Dr. Reshma Sharmin

Dr. Reshma Sharmin This is my official fb page for communicating with people. I hope you will spread love & respect..

08/11/2025

Assalamualikum
We will upload educational video on different health conditions from tomorrow.
Plz keep waiting

15/08/2024

Class time
Date
15/08/2024
Bangladesh time 2 pm to 3 pm
Topic:
Biostatistics for FCPS/ MRCOG/ for publication of papers
Class by dr Reshma Sharmin

Zoom is the leader in modern enterprise video communications, with an easy, reliable cloud platform for video and audio conferencing, chat, and webinars across mobile, desktop, and room systems. Zoom Rooms is the original software-based conference room solution used around the world in board, confer...

গর্ভস্থ শিশুর আকারে ছোট হওয়ার সমস্যা নির্ণয়গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে আপনার ছোট বাচ্চা হওয়ার ঝুঁকি কতটুকু তা পরীক্ষা করে দে...
06/10/2023

গর্ভস্থ শিশুর আকারে ছোট হওয়ার সমস্যা নির্ণয়

গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে আপনার ছোট বাচ্চা হওয়ার ঝুঁকি কতটুকু তা পরীক্ষা করে দেখা উচিৎ।
▪️ যদি আপনার ছোট বাচ্চা হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে, তবে আপনার প্রসূতি বিশেষজ্ঞ আপনার শিশুর বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা অব্যাহত রাখবেন:
• প্রতিটি প্রসবপূর্ব অ্যাপয়েন্টমেন্টে, গর্ভাবস্থার ২৪ সপ্তাহের পর থেকে নিয়মিত আপনার জরায়ুর উচ্চতা পরিমাপ করে একটি তালিকায় লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে। আপনার তলপেটের নিচে মাঝ বরাবর অনুভূত হাড় (পিউবিক হাড় নামে পরিচিত) এবং আপনার জরায়ুর উপরের অংশের মধ্যের দূরত্ব হলো জরায়ুর উচ্চতা। একে Fundal Height/Symphysiofundal height বলে। এই পরিমাপ তালিকাবদ্ধ করে পর্যবেক্ষণ করলে আপনার শিশুর স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার বিষয়ে নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে।
• যদি পরিমাপ থেকে বোঝা যায় যে আপনার শিশুটি ছোট হতে পারে, তাহলে আপনাকে আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান করার পরামর্শ দেয়া হবে।
▪️ যদি আপনার ছোট বাচ্চা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে, তবে আপনাকে:
• গর্ভাবস্থার ২৬-২৮ সপ্তাহ থেকে নিয়মিত আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান করার জন্য উপদেশ দেয়া হবে,
• আপনার প্লাসেন্টায় রক্ত প্রবাহের একটি আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান করার জন্য উপদেশ দেয়া হবে। এটি ইউটেরাইন আর্টারি ডপলার টেস্ট (uterine artery doppler test) নামে পরিচিত এবং গর্ভাবস্থার ২০ থেকে ২৪ সপ্তাহে করা হয়। এর রেজাল্টের উপর নির্ভর করে আপনার শিশুর পরবর্তীতে কোন স্ক্যানের প্রয়োজন আছে কিনা তা নির্ধারণ করা হবে।

অন্যান্য সাহায্যকারী যেসব পরীক্ষা করা প্রয়োজন

আপনার শিশুর সুস্থতা পরীক্ষা করার জন্য নিম্নলিখিত টেস্টগুলো করতে হতে পারে:
• আম্বিলিক্যাল আর্টারি ডপলার (Umbilical artery doppler)- এটি আম্বিলিক্যাল কর্ড এর মধ্য দিয়ে রক্তের প্রবাহকে পরিমাপ করে
• কার্ডিওটোকোগ্রাফ(Cardiotocograph/CTG)- এর মাধ্যমে আপনার শিশুর হৃদস্পন্দন নির্ণয় করা হয়
• আপনার শিশুর চারপাশে থাকা পানির পরিমাণ (amniotic fluid) নির্ণয় করা।
আম্বিলিক্যাল আর্টারি ডপলার পরীক্ষা অস্বাভাবিক হলে আরও বিস্তারিত স্ক্যানের জন্য আপনাকে একজন ফিটাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হতে পারে। ..

এমন ছোট শিশুর জন্মের জন্য সবচেয়ে সঠিক সময়

এটি নির্ভর করবে আপনার শিশুর বৃদ্ধি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ডপলার পরীক্ষার ফলাফল কেমন এসেছে তার উপর। স্ক্যানগুলো আপনার চিকিৎসককে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে যে আপনার শিশুর তাড়াতাড়ি জন্ম হওয়া ভাল নাকি আপনার এবং আপনার শিশুর জন্য আপনার গর্ভাবস্থা আরও বেশি দিন চালিয়ে যাওয়া নিরাপদ। যদি আপনার শিশু স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি হয় এবং ডপলার টেস্টগুলো স্বাভাবিক থাকে, তবে আপনার গর্ভাবস্থার কমপক্ষে ৩৭ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভালো।..

অকালেই শিশুর প্রসব করতে চাইলে করণীয়

আপনি কখন এবং কীভাবে আপনার সন্তানের জন্ম দিতে যাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে, আপনাকে ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে Corticosteroid ইঞ্জেকশন প্রদান করা হতে পারে। এটি আপনার শিশুর বিকাশে সাহায্য করার জন্য এবং জন্মের পরে শ্বাসকষ্টের সম্ভাবনা কমাতে ব্যবহার করা হয়।

ছোট শিশু প্রসব করার উপযুক্ত পদ্ধতি

যদি অন্য আর কোন জটিলতা না থাকে, তবে আপনি নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে সন্তান প্রসব করতে পারবেন। প্রসবের সময় আপনার শিশুকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। যাই হোক, যদি আম্বিলিক্যাল আর্টারি ডপলার পরীক্ষা স্বাভাবিক না থাকে, তবে আপনাকে সিজারিয়ান সেকশন এর মাধ্যমে সন্তান প্রসব করার উপদেশ দেয়া হবে।
যদি আপনার সন্তান প্রসবের জন্য পরিকল্পিত সময়ের পূর্বে আপনার প্রসব বেদনা উঠে বা আপনার পানি ভেঙ্গে যায় অথবা কোন ধরনের রক্তক্ষরণ দেখা দেয়, তবে আপনার তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া উচিত।

প্রসবের উপযুক্ত স্থান

নবজাতক ইউনিট আছে এমন হাসপাতালে আপনাকে সন্তান প্রসবের পরামর্শ দেয়া হয়। আপনার শিশুর নবজাতক ইউনিটের পরিচর্যার প্রয়োজন পড়বে কিনা তা নির্ভর করে, আপনার শিশু কতটা ছোট এবং গর্ভাবস্থার কোন পর্যায়ে আপনার শিশুর জন্ম হয়েছে তার ওপর। যদি এমন হয় যে আপনার শিশুর বিশেষ পরিচর্যার প্রয়োজন রয়েছে, তবে আপনার নবজাতক ইউনিটের চিকিৎসকের সাথে কথা বলা উচিত।
সর্বোপরি, এবিষয়ে আরো কোনো উদ্বেগ থাকলে, আপনার চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন, যিনি আপনাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারবেন।

#মা_হওয়া_bydrreshma পর্ব ৩৪
পর্ব ৩৪
Previous part link:
Next part link:

গত পর্বে আমরা গর্ভস্থ শিশুর ছোট হবার ব্যাপারে আলোচনা শুরু করেছিলাম। আজকের পর্বে গর্ভস্থ শিশু ছোট হবার ঝুঁকিসমূহ এবং বাচ্...
02/10/2023

গত পর্বে আমরা গর্ভস্থ শিশুর ছোট হবার ব্যাপারে আলোচনা শুরু করেছিলাম। আজকের পর্বে গর্ভস্থ শিশু ছোট হবার ঝুঁকিসমূহ এবং বাচ্চা ছোট হলে ক্ষতি কী এই বিষয়ে আলোচনা করব ইন শা আল্লাহ।

মায়ের গর্ভস্থ শিশুর ঠিকভাবে বৃদ্ধি না হওয়ার ঝুঁকিসমূহ

• জীবনযাত্রার বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্ত যেমন, ধুমপান, কোকেইন ব্যবহার, অতিরিক্ত ব্যায়াম করা বা পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া সবই শিশুর বৃদ্ধি সীমাবদ্ধ হওয়ার সাথে জড়িত।
• যদি আপনার বয়স ৪০ এর বেশি হয় বা উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি সমস্যা বা ডায়াবেটিসের জটিলতা থাকে তবে আপনার স্বল্প ওজনের শিশুর জন্মদানের সম্ভাবনা বেশি। গর্ভাবস্থার শেষের দিকে সন্তান হারানো বা অতীতেও একটি স্বল্প ওজনের শিশুর জন্ম দেয়ার ইতিহাস আপনার ঝুঁকি বাড়ায়।
• বিশেষ করে গর্ভাবস্থার শেষার্ধে যোনিপথে প্রচুর রক্তক্ষরণ আপনার শিশুর বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।..

ঝুঁকি কমাতে গর্ভবতী মায়ের করণীয়

গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধির সীমাবদ্ধতার সাথে জড়িত সকল ঝুঁকি কমানো সম্ভব নয়। তবে কিছু কিছু ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এক্ষেত্রে আপনার করণীয় হচ্ছে:
• ধূমপান কমিয়ে আনা বা একেবারে ছেড়ে দেওয়া।
• নেশাজাতীয় দ্রব্য ব্যবহার না করা, বিশেষ করে কোকেইন।
• একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা মেনে চলা এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া স্বল্প ওজনের বাচ্চা হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে।
• যদি আপনার প্রি-এক্লাম্পসিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে, সেক্ষেত্রে আপনাকে গর্ভাবস্থার ১২ সপ্তাহ থেকে শিশুর জন্ম না হওয়া পর্যন্ত স্বল্পমাত্রার এসপিরিন ঔষধ গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।..

গর্ভস্থ শিশু'ছোট' হলে সৃষ্ট সমস্যা

o আপনার সন্তান যদি আকারে ছোট কিন্তু সুস্থ হয়, তাহলে তার জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকে না।
o যদি আপনার শিশুর বৃদ্ধি সীমাবদ্ধ (growth restriction) হয়, তাহলে মৃত সন্তান প্রসব, গুরুতর অসুস্থতা এবং জন্মের পরপরই মারা যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
o গর্ভাবস্থায় যত তাড়াতাড়ি এবং যত গুরুতরভাবে শিশুর বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আপনার শিশুর খারাপ পরিণতি হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। যে সকল শিশুর বৃদ্ধি শুধুমাত্র গর্ভাবস্থার শেষের দিকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাদের পরিণতি অপেক্ষাকৃত ভালো হয়।
o সংক্রমণ বা বিকাশজনিত বা জেনেটিক সমস্যা দ্বারা আক্রান্ত বেশিরভাগ শিশুর বৃদ্ধির তীব্র সীমাবদ্ধতা থাকে এবং সাধারণত গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে সনাক্ত করা হয়।..

আপনার গর্ভের শিশুটি যে আকারে ছোট একবার আপনার ডাক্তার এটি শনাক্ত করার পর, আপনার শিশুর বৃদ্ধি এবং সুস্থতার দিকে নজর রাখতে আপনাকে অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণের উপদেশ দেয়া হবে। আপনার শিশু সুস্থভাবে জন্মগ্রহণ করবে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাকে সম্ভবত আপনার শিশুর প্রত্যাশিত প্রসবের তারিখের মধ্যেই অর্থাৎ ৩৭ সপ্তাহ থেকে ৪০ সপ্তাহের মধ্যে সন্তান প্রসবের পরামর্শ দেয়া হতে পারে। এর বেশি অপেক্ষা করা সমীচিন নয়।..

আগামী পর্বে আমরা জানব, কীভাবে নিশ্চিত করা হয় যে আসলেই গর্ভস্থ শিশুটি ছোট হয়েছে বা পুষ্টিহীনতার ঝুঁকিতে আছে।

#মা_হওয়া_bydrreshma পর্ব ৩৩
পর্ব ৩৩
Previous part link:
Next part link:

কম ওজনের শিশু গর্ভধারণএকটি অনাগত শিশুকে তখনই ছোট বলা হয় যখন গর্ভাবস্থায় স্ক্যানিংয়ে তার আকার বা আনুমানিক ওজন সর্বনিম্...
25/09/2023

কম ওজনের শিশু গর্ভধারণ

একটি অনাগত শিশুকে তখনই ছোট বলা হয় যখন গর্ভাবস্থায় স্ক্যানিংয়ে তার আকার বা আনুমানিক ওজন সর্বনিম্ন ১০% শিশুদের মধ্যে থাকে। যার অর্থ প্রতি ১০০টি শিশুর মধ্যে সবচেয়ে ছোট দশটি শিশু।

শিশুর জন্মের সময়কার ওজন যেসব বিষয়ের উপর নির্ভরশীল

আপনার শিশুর ওজন অনেক কিছুর উপর নির্ভর করতে পারে, যেমন:
• আপনার ওজন এবং উচ্চতা- লম্বা ও ওজন বেশি থাকা নারীদের গর্ভের সন্তানের ওজনও বেশি হওয়ার প্রবণতা থাকে
• আপনি বা আপনার সন্তানের পিতা জন্মের সময় ছোট বা স্বল্প ওজনের শিশু ছিলেন কিনা
• আপনার জাতীয়তা- উদাহরণস্বরূপ দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের ছোট শিশু জন্ম দেয়ার প্রবণতা বেশি, বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়
• আপনার মোট সন্তান সংখ্যা- গর্ভাবস্থার ক্রম বৃদ্ধির সাথে সাথে শিশুরা স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠতে থাকে
• আপনার গর্ভের শিশুটি ছেলে নাকি মেয়ে তার ওপর-ছেলে শিশুরা সাধারণত বেশি ওজনের হয়ে থাকে।

গর্ভস্থ শিশুর আকারে ছোট হবার কারণসমূহ

উপরেউল্লেখিত কারণগুলোর একটি বা একাধিক কারণের উপস্থিতি থাকলে গর্ভস্থ শিশু আকারে ছোট হতে পারে।যদিএমনটি হয়, তাহলে আপনার শিশুর সুস্থ থাকার সম্ভাবনা বেশি কারণ সে স্বাভাবিকভাবেই আকারেছোট হয়েছে, কোনো রোগের কারণে নয়।
তবে, কখনও কখনও শিশু আকারে ছোট হয় কারণ সে আশানুরূপভাবে বৃদ্ধি পায় না। একে 'বৃদ্ধির সীমাবদ্ধতা' (growth restriction) বলা হয়।

বৃদ্ধির সীমাবদ্ধতার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
• প্লাসেন্টার যেভাবে কাজ করা উচিত সেভাবে কাজ করতে না পারা-এটি উচ্চ রক্তচাপ বা গর্ভকালীন জটিলতাযেমন প্রি-এক্লাম্পসিয়ার কারণে হতে পারে; এছাড়াওধূমপান, বিভিন্ন ওষুধের ব্যবহার অথবা খুব বেশি রক্তশূন্যতা আপনারপ্লাসেন্টার কাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে
• গর্ভাবস্থায় হওয়াজীবাণু-সংক্রমণ যা শিশুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে
• বিকাশজনিত বা জেনেটিক সমস্যা আছে এমন শিশু গর্ভধারণ।

আগামী পর্বে আমরা কম ওজনের শিশু গর্ভধারণের ঝুকি নিয়ে আলোচনা করব ইন শা আল্লাহ।

#মা_হওয়া_bydrreshma পর্ব ৩২
পর্ব ৩২

Previous part link:
Next part link:

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Reshma Sharmin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram