Healthy Solutions - স্বাস্থ্যকর সমাধান

Healthy Solutions - স্বাস্থ্যকর সমাধান Welcome to Healthy solutions, not a business, service is our primary goal.

এক চুমুক কফিতে রা'তের রা"জত্ব আপনার অযত্ন অবহেলা আর নয়,সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত আজীবন সু'খে থাকুন।আরো বিস্তারিত জানতে ইন...
27/11/2022

এক চুমুক কফিতে রা'তের রা"জত্ব আপনার
অযত্ন অবহেলা আর নয়,সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত আজীবন সু'খে থাকুন।

আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে ম্যাসেজ
দিন অথবা ক-ল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে 01838953586

আপনি কি যৌ-ন সমস্যা নিয়ে চিন্তিত অথবা দাম্পত্য জীবনে অসুখী? আর নয় চিন্তা। আমরা এসে গেছি আপনার যাবতীয় গোপন সমস্যার সমাধান...
01/11/2022

আপনি কি যৌ-ন সমস্যা নিয়ে চিন্তিত অথবা দাম্পত্য জীবনে অসুখী?
আর নয় চিন্তা। আমরা এসে গেছি আপনার যাবতীয় গোপন সমস্যার সমাধান নিয়ে, এতে যৌন সমস্যার সকল সমাধান ও অসীম শক্তি এবং দাম্পত্য জীবন হবে সুখের।
বিবাহিত জীবনে সঙ্গিনীকে সুখী করতে যতটুকু শক্তি দরকার তা আপনার নেই?

আর নয় দাম্পত্য জীবনের ভয় সমাধান এখন হাতের মুঠোয়।
আগ্রহী রা মেসেজ করুন আরো বিস্তারিত জানতেঃ ০১৮৯৩০৮৮৩৩২

এই ৭ খাবার যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দেয়যেসব খাবার খেলে যৌন ইচ্ছা বাড়ে, তার তালিকা জানেন অনেকেই। কিন্তু এমন অনেক খাবার আছে যা খেলে...
01/11/2022

এই ৭ খাবার যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দেয়

যেসব খাবার খেলে যৌন ইচ্ছা বাড়ে, তার তালিকা জানেন অনেকেই। কিন্তু এমন অনেক খাবার আছে যা খেলে যৌন ইচ্ছা কমতে শুরু করে। এগুলোকে বলা হয় অ্যানাফ্রোডিসিয়াক খাবার। অর্থাৎ এমন কোনো খাবার, যা আপনার শারীরিক মিলনের ইচ্ছেটাকেই কমিয়ে দেয়। তাই যৌন জীবনে সুখী থাকতে চাইলে খাবারের তালিকা থেকে এই খাবারগুলো বাদ দিন-
ক্যানড খাবার: আজকাল ব্যস্ত জীবনে ক্যানড খাবারের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন কেউ কেউ। এ ধরনের খাবারে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি ও পটাশিয়ামের পরিমাণ কম থাকে। এই কম্বিনেশন আপনার সেক্স অর্গ্যানে রক্তের সঞ্চালন কমিয়ে সেগুলোকে ঝিমিয়ে পড়তে বাধ্য করে। তাই ক্যানড খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন আপনাকে মানসিক অবসাদের দিকে ঠেলে দেবে। পুরুষেরা বেশি অ্যালকোহলের নেশায় মজে গেলে তাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। আর এই সবগুলোই সেক্সুয়াল ড্রাইভের মরে যাওয়ার অনুঘটক মাত্র।

চিজ: চিজ খেতে মজা লাগে নিশ্চয়ই? কিন্তু বাজারে যে প্রসেসড চিজ কিনতে পাওয়া যায় তা গরুর দুধে তৈরি হলেও তাতে মেশানো হয় নানা ধরনের গ্রোথ হরমোন এবং অ্যান্টিবায়োটিক। তাই চিজ বেশি খেলে মেয়েদের শরীরে এক ধরনের হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এটি তাদের মধ্যে শারীরিক মিলনের ইচ্ছেকে মেরে ফেলে। এমনকী, নানা ধরনের সেক্সুয়াল ডিসফাংশনও হতে পারে চিজ বেশি খেলে। তাই চিজ খেলে একটু রয়ে-সয়ে খাবেন।

কফি: কফির অসংখ্য উপকারিতা যেমন আছে, আছে অপকারিতাও। এটি আমাদের শরীরে অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ডগুলিকে সক্রিয় করে নানা ধরনের স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বাড়ায়। এই ধরনের হরমোন আবার সেক্স হরমোন ও থাইরয়েডের ব্যালান্সে তারতম্য ঘটিয়ে যৌন ইচ্ছা একদমই কমিয়ে দেয়।

সয়া: সয়াবিনের মধ্যে থাকা একটি উপাদান আমাদের শরীরে হরমোনাল ইমব্যালান্স তৈরির জন্য দায়ী। আপনি যদি অতিরিক্ত মাত্রায় এই খাবারটি খান, তাহলে আপনি নারীই হোন কিংবা পুরুষ, যৌন ইচ্ছা কমতে বাধ্য।

পুদিনা: পুদিনা শরীর ঠান্ডা করে আর ঠান্ডা শরীরে সেক্স ড্রাইভ বাড়বে, এমন কথা কেউ কখনও শুনেছে? তা ছাড়া পুদিনার মেন্থল শরীরে টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণও কমিয়ে দেয়।

কর্নফ্লেক্স: জন হার্ভি কেলগ, যিনি বিশ্ববিখ্যাত কেলগ'স কর্নফ্লেক্স তৈরি করেছিলেন, তিনি আসলে পুরুষদের সেক্স ড্রাইভ কমানোর জন্য এটি তৈরি করেন? কর্নফ্লেক্সে থাকা চিনি আসলে টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ কমিয়ে দেয়। ফলে কমে আসে সেক্স ড্রাইভও।

বাদামে জিঙ্কক থাকায় শুক্রাণুর পরিমাণ তুলনামূলক হারে বৃদ্ধি করে।
01/11/2022

বাদামে জিঙ্কক থাকায় শুক্রাণুর পরিমাণ তুলনামূলক হারে বৃদ্ধি করে।

বিট- জননাঙ্গের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে প্রতিদন বিট খাওয়া উচিত। স্যালাডের সঙ্গে নিয়ম করে বিট খেলে, প্রচুর নাইট্রট শরীরে প...
01/11/2022

বিট- জননাঙ্গের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে প্রতিদন বিট খাওয়া উচিত। স্যালাডের সঙ্গে নিয়ম করে বিট খেলে, প্রচুর নাইট্রট শরীরে প্রবেশ করবে।

সুখের হরমোন বাড়ানোর উপায়কানাডার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. সুসান বিয়ালির মতে, এমনকিছু হরমোন রয়েছে যা মানুষের সুখানুভূ...
31/10/2022

সুখের হরমোন বাড়ানোর উপায়

কানাডার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. সুসান বিয়ালির মতে, এমনকিছু হরমোন রয়েছে যা মানুষের সুখানুভূতিতে প্রভাব ফেলে এবং হরমোনগুলো জীবনযাপন দ্বারা প্রভাবিত হয়। এসব হরমোনকে হ্যাপি হরমোন (সুখ হরমোন) বলা যায়।

অনেকেরই জীবনযাপন সম্পর্কে অজ্ঞানতা বা অবহেলায় সুখ কমে যায়। ফলে বিষণ্নতার মতো সমস্যায় ভুগতে হয়। বিষণ্নতার লক্ষণ থাকলে হ্যাপি হরমোন বাড়াতে পারলে সুখানুভূতি পাওয়া সম্ভব। তবে সকল প্রচেষ্টার পরও বিষণ্নতা থেকে বের হতে না পারলে থেরাপিস্টের কাছে যেতে হবে।

পাঁচটি প্রধান হ্যাপি হরমোন হলো- ডোপামিন, সেরোটোনিন, অক্সিটোসিন, ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন। ডা. বিয়ালি কোন হ্যাপি হরমোন কীভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে বাড়াতে হয় তা জানিয়েছেন।

ডোপামিন

এই হ্যাপী হরমোন হলো একটি নিউরোট্রান্সমিটার, যা মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সিস্টেমকে চালিত করে। কাউকে কোনো ভালো কাজের প্রশংসা করা হলে তার ডোপামিন বাড়ে। এর ফলে তিনি সুখানুভূতি পান। এই হরমোন ভালো আচরণেও উদ্দীপনা যোগায়। দেখবেন- যাদেরকে সুখী মনে হয়, তারা মানুষের সঙ্গে ভালো আচরণ করেন বা হাস্যোজ্জ্বল মুখে কথা বলেন। ডোপামিন বাড়াতে নিজের কাজটাকে ভালোভাবে করার চেষ্টা করুন। কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন হলে নিজেও নিজেকে প্রশংসা করে। এতেও ডোপামিন বাড়ে। সৃজনশীল বা কল্যাণমূলক কাজেও নিজেকে জড়াতে পারেন। এছাড়া জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে বা করতে ভালো লাগে এমন যেকোনো কাজ করতে পারেন। এমনকিছু করবেন না যা আইনের চোখে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

সেরোটোনিন

এটি হলো মেজাজ ভালো করার হরমোন। প্রাকৃতিক উপায়ে সেরোটোনিন বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো, প্রতিদিন শরীরচর্চা করা। এমনকি ১০ মিনিট দ্রুত হাঁটলেও মেজাজ ভালো হয়ে যেতে পারে। মানসিক স্থিরতার জন্য সকালের নির্মল পরিবেশে হাঁটাই অধিক ফলপ্রসূ। স্বাস্থ্যকর, উচ্চ আঁশের কার্বোহাইড্রেট খেলেও সেরোটোনিন বাড়ে।

অক্সিটোসিন

এই হ্যাপি হরমোনকে লাভ হরমোনও বলা হয়। নারীদের ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় জানা গেছে, অক্সিটোসিন বাড়লে জীবন সন্তুষ্টিও বাড়ে। এটা পুরুষের তুলনায় নারীর শরীর ও সুখে বেশি প্রভাব ফেলে। প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটালে ও অপরের প্রতি সদয় হলে শরীরে অক্সিটোসিন বাড়ে। তাই ব্যস্ততা কমিয়ে পরিবারকে সময় দিন। এতে নিজে যেমন সুখী হবেন, তেমনি পরিবারেরও মনমানসিকতা ঠিক থাকবে। অন্তরে মানুষের প্রতি ভালোবাসার চর্চাও করতে হবে। এতেও সুখের হরমোন বাড়বে।

ইস্ট্রোজেন

এই হ্যাপি হরমোন আরেকটি হ্যাপি হরমোন সেরোটোনিন তৈরিতে সাহায্য করে এবং খিটখিটে আচরণ ও দুশ্চিন্তা কমিয়ে থাকে। এটা মেজাজে স্থিরতা আনে। নারীর মেনোপজ (মাসিক চক্র স্থায়ীভাবে বন্ধ) হলে ইস্ট্রোজেন কমে যায়। যাদের মেনোপজ হতে যাচ্ছে তাদের ইস্ট্রোজেনও কমতে থাকে। একারণে এসময় নারীদের খিটখিটে আচরণ বেড়ে যায়। এছাড়া ধূমপান ও তীব্র শরীরচর্চায় ইস্ট্রোজেন কমতে পারে। শরীরে ইস্ট্রোজেনের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে মানসিক চাপ (স্ট্রেস) নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। কারণ স্ট্রেস হরমোন করটিসোল হ্যাপি হরমোন ইস্ট্রোজেন ও সেরোটোনিন নিঃসরণে হস্তক্ষেপ করে। হরমোন দুটির কার্যক্রমও ব্যাহত করে। মানসিক চাপ কমাতে প্রার্থনা, ধ্যান, যোগব্যায়াম ও সামাজিকতায় যুক্ত হতে পারেন।

প্রোজেস্টেরন

এটা ভালোভাবে ঘুমাতে, দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতা এড়াতে এবং মেজাজের আগ্রাসী ওঠানামা প্রতিরোধে সহায়তা করে। যেসব নারী মেনোপজের দিকে যাচ্ছেন (সাধারণত ৩৫ বা ৪০ বছরের পর) তাদের শরীরে এই হ্যাপী হরমোন কমতে থাকে। অত্যধিক মানসিক চাপ বা অস্বাস্থ্যকর খাবারে হরমোনটির মাত্রা আরো কমে যায়। হরমোন বিশেষজ্ঞদের মতে, পুষ্টিকর খাবার খেলে, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও চিনি এড়িয়ে চললে এবং মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা কমালে প্রোজেস্টেরন বাড়বে। এরপরও ব্যর্থ হলে হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির প্রয়োজন আছে।

চোখ ওঠা নিয়ে ৫ ভুল ধারণা যা এখন নিত্যনতুন সমস্যদেশে এখন চোখ ওঠা রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে। চোখ ওঠাকে কনজাংটিভাইটিস বা ...
31/10/2022

চোখ ওঠা নিয়ে ৫ ভুল ধারণা যা এখন নিত্যনতুন সমস্য

দেশে এখন চোখ ওঠা রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে। চোখ ওঠাকে কনজাংটিভাইটিস বা পিংক আই রোগ বলা হয়ে থাকে। চোখ ওঠার মূল কারণ হতে পারে ভাইরাসজনিত, ব্যাকটেরিয়া অথবা কখনো কখনো অ্যালার্জিজনিত।

এটি একটি স্পর্শকাতর ও ছোঁয়াচে রোগ। কনজাংটিভাইটিসে আক্রান্ত রোগী যখন তার চোখে হাত দেয় তখন ভাইরাস তার হাতে লেগে থাকে। এর পর থেকে সেই হাত দিয়ে যা কিছুই ছোঁয়া হোক না কেন, সেখানে ভাইরাস চলে আসে। যেমন কারো সঙ্গে করমর্দন, টাকার আদান প্রদান, রিমোর্ট ব্যবহার, থালা বাটি, গ্লাস, বোতল, ব্যবহৃত তোয়ালে, বিছানার চাদর, বালিশ, এমনকি মুঠোফোন ইত্যাদি।

চোখ ওঠা রোগ নিয়ে বেশ কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এ প্রতিবেদনে ৫টি ভ্রান্ত ধারণা তুলে ধরা হলো।

ভুল ধারণা: চোখে হাত না দিলে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই

সঠিক তথ্য: অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ স্পর্শ করাটা এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার একটি উপায় মাত্র। এ ভাইরাসে দূষিত যেকোনো বস্তুর সংস্পর্শে আসলেও আপনার চোখ সংক্রামিত হতে পারে। যেমন চোখ ওঠা ব্যক্তির ব্যবহৃত মেকআপ, লোশন কিংবা চোখের ড্রপের মুখ। চোখ ওঠা রোগটি ভাইরাসজনিত হলে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমেও ছড়াতে পারে।
ভুল ধারণা: চোখ ওঠা মানেই সংক্রামক এবং খুবই ছোঁয়াচে।

সঠিক তথ্য: চোখ ওঠা রোগের একাধিক ধরন রয়েছে এবং এর সবগুলোই সংক্রামক নয়। ব্যাকটেরিয়াজনিত কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা এবং ভাইরাসজনিত চোখ ওঠা রোগ হলো, খুব ছোঁয়াচে। অপরদিকে, অ্যালার্জিজনিত কনজাংটিভাইটিস সাধারণত ঋতুগত অ্যালার্জিযুক্ত লোকদের হয় এবং রাসায়নিকজনিত কনজাংটিভাইটিস ধোঁয়া কিংবা সুইমিং পুলের পানিতে ক্লোরিনের মতো পদার্থের সংস্পর্শে হয়।

ভুল ধারণা: চোখ ওঠলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

সঠিক তথ্য: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চোখ ওঠা সমস্যার জন্য বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না এবং নিজ থেকেই ভালো হয়ে যায়। তবে কখনো কখনো জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) পরামর্শ হলো, চোখে অতিরিক্ত ব্যথা, দৃষ্টি ঝাপসা কিংবা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

এ ছাড়া তিন সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ না হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সময়মতো চিকিৎসাসেবা না নিলে স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি হতে পারে।

ভুল ধারণা: চোখ লাল হওয়া মানেই চোখ ওঠা রোগ

সঠিক তথ্য: লাল বা রক্তাক্ত চোখ কনজাংটিভাইটিস ছাড়াও অনেক কিছুর লক্ষণ হতে পারে। অ্যালার্জিজনিত সমস্যা বা শুষ্ক চোখের উপসর্গ হিসেবেও চোখের সাদা রঙ লাল হয়ে যেতে পারে। এমনকি চোখ লাল হওয়ার পেছনে আরো গুরুতর কারণ থাকতে পারে। এখানে চোখের ৩টি অবস্থা উল্লেখ করা হলো, তা উপেক্ষা করা উচিত নয়-

* গ্লুকোমা: গ্লুকোমা চোখের এমন একটি রোগ, যাতে অপটিক স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গ্লুকোমার নানা ধরনের মধ্যে একটি হলো, অ্যাঙ্গেল-ক্লোজার গ্লুকোমা। এর ফলে চোখ লাল হয়ে যায় এবং দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়। এটি চোখের একটি গুরুতর অবস্থা, দ্রুত চিকিৎসা না করা হলে অন্ধত্ব হতে পারে।

* স্ক্লেরাইটিস: এ রোগে চোখের সাদা ‘স্ক্লেরাল’ কিছু অংশ লাল ও উঁচু হয়ে যায়। গুরুতর পর্যায়ে এটিও অন্ধত্ব সৃষ্টি করতে পারে।

* ইউভাইটিস: এ রোগের উপসর্গ হিসেবে চোখ ঘন ঘন লাল হয়ে যায়। সময়মতো চিকিৎসা না করলে অন্ধত্ব হতে পারে।

ভুল ধারণা: একবার চোখ উঠলে এ রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়

সঠিক তথ্য: চোখ ওঠা রোগে একবার আক্রান্ত হলে, ভবিষ্যতে ফের এ রোগ হওয়া থেকে রক্ষা করে না। সংক্রামক কনজাংটিভাইটিস সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস যেকোনো সময় আবারও আক্রান্ত করতে পারে। সংক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য আপনি যা করতে পারেন তা হলো- চোখে হাত দেওয়া এড়িয়ে চলুন, প্রায় সময়ই সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার রাখুন, তোয়ালে এবং মেকআপের মতো জিনিসগুলো অন্যের সঙ্গে শেয়ার করবেন না।

দ্বিতীয়বার চোখ ওঠা থেকে রক্ষা পাওয়ার সেরা উপায় হলো, যাদের এ রোগ হয়েছে তাদের সংস্পর্শ এড়ানো। মনে রাখবেন, চোখ ওঠা রোগটি সহজেই এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তিতে ছড়াতে পারে। তাই আক্রান্ত ব্যক্তির চোখের সংস্পর্শে আসা যেকোনো কিছুর সঙ্গে আপনার চোখের স্পর্শ এড়িয়ে চলুন।

মানব সভ্যতা টিকে থাকার পিছনে যৌনজীবনের গুরুত্ব রয়েছে। সাধারণত শারীরিক ও মানসিক সুখের আশায় পুরুষ নারীর সঙ্গ চায়, সহবাসে ল...
31/10/2022

মানব সভ্যতা টিকে থাকার পিছনে যৌনজীবনের গুরুত্ব রয়েছে। সাধারণত শারীরিক ও মানসিক সুখের আশায় পুরুষ নারীর সঙ্গ চায়, সহবাসে লিপ্ত হয়। কিন্তু সুখের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে যৌন সমস্যা। ব্যক্তিভেদে সহবাসের অভিজ্ঞতা ভিন্ন হতে পারে- কেউ সুখ পেতে পারে, কেউ হতে পারে অসুখী। এই অসুখী বা অতৃপ্ত হওয়ার কারণ যৌন সমস্যা। অনেকে মাসের পর মাস অথবা বছরের পর বছর যৌন সমস্যায় ভুগলেও চিকিৎসকের কাছে যান না লজ্জায় বা ভয়ে। কিন্তু এটি অবহেলা করা উচিত নয়। যৌন সমস্যা সমাধানের উপায় নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব।

অকালে বীর্যপাত : শরীর থেকে বীর্য বের হওয়াকে ইজাকুলেশন বলে। যৌনমিলনে বেশি সময় ধরে তৃপ্তি পেতে প্রত্যেক পুরুষই চাই ইজাকুলেশন দেরিতে হোক। কিন্তু অনেক পুরুষের এই চাওয়া পূরণ হয় না। অনেক পুরুষের স্বাভাবিক সময়ের পূর্বেই ইজাকুলেশন হয়ে যায়- এ সমস্যাকে বলে প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন বা অকালে বীর্যস্খলন। প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশনের ক্ষেত্রে পেনিস ভ্যাজাইনাতে প্রবেশের পূর্বে অথবা প্রবেশ করামাত্র বীর্যপাত হয়। ডা. নেলসন বলেন, ‘এটা মনে রাখবেন যে অধিকাংশ পুরুষ যৌনমিলনের সময় গড়ে চার মিনিট পর্যন্ত বীর্য ধরে রাখতে পারে, তাই আপনার বীর্যস্খলন এর কাছাকাছি সময়ে হলে দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই, আপনি সম্ভবত স্বাভাবিক রেঞ্জে আছেন।’ কিন্তু প্রতিনিয়ত উত্তেজিত হওয়ামাত্র বীর্যপাত হয়ে গেলে একজন সেক্স থেরাপিস্টের কাছে যান। যেসব পুরুষের অকালে বীর্যস্খলন হয় তারা কেজেল এক্সারসাইজ থেকে উপকার পেতে পারেন।
গভীর সঙ্গমে ব্যথা : সহবাসের সময় জরায়ুমুখে পেনিস হিট করলে এ ধরনের ব্যথা হয় এবং এ সমস্যাটি কিছু সেক্স পজিশনে বেশ কমন (যেমন- পেছন থেকে সহবাস করা), বলেন ডা. মাইকেল। তিনি আরো বলেন, ‘মাসিক চক্রের সময় জরায়ুমুখ আরো স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে, শুষ্ক ভ্যাজাইনার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা হয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি এটাকে সার্ভিক্স বাম্প হিসেবে রেফার করি- কখনো কখনো উত্তেজনা ও সেক্স পজিশনের ওপর ভিত্তি করে ভালো অনুভব হতে পারে, কিন্তু অন্যান্য সময় তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়।’ ডা. মাইকেল ব্যথা ছাড়াই সর্বোচ্চ যৌনসুখ পেতে সঙ্গীর সঙ্গে সেক্স পজিশন অ্যাডজাস্ট করতে পরামর্শ দিচ্ছেন।

পুরুষ হরমোন সম্পর্কে ৯টি প্রশ্নের উত্তরএস এম গল্প ইকবাল : সম্ভবত আপনি লিবিডো বা কামশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রাকৃতিক পন্থা অব...
31/10/2022

পুরুষ হরমোন সম্পর্কে ৯টি প্রশ্নের উত্তর

এস এম গল্প ইকবাল : সম্ভবত আপনি লিবিডো বা কামশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করেছেন এবং তাতে ব্যর্থ হয়েছেন। অথবা হয়তো আপনি বয়স্কতার জন্য উদ্বিগ্ন এবং টেস্টোস্টেরন ঘাটতি সমস্যার অলৌকিক সমাধানের জন্য টেস্টোস্টেরন বুস্টারের দিকে ঝুঁকছেন।

কিন্তু কৌশলী মার্কেটিং ক্যাম্পেইনে প্রলুব্ধ হয়ে টেস্টোস্টেরন বুস্টার বা টেস্টোস্টেরন ওষুধ গ্রহণের কথা বিবেচনা করার পূর্বে আপনার টেস্টোস্টেরন সম্পর্কে কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে নেওয়া উচিত। এখানে ৯টি প্রশ্নের উল্লেখ করা হলো, যা পুরুষদের ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করা উচিত।

১. টেস্টোস্টেরন কি?

টেস্টোস্টেরন একটি স্টেরয়েড হরমোন যা কোলেস্টেরল থেকে অর্জিত হয়। টেস্টোস্টেরনকে অ্যান্ড্রোজেন বা পুরুষ হরমোন বলা হয়। এই হরমোন কমে গেলে যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া, লিঙ্গোত্থানে সমস্যার মতো ঘটনা ঘটে। এই হরমোন প্রধানত পুরুষদের শুক্রাশয় দ্বারা নিঃসৃত হয়ে থাকে, কিন্তু খুব অল্প পরিমাণ টেস্টোস্টেরন নারীদের অ্যাড্রিনাল কর্টেক্স ও ডিম্বাশয় দ্বারাও নিঃসৃত হয়। বয়ঃসন্ধিকালে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যায়, কৈশোরের শেষের দিক থেকে ২০ বছর বয়সের প্রারম্ভে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা সর্বাধিক হয় এবং তারপর এ মাত্রা কমতে থাকে। ৩০ বছর বয়সের পর, একজন পুরুষের টেস্টোস্টেরন মাত্রা ধীরে ধীরে কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক এবং এ হ্রাস পাওয়া প্রতিবছর অব্যাহত থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথের মতে, ‘টেস্টোস্টেরন একটি গুরুত্বপূর্ণ পুরুষ হরমোন যা কামোন্নয়ন বা যৌনোন্নয়ন, মাসল মাস বা মেটাবলিক রেট বা শারীরিক শক্তি ও দৈনিক কার্যক্ষমতা এবং লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে।’ ১৯৩৭ সালের প্রথম দিকে ক্লিনিক্যাল ড্রাগ হিসেবে প্রথম সিন্থেটিক টেস্টোস্টেরন ব্যবহার করা হয় এবং বর্তমানে সিন্থেটিক টেস্টোস্টেরন সেসব পুরুষদের প্রেসক্রাইব করা হয়, যাদের প্রাকৃতিকভাবে টেস্টোস্টেরন উৎপাদনের মাত্রা কম।

২. আমার কি টেস্টোস্টেরন কম রয়েছে?
টেস্টোস্টেরন ঘাটতির কোন মাত্রা মেডিক্যালি প্রাসঙ্গিক তা এখনো ভালোভাবে নির্ণীত হয়নি। এটি শুধুমাত্র বয়স্ক পুরুষদের সমস্যা নয়। টেস্টোস্টেরন ঘাটতি পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য সমস্যাসমূহের একটি যার সম্পর্কে পুরুষদের জ্ঞান থাকা উচিত। স্বাভাবিক টেস্টোস্টেরন উৎপাদন মাত্রা পুরুষদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে এবং সারাদিন এ হরমোনের মাত্রার হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে- সাধারণত সকালে সর্বোচ্চ হয়ে থাকে। লো টেস্টোস্টেরন বা নিম্ন টেস্টোস্টেরন বা টেস্টোস্টেরন ঘাটতির আদর্শ কোনো সংজ্ঞা নেই। লো টেস্টোস্টেরনকে ‘লো-টি’ নামে উল্লেখ করা হয়। মায়ো ক্লিনিকের মতে, গড়ে একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের (৩০+) স্বাস্থ্যতার পরিচায়ক টেস্টোস্টেরন মাত্রা প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ২৭০ থেকে ১,০৭০ ন্যানোগ্রাম। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথের মতে, লো-টি এর সম্ভাব্য উপসর্গ হচ্ছে যৌন তাড়না হ্রাস, লিঙ্গ উত্থান অক্ষমতা বা পুরুষত্বহীনতা, স্তনের আকার বৃদ্ধি, শুক্রাণু হ্রাস, হট ফ্ল্যাশ, বিষণ্নতা, খিটখিটে মেজাজ, মনোযোগে অসমর্থতা, সংকুচিত ও নরম টেস্টিস, মাসল মাস হ্রাস, চুল পড়ে যাওয়া এবং হাড়ে ফ্র্যাকচার প্রবণতা।

৩. লো-টি কিভাবে নির্ণয় করা হয়?

অধিকাংশ পুরুষের পর্যাপ্ত টেস্টোস্টেরনের চেয়েও বেশি টেস্টোস্টেরন থাকে। কিন্তু কিছু পুরুষের মধ্যে এ হরমোন পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদিত হয় না- যা তাদেরকে হাইপোগোনাডিজম নামক অবস্থার দিকে ধাবিত করে। একটি রক্ত পরীক্ষা আপনার ডাক্তারকে বলতে পারবে যে কি পরিমাণ মুক্ত টেস্টোস্টেরন আপনার রক্তে চলাচল করছে এবং এটাও জানাতে পারে যে আপনার শরীরে মোট কি পরিমাণ হরমোন আছে। দ্য জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজমে প্রকাশিত এন্ডোক্রাইন সোসাইটির নির্দেশিকার মতে, শুধুমাত্র পুরুষদের মধ্যে সুসংগত উপসর্গ এবং সুস্পষ্ট নিম্ন সিরাম টেস্টোস্টেরনের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে লো-টি নির্ণয় করা উচিত। লেবেলিং এবং মেডিকেটিং বা ওষুধ এড়াতে নির্দেশিকাটিতে পুরুষদেরকে সাধারণ লোকদের মধ্যে স্ক্রিনিং না করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় সুস্থ পুরুষদের টেস্টিং, ট্রিটমেন্ট এবং মনিটরিংয়ে অস্পষ্ট ফলাফল আসতে পারে।

৪. লো-টি কি বয়স্কতার সঙ্গে একটি অনিবার্য অংশ?

নারীরা যখন মেনোপজের মধ্য দিয়ে যায়, তাদের ইস্ট্রোজন মাত্রা খুব দ্রুত হ্রাস পায় এবং প্রায় সম্পূর্ণরূপে থেমে যায়। কিন্তু পুরুষদের মধ্যে টেস্টোস্টেরন মাত্রা হ্রাস ভিন্নভাবে হয়ে থাকে। সাধারণত, ৪০ বছর বয়সের পর থেকে প্রতিবছর ১ থেকে ২ শতাংশ টেস্টোস্টেরন মাত্রা হ্রাস পায় এবং লো-টি অবশ্যই অনিবার্য নয়। ব্রিটিশ মেডিক্যালের ২০১০ সালের জুন সংখ্যার ড্রাগ অ্যান্ড থেরাপিউটিকস বুলেটিনের মতে, ৬০ বছর বয়স্ক বৃদ্ধ পুরুষদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ এবং তাদের মধ্যে অর্ধেকের আশি বা তদোর্ধ্ব বছর বয়সে টেস্টোস্টেরন মাত্রা অল্পবয়স্ক পুরুষদের মতো স্বাভাবিক রেঞ্জের মধ্যে ছিল।

৫. কিভাবে আমি লো-টি এর চিকিৎসা করব?

লো-টি থাকা পুরুষদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে। টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির (টিআরটি) মাধ্যমে এ অবস্থার চিকিৎসা করা যায়। এজন্য ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন এবং সাবধানী মনিটরিং বা পর্যবেক্ষণ লাগবে। বিভিন্ন রূপে ওষুধ পাওয়া যায়, যেমন- জেল, টপিক্যাল সল্যুশন, চর্মের ওপর ট্রান্সডারমাল প্যাচ স্থাপন, উপরের মাড়িতে বাক্কেল প্যাচ প্রয়োগ, ইনজেকশন এবং চর্মের নিচে পেলেট ইমপ্লান্ট। এসব ওষুধ বিভিন্ন ব্র্যান্ড নামে পাওয়া যায়, যেমন- অ্যান্ড্রোডার্ম, অ্যান্ড্রোজেল, অ্যাক্সিরন, ফরটেস্টা, স্ট্রিয়ান্ট, টেস্টিম এবং টেস্টোপেল। শক্তি বৃদ্ধি, অ্যাথলেটিক পারফরম্যান্স, শারীরিক সৌন্দর্য কিংবা বয়স্কতা প্রতিরোধের জন্য যদি আপনি টেস্টোস্টেরন গ্রহণের চিন্তা করেন, তাহলে এ কথা মনে রাখবেন যে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(এফডিএ) এসব ক্ষেত্রে এ ড্রাগ ব্যবহারের অনুমোদন দেননি।

৬. টেস্টোস্টেরন গ্রহণের কি কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে?

টেস্টোস্টেরন গ্রহণে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধিসহ কিছু ভীতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। যদি আপনি টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি গ্রহণের কথা বিবেচনা করেন, তাহলে নিশ্চিত হোন যে আপনি সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে জেনেছেন। মায়ো ক্লিনিকের মতে, এসব ঝুঁকি হতে পারে ব্রণ বা তৈলাক্ত ত্বকের বিকাশ, তরল জমা, প্রস্রাবের উপসর্গ বৃদ্ধির সম্ভাবনা (যেমন- প্রস্রাবের তাড়া বা ঘনঘন প্রস্রাব), বৈরভাব ও দোদুল্যমান মেজাজ, স্লিপ অ্যাপনিয়া বৃদ্ধি, অণ্ডকোষের আকার হ্রাস, স্তন বৃদ্ধি এবং রক্তজমাটের ঝুঁকি বৃদ্ধি। রোগীদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক করতে ২০১৪ সালে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(এফডিএ) টেস্টোস্টেরন প্রোডাক্টের লেবেল রিভাইজ করে। টেস্টোস্টেরন গ্রহণকারী রোগীদের বুক ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস সমস্যা, শরীরের একপাশে দুর্বলতা অথবা কথা অস্পষ্ট হলে এফডিএ মেডিক্যাল সেবা অনুসন্ধানের পরামর্শ দেয়।

৭. আমি কি প্রাকৃতিকভাবে টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি করতে পারব?

স্থূল পুরুষদের টেস্টোস্টেরন কম থাকে। তাদের মতো ধূমপায়ী, শারীরিকভাবে অলস অথবা প্রতিসপ্তাহে ২৮ বারের বেশি মদ্যপায়ীদেরও টেস্টোস্টেরন কম থাকে। তাই ওজন হ্রাস করে, বেশি করে কর্মে সক্রিয় হয়ে এবং মদ্যপান কমিয়ে আপনি প্রেসক্রিপশন ছাড়া টেস্টোস্টেরন মাত্রা বাড়াতে পারেন। ২০১২ সালে এন্ডোক্রাইন সোসাইটির বার্ষিক সভায় উপস্থাপিত গবেষণা ফলাফলের মতে, যেসব স্থূল পুরুষেরা গড়ে ১৭ পাউন্ড ওজন কমিয়েছে, তাদের টেস্টোস্টেরন মাত্রা ১৫ শতাংশ বেড়েছে। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব স্পোর্টস মেডিসিনে ২০১৪ সালে প্রকাশিত গবেষণা থেকে জানা যায়, হাই ইন্টেনসিটি ইন্টারভ্যাল ট্রেইনিং (এইচআইআইটি) টেস্টোস্টেরন মাত্রা বাড়াতে পারে।

৮. টেস্টোস্টেরনের জন্য কি খারাপ সহযোগী আছে?

স্বাভাবিক টেস্টোস্টেরন মাত্রা থাকা পুরুষদের টেস্টোস্টেরন থেরাপি বিবেচনা করা উচিত নয় এবং ব্রেস্ট ক্যানসার হওয়া পুরুষ বা নারীদের টেস্টোস্টেরন প্রোডাক্ট ব্যবহার করা উচিত নয়। ধারণা করা হয় যে, টেস্টোস্টেরন প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে অথবা এনলার্জড প্রস্টেটের উপসর্গকে আরো খারাপ পরিস্থিতির দিকে ধাবিত করতে পারে- এ বিষয়টা নিয়ে মেডিক্যাল কমিউনিটির মধ্যে অনেক বছর ধরে তর্কবিতর্ক হয়েছে। সায়েন্স ডেইলিতে প্রকাশিত এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গোন মেডিক্যাল সেন্টার এবং নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন দ্বারা ২০১৬ সালে সম্পাদিত এক গবেষণা থেকে জানা যায়, টেস্টোস্টেরন থেরাপি আগ্রাসী প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় না। তবুও আপনার প্রস্টেট ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে টেস্টোস্টেরন থেরাপি শুরু করার পূর্বে ডাক্তারকে জানান।

৯. টেস্টোস্টেরন গ্রহণ কি অন্যের ঝুঁকির কারণ হবে?

টেস্টোস্টেরন মেডিকেশন বা ওষুধের মোড়কে সতর্কবাণী লেখা থাকে। ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সতর্ক করে যে, যেসব শিশুরা ঘটনাক্রমে এ হরমোন এক্সপোজ করে- তাদের পেনিস বা ক্লিটরিস বৃদ্ধি, গুপ্ত লোম জন্মানো, লিঙ্গ উত্থান ও কামশক্তি বৃদ্ধি, আগ্রাসী মনোভাব এবং হাড়ে বার্ধক্য আসতে পারে। তাই শরীরের সেসব জায়গায় টেস্টোস্টেরন প্রোডাক্ট ব্যবহার করা উচিত নয় যা শিশু বা গর্ভবতী নারীর সংস্পর্শে আসতে পারে। এ প্রোডাক্ট প্রয়োগ করার পর প্রয়োগকৃত স্থান কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা উচিত এবং সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। কারো সঙ্গে চর্ম-থেকে-চর্ম সংস্পর্শ হওয়ার পূর্বেই টেস্টোস্টেরন প্রোডাক্ট প্রয়োগকৃত স্থান ধুয়ে ফেলা উচিত। টেস্টোস্টেরন গ্রহণকারীর বেড শিট, বালিশ এবং কাপড়ে টেস্টোস্টেরন লেগে থাকতে পারে, তাই এসবের সংস্পর্শে কেউ আসতে চাইলে তাকে ঝুঁকি সম্পর্কে অবহিত করুন।

পুরুষের যৌন সমস্যাযৌন সমস্যা বা যৌন অক্ষমতা বলতে এমন সমস্যাকে বোঝায় যা যৌন প্রতিক্রিয়া চক্রের যেকোন ধাপে ঘটবার কারণে পরি...
31/10/2022

পুরুষের যৌন সমস্যা

যৌন সমস্যা বা যৌন অক্ষমতা বলতে এমন সমস্যাকে বোঝায় যা যৌন প্রতিক্রিয়া চক্রের যেকোন ধাপে ঘটবার কারণে পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি থেকে সঙ্গীকে বঞ্চিত রাখে।

যৌন প্রতিক্রিয়া চক্রের চারটি ধাপ রয়েছে। উত্তেজনা, প্লেট, প্রচণ্ড উত্তেজনা (অর্গাজম), এবং রেজোল্যুশন।

বিভিন্ন গবেষণার তথ্যমতে ৪৩ শতাংশ নারী ও ৩১ শতাংশ পুরুষ কোনো না কোনো মাত্রার যৌন অক্ষমতায় ভোগেন। এই বিষয়টি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে আলোচনা করতে অনেকেই বিব্রত বোধ করেন। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই সমস্যা চিকিৎসায় সেরে যায়। তাই যারা এমন সমস্যায় ভোগেন তাদের উচিত খোলামেলাভাবে বিষয়টি নিয়ে সঙ্গী বা ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করা।

কী কারণে পুরুষের যৌন সমস্যা হয়ে থাকে?

পুরুষের শারীরিক বা মানসিক সমস্যার ফলাফল হিসেবে যৌন সমস্যা হয়ে থাকতে পারে।

শারীরিক কারণ: অনেক ধরণের শারীরিক কারণে যৌন সমস্যা তৈরি হতে পারে। ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, রক্তনালী সংক্রান্ত রোগ, স্নায়ু রোগ, হরমোন ভারসাম্যহীনতা, দুরারোগ্য ব্যাধি যেমন কিডনি বা লিভারের রোগ এবং অতিরিক্ত মদ্যপান, নিয়মিত মাদক নেওয়া ও ঔষধের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ইত্যাদি। এছাড়াও, কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ড্রাগসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যৌন ইচ্ছা এবং ক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।

মানসিক কারণ: কর্মস্থলে চাপ ও অস্থিরতা, যৌন সক্ষমতা নিয়ে অতিমাত্রায় উদ্বিগ্ন বা দুশ্চিন্তায় থাকা, সম্পর্ক নিয়ে জটিলতা, ডিপ্রেশন, অপরাধবোধ এবং অতীতের কোন ঘটনা বা সেক্সুয়াল ট্রমার প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি মানসিক কারণে যৌন সমস্যায় ভুগতে পারেন যেকোনো পুরুষ।

যৌন সমস্যায় কারা ভোগে?

যৌন সমস্যায় নারী-পুরুষ উভয়ই ভুগতে পারেন। প্রাপ্তবয়স্ক যে কারো যেকোনো বয়সে যৌন সমস্যা হতে পারে।

যৌন সমস্যা কীভাবে পুরুষদের ভোগায়?

পুরুষদের সাধারণত যেসব যৌন সমস্যাটি বেশি হয়ে থাকে সেগুলো হলো অনিয়ন্ত্রিত বীর্যপাত, লিঙ্গ উত্থিত না হওয়া এবং যৌন ইচ্ছা না জাগা (আইএসডি)।

অনিয়ন্ত্রিত বীর্যপাত কী?

অনিয়ন্ত্রিত বীর্যপাতের কয়েকটি ধরণ রয়েছে। যেমন:

দ্রুত বীর্যপাত: পেনিট্রেশন বা সঙ্গম শুরুর আগেই বা কিছুক্ষণ পরই বীর্যপাত হয়ে যাওয়াকেই দ্রুত বা অকাল বীর্যপাত বলা হয়।

মন্থর বীর্যপাত: খুবই মন্থর বীর্যপাত হওয়া বা বীর্যপাতের ইচ্ছা না জাগাই এ ধরণের সমস্যা।

বিপরীতমুখী বীর্যপাত (রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন): পুরুষের বীর্যপাতের সময় বীর্য মূত্রনালি দিয়ে বের হয়ে আসে। তবে যৌন সমস্যার কারণে যদি মূত্রনালি দিয়ে বীর্য বেরিয়ে না এসে উল্টো চলে যায় অর্থাৎ মূত্রথলিতে প্রবেশ করে তবে তাকে রেট্রোগ্রেড ইজাকুলেশন বা বিপরীতমুখী বীর্যপাত বলে।

কিছু ক্ষেত্রে অকাল ও দ্রুত বীর্যপাত ঘটে মানসিক কারণে। যৌনতা সম্পর্কে অপরাধবোধে ভোগা যেমন কঠোর ধর্মীয় অনুশাসনে যারা বড় হয়েছেন তারা অনেকেই যৌনতাকে পাপ মনে করেন। তাদের ক্ষেত্রে এমনটা হতে পারে। এছাড়া সঙ্গীর প্রতি কম আকর্ষণ অনুভব এবং অতীতের কোনো সেক্সুয়াল ট্রমার কারণেও এমনটা হতে পারে। পুরুষের সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটি হয়, তা হলো অকাল বীর্যপাত। সঙ্গমে নিজের সক্ষমতা বা ভালো সঙ্গম করার জন্য অতিমাত্রার তাগিদ থেকেও এমনটা হয়ে থাকে। এছাড়া কিছু ড্রাগস নেওয়ার কারণেও এমনটা হতে পারে।

সাধারণত যারা ডায়াবেটিক রোগে ভোগেন তাদের মধ্যে বিপরীতমুখী বীর্যপাতের সমস্যা দেখা যায়। ডায়াবেটিসের কারণে স্নায়ু ধীরে ধীরে কর্মক্ষমতা হারায়। মুত্রথলীর স্নায়ু দুর্বল বা কর্মক্ষমতা যদি হারায় তবে এই সমস্যায় ভুগে থাকেন পুরুষরা। ডায়াবেটিক ছাড়া যাদের এ সমস্যা হয় তাদের সাধারণত ব্লাডার নেকে বা পাকস্থলীতে অস্ত্রোপচারের কারণে হয়ে থাকে। এছাড়া কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার দরুন এটা হতে পারে; যেমন ক্রোধ সংবরণের জন্য ঔষধ গ্রহণের কারণে এমনটা ঘটতে পারে।

লিঙ্গ উত্থিত না হওয়ার সমস্যা (ইরেকটাইল ডিসফাংশন) কী?

ইরেকটাল ডিসফাংশনকে সরাসরি যৌন অক্ষমতা বলা হয়। যৌন মিলনের জন্য পুরুষের লিঙ্গ উত্থিত না হওয়া বা উত্থান হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী না হওয়াকে ইরেকটাল ডিসফাংশন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। রক্ত সঞ্চালনের সমস্যাজনিত রোগ, স্নায়ুবিক সমস্যা, মানসিক কারণ- যেমন চাপ, অবসাদ এবং যৌন সক্ষমতা নিয়ে দুশ্চিন্তা, লিঙ্গে কোন ধরণের আঘাতের কারণে, দুরারোগ্য কোন ব্যাধি, নির্দিষ্ট কিছু ড্রাগ নেওয়াসহ ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা হয়ে থাকে পুরুষের। এছাড়া পিরোনির রোগের (লিঙ্গে ত্রুটিযুক্ত টিস্যুর কারণে সমস্যা) কারণে ইরেকটাইল ডিসফাংশন হতে পারে।

যৌন আকাঙ্ক্ষা না জাগা কী?

যৌন আকাঙ্ক্ষা না জাগা বলতে যৌন ক্রিয়ায় সাড়া না দেওয়ার প্রবণতাকে বা কামশক্তি হারিয়ে ফেলা বা কম যৌন ইচ্ছাকে বোঝায়। এ সমস্যা মানসিক ও শারীরিক কারণে ঘটতে পারে। এটি টেস্টোস্টেরন হরমোনের কম নির্গত হওয়ার কারণে হয়। কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলে এমনটা হতে পারে। এছাড়া সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কে জটিলতার কারণেও এ সমস্য হয় অনেক পুরুষের।

আলু খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে এই ভয় থেকে অনেকে আলু খাওয়া বাদ দেন। কিন্তু এটি ঠিক নয়। আলু খেলে ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকে না। এই স...
01/10/2022

আলু খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে এই ভয় থেকে অনেকে আলু খাওয়া বাদ দেন। কিন্তু এটি ঠিক নয়। আলু খেলে ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকে না। এই সবজিতে থাকে ফাইবার। ফলে আলু খেলে তা দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগে না এবং অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার ভয় থাকে না। যে কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।

30/09/2022

Address

Muradpur Jalal Plaza 3rd & 4th Floor
Chittagong
4210

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Healthy Solutions - স্বাস্থ্যকর সমাধান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share