08/09/2022
"শরীরে ইউরিক অ্যাসিড এর মাএা বেড়ে গেলে
কি খাবেন, কি খাবেন না -ঃ"
উচ্চমাত্রার ইউরিক অ্যাসিডের কারণে Gout বা গেঁটে বাত বা গিরায় গিরায় ব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি অকেজো সহ অারো অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পিউরিন থেকে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়।
অতিরিক্ত প্রোটিন বা আমিষ খেলে অথবা অ্যালকোহল বেশি খেলে দেহে পিউরিন নামক নন এসেনসিয়াল এমাইনো অ্যাসিড তৈরি হয়।এই ইউরিক অ্যাসিড প্রথমে রক্তে চলে যায়। সেখান থেকে কিডনির মাধ্যমে প্রস্রাবের সঙ্গে দেহ থেকে বের হয়ে যায়।
রক্তে যদি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পায় এই অবস্থাকে বলা হয় "হাইপারইউরিসেমিয়া।"
👌👌কী কী খাবেনঃ
💜পানিঃ
প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করবেন। পানি যে কোনো ধরনের Toxin কে দূর করতে সহায়তা করে।
💜ব্যায়ামঃ
ওজন স্বাভাবিক রাখতে হবে।ওজন বাড়তি থাকলেই, ইউরিক অ্যাসিড বাড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
এজন প্রতি দিন ১ ঘন্টা বা ৪৫ মিনিট হাটুন বা যেকোন ব্যায়াম করুন।
💜বেশি বেশি টক ফল বা ভিটামিন-সি জাতীয় খাবার খেতে হবে।
💜গ্রিন টি ঃ
গ্রিন টি ইউরিক এসিড কমাতে সহায়তা করে। তাই ইউরিক এসিড কমাতে নিয়মিত গ্রিন টি পান করতে পারেন।
💜অধিক আঁশযুক্ত খাবারঃ
যেমন- সবুজ শাকসবজি এবং ফলমূল। ব্রকলি,শসা,টমাটো,ইত্যাদি।
এই আঁশযুক্ত খাবার শরীর থেকে ইউরিক এসিডকে মল হিসাবে বের করে দেয়
💜অ্যাপেল সিডার ভিনেগারঃ
ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ কম করতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি গুণ শরীরে ক্ষারীয় অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে।
💜চর্বিহীন মাংস ঃমুরগির মাংস,
তবে পরিমাণ মতো মাছ এবং কুসুম ছাড়া ডিম খাওয়া যাবে।
💜ফ্যাট ছাড়া দুধ বা স্কিম মিল্কও খেতে পারবেন।
💜অলিভ অয়েলঃ
শরীরে ইউরিক এসিডের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসতে অলিভ অয়েলের জুড়ি নেই। অলিভ অয়েলে রয়েছে প্রদাহরোধী ক্ষমতা।
💜বাদামঃ
আমন্ড, আখরোটে সাধারণত পিউরিনের পরিমাণ কম থাকে, যা ইউরিক এসিডের মাত্রাকে স্বাভাবিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সাহায্য করবে।
👍👍যেসব খাবার খাবেন নাঃ
❤️মাছ, মাংস প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তাই
প্রতিদিন প্রোটিনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত করুন।
,❤️মদপান বা অালকোহল নেয়া বন্ধ করতে হবে
❤️চিনি,চিনির শরবত,মিষ্টি একদম খাবে ন না।
❤️সামুদিক মাছ খাবেন না,
❤️দেশী ছোলা, রাজমা, কাবুলি ছোলা, মটর, ডাল, দুধ ইত্যাদি খাবার খাবেন না
❤️ পালং শাক,ফুলকফি, মাশরুম, মটরশুঁটি।
❤️রেড মিট,- গরু,খাসির লিভার, কিডনী,অরগান গুলো
❤️ মিষ্টি ফল, অাপেল,পিয়াস,অাঙুর,খেজুর, ইতাদি
❤️ খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দিন। পাতে লবন নিবেন না
❤️প্যাকেটজাত খাবার খাবেন না। প্যাকেটজাত খাবারে অধিক পরিমাণে লবণ থাকে।
❤️ ফাসট ফুড,পেস্ট্রি, বার্গার খাবেন না প্রতিদিন।
❤️কৃত্রিম রং, চিনি বা কর্ন সিরাপ দেওয়া খাবার একেবারে বন্ধ করা উচিত। কোলা জাতীয় পানীয়, রং দেওয়া জেলি, জ্যাম, সিরাপ, কৌট বন্দি ফ্রুট জ্যুস খাওয়া চলবে না।
❤️স্মোকড ও ক্যানড ফুড খাওয়া চলবে না।
❤️আচার, চানাচুর, নোনা মাছ খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে।