Hematology concern by Dr.Showrab Biswas

Hematology concern by Dr.Showrab Biswas Let's discuss about interesting hematological cases

02/02/2024
02/02/2024

https://www.youtube.com/
একজন গর্ভবতী মহিলার গর্ভকালীন সমস্যা গুলোর মধ্যে একটি প্রধান সমস্যা হলো গর্ভাবস্থায় রক্তশূন্যতা। এই সমস্যাটি প্রায় সকল গর্ভবতী মহিলাদের হয়ে থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় গর্ভবতী মহিলাদের রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমান 11-14g/dl বা 11-14% থাকে। যদি রক্তের পরিমান এর থেকে কম হয় তাহলে তাকে এনেমিয়া বা রক্তশূণ্যতা বলে।এ ছাড়া আরও বিভিন্ন কারণে নারীদের রক্তশূণ্যতা হতে পারে ।
-----------------------------------------------------------------------
ডা সৌরভ বিশ্বাস
এমবিবিএস, বিসিএস, এমডি (রক্তরোগ)
রক্ত ও রক্ত ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
পার্কভিউ হাসপাতাল, ফোন- 01976-022333.
--------------------------------------------------------------------------
স্বাস্থ্যবিষয়ক সকল সংবাদ ও তথ্য জানতে https://heartbeatbd.com/

জমাট বাঁধা রক্তের দলাকে বলা হয় থ্রম্বাস আর জমাট বাঁধার পদ্ধতিটির নাম থ্রম্বোসিস। **রোগের লক্ষণ:বেশিক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসে ...
14/10/2023

জমাট বাঁধা রক্তের দলাকে বলা হয় থ্রম্বাস আর জমাট বাঁধার পদ্ধতিটির নাম থ্রম্বোসিস।
**রোগের লক্ষণ:
বেশিক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসে থাকলে অনেকের পা ফুলে যায়। এটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু যদি অল্প সময়ের মধ্যে পা ফোলে, সঙ্গে মৃদু যন্ত্রণা হয়, সেখানে ত্বক লালচে হয়ে যায়, তা হলে এগুলোকে ডিপ ভেন থ্রম্বোসিসের লক্ষণ বলেই ধরে নেওয়া হয়। ডিভিটি-র অন্যতম লক্ষণ হল স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পা ফোলা। সেটা হঠাৎ করে অথবা ধীরে ধীরেও হতে পারে। যে জায়গাটা ফুলছে, সেই জায়গায় আঙুল দিয়ে চাপ দিলে সেটা ঢুকে যাবে। তা ছাড়া, ফোলা অংশটা সামান্য গরমও হতে পারে।’

কেন হয় ডিভিটি?

ডিভিটি হওয়ার প্রধান কারণ, শিরায় রক্তপ্রবাহের বেগ কমে যাওয়া অথবা রক্তের স্বাভাবিক জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার সমস্যা। ষাট বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তিদের মধ্যে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত বেশি। যদিও কম বয়সের মানুষদেরও এই সমস্যা হতে পারে। যেমন, যাঁদের দীর্ঘক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয় বা যাঁরা অনেকক্ষণ একনাগাড়ে গাড়ি চালান, তাঁরাও ডিভিটি-তে আক্রান্ত হতে পারেন।

প্যারালিসিসের মতো শারীরিক অসুস্থতা বা অস্ত্রোপচারের কারণে যাঁদের বহু দিন বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়, তাঁদের পায়ের শিরায় রক্তপ্রবাহের গতি কমে যাওয়ার ফলে হতে পারে এই রোগ।

৪ ঠা সেপ্টেম্বর বিশ্ব লিউকেমিয়া দিবস। লিউকেমিয়া বা লিউকিমিয়া রক্ত বা অস্থিমজ্জার ক্যান্সার। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর প্রধান...
09/09/2023

৪ ঠা সেপ্টেম্বর বিশ্ব লিউকেমিয়া দিবস।
লিউকেমিয়া বা লিউকিমিয়া রক্ত বা অস্থিমজ্জার ক্যান্সার। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর প্রধান লক্ষণ রক্তকণিকার, সাধারণত শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাবিক সংখ্যাবৃদ্ধি। রোগটির নামই হয়েছে এর থেকে- লিউক~ অর্থাৎ সাদা, হিমো~ অর্থাৎ রক্ত। রক্তে ভ্রাম্যমাণ এই শ্বেত রক্ত কণিকাগুলি অপরিণত ও অকার্যকর। রক্ত উৎপাদনকারী অস্থিমজ্জার মধ্যে এদের সংখ্যাধিক্যের ফলে স্থানাভাবে স্বাভাবিক রক্তকণিকা উৎপাদন ব্যাহত হয়।

লিউকেমিয়ার প্রকৃত কারণ অজানা। বিভিন্ন লিউকেমিয়ার কারণ বিভিন্ন হতে পারে। বংশগত এবং পরিবেশগত উভয় কারণই এর সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারে। ঝুকির কারণের মধ্যে রয়েছে ধূমপান,তেজস্ক্রিয়তা,কিছু কেমিক্যাল যেমন বেনজিন ইত্যাদি। যে সকল ব্যক্তির লিউকেমিয়ার পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে,তারাও উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। লিউকেমিয়ার চারটি প্রধান প্রকারভেদ রয়েছে : অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া (ALL), অ্যাকিউট মায়েলয়েড লিউকেমিয়া (AML), ক্রনিক লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া (CLL) এবং ক্রনিক মায়েলয়েড লিউকেমিয়া (CML)।

কেমোথেরাপি,তেজস্ক্রিয় থেরাপি,অস্থিমজ্জা স্থানান্তর ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। বর্তমানে Targeted therapy দিয়ে অনেক Leukaemia এর চিকিৎসা করা হয়।

থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তরোগ। এটি জিনবাহিত রোগ, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত হয়। রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় থাক...
08/05/2022

থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তরোগ। এটি জিনবাহিত রোগ, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত হয়। রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় থাকে হিমোগ্লোবিন, যার কাজ হলো শরীরের বিভিন্ন অংশে
অক্সিজেন সরবরাহ করা। এই হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় আলফা চেইন ও বিটা চেইন নামক দুই রকম চেইনের সমন্বয়ে। এর কোনোটায় সমস্যা হলে হিমোগ্লোবিনের উৎপাদন ব্যাহত হয়। তৈরি হয় ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন। স্বাভাবিক লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল ১২০ দিন। ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিনের কারণে লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কমে যায় এবং লোহিত কণিকাগুলো সহজেই ভেঙে যায়। ফলে শরীরে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।
বুঝবেন যেভাবে
থ্যালাসেমিয়ার উপসর্গগুলো মূলত রক্তস্বল্পতাজনিত উপসর্গ। যেমন ক্লান্তি, অবসাদ, শ্বাসকষ্ট, ফ্যাকাশে ত্বক ইত্যাদি। রক্ত অধিক হারে ভেঙে যায় বলে জন্ডিস হয়ে ত্বক হলুদ হয়ে যায়। প্রস্রাবও হলুদ হতে পারে। প্লীহা বড় হয়ে যায়। যকৃৎও বড় হয়ে যেতে পারে। অস্থির ঘনত্ব কমে যেতে পারে। নাকের হাড় দেবে যায়, মুখের গড়নে পরিবর্তন আসে। শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। দিনে দিনে জটিলতা বাড়তে থাকে।
শনাক্তকরনঃ
থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে রক্তের হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস পরীক্ষা করা হয়। রক্তের রুটিন পরীক্ষা (সিবিসি) থেকে থ্যালাসেমিয়া সন্দেহ করা যেতে পারে। এ ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষা করেও এই রোগ ধরা যায়।
চিকিৎসা কখন জরুরি
থ্যালাসেমিয়া মাইনরে সাধারণত চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কারণ তাঁরা মূলত এই রোগের বাহক হন। রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ সে ভাবে দেখা যায় না। কিন্তু থ্যালাসেমিয়া মেজরে নিয়মিত চিকিৎসার দরকার।
প্রতিরোধঃ
মানুষ একটু সচেতন হলেই থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ অসম্ভব নয়। যদি স্বামী-স্ত্রী দু’জন থ্যালাসেমিয়ার বাহক হন অথবা দু’জনের মধ্যে একজন থ্যালাসেমিয়ার বাহক এবং একজন হিমোগ্লোবিন ই-র বাহক হন, সে ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থাতেই প্রায় ২৫ শতাংশ শিশু এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। ৫০ শতাংশ শিশুর আবার এই রোগের বাহক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বাকি ২৫ শতাংশ শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ ভাবে জন্ম নিতে পারে। আবার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজন বাহক ও একজন যদি সুস্থ থাকেন, সে ক্ষেত্রে নবজাতকের থ্যালাসেমিয়া মেজর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। তবে থ্যালাসেমিয়ার বাহক হওয়ার হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এই সব কারণে এই রোগের বাহকদের একে অপরকে বিয়ে না করাই ভাল। সেই জন্য বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। এ নিয়ে সকলের মধ্যে সচেতনতা জরুরি। তবেই এই রোগকে অনেকটা দূরে সরিয়ে রাখতে পারব।
যদি দু’জন থ্যালাসেমিয়ার বাহকের বিয়ে হয়েও যায়, সে ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় ভ্রুণের রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত। গর্ভস্থ সন্তান থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত কি না, জানার জন্য কোরিয়োনিক ভিলাস স্যাম্পলিং, অ্যামনিওসেনটেসিস, ফিটাল ব্লাড স্যাম্পলিং— এই পরীক্ষাগুলি করা প্রয়োজন।
পরিবারের একজন যদি থ্যালাসেমিয়ার বাহক হন, তবে বাকিদেরও রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত। থ্যালাসেমিয়া মানেই জীবন শেষ হয়ে গেল, তা একেবারেই নয়। বরং নিয়মিত চিকিৎসা করালে সুন্দর ভাবে বাঁচা সম্ভব। বিয়ে করে সংসারও করতে পারেন থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীরা। বাচ্চা হওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা নেই। তবে নিজেকেই নিজের যত্ন নিতে হবে। সঙ্গে একটু সচেতন হতে হবে, যাতে আর কোনও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু না জন্মায়।
থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধের জন্য আরও বেশি প্রচার দরকার। প্রয়োজন মানুষকে সচেতন করাও। তবেই হয়তো এই রোগ থেকে মুক্তি মিলবে।
ডা. সৌরভ বিশ্বাস, রক্ত রোগ বিশেষজ্ঞ, রক্ত রোগ বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ।

05/08/2021

পার্কভিউ হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখছেন ২ জন রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ।

সিরিয়াল কিংবা যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুনঃ
02-334451901-5, 02-334455071-5, 01976-022333, 01976-022111 নাম্বারে।

Flow chart to diagnosis thalassaemia carrier
01/08/2021

Flow chart to diagnosis thalassaemia carrier

Address

Chittagong Medical College
Chittagong

Telephone

+8801717276377

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hematology concern by Dr.Showrab Biswas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hematology concern by Dr.Showrab Biswas:

Share

Category