Ruqyah & Hijama Center Noakhali

Ruqyah & Hijama Center Noakhali রুকইয়াহ ও হিজামাহ বিষয়ক যেকোনো পরামর্শ পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।
বিশেষ প্রয়োজনে ইনবক্স করতে পারেন, আমাদের এডমিন ভাইগন সময় করে রিপ্লে দিবেন ইনশাআল্লাহ।

24/07/2025

শেফা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা থেকে আসে। অতএব তাঁর দরবারে ধরনা দিন। তিনি অবশ্যই সুস্থ করবেন ইনশাআল্লাহ।

14/11/2021

📣তাবিজ জায়েজ হলেও কেন তাবিজ থেকে দূরে থাকবেন?

কোন ফতোয়া দেয়া বা কারও সমালোচনা করা এই পোস্টের উদ্দেশ্য নয়।
হানাফি ফিকহের ফতোয়া অনুযায়ী তাবিজ জায়েজ। তবে কিছু শর্ত আছে। কি শর্ত? ইসলামে কয়েক প্রকার তাবিজ জায়েজ নয়। যথা-

১-কুরআন হাদীস দ্বারা ঝাড়ফুক দেয়া ছাড়া শুধু তামা, পিতল বা লোহা দ্বারা তাবিজ বানিয়ে লটকিয়ে রাখা। অর্থাৎ শুধু এগুলো লটকানো দ্বারাই রোগমুক্ত হওয়া যাবে বিশ্বাস করে তা লটকানো নাজায়িজ।

২-এমন তাবিজ যাতে আল্লাহর নাম, কুরআনের আয়াত, দুআয়ে মাসূরা ব্যতিত শিরকী কথা লিপিবদ্ধ থাকে।

৩-তাবীজকে মুয়াসসার বিজজাত তথা তাবীজ নিজেই আরোগ্য করার ক্ষমতার অধিকারী মনে করে তাবিজ লটকানো। এ বিশ্বাস জাহেলী যুগে ছিল, বর্তমানেও ইসলাম সম্পর্কে কিছু অজ্ঞ ব্যক্তিরা তা মনে করে থাকে।

৪-যে কালামের অর্থ জানা যায় না এমন শব্দ দ্বারা তাবিজ লেখা।

৫-আরবী ছাড়া অন্য কোন ভাষায় তাবিজ লেখা।
(আহলেহক মিডিয়ার ফতোয়া)

জায়েজ শুনেই আমরা লাফ দিয়ে উঠি। জায়েজ হলেই কি আমল করা শুরু করব?

তালাকও তো জায়েজ। এখন কি গনহারে তালাক দেয়া শুরু করব?
কুরআন আল্লাহর বানী। এর তেলাওয়াত করা আল্লাহর সাথে কথোপথনেরই নামান্তর। অনেক উত্তম ইবাদত। কুরআন কি তাবিজ বানিয়ে ঝুলানোর জন্য নাযিল হয়েছে? এটা কি কুরআনুল কারীমের অবমাননা নয়?

নিজের অবস্থান এক পাশে রেখে একটু চিন্তা করি ঠিকমত।

১। অনেক তাবিজ সরাসরি যাদু। এতে কুরআন হাদিসের কোন চিহ্নই নেই। যার কোন রোগ নেই সে যখন এই তাবিজ নিজের গায়ে লাগায় এর মানে হল সে নিজেকে যাদুগ্রস্থ করল। আর যদি রোগ থেকেও থাকে সে নতুন যাদুতে আক্রান্ত হল।

২। অনেক তাবিজ কুরআনের আয়াত আছে। কিন্তু আয়াতের আগে কোন সংখ্যা লেখা, কোন কোড লেখা। সেই কোডের অর্থ করলে হয়ত এমন দাঁড়াবে, "আমি নিচের কথাগুলো বিশ্বাস করি না।" মানে তাবিজ যদি আয়াতুল কুরসী লেখা থাকে তাহলে মানে দাঁড়ায় আমি আয়াতুল কুরসিতে বিশ্বাস করি না। (নাউযুবিল্লাহ) জেনে বুঝে যদি কেউ আয়াতুল কুরসী বিশ্বাস না করে তাহলে সে কি মুসলমান থাকবে? (বিজ্ঞ মুফতীর থেকে জেনে নিবেন)

৩। আরবী সংখ্যাগুলো চিনে নিবেন। অনেক তাবিজে দেখবেন শুধু সংখ্যা লেখা ঘর করে। পুরনো আমলের কুরআন শরীফের পিছনেও দেখবেন এমন সংখ্যা লিখে অমুক সুরার নকশা। এসব অর্থহীন সংখ্যা নিঃসন্দেহে জায়েজ নাই। বরং জ্যোতিশীরা এসব সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে মাথা ঘামায়। ইসলাম জ্যোতিশীদের সম্পর্কে কি বলে তা একটু খুজে দেখেন।

৪। মুখ দেখেই অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত বলে দিতে পারে আর পাথরের আংটি / তাবিজ বিক্রি করে। বসুন্ধরায় অফিস। সিনেমার স্টাররা তার বিজ্ঞাপনে অভিনয় করে। কোথায় আছে এইগুলো ইসলামে?

৫। এমন তাবিজ পাবেন যা লেখা হয়েছে মহিলাদের নাপাক রক্তে। শয়তানের নামে বলি দেয়া কোন প্রানীর রক্তে। এমন রক্তে কুরআনুল কারীমের আয়াত লেখা কত বড় কুফরি হতে পারে?

৬। তাবিজ পাবেন সবই ঠিক আছে। কুরআনের আয়াত লেখা হয়েছে, কালিও পবিত্র। নাকের কাছে ধরলে প্রস্রাবের গন্ধ। মানে কুরআনের আয়াত লিখে এরপর এর উপর কবিরাজ প্রস্রাব করেছে। (নাউজুবিল্লাহ)

৭। তাবিজে আয়াতুল কুরসী বা কোন কুরআনের আয়াত লেখা কিন্তু ফাকে ফাকে জিবরাইল, মিকাঈল বা কোন শয়তানের নাম লেখা। এটা কি আল্লাহর সাথে শিরক নয়?

৮। নামায, রোযা, কুরআন তেলাওয়াতের খবর নেই। তাবিজ ঝুলিয়ে দিলেন বাহুতে/গলায়/কোমরে দিলেন। কি ভাবছেন, হয়ে গেল? এতই সহজ?

৯। আপনার সামনেই তাবিজে কিছু পড়ে ফু দিয়েছে, সুতায় গিট দিয়েছে। কুরআনের আয়াত পড়েছে নাকি অন্য কিছু পড়েছে আপনি জানলেন কিভাবে? আপনি কিভাবে শিউর হলেন উনি কুরআনের আয়াত পড়েছেন?

১০। কি বলেন ভাই এত পরহেজগার লোক, ধোকা দিবে? না, পরহেজগার লোক হলে ধোকা দিবে না। কিন্তু পরহেজগার কিনা বুঝবেন কি করে? লম্বা দাড়ি, টুপি, লম্বা জুব্বা কি পরহেজগারীর মাপকাঠি? অনেক যাদুকর আছে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বেশ ধরে। নামায পড়ে কিন্তু অযু করে না। ইনসেস্টসহ হেন কোন কুকর্ম নেই যা করে না। যে যত বেশি কুকর্ম করতে পারবে সে যাদুর জগতে তত উপরে চলে যাবে। তার যাদু তত কার্যকর হবে। যে যাদু করে সে কি ইসলামের গন্ডি থেকে বের হয়ে যায় নি?

১১। তাবিজ খুলতে নিষেধ করে, ভয় দেখায় তাবিজ খুললেই নাকি চোখ অন্ধ হয়ে যাবে। আসলে যে জাড়িজুড়ি ফাস হয়ে যাবে এই কারনে খুলতে না করে।

১২। কিছুদিন ব্যবহারের পর তাবিজ হারিয়ে যায়। আবার নতুন তাবিজ নেয়া লাগে। ব্যবসা কিভাবে টিকবে না হারালে?

১৩। পূর্নিমার সময় যেতে হবে, অমাবস্যার সময় যেতে হবে, সন্ধ্যার পর যেয়ে তাবিজ আনতে হবে, অমুক দিন যেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। ইসলামে এমন কিছু আছে? কোনোদিন নিজেকে প্রশ্ন করেছেন?
ফিতনার আশংকায় সহশিক্ষা পছন্দ করেন না। মানুষ শিরক করছে, কুফরীতে লিপ্ত হছে তবুও এমন তাবিজের বিরুদ্ধে, সকল তাবিজের বিরুদ্ধে কথা বলেন না। কিভাবে পারেন আপনারা? সহশিক্ষার ফিতনার চেয়ে তাবিজের ফিতনা ছোট হয়ে গেল?

✅কি করবেন?

১। যে যতটুকু কুরআন পারেন, যতটুকু দুআ পারেন প্রতিদিন তেলাওয়াত করবেন সুস্থতার নিয়তে, আল্লাহ তায়ালা যেন শয়তান থেকে বাচিয়ে দেন এই নিয়তে। আর বেশি বেশি দুআ' করবেন। আর নির্ধারিত দুআ'গুলো পারলেতো খুবই ভাল।

২। মা-বাবার গাফলতের কারনে সন্তান আক্রান্ত হয়। কাজেই নিজের সন্তানকে যদি সুরক্ষিত রাখতে চান তাহলে পরিবারে দ্বিনি পরিবেশ কায়েম করুন। নামায, পর্দা, হালাল রুজিতে মনোযোগি হোন। সন্তানকে নামায শিক্ষা দিন।

৩। ছোট থেকে বাচ্চাদের দুআ'-দরুদ মুখস্থ করাতে ট্রাই করুন। যতদিন মুখস্থ না করতে পারবে ততদিন দুআ' পড়ে সকাল, সন্ধ্যা ও ঘুমের আগে সারা গায়ে ফু দিন। আল্লাহর কাছে দুআ' করবেন। মনে রাখবেন, সন্তানের জন্য পিতার দুআ' কবুল। আল্লাহই কি যথেষ্ঠ নন?

৪। নিজের পানি পড়া নিজেই তৈরি করুন। সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, চার কুল সহ অন্য যেসব সুরা পারেন সেগুলো পরে নিজেই পানিতে ফু দিয়ে নিজেই খান, নিজের বাচ্চাকে খাওয়ান। আর হুজুরের কাছে গেলে হুজুর কি পড়ে সেটা যেন আপনাকে শুনিয়ে পড়ে এই অনুরোধ করবেন। বা হুজুর থেকে জেনে নিবেন কি কি আয়াত পড়ে। সেগুলো পড়ে নিজেই পানি তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন।

মনে রাখবেন, ইসলামে সবকিছু স্বচ্ছ, পরিষ্কার। লুকোচুরি বা চুপিচুপি কিছু নেই। কেউ লুকোছাপা করতে চাইলে বুঝে নিবেন ঘাপলা আছে। দূর থাকবেন।

মোদ্দা কথা, তাবিজ জায়েজ হলেও তাবিজ ব্যবহার করব না। কুরআন, সুন্নাহ অনুযায়ি বিভিন্ন আমল করব, দুআ' করব। জায়জের ফাঁদে পড়ে অজ্ঞতাবশত শিরক/কুফরিতে লিপ্ত হয়ে নিজের ঈমান-আমলকে হুমকির মুখে ফেলব না, এরচেয়ে সমস্যা নিয়ে মরে যাওয়া ভাল। আল্লাহর কাছে প্রতিদান পাওয়া যাবে।

ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে আল্লাহ তায়ালা আমাকে প্রথমে আমল করার তৌফিক দিন। এরপর অন্যদের। আমীন।

© Ahmmad Robin ভাই

❎ জাদুকররা আল্লাহর লা-নত প্রাপ্ত ❎আর বেশিরভাগ জাদুকরই কুফরি করে খুবই জঘন্য উপায়ে❗✅ এদের থেকে বাঁচার জন্য 📖রুকইয়্যাহ-শারই...
22/10/2021

❎ জাদুকররা আল্লাহর লা-নত প্রাপ্ত ❎
আর বেশিরভাগ জাদুকরই কুফরি করে খুবই জঘন্য উপায়ে❗

✅ এদের থেকে বাঁচার জন্য 📖রুকইয়্যাহ-শারইয়্যাহ🤲 এর বিকল্প নেই।

✅ জাদুকেন্দ্রিক সকল সমস্যার জন্য জাদুকর, খোনকার-কবিরাজ নয় বরং "রুকইয়্যাহ" চিকিৎসা গ্রহন করে কমপক্ষে এদের ধোকা থেকে বাঁচবেন; পাশাপাশি আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সুস্থতাতো আছেই!! [নিন্মে জাদুর লক্ষ্মণ দেয়া আছে]

⚠️ মুমিন তো কখনোই ঈমান বিধ্বংসী কাজের কল্পনাও করতে পারে না!
কিন্তু আমরা নিজের অজান্তেই জাদু-কেন্দ্রিক সমস্যা নিয়ে জাদুকরের কাছে গিয়ে নিজের ঈমান হনন করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত। অনেকে তো জেনে শুনেই যায় চিকিৎসার জন্য আর বলে কুফরি তো সে করে, আমরাতো করি না।
আচ্ছা এতে কী আপনি কুফরি করার সহোযোগি হিসেবে দোষী সাব্যস্ত হবেন না?

⚠️ কেউ কেউ তো হিংসার বশে অন্যকে উন্নতি না করতে পারা, বিবাহ বন্ধ করা, বাচ্চা নষ্ট /না হওয়া, বিবাহ বিচ্ছেদ, এমনকি হত্যা করা জন্যও জাদু করে। তাদের কথা কি আর বলবো!!

এক ভাই তো এ নিয়ে আমার সাথে কঠোর আবস্থান যে চিকিৎসার জন্য এগুলো কোনো সমস্যা না। বিপদে পড়লে হারাম খাদ্যও খাওয়া যায়! আর সে কুফরি করলে আমার কী!
যদিও বিস্তারিত বুঝানোর পর তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে।
কিন্তু বাস্তবেই কি চিকিৎসার জন্য কুফরের সহোযোগিতা নেয়া যাবে❓ কখনোই না❗

আপনি যদি এমন মুমূর্ষু অবস্থায় থাকে যে, এখই প্রান বের হয়ে যাবে মনে হয়; তারপরও শারইয়্যাহ আপনাকে কুফর-শিরক যুক্ত কোনো চিকিৎসার নেয়ার অনুমতি দেয় না।
হ্যাঁ ঔষধ বা খাবার অভাবে মারা যাচ্ছেন এমন অবস্থায় কোনো হারাম ঔষধ বা খাবার গ্রহন করার অনুমতি আছে, তবে না করাই শ্রেয়।

যাই হোক সর্বোপরি মোদ্দা কথা হলো জিন-জাদু, বদ-নজর, বিবাহ বন্ধ, বিবাহ বিচ্ছেদ, বাচ্চা নষ্ট হওয়া, হঠাৎ স্বামী-স্ত্রী কলহ সহ জাদুকেন্দ্রিক সকল সমস্যা জন্য একমাত্র কুরআনি চিকিৎসা রুকইয়্যাহ-শারই্যাহ এর বিকল্প নেই!

✅ আমাদের আকাবিরগন তো যে কোনো রোগ বা মুসিবাতের সময় প্রথমে সাদাকা, দোয়া ও কুরআন খতম করতেন তার পর চিকিৎসা নিতেন।
বাস্তবিকার্থে কুরআনই আমাদের সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান; আমাদের বুঝে আসুক বা না আসুক এ কথা মনতেই হবে।

⚠️ ও! আরোএকটি বিষয় এই সুন্নাহ চিকিৎসা পরিপূর্ণ স্বচ্ছ পানির মতো স্পট; জাদুকর বা খোনকা-করিরাজদের মতো তারা যাই বলবে তাই অন্ধের মতো বিশ্বাস করতে হবে এমন না।
এ চিকিৎসায় রুগী নিজেই নিজের সমস্যা উপলব্ধি করতে পারে। রাকির কথার উপর রুগীকে অন্ধ হয়ে থাকতে হয় না, বরং নিজেই নিজের সমস্যা ফাইন্ড আউট করতে পারে।

⚠️ আর জাদুকরা শয়তানি গ্যারান্টি দিয়ে দু-দিন পর আবার ঠিকই তাদের কাছে যেতে হয়।
ওরা জোঁকের মতো বিভিন্ন মিথ্যা সমস্যা দেখিয়ে দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতেই থাকে সাথে ঈমান তো ধ্বংস করেই❗
অথচ রুকইয়্যাহ-শারইয়্যাহ মতো এতো স্পষ্ট চিকিৎসা এ সেক্টরে আর একটিও নেই আলহামদুলিল্লাহ!

বদ-নজর, জিনাক্রান্ত, বিবাহ বন্ধ, বিবাহ বিচ্ছেদ, বাচ্চা নষ্ট হওয়ার সহ ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্মণ রয়েছে।
এখানে জাদুতে আক্রান্ত রুগীর লক্ষ্মণ সমূহ দেয়া হলোঃ
https://www.facebook.com/102627121469233/posts/113059510425994/

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদেরকে কুফর-শিরক থেকে বেঁচে সুন্নাহভিত্তিক চলার তাওফিক দান করুন।
আমিন ইয়া-রাব্বুল আলামিন!

বিঃদ্রঃ আমাদের সেন্টারে রুকইয়্যাহ ও হিজামাহ চিকিৎসা দুটোই আছে আলহামদুলিল্লাহ!
যেকোনো প্রয়োজনে ইনবক্সে বা কমেন্টে জানাতে পারেন অথবা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন আমরা সর্বোচ্চ সহোযোগিতা করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ!

Office Address :
Maisah-N.Jman Tower, Godaun Road, Dokkhin Bazar, Chowmuhani, Noakhali
Mobile No : 01815660751

তিনি  আলজেরিয়ার একজন রাকি।জাদুকর তাকে মেরে ফেলার জাদু করে  কষ্ট দেয়। অতঃপর তিনি সেসব জাদুর সন্ধান পান।আমরা যারা রুক‌ইয...
08/10/2021

তিনি আলজেরিয়ার একজন রাকি।
জাদুকর তাকে মেরে ফেলার জাদু করে কষ্ট দেয়। অতঃপর তিনি সেসব জাদুর সন্ধান পান।
আমরা যারা রুক‌ইয়াহ করি, আমরাও আমাদের নিজেদের এবং ফ্যামিলির ক্ষতির আশঙ্কা করি। শয়তান এবং তার দোসরদের ক্ষতি থেকে আমরা
একমাত্র আল্লাহ্ তায়ালার নিকট‌ই আশ্রয় প্রার্থনা করি।
রাকীদের রক্ষাকারী একমাত্র আল্লাহ তাআলা। রাকীরা আল্লাহর উপর ভরসা করেই চলে।

রুকয়াহ একটি ফ্যান্টাসিময় পেশা নয়।
আশঙ্কা, চ্যালেঞ্জ, অক্লান্ত মেহনত,দোয়া, ফিকির- এসবের মধ্য দিয়েই একজন রাকির জীবন অতিবাহিত। হয়।

যেনতেন কোন লোক রুক‌ইয়াহকে পেশা হিসেবে নেওয়াকে আমি সমর্থন করি না।
ইলম, আখলাক, ইখলাস,উম্মাহর দরদ, বিশুদ্ধ তাওহীদ, অক্লান্ত মেহনতের সামর্থ্য থাকা জরুরী মনে করি।

মূল পোস্ট লিংক

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=516509596139873&id=100033425117896

11/09/2021

নোয়াখালীর রুকইয়াহ ও হিজামাহ পেশেন্টদের জন্য সুখবর!!!
আগামী শুক্রবার থেকে ৩/৪ দিন ব্যাপি রুকইয়াহ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
স্থানঃ Ruqyah & Hijama Center Noakhali

06/12/2020

#যাদুকরের_শাস্তি

ব্ল্যাক ম্যাজিক
ইক্বরা টিভি। সরাসরি ফোনালাপের অনুষ্ঠান চলছে। উপস্থাপনায় আছেন শায়খ আব্দুল্লাহ শাহাদাত। এক মহিলা কল করলো।

-আসসালামু আলাইকুম।
-ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।
-শায়খ! আমি অনেক বড় গুনাহ করে ফেলেছি। আল্লাহ তা'আলা কি আমাকে ক্ষমা করবেন?
-কেনো ক্ষমা করবেন না, অবশ্যই ক্ষমা করবেন। নিশ্চই তিনি অতি ক্ষমাশীল অতি দয়ালু।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, (আপনি বলে দিন, হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছো! আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করে দেন। নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু(যুমারঃ ৫৩)।

- কিন্তু আমার গুনাহটা অনেক বড় আর গুরুতর। আল্লাহ কিছুতেই আমাকে ক্ষমা করবেন না।

- না বোন! আপনি এমনটা ভাববেন না। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
(নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শিরক করাকে ক্ষমা করেন না। এছাড়া আর (সব) পাপ তিনি যাক ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করে সে ঘোরতর ভ্রান্তিতে পতিত হয়। (নিসাঃ১১৬)

-আমি সাত-সাতবার হজ করেছি। কিন্তু এ পর্যন্ত একবারও কা'বাঘর নিজ চোখে দেখতে পাইনি।

শায়খঃ ইয়াল্লাহ! ইয়া রাব!

মহিলাঃ আমি হেরেমে প্রবেশ করার পর তাওয়াফ কারীদেরকে দেখি, কিন্তু কা'বাঘর দেখতে পাই না। এমনকি একজন আমার হাত ধরে কা'বা শরী ছুঁইয়েও দেখিয়েছি। আমি হাত দিয়ে কা'বা ধরতে পেরেছি। কিন্তু কা'বা আমার সামনে দৃশ্যমান হয়নি।

শায়খঃ তাহলে তো দেখা যাচ্ছে আপনার পাপটা সত্যিই গুরুতর। বলুনতো কি এমন পাপ করেছেন? নিশ্চিত হয়ে বলুন, যাতে আমার বুঝতে সুবিধা নয়।

মহিলাঃ আমি অশ্লীল কাজে লিপ্ত ছিলাম। বিয়ের পরও অনেকবার হয়েছে। আমি ঠিক বলতে পারছি না, কোন পাপের কারনে আমার এই অবস্থা হয়েছে।

শায়খঃ অসম্ভব! এটা ছাড়াও অন্য কোনো পাপ আছে। শুধু অশ্লীলতার জন্য এমনটা ঘটতে পারে না। আপনি ভেঙে বলুন। আপনি কী করেছেন?

মহিলাঃ সত্যি কথা বলতে কি, আমি একজন নার্স। আমার গোপনে সম্পর্ক ছিলো একদল ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোজাদু) চর্চাকারীদের সাথে। তারা নানাভাবে জাদুচর্চা করতো। তারা শবসাধনা করতো।

জাদুকরের শিখিয়ে দেয়া নিয়মানুযায়ী, হাসপাতালের হিমাগারে চুরি করে প্রবেশ করতাম। শবগুলো মুখে 'বিশেষ কাজ" করে মুখগুলো সেলাই করে দিতাম। শবগুলোকে এই অবস্থাতেই দাফন করা হতো। এই ন্যাক্কারজনক কাজ অসংখ্যবার করেছি।

শায়খঃ এমন কাজ কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। জাদুবিদ্যা তো শিরক।
নিশ্চয়ই শিরক বড় পাপ (লুকমানঃ১৩)

দুই সপ্তাহ পরে, ইক্বরা অনুষ্ঠানে একটা ফোন আসলো।

-আসসালামু আলাইকুম
- ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম।
- হ্যালো শায়খ! দু' সপ্তাহ আগে একজন মহিলা ফোন করেছিলেন, আমি তার সন্তান।

শায়খঃ জি, বাবা! চিনতে পেরেছি। বলো কি খবর।

ছেলেঃ শায়খ! আমার আম্মু ইন্তিকাল করেছেন। তার মৃত্যুটা স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে। কিন্তু দাফনের সময় এমন একটা ঘটনা ঘটেছে, আমরা কেউ ধারণাও করতে পারি নি এমনটা কখনো ঘটতে পারে।

শায়খঃ কী ঘটনা?

ছেলেঃ জানাযার পর আমরা কবরস্থানে গেলাম। লাশ কবরে নামাতে গিয়েই বিপত্তি বাঁধলো। আমরা কবরে নামলেই কবরটা সংকুচিত হয়ে আসে। লাশ বের করলে কবরটা আবার ঠিক হয়ে যায়। আবার লাশ নামালে কবরটা সংকুচিত হয়ে যায়। এমনকি আমাদের পক্ষে ভেতরে দাঁড়ানোও অসম্ভবত হয়ে দাড়িয়েছিলো। এ ঘটনা দেখে, সাথে যারা ছিলো ভয়ে পারলিয়ে গেলো। তারা বললো, তোমার মা হয়তো এমন কোনও কাজ করেছে যে, কবর তাকে গ্রহণ করতে চাচ্ছে না। আমি বসে বসে কাঁদতে লাগলাম। এমন সময় দেখলাম একজন বৃদ্ধ লোক আসলে। তার পোশাক ছিলো অত্যন্ত উজ্জ্বল আর শুভ্র। দেখলেই মন ভালো হয়ে যায় এমন একজন মানুষ। তাকে দেখেই আমার মনে হলো, আমার আমনে এজন ফিরিশতা দাঁড়িয়ে আছেন। বিশেষ করে তার সাথে কথা বলে বিশ্বাসটা আরও বদ্ধমূল হলো। তিনি বললেন,

তোমার আম্মুকে যেভাবে আছে রেখে চলে যাও। পেছনে ফিরে তাকাবে না। আমি কোনও কথা না বলে চলে আসলাম। কিছুদূর আসার পর আমি আর কৌতূহল দমন করতে পারলাম না। আমার মায়ের কী হলো সেটা না দেখে বাড়ি যেতে মন টানছিলো না। পেছন ফিরে তাকালাম। দেখলাম, আকাশ থেকে প্রকাণ্ড এক অগ্নিগোলক ছুটে আসলো। চোখের নিমিষেই আম্মার লাশটাকে পুড়িয়ে ছাই করে দিলো। খাটিয়াসহ পুড়ে ছাই হয়ে গেলো।

আগুনের উত্তাপ এত প্রবল ছিল যে, এতদূর থেকেও আমার মুখটা ঝলসে গেল। শুধু দুচোখ অক্ষত রইলো।

আমি চিন্তিত হয়ে গেলাম, আমার চেহারা কেনো ঝলসে গেলো? আল্লাহ কি আমার প্রতি নারাজ?

শায়খঃ প্রিয় বৎস! সম্ভবত আল্লাহ তা'আল মায়ের পাপ থেকে তোমাকে পবিত্র করতে চেয়েছেন। তুমি তো তোমার মায়ের হারাম উপার্জনেই বড় হয়েছো। আল্লাহকে ভয় করো। তাঁর কাছেই ক্ষমা চাও। আল্লাহ আ'আলা তোমার জন্য যা দিয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো।

[যারা যাদুকর/কবিরাজ/কুফরী হুজুরদের কাছে যান তারা নিজেদের পরিনতি সম্পর্কে সচেতন হোন। তওবা করে ফিরে আসুন। মৃত্যু অতি সন্নিকটে।]

(মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ হুজুরের বই থেকে উনার অনুমতি সাপেক্ষে)
হালাল বিনোদন

27/10/2020

🌹🌹🌹সুখবর 🌹🌹🌹সুখবর 🌹🌹🌹সুখবর

🎤🎤🎤 প্রিয় নোয়াখালীবাসীর জন্য দারুণ একটি সুখবর!!!

🌹 হিজামাহ থেরাপি + রুকইয়াহ শারইয়াহ এখন নোয়াখালীতেই।

❎ আর নয় ঢাকা-চট্রগ্রাম ছুটাছুটি করা।
❎ আর নয় মা-বোনদের রুকইয়াহর জন্য দূর দূরান্ত থেকে রাক্কি আনা বা নিজেদের যাওয়ার ঝামেলা।

🌿 বিশেষকরে রাকি এবং হিজামাহ থেরাপিস্ট একসাথেই পাচ্ছেন। ফলে হিজামাহ করানোর সময় রুকইয়াহ সহ হিজামাহ করাতে পারছেন। এতে জিন-জাদুর সমস্যার জন্য সর্বোত্তম ফলাফলও পাবেন ইনশাআল্লাহ।

🌿 আল-হামদুলিল্লাহ, কুরআন-সুন্নাহসম্মত রুকইয়া শারইয়াহ এখন আপনাদের হাতের নাগালেই...।

❎ এখন থেকে কবিরাজি ও জাদু-মন্ত্রের চিকিৎসা ছাড়ুন এবং কুরআনি চিকিৎসা ধরুন...।

আল্লাহ তা’আলা বলেন :
وَنُنَزِّلُ مِنَ الۡقُرۡاٰنِ مَا هُوَ شِفَآءٌ وَّرَحۡمَةٌ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ

‘আমি অবতীর্ণ করেছি কুরআন, যা মুমিনদের জন্য সু-চিকিৎসা ও রহমত।’
-সুরা বনি ইসরাইল : ৮২

আল্লাহ তা'আলা আরও বলেন :
قُلۡ هُوَ لِلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا هُدًی وَّشِفَآءٌ ؕ وَالَّذِیۡنَ لَا یُؤۡمِنُوۡنَ فِیۡۤ اٰذَانِهِمۡ وَقۡرٌ وَّهُوَ عَلَیۡهِمۡ عَمًی ؕ

‘(হে নবি,) আপনি বলে দিন, মুমিনদের জন্য এটি (কুরআন) পথনির্দেশ ও রোগব্যাধির প্রতিকার। কিন্তু যারা এর ওপর ইমান আনে না, তাদের কর্ণে রয়েছে বধিরতা আর কুরআন হবে তাদের জন্য অন্ধত্ব।’
-সুরা হা-মিম সাজদা : ৪৪

❌ আর নয় ধোঁকা খাওয়া।
❌ আর নয় হতাশায় ভোগা।
❌ আর নয় তাবিজ ঝুলানো।
❌ আর নয় ইমান হারানো।

⚠️ বর্তমানে প্রচলিত কবিরাজির অধিকাংশই জাদু, জিন ও কুফরি-শিরকি মন্ত্রের মাধ্যমে করা হয়, যা সম্পূর্ণরূপে হারাম ও ইমান বিধ্বংসী। এর বিপরীতে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে শুধু কুরআনের আয়াত ও হাদিসে বর্ণিত দুআর মাধ্যমে চিকিৎসা পদ্ধতি স্বয়ং নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর শেখানো পদ্ধতি। এর মাধ্যমে যেমন আপনি একটি সুন্নাহর ওপর আমলের সওয়াব পাবেন, তেমনই এ পদ্ধতি অবলম্বন করলে আপনাকে কখনো ধোঁকায় পড়তে হবে না। সর্বোপরি এতে আপনার মহামূল্যবান ইমানটাও সুরক্ষিত থাকবে, যা প্রচলিত কবিরাজি ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমানের অধিকাংশ মানুষ জিন-জাদু সংক্রান্ত সমস্যায় পড়লে না বুঝে ও না জেনে কবিরাজি চিকিৎসা নিয়ে থাকে, যার কারণে সাময়িক কিছু ফল পেলেও সেটা স্থায়ী কোনো সমাধান হয় না। টাকাও খরচ হয় তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। অনেকে তো এর পিছনে লক্ষাধিক টাকাও ব্যয় করে ফেলেন। পাশাপাশি জিনদের সাহায্য গ্রহণ, জাদুর ব্যবহার ও কুফরি-শিরকি মন্ত্রের সাহায্য নেওয়ায় ইমান নষ্টের মতো জঘন্য কাজ তো আছেই। তাই প্রতিটি মুসলিমের জন্য এ সমস্ত ইমান-বিধ্বংসী কবিরাজি চিকিৎসা থেকে বেঁচে থাকা একান্ত আবশ্যক ও ইমানি কর্তব্য। ⚠️

❎ খোনকার ও কবিরাজদের কুফরি-শিরকি চিকিৎসা গ্রহণ থেকে নিজে বাঁচুন এবং অন্যকে বাঁচান!
❎ তাদের ধোঁকা ও ভেলকিবাজি দেখে অবৈধ কাজে নিজের অর্থ-কড়ি নষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন!
❎ কবিরাজি চিকিৎসা নিয়ে নিজের মহামূল্যবান ইমান নষ্ট করার মতো বোকামি কখনো করবেন না!

🌿 রুকইয়ার সাফল্য, প্রয়োজনীয়তা ও উপকারিতা নোয়াখালী ও তৎসংশ্লিষ্ট অঞ্চলের অনেক সচেতন মুসলিম ভাইদের জানা থাকলেও ঢাকা বা অন্যান্য অঞ্চলে গিয়ে রুকইয়াহ করানো বেশ কষ্টসাধ্য ছিল। আল-হামদুলিল্লাহ, বিজ্ঞ আলিমদের তত্ত্বাবধানে আলিম রাকিদের মাধ্যমে এখন নোয়াখালীতে আপনার হাতের নাগালেই পাচ্ছেন কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক ‘রুকইয়া শারইয়্যা’।

💉 আমাদের সেবাসমূহ :
১. বদনজর ও হিংসা-সংক্রান্ত সমস্যার শরয়ি ট্রিটমেন্ট।
২. ওয়াসওয়াসায় ভুক্তভোগী রোগীদের শরয়ি ট্রিটমেন্ট।
৩. ব্ল্যাক ম্যাজিক, বিবাহ বন্ধের জাদু, বিবাহ বিচ্ছেদের জাদু, সন্তান না হওয়ার জাদু, সর্বদা অসুস্থ করে রাখার জাদুসহ সব ধরনের জাদু কেন্দ্রিক সমস্যা সমাধানের শরয়ি ট্রিটমেন্ট।
৪. দুষ্ট জিন-পরীদের দ্বারা আক্রান্ত হওয়াসহ বিভিন্ন প্যারানরমাল সমস্যা সমাধানে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও দুআ পাঠের মাধ্যমে শরয়ি ট্রিটমেন্ট।
৫. হিজামাহ, যা বিশেষ কাপের মাধ্যমে শরীরের বদরক্ত বের করে ফেলার একটি সুন্নাহসম্মত চিকিৎসা, যার উপকারিতা ও সুস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে এর প্রভাব সর্বজনস্বীকৃত।

🌿 রুকইয়া নিজে করে কিংবা কোনো আলিম ও দ্বীনদার রাকির দ্বারা করিয়ে নিয়ে আপনি এই সকল সমস্যা থেকে আল্লাহর রহমতে পরিপূর্ণভাবে পরিত্রান পেতে পারেন। রুকইয়া এমন কোনো দুর্বোধ্য ও গোপনীয় জিনিস নয়, যা আপনি বুঝবেন না। চাইলে আপনি নিজের জন্য নিজেও এটা করতে পারবেন। আমাদের সেন্টারে আসুন, আমাদের চিকিৎসা-পদ্ধতি দেখুন, তারপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। কবিরাজদের মতো এতে আমাদের কোনো বাধা-নিষেধাজ্ঞা বা হুমকি-ধমকি নেই; বরং আমরা নিজেরাই আপনাকে সুন্নাহসম্মত রুকইয়া করার পদ্ধতি শিখিয়ে দেবো, ইনশাআল্লাহ।

🌿 আমাদের সেন্টারটি দেশের অভিজ্ঞ ও সেরা আলিমদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত। আর এখানে যারা রোগীদের রুকইয়াহ ও হিজামাহ করাবেন, আল-হামদুলিল্লাহ তারাও যোগ্য আলিম / হাফেজ বা দ্বীনদার পরহেজগার। যারা আগে থেকেই রুকইয়াহ ও হিজামাহ সম্বন্ধে জানেন, এটার উপকারিতা ও কার্যকারিতা নিয়ে তাদের আর নতুন করে বলার কিছু নেই। আর যারা জানেন না, তারা আমাদের সেন্টারে একবার ভিজিট করে দেখুন। আশা করি, কেউই নিরাশ হবেন না ইনশাআল্লাহ।

বি. দ্র. : আগামী ২৯শে অক্টেবর রোজ বৃহস্পতিবার আমাদের সেন্টারে রুকইয়াহ ও হিজামাহ করাবেন বাংলাদেশের তরুন প্রসিদ্ধ রাক্কি ও হিজামাহ থেরাপিস্ট 🌹🌹🌹Raqi Abdul Malek🌹🌹🌹
সাহেব যিনি সল্প সময়েই ভালো পরিচিতি লাভ করেন এবং রুকইয়াহর প্যাশেন্টদের নিকটেও অল্প সময়ে অনেক সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।

🏠 কন্টাক্টের জন্য পেইজে দেয়া নাম্বার অথবা ইনবক্স ইউজ করতে পারেন।
আমরা আপনাকে সার্বিকভাবে হেল্প করব বি-ইজনিল্লাহ।
মোবাইল নং : 01815660751

সেন্টারের পেইজ লিংক....
👇👇👇
Ruqyah & Hijama Center Noakhali

26/10/2020

বিয়ের আগে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর অবশ্যই খোঁজ নিন :
=============

একটা অনুরোধ করি। আপনি অথবা আপনার ভাই/বোনের বিয়ের চিন্তা করলে অপর পক্ষের লোকজন তাবিজ-কবচ ইত্যাদি ব্যবহার করে কিনা, তান্ত্রিক, বাবা, জ্বিন-হুজুর বা এজাতীয় ব্যাক্তিদের নিকট যায় কিনা এটা অবশ্যই খোঁজ নিবেন। সময় থাকতে এসব লোকদের বর্জন করুন। সামান্য কিছু হলেই জ্বিন-হুজুর, কবিরাজ আর তাবিজের পেছনে দৌড়ায় এমন লোকদের কয়েকটা ঘটনা বলিঃ

১) জামাই বউয়ের সুখের সংসার। ছেলে বিয়ের পরে বউ পাগল বলে সবাই কথা শুনায় চারদিকে। সংসারের অন্যদের এসব সহ্য হচ্ছেনা৷ এত বউ পাগল হলে কি হয়! যাদু করে বশ করলে ছেলে বউপাগল হবেনা আর, তখন মা আর ভাইবোনের পাগল হবে৷ বিছানা বালিশের চিপায় তাবিজ, কাপড়ের কোণা কেটে নেয়া, ব্যবহার করার জিনিসপত্র কেউ চুরি করে নিচ্ছে ইত্যাদি৷

ফলাফলঃ সংসারে অশান্তি। বউকে দেখতে পারেনা। ওয়ার্স্ট কেইসে বউ বাপের বাড়ি দীর্ঘদিন, এককালের বউপাগল লোকটা একবার কল দিয়েও খোঁজ নেয়না৷ পরিবারের লোকজন ডিভোর্সের চিন্তা করছে।

২) একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বিবাহ করার পরে সংসারের খরচ দেয়া কমিয়ে দিলেন৷ পরিবারের কেউই বিষয়টা ভালোভাবে নিচ্ছে না৷ কবিরাজের মুরিদ এই লোকগুলো মনে করতে থাকে জমি লিখিয়ে নেয়া দরকার, টাকা দরকার যা যা দরকার এগুলো করিয়ে নেয়া যাবে বশ(যাদু) করে। কিছু জিনিস খাওয়াতে হবে, একটা মুরগি একদামে কিনে এনে বাবাকে দিতে হবে। তারপর বাবা মন্ত্র পড়ে এক কোপে মুরগির মাথাটা আলাদা করে দিবে। তারপর এই মুরগির রক্ত দিয়ে একটা তাবিজ লেখবে৷ মুরগির মাথাটা ডুবিয়ে এক গ্লাস পানি দিবে এটা খাওয়াতে হবে বিবাহিত লোকটাকে। এতেই বশ হয়ে যাবে৷ সহজ হিসাব, ঈমান বিক্রি করে চিরস্থায়ী অশান্তি কিনে নিল লোকগুলো।

ফলাফলঃ লোকটা বউকে দেখতে পারছেনা৷ সম্পত্তি যা ছিল সব অন্যদের লিখে দিয়েছেন৷ কিছুদিন পরপর স্ট্রোক করছে, ক্যান্সার ধরা পড়েছে...

৩) বাসার মেয়েটা প্রেম করে আরেক বখাটে ছেলের সাথে। কোনমতেই মানছে না। তখন মেয়ের বাবা এক হুজুর থেকে পানিপড়া,তাবিজ আনলেন। তাবিজ ভিজিয়ে পানিটা খাওয়াতে হবে ৭ দিন। এতে মেয়েটা মা বাবার বশ হয়ে যাবে আর ওই বখাটে ছেলেকে ভুলে যাবে। সহজ কাজ৷ অথচ এটা একপ্রকার যাদু তিনি জানলেনও না৷ নিজেই নিজের মেয়েকে যাদু করে বসে আছেন।

ফলাফলঃ মেয়ে বশ হয়, তবে কিছুদিন পরপরই তাবিজ, পানিপড়া আনতে হয়। হুজুরের পার্মানেন্ট ইনকামের সোর্স তৈরি হয়।
মেয়েটাও আর আগের মত স্বাভাবিক নেই৷ কেমন জানি হয়ে গেছে! সারাক্ষণ একা একা থাকে।

৪) মেয়ের বাপের বাড়ির সবাই কবিরাজের অন্ধভক্ত। সবাই খোঁজ খবর নিচ্ছে মেয়ে কেমন আছে বিয়ের পর৷ হঠাৎ একদিন মেয়ে মাকে কল দিয়ে জানাল জামাইর সাথে ঝগড়া হয়েছে। কথা শুনতে চাচ্ছেনা। মেয়ের মা শুনে বললেন, জামাই শুনবে তার বাপও শুনবে৷ দেখ কি করি! পরদিনই মহিলা মেয়ের বাড়িতে হাজির৷ কয়েকদিন থাকলেন৷ তারপর চলে গেলেন। এভাবে কিছুদিন পরপর আসেন, কয়েকদিন থেকে চলে যান৷
কবিরাজের দেয়া সবকিছু যথাযথভাবে সাপ্লাই করেছেন মেয়ের বাড়িতে।

ফলাফলঃ মেয়ে মায়ের কথামতো সবকিছু জামাইকে খাইয়েছে। জামাই এখন হাতের মুঠোয়। কিন্তু কোথায় জানি কিসের কমতি! আন্তরিকতা, ভালোবাসা ন্যাচারালি যেটা হয় এগুলো যাদু করে আনা যায়নি! এখন কিছুদিন পরপরই জামাই রাগ করে বাসা থেকে বের হয়ে চলে যায়। বাসায় খুব অশান্ত লাগে নিজেকে৷ কিন্তু কয়েকদিন বাইরে থাকার পর আবার বাসায় গিয়ে দেখেন শাশুড়ী এসেছেন।

©Raqi Rafael Hosain

জিন, জাদু, ব্ল্যাক ম্যাজিক, বিবাহ বন্ধ, সন্তান না হওয়া, বদ-নজর, ওয়াসওয়াসা রুগিদের জন্য সুখবর!!! বাংলাদেশে 'রুকইয়াহ শারইয়...
21/08/2020

জিন, জাদু, ব্ল্যাক ম্যাজিক, বিবাহ বন্ধ, সন্তান না হওয়া, বদ-নজর, ওয়াসওয়াসা রুগিদের জন্য সুখবর!!!

বাংলাদেশে 'রুকইয়াহ শারইয়াহ' চিকিৎসার শুরুর দিক থেকে রুকইয়াহ করে আসছেন আমাদের সকলেরই সুপরিচিত প্রসিদ্ধ রাক্কি এবং হিজামাহ থেরাপিস্ট Abduls Salam ভাই।
আলহামদুলিল্লাহ এই সেক্টরে ভালো সুনাম অর্জন করেছেন ভাই। রুগিরাও যথেষ্ট উপকৃত হচ্ছেন ভাইয়ের রুকইয়াহ চিকিৎসার মাধ্যমে।

আগামী ১'লা সেপ্টেম্বর থেকে ৩/৪ দিন আমাদের সেন্টারে রুকইয়াহ ও হিজামাহ করাবেন।
তাই আর দেরি নয়, শিগ্রই এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিন।

যারা এখনো নিজেকে নিয়ে সন্দেহে ভুগছেন। রুকইয়াহ করে নিজেকে পরিক্ষা করাতে পারেননি। প্রাথমিক ধারনা নেয়ার জন্য নিন্মে কিছু লিংক দেয়া হলো। লিংকগুলো থেকে লক্ষ্মণগুলো আপনার সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন।

* রুকইয়াহ সম্পর্কে জানতে এই লিংকে :
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=108999340832011&id=102627121469233

* হিজামাহ-এর সম্পর্কে জানতে এই লিংকে :
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=148823890182889&id=102627121469233

১. জিনাক্রান্ত হওয়ার লক্ষন :
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=135875848144360&id=102627121469233

২. জাদুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষ্মণ :
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=113059510425994&id=102627121469233

৩. বদ-নজরে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষ্মণ :
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=110031244062154&id=102627121469233

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের সকল অসুস্থতা থেকে আরোগ্য দান করুন। (আমিন)

 #জিনের_নোখ_ক্যামেরা_বন্ধি!!!একটা বাচ্চা বয়স 10 বছর।   (জিনের প্যাশেন্ট)সমস্যা হল পেশেন্টের গায়ে শুধু আচরের দাগ দেখা য...
19/08/2020

#জিনের_নোখ_ক্যামেরা_বন্ধি!!!

একটা বাচ্চা বয়স 10 বছর। (জিনের প্যাশেন্ট)

সমস্যা হল পেশেন্টের গায়ে শুধু আচরের দাগ দেখা যেত।
প্রথম দিক থেকে তার পরিবার তেমন একটা খেয়াল করেনি। কিছু দিন পরে আচরের মাত্রাটা বেড়ে যায় তারপর

একদিন পেশেন্টের গায় জিনে আচর দিচ্ছিল তখন পেশেন্টের আম্মা দেখলো তার গায়ে আচরের দাগ পড়ছে কিন্তু কিছু দেখা যাচ্ছে না। সাথে সাথে মোবাইলের ক্যামেরা অন করার পর দেখতে পায় বড় বড় দুটি নখ পেশেন্টের শরীরে আচর দিচ্ছে যা ক্যামেরায় ধরা পড়েছে
নিচের ছবিতে দেখতে পারেন।
পেশেন্টের বাবার থেকে কাহিনী শুনে যতটুকু বুঝলাম।

যাই হোক
এখানে একটি লক্ষণীয় বিষয় হল পেশেন্টের গালায়ে কিন্তু তাবিজ ছিল
তাবিজ থাকা সত্বেও জিনের আচর থেকে বাঁচতে পারেনি
সবকিছু থেকে রক্ষা করার মালিক তো একমাত্র আল্লাহ তাআলাই অন্য কেউ কি রক্ষা করতে পারে? অবশ্যই নয়
তাই সকল বিষয়ে তার কাছে সাহায্য চাওয়া উচিত
আর এই তাবিজ এর প্রতি মানুষের কতটা আস্থার ভাবতে পারেন???
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এর থেকে হেফাজত করুন।
যাই হোক আমার জীবনের প্রথম শয়তানের বাস্তব নখ দেখলাম আপনিও হয়তো প্রথম দেখে থাকবেন।

©Raqi Abu Usman

16/08/2020

রুকইয়াহ এর তিলাওয়াত শুনার পূর্বে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখা খুবই জরুরি।

রুকইয়াহ-এর তিলাওয়াত শুনার কতিপয় নিয়মাবলী নিন্মে বর্ননা করা হলো :
১. বাসার মধ্যে থাকা সকল ধরনের ছবি, পুতুল ও মুর্তি জাতীয় সকল জিনিস বের করে ফেলতে হবে।
২. কোন ধরনের তাবিজ-কবজ অথবা জাদুর জিনিস থাকলে যাদু নষ্টের নিয়মে তা নষ্ট করে ফেলতে হবে।
৩. ভালোভাবে অজু করে দু'রাকাআত নাওয়াফেল নামায পড়ে আল্লাহর নিকট সাহায্য চাইবেন।
৪. সকল কাজ থেকে ফারেগ হয়ে, এক ধ্যনে নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের নিয়তে চোখ বন্ধ করে লম্বা সময় ধরে মনোযোগ দিয়ে রুকইয়াহ-এর তিলাওয়াত শুনবেন।
৫. রুকইয়ার সময়, রাতে বা অন্য যে কোন সময় চোখে কোন কিছু ভাসলে অথবা স্বপ্নে কোন কিছু দেখলে তা সাথে সাথে নোট করে নিবেন। শরীরের কোন অংশে ব্যতিক্রম কিছু মনে হলে যেমন : ব্যাথা, অবস হয়ে আসা, ভার হয়ে যাওয়া, ইত্যাদি তাও নোট করবেন।

কিছু বিষয় অবশ্যই পালনীয় :

১. ফরজ নামাজ ঠিক ভাবে (আউয়াল ওয়াক্তে) আদায় করা।
২. শারয়ি পর্দা পূর্ণ রূপে পালন করা।
৩. সকাল-সন্ধ্যার আজকার, মাসনুন আমাল সমূহ নিয়মিত আদায় করা।
৪. অন্যান্য ফরজ-ওয়াজিব বিধান গুলোর ব্যাপারে চৌকান্না থাকা। সেগুলো ঠিকভাবে মান্য করা।
৫. পাশাপাশি গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
৬. বেশি বেশি ইস্তেগফার করা। কমপক্ষে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ৩ বার, ধুমের পূর্বে, সন্ধ্যার পরে দৈনিক ১০০ বার, পারলে আরো বেশি বেশি পরিমান করা। (এরকম বিভিন্ন পরিমান যেগুলো হাদিসেও এসেছে)

বিঃদ্রঃ সেল্ফ রুকইয়াহ-এর অডিও তিলাওয়াত শুনার ক্ষেত্রে ভালো একটি বিট ওয়ালা হেডফোন দিয়ে তিলাওয়াত শুনার চেষ্টা করবেন। এতে তুলনামূলক বেশি ইফেক্ট পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।

নিঃসন্দেহে! কালামুল্লাহ-এর শক্তির বিপরীতে শয়তানের শক্তি কিছুই না।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের জন্য সহজ করে দিন এবং ইমানের উপর অটল থাকার তাওফিক দান করুন। (আমিন)

©Ruqyah Islamic Treatment

কল্যাণ লাভের পথে অবিচল থাকুন...রুকইয়ার পেশেন্টরা প্রায় সময় বলে থাকেন- রুকইয়াহ তো চালিয়ে যাচ্ছি; কই আল্লাহ তো আমাকে সুস্থ...
05/08/2020

কল্যাণ লাভের পথে অবিচল থাকুন...
রুকইয়ার পেশেন্টরা প্রায় সময় বলে থাকেন- রুকইয়াহ তো চালিয়ে যাচ্ছি; কই আল্লাহ তো আমাকে সুস্থতা দান করলেন না!

Address

Chowmuhani, Begumganj, Noakhali
Chittagong

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:30
Tuesday 09:00 - 17:30
Wednesday 09:00 - 17:30
Thursday 09:00 - 17:30
Saturday 09:00 - 17:30
Sunday 09:00 - 17:30

Telephone

+8801815660751

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah & Hijama Center Noakhali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram