Secret Solution

  • Home
  • Secret Solution

Secret Solution প্রাচীন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা সেবায় আমাদের লক্ষ্য এখানে বিভিন্ন দেশী বিদেশী ভেষজ উপাদানে তৈরি ঔষধ এর মাধ্যমে আপনার জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা নিতে পারবেন।

 ্বককে বলিরেখা মুক্ত রাখার কিছু টিপস :- ত্বককে বলিরেখা মুক্ত রাখার কিছু টিপসপর্যাপ্ত ঘুমান: নিয়মিত ত্বকের যত্নের পাশাপাশ...
13/10/2024

্বককে বলিরেখা মুক্ত রাখার কিছু টিপস :-

ত্বককে বলিরেখা মুক্ত রাখার কিছু টিপস
পর্যাপ্ত ঘুমান: নিয়মিত ত্বকের যত্নের পাশাপাশি, পর্যাপ্ত ঘুম খুবই প্রয়োজন। দিনে কমপক্ষে সাত ঘণ্টা ঘুম দরকার। ঘুমের সময় বালিশের কারণেও মুখে বলিরেখা হতে পারে। অনেকের পেটের উপর ভর দিয়ে ঘুমান, তাতে বলিরেখা বেশি করে দেখা দিতে পারে। চেষ্টা করুন পিঠের উপর ভর দিয়ে ঘুমাতে।

স্ট্রেস কমান:
অবসাদ শরীর ও মনের পাশাপাশি আপনার সৌন্দর্যেও প্রভাব ফেলতে পারে। অল্প বয়সেই চোখে মুখে বার্ধক্যের ছাপ ফেলতে পারে। সুতরাং যতটা সমস্যা মন ভালো রাখুন এবং সুস্থ স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করুন।
প্রচুর পানি খান: সারাদিনে কমপক্ষে ১-২ লিটার পানি খেতেই হবে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, শরীরের সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক রাখতে সারাদিনে অন্তত ৫-৬ লিটার পানি খাওয়া জরুরি। ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতেও পানির ভূমিকা অনস্বীকার্য।

সূর্যরশ্মি থেকে দূরে থাকুন:
সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বকে ট্যান পড়ার পাশাপাশি বলিরেখা সৃষ্টি করে। সূর্যের অতিরিক্ত তাপে ত্বক দূর্বল হয়ে পড়ে। তাই এরপর থেকে বাইরে যাওয়ার আগে অবশ্যই সঙ্গে একটা ছাতা রাখুন।
স্কার্ফ ব্যবহার করুন: শুধু মাত্র সূর্যের তাপ এড়াতে নয়, দূষণ এড়াতে অবশ্যই স্কার্ফ ব্যবহার করুন। বলিরেখার অন্যতম কারণ পলিউশন। ত্বককে বলিরেখা মুক্ত রাখতে স্কার্ফ দিয়ে মুখ ঢেকে তবেই বাইরে যান।

ব্যায়াম:
যদি মনে করেন, ত্বকের যত্ন নিলেই তা সুন্দর থাকবে ও বয়সের ছাপ পড়বে না, তাহলে ভুল ভাবছেন৷ সবার আগে প্রয়োজন শরীর সুস্থ রাখা৷ নানা কর্মব্যবস্তার মধ্যেও খানিকটা সময় বের করে নিন ব্যায়াম বা যোগাসনের জন্য৷ জিমে গিয়ে ওয়ার্ক-আউট করা অনেকেরই সম্ভব হয় না৷ প্রয়োজনও নেই৷ বাড়িতেই নিয়ম করে ব্যায়াম করুন৷ ত্বকের জেল্লা নিজেই অনুভব করতে পারবেন৷

ডিমের সাদা অংশ:
অ্যান্টি রিঙ্কলস ক্রিমের বদলে মুখে ডিমের সাদা অংশ সপ্তাহে এক-দু’বার লাগান, ভালো ফল পাবেন। সহজ এই ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের বলিরেখা এবং ফাইনলাইনস দূর হবে। ত্বক আগের মতো টানটান হয়ো উঠবে। ডিমের সাদা অংশ ভালো করে ফেটিয়ে নিন এবং ত্বকের উপর লাগিয়ে নিন। ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

অ্যালোভেরা:
একচামচ অ্যালোভেরা জেল এবং একটি ডিমের সাদা অংশ দুটি উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন এবং সেটি মুখে ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন। আধ ঘণ্টা রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি ভিটামিন সি-এর অন্যতম উৎস, যা ত্বকের সজীবতা ফিরিয়ে আনে। এছাড়াও এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান বলিরেখা তো দূর করেই ত্বককে দাগছোপ মুক্ত করে। সপ্তাহে দু’এই মিশ্রণটি লাগাতে পারেন।

নারিকেল তেল:
রূপচর্চায় নারকেল তেলের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। বলিরেখা দূর করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। চোখ, ঠোঁটের চারপাশে ও গলায় ভালো করে নারিকেল তেল আলতো হাতে মালিশ করে নিন। একবার ক্লকওয়াইজ, একবার অ্যান্টিক্লকওয়াইজ ম্যাসাজ করুন। সারারাত রেখে পরদিন সকালে উঠে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

মধু:
নিয়মিত মুখে মধু ব্যবহারে ত্বকের তারুণ্য এবং উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। চোখে মুখে ক্লান্তি ভাব এবং বলিরেখা দূর করতে দারুণ কার্যকরী। ত্বকে পি এইচ-এর ভারসাম্য বজায় রাখে এবং ফাইনলাইনস ও বলিরেখা কম করে। ত্বকে মধু লাগিয়ে কয়েক মিনিট আলতো হাতে মালিশ করুন। আধ ঘণ্টা রাখার পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। আরও ভালো ফল পেতে মধুর সঙ্গে সামান্য আদা মিশিয়ে নিতে পারেন।

লেবুর রস:
লেবু কেবলমাত্র শরীরচর্চাতেই নয়, রূপচর্চাতেও দারুণ কার্যকরী। এর মধ্যে উপস্থিত ভিটামিন সি ত্বকে কোলাজেন পুনর্নিমানে সাহায্য করে, যা ত্বককে বলিরেখা এবং ফাইনলাইনস মুক্ত করে। সমপরিমাণে লেবুর রস এবং মধু নিন। দুটিকে একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে, ঘাড়ে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

*** যৌন মিলনের সঠিক নিয়ম ***অনেক সময় দেখা যায় যে, অনেক পুরুষ স্বল্প সময়ের মধ্যেই বীর্যপাত করেন, যার ফলে নারী অতৃপ্ত ...
07/07/2022

*** যৌন মিলনের সঠিক নিয়ম ***
অনেক সময় দেখা যায় যে, অনেক পুরুষ স্বল্প সময়ের মধ্যেই বীর্যপাত করেন, যার ফলে নারী অতৃপ্ত থেকে যায়। তাই যৌন মিলনের সময় নারীর চাওয়া পাওয়াকে বেশি প্রাধান্য দেয়া উচিত। তাই যৌন মিলনের সময় বাড়ানোর উপায়গুলো নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ
মিলন পর্ব শুরুর পূর্বেঃ
শোবার ঘরটি সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন, এটি শুধু ঘুম এবং যৌন মিলনের জন্য ব্যবহার করুন । মিলনের সময় ঘরে হালকা আলো জ্বালিয়ে রাখুন,
১. নিজেকে অযথা উত্তেজিত হতে দিবেন না, আপনি জানেন যে ব্যপার টি হতে চলেছে তাই ধৈর্য ধরুন ।
২. ব্যাপারটি নিয়ে তাড়াহুড়া করবেন না, ধীরে শুরু করুন।
৩. সঙ্গিনীর গায়ে হাত দেয়ার আগে তার সাথে রোমান্টিকতা করুন, তাকে আপনার দেয়া আদুরে নাম ধরে ডাকুন, তাকে জানান যে আপনি তাকে ভালবাসেন। এর কারন হল পুরুষ এর যৌন চাহিদা জৈবিক, কিন্তু নারীদের তা নয়। তাদের এই চাহিদা মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত, তাই উত্তেজিত হতে সময় লাগে। যদি সঙ্গিনির মন খারাপ, শরীর খারাপ থাকে তাহলে মিলন করবেন না কারন তখন তার শরীর সাড়া দেবে না।
৪. চুম্বন দিয়ে শুরু করুন এবং তা দীর্ঘায়িত করুন।
৫. স্পর্শ কাতর অংশে প্রথমেই হাত দিবেন না, তার আশে পাশে স্পর্শ করুন, যখন বুঝবেন আপনার সঙ্গিনীর উত্তেজনা উঠছে তখন স্পর্শ কাতর অংশে মৃদু ভাবে আদর করুন।
৬. আপনার সঙ্গিনী পুরোপুরি উত্তেজিত হবার ১-২ মিনিট পর মিলনের প্রস্তুতি নিন।
৭. সঙ্গিনীর দেহে লিঙ্গ প্রবেশ এর পূর্বে আপনার যৌনাঙ্গ দিয়ে দিয়ে তার যৌনাঙ্গে হালকা ভাবে আদর করুন, সঙ্গীকে জানান যে আপনি এখন প্রবেশ করতে যাচ্ছেন, এর ফলে সে আপনাকে ভিতরে নেয়ার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হবে ।
৮. কক্ষনোই জোর করে ঢুকানোর চেষ্টা করবেন না, যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর যৌনাঙ্গ আপনাকে নেয়ার জন্য প্রস্তুত নয় তবে তাকে আশ্বাস দিন যে অসুবিধা নেই, সঙ্গিনীকে রাগ দেখাবেন না। যৌনাঙ্গ সবসময় এক ধরনের Response নাও দিতে পারে। যদি রাগ দেখান তাহলে পরবর্তীতে সে উত্তেজিত হবার বদলে ভয় পাবে এবং তার মস্তিস্ক Response করতে প্রচুর সময় নিবে।
৯. প্রবেশ এর পর আস্তে আস্তে আদর করুন, সঙ্গিনীকে মন থেকে ভালোবাসার কথা বলুন, তার সারা শরীর এ হাত বুলান। মনে রাখবেন যে, যদি আপনার সঙ্গী আপনার কাছ থেকে ভালবাসা পূর্ণ শারীরিক আদর লাভ করে তাহলে এটি তার কাছে আনন্দময় মুহূর্ত হিসেবে গণ্য হবে , এবং তা সুখকর স্মৃতি হিসেবে তার মস্তিস্কে জমা হবে। ফলাফল হিসেবে পরবর্তীতে যৌন মিলনের সময় তার Response অনেক ভালো হবে।
১০. সঙ্গিনীকে ব্যথা দিবেন না। মাঝে মাঝে প্রশ্ন করুন যে তার কেমন লাগছে। যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর যোনি রস কমে আসছে বা শুকিয়ে আসছে তাহলে সঙ্গম শেষ করে দিন, জোর করে দীর্ঘায়িত করবেন না।
১১. মিলনের এক পর্যায়ে যখন আপনি অনুভব করছেন যে আপনার একটি শিরশিরে অনুভূতি হচ্ছে এবং এই অনুভূতি আর একটু বাড়লেই আপনার বীর্যপাত হয়ে যাবে, তখন কোমর সঞ্চালন বন্ধ করুন । চুপচাপ সঙ্গিনীর উপর শুয়ে থাকুন এবং তাকে গলায় বা কানে চুমু দিন। চোখ বা চুলের প্রশংসা করুন। আলতো ভাবে তাকে আদর করুন। এতে আপনার মনোযোগ অন্য দিকে সরবে এবং শিরশিরে অনুভূতি কমে গিয়ে যৌনাঙ্গ আবার স্বাভাবিক হবে। এরপর আবার মিলন শুরু করুন । প্রক্রিয়া টি ২-৩ বার এর বেশী প্রয়োগ করবেন না।
১২. আসন পরিবর্তন করুন। এক এক দম্পতি এক এক আসনে তৃপ্তি বোধ করেন, তাই ধীরে ধীরে জেনে নিন আপনাদের কোন আসন পছন্দ। সেগুলো প্রয়োগ করুন। ব্লোজব পছন্দ করলে তা করতে পারেন।
১৩. মিলনের সময় যদি অল্প সময়ে নারী সঙ্গির যোনি রস শুকিয়ে আসে বা পুরুষ সঙ্গির লিঙ্গ তেমন শক্ত না হয় বা দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সঙ্গীকে দোষারোপ করবেন না। নিয়মিত যৌন জীবন এর মাঝে মাসে ২-৪ বার এরকম হতেই পারে। সঙ্গীকে জানান যে কোন অসুবিধা নেই। পরের বার ভালো হবে। প্রত্যেক বার যে পূর্ণ যৌন মিলন করতেই হবে এমন কথা নেই।
১৪. বিভিন্ন দম্পতি উত্তেজিত হবার এক এক নিয়ম ( যেমনঃ চুম্বন, ব্লো-জব ) পছন্দ করেন, জেনে নিন আপনাদের কোনটি পছন্দ। সেটি করুন। একক সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার সঙ্গী যদি কোনটি পছন্দ না করেন তবে সেটি করবেন না।
১৫. আপনার ইচ্ছা করছে কিন্তু আপনার সঙ্গীর করছে না। তাহলে নিজেকে সংযত করুন।
১৬. ঘরে নগ্ন চলাফেরা করবেন না তাহলে শরীরের প্রতি আকর্ষণ কমে যেতে পারে।
১৭. নারী সঙ্গীরা রাতে শোবার আগে পোশাক পরিবর্তন করে যৌন উত্তেজক পোশাক পড়ুন। এক্ষেত্রে ব্রা, পেন্টি আদর্শ পোষাক হতে পারে।
১৮. নারী সঙ্গীরা ভাববেন না যে পুরুষ সঙ্গিরাই সবসময় আমন্ত্রণ জানাবে। আপনিও জানান। নিজের যৌন চাহিদা প্রকাশ করুন। মনে রাখবেন, পুরুষরা সবসময়ই চায় যে, তার সঙ্গীনী তাকে আমন্ত্রণ করুক, তার সাথে জোর করে যৌন মিলন করুক, তাকে উত্তেজিত করুক। তাই সবসময় পুরুষদের আমন্ত্রণের জন্য অপেক্ষা করবেন না।
এই হল ইসঅলামের শিক্ষাঃ
১। স্বামী-স্ত্রী উভয়ই পাক পবিত্র থাকতে হবে।
২।কোন শিশু বা পশুর সামনে সংগমে রত হবে না
৩।মুস্তাহাব হলো “বিসমিল্লাহ” বলে সহবাস শুরু করা। ভুলে গেলে যখন বীর্যপাতের পূর্বে মনে মনে পড়ে নেবে।
৪। সহবাসের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করাও আল্লাহর রাসুলের [সা.] সুন্নত।
৫।দুর্গন্ধ জাতীয় জিনিস পরিহার করা উচিত। উল্লেখ্য যে , ধুমপান কিংবা অপরিচ্ছন্ন থাকার কারণে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। আর এতে কামভাব কমে যায়। আগ্রহের স্থান দখল করে নেয় বিতৃষ্ণা।
৬।পর্দা ঘেরা স্থানে সংগম করবে।
৭।সংগম শুরু করার পূর্বে শৃঙ্গার (চুম্বন, স্তন মর্দন ইত্যাদি) করবে।
৮।কোনোভাবেই কেবলামূখী না হওয়া।
৯। স্বামী-স্ত্রী উভয়ই একেবারে উলঙ্গ হবে না।
১০। বীর্যপাতের পর ততক্ষণাত বিচ্ছিন্ন হবে না, বরং স্ত্রীর বীর্যপাত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে।
১১।বীর্যপাতের সময় মনে মনে নির্ধারিত দোয়া পড়বে। কেননা যদি সে সহবাসে সন্তান জন্ম নেয়
তাহলে সে শয়তানের প্রভাব মুক্ত হবে।
১২।নিয়ত ঠিক করুন। হযরত আলী (রা.) তাঁর অসিয়ত নামায় লিখেছেন যে, সহবাসের ইচ্ছে হলে এই নিয়তে সহবাস করতে হবে যে, আমি ব্যভিচার থেকে দূরে থাকবো। আমার মন এদিক ওদিক ছুটে বেড়াবেনা আর জন্ম নেবে নেককার ও

 ্রতিদিন টক দই খাওয়ার উপকারিতা_ #দ্ুধ আদর্শ খাদ্য; আমরা জানি, কিন্তু বর্তমান গবেষনা বলছে, দুগ্ধযাত খাবার ‘টক দই’ দুধের চ...
16/01/2022

্রতিদিন টক দই খাওয়ার উপকারিতা_ #

দ্ুধ আদর্শ খাদ্য; আমরা জানি, কিন্তু বর্তমান গবেষনা বলছে, দুগ্ধযাত খাবার ‘টক দই’ দুধের চাইতেও বেশি পুষ্টিকর। টক দই যেমন প্রোটিন এর উৎস তেমনি ভিটামিন ও মিনারেলস এ ভরপুর।
১.
এতে কোনো চিনি ও ক্ষতিকর ফ্যাট নেই, তাই ওজন কমাতে সাহায্য করে।
২.
এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং রোগ সারাতে সাহায্য করে।

৩.-
এর উপকারী ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে এবং হজমে সাহায্য করে।
৪.
এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও কোলন cancer এর রোগীদের জন্য উপকারী।
৫.-
এতে প্রচুর calcium ও vitamin D থাকার কারণে হাড় ও দাঁতের গঠনে সাহায্য করে।
৬.
টক দই রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে রক্তকে শোধন করে।
৭.
যাদের দুধ সহ্য হয় না বা lactose intolerance আছে, তারা টক দই দুধের বিকল্প হিসাবে খেতে পারেন। দুধ খাওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিকল্প হিসেব দই খাওয়া যায়।
৮.
উচ্চ রক্তচাপ এর রোগীরা নিয়মিত টক দই খেলে রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।
৯.
এটা ব্রেইনকে tyrosine সরবরাহ করে, যা মানসিক প্রশান্তি দেয় এবং ক্লান্তি কমায়।
১০.
টক দই শরীরে টক্সিন জমতে বাধা দেয়। অন্ত্রনালী পরিষ্কার রেখে শরীরকে সুস্থ রাখে ও বুড়িয়ে যাওয়া বা অকাল বার্ধক্য রোধ করে এবং ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
একবারে কত টক দই খাবেন?

প্রতিদিন ১৫০-২০০ গ্রাম টক খাবেন/

ইসলামের  #দাম্পত্য জীবনের সংকট নিরসনে কোরআনের নির্দেশনাইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের উদ্দেশ্য শুধু জৈবিক চাহিদা পূরণ করা নয়; বর...
28/12/2021

ইসলামের #দাম্পত্য জীবনের সংকট নিরসনে কোরআনের নির্দেশনা

ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের উদ্দেশ্য শুধু জৈবিক চাহিদা পূরণ করা নয়; বরং বিয়ে এমন পবিত্র সম্পর্ক যার সঙ্গে পারস্পরিক দায়িত্ববোধ, সম্মান, ভালোবাসা ও আন্তরিকতার সম্পর্ক জড়িয়ে আছে। ইসলাম বৈবাহিক সম্পর্ককে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টিকিয়ে রাখার তাগিদ দেয় এবং সে লক্ষ্যে ধৈর্য, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল আচরণের নির্দেশনা দেয়।



#বিবাদ নিরসনে কোরআনের নির্দেশনা

#দাম্পত্য জীবনের সংকট নিরসনে কোরআনে দুটি আয়াতে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘পুরুষ নারীর কর্তা। কেননা আল্লাহ তাদের একে অপরের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং এ জন্য যে পুরুষ তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে। সুতরাং সাধ্বী স্ত্রীরা অনুগতা এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে আল্লাহ যা সংরক্ষিত করেছেন তা হেফাজত করে। স্ত্রীদের মধ্যে যাদের অবাধ্যতার আশঙ্কা করো তাদের সদুপদেশ দাও, তারপর তাদের শয্যা বর্জন করো এবং তাদের (মৃদু) প্রহার করো। যদি তারা তোমাদের অনুগত হয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো পথ অন্বেষণ কোরো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহান, শ্রেষ্ঠ। তাদের উভয়ের মধ্যে বিরোধ আশঙ্কা করলে তোমরা তার (স্বামী) পরিবার থেকে একজন এবং তার (স্ত্রী) পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে। তারা উভয়ে নিষ্পত্তি চাইলে আল্লাহ তাদের মধ্যে মীমাংসার অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবিশেষ অবহিত।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৩৪-৩৫)



স্বামী অভিভাবক : উল্লিখিত আয়াতে নারীর ওপর পুরুষের কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে অভিভাবক হিসেবে, পরিবারের ব্যবস্থাপক হিসেবে। নতুবা স্বামীর ওপর ও সংসারে নারীরও বিধিবদ্ধ অধিকার রয়েছে। সুতরাং স্বামী কর্তৃত্ববাদী ও স্বৈরাচারী আচরণ করবে না। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নারীদের তেমনি ন্যায়সংগত অধিকার আছে, যেমন আছে তাদের ওপর পুরুষদের; কিন্তু নারীদের ওপর পুরুষদের মর্যাদা আছে। আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২২৮)



যে দুই গুণের অভাবে কলহ সৃষ্টি হয় : আলোচ্য আয়াতে আল্লাহ আদর্শ স্ত্রীর দুটি গুণ উল্লেখ করেছেন। তা হলো, স্বামীর আনুগত্য এবং স্বামীর অনুপস্থিতিতে সতীত্ব রক্ষা করা। বিবাদসংক্রান্ত আয়াতে এই দুটি গুণের উল্লেখ করার মাধ্যমে আল্লাহ এ ইঙ্গিতই করছেন যে বেশির ভাগ দাম্পত্য কলহের পেছনে অবাধ্যতা ও অনৈতিকতাই দায়ী। অবশ্য ইসলাম নারী-পুরুষ উভয়কেই অনৈতিকতা পরিহারের নির্দেশ দিয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘মুমিন পুরুষদের বলো তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে। ...মুমিন নারীদের বলো তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে।’ (সুরা নুর, আয়াত : ৩০-৩১)



সংশোধনের জন্য করণীয় : স্ত্রীর ভেতর শরিয়তবিরোধী কোনো বিষয় দেখা দিলে, যা নিয়ে দাম্পত্য জীবন যাপন করা সম্ভব নয়, স্বামী তাকে সংশোধনের চেষ্টা করবে। সে প্রথমে তাকে সদুপদেশ দেবে। তাতে ঠিক না হলে বিছানা পৃথক করবে এবং তাতেও কাজ না হলে মৃদু প্রহার করতে পারবে। কোরআনের বর্ণনাভঙ্গি থেকে স্পষ্ট হয় যে স্বামী শুধু অপারগতার সময় স্ত্রীকে মৃদু আঘাত করতে পারবে এবং তা অবশ্যই প্রশংসনীয় কোনো বিষয় নয়; বরং ইসলাম স্ত্রীদের প্রতি সদাচরণে উদ্বুদ্ধ করেছে।

ইমাম জাসসাস (রহ.) মৃদু প্রহারের জন্য তিনটি শর্তের কথা বলেছেন। তা হলো, এক. রাগ, ক্ষোভ বা প্রতিশোধের জন্য আঘাত করবে না; বরং স্ত্রীর জন্য কল্যাণকামী হিসেবে সংশোধনের উদ্দেশ্যে শাসন করবে।

দুই. সদুপদেশ ও বিছানা ত্যাগের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেই শুধু মৃদু আঘাত করা যাবে।

তিন. স্ত্রীর চেহারা ও স্পর্শকাতর অঙ্গে আঘাত করতে পারবে না। এমন আঘাত করবে না যাতে ক্ষত তৈরি হয়, অঙ্গহানির শঙ্কা তৈরি করে বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করে। তাকে শুধু মৃদু আঘাত করারই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। (আহকামুল কোরআন লিল-জাসসাস : ৩/১৫)

আল্লামা আশরাফ আলী থানভি (রহ.) মৃদু আঘাতের সংজ্ঞায় বলেছেন, ‘যে আঘাতে শরীরে কোনো দাগ বা চিহ্ন পড়ে না।’ (তালিমুদ্দিন)



বিবাদ নিরসনে দুই পরিবারের প্রচেষ্টা : মান-অভিমান ও বিবাদের সময় স্বামী ও স্ত্রীর ভেতর স্বাভাবিক চিন্তাশক্তি, বিবেক ও বোধ লোপ পেতে পারে। তারা রাগের বশবর্তী হয়ে কল্যাণের দিকগুলো উপেক্ষা করতে পারে। তাই ইসলাম বিবাদ নিরসনে দুই পরিবারের অংশগ্রহণের কথা বলেছে। ফকিহরা বলেন, সালিস হিসেবে এমন ব্যক্তিদের নিযুক্ত করতে হবে, যারা বাস্তববাদী, দূরদর্শী, হিতাকাঙ্ক্ষী, স্থির বুদ্ধিসম্পন্ন; যারা স্বামী বা স্ত্রীর কথা দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে বিচারকার্য সম্পাদনের সামর্থ্য রাখে। যদি উভয়পক্ষের ‘সালিস’ কল্যাণকামী ও সমাধান প্রত্যাশী হয়, তবে আল্লাহ তাদের সমাধানের পথপ্রদর্শন করবেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তারা উভয়ে নিষ্পত্তি চাইলে আল্লাহ তাদের মধ্যে মীমাংসার অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবিশেষ অবহিত।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৩৫)



কলহপূর্ণ দাম্পত্য ভেঙে দেওয়ার অবকাশ : কলহপূর্ণ দাম্পত্য জীবন বয়ে বেড়ানোর পরিবর্তে কখনো কখনো তা ভেঙে দেওয়া উত্তম। যদি কোনোভাবে স্বামী-স্ত্রীর ভেতর বোঝাপড়া তৈরি করা না যায় এবং পরস্পরের প্রতি সন্তুষ্ট হতে না পারে, তবে ইসলাম অসুখী দাম্পত্য জীবন অবসানের অবকাশ দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এক ব্যক্তি স্ত্রীর ঝগড়া-বিবাদের অভিযোগ করে। সে মূলত স্ত্রীকে প্রহারের অনুমতি চাইছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে প্রহারের অনুমতি না দিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের পরামর্শ দেন। প্রখ্যাত তাবেয়ি আতা ইবনে রাবিআ (রহ.) বলেন, ‘স্ত্রী যদি স্বামীর আদেশ-নিষেধ অমান্য করে তবু সে তাকে প্রহার না করে তার ওপর রাগ প্রকাশ করবে।’ কাজি ইবনুল আরাবি (রহ.) এ মতামতকে বেশি গ্রহণযোগ্য ও প্রজ্ঞাপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন। (আহকামুল কোরআন লি-ইবনিল আরাবি : ১/৫৩৬)



বিয়েবিচ্ছেদে নারীর অধিকার : ইসলামী শরিয়তে নারীকে ‘খুলআ’, তালাকে তাফবিজ ও আদালতের মাধ্যমে বিয়েবিচ্ছেদের দাবি জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। খুলআ হলো স্ত্রীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার বিয়েবিচ্ছেদের সমঝোতা বা চুক্তি। তালাকে তাফবিজ হলো স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক অধিকার দান। স্ত্রী যদি বৈবাহিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে অনাগ্রহী হয় তবে সে খুলআ ও তালাকে তাফবিজের অধিকার প্রয়োগ করবে। আর স্বামী যদি আপসে তালাক দিতে বা তালাকের অধিকার প্রদানে অস্বীকৃতি জানায় তখন স্ত্রী ইসলামী রাষ্ট্রের আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবে। (আল-ফিকহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহু, তালাক ও খুলআ অধ্যায়)

লেখক : সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা

কথা গুলো বাস্তব।বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয় ৷ কালি ফুরিয়ে গেলে কলমটাও আবর্জনার ঝুড়িতে জমা হয়। বাসি হয়ে গেলে প...
13/09/2021

কথা গুলো বাস্তব।

বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয় ৷
কালি ফুরিয়ে গেলে কলমটাও আবর্জনার ঝুড়িতে জমা হয়। বাসি হয়ে গেলে প্রিয়জনের দেয়া ফুলটাও পরদিন ডাস্টবিনে পাওয়া যায়।

পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সত্য হলো আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন মনে রাখবে না। জীবনের সবচেয়ে নিদারুণ বাস্তবতা হলো, কার কাছে আপনি কতদিন প্রায়োরিটি পাবেন, সেটা নির্ভর করবে কার জন্য কতদিন কিছু একটা করার সামর্থ্য আছে তার উপর।

এই বাস্তবতা আপনি মানলেও সত্যি, না মানলেও সত্যি। আজ সকালে যে পত্রিকার দাম ১০ টাকা, একদিন পর সে একই পত্রিকার ১ কেজির দাম ১০ টাকা। হাজার টাকা খরচ করে একাডেমিক লাইফে বছরের শুরুতে যে বইগুলো গুরুত্ব দিয়ে কিনেন, বছর শেষে সেই বইগুলোই কেজি মাপে বিক্রি করে দেন।

সময় ফুরিয়ে গেলে এভাবেই মূল্য কমতে থাকে সবার, সবকিছুর। আমরা আপাদমস্তক স্বার্থপর প্রাণী। ভিখারিকে ২ টাকা দেয়ার আগেও মানুষ চিন্তা করে কতটুকু পূণ্য অর্জন হবে। বিনা স্বার্থে কেউ ভিক্ষুককেও ভিক্ষা দেয় না৷

এতকিছুর পরও চলুন একটু হেসে কথা বলি।
রাগটাকে কমাই। অহংকারকে কবর দেই।
যদি সুখী হতে চান তবে প্রত্যাশা কমান।

আপনি কারো জন্য কিছু করে থাকলে সেটা চিরতরে ভুলে যান। কারণ সেটা যতদিন আপনি মনে রাখবেন ততদিন সেটা আপনাকে অহংকারী করে তুলবে।

আবার কেউ যদি আপনার জন্য খুব ছোট কিছুও করে থাকে, তবে সেটা আজীবন মনে রাখবেন। কারণ এটা আপনাকে বিনয়ী ও কৃতজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ভালো মানুষ হিসেবে বাঁচিয়ে রাখবে।

পেয়ারার ৮ উপকারিতাউপকারিতা:১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিপেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ...
30/08/2021

পেয়ারার ৮ উপকারিতা
উপকারিতা:

১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি প্রদান করে।

২। ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস

পেয়ারাতে লাইকোপিন, ভিটামিন সি, কোয়ারসেটিন এর মত অনেকগুলো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা শরীরের ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে। এটি প্রোসটেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৩। হার্ট সুস্থ রাখতে

১৯৯৩ সালে “Journal of Human Hypertension” এ প্রকাশিত হয় যে নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্ত চাপ ও রক্তের লিপিড কমে। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ভিটামিন সি রয়েছে। পটাশিয়াম নিয়মিত হৃদস্পন্দনের এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ভাবে লাইকোপিন সমৃদ্ধ গোলাপি পেয়ারা খেলে কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমায়।

৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে

চাইনিজ চিকিৎসা শাস্ত্ররে অনেক বছর ধরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা ব্যবহার হয়ে আসছে। ১৯৮৩ সালে American Journal of Chinese Medicine প্রকাশ করেন যে, পেয়ারার রসে থাকা উপাদান ডায়াবেটিস মেলাইটাসের চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে পেয়ারা পাতাও বেশ কার্যকর। কচি পেয়ারা পাতা শুকিয়ে মিহি গুঁড়ো করে ১ কাপ গরম পানিতে ১ চা চামচ দিয়ে ৫ মিনিট ঢেকে রেখে তারপর ছেঁকে নিয়ে পান করতে পারেন প্রতিদিন।

৫। ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে

বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত সমস্যা যেমন ব্রংকাইটিস সারিয়ে তুলতে ভূমিকা রাখে পেয়ারা। উচ্চ পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন সি থাকায় এটি শ্লেষ্মা কমিয়ে দেয়। তবে কাঁচা পেয়ারা ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে কার্যকর।

৬। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

পেয়ারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৭। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে

ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন এ কর্নিয়াকে সুস্থ রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেয়ারা রাখুন। কাঁচা পেয়ারা ভিটামিন এ এর ভাল উৎস।

৮।মাসিকের ব্যাথা নিরাময়

অনেক নারীরই মাসিককালিন পেট ব্যাথা হয়।এ সময় অনেকেই ব্যাথার ঔষধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু এ সময় পেয়ারার পাতা চিবিয়ে বা রস খেলে মাসিককালিন ব্যাথা থেকে অধিকতর দ্রুত উপসম পাওয়া যায়।

মানবদেহের সুস্থতায় শসা নানাভাবে কাজ করে।হজমে সহায়তা: শসার ভিটামিন, খাদ্য আঁশ এবং পানি খাবার হজমে সাহায্য করে। প্রতিদিন শ...
30/08/2021

মানবদেহের সুস্থতায় শসা নানাভাবে কাজ করে।
হজমে সহায়তা: শসার ভিটামিন, খাদ্য আঁশ এবং পানি খাবার হজমে সাহায্য করে। প্রতিদিন শসা খাওয়া হলে পাচনতন্ত্র সুস্থ থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়।

হাড় মজবুত করে: শসাতে আছে ভিটামিন কে এবং ক্যালসিয়াম যা হাড় মজবুত রাখে। ভিটামিন কে হাড়ের ক্ষয়ের ঝুঁকি কমাতে এবং ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে।

হৃদযন্ত্রের সুস্থতা: শসাতে আছে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন কে। এই তিনটি উপাদান হৃদযন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করতে সাহায্য করে। ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম গ্রহণের মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। নিয়মিত শসা খাওয়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ভিটামিন কে রক্ত জমাট বাঁধা এবং রক্তে ক্যালসিয়াম প্রবাহের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

চুল ও নখের উন্নতি: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে শরীর সুস্থ থাকবে এবং এর প্রভাব দেখা যাবে চুল ও নখে।

আর্দ্রতা রক্ষা: শসার ৯৫ শতাংশই পানি যা শরীর আর্দ্র রাখতে ও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত পানি পানের কথা ভুলে গেলেও প্রতিদিন শসা খাওয়া হতে পারে উপকারী।

হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা: শসাতে আছে ফসফরাস যা হরমোন নিয়ন্ত্রণকারী মূল পুষ্টি উপাদান। শসাতে প্রায় চার শতাংশ ফসফরাস থাকে যা প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রয়োজন। ভালো ফলাফলের জন্য প্রতিদিনের খাবার তালিকায় শসা রাখুন।

মানসিক চাপ কমায়: ভিটামিন বি ওয়ান, ভিটামিন বি ফাইভ এবং ভিটামিন বি সেভেন শসাতে পাওয়া যায়। যা উদ্বেগ ও চাপ কমাতে সাহায্য করে।

ত্বক কোমল ও উজ্জ্বল করে: এর ঠাণ্ডা ও আর্দ্র রাখার উপাদান মলিন ও শুষ্ক ত্বক সতেজ করতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন বি-নায়াসিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি এবং জিংক ত্বকের উজ্জ্বলতা রক্ষা করে। বিউটি ক্রিমের বদলে নিয়মিত শসা খাওয়া ত্বক উজ্জ্বল করতে সহায়ক।

22/02/2021

মন্দ লোক অন্যদের সর্ম্পকে ভালো ধারনা করতে পারে না '
সর্বোচ্চ সে তাদের কে ও নিজের মতো মনে করে '
__ হযরত আলী ( রা )

22/02/2021

যে নারী স্বামীকে সন্তুষ্টি রেখে মৃত্যু বরণ করে,
সে অনায়াসে বেহেশতে প্রবেশ করবে ।
-- হযরত মুহাম্মদ {সঃ}

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Secret Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram