Vet Solution

Vet Solution Get answers to your pet health questions at any time of day with our 24/7 Pet Helpline powered by

24/02/2020

যখনই আপনার খামারে গরুকে দড়ি কিংবা লোহা চাটতে দেখবেন তখন ই আপ্নার গরুর সাম্নে ঝুলিয়ে দিন পেপ্রিকা বি৫ মিনারেল ব্লক।

মহেষ ফর্মূলা!!!********************************আজকে গরু মোটাতাজা করার জন্য এমন একটা রেশনিং ফর্মূলা দিবো যেটাতে একেবারে প...
18/10/2019

মহেষ ফর্মূলা!!!
********************************
আজকে গরু মোটাতাজা করার জন্য এমন একটা রেশনিং ফর্মূলা দিবো যেটাতে একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারীরা অনেক সাশ্রয়ী উপায়ে দুই থেকে তিন মাসে একেবারে শুকনা গরু গুলি স্বাস্থ্য-সম্মত উপায়ে মোটা তাজা করতে পারবেন।
গ্রামে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের দানাদার খাদ্য সহজ লভ্য নয় আর সহজলভ্য হলেও সেইগুলির দাম কিছুটা বেশী হয়। তবে ভুট্টার গুড়া,চাউলের কুরা,সরিষার খৈল,রাব বা চিটাগুড় এই জিনিষ গুলি গ্রাম বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে একদম সহজলভ্য। এই প্রকল্পের মেয়াদ হতে পারে দুই থেকে তিন মাস বড়জোড়। যে সব গরু গুলিকে প্রান্তিক কৃষকেরা শুধু সামান্য কুরা,লবণ,পানি মিশিয়ে মানে নাম কা ওয়াস্তে দানাদার খাইয়ে সাথে মাঠের ঘাস ও খড়্র খাইয়ে পালন করেন সেই জীর্ণ-শীর্ণ গরু গুলি এই প্রকল্পের জন্য আদর্শ। হোক সেটা ষাঁড় বা বাছুর বিহীন গাভী। গরুর শারীরিক অবস্থা অনেকটা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর গফুরের 'মহেষ' এর মতো হলেও চলবে! আর এইবার আসেন গরুকে এই 'মহেষ' ফর্মূলা অনুযায়ী কি খাদ্য খাওয়াবেন? নীচে তার তালিকা আমি দিচ্ছি। তার আগে বলে নেই প্রতি ১০০ কেজি লাইভওয়েটের গরুকে ১ কেজি দানাদার খাদ্য দিতে হবে এবং এর সাথে ৮/১০কেজি কাঁচা ঘাস (দেশী না চাষ করা),১ কেজি শুক্না ধানের খড়।
দানাদার খাদ্যের তালিকাঃ
ঈস্ট দিয়ে ফার্মেন্টেশন করা ভুট্টা ৫০%
চালের কুরা ৩০%
সরিষার খৈল ২০%
এর সাথে রাব বা চিটাগুড় গরু প্রতি ১০০ গ্রাম। প্রথম ১ মাস দানাদার খাদ্য উপরের তালিকা অনুযায়ী দিবিন কিন্তু শেষ ১/২ মাস দানাদার খাদ্যের সাথে গরু প্রতি ২০০ গ্রাম রান্না করা চাউলের খুদের জাউ মিশিয়ে খাওয়াবেন। এই প্রকল্পের জন্য ৭০-১২০ কেজি লাইভওয়েটের গরু বেছে নিলে খুব ভালো হয়। ইনশাআল্লাহ, খুব ভালো একটা ফলাফল পাবেন এই 'মহেষ' প্রকল্পটিতে!!!

দেশি মুরগীর বয়স অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহের তালিকা:
19/09/2019

দেশি মুরগীর বয়স অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহের তালিকা:

19/09/2019

উন্নত ও অাধুনিক পদ্ধতিতে দেশি মুরগি পালন :
সাকুল্যে ৫-১০টি মুরগি। বাড়ির আশপাশে চরে বেড়িয়ে বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবার, পোকামাকড়, কেঁচো, কচি ঘাসপাতা খায় তারা। সে অর্থে প্রতিপালনের কোনও খরচ নেই বললে চলে। আপাতদৃষ্টিতে লাভজনক মনে হলেও আসলে অতটা লাভ হয় না। ছাড়া মুরগি অন্যত্র ডিম পেড়ে আসে, কখনও রোগে মারা যায়। তাই দেশি মুরগির পালন লাভজনক করতে হলে কিছু নিয়ন্ত্রণ থাকা দরকার, সে জাত নির্বাচনেই হোক বা রোগ পরিচর্যায়।

প্রথমে আসি মুরগির জাতে। ব্রয়লার খামারের হাইব্রিড মুরগি উঠোনে ছেড়ে পালন করা যায় না। তাই খাঁটি জাতগুলোকে বাছতে হবে। যেমন, রোড আইল্যান্ড রেড (আরআইআর) বা ব্ল্যাক অস্ট্রালর্প। রঘুনাথপুর, বালুরঘাটের রাজ্য মুরগি খামারে লাল বা আরআইআর এবং কালো বা ব্ল্যাক অস্ট্রালর্প মুরগির বাচ্চা পাওয়া যায়। ইদানীং কালে বনরাজা, গিরিরাজা, গ্রামরপ্রিয়া ইত্যাদি জাত কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা হয়েছে।

মুরগি রাতে রাখার জন্য ঘর বানাতে হবে। মাটি থেকে সামান্য উপরে বাঁশ বা কাঠ দিয়ে কম খরচে খড় বা টালি ঢেকে তৈরি ঘরগুলো যেন শুকনো, পরিষ্কার হয়। আর আলো-বাতাস খেলে। প্রতিটি পাখির জন্য গড়ে তিন বর্গফুট জায়গা ধরতে হবে।

দেশি মুরগি চরে বেড়িয়ে তার খাবার সংগ্রহ করে নিলেও এ ধরনের উন্নত জাতের মুরগির পুরো উৎপাদন ক্ষমতা কাজে লাগাতে অল্প পরিমাণে সুষম খাবার দেওয়া প্রয়োজন। চালের গুঁড়ো (৩০০ গ্রাম), খুদ বা গম ভাঙা (২৮০ গ্রাম), সর্ষে/ তিল খোল ( ২০০ গ্রাম), মাছ বা সোয়াবিন গুঁড়ো (২০০ গ্রাম), ভিটামিন ও খনিজ লবণ মিশ্রণ যেমন সাপ্লিভিট এম (২০ গ্রাম) মিশিয়ে মুরগির সংখ্যা অনুযায়ী মাথা পিছু ৫০-৭০ গ্রাম হিসাবে অর্ধেক সকালে ও অর্ধেক বিকালে খেতে দিতে হবে। রাতে মুরগি রাখার যে ঘর আছে, সেখানে নির্দিষ্ট পাত্রে জল ও খাবার দিতে হবে। যাতে সকালে ঘর থেকে বেরনো বা পরে ঘরে ঢোকার সময় ওই খাবার ও জল খাওয়া অভ্যাস তৈরি হয়। এই অভ্যাস থাকলে ওষুধ গুলে খাওয়াতে সুবিধা হয়। মুরগির খাবার সবসময় শুকনো ও পরিষ্কার রাখতে হবে। বেশি দিন জমা রাখলে ছত্রাক সংক্রমণ ঘটে।


সংকরায়ণ পদ্ধতিতে দেশি মুরগির সঙ্গে উন্নত মোরগ রেখে প্রাকৃতিক প্রজনন ঘটিয়ে দেশি মুরগির জিনগত উৎকর্ষতা বাড়ানো যায়। প্রতি ১০টি দেশি মুরগি পিছু ১টি উন্নত জাতের মোরগ রাখতে হবে। যে সংকর মুরগি জন্মাবে, তা দেশি মুরগির চেয়ে দ্রুত (৪-৫ মাস বয়সে) এবং প্রায় দ্বিগুণ ডিম দিবে (১২০-১৪০ টি)।
idris ali
01820023455

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে পানি ব্যবস্থাপনা ও ফ্লক তৈরী করার কলাকৌশল ঃ…...........…...…বায়োফ্লকে মাছ চাষের জন্য পানি ব্যবস্থাপনা...
18/09/2019

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে পানি ব্যবস্থাপনা ও ফ্লক তৈরী করার কলাকৌশল ঃ
…...........…...…
বায়োফ্লকে মাছ চাষের জন্য পানি ব্যবস্থাপনা ও ফ্লক একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। যেকোন মাছ বা চিংড়ি চাষ বা বায়োফ্লক প্রজেক্ট করার আগে পানির উৎস কি হবে এবং তার গুণাগুণ বা ব্যবহারের উপযোগীতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা জরুরী।

পানির উৎসঃ
গভীর নলকূপ, সমূদ্র, নদী,বড় জলাশয়,লেক,বৃষ্টি ইত্যাদির উৎসের পানি গুণ মান ভাল থাকলে ব্যবহার করা যায়।

বায়োফ্লকের জন্য উপযোগী পানি তৈরীঃ
প্রথমে ট্যাংক ব্লিচিং পাউডার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে। এর পর নির্বাচিত পানির গুণাগুণ পরীক্ষা করে পানি প্রবেশ করাতে হবে। পানিতে আয়রনের মাত্রা ০.২ ppm এর বেশি হলে পানি থেকে আয়রন দূর করার ব্যবস্থা করতে হবে। আয়রন দূর করার জন্য প্রতি টন পানিতে ২৫- ৩০ ppm হারে ব্লিচিং পাউডার প্রয়োগের পর ১০ - ১২ ঘন্টা একটানা বাতাস সরবরাহ করতে হবে। এর পর ৫০ ppm হারে ফিটকিরি প্রোগ করে আরও ১২ ঘন্টা পানিতে অনবরত বাতাস সরবরাহ করতে হবে। ২৪ ঘন্টা পর পানিতে ১০০ ppm হারে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ( CaCO3) চুন প্রয়োগ করে বাতাস সরবরাহ নিয়মিত করতে হবে। এর পর পানির ক্লোরিন, পি এইচ ও ক্ষারত্ব পরীক্ষা করে,ব্যাবহারের জন্য বায়োফ্লক ট্যাংকে নেওয়া যায়।

ফ্লক্স তৈরীর জন্য পানি তৈরী ঃ
চাষ ট্যাংকের১ ২ ভাগের ১ ভাগ পানি নিয়ে পানিতে ১০০০ ppm হারে আয়োডিন ছাড়া লবণ প্রয়োগ করতে হবে। লবণ প্রয়োগের পর TDS পরীক্ষা করে নিতে হবে। বায়োফ্লকের জন্য ১৪০০ - ১৮০০ ppm, TDS থাকা ভাল। যদি লবণ প্রয়োগের পর কাঙ্খিত TDS পাওয়া না যায়, তা হলে কম পরিমাণলবণ প্রয়োগ করে আদর্শ মাত্রায় TDS রাখতে হবে। এর পর প্রথম ডোজে ৫ ppm প্রেবায়োটিক, ৫০ ppm চিটাগুড়, ৫ ppm ইস্ট, পানি প্রতি টনের জন্য ১ লিটার, একটি প্লাস্টিকের বালতিতে অক্সিজেন সরবরাহ করে ৮- ১০ ঘন্টা কালচার করে প্রয়োগ করতে হবে। ২য় দিন থেকে ১ppm প্রোবায়োটিক, ৫ ppm চিটাগুড়, ১ ppm ইস্ট, প্রতি টনের জন্য ১ লিটার পানি দিয়ে উপরের সময় ও নিয়মে কালচার করে প্রতি দিন প্রয়োগ করতে হবে।

পানিতে অ্যামোনিয়া - N ও ফ্লক কি ভাবে সৃষ্টি করবেন ঃ পানিতে ফ্লক্স তৈরী করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেয়ামক দরকার। এগুলোর মধ্যে ক' একটি হলো নাইট্রোজেন, কার্বন, প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া, সূর্য আলো ও অক্সিজেন। এখানে উল্লেখ করা সব নেয়ামক পানিতে যথাযথ পরিমাণে উপস্থিত থাকলে ফ্লক্স তৈরী হয়ে যায়। কার্বন যোগ হয় চিটাগুড় যোগ করলে, উপকারী অণুজীব আসে প্রোবায়োটিক যোগ করার ফলে, আর অক্সিজেন আসে এয়ার রেশনের মাধ্যমে এবং সূর্য আলো প্রাকৃতিক ভাবে পাওয়া যায়। আর নাইট্রোজেনের জন্য পানিতে কিছু পচনশীল বস্তু বা প্রতি টনের জন্য ১০০ গ্রাম মাছের খাদ্য কাপড়ে বেঁধে পানিতে পঁচানোর জন্য দিতে হবে। খাদ্য পঁচে অ্যামোনিয়া সৃষ্টি হবে, আর প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া অ্যামোনিয়াকে ভেঙ্গে নাইট্রোজেনকে আলাদা করে। আর ফ্লক নাইট্রোজেন ও কার্বনকে গ্রহণ করে তাদের বংশ বৃদ্ধি করে।

বায়োফ্লকের এক্টিভিটি পর্যবেক্ষণঃ বায়োফ্লক এক্টিভ হয়েছে কিনা তা বুঝার কিছু উপায় নিম্নে দেওয়া হলোঃ-
১. পানির রং সবুজ বা বাদামী দেখায়।
২. পানিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ কণা দেখা যায়।
৩. পানির অ্যামোনিয়া পরীক্ষা করলে পানি অ্যামোনিয়া মুক্ত দেখায়।
৪. যখন প্রতি লিটার পানিতে ০.৩ গ্রাম ফলকের ঘনত্ব পাওয়া যাবে।
৫. ক্ষুদিপানা, দেওয়ার পর তাদের বংশ বিস্তার পরিলক্ষিত হলে।

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে পানির গুণাবলীঃ
১. তাপমাত্রা - ২৫ - ৩০ ° C
২. পানির রং - সবুজ, হালকা সবুজ, বাদামী।
৩. দ্রবীভূত অক্সিজেন - ৭- ৮ mg/L
৪. পিএইচ - ৭.৫ - ৮.৫
৫. ক্ষারত্ব - ৫০ - ১২০ mg/L
৬. খরতা - ৬০ - ১৫০ mg/ L
৭. ক্যালসিয়াম - ৪ - ১৬০ mg/L
৮. অ্যামোনিয়া - ০.০১ mg/L
৯. নাইট্রাইট - ০.১ - ০.২ mg/L
১০. নাইট্রেট - ০ - ৩ mg/L
১১. ফসফরাস - ০.১ - ৩ mg/L
১২. H2S - ০.০১ mg/ L
১৩. আয়রন - ০.১ - ০.২ mg/L
১৪. পানির স্বচ্ছতা - ২৫ - ৩৫ সে.মি.
১৫. পানির গভীরতা - ৩ - ৪ ফুট
১৬. ফলকের ঘনত্ব - ৩০০ গ্রাম / টন
১৭.TDS - ১৪০০০ - ১৮০০০ mg/L
১৮. লবণাক্ততা - ৩ - ৫ ppt

02/09/2019

(গরুর খড়ের খাদ্যমান বৃদ্ধিকরণ ) Improvement Of Nutritive Value Of Straw

"দাঁত দেখে গরুর বয়স নির্ণয়"গরু কিনবেন, আর গরুর বয়স জানবেন না, তাও কি হয়? সুকুমার রায়ের কবিতার মতো “গোঁফের আমি/গোঁফের তুম...
02/09/2019

"দাঁত দেখে গরুর বয়স নির্ণয়"
গরু কিনবেন, আর গরুর বয়স জানবেন না, তাও কি হয়?
সুকুমার রায়ের কবিতার মতো
“গোঁফের আমি/গোঁফের তুমি /গোঁফ দিয়ে বয়স, যায় চেনা” এই পদ্ধতিতে তো আর গরুর বয়স চেনা যাবে না, তবে গোঁফের বদলে দাঁত দেখে গরুর বয়স চেনা যেতে পারে। এটি একটি প্রচলিত ও সহজ পদ্ধতি।
গবাদিপ্রাণি গরু ছাগলের দুই ধরনের দাঁত থাকে
ক) অস্থায়ী দাঁত খ) স্থায়ী দাঁত।

অস্থায়ী দাঁতঃ গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ার অস্থায়ী দাঁতের সংখ্যা ২০টি। এর মধ্যে ৮টি কর্তন দাঁত।

স্থায়ী দাঁতঃ গরু ছাগলের স্থায়ী দাঁতের সংখ্যা ৩২টি।

ক) গরুর ক্ষেত্রে ১৮ থেকে ২৪ মাস বয়সে ২টি অস্থায়ী কর্তন দাঁত পড়ে যায় এবং ২টি স্থায়ী কর্তন দাঁত গজায়।
(ছাগলের ক্ষেত্রে ১২-১৬ মাস)
খ) একইভাবে ২৫ থেকে ৩৬ মাস বয়সে আরও ২টি অস্থায়ী কর্তন দাঁত পড়ে যায় এবং পুনরায় ২টি স্থায়ী কর্তন দাঁত গজায়।
(ছাগলের ক্ষেত্রে ১৭-২৪ মাস)
গ) ৩৬ থেকে ৬০ মাস বয়সে তৃতীয় ও ৪র্থ জোড়া অস্থায়ী কর্তন দাঁত পড়ে যায় এবং পুনরায় তৃতীয় ও ৪র্থ জোড়া স্থায়ী কর্তন দাঁত গজায়।
(ছাগলের ক্ষেত্রে ২৫-৪০ মাস)

"বকনা বা গাভীর হিটে আনা / Induced Heat"আগে হাল চাষ ও দুধের জন্য বাংলার প্রতিটি কৃষক গোয়ালে ৪-৫ টি করে বলদগরু ও গাভী পুষত...
02/09/2019

"বকনা বা গাভীর হিটে আনা / Induced Heat"

আগে হাল চাষ ও দুধের জন্য বাংলার প্রতিটি কৃষক গোয়ালে ৪-৫ টি করে বলদগরু ও গাভী পুষতেন। প্রায় প্রতিটি গাভী বছরে একটি করে বাছুর দিত। কিন্তু লাঙ্গলের চাষের পরিবর্তে, পাওয়ারটিলার দিয়ে চাষাবাদ শুরু হওয়ায়, এখন খামারে কৃষক বলদ্গরু পুষেন না, শুধু গাভী রাখেন। ফলে বকনা বা গাভী ঠিকমতো হিটে আসে না বা ভরণ রাখে না।

সঠিক খামার বাবস্থাপনা থাকার পরও বকনা বা গাভী হিটে না আসলে, হিটে আসার আগ পর্যন্ত নিম্নের কাজগুলো অবশ্যই করতে হবে----
১। প্রতিদিন সকালে সামান্য একটু সরিষার তেল হাতে মেখে, বকনা বা গাভীকে ......৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করতে হবে।
২। বকনা বা গাভীকে প্রতিদিন ২-৩টি হাঁসের সিদ্ধ ডিম খাওয়াতে হবে।
৩। সম্ভবহলে বকনা বা গাভীকে প্রতিদিন ১/২ ঘণ্টা পুকুরে সাঁতার কাটাবেন অথবা ১ ঘণ্টা হাঁটাবেন।
৪। খামারে বকনা বা গাভীকে বলদ গরুসহ ছেড়ে রাখবেন।
৫। প্রয়োজনে প্রতিদিন ১৫০-২০০ গ্রাম অঙ্কুরিত ছোলা খাওয়ানো যেতে পারে।
৬। অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি সার্জনের পরামর্শে হরমোনাল চিকিৎসা ও সঠিক দিকনির্দেশনা নিতে পারেন।

02/09/2019
বর্ষাকালে কাঁচা ঘাসের বিকল্প হিসাবে গরু বাছুরকে কচুরিপানা খাওয়ানো হয় যা গবাদিপ্রাণীর জন্য খুবই ক্ষতিকর। গরুকে বেশী কচুরি...
02/09/2019

বর্ষাকালে কাঁচা ঘাসের বিকল্প হিসাবে গরু বাছুরকে কচুরিপানা খাওয়ানো হয় যা গবাদিপ্রাণীর জন্য খুবই ক্ষতিকর। গরুকে বেশী কচুরিপানা খাওয়ালে গরু স্বাস্থ্যহীনতা ও অপুষ্টিতে ভুগতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে “কচুরিপানা কেটে ২ ঘণ্টা রোদে শুকিয়ে শুকনো খরের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালে ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম হতে পারে”

তবে গরুকে কচুরিপানা না খাওয়ানোই ভালো কারণ-

১। কচুরিপানাতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট ( ০.৮%-১.২%) থাকায় গরুর মুখ ও জিহ্বা খুব চুলকায়। বুনো কচুশাক খেলে আমাদের যেমন গলা চুলকায় গরুর ক্ষেত্রে ঠিক তেমনই হয়। দেখা যায় গরু অনেকখানি জিহ্বা বের করে কিছু চাঁটতে চায়। পরবর্তীতে এসব গরুর খাবারের প্রতি রুচি থাকেনা এবং ডাকে/হিটে আসতে অনেক দেরী হয়।

২। কচুরিপানাতে মাত্রাতিরিক্ত সীসা (৯০-১৪৬ মিলিগ্রাম) থাকায় গরুকে কচুরিপানা খাওয়ালে খাদ্য বিষক্রিয়াজনিত কারণে গরুর গোবর পাতলা পায়খানার মত হয় এবং গরু দিন দিন শুকিয়ে যায়।

৩। আমার ফিল্ড অভিজ্ঞতায় দেখেছি যেসব গাভীকে কচুরিপানা খাওয়ানো হয় তাঁদের ৮০-৯০% মিল্কফিভার হয়।

Address

Chittagong

Telephone

+8801876684810

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vet Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Vet Solution:

Share