DR.Happy Chakraborty-Child Specialist

DR.Happy Chakraborty-Child Specialist নবজাতক ও শিশুকিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ,জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু)

টিকা না দেওয়ায় হাম মহামারী দেখা দিছে : 🔺শুরুর লক্ষণ (প্রথম ৩–৪ দিন)প্রথমে হাম ধরা খুব কঠিন। সাধারণ ঠান্ডার মতো :- জ্বর- ...
30/03/2026

টিকা না দেওয়ায় হাম মহামারী দেখা দিছে :

🔺শুরুর লক্ষণ (প্রথম ৩–৪ দিন)
প্রথমে হাম ধরা খুব কঠিন। সাধারণ ঠান্ডার মতো :
- জ্বর
- নাক দিয়ে পানি পড়া
- কাশি
- চোখ লাল হওয়া
- এই সময় বেশিরভাগই বুঝতে পারেন না এটা হাম।

🔺একটা গুরুত্বপূর্ণ সাইন (Koplik’s Spots)
বাচ্চার গালের ভেতরে ছোট ছোট সাদা দানা দেখা যেতে পারে (ভাতের মতো)। এটাকে বলে Koplik’s Spots — এটা দেখলে প্রায় নিশ্চিত হওয়া যায় যে এটা হাম।

🔺 র‍্যাশ আসার ধাপ
প্রথমে কানের পাশ থেকে শুরু, তারপর মুখে, ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
পায়ে পৌঁছানোর সময় জ্বর সবচেয়ে বেশি হয় (১০৪°F পর্যন্ত উঠতে পারে)

⚠️💘যে লক্ষণগুলো দেখলে দেরি না করে হাসপাতালে যাবেন :
❗ র‍্যাশ আসার পরও জ্বর কমছে না বা আবার বাড়ছে
👉 এটা নিউমোনিয়ার লক্ষণ হতে পারে
❗ শ্বাস নিতে কষ্ট বা দ্রুত শ্বাস
❗ বাচ্চা অস্বাভাবিক ঘুমাচ্ছে / ডাকলে সাড়া কম / খিঁচুনি
👉 ব্রেইনের প্রদাহ (Encephalitis) হতে পারে
❗ চোখ খুব লাল, আলোতে কষ্ট, দেখতে সমস্যা
❗ কান ব্যথা বা কান থেকে পানি পড়া
❗ পানি খাচ্ছে না, প্রস্রাব কম
👉 ডিহাইড্রেশন (পানিশূন্যতা)

🟥হামের ভয়ংকর দিক — Immune Amnesia
হাম শুধু একটা রোগ না।
👉 এটা শরীরের আগের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার “মেমোরি” মুছে দেয়।
👉 ফলে বাচ্চা ২–৩ বছর পর্যন্ত অন্য রোগেও সহজে আক্রান্ত হতে পারে।
💝 চিকিৎসা কী?
হামের নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই। সাধারণত দেওয়া হয়:
Vitamin A
Paracetamol (জ্বরের জন্য)
পর্যাপ্ত পানি ও বিশ্রাম
💥 বাকিটা শরীর নিজেই লড়াই করে।
💥 প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বাইরে থেকে Vitamin A কিনে খাওয়ানো যেতে পারে
(গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:)
Vitamin A বেশি মাত্রায় খাওয়ানো বিপজ্জনক হতে পারে, তাই অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ডোজ দিন।

💯💉 সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ — MMR টিকা
১ম ডোজ: ৯ মাসে
২য় ডোজ: ১৫ মাসে
👉 সরকারি কেন্দ্রে ফ্রি পাওয়া যায়
👉 প্রায় ৯৭% কার্যকর

💔 একটা ভুল ধারণা ভেঙে দিন
“MMR টিকায় অটিজম হয়” — এটা সম্পূর্ণ ভুয়া তথ্য।
👉 একটি জাল গবেষণা থেকে এই গুজব ছড়িয়েছিল
🤎 পরে সেই গবেষণা বাতিল করা হয়েছে
গবেষকের লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে।।

🤎 শেষ কথা
আপনার বাচ্চার দুই ডোজ টিকা হয়েছে কিনা আজই চেক করুন
না হয়ে থাকলে দেরি না করে টিকা দিন

27/03/2026
খিচুড়ি
14/03/2026

খিচুড়ি

📍কৃমির ঔষধ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ ১) যেকোনো ঋতুতেই (গরম বা শীত) কৃমির ওষুধ খাওয়া যায়। তবে বসন্তকাল কৃমি সংক্রমণের সময় হ...
03/03/2026

📍কৃমির ঔষধ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ

১) যেকোনো ঋতুতেই (গরম বা শীত) কৃমির ওষুধ খাওয়া যায়। তবে বসন্তকাল কৃমি সংক্রমণের সময় হওয়ায় এ সময় কৃমিনাশক গ্রহণ করা উত্তম।

২) পরিবারের সকল সদস্যকে একসাথে কৃমির ওষুধ খাওয়া উচিত।

৩) ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে—
>নিয়মিত নখ কাটা
>পায়ুপথের চারপাশ শুকনা রাখা
>সঠিকভাবে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করা।

৪) খালি পায়ে হাঁটা এড়িয়ে চলুন এবং টয়লেটে স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।

৫) বিশেষ করে শিশুদের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে হবে।

৬) প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রতি ৩ মাস পরপর একই মাত্রায় কৃমির ওষুধ গ্রহণ করুন।

৭) পায়ুপথের চারপাশে ভ্যাসলিন বা নারিকেল তেল ব্যবহার করলে কৃমি আটকে যায় ও ডিম পাড়া কমাতে সহায়তা করে।

৮) খাবার ভালোভাবে রান্না করতে হবে, বিশেষ করে সঠিকভাবে সিদ্ধ করতে হবে।

৯) কাঁচা ফল ও শাকসবজি খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

১০) গর্ভাবস্থা বা ওষুধ সেবনে নিষেধ থাকলে খালি পেটে ৮–১২ চা চামচ আদার রস মধুর সাথে মিশিয়ে ঘরোয়া উপায় হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।

১১) কৃমিনাশক খাওয়ার পর ভিটামিন-এ/রেটিনল ফোর্ট (২ লক্ষ IU) এককালীন গ্রহণ করা যেতে পারে, যা ভিটামিন-এ ঘাটতি জনিত দৃষ্টিহীনতা প্রতিরোধ, অপুষ্টি দূরীকরণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।

১২) কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করতে হবে। নিয়মিত মলত্যাগ করলে কৃমির পরিমাণ কমে।

১৩) ডায়রিয়া, তীব্র পেটব্যথা বা অন্ত্রের ( গাট অবস্ট্রাকশন) থাকলে কৃমিনাশক ওষুধ এড়িয়ে চলা উচিত।

১৪) শিশুদের পায়ুপথে চুলকানো থেকে বিরত রাখতে হবে, যাতে পুনঃসংক্রমণ (অটোইনফেকশন) না ঘটে।

বাড়ির মধ্যেই কি আমরা আমাদের বাচ্চাদের অনাথ করে দিচ্ছি? — Digital Orphanবাচ্চাটা কথা বলছে… আর আমরা তখন ফোনের স্ক্রিনে চোখ...
02/03/2026

বাড়ির মধ্যেই কি আমরা আমাদের বাচ্চাদের অনাথ করে দিচ্ছি? — Digital Orphan

বাচ্চাটা কথা বলছে… আর আমরা তখন ফোনের স্ক্রিনে চোখ গুঁজে আছি।
শরীরটা ঘরে আছে, কিন্তু মনটা কোথাও দূরে।
এই নীরব দূরত্ব থেকেই জন্ম নেয় এক নতুন শব্দ— Digital Orphan।

Digital Orphan মানে এমন শিশু, যার বাবা–মা পাশে আছেন, কিন্তু মানসিকভাবে অনুপস্থিত। সে কোলে বসে আছে, অথচ চোখে চোখ নেই। প্রশ্ন করছে, উত্তর আসছে “একটু পরে।” ভালোবাসা আছে, কিন্তু মনোযোগ নেই।

🧠 বিজ্ঞানের ভাষায় কী হচ্ছে?
শিশুর মস্তিষ্ক গড়ে ওঠে সম্পর্কের ভেতর দিয়ে। চোখের যোগাযোগ, মুখের অভিব্যক্তি, কণ্ঠের উষ্ণতা—এই সবকিছু থেকেই শিশুর ব্রেন শেখে নিরাপত্তা, ভালোবাসা আর সম্পর্কের ভাষা। নিউরোসায়েন্স বলে, বারবার যে অভিজ্ঞতা হয়, সেটাই মস্তিষ্কে স্থায়ী সার্কিট তৈরি করে।

যখন শিশুর ডাকে বারবার ফোন বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তার স্নায়ুতন্ত্র শেখে—
“আমি গুরুত্বপূর্ণ নই”
“ভালোবাসা মানে অপেক্ষা”
“কাছের মানুষরাও হঠাৎ হারিয়ে যেতে পারে”

এর প্রভাব শুধু এখন নয়—ভবিষ্যতেও পড়ে। এমন শিশুরা বড় হয়ে আবেগ প্রকাশে সমস্যায় পড়ে, সম্পর্কের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করে, আর ভালোবাসা কীভাবে দেওয়া বা নেওয়া যায়—সেটা বুঝতে হিমশিম খায়।

💔 এটা অবহেলা নয়, এটা অভ্যাস
বেশিরভাগ বাবা–মাই খারাপ নন। আমরা ক্লান্ত, ব্যস্ত, চাপের মধ্যে আছি। কিন্তু প্রতিদিনের ছোট ছোট মুহূর্ত—খাওয়ার টেবিল, গল্পের সময়, ঘুম পাড়ানোর আগে—এই সময়গুলোই শিশুর মস্তিষ্কে “ভালোবাসার মানচিত্র” আঁকে।

🌱 সমাধান কোথায়?
পারফেক্ট বাবা–মা হওয়া দরকার নেই। দরকার উপস্থিত থাকা।
দিনে কয়েকটা মুহূর্ত—ফোন নামিয়ে, চোখে চোখ রেখে, মন দিয়ে শোনা।
এই ছোট কাজগুলোই শিশুর ব্রেনে শেখায়—
“আমি নিরাপদ”
“আমি গুরুত্বপূর্ণ”
“সম্পর্ক মানে সংযোগ”

আজ আমরা যদি সচেতন হই, তবে আমাদের বাচ্চারা আর Digital Orphan হবে না।
তারা বড় হবে এমন এক পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত হয়ে—যেখানে সম্পর্ক মানে শুধু পাশে থাকা নয়, মন দিয়ে থাকা।

27/01/2026
“বাচ্চার সর্দির পরপরই যদি কান ব্যথা শুরু হয়-তা হলে এটাকে হালকা ভাবে নেবেন না।শীতকালে সর্দি-কাশির পর Ear Infection খুব দ্...
10/12/2025

“বাচ্চার সর্দির পরপরই যদি কান ব্যথা শুরু হয়-
তা হলে এটাকে হালকা ভাবে নেবেন না।
শীতকালে সর্দি-কাশির পর Ear Infection খুব দ্রুত ছড়ায়।”

কেন এমন হয়?
– শীতে নাকের ভেতর জমে থাকা মিউকাস সহজে ব্লক তৈরি করে।
– এই ব্লকড মিউকাস কান পর্যন্ত চাপ দেয়।
– এতে মাঝ-কানে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস জমে ইনফেকশন বাড়ে।

🪄 কী কী লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন?
• কান ব্যথা বা টানাটানি করা
• সর্দি থাকার সাথে কান বন্ধ লাগা
• রাতে ঘুমে অস্থিরতা
• হালকা জ্বর বা বিরক্তি বেড়ে যাওয়া

বাড়িতে কী করবেন?
• নাক পরিষ্কার রাখুন (saline spray সহায়তা করে)
• বাচ্চাকে গরম কাপড় দিন
• ঘরের বাতাস আর্দ্র রাখুন
• ব্যথা বাড়লে বা জ্বর থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন

🎣সময়মতো চিকিৎসা করালে ear infection দ্রুত ভালো হয়
এবং ভবিষ্যৎ hearing problem-এর ঝুঁকিও কমে।

Address

Chittagong

Telephone

+8801704488869

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DR.Happy Chakraborty-Child Specialist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category