Cure Cup Hijama Centre

Cure Cup Hijama Centre Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Cure Cup Hijama Centre, Doctor, 1506, Chowdhury Villa (1st Floor), Old CSCR Building, OR Nizam Road, Gol Pahar, Chittagong.

Cure Cup Hijama Centre is highly specialized cupping centre run by a group of BMDC registered MBBS Doctors who specializes in Pain, Arthritis, paralysis and sports Medicine.

18/12/2023

থাইল্যান্ডে বৈজ্ঞানিক কনফারেন্সে অংশগ্রহন শেষে পুনরায় কিউরেক্স এ রোগী দেখা শুরু করেছি।

সিরিয়াল বা তথ্য জানতে যোগাযোগ করতে পারেন 01601880297, 01601880298 নাম্বারে।

09/12/2023

পিঠ ব্যথা প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরী হলো আপনার পিঠের উপর চাপ কমানো। তাই দৈনন্দিন চলাফেরা এবং কাজকর্মের সময় আপনার দেহভঙ্গীর দিকে খেয়াল রাখুন। কিছু কাজ আছে যেগুলিকে আপনার দৈনন্দিন জীবনে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে পিঠে ব্যাথা বা ব্যাকপেইন থেকে সহজেই দূরে থাকা সম্ভব। চলুন এমন নয়টি অভ্যাস সম্পর্কে জেনে নিই।

১. কম ওজন বহন করুন

ভারী ব্রিফকেস, ল্যাপটপ ব্যাগ, স্যুটকেস কিংবা বাজারের ব্যাগ- এগুলি আপনার ঘাড় এবং মেরুদণ্ডে অপ্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগ করতে পারে। তাই শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় জিনিসই বহন করুন। এমন ব্যাগ ব্যবহার করুন যা পিঠে, ঘাড়ে, কাঁধে সমানভাবে ভর বিতরণ করে, যেমন ব্যাকপ্যাক, যা দুই কাঁধে নেয়ার মত। ভারী কিছু বহন করতে চাইলে, প্রয়োজনে চাকাওয়ালা ব্যাগ ব্যবহার করুন।

২. ব্যায়াম করুন

আপনার পেট এবং পিঠের চারপাশের পেশীগুলি আপনাকে সোজা থাকতে সাহায্য করে এবং পুরো শরীরের ভার বহন করতে সহায়তা করে। তাই এগুলিকে শক্তিশালী করে আপনার পিঠে ব্যথা বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত কয়েকবার পেট ও পিঠের ব্যায়াম করুন।

৩. সোজা হোন

সঠিক দেহভঙ্গী আপনার মেরুদন্ডকে সুস্থ রাখে এবং সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। দেহভঙ্গি সঠিক না হলে তা আপনার মেরুদন্ডে অপ্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগ করে। যারা দীর্ঘক্ষণ অফিসে কিংবা কম্পিউটারের সামনে কাজ করেন তাদের ব্যাকপেইন হবার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। তাই চেয়ারে বসার সময় হয়ে বসতে হবে। দাড়ানোর সময়ও সোজা হয়ে দাড়াতে হবে। ফোন ব্যবহারের সময় চেষ্টা করতে হবে যেন তা মাথা সোজা রেখে ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটারের মনিটর প্রয়োজনে উচু করে নিতে হবে যেন মাথা ও শিরদাড়া সোজা রেখে কাজ করা যায়। ।

৪. টেবিলের উপর ঝুঁকে পড়বেন না

অফিসের চেয়ারে বসার সময় কিংবা দাঁড়ানোর সময় ঝুঁকে যাবেন না। বিশেষ করে যদি আপনি প্রতিদিন কয়েক ঘন্টার বেশি বসে থাকেন বা ‘ডেস্ক জব’ করেন তাহলে ঠিকভাবে বসা এবং আপনার পিঠকে পেছন থেকে সঠিকভাবে চাপ দিয়ে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ, ।

বসার চেয়ারটা ভাল হওয়া খুব জরুরী। এমন চেয়ার বেছে নিন যা আপনার পিঠের নীচের দিককে সঠিক ভাবে চাপ দিয়ে রাখতে পারবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনি বসলে আপনার হাঁটু আপনার নিতম্বের থেকে একটু উঁচুতে থাকে।

৫. প্রায়ই নড়ে চড়ে বসুন, উঠুন

দীর্ঘ সময় ধরে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা, বসা বা শুয়ে থাকা আপনার পিঠের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। আপনি যখনই পারেন বসা থেকে উঠে, হাঁটাহাঁটি করে এবং কিছু সাধারণ হাল্কা স্ট্রেচ করে পেশী এবং হাড় এবং মেরদন্ডকে চাপ থেকে মুক্তি দিন। এটি আপনার পিঠে রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয় এবং সুস্থ রাখে।

৬. জুতা বদলান

হাই-হিলের জুতা আপনার পিঠের ক্ষতির কারণ হতে পারে, বিশেষ করে তা যদি নিয়মিত পরেন। তাই অল্প উচ্চতার সমান তলিওয়ালা জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।

৭. আপনার ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণের পরিমাণ বাড়ান

পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণ করে আপনার মেরুদন্ডের হাড় মজবুত রাখুন। ক্যালসিয়াম অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে, যা বিশেষ করে নারীদের পিঠে ব্যথার একটি বড় কারণ। দুধ, দই, শাকে আপনি পাবেন ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি পাবেন চর্বিযুক্ত মাছ, ডিমের কুসুম, গরুর যকৃত বা কলিজা কিংবা পনিরে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরণের ক্যালসিয়াম বড়ি পাওয়া যায় যা কার্যকত। তবে ভিটামিনের বড়ি খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে।

৮. সিগারেটটা বাদ দিন

ধূমপান গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এটি ব্যাকপেইনও বাড়িয়ে তুলতে পারে। নিকোটিন মেরুদন্ডের ডিস্কগুলিতে রক্ত ​​প্রবাহকে সীমিত করে দেয়, যার ফলে তারা শুকিয়ে যায় বা ফেটে যেতে পারে। ধূমপান রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণও হ্রাস করে এবং এর ফলে পেশীতে কম পুষ্টি পৌঁছায়। এই দুর্বল, অসুস্থ পিঠ দুর্ঘটনাজনিত স্ট্রেন এবং পিঠে ব্যথা সৃষ্টিকারী টানগুলির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

৯. হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে ঘুমান

উপুড় হয়ে বা চিৎ হয়ে ঘুমালে আপনার মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে। ঘুমের সময় আপনার পা সামান্য উঁচু করে রাখলে পিঠের এই চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে আপনি আপনার পিঠের উপর চাপ অর্ধেক কমে ফেলতে পারেন।

02/04/2023

পবিত্র মাহে রমজানের জন্য শুধু বড়রাই অপেক্ষা করে না, ছোট ছেলেমেয়েরাও সারা বছর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে রোজা রাখার জন্য। অনেক ছোট ছেলেমেয়ে রোজা রাখতে বেশ পছন্দ করে। তাই পরিবারের সবাই তাদের রোজা রাখাকে শুধু উৎসাহিতই করবে না, বরং তারা যেন সুস্থভাবে রোজা রাখতে পারে সে বিষয়টাকেও অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

🍁🍁বাত ও ব্যথার রোগীদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ 🍁🍁☘️ বাত-ব্যথা, কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, ঘাড় ব্যথা, আর্থ্রাইটিস, মেরুদণ্ড-জয়েন...
01/08/2021

🍁🍁বাত ও ব্যথার রোগীদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ 🍁🍁

☘️ বাত-ব্যথা, কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, ঘাড় ব্যথা, আর্থ্রাইটিস, মেরুদণ্ড-জয়েন্ট রোগ, স্ট্রোক ও প্যারালাইসিস ইত্যাদি রোগের সেবা এখন পাওয়া যাবে ফিজিক্যাল মেডিসিন সেন্টার বহিঃবিভাগে।

📝 ফিঃ ২০০/= মাত্র

⏰ সময়ঃ শনি থেকে বৃহস্পতিবার
সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত

🏨 স্হানঃ ফিজিক্যাল মেডিসিন সেন্টার,
গোলপাহাড় মোড়, চট্রগ্রাম

☎️যোগাযোগঃ 01321 871136, 01321 871126

ফিজিক্যাল মেডিসিন সেন্টার চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে আউটডোর পরিসেবা। মাত্র ২০০ টাকায় বাত, ব্যথা, মেরুদন্ড জয়েন্ট রোগ আর্থ্রাই...
17/05/2021

ফিজিক্যাল মেডিসিন সেন্টার চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে আউটডোর পরিসেবা। মাত্র ২০০ টাকায় বাত, ব্যথা, মেরুদন্ড জয়েন্ট রোগ আর্থ্রাইটিস ও প্যারালাইসিস রোগের চিকিৎসা সেবা নেয়ার সুবর্ণ সুযোগ!
সময়ঃ সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত
সিরিয়াল নিতে ফোন করুনঃ 01321-871136

20/10/2020

আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ স্বীয় পরিবার-পরিজনের জন্য পুণ্যের আশায় যখন ব্যয় করে তখন সেটা তার জন্য সদাকাহ হয়ে যায়।

(৪০০৬, ৫৩৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৩)


সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫৫
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

মদিনা শরিফের খুতবাডাক্তারিবিদ্যা ও চিকিৎসা গ্রহণের নীতিমালাশায়খ ড. সালাহ বিন মুহাম্মদ আল-বুদাইরমেডিকেল সায়েন্স বা চিকিৎস...
25/09/2020

মদিনা শরিফের খুতবা

ডাক্তারিবিদ্যা ও চিকিৎসা গ্রহণের নীতিমালা
শায়খ ড. সালাহ বিন মুহাম্মদ আল-বুদাইর

মেডিকেল সায়েন্স বা চিকিৎসাবিজ্ঞান অন্যতম প্রধান উপকারী ও বিশাল প্রভাব বিস্তারকারী বিদ্যার অন্তর্ভুক্ত। এতে দক্ষতা অর্জন করা উচ্চতম মর্যাদা ও গৌরবের বিষয়। এখানে অতিক্রম করতে হয় দুর্গম পথ, দুরূহ সোপান ও কঠিন সিঁড়ি। মেডিকেলের ছাত্র এক্ষেত্রে একটি একটি করে ধাপ উঠতে থাকে এবং ওপরে আরোহণ করতে থাকে, একপর্যায়ে সে শীর্ষ স্তরে ও সুউচ্চ চূড়ায় পৌঁছে। নিরলস ধৈর্যশীল পরিশ্রমী ছাড়া তা কেউ অর্জন করতে পারে না। অবিচ্ছিন্নভাবে অবিরাম গতিতে ধারাবাহিক অধ্যবসায়ী ব্যক্তিই শুধু তা লাভ করতে পারে। ইমাম শাফেঈ (রহ.) বলেন, ‘বিদ্যা দুই ধরনের, ধর্মবিষয়ক ব্যুৎপত্তিগত বিদ্যা ও শরীরবিষয়ক চিকিৎসাবিদ্যা।’ রবি (রহ.) বলেন, আমি শাফেঈ (রা.) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, ‘হালাল-হারামের পরে চিকিৎসার চেয়ে বেশি অভিজাত বিদ্যার কথা আমার জানা নেই।’ বলা হয়ে থাকে, ‘ওই শহরে বাস করো না, যেখানে এরকম শাসক নেই, যে তোমাকে নিরাপত্তা দেবে, পানি নেই তা তোমার তৃষ্ণা মেটাবে, আলেম নেই, যে তোমাকে ফতোয়া প্রদান করবে এবং এমন ডাক্তার নেই, যে তোমার চিকিৎসা করবে।’

ইসলাম চিকিৎসার প্রতি চূড়ান্ত গুরুত্বারোপ করেছে। সহিহ বোখারির চিকিৎসা অধ্যায়, সহিহ মুসলিমের চিকিৎসা, রোগ-ব্যাধি ও রুকায়্যা অধ্যায়, সুনানে আবু দাউদের চিকিৎসা অধ্যায়, সুনানে তিরমিজিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর চিকিৎসা অধ্যায়, নাসাঈ (রা.) এর সুনানে কুবরার চিকিৎসা অধ্যায় ও সুনানে ইবনে মাজাহর চিকিৎসা অধ্যায় খুলে দেখুন।

বর্ণিত আছে, চিকিৎসক ইবনে মাসওয়াই যখন নবী করিম (সা.) এর এ হাদিসটি পাঠ করেন, ‘মানুষ পেটের চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো পাত্রকে ভরপুর করেনি। আদম সন্তানের জন্য এ পরিমাণ খাবার যথেষ্ট, যা তার মেরুদ-কে ঠিক রাখে। যদি খেতেই হয় তবে পেটের এক-তৃতীয়াংশ তার খাবারের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ তার পানীয়ের জন্য আর এক-তৃতীয়াংশ তার নিঃশ্বাসের জন্য।’ তখন তিনি বলেন, ‘মানুষ যদি এ কথাগুলো কাজে লাগাত তাহলে তারা বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি থেকে নিরাপদ থাকত। হাসপাতালগুলো ও ফার্মেসিগুলো বন্ধ হয়ে যেত।’ আরবরা বলে, ‘দিনের সবচেয়ে উত্তম খাবার হলো তার প্রথমভাগের খাবার আর রাতের সবচেয়ে উত্তম খাবার হলো যা আলো থাকতে থাকতে খাওয়া হয়।’

অভিজ্ঞ দক্ষ নিপুণ ডাক্তার সূক্ষ্ম ওষুধের সন্ধান জানে। চোখের দুর্বল দৃষ্টির পর্দা বা ছানি সরাতে পারে। আল্লাহ ডাক্তারের অস্ত্রোপচারের ছুরিকে রহমত, তার জখমকে মুক্তি, তার ব্যান্ডেজকে উপহার, তার ট্যাবলেটকে আরোগ্যে পরিণত করে দিন।

আরবরা এমন চিকিৎসককে হাকিম ও মমতাবান বলে আখ্যায়িত করত। কেননা সে রোগীর প্রতি কোমল আচরণ করে, তার প্রতি সহমর্মিতা দেখায়, তাকে অভয় দেয়।

একমাত্র আল্লাহই রোগীকে আরোগ্য দান করেন, তাকে সুস্থতা দেন। আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া সব ডাক্তার মিলেও আরোগ্য সাধন করতে সক্ষম হবে না। কেননা, একমাত্র তিনিই আরোগ্যদাতা, তিনি রোগে আক্রান্ত করেন, ওষুধ দিয়ে সাহায্য করেন এবং আরোগ্য দিয়ে দয়া করেন। ‘ডাক্তার আমাকে আমার চোখের আরোগ্যের আশা দেন। আল্লাহ ছাড়া এর কোনো চিকিৎসক আছে?’

আরোগ্য অন্যতম মৌলিক নেয়ামত, রোগী যেহেতু সেটা আল্লাহর পক্ষ হতেই লাভ করে, ডাক্তারের কাছে নয়, তাই ইবরাহিম (আ.) বলেন, ‘আর আমি যখন অসুস্থ হই তিনি আমাকে আরোগ্য দান করেন।’ (সুরা শুআরা : ৮০)। সুহাইব (রা.) থেকে বর্ণিত, সেই বালকের গল্প নিয়ে, যে অন্ধ ও কুষ্ঠরোগীকে সুস্থ করে তুলত এবং আল্লাহর হুকুমে যাবতীয় রোগের চিকিৎসা করত। বাদশাহর একজন সহচর এ কথা শুনতে পেল, সে অন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সে বালকটির কাছে অনেক উপহারসামগ্রী নিয়ে এসে বলল, তুমি আমাকে আরোগ্য দিতে পারলে এখানে যা আছে সব তোমার জন্য। তখন বালক বলল, ‘আমি কাউকে আরোগ্য দান করতে পারি না। শুধু আল্লাহই আরোগ্য দেন। আপনি যদি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনেন, তবে আমি আল্লাহর কাছে আরোগ্যের প্রার্থনা করব, তিনি আপনাকে আরোগ্য দান করবেন।’ লোকটা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনল। আল্লাহ তাকে আরোগ্য দিলেন, তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিলেন। (মুসলিম)।

ডাক্তার ও নার্সদের এত অবদান, যার পুরোপুরি বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া এখানে সম্ভব নয়। তাই আপনারা ডাক্তারদের মর্যাদা ও নার্সদের সম্মান রক্ষা করুন। তাদের প্রচেষ্টা ও ত্যাগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। তারা সবাই মিলে নির্বিকার চিত্তে মানুষকে মৃত্যুর তীব্রতা ও করোনা মহামারির যন্ত্রণা থেকে সুরক্ষা দিতে একটি নিরাপদ দুর্গ ও সুউচ্চ চূড়া হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে। ‘আপনারা নিজেদের সন্তানদের রেখে রোগীদের প্রাধান্য দিয়েছেন, আপনাদের থেকে ভালোবাসা ও পরার্থপরতা চেনা যায়।’

চিকিৎসা গ্রহণ করা মুস্তাহাব। চিকিৎসা না করলে তা যদি ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায় তখন চিকিৎসা করা ওয়াজিব বা আবশ্যক হয়ে যায়। উসামা ইবনে শারিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা চিকিৎসা গ্রহণ কর, কেননা আল্লাহ যত রোগ দিয়েছেন তার সবগুলোর জন্য আরোগ্যের ব্যবস্থা করেছেন, তবে মৃত্যু ও বার্ধক্য ছাড়া।’ (আহমাদ ও ইবনে হিব্বান)। সুতরাং যখন চূড়ান্ত ফয়সালা চলে আসে আর নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যায়, তখন সব মেডিসিন ব্যর্থ হয় এবং সব ব্যবস্থা নস্যাৎ হয়ে যায়।

ডাক্তারের উচিত রোগীকে উৎসাহিত করা, সুস্থতার আশ্বাস দেওয়া, তার সঙ্গে কোমল স্বরে কথা বলা। তার বেদনা লাঘব করা। তার ব্যথা দূর করা। তার ভয়, আতঙ্ক, শঙ্কা ও উৎকণ্ঠা তাড়ানো। বলা হয়, ‘চিকিৎসকের কোমল আচরণ অর্ধেক ওষুধ।’ রোগীর সামনে মুচকি হাসি দিলে তার ব্যথা লাঘব হয়। তার মনে তা আনন্দ দেয়। কঠিন হৃদয়ের কর্কশ নির্মম আচরণকারী ডাক্তার রোগীর কাছে আঘাতকারী ঝড়ের মতো, তা তার সামনের সব উৎপাটন করে, তার মনের আশা ধ্বংস করে দেয়। যে রোগীকে কোনো ভূমিকা ও প্রস্তুতি ছাড়াই ভয়ানক ব্যাধির কথা বলে আতঙ্কিত করে দেয়, সে রোগ আরও জটিল করে তোলে, ব্যাধি আরও বৃদ্ধি করে দেয়।

ডাক্তারের কর্তব্য হলো ধৈর্যশীল হওয়া, রোগীর অধিকার লক্ষ্য রাখা। আক্রান্ত রোগীর প্রতি সদয় হওয়া। হে চিকিৎসক সম্প্রদায়, আপনারা রোগীদের হাত ধরে তাদের ব্যথার অসুবিধা ও সংকীর্ণতা থেকে আশার প্রশস্ততার দিকে নিয়ে যান। ডাক্তার রোগীকে তার নিজের জীবনের জায়গায় বিবেচনা করবে। তার ইজ্জত রক্ষা করবে, তার গোপনীয়তা বজায় রাখবে। তার দোষ আড়াল করবে। তার দুর্বলতা প্রচার করবে না, যা ফাঁস হলে রোগীর ক্ষতি হয়। রোগীর সতর উন্মোচন করবে না, তবে চিকিৎসার প্রয়োজনে করতে পারবে। রোগ নির্ণয় ও প্রেসক্রিপশন তৈরি করতে ডাক্তারের খুব চিন্তাভাবনা করে, গবেষণা করে ও যাচাই করে কাজ করতে হবে। সন্দেহ লাগলে পরামর্শ করবে। জলদি করবে না। যা ভালো করে পারবে না তা করতে যাবে না। অজ্ঞ লোকের দ্বারা চিকিৎসা করানো বৈধ নয়, তার কোনো জ্ঞান নেই, চর্চা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা নেই। অজ্ঞ মূর্খ কেউ ডাক্তারি করতে গেলে সে মানুষকে ধোঁকা দিল। মানুষের জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিল। আমর ইবনে শুয়াইব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে লোক ডাক্তারি করে অথচ তার ডাক্তারিবিদ্যা বিষয়ে কিছুই জানা যায় না, তার সব দায়ভার নিতে হবে।’ (আবু দাউদ ও নাসাঈ)।

বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় টেস্ট, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চেকআপের নাম করে রোগীদের স্বার্থসিদ্ধির কাজে লাগানো হারাম। বাণিজ্য ও রোগীদের টাকা মেরে খাওয়া ছাড়া যেগুলো করানোর আর কোনো উদ্দেশ্য ও কারণ নেই। রোগীদের যন্ত্রণা ও কষ্টকে পুঁজি করেই যে প্রাচুর্য গড়ে ওঠে তা কতই না জঘন্যতম প্রাচুর্য!

কোনো কোনো চিকিৎসক ও ফার্মেসির লোক রোগীদের জন্য অনেক উচ্চমূল্যের ওষুধ প্রদান করে, অথচ সে ওষুধের উপযুক্ত ক্রিয়াশীল অল্প মূল্যের বিকল্প আছে। তারা এটা করে ওষুধ কোম্পানির প্রচারণা ও নিজেরা কমিশন পাওয়ার উদ্দেশ্যে। রোগীর স্বার্থ না দেখে নিজের স্বার্থ দেখে। যাদের মনে দয়ামায়া বলতে কিছু নেই তারাই এটা করে থাকে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খুব কমই এমন হয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের সামনে বক্তব্য দিয়েছেন আর এ কথাটি বলেননি, ‘যার আমানতদারি নেই তার ঈমান নেই। যার অঙ্গীকার পালন নেই তার দ্বীন নেই।’ (বায়হাকি)।

আপনারা ভ- ডাক্তারির বিষয়ে সতর্ক থাকুন, যারা বাটপারি করে ভেজাল ও বিকৃত ক্লিনিক খুলে বসে আছেন। অনুমোদন ছাড়া রোগী দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা চটকদার বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন। তারা মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনকে মারাত্মক ঝুঁকি ও হুমকির মুখে ফেলে দেন। আল্লাহ কোরআন দ্বারা জ্যোতিষী ও গণকদের মিত্রদের কর্মকা-কে বাতিল করে দিয়েছেন। তাই আপনারা গণক, জ্যোতিষী, মিথ্যুক, ভ- কবিরাজ ও ভিত্তিহীন ভবিষ্যদ্বাণী করে, যারা চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে ও মানুষকে ঠকায়, ব্ল্যাক ম্যাজিক করে, শরিয়তের সীমা লঙ্ঘন করে ঝাড়ফুঁক দেয়, কুফরি করে তাবিজ-কবচ বিক্রি করে, তাদের থেকে সতর্ক ও সাবধান থাকুন।

১ সফর ১৪৪২ হিজরি মসজিদে নববির জুমার খুতবার সংক্ষিপ্ত ভাষান্তর করেছেন
মাহমুদুল হাসান জুনাইদ

সৌজন্যে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ

28/08/2020
রামাদান মোবারক
24/04/2020

রামাদান মোবারক

24/04/2020

⚫🔵রমাদান রুটিন: ১৪৪১হি:।।
সবার একটা রুটিন থাকা উচিৎ। তাতে করে কিছু না করলেও বুঝা যায়, কি করিনাই!আর একটা অনুভুতির তাড়া সাথে থাকে।এটি #নমুনা হিসেবে উপস্থাপন করছি।
২:৩০-২:৪০ → ঘুম থেকে উঠা,দুয়া, টয়লেট, ওযু।
২:৪০-২:৪৫ → তাহ্যিয়াতুল ওযুর ২ রাকাত নামাজ।
২:৪৫-৩:২৫ → তাহাজ্জুদের (কিয়ামুল লাইল২/৪/৬/৮- রাকাত নামাজ।
৩:২৫-৩:৪০ → দুয়া-মুনাজাত।
৩:৩৫-৩:৫০ → সাহরী করা।(আনুসংগিক ধরে,বন্ধুবান্ধব,আত্নীয় সজনের কাছে ফোন করা।।(খেতে এত সময় লাগে?😊তাই টাইম বিশ্লেষণ দিলাম)
৩:৫০→ ফজরের আযান পর্যন্ত কুরআন পড়া অথবা ইস্তিগফার করা। এই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো ইস্তেগফার। এটি তাহাজ্জুদ এবং তারাবিহ থেকে ভিন্ন ধরনের ইবাদত।

🔵শেষ রাতে বা ফজরের আগে ইস্তেগফার সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গোনাহ ক্ষমা করে দাও আর আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।
তারা ধৈর্য্যধারণকারী, সত্যবাদী, নির্দেশ সম্পাদনকারী, সৎপথে ব্যয়কারী এবং শেষরাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।[আলি ইমরান:১৬-১৭]
৩:৫০- ৪:৩০/৫:৩০ → ফজরের নামাজ, জিকির, কোরআন তিলাওয়াত। সম্ভব হলে এশরাক পর্যন্ত জেগে থাকবেন।🤔এখন যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন,অফিস ছুটি তাদের এটা প্রাকটিস জরুরী। তারপর ঘুমান আর যদি সকালে কাজ থাকে তবে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যেতে পারেন।
৯:০০-৯:১৫ → ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু, তাহ্যিয়াতুল ওযুর নামাজ।যারা ইশরাক/দুহা না পড়ে শুয়েছেন তারা পড়ে নিতে পারেন।
৯:১৫-১:০০→ যারা বাইরে কাজ করবেন তারা কাজে চলে যাবেন। যারা বাসায় থাকবেন তারা বাসার কাজ সেরে (ছেলেরা রান্না বান্নায় ১ ঘন্টা সময় দিতে হবে) অন্তত ১ ঘন্টা কুরআন তিলাওয়াত করা যায়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার, জিকির করতে থাকবেন। শুরুতেই বলেছি এবারে আমরা ভিন্ন রকম ভাবে রমাদানকে পালন করার যাচ্ছি, আল্লাহ তায়ালার বিশাল এক নিয়ামত হলো অবসর,তাও এই পবিত্র মাসে! সুবহানাল্লাহ, ইবাদত করার অনেক বড় এক সুযোগ পেয়েছি তাই আসুন কাজে লাগাই।
১:০০-১:৪৫- যোহরের সালাত
১:৪৫-২:১৫ → কুরআন তিলাওয়াত।
২:১৫-৩:৩০ → দ্বীনি ইলম অর্জন,বাড়ির সবাইকে নিয়ে তালিমে বসা, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, দুয়া,(একমাস কি পড়ব,কি মুখস্ত করব তার আলাদা ত্রিশ দিনের রুটিন করতে হবে) ইত্যাদি।
৩:৩০-৪:৩০ → দুপুরের ঘুম।(নেট সময় সহ)
৪:৪৫-৫:১০ → আসরের সালাত।
৫:১০-৫:৫০→ মাসনুন জিকির, কোরআন তিলাওয়াত, দুয়া করা।
৫:৫০-৬:২৫→ ইফতারি তৈরি/ তৈরিতে সাহায্য করা।
৬:২৫-৬:৩০→ দুয়া
৬:৩০-৭:১৫→ ইফতার, মাগরীবের সালাত(সালাতের পরের মাসনুন ওযীফাসহ)
৭:১৫-৮:০০→ বিশ্রাম। এই সময় নেট চালানো, লেকচার, কোরআন তিলাওয়াত শোনা যেতে পারে।
৮:০০-১১:০০ → এশার সালাত, তারাবীহ্। প্রত্যেক ওয়াক্ত যদি সম্ভব হয় অবশ্যই বাড়ির মাহরাম নারী-পুরুষ জামাআতে আদায় করার চেষ্টা করুন।মেয়েদের জামাতে সালাত আদায়ের সিষ্টেম বলে রাখুন।যে কয়েকটি সুরা মুখস্থ আছে সেগুলো দিয়েই পড়ুন।
১১:০০-১১:১৫ → কুরআন তিলাওয়াত।যেটুকু ভালো লাগে।
১১:১৫-১১:৩০ → ঘুমের প্রস্তুতি।
১১:৩০→ ঘুম।
🕳এই রুটিনটা একটা খসড়া রুটিন। যার যার সুবিধামত একে পরিবর্তন করে নিতে পারেন। সবার সাথে টাইমিং না মিললেও আমল গুলি নিজের শিডিউলে যুক্ত করুন। আমাদের দুনিয়াবি ব্যস্ততা নেই বললেই চলে। জীবনের এক ব্যাতিক্রম রমাদানের মুখোমুখি আজ পুরো বিশ্ব।(দান খয়রাত শিডিউলে যুক্ত করিনি,নিজেদের করে নিতে হবে,ঘড়ির কাঁটা মিলিয়ে রুটিনে চলা সম্ভব নয়,কিন্তু রুটিন ছাড়া খাপছাড়া সময়ও কাম্যনয়।।
🕳আপনাদের মতামত কাম্য,আমি প্রয়োজনে আপনাদেরগুলি পেলে আরেকবার সম্পাদনা করে পাব্লিশ করব।আপনার রুটিনও কমেন্টে শেয়ার জরতে পারেন।
👁‍🗨উল্লেখ্য আপনাদের রুটিনে কুরআন হাদীস,অন্যন্য পড়াশুনা, মান উন্নয়নে পরিকল্পিত কিতাবের নাম সমুহ ,যুক্ত করলে আমরা উপকৃত হব।
আল্লাহ্ তা'অালা আমাদেরকে রমাদানের হক যথাযথভাবে আদায় করার তৌফিক দিন।
Abdul Hi Muhammad Saifullah
fb.com/abdulhimd.saifullah

১) আমি তিনটা বছর একা কষ্ট করেছি, কী পরিমাণ কষ্ট সেটা কাউকে বলতে ইচ্ছে করছে না। সেই তিন বছর আমার হাসবেন্ড উচ্চতর ডিগ্রী ন...
19/04/2020

১) আমি তিনটা বছর একা কষ্ট করেছি, কী পরিমাণ কষ্ট সেটা কাউকে বলতে ইচ্ছে করছে না। সেই তিন বছর আমার হাসবেন্ড উচ্চতর ডিগ্রী নিতে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজে ছিলেন। সরকারী কোনো টাকা পেতেন না।

আমি চাকরি করে ঢাকা শহরে বাসা ভাড়া, খাওয়া খরচ একা চালিয়েছি। ভয়ে কম খেতাম, কোনো আত্মীয় স্বজনের দাওয়াতে, বিয়েতে খরচের ভয়ে যেতাম না। কম খাওয়ার দরুণ আমার গর্ভের সন্তান পুষ্টি পায়নি, গ্রোথ রেস্ট্রিকশন ধরা পড়েছিল।

আমি একজন ডাক্তারের স্ত্রী। ঢাকা মেডিকেল থেকে পাশ করা ডাক্তার।

২) অনারারি করা ডাক্তারেরা এক পয়সাও পেতেন না। তাদের "অনাহারী" বলে উপহাস করা হয়। অথচ তাদের সংসার আছে। আমার পরিচিত এক ডাক্তার ভাই সুদে টাকা ধার নিতে বাধ্য হন পরিবার চালাতে। একজন ডাক্তারের কথা শুনেছিলাম যে তিনি তার বাচ্চার জন্য দুধ কিনে দিতে পারতেন না।

সবাই ভাবে ডাক্তারদের অনেক অনেক টাকা। টাকার বস্তা নিয়ে তারা ঘুরে বেড়ায়।

এমবিবিএস পাস করার পর হাসপাতালে ডিউটি ডাক্তারদের বেতন কত জানেন? কোনো মেডিকেল কলেজ দেয় পনেরো হাজার, কেউ আঠারো হাজার। গুলশানের একটা নামকরা মেডিকেল কলেজ একজন এমবিবিএস পাশ করা লেকচারারকে বারো হাজার টাকা বেতন দিত। এখন কত দেয়, জানি না।

এই সামান্য টাকায় তারা কীভাবে সংসার চালাবে?

সরকারী ডাক্তারদের বেতন একই স্কেলের ক্যাডারদের বেতনের সমান। বর্তমানে একজন এন্ট্রি লেভেলের ৯ম গ্রেডের সরকারী মেডিকেল অফিসারের বেসিক বেতন ২২ হাজার টাকা। অথচ তারা কি পরিমাণ ডিউটি করেন, জানেন?

আমার দুই বোন সরকারী ডাক্তার। ওদের সন্তানেরা কতটুকু বঞ্চিত হয়েছে তা আমি দেখেছি। দিনের পর দিন বাচ্চাদের ডিপরাইভ করেছে। দিন শেষে কী পেয়েছে? আমজনতার গালি, কসাই উপাধি।

আমার আরেক বোন সরকারী কলেজে আছে, তাদের সরকারী শিক্ষা ছুটি দেখলে চোখ কপালে উঠবে। রামাদানের প্রায় পুরো মাস ছুটি। আর আমার ডাক্তার বোন ঈদের পরের দিনও ডিউটি করেছে। হাসপাতালে হিন্দু ডাক্তার না থাকায় ঈদের দিনের এক শিফটে তাকে ডিউটি করতে দেখেছি।

যখন আপনারা চাকরিতে ঢুকে আরাম করেছেন, বউ-বাচ্চাকে সময় দিয়েছেন, হানিমুন করেছেন, তখন তারা চাকরি করে পেটের ক্ষুধা মিটিয়েছেন আবার রাত জেগে পড়েছেন একটা ডিগ্রির জন্য যাতে তাদের পরবর্তী জীবন সহজ হয়। কত রাত, কত দিন গেছে, কল্পনাও করতে পারবেন না। সব আনন্দ, সব কিছু তুচ্ছ করে তারা কাজ করেছেন, দিন শেষে রাত জেগে পড়াশুনা করেছেন।

আমি আমার বিয়ের প্রথম জীবনে আমার ডাক্তার স্বামীর কাছে সময়, টাকা তেমন কিছুই পাইনি। যখন অন্যরা আনন্দ করতে ব্যস্ত, তখন আমরা বেঁচে থাকার লড়াইয়ে ব্যস্ত ছিলাম।

অথচ আমজনতা ভাবে ডাক্তারেরা টাকা নিয়ে বসে আছে। গ্রাম থেকে আমার বাসায় আসা অর্ধশিক্ষিত রোগীও প্রফেসরকে দেখাতে চান যার হাজার টাকা ভিজিট। তাদের সামান্য অসুখে কম ভিজিটের জুনিয়র ডাক্তারকে দেখালেও পারত। অথচ তারা নামকরা প্রফেসর ডাক্তার দেখাতে চান। এই নামকরা প্রফেসরের বয়স কত? তার জীবনের সংগ্রামের গল্পটা কেউ জানেন? দিন শেষে ডাক্তারকে তারা গালি দিয়ে গেছে, তিন মিনিটে হাজার টাকা? বাপরে বাপ!

বিদেশী ডাক্তারের মুখ দিয়ে মধু বের হয়, কথা সত্য। দেশি ডাক্তারেরা, বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারেরা সময় দেন না, মুখ দিয়ে মধু বের হয় না। দিনে কত রোগী আসে জানেন? কত রোগীর বিপরীতে কত জন ডাক্তার থাকার কথা আর কতজন আছেন, হিসেব বলতে পারবেন?

গত বছর আমার ছোট মেয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে খারাপ অবস্থায় চলে গিয়েছিল। উত্তরার একটা নরম্যাল হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিলাম, তারা যখন আশা ছেড়ে দিল, আমরা একটা আইসিইউ এর জন্যে রাতের বেলা হন্যে হয়ে ঘুরি। তখন সব হাসপাতাল রোগীতে ভর্তি, কোথাও ফাঁকা নাই। শেষমেশ একজন ডাক্তার ভাইয়ের রেফারেন্সে এপোলো হসপিটালে ভর্তি করাতে পারি। এই হাসপাতাল বিদেশি ডাক্তারে ভরপুর। নিট এন্ড ক্লিন, একটু পর পর বাচ্চার পছন্দ অনুযায়ী পুষ্টিকর খাবার সাপ্লাই দিয়ে যায়। নার্স, আয়া, ক্লিনার, পুষ্টিবিদ, ডাক্তার সবাই হাসিমুখে কথা বলে। কী তাদের ব্যবহার! মধু মধু!

এই হাসপাতালে একদিনের আইসিইউ এর বিল জানেন?
আমরা ধারে বিল শোধ করেছিলাম, কত মাস লেগেছে সেই ঋণ শোধ করতে সে গল্প আর বললাম না। টাকা খরচ করলে মধু ব্যবহার পাওয়া যায়, সেটা দেশে হোক বা বিদেশে।

ডাক্তারদের প্রতি সহানুভূতিশীল হন। তারা জীবন বাজি রেখে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তার বিনিময়ে তারা কয় টাকা বেতন পাবে?

সরকারী চাকরিজীবী ডাক্তারদের বেতন সবাই জানে। বেসরকারী হাসপাতালের একজন ডিউটি ডাক্তারের বেতন অনেক সময় একজন গার্মেন্টস কর্মীর বেতনের সমান হয়। রোগীর টাকা অধিকাংশটাই মালিক পায়। ডাক্তার নয়। তিনি তো সামান্য কর্মজীবী।

সরকারী মেডিকেলের অব্যবস্থাপনা, হুইল চেয়ার নাই, বেড নাই, ইকুপমেন্ট নাই, এর দায় কার? ডাক্তার তো সামান্য চাকরিজীবী। তাদের এসব ব্যবস্থাপনার ক্ষমতা নাই। আপনি আসল জায়গায় নাড়া দেন। প্লিজ ডাক্তারদের পেছনে লাগিয়েন না।

তারা ট্যাক্সের টাকায় ডাক্তার হয়েছে? আপনি ট্যাক্সের টাকায় পড়েননি? সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ট্যাক্সের টাকায় চলছে। তাহলে কেন শুধু ডাক্তারদের দিকে আঙ্গুল উঠান?

যারা ত্রাণের চাউল মেরে খাচ্ছে, বিদেশে আনন্দ ভ্রমণ করেছে, ট্রেনের স্লিপারে বাঁশ লাগিয়ে মানুষ মেরেছে, দুর্নীতিবাজ সরকারি ইঞ্জিনিয়ার, বালিশ কেলেংকারি, পর্দা কেলেংকারির নায়কেরা, ব্যাংক ডাকাতরা এদের ধরেন। যারা অসৎ ডাক্তার তাদেরকেও ধরেন, কিন্তু গণহারে ডাক্তারদের গালি দিয়েন না প্লিজ। তাদের উৎসাহ দিন, কাজ করতে দিন।

Dr. Mst. Umme Bushra Sumona

Please share and support our doctors who are fighting against corona virus.

15/04/2020

স্মৃতি খুব কষ্টের, মঈন স্যারের ইন্টার্ন ছিলাম, ইন্টার্নশিপ শেষ হলে স্যার যে হাসপাতালে চেম্বার করতেন ঐ হাসপাতালে ডিউটি ডক্টর ছিলাম।একদিন রাত ২টায় এক রোগী ভর্তি হলো প্রচন্ড খিচুনি নিয়ে। রিসিভ করেই স্যারকে ফোন দিলাম, স্যার ফোন ধরেই বললেন" ফজলুর আমিতো প্রায় বাসায় চলে আসছি,ম্যানেজ করতে পারবা না? আমি আমতা আমতা করে বললাম, স্যার ডায়াজিপাম দিয়েছি,রোগীটা খারাপ এখনও খিচুনি হচ্ছে দেখে গেলে ভালো হত স্যার। স্যার ওভার ফোনে কি কি করতে হবে কিছুক্ষণ বললেন, তারপর হঠাৎ বলে বসলেন ঠিক আছে ফজলুর তুমি ফোন রাখ আমি আসছি। দশমিনিটের ভিতরে স্যার চলে আসলেন।এসেই বললেন যেহেতু ডায়াজিপাম দিয়ে ফেলেছো এখন আমাদের কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে নেক্সট স্টেপে যেতে হবে, স্যার ১৫ মিনিট রোগীর পাশে অপেক্ষা করলেন তারপর বললেন, এখন ফসফেন লোডিং শুরু করো।রোগিটা গরিব ছিল স্যার নিজে থেকে যাবতীয় পরীক্ষার ৫০% কমানোর জন্য স্লিপে সাইন করলেন।পরে যাওয়ার সময় আমাকে বললেন শোন," পার্টি গরীব, আমার ভিজিট তোলার দরকার নাই, ফ্রী করে দিও আর সকালে পেশেন্ট স্টেবল হলে ওসমানীতে রেফার্ড করে দিও, আজ আমার ইউনিটে ভর্তি আছে,এখানে এরা হসপিটালের বিল দিতে পারবে না"।এই ছিলেন আমাদের মঈন স্যার।

আসুন মেডিসিনে FCPS ও কার্ডিওলজিতে MD করা এই ডাক্তারকে আমাদের রাষ্ট্র কি দিয়েছে দেখি,
করোনাতে আক্রান্ত হয়ে স্যার যখন শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন সিলেটে, একসময় ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্যে স্যার এই রাষ্ট্রের কাছে একটি এয়ার এম্বুলেন্স চেয়েছিলেন, রাষ্ট্র জানিয়ে দিয়েছে স্যার এয়ার এম্বুলেন্স পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন না, আমার সদাহাস্যজ্বল স্যার তারপর অনুনয় করে রাষ্ট্রের কাছে একটি আইসিউ এম্বুলেন্স চেয়েছিলেন, রাষ্ট্র কর্নপাতই করেনি।

অবশেষে স্যার নিজ উদ্যোগে একটি সাধারণ এম্বুলেন্সে কুর্মিটোলা হাসপাতালে রেফার হলেন এবং আজ সকালে রাষ্ট্রকে সকল দায়ভার থেকে মুক্তি দিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

নাহ্,রাষ্ট্র কিছুই হারায়নি শুধু আমরা চিকিৎসকরা হারিয়েছি এফসিপিএস ও এমডি কমপ্লিট করা মানবিক একজন স্যারকে।

-Dr.Foyzur Rahman

বিপদজনক এই সময়টাতে, রোগীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিতে সাময়িক স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বিরাজমান এই পরিস্থিতিতে কিওর...
09/04/2020

বিপদজনক এই সময়টাতে, রোগীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিতে সাময়িক স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বিরাজমান এই পরিস্থিতিতে কিওর কাপ হিজামা সেন্টার এবং কিউরেক্স ডায়াগনস্টিক ও কন্সাল্টেশান সেন্টার অনলাইনে চিকিৎসা সেবা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আপাতত ফেইসবুক মেসেঞ্জারে ম্যাসেজের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। বিশেষ প্রয়োজনে ফোনে অথবা ভিডিও কলের মাধ্যমেও সেবা দেওয়া হবে ইন-শা-আল্লাহ।

আপনারা আমদের ইনবক্সে নক করতে পারেন বা কমেন্টে লিখতে পারেন। আমরা চেষ্টা করব দ্রুত সমাধান দেয়ার।

Courtesy:
Cure Cup Hijama Centre
Qrex Diagnostic And Consultation Centre (Pvt) Ltd.

fb.com/curecuphijama
fb.com/qrex.ctg

বিপদজনক এই সময়টাতে, রোগীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিতে সাময়িক স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বিরাজমান এই পরিস্থিতিতে কিওর...
08/04/2020

বিপদজনক এই সময়টাতে, রোগীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিতে সাময়িক স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বিরাজমান এই পরিস্থিতিতে কিওর কাপ হিজামা সেন্টার এবং কিউরেক্স ডায়াগনস্টিক ও কন্সাল্টেশান সেন্টার অনলাইনে চিকিৎসা সেবা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আপাতত ফেইসবুক মেসেঞ্জারে ম্যাসেজের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। বিশেষ প্রয়োজনে ফোনে অথবা ভিডিও কলের মাধ্যমেও সেবা দেওয়া হবে ইন-শা-আল্লাহ।

আপনারা আমদের ইনবক্সে নক করতে পারেন বা কমেন্টে লিখতে পারেন। আমরা চেষ্টা করব দ্রুত সমাধান দেয়ার।

Address

1506, Chowdhury Villa (1st Floor), Old CSCR Building, OR Nizam Road, Gol Pahar
Chittagong

Telephone

+8801841760769

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cure Cup Hijama Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Cure Cup Hijama Centre:

Share

Category

কিওর কাপ হিজামা সেন্টার

হিজামা কি?

“হিজামাহ” একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেটিতে রয়েছে রোগের নিরাময়। হিজামাহ এর শাব্দিক অর্থ যদি করা হয় তাহলে “চোষণ পদ্ধতি”। যদিও একে অনেকে “শিঙ্গা” বলে থাকে তবে আসল অর্থ এটি নয় তবে শিঙ্গা দ্বারা হিজামাহ বুঝালে ক্ষতি নেই। ফুকাহাহ অর্থাৎ ইসলামিক পণ্ডিতগণ বলেন,المص কাপ বা অনুরূপ বস্তু দ্বারা ঘাড়, পিঠ ইত্যাদি স্থান থেকে রক্ত চোষণ এর মাধ্যমে রক্ত বের করার পদ্ধতিকে হিজামাহ বলে।

কিওর কাপ হিজামা সেন্টার কি?

কিওর কাপ চট্টগ্রামের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র গোলপাহাড় মোড়ে অবস্থিত একটি কাপিং বা হিজামা সেন্টার।