আর্য্ নিউজ Arja News

আর্য্ নিউজ Arja News Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আর্য্ নিউজ Arja News, Meditation Center, gumanmordan Hathazari, Chittagong.

"চতুরার্য সত্যের সন্ধানে,নির্বাণের পথে।পরমপূজ্য অর্হৎ আরিয়া ভান্তের নির্দেশনায় বিশুদ্ধ বুদ্ধ ধর্মে(পেইজটি সম্পুর্ন এডমিন প্যানেলদ্বারা পরিচালিত,পরমপূজনীয় অর্হৎ আরিয়া ভান্তের সাথে পেজের কোন সম্পৃক্ততা নেই,আমরা ত্রিপিটকের আলোকে রেফারেন্স দিয়ে কথাবলি❤️🕊)

আমাকে আইসিটি মামলা ও পুলিশের ভয় দেখাচ্ছে প্রমোদ রঞ্জন বড়ুয়া শীলা নন্দ ভিক্ষুর ভক্ত ।যে কারণে তারা রাগ করছেন তার সব প্...
30/04/2026

আমাকে আইসিটি মামলা ও পুলিশের ভয় দেখাচ্ছে প্রমোদ রঞ্জন বড়ুয়া শীলা নন্দ ভিক্ষুর ভক্ত ।যে কারণে তারা রাগ করছেন তার সব প্রমাণ নিচের লেখাগুলোতে ছবিতে।
😭 কিন্তু দুঃখের বিষয় কিছুক্ষণ পরই তারা সে কমেন্ট কেটে দিয়ে এখন বলছেন আমাকে সুযোগ দিয়েছেন শেষ বারের মত। তাদের গুরু যেমন মিথ্যাবাদী তেমন ভক্তরাও মিথ্যাবাদী ভন্ড।

উত্তর:

Pramode Ranjan Barua কিরে ভাই আপনি পাগল নাকি?
ওনি জ্ঞানী হয়েছেন ওনার জ্ঞানের কথা আমরা শুনতে চাচ্ছি।
আপনার এত জ্বলছে কেন?
এখানে তো খারাপ কিছু বলি নাই
আপনি এরকম করছেন কেন?

Pramode Ranjan Barua তাহলে তো ভালো হবে,লেজ টানলে মাথা আসবে,এত অভিমান না করে ধর্ম কথা গুরুর মুখ থেকে শুনতে চাই বৌদ্ধ জনগণ কিন্তু তা না শুনিয়ে মামলার ভয় দেখানো হচ্ছে। আপনি যে এগুলো বলছেন শীলা নন্দ ভান্তের থেকে অনুমতি নিবেন আগে তার পর আসিয়েন। কারণ কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ 🐍 বের হলে আমাদের কিছুই করার থাকবে না। উল্টো আপনি যার হয়ে লড়ছেন ফেসবুকে তাদের খুঁটির জোর আছে কিনা পরীক্ষা করে দেখুন আগে তার পর সবকিছু করেন, সেটাই ভালো হবে।আমরা লড়ছি সত্যের পক্ষে, ন্যায়ের পক্ষে, ধর্মের পক্ষে, খুঁটির জোরে যিনি অর্হৎ আরিয়া ভান্তে তাঁর খুঁটির ওপর জোর করে, আর আপনি যাকে বিশ্বাস করে লড়ছেন তিনি বোবা অর্হৎ। সেখানে ধরা খাচ্ছেন প্রথমত। আমাদের একটাই কথা শেষ কথা কোন প্রমাণ ছাড়া কোন ব্যাখ্যা ছাড়া শীলা নন্দ ভিক্ষু মিথ্যা অর্হৎ লিখতে বলতে পারবেন না।আর যদি তা করেন আমরা বাধা হয়ে দাড়াবো অথবা অর্হৎ হলে অর্হৎ এর সাথে বসতে হবে মুখোমুখি হতে হবে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে নতুবা যিনি অর্হৎ প্রকাশ করেছেন তাঁকে আপনাদের মিথ্যা অর্হৎ বাঁধা দিতে হবে কারণ দুইজনের মধ্যে কে সত্য কে মিথ্যা এটা জনসমক্ষে প্রমাণিত হোক,আর তার কিছুই না করে ফেসবুকে লাফালাফি করে লাভ নেই।আরিয়া ভান্তের প্রশ্নের উত্তর দিতে বলবেন আপনার মিথ্যা অর্হৎ কে আর না হয় আরিয়া ভান্তের বিরুদ্ধে একশন নিতে বলেন যে কোন ধরনের যেহেতু তিনি মিথ্যা অর্হৎ ঘোষণা করেছেন শীলা নন্দ ভিক্ষুকে। প্রয়োজনে মামলা করতে বলেন।এই পর্যন্ত মামলা হামলা সব করেছেন, ব্যর্থ হয়েছেন, ভিক্ষু সংঘ লাগিয়ে দিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। সবকিছু করে চেষ্টা করেছেন। একজন আর্য পুরুষের সাথে না পেরে এখন আবার মানুষ কে শোনাচ্ছেন আইসিটি মামলা করবো,হায়রে অভিনয়। শুধু আইসিটি নয় সব কিছু করে এখন বোবা হয়ে বসে আছেন আর ফেসবুকে মিথ্যা অর্হৎ নিয়ে লাফালাফি।

ধর্মীয় লেবাস ও বিশ্বাসের গোলকধাঁধা: কামিনী দেওয়ানের সেই ১৫ টাকা বনাম আজকের অর্হৎ-বিলাস​লিখেছেন: [সাংবাদিক বি কে বড়ুয়া]...
29/04/2026

ধর্মীয় লেবাস ও বিশ্বাসের গোলকধাঁধা: কামিনী দেওয়ানের সেই ১৫ টাকা বনাম আজকের অর্হৎ-বিলাস

​লিখেছেন: [সাংবাদিক বি কে বড়ুয়া]

​ইতিহাসের ধুলো ঝাড়লে মাঝেমধ্যে এমন কিছু গল্প বেরিয়ে আসে, যা বর্তমানের আয়না হয়ে দাঁড়ায়। শ্রদ্ধেয় বনভন্তের মুখে শোনা একটি সত্য ঘটনা দিয়ে শুরু করি। ব্রিটিশ আমল। পাহাড়ে হাহাকার, এক আড়ি ধানের দাম ১৫ টাকা! সেই চরম দুর্দিনে ত্রাতা হয়ে এলেন এক মারমা ভিক্ষু। মুখে অমায়িক হাসি, কথায় শাস্ত্রের তেজ। তিনি প্রস্তাব দিলেন বার্মা থেকে সস্তায় ধান আনার। পাহাড়ের ধীমান ব্যক্তিত্ব কামিনী দেওয়ান পর্যন্ত সেই ‘ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের’ ওপর আস্থা রাখলেন। বিশ হাজার টাকা নিয়ে সেই ভান্তে উধাও হলেন, আর ফিরলেন না। চতুর কামিনী দেওয়ান আক্ষেপ করে বলেছিলেন, “কলকাতা-চট্টগ্রামের ঝানু ব্যবসায়ীরা আমাকে ঠকাতে পারেনি, অথচ এক ভান্তের কাছে আমি হেরে গেলাম!”

​কামিনী দেওয়ান সেদিন হেরেছিলেন বুদ্ধির অভাবে নয়, বরং ‘অন্ধ ভক্তি’ আর ‘ধর্মীয় লেবাসের’ প্রতি আমাদের চিরন্তন দুর্বলতার কারণে। আজ কয়েক দশক পর পার্বত্য চট্টগ্রামে সেই একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে কি? তবে এবার ধানের বদলে কারবার হচ্ছে ‘নির্বাণ’ আর ‘অর্হত্ত্ব’ নিয়ে।

​অর্হত্ত্ব কি সস্তা কোনো পদবি?

​বর্তমানে ফেসবুকে আর চায়ের টেবিলে যেভাবে ‘অর্হৎ’, ‘ষড়ভিজ্ঞ’ বা ‘প্রতিসম্ভিদাপাত্ত’ তকমা বিলি করা হচ্ছে, তাতে মনে হয় নির্বাণ বুঝি হাতের মোয়া! অথচ ভগবান বুদ্ধ মজঝিম নিকায়ের ‘রথবিনীত সূত্তে’ শীল থেকে প্রজ্ঞা পর্যন্ত সাতটি বিশুদ্ধির ধাপ অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। সেখানে কোথাও বলা নেই যে, বাগ্মিতা বা বাহ্যিক আচার দেখেই কাউকে অর্হৎ মেনে নিতে হবে।
​বিনয় পিটকের ‘পারাজিকা পালি’ অনুযায়ী, নিজের মধ্যে উত্তরীমনুষ্য ধর্ম (অলৌকিক গুণ) না থাকা সত্ত্বেও যদি কেউ তা দাবি করে, তবে সে ভিক্ষুত্ব হারায়। অথচ আমরা দেখছি, একদল মানুষ না বুঝেই কাউকে অর্হৎ বানিয়ে দিচ্ছে, আবার কেউ কেউ প্রতিকূলতার দোহাই দিয়ে নিজের ‘অর্হত্ত্ব’ প্রকাশ করছেন। প্রশ্ন হলো—যিনি সত্যই অর্হৎ, তাঁর কি কোনো প্রমাণের প্রয়োজন আছে? চন্দন কাঠকে কি চিৎকার করে বলতে হয় সে সুগন্ধি?

​যুক্তি বনাম অন্ধভক্তি,ত্রিপিটিকের কষ্টিপাথর:

​আজকাল কিছু ভক্ত ও ভিক্ষু মিলে শীলানন্দ ভিক্ষু বা অন্য কাউকে অর্হৎ প্রমাণের জন্য আদাজল খেয়ে নেমেছেন। তাদের যুক্তি অনেকটা সেই বার্মার ধানের মতো—শুনতে ভালো, কিন্তু গুডু (নৌকা) আর ঘাটে পৌঁছায় না।

​বুদ্ধ ‘কালাম সূত্তে’ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন:

​"কেবল পরম্পরাগত বিশ্বাসে কিছু গ্রহণ করো না, কেবল নিজের গুরু বা শ্রদ্ধেয় কেউ বলেছেন বলেই তা ধ্রুব সত্য মনে করো না। নিজে বিচার করো, প্রজ্ঞা দিয়ে যাচাই করো।"
​যারা ফেসবুকের কমেন্ট বক্সে তর্কে লিপ্ত হচ্ছেন, তাদের প্রতি প্রশ্ন—আপনারা কি ত্রিপিটকের মানদণ্ডে সেই সব ভিক্ষুদের যাচাই করেছেন? নাকি কেবল ‘ভান্তে’ লেবাস দেখেই কামিনী দেওয়ানের মতো ২০ হাজার টাকার বাজি ধরছেন?

​আলোচনার মঞ্চ বনাম ফেসবুকের যুদ্ধ:

​যিনি নিজেকে অর্হৎ দাবি করছেন, তাঁর উচিত সাহসের সাথে প্রাজ্ঞ ভিক্ষুসংঘ ও ত্রিপিটক বিশারদদের মুখোমুখি হওয়া। মহাসতিপটঠান সূত্ত বা ধম্মচক্কপ্পবত্তন সূত্তের নিগূঢ় তত্ত্বের ওপর যখন আলোচনা হবে, তখনই বেরিয়ে আসবে কার প্রজ্ঞা কতটা গভীর। অন্ধের মতো অনুকরণ করা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা নয়। বিনয় বহির্ভূতভাবে কাউকে ‘অনু-বুদ্ধ’ বা ‘প্রজ্ঞা প্রধান’ ঘোষণা করা প্রকারান্তরে শাসন ধর্মের অবমাননা।

​সাবধান! বিশ্বাসের ফাঁদ পাতা ভুবনে:

​পরিশেষে বলি, শ্রদ্ধা মহৎ গুণ, কিন্তু সেই শ্রদ্ধা যখন ‘বিচক্ষণতাহীন’ হয়, তখন তা বিষে পরিণত হয়। বনভন্তের সেই গল্পের ভান্তে যেমন ধানের নাম করে টাকা চুরি করেছিলেন, আজকের কিছু ছদ্মবেশী আধ্যাত্মিক ব্যবসায়ী আপনাদের ‘ভক্তি’ চুরি করে নিজেদের অহংকারের সাম্রাজ্য গড়ছে।

​আসুন, আমরা সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা প্রচার বন্ধ করি। সত্যকারের অর্হৎ ভিক্ষু হলে তাঁর সান্নিধ্যে গেলেই চিত্ত প্রশান্ত হবে, তাঁর মুখনিসৃত বাণীতে ত্রিপিটকের নির্যাস থাকবে। আসুন, হুজুগে না মেতে বুদ্ধের সেই কালজয়ী বাণীর স্মরণ নিই— “অত্ত দীপো ভব” (নিজের প্রজ্ঞার আলোয় নিজেকে বিচার করো)।
​ভুলে যাবেন না, কামিনী দেওয়ান ঠকার পর আক্ষেপ করেছিলেন। আমরা কি সেই আক্ষেপের অপেক্ষায় থাকব, নাকি আজই প্রজ্ঞার প্রদীপ জ্বালাবো?

​শিক্ষা: অন্ধ ভক্তি বিনাশের পথ, আর বিচারশীল শ্রদ্ধা নির্বাণের পথ।

লেখক: সাংবাদিক বি কে বড়ুয়া

29/04/2026

I got over 700 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

21/04/2026

কর্মফল ভোগ করতে হয়,নরক যন্ত্রণা ভয়াবহ #অর্হৎ #বৌদ্ধ_সমাজের_কাছে_প্রশ্ন Rine Barua

কেশমুক্ত গ্রামে বুদ্ধের আগমন  ----------  এক সময় বুদ্ধ কোশল রাজ্যে সফরে বেরিয়েছিলেন মহা ভিক্ষুসঙ্ঘ সহকারে। চলতে চলতে তার...
21/04/2026

কেশমুক্ত গ্রামে বুদ্ধের আগমন
----------
এক সময় বুদ্ধ কোশল রাজ্যে সফরে বেরিয়েছিলেন মহা ভিক্ষুসঙ্ঘ সহকারে। চলতে চলতে তারা পৌঁছলেন কেশমুক্ত নামক কালামদের এক গঞ্জগ্রামে। এই কালামরা ছিল ক্ষত্রিয়। তারা শুনল বুদ্ধ নাকি তাদের গ্রামে পৌঁছেছেন। তাই তারা যেখানে বুদ্ধ ছিলেন সেখানে গিয়ে উপস্থিত হল; উপস্থিত হয়ে কেউ কেউ বুদ্ধকে অভিবাদন করে একপাশে বসল, কেউ কেউ ভগবানের সাথে শুভেচ্ছালাপ করল, যথোচিত শুভেচ্ছামূলক কথা বিনিময় করে একপাশে বসল, কেউ কেউ যেদিকে ভগবান ছিলেন সেদিকে হাত জোড় করে প্রণাম করে একপাশে বসল, কেউ কেউ নাম গোত্র শুনিয়ে একপাশে বসল, কেউ কেউ নিরব হয়ে একপাশে বসল। একপাশে বসে তারা বুদ্ধকে এটা বলল -

ভান্তে কোনো কোনো শ্রমণ ব্রাহ্মণ কেশমুক্তে আসেন। তারা নিজেরই মতবাদকে ঘোষণা করেন, প্রচার করেন, অপরের মতবাদকে কিন্তু খোঁচান, অবজ্ঞা করেন, কটুক্তি করেন, উড়িয়ে দেন। ভান্তে, অন্যও কোনো কোনো শ্রমণ ব্রাহ্মণ কেশমুক্তে আসেন। তারাও নিজেরই মতবাদকে ঘোষণা করেন, প্রচার করেন, অপরের মতবাদকে কিন্তু খোঁচান, অবজ্ঞা করেন, কটুক্তি করেন, উড়িয়ে দেন। ভান্তে, তাদের নিয়ে আমাদের সন্দেহই হয়, সংশয়ই হয়, -

"এই মাননীয় শ্রমণ ব্রাহ্মণদের মধ্যে কে সত্য বলছে, কে মিথ্যা বলছে?"

কেন তারা এমন দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল? অর্থকথা বলছে, তাদের গ্রামটা ছিল এক গহীন বনের মুখে। খুব সম্ভবত সেই বনের মধ্য দিয়ে লম্বা পথ পাড়ি দিতে হতো। তাই বনে প্রবেশের আগে এবং বন থেকে বেরোনোর পরে লোকজন সেই গ্রামে রাত কাটাত। তখন প্রায়ই তাদের এমন ধর্মগুরুদের দেশনার খপ্পরে পড়তে হতো। বিভিন্ন ধর্মগুরুর বিভিন্ন ধরনের দেশনা শুনে তারা দিশেহারা হয়ে যেত। তারা বুঝতে পারত না কার কথা ধরবে। একারণেই তারা বুদ্ধকে তাদের সেই সন্দেহের কথা জানিয়েছে।

বুদ্ধের যুক্তিবাদী নয়, বরং বাস্তববাদী উত্তর
-------------
বুদ্ধ তখন বললেন, "হে কালামগণ, আপনাদের সন্দেহ হওয়ারই কথা, সংশয় হওয়ারই কথা। সন্দেহযোগ্য বিষয়েই আপনাদের সন্দেহ উৎপন্ন হয়েছে।"

এরপর তিনি সেই বিখ্যাত উক্তিটি করলেন, যেটা তিনি কেবল এই সুত্রে নয়, আরো অন্তত দুটো সুত্রে বলেছেন। সেগুলোর পটভূমিও এখান থেকে ভিন্ন ভিন্ন। আমি সেগুলো নিয়ে পরবর্তীতে লিখব। কিন্তু আগে আসুন দেখা যাক এখানে বুদ্ধ কী বলেছেন। তিনি কালামাদেরকে বললেন -

আসুন কালামগণ, আপনারা শোনাকথায় নয়, পরম্পরায় নয়, এমন নাকি বলে নয়, পিটক সম্প্রদানের মাধ্যমে নয়, চিন্তার খাতিরে নয়, যুক্তির খাতিরে নয়, কারণ চিন্তা করে নয়, দৃষ্টিভঙ্গির বিবেচনায় মেলে বলে নয়, যোগ্য চেহারার বলে নয়, আমাদের গুরুভান্তে বলে নয়।

হে কালামগণ, যখন আপনারা নিজেরাই জানবেন - "এই বিষয়গুলো খারাপ, এই বিষয়গুলো দোষাবহ, এই বিষয়গুলো বিজ্ঞজনের নিন্দনীয়, এই বিষয়গুলো সম্পাদিত হলে, গৃহীত হলে অহিতের দিকে, দুঃখের দিকে নিয়ে যায়", তখন হে কালামগণ, আপনারা পরিত্যাগ করবেন।
#অর্হৎ

Ten Insightful Facts About Buddhist Special Day 1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was establish...
19/04/2026

Ten Insightful Facts About Buddhist Special Day 1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was established in 1916 in Munich, Germany, initially manufacturing aircraft engines. The company subsequently transitioned to motor

🛑 নির্বাণ: অস্পৃশ্য বাতাসের মহাগীতপরম পূজনীয় আর্যশ্রাবক ত্রিবিদ্যা অর্হৎ আরিয়া ভান্তে জনসমুদ্রের তুলনা দিয়ে বললেন, সম...
17/04/2026

🛑 নির্বাণ: অস্পৃশ্য বাতাসের মহাগীত

পরম পূজনীয় আর্যশ্রাবক ত্রিবিদ্যা অর্হৎ আরিয়া ভান্তে জনসমুদ্রের তুলনা দিয়ে বললেন, সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকলে হাজার বছরের পরম প্রশান্তি জেগে ওঠে মানুষের হৃদয়ে। তিনি বললেন— "তোমরা সঞ্চয় করো সেই জ্ঞান, যা সময়ের হাতে ধুলো হয় না। লোকোত্তর জ্ঞানই সেই পরশপাথর, যা জীবনের সব আর্তনাদকে নির্বাণের মৌনতায় রূপান্তর করে।"

নির্বাণ কী?

নির্বাণ কোনো ভৌগোলিক গন্তব্য নয়, বরং হৃদয়ের এক পরম প্রশান্তি।
বাতাসের রূপক ও রাজা মিলিন্দের জিজ্ঞাসা

বহু শতাব্দী আগে, গ্রিক রাজা মিলিন্দ স্থবির নাগসেনকে প্রশ্ন করেছিলেন— "ভদন্ত, আপনি কি আমাকে নির্বাণ দেখিয়ে দিতে পারেন? এটি কি কোনো পাহাড়ের চূড়া না কি সমুদ্রের গভীর?"

স্থবির হেসেছিলেন, যেমন করে বসন্তের প্রথম আলো ফোটে। তিনি সুধালেন, "মহারাজ, বাতাস কি আছে?"

রাজা বললেন, "অবশ্যই আছে, সে তো আমার চারপাশ ঘিরে আছে।"
"তবে আমাকে তা দেখান," স্থবির বললেন।

রাজা নিথর হলেন, "ভান্তে, বাতাস তো ছোঁয়া যায় না, দেখা যায় না। তাকে কেবল ললাটে অনুভব করা যায়, যখন সে বনের পাতা কাঁপিয়ে বয়ে যায়।"

স্থবির তখন শান্ত স্বরে বললেন— "নির্বাণও ঠিক তেমনি। এটি প্রজ্ঞার মন্দিরে প্রজ্জ্বলিত সেই প্রদীপ, যা অবিদ্যা, তৃষ্ণা আর উপাদানের শিকল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসা মুক্ত আত্মাকে শীতল স্পর্শ দেয়। একে দেখিয়ে দেওয়ার সাধ্য কারো নেই; একে নিজের ভেতর জাগিয়ে তুলতে হয়।"

মুক্তির পথ: অবিদ্যা থেকে প্রজ্ঞা:

অবিদ্যা (Ignorance): যা আমাদের মায়ার জালে অন্ধ করে রাখে।
তৃষ্ণা (Craving): যে তৃষ্ণা মেটাতে গিয়ে আমরা আরও বেশি অতৃপ্ত হই।
উপাদান (Clinging): যা ধরে রাখার নেশায় আমাদের বন্দী করে।

এই ত্রয়ীর বিনাশেই ঘটে দুঃখের চিরন্তন অবসান। আরিয়া ভান্তের উদাত্ত আহ্বানে সেই সুরই ধ্বনিত হয়— কেবল বাহ্যিক শাস্ত্রপাঠ নয়, বরং নিজের ভেতরকার 'আমি'কে বিসর্জন দিয়ে সেই পরম সুখ অনুভব করো। কারণ, সত্য যখন অনুভূত হয়, তখন শব্দের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়।

"নির্বাণ হচ্ছে সেই শান্ত জলধি, যেখানে সব তৃষ্ণার ঢেউ এসে স্থির হয়ে যায়।"

#ত্রিবিদ্যা_অর্হৎ #আরিয়াভান্তে #বৌদ্ধ_সমাজের_কাছে_প্রশ্ন

বৌদ্ধ সমাজকে জাগ্রত হতে হবে।আরো একটি দলিল দিলাম, আপনারা গভীর ভাবে চিন্তা করলে বুঝতে পারবেন।অনু বুদ্ধের দেশনার বাণী গুলো ...
17/04/2026

বৌদ্ধ সমাজকে জাগ্রত হতে হবে।আরো একটি দলিল দিলাম, আপনারা গভীর ভাবে চিন্তা করলে বুঝতে পারবেন।

অনু বুদ্ধের দেশনার বাণী গুলো দেখেন কষ্ট করে। এখানে এগুলো কি লোকোত্তর দেশনা? নাকি উচ্চতর অভিধর্ম দেশনা? আমাকে একটু বলবেন প্লিজ কষ্ট করে 😭😭😭 শেয়ার করুন সবাইকে

👉কথিত #পটিসম্ভিদা_ষড়াভিজ্ঞ_অনুবুদ্ধ
#অর্হৎ দাবিদার

#শীলানন্দ_ভান্তে_বোবা_অর্হৎ সেজে বৌদ্ধ জাতিকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলতেছেন কেন?
👉কই গেল অর্হৎ এর গর্জন?
👉কই গেলো অর্হৎ এর শক্তি?
👉 কেন তিনি প্রকাশ করতে অক্ষম সংঘের নয় গুণ লোকোত্তর বিশ্লেষণ? কাকে দান দিলে মহাফল হয়?
👉কেন তিনি প্রকাশ করতে অক্ষম #লোকোত্তর_চতুরার্য_সত্যের সদ্ধর্ম দেশনা ?
শেয়ার করুন সবাইকে

👉কথিত  #পটিসম্ভিদা_ষড়াভিজ্ঞ_অনুবুদ্ধ  #অর্হৎ দাবিদার  #শীলানন্দ_ভান্তে_বোবা_অর্হৎ সেজে বৌদ্ধ জাতিকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফ...
17/04/2026

👉কথিত #পটিসম্ভিদা_ষড়াভিজ্ঞ_অনুবুদ্ধ
#অর্হৎ দাবিদার

#শীলানন্দ_ভান্তে_বোবা_অর্হৎ সেজে বৌদ্ধ জাতিকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলতেছেন কেন?
👉কই গেল অর্হৎ এর গর্জন?
👉কই গেলো অর্হৎ এর শক্তি?
👉 কেন তিনি প্রকাশ করতে অক্ষম সংঘের নয় গুণ লোকোত্তর বিশ্লেষণ? কাকে দান দিলে মহাফল হয়?
👉কেন তিনি প্রকাশ করতে অক্ষম #লোকোত্তর_চতুরার্য_সত্যের সদ্ধর্ম দেশনা ?

#বৌদ্ধ_সমাজের_কাছে_প্রশ্ন

Address

Gumanmordan Hathazari
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আর্য্ নিউজ Arja News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share