা এবং অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে আসা এড়াতে সতর্কতা অবলম্বন করা।
অ্যালার্জি একটি সাধারণ অবস্থা যা লক্ষণগুলি উপশম করতে এবং অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে এড়াতে উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে পরিচালনা করা যেতে পারে। যদি আপনার অ্যালার্জির লক্ষণ থাকে তবে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ۔
ডাঃ তাহিয়াত আহমেদ