Hijama Center Chattogram

Hijama Center Chattogram Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hijama Center Chattogram, Medical and health, একে খান মোড়, কুটুম বাড়ী রেস্তোরাঁর ঠিক পিছনের বিল্ডিং এর নিচ তলায়। পাহাড়তলী চট্টগ্রাম।, Chittagong.

হিজামা মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতা রয়েছে। গত ১১বছর ধরে Hijama করাচ্ছি!! আমাদের আছে ডাক্তার, হাফেজ,আলেম এবং রুকিয়াহ চিকিৎসার জন্য অভিজ্ঞ রাক্কি।
01815375435,01617777005 হিজামা কি?
-----*-----
হিজামা হল এমন একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যাতে মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতা বিদ্যামান রয়েছে। যাকে বাংলায় শিঙ্গা এবং ইংরেজিতে Cupping Therapy বলা হয়।
কেন হিজামা করাবেন?
---------*----------
আপনার রোগ হলে যেমন ডাক্তারের কাছে যান। তারপর প্রয়োজন পড়লে অস্ত্রপোচারও করান। তেমনি আপনার রোগের জন্য হিজামা করাবেন। তাহলে ফায়দা স্বরূপ রোগ থেকে ইনশাআল্লাহ মুক্তি পাবেন এবং রাসূল সাঃ এর একটি সুন্নাতের উপরও আমল করা হলো।
★হিজামার উপকারিতা:★
* হিজামা টিস্যু থেকে বিষ মুক্ত করতে সহায়তা করে।
* লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম সক্রিয় করে।
* বড় রক্তনালী পরিষ্কার করে এবং রক্ত সঞ্চালন সক্রিয় করে।
* লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থি ও রক্ত নালী পরিষ্কার করে বিশেষ করে পায়ের পাতার, যাহা পরবর্তীতে সারা দেহে ছড়িয়ে পরে, ইহা দেহে থেকে যাওয়া ঔষধের পরিমাণও দেহ থেকে বের করে দেয়।
* দেহের অভ্যন্তর (রিফ্লেক্স জোন) এর প্রতিক্রিয়ার অবস্থা সক্রিয় ও উদ্দীপ্ত করে, ফলে আক্রান্ত অঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মস্তিস্কের মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
* দেহের ভিতরে শক্তি চলাচলের পথ পরিষ্কার করে জীবনী শক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে-৫০০০ বছর আগে চীন ও জাপানীরা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে।
* চিকিৎসার পরে মানবদেহের ত্বক ও পেশীতে অবশিষ্ট ঔষধ ও বিষ দেহ থেকে শুষে নিতে কাপিং থেরাপি উপকারী। এর ফলে রক্ত থেকে ইউরিক এসিড ও জয়েন্ট থেকে ক্রিস্টাল বের করে দেয়া সহজ হয় ফলে গাউট রোগ ভাল হয়।
* দেহের কোন স্থানে রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি করতে বা কোন অঙ্গে রক্ত সঞ্চালন কম হলে তা দূর করতে কাপিং করার দরকার হয়।
দেহের সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ইম্যুনিটি গ্লান্ডস, বিশেষ করে থাইমাস গ্লান্ড যাহা পিঠে ৪র্থ ভার্টিব্রা বরাবর কাপিং করা হয়।
হিজামা সংক্রান্ত হাদীসঃ
---------*----------
(১) হযরত আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জিবরীল আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যতসব উপায় অবলম্বন করে, তম্মধ্যে হিজামাই হল সর্বোত্তম।” আল-হাকিম, হাদীছ নম্বর: ৭৪৭০
(2) হযরত আবদুল্লাহ বিন উমর রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “খালি পেটে হিজামাই সর্বোত্তম। এতে শেফা ও বরকত রয়েছে এবং এর মাধ্যমে বোধ ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।” সুনানে ইবনে মাজা, হাদীছ নম্বর: ৩৪৮৭
হিজামা (শিঙ্গা) এর মাধ্যমে যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকেঃ
-----------------*-------------------
১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা
২। রক্তদূষণ
৩। উচ্চরক্তচাপ
৪। ঘুমের ব্যাঘাত
৫। স্মৃতিভ্রষ্টতা
৬। অস্থি সন্ধির ব্যাথা/ গেটে বাত
৭। ব্যাক পেইন
৮। হাঁটু ব্যাথা
৯। দীর্ঘমেয়াদী সাধারন মাথা ব্যাথা
১০। ঘাড়ে ব্যাথা
১১। কোমর ব্যাথা
১২। পায়ে ব্যাথা
১৩। মাংসপেশীর ব্যাথা
১৪। দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা
১৫। হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা
১৬। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
১৭। সাইনোসাইটিস
১৮। হাঁপানি
১৯। হৃদরোগ
২০। রক্তসংবহন তন্ত্রের সংক্রমন
২১। টনসিল
২২। দাঁত/মুখের/জিহ্বার সংক্রমন
২৩। গ্যাস্ট্রিক পেইন
২৪। মুটিয়ে যাওয়া
২৫। দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ
২৬। ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন
২৭। ফোঁড়া-পাঁচড়া সহ আরো অনেক রোগ।
২৮। ডায়াবেটিস
২৯। ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রোল্যাপ্স/ হারনিয়েশান
৩০। চুল পড়া
৩১। মানসিক সমস্যা ...সহ আরও অনেক রোগ।
# কেন আমাদের ক্লিনিকে করাবেন?
কন্সাল্টেন্সি ফি নেওয়া হয়না।
মনোরম পরিবেশ।
অভিজ্ঞ ডাঃ দ্বারা হিজামা করানো হয়।
হোম সার্ভিস দেওয়া হয়,অতিরিক্ত কোন চার্জ ছাড়ায়।

হিজামা থেরাপী নেয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 01815-375435
হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো নাম্বার ০১৭৫২১৬৭৩৫২
বিঃ দ্রঃ আরবী মাসের ১৭, ১৯, ২১ তারিখ হলো হিজামার জন্য উত্তম সময়। আর দিন হিসেবে সোম, মঙ্গল আর বৃহঃবার উত্তম। তবে অন্য দিনেও হিজামা করানো যাবে।
হিজামা একটি ফরগটেন সুন্নাহ। নিশ্চয়ই এর মধ্যে উপকার রয়েছে। হিজামা করুন, একটা সুন্নাহকে রিভাইভ করুন।
চট্টগ্রামে আমরাই সবচেয়ে কম খরচে হিজামা করাই।

লোকেশন:

একে খান মোড়, কুটুম বাড়ি রেস্তোরাঁর পিছনের বিল্ডিং এর নিচ তলায় মেইন রোড থেকে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে,মাহমুদ খান জামে মসজিদ রোড়, চট্টগ্রাম।

কক্সবাজার এবং কুমিল্লা আমাদের শাখা আছে।
** মহিলাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে মহিলা থেরাপিষ্ট রয়েছে ***
(বি:দ্র:হোম সার্ভিস দেওয়া হয়)

আপনি কি জানেন রোজা রেখেও আপনি হিজামা করতে পারবেন?রমজান মাসে হিজামা কাপিং থেরাপি  করার অনেক উপকারিতা রয়েছে, যা ইসলামী দৃ...
02/03/2026

আপনি কি জানেন রোজা রেখেও আপনি হিজামা করতে পারবেন?

রমজান মাসে হিজামা কাপিং থেরাপি করার অনেক উপকারিতা রয়েছে, যা ইসলামী দৃষ্টিকোণ এবং স্বাস্থ্যগত দিক থেকে বিবেচনা করা যায়। হিজামা একটি সুন্নাহ চিকিৎসা পদ্ধতি, যা রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজে করেছেন এবং উৎসাহিত করেছেন।

রমজানে হিজামা করা জায়েজ কি না?

হ্যাঁ, রোজা রেখে হিজামা করা জায়েজ এবং রোজা ভাঙ্গে না।

হাদিসে আছে: হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) রোজা রেখে এবং ইহরাম অবস্থায় হিজামা করিয়েছেন। (সহীহ বুখারী: ৫৬৯৪, ১৯৩৮)

অন্য হাদিসে: রোজা ভঙ্গ হয় না এমন কাজের মধ্যে হিজামা অন্যতম। (তিরমিযী: ৭১৯)

তবে যদি হিজামার কারণে খুব দুর্বলতা আসার আশঙ্কা থাকে (যেমন: রক্ত বেশি বের হয়ে ইবাদতে অসুবিধা হয়), তাহলে তা মাকরূহ (অপছন্দনীয়) হতে পারে। সেক্ষেত্রে রমজানের আগে বা পরে করা উত্তম।

তাই প্রাকৃতিকভাবে শারিরীক সুস্থতার জন্য যোগ করুন হিজামা থেরাপি।

🌙 রমজানে হিজামার উপকারিতা রমজান মাস রহমত, বরকত ও আত্মশুদ্ধির মাস। এই পবিত্র মাসে সুন্নাহ অনুযায়ী হিজামা গ্রহণ করলে শরীর ...
02/03/2026

🌙 রমজানে হিজামার উপকারিতা

রমজান মাস রহমত, বরকত ও আত্মশুদ্ধির মাস। এই পবিত্র মাসে সুন্নাহ অনুযায়ী হিজামা গ্রহণ করলে শরীর ও মন—দুটোই উপকৃত হয়।

**রমজানে হিজামার কিছু উপকারিতা:
🔹 শরীরের দূষিত রক্ত ও টক্সিন বের করতে সহায়তা করে
🔹 মাথাব্যথা ও ক্লান্তি কমায়
🔹 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
🔹 শরীরের ব্যথা ও প্রদাহ কমায়
🔹 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
🔹 সুন্নাহ পালনের মাধ্যমে সওয়াব অর্জনের সুযোগ

**রাসূলুল্লাহ ﷺ হিজামা গ্রহণ করেছেন এবং তা উৎসাহিত করেছেন। তাই রমজানে হিজামা হতে পারে সুন্নাহ অনুসরণের একটি উত্তম আমল।

আসুন, এই রমজানে শরীর ও আত্মার যত্নে হিজামা গ্রহণ করি।
#হিজামা #রমজান #সুন্নাহ #স্বাস্থ্য

রমাদ্বানে রুক্বইয়াহ করলে খুব বেশি ইফেক্টিভ হয় আলহামদুলিল্লাহ।আসলে এর পিছনে কয়েকটি কারণ আছে যথা:রমাদ্বান কুরআন নাজিলের মা...
01/03/2026

রমাদ্বানে রুক্বইয়াহ করলে খুব বেশি ইফেক্টিভ হয় আলহামদুলিল্লাহ।
আসলে এর পিছনে কয়েকটি কারণ আছে যথা:
রমাদ্বান কুরআন নাজিলের মাস, রমাদ্বানে শায়ত্বন শৃংখলিত থাকে,আধ্যাত্মিক পরিবেশ খুব শান্ত থাকে,মুমিনের দিল নরম থাকে এই মাসে,এই মাসে সমস্ত আমলের সওয়াব বৃদ্ধি করা হয়।
সিয়ামের কারণে গুনাহ থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয় যার ফলে জাদু তূলনামূলক শারিরিক ও মানসিকভাবে প্রভাব কম ফেলতে পারে।ফরজ আহকামাত ঠিকভাবে আদায় করা হয়।
আমাদের জীবনে আল্লাহর সমস্ত হুকুম ঠিকঠাকভাবে থাকলে আমাদের উপর শায়ত্বনের প্রভাব জাদু ও বদনজর কখনোই প্রভাব ফেলতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।
আমরা যত পেশেন্ট ডিল করেছি তার মধ্যে রমাদ্বানে খুব বেশি জ্বীন ও জাদুর পেশেন্টদের সুস্থ হতে দেখেছি আলহামদুলিল্লাহ।
কুরআন এর প্রভাব যেহেতু আমাদের দিলে গিয়ে পড়ে সেহেতু,কুরআন তিলাওয়াত করা ও শোনার মাধ্যমে আমাদের সকল ধরণের শারিরিক ও মানসিক সুস্থতা ও সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
কুরআন এ শিফা রয়েছে।
আসুন রুক্বইয়াহ করি নিজের ঈমান ও আমালকে বাচিয়ে রাখি ও সুস্থতা হাসিল করি কুরআন এর দ্বারা।
জ্বীন জাদু ও বদনজর এর যে সমস্ত চিকিৎসা আমাদের সমাজে প্রচলিত তার মধ্যে রুক্বইয়াহ ছাড়া অন্যসব পদ্ধতিতেই শিরক ও কুফরের মিশ্রণ আছে,যার ফলে আমাদের ঈমান ও আমল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আল্লহ পাক আমাদের বুঝার তাওফিক্ব দান করুন।

দুইজন ই ডাক্তার। কাশ্মীরের।  হিজামা করলেন।
27/02/2026

দুইজন ই ডাক্তার। কাশ্মীরের। হিজামা করলেন।

হিজামা_সমাচার।============আমরা একটা ওষুধ একটা মাত্র সমস্যার জন্য খেয়ে থাকি।কিন্তু হিজামাতে যে দূষিত প্লাজমা বেরিয়ে আসে ত...
06/02/2026

হিজামা_সমাচার।
============
আমরা একটা ওষুধ একটা মাত্র সমস্যার জন্য খেয়ে থাকি।কিন্তু হিজামাতে যে দূষিত প্লাজমা বেরিয়ে আসে তাতে থাকে একাধিক রোগের জীবাণু যেমন ঠাণ্ডা, কাশি, বিষন্নতা, আরথ্রাইটিস, কোমরের সায়াটিকার ব্যথা,চিন্তা, ঘুমের সমস্যা, মাংসপেশির ব্যথা এবং অন্যান্য সকল রোগের জীবাণু বেড়িয়ে এসে যে কোন রোগের তীব্রতা কমিয়ে দেয়।

হিজামা এক ধরণের চিকিৎসা যার মাধ্যমে শরীরের সব টক্সিন, ইউরিক এসিড, বদ-রক্ত, রোগের জন্য দায়ী জীবাণু প্লাজমা বা ফ্লুইডের সাথে বের করে নিয়ে আসা হয়।এতে একাধিক নিউরোট্রান্সমিটার মুক্ত হয়, নাইট্রিক অক্সাইড,হাইপারমিয়া বা হেমস্টোসিস প্রক্রিয়ায় কাজ করে। এর মাধ্যমে বর্তমানে সংক্রামক অনেক রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এছাড়া অসংক্রামক অনেক রোগ ও ভালো হয় নিয়মিত হিজামা করালে। এটি শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত জৈব-রাসায়নিক বর্জ্য নিষ্কাশন করে। সম্প্রতি চিকুনগুণিয়া রোগ থেকে যে ব্যথা হয় যা যায় না হিজামার মাধ্যমে সে ব্যথার উপশম হয়।

হযরত জাবির রদিয়াল্লহু আনহু থেকে বর্ণিত : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।” সহীহ মুসলিম, হাদীস নম্বর : ২২০৫

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হিজামাকারী কতই উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদন্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।” সুনানে তিরমিযী, হাদীছ নম্বর : ২০৫৩

আমাদের শরীর গঠিত নাইট্রিক অক্সাইডের উপর যা ১৯৯৮ সালে আবিষ্কার হয়। আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের কাজ এই আশচর্য অণু কণার উপর নির্ভর করে! ১৪০০ বছর আগে হিজামাকে সর্বোত্তম চিকিৎসা বলে দেয়া হয়েছে। অথচ আমরা তার খবর জানি না। এই এক নাইট্রিক অক্সাইড থেরাপি বর্তমান বিশ্বে বহুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অথচ হিজামাতে নাইট্রিক অক্সাইড প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি হয়। সাথে সাথে তৈরি হয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া! তাই মেডিকেল সায়েন্স হিসেবে এর কদর রয়েছে, এটি একটি উত্তম চিকিৎসা হিসেবে মানা হয়।

ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেন, “রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন যাদু দ্বারা পীড়িত হন তখন তিনি মাথায় শিঙ্গা লাগান এবং এটাই সবচেয়ে উত্তম ঔষধ, যদি সঠিকভাবে করা হয়।”(যাদুল মা‘আদ ৪/১২৫-১২৬)

গবেষণায় আরো পাওয়া গেছে যে, হিজামা থেরাপি ব্যবহারে দীর্ঘমেয়াদী ব্যথার তীব্রতা হ্রাস পায়।

টেস্টের রিপোর্ট থেকে পাওয়া গেছে এক মাস পর ৩৪%, দুই মাস পর ৪০% এবং তিন মাস পর প্রায় ৬০% শতাংশ ব্যথা কমেছে। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা গেঁটে ব্যথা, বাতের ব্যথা,পিঠের ব্যথা ও মেরুদন্ডের ব্যথা, ফিব্রোমায়ালজিয়া, হাটুর অস্ট্রিওআর্থারাইটিস অর্থাৎ হাটু ক্ষয়, হার্ণিয়ার সমস্যা, ঘাড় ও কাঁধের ব্যথা, দীর্ঘকালীন পিঠের ব্যথা, মাংশপেশীর ব্যথা, মচকে যাওয়া , পায়ে পানি আসা, ফুলে যাওয়া কিংবা আঘাতের কারণে ফেটে যাওয়ার ব্যথায় হিজামা খুব ভালো কাজ করে।

ভাইরাল এবং ইনফেকশাস রোগ কমায় ও প্রতিরোধ বাড়ায়:
হারপিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ভাইরাল হেপাটাইটিস, ব্রণ, ডার্মাটাইটিস, এবং সেলুলাইটিস এসব স্বাস্থ্য সমস্যা যা হিজামা কাপিং থেরাপি দ্বারা চিকিৎসা করা যায়। একযোগে একাধিক শারীরিক উপশমে ভূমিকা রাখে স্নায়ুতন্ত্রের সিস্টেমে সেরোটোনিন, ডোপামাইন, এন্ডোরিফিনের মতো নিউরোট্রান্সমিটার এর মাধ্যমে। এছাড়াও হিজামাতে যে সাময়িক সংকুচন-প্রসারণ ও কাটা হয় তা প্রতিরোধ সিস্টেমকে সক্রিয় করে রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে।

হিজামা যে যে রোগের জন্য করতে পারেন-

❂উচ্চরক্তচাপ (High Blood Pressure) ❂কিডনির সমস্যা(Kidney Disease) ❂লিভারের সমস্যা ❂ঘুম জনিত সমস্যা (insomnia) ❂যে কোন রকমের চর্মরোগ (Chronic Skin Diseases) ❂আরথ্রাইটিস ❂জয়েন্টের ব্যথা (Gout Pain) ❂বাতের ব্যথা (Arthritis) ❂পায়ের তালুর ব্যথা ❂রক্ত জমাট বাধা বা অবস ভাব ❂হাঁটু ব্যথা (Knee Pain) ❂ঘাড়ে ব্যথা (Neck Pain) ❂কোমড় ব্যথা (Waist Pain)❂ব্যথায় পায়ের পাতা ফেলতে সমস্যা ❂মাংসপেশীর ব্যথা (muscles spasm) ❂প্যারালাইসিস বা কোন অংগ অবশ হয়ে যাওয়া(Paralysis) ❂ডায়াবেটিস (Diabetes) ❂চুল পড়া (Hair fall) ❂মোটা সমস্যা (obesity) ❂হরমোনাল সমস্যা ❂মাইগ্রেনের ব্যথা (Migraine) ❂স্মৃতিহীনতা (Parkinson's disease) ❂মনোযোগ বৃদ্ধি ❂দীর্ঘকালীন মাথা ব্যথা (Headache) ❂ থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem) ❂সাইনুসাইটিস (Sinuses problem) ❂ এজমা/ হাপানি (Asthma) ❂রক্তসংবহন তন্ত্রের ইনফেকশন(Blood circulation system) ❂গ্যাস্ট্রিক / আলসারের সমস্যা (Gastric/Ulcer) ❂ব্রণ (Acne) ❂শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশন, খোস/পাচড়া (Remove toxin from body) ❂পিঠে বা সারা শরীরের যে কোন রকমের ব্যথা ❂হাড় ক্ষয় বা সরে যাওয়ার ফলে ব্যথা ❂মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক কিংবা মেয়েদের অন্যান্য সমস্যা ❂রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে প্রচলিত রোগ দূরীকরণে সাহায্য করা ❂রক্তজমাট বাঁধা (Varicose Vein) ❂দূষিত রক্ত পরিষ্কারকরণ ❂সার্জারির পরবর্তী ব্যথা

এছাড়া ❂সুন্নাহ হিজামা যা সুস্থ থাকা অবস্থাতেও করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা (Develop Immune Power) ❂মানসিক সমস্যা (Psychological disorder) সহ ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যায় হিজামা করুন। উপকার পান। এটি একটি বিজ্ঞানসম্মত অসাধারণ ইসলামিক চিকিৎসা। হিজামার যে কোন রোগ সারানোর আশ্চর্য ক্ষমতা আছে।হিজামা/Wet Cupping সম্পর্কে আরো জানুন।

# মহিলাদের জন্য সিনিয়র মহিলা থেরাপিস্ট।

সার্বিক যোগাযোগঃ 01815-375435, 01617777005

05/02/2026

কিছু জাদু কীভাবে মানুষের বুদ্ধি কেড়ে নেয়?
ইসলামে জাদুর অস্তিত্ব প্রমাণিত। কুরআন ও হাদিসে এসেছে—জাদু মানুষের মন, চিন্তা, অনুভূতি ও আচরণে গভীর প্রভাব ফেলে।
কিছু জাদু এমনভাবে করা হয় যাতে:
• মানুষের বুদ্ধি দুর্বল হয়ে যায়
• সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা নষ্ট হয়
• স্মৃতিশক্তি লোপ পায়
• কথা ভুলে যায়, কাজ ভুল করে
• সহজ বিষয় বুঝতে কষ্ট হয়
• অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে
• নিজেকেই নিজের মতো মনে হয় না
এ অবস্থায় মানুষ ধীরে ধীরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে।
⚠️ বুদ্ধি আক্রান্ত জাদুর সাধারণ লক্ষণ:
• হঠাৎ করে খুব বেশি ভুল করা শুরু করা
• আগে যা সহজ ছিল, এখন তা অসম্ভব মনে হওয়া
• কথা বলতে গিয়ে জড়তা, ভুল শব্দ ব্যবহার
• একা একা কথা বলা বা নিজের সাথে নিজে কথা বলা
• মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা
• বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন অনুভব করা
🕊️ মুক্তির পথ:
আল্লাহই একমাত্র শিফাদাতা।
নিয়মিত রুকইয়াহ, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির ও সুন্নাহভিত্তিক আমল — এসবের মাধ্যমে বহু মানুষ আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়েছে।

সমস্যা বেশী মনে হলে আমাদের অভিজ্ঞ রাকির সাহায্যে কুরআনের আলেকে রুকইয়াহ করতে কল করুন।

28/01/2026

আসসালামু আলাইকুম ❤️💐💐

26/01/2026

আল্লাহুম্মা আজরিনি মিনান নার।

22/01/2026

আপনি কি—
▪️ মাথার মাইগ্রেন ও তীব্র ব্যথায় ভুগছেন?
▪️ ঘাড়, পিঠ, কোমর বা হাঁটুতে ব্যথা? ▪️ এলার্জি, শ্বাসকষ্ট বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা?
হিজামা করুন,সুস্থ হোন।

22/01/2026

হযরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিঃ বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিরাজের ঘটনা আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন,
‘সে রাতে আমি ফেরেশতাদের যতগুলো জামাতের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি। তাদের প্রত্যেকেই আমাকে বলেছেন,
“আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার মাধ্যমে চিকিৎসা করার নির্দেশ করুন।”’

— (জামিউত তিরমিযি, হাদিস নং: ২০৫২)

20/01/2026

💠আমাদের ইমিউনিটি সিস্টেম এর কাজ কি?

➡️রোগ প্রতিরোধ করা অর্থাৎ, শরীরে কোনো ক্ষতিকর জীবানু প্রবেশ করলে তাকে ঢিশুম ঢিশুম করে মেরে ফেলা।যেনো সেই ক্ষতিকর জীবানু কোনো ক্ষতি না করতে পারে আমাদের।

💠এই ক্ষতিকর জীবানু রক্তে প্রবেশ করলো কিভাবে?

➡️ নিশ্বাসের মাধ্যমে,মানে হাচি কাশির মাধ্যমে।গাড়ির ধোয়া,ক্ষতিকর গ্যাস,ফ্রি রেডিকেল ইত্যাদি।

আবার কিছু খাবারের মাধ্যমে।

প্যাকেটজাত খাবারের মাধ্যমে।

স্ট্রিট ফুড,পানি এর মাধ্যমে, ইত্যাদি।

💠আমাদের এই ইমিউন সিস্টেম কি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে?

➡️জি অবশ্যই পারে।

একভাবে,যেমন বটি অনেক দিন ধরে ইউজ করলে ভোঁতা হয়ে যায়,সেটাকে ধারালো করতে আবার শান দিতে হয়।

আরেকভাবে,আমাদের নিজেদের বডির ইমিউন সিস্টেম ই যখন নিজের বডির সেলকে শত্রু মনে করতে শুরু করে।সে ভালো খারাপ পার্থক্য করতে পারেনা।সবাইকেই শত্রু ভাবে।

তখন এটাকে আমরা বলি অটোইমিউন ডিজিজ।

এই অটো ইমিউন ডিজিজ আপনার হাড়ের জয়েন্টে হতে পারে,থাইরয়েডের হতে পারে,স্কিনের হতে পারে।
💠এসব থেকে বাচার উপায়?

➡️জি,ঠিক ই ধরেছেন হিজামার কথাই বলবো।মেডিসিনের পাশাপাশি হিজামা রক্ত থেকে ক্ষতিকর পদার্থ গুলো যেমন বের করে দেয় তেমনি ইমিউন সিস্টেমের কান ধরে শিখায়,ভালো-খারাপের পার্থক্য করতে।
তাই ইমিউন সিস্টেমকে শান দিতে মানে,কার্যকারিতা বাড়াতে চোখ বন্ধ করে হিজামা করাতে পারেন।

আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্স এ মেসেজ করুন।

19/01/2026

মাগরিবের সময় কী ঘটে? কেন এই সময়টা গুরুত্বপূর্ণ?

আমি চাই, আমার লেখা থেকে সবাই উপকৃত হোন।

আমাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে-
আসলে দিন শেষ হয়ে অন্ধকার নামার এই সময়টাতে কী ঘটে?

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-
সূর্য উদয় ও অস্ত যায় শয়তানের শিংয়ের মধ্য দিয়ে (অর্থাৎ শয়তান এই সময়টাকে নিজের কাজে ব্যবহার করে)।
আর তিনি আমাদের মাগরিবের সময় শয়তান থেকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।

মাগরিবের সময় শয়তানদের তৎপরতা
দিনের আলো শেষ হয়ে অন্ধকার নামতে শুরু করলে-
শয়তান ও জিনেরা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে
তারা নিজেদের জন্য আশ্রয় খুঁজতে থাকে
তাদের সংখ্যা এত বেশি যে, আল্লাহ ছাড়া কেউ তা গুণে শেষ করতে পারে না।

এই সময় তারা খুব দ্রুত ছুটে চলে-
মানুষের গতির চেয়েও বহু গুণ বেশি দ্রুততায়।
কেউ আশ্রয় নেয়-
খালি পাত্রে
পরিত্যক্ত ঘরে
মানুষের ভিড়ের মধ্যেও (মানুষ টেরও পায় না)

কারণ, শয়তানদের মধ্যেও শক্তির লড়াই আছে-
শক্তিশালীরাই টিকে থাকে।

শয়তান কোথায় থাকতে পছন্দ করে?
শয়তান স্বভাবগতভাবেই নাপাক জায়গা পছন্দ করে।
তাই তাদের বেশি দেখা যায়-
টয়লেট ও পায়খানায়
আবর্জনার স্থানে
নোংরা পরিবেশে

এই সময় আশ্রয় খুঁজতে গিয়ে তারা কখনো কখনো অসাবধান শিশুদের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে।

শিশুদের কেন বেশি ক্ষতি হয়?
যদি কোনো শিশু মাগরিবের সময় বাইরে থাকে বা অসুরক্ষিত থাকে-
শয়তান তার শরীরে ঢুকে পড়তে পারে
কখনো সাময়িকভাবে থাকে
কখনো কিছু সময় অবস্থান করে

এর ফল হিসেবে দেখা যায়-
শিশুর মেজাজ হঠাৎ বদলে যাওয়া
অকারণে তীব্র কান্না
ভয়, অস্থিরতা
রাতে ঘুমের মধ্যে চমকে ওঠা

অভিভাবকরা কারণ না বুঝে অনেক সময় শিশুকে বকা দেন-
অথচ সমস্যার মূলটা তারা বুঝতেই পারেন না।
ডায়াপার (প্যাম্পার্স) বিষয়টি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

শয়তান যেহেতু নাপাক জিনিসে আকৃষ্ট হয়-
শিশুর নোংরা ডায়াপার
প্রস্রাব-পায়খানার গন্ধ

এগুলো শয়তানের জন্য আশ্রয় নেওয়ার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
তাই দেখা যায়-
কিছু শিশু হঠাৎ চিৎকার করে ওঠে
কেউ ঘুমের মধ্যে অস্থির হয়
এগুলো অনেক সময় শয়তানের কষ্ট দেওয়ার ফল।
বড়দের ক্ষেত্রেও কি প্রভাব পড়ে?

হ্যাঁ।
এই দ্রুতগতিতে আশ্রয় খুঁজতে গিয়ে-
শয়তান বড় বা ছোট যে কারো শরীরেই ধাক্কা দিতে পারে
কখনো সাময়িকভাবে ভর করতে পারে

এর ফলে কারও হতে পারে-
হঠাৎ ভয়
অজানা দুশ্চিন্তা
বিষণ্নতা
অস্থিরতা
নবীজি ﷺ-এর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এই কারণেই রাসুলুল্লাহ ﷺ বিশেষভাবে বলেছেন-
মাগরিবের সময় শিশুদের ঘরে রাখো
কারণ তারা নিজেরা আত্মরক্ষা করতে পারে না
বাবা-মায়ের দায়িত্ব হলো তাদের হিফাজত করা

আমাদের করণীয়

নিয়মিত সকাল ও সন্ধ্যার যিকির পড়া
শিশুদের উপর দুআ পড়ে ফুঁ দেওয়া
মাগরিবের সময় শিশুদের বাইরে না রাখা
ঘর পরিষ্কার রাখা
নাপাক জায়গা খোলা না রাখা

সন্ধ্যার যিকির: আসরের পর
সকালের যিকির: ফজরের পর

আল্লাহ তাআলা আমাদের, আপনাদের ও সব মুসলমানকে হিফাজত করুন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে শয়তানের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করুন।
আমিন।

#হাদিস #حديث

Address

একে খান মোড়, কুটুম বাড়ী রেস্তোরাঁর ঠিক পিছনের বিল্ডিং এর নিচ তলায়। পাহাড়তলী চট্টগ্রাম।
Chittagong
4202

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama Center Chattogram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hijama Center Chattogram:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram