Nijhum Pharma & Medical Centre.

Nijhum Pharma & Medical Centre. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nijhum Pharma & Medical Centre., Medical and health, Chittagong.

01/06/2023
08/09/2022

"শরীরে ইউরিক অ্যাসিড এর মাএা বেড়ে গেলে
কি খাবেন, কি খাবেন না -ঃ"

উচ্চমাত্রার ইউরিক অ্যাসিডের কারণে Gout বা গেঁটে বাত বা গিরায় গিরায় ব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি অকেজো সহ অারো অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পিউরিন থেকে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়।
অতিরিক্ত প্রোটিন বা আমিষ খেলে অথবা অ্যালকোহল বেশি খেলে দেহে পিউরিন নামক নন এসেনসিয়াল এমাইনো অ্যাসিড তৈরি হয়।এই ইউরিক অ্যাসিড প্রথমে রক্তে চলে যায়। সেখান থেকে কিডনির মাধ্যমে প্রস্রাবের সঙ্গে দেহ থেকে বের হয়ে যায়।

রক্তে যদি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পায় এই অবস্থাকে বলা হয় "হাইপারইউরিসেমিয়া।"

👌👌কী কী খাবেনঃ

💜পানিঃ
প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করবেন। পানি যে কোনো ধরনের Toxin কে দূর করতে সহায়তা করে।

💜ব্যায়ামঃ
ওজন স্বাভাবিক রাখতে হবে।ওজন বাড়তি থাকলেই, ইউরিক অ্যাসিড বাড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
এজন প্রতি দিন ১ ঘন্টা বা ৪৫ মিনিট হাটুন বা যেকোন ব্যায়াম করুন।

💜বেশি বেশি টক ফল বা ভিটামিন-সি জাতীয় খাবার খেতে হবে।

💜গ্রিন টি ঃ
গ্রিন টি ইউরিক এসিড কমাতে সহায়তা করে। তাই ইউরিক এসিড কমাতে নিয়মিত গ্রিন টি পান করতে পারেন।

💜অধিক আঁশযুক্ত খাবারঃ
যেমন- সবুজ শাকসবজি এবং ফলমূল। ব্রকলি,শসা,টমাটো,ইত্যাদি।
এই আঁশযুক্ত খাবার শরীর থেকে ইউরিক এসিডকে মল হিসাবে বের করে দেয়

💜অ্যাপেল সিডার ভিনেগারঃ
ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ কম করতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি গুণ শরীরে ক্ষারীয় অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে।

💜চর্বিহীন মাংস ঃমুরগির মাংস,
তবে পরিমাণ মতো মাছ এবং কুসুম ছাড়া ডিম খাওয়া যাবে।
💜ফ্যাট ছাড়া দুধ বা স্কিম মিল্কও খেতে পারবেন।

💜অলিভ অয়েলঃ
শরীরে ইউরিক এসিডের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসতে অলিভ অয়েলের জুড়ি নেই। অলিভ অয়েলে রয়েছে প্রদাহরোধী ক্ষমতা।

💜বাদামঃ
আমন্ড, আখরোটে সাধারণত পিউরিনের পরিমাণ কম থাকে, যা ইউরিক এসিডের মাত্রাকে স্বাভাবিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

👍👍যেসব খাবার খাবেন নাঃ

❤️মাছ, মাংস প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তাই
প্রতিদিন প্রোটিনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত করুন।
,❤️মদপান বা অালকোহল নেয়া বন্ধ করতে হবে
❤️চিনি,চিনির শরবত,মিষ্টি একদম খাবে ন না।
❤️সামুদিক মাছ খাবেন না,
❤️দেশী ছোলা, রাজমা, কাবুলি ছোলা, মটর, ডাল, দুধ ইত্যাদি খাবার খাবেন না
❤️ পালং শাক,ফুলকফি, মাশরুম, মটরশুঁটি।
❤️রেড মিট,- গরু,খাসির লিভার, কিডনী,অরগান গুলো
❤️ মিষ্টি ফল, অাপেল,পিয়াস,অাঙুর,খেজুর, ইতাদি
❤️ খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দিন। পাতে লবন নিবেন না
❤️প্যাকেটজাত খাবার খাবেন না। প্যাকেটজাত খাবারে অধিক পরিমাণে লবণ থাকে।
❤️ ফাসট ফুড,পেস্ট্রি, বার্গার খাবেন না প্রতিদিন।
❤️কৃত্রিম রং, চিনি বা কর্ন সিরাপ দেওয়া খাবার একেবারে বন্ধ করা উচিত। কোলা জাতীয় পানীয়, রং দেওয়া জেলি, জ্যাম, সিরাপ, কৌট বন্দি ফ্রুট জ্যুস খাওয়া চলবে না।
❤️স্মোকড ও ক্যানড ফুড খাওয়া চলবে না।
❤️আচার, চানাচুর, নোনা মাছ খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে।

28/08/2022

কোন রোগের জন্য কি টেষ্ট করা হয়ঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
🔴CBC যে যে রোগে করা হয়ঃ
"""''''''''""""""""""""""'"''"'""""'''''''''"
⏩জ্বর হলে কি কারণে হচ্ছে তার ধারণা নেয়ার জন্য।অনেক সময় blood culture করতে হয়।
⏩শরীরে রক্তের পরিমাণ কেমন আছে জানার জন্য।
⏩রক্তের ঘাটতি থাকলে সেটা আয়রণ বা ভিটামিনের অভাবে হচ্ছে কিনা জানার জন্য।
⏩শরীরে এলার্জি কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্তে ইনফেকশন বা প্রদাহ কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্ত জমাট বাধার উপাদান কি পরিমাণ আছে তা জানা যায়।
⏩ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে কিনা তার ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।
🔵Urine R/E প্রস্রাব টেস্ট যে যে কারনে করা হয়ঃ
""'''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""
👉ইনফেকশন আছে কিনা,থাকলে সিভিয়ারিটি কতটুকু
👉ডায়াবেটিস আছে কিনা
👉প্রোটিন যায় কিনা
👉রক্ত যায় কিনা
👉কিডনীতে পাথর আছে কিনা
🔴RBS-Random Blood Sugar: ডায়াবেটিস আছে কিনা তার ধারণা করার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।
🔵Serum Creatinine:যেইসব রোগীর কিডনীর সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হয় এ টেস্ট তাদের করা হয়।(প্রেশার ও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বাধ্যতামূলক টেস্ট। ব্যথার ঔষধ দেয়ার আগেও এটেস্ট করা উচিত)
🔴Lipid profile: রক্তে চর্বির পরিমাণ বুঝার জন্য এটা করা হয়।হার্টের ও প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর জন্য এটা খুব জরুরি।
🔵Serum Bilirubin: জন্ডিস আছে কিনা দেখা হয়।একদম প্রাথমিক টেস্ট।জন্ডিস হয়ে গেলে আরো টেস্ট করতে হয়।
🔴SGPT/SGOT: লিভারের কন্ডিশন বুঝার জন্য এটা করা হয়।লিভার কতটুকু এনজাইম উৎপন্ন করছে তা দেখা হয়।
🔵Serum Electrolyte: রক্তে খনিজের পরিমাণ জানার জন্য এটা করা হয়।শরীর দূর্বল লাগলে,বেশীবমি, ডায়রিয়া এসব ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা করা হয়।
🔴HBsAG: জন্ডিস এবং লিভার কন্ডিশন বুঝার জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔵HBA1c: ডায়বেটিস বা রক্তে গ্লুকোজ নির্ণয়ের জন্য করা হয়।
🔵LFT: লিভারের সমস্যা বুঝতে এ পরিক্ষা করা হয়।
🔴BT CT: রক্তরােগের ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।
🔵Via Test: সার্ভিক্সের ইনফেকশন বা ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔴TSH: Thyroid stimulating hormone এই পরিক্ষা হরমন নির্ণয়ের জন্য করা হয়।
🔵EcG: হৃদরােগের অবস্থা বুঝার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।
🔴ChestX-ray: বুকের ও হার্টের কন্ডিশন বুঝার জন্য করা হয়।
©

Monkeypox (মানকিপক্স) :-----------------------------------------------------------------------------বর্তমানে মানকিপক্স ন...
26/05/2022

Monkeypox (মানকিপক্স) :
-----------------------------------------------------------------------------
বর্তমানে মানকিপক্স নিয়ে সবাই আতংকিত।কারন এটি একটি সংক্রামক রোগ।হঠ্যাৎ করে বিভিন্ন দেশে এটির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

Monkeypox কি?
এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ।ভাইরাসের নাম মানকিপক্স ভাইরাস।এটার দুই ধরনের স্ট্রেইন আছে। একটি কংগো বেসিন স্ট্রেইন এবং একটি পশ্চিম আফ্রিকা স্ট্রেইন।এটি সর্বপ্রথম বানরের শরীরে দেখা দেয় যার ফলে এটির নাম মানকিপক্স।

কিভাবে ছড়ায়?
সাধারনত আক্রান্ত প্রানীর সংস্পর্শে এলে এটি মানবদেহে ছড়াতে পারে।এবং পরবর্তীতে একজন মানুষ থেকে আর একজন মানুষে ছড়িয়ে পড়ে।হ্যাচি, কাশি,আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে যাওয়া,আক্রান্ত ব্যক্তির বডি ফ্লুইড ইত্যাদির মাধ্যমে ছড়াতে পারে। এছাড়াও আক্রান্ত পশুর মাংস ঠিকমতো সিন্ধ করে না খেলেও এটি হতে পারে।

রোগের লক্ষনগুলো কি কি?
জ্বর,গায়ে ব্যাথা,শরীরে র‍্যাশ,মাথা ব্যাথা,শরীরের বিভিন্ন অংশে লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষন দেখা দিতে পারে।

চিকিৎসা ?
সাধারনত ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে এটি ভালো হয়ে যায়।রোগ চিহ্নিত হলে নিজেকে আলাদা রাখা,নিজের ব্যাবহারের জিনিস্পত্র আলাদা করা,পরিমিত তরল পদার্থ ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং কোনো সমস্যা অনুভব করলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।

প্রতিরোধ?
চিকেন পক্সের টিকা নেওয়া থাকলে মানকিপক্স থেকে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া যেতে পারে।এছাড়া যেসব কারনে মানকিপক্স ছড়ায় সে কারনগুলো এড়িয়ে চলা।

18/04/2022

যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ:

আমরা প্রায়ই শুনতে পাই একেবারে সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন। এটার একটা কারন হচ্ছে রাতে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি, যা ব্রেইনে রক্তের প্রবাহ হঠাত কমিয়ে দেয়। এটা আপনার ইসিজি প্যাটার্নও বদলে দেয়।

হুট্ করে ঘুম থেকে উঠেই দাঁড়িয়ে পড়ার দরুন আপনার ব্রেইনে সঠিক ভাবে অক্সিজেন পৌছাতে পারেনা, যার ফলে হতে পারে হার্ট এ্যাটাকের মত ঘটনাও।

ডাক্তাররা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার আগে সবাইকে 'দেড় মিনিট' সময় নেয়ার একটি ফর্মুলা দিয়েছেন।

এই দেড় মিনিট সময় নেয়াটা জরুরি কারন এটা কমিয়ে আনবে আপনার আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা।

হঠাৎ এই উঠে পড়ার সময়ে এই দেড় মিনিটের ফর্মুলা বাঁচিয়ে দিতে পারে আমাদের জীবন।

১। যখন ঘুম থেকে উঠবেন, হুট করে না উঠে মিনিমাম তিরিশ সেকেন্ড বিছানায় শুয়ে থাকুন।

২। এরপর উঠে বিছানায় বসে থাকুন তিরিশ সেকেন্ড।

৩। শেষ তিরিশ সেকেন্ড বিছানা থেকে পা নামিয়ে বসুন।

এই দেড় মিনিটের কাজ শেষ হবার পর আপনার ব্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন পৌছাবে যা আপনার হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি একদম কমিয়ে আনবে।

খুবই গুরুত্তপুর্ন এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যটি‌ ছড়িয়ে দিন আপনার পরিবার, বন্ধু এবং পরিচিত লোকজনের মাঝে। নিজে এই ফর্মুলাটি মেনে চলুন এবং অন্যদেরকেও মানতে বলুন।

মনে রাখবেন যেকোন বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। সুতরাং সবাই নিয়মটি মানতে চেষ্টা করবেন প্লিজ। বিদ্রঃ সংগৃহীত, জনসচেতনতার জন্যে প্রচারিত।

(সংগৃহীত)

Address

Chittagong
3821

Telephone

+8801712503468

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nijhum Pharma & Medical Centre. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nijhum Pharma & Medical Centre.:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram