23/10/2022
⭕ একটা প্রাইভেট চেম্বারে দাঁতের চিকিৎসা খরচটা কেন বেশী ?
কারন:
১। স্পেস ভাড়া।
২। ডেন্টাল চেয়ারের জন্য ইলেকট্রিসিটি বিল।
৩। স্পেসের ইলেকট্রিসিটি এবং পানির বিল।
৪। মার্কেটের ম্যানটেনেস খরচ এবং পরিষ্কার।
৫। চেয়ারের হ্যান্ডপিস , বার থেকে শুরু করে প্রতিটা জিনিসের একটা ভেলিডিটি ডেট আছে।
৬। ডেন্টাল ইন্সট্রুমেন্টের স্টেরিলাইজেশন কস্ট।
৭। ডেন্টাল ম্যাটেরিয়াল এবং ইন্সিট্রুমেন্ট পারচেজ কস্ট।
৮। ওয়ান টাইম ইউজ লাইক গ্লাভস, মাস্ক , ফেস শিল্ড , গ্লাস, সাকার টিপসের ব্যবহার ।
৯। ডাক্তারের খরচ।
১০। ডেন্টাল এসিস্ট্যান্টের খরচ
১১। ডেন্টাল ল্যাবের খরচ
১২। কোয়ালিটি জিনিস একটু এক্সপেনসিভ।
⭕ এখন আসেন মেইন কথায় পল্লী চিকিৎসক বা যারা ডেন্টালের এসিস্ট্যান্ট থেকে কম টাকায় চিকিৎসা দেয় ক্যামনে সম্ভব:
১। ওয়ান টাইম ইউজ জিনিস মাল্টিপল টাইম ইউজ বা ওয়ান টাইম জিনিস বাদে খালি হাতে রোগীর মুখে হাত দিয়ে কাজ করা।
২। তুলনামূলক সস্তা জিনিস ব্যাবহার।
৩। স্টেরিলাইজেশনের ঝামেলা নাই।
৪। ইচ্ছা মত ৮-১০ টা ড্রাগ যাতে রোগী ভালো হবেই এমন একটা ৫০/৫০ চান্সে চলে খেলা।
খুব পাওয়ারফুল বা কম্বিনেশন থেরাপি দিয়ে নরমাল ডিজিজের রোগীকে ভালো করে একটা চমক দেখায় ।
রোগী মনে করে ২০০ টাকার ডাক্তার তো জোস কিন্তু ওইদিকে তার লিভার কিডনির জন্য কয়েক বছর পরে ডায়ালাইসিস দিতে বা সিরোসিস চিকিৎসা করতে জায়গা জমি বেচা লাগে।
৫। অবশ করতে নিম্নমানের এবং জীবানুমুক্ত নহে এমন ইন্সট্রুমেন্ট ব্যাবহার।
৬। সিস্টেমিক ডিজিজ হবার চান্স থাকে ১০০/১০০। এইডস, হেপাটাইটিসের মত রোগ ছড়াতে পারে স্বল্পব্যয়ের অল্প চিকিৎসায়।
৭। সব ধরনের চিকিৎসা স্বল্পব্যয়ে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য প্রদান করে।
ম্যাক্সিমাম রোগী ডেন্টাল সার্জনদের কাছে আসে রেফার্ড হয়ে আজ না হয় কাল। তবে, আসেই এবং আসতে তাদের হয়ই। দাঁত তুলে ফেললে তো ঝামেলাই চলে গেল। কিন্তু, তারপরও অনেক সময় ঝামেলা যায় না। অনেক রোগীকেই ডেন্টাল সার্জনের কাছে আসতে হয় এলভিওলার ওস্টাইটিস/ড্রাই সকেট নিয়ে, অস্টিওমাইলাইটিস নিয়ে, ফ্র্যাকচারড জ /জ বোনস নিয়ে। কিন্তু অনেক সময় আর ,অনেক চেষ্টা করেও উপায় থাকেনা।
#লিখা : Muinul Hasan ( কিঞ্চিত পরিবর্তিত)
#বিঃদ্রঃ কোয়ালিটির পার্থক্য সবকিছুতেই আছে। নামে যদিও মোবাইল তবুও স্যামসাং এবং সিম্ফনি র মধ্য ডিফারেন্স নিশ্চয়ই বুঝেন। তেমনিভাবে, ফুটপাতের সস্তা কাপড় আর আড়ংয়ের কাপড়ের পার্থক্য ও হয়ত বুঝেন। বুঝতে চান না শুধু নিজের স্বাস্থ্যের খরচের বেলায়। পাড়ার গলির কোয়াক, হাতুরে, ফাইভ/এইট/এসএসসি/এইচএসসি পাশ নামের আগে স্ব উদ্যোগে লাগানো( ডাঃ) বিশেষণে বিশেষায়িত ব্যক্তির সাথে বিএম&ডিসি স্বীকৃত, এমনকি এফসিপিএস/এমএস/এমডি ডিগ্রীপ্রাপ্ত ডাক্তারদের একি পাল্লায় মাপেন। খুব বেশি আশ্চর্য এখন হই না। যষ্মিনদেশে যদাচরণ বলে কথা। আর এজন্যই এদেশে শিক্ষিতের হার বাড়লেও ফকির, কবিরাজ, পীর, দরবেশ, বাবার সংখ্যা কিন্তু কমেনি। বরং, বেড়েছে।