Dr.Promi Afrin Sweety

Dr.Promi Afrin Sweety safe pregnancy. Healthy mother- healthy baby.
:lets make the journey easier.

এপিসিওটমি বা সাইড কাটা থেকে দ্রুত সুস্থ হওয়ার কার্যকরী উপায়মায়ের জন্য প্রসবের পরবর্তী সময়টা অনেকেই একধরনের নতুন যাত্রা শ...
11/05/2026

এপিসিওটমি বা সাইড কাটা থেকে দ্রুত সুস্থ হওয়ার কার্যকরী উপায়
মায়ের জন্য প্রসবের পরবর্তী সময়টা অনেকেই একধরনের নতুন যাত্রা শুরু করার মতো। তবে, শারীরিকভাবে এ সময়ের কিছু অসুবিধাও হতে পারে, যার মধ্যে অন্যতম হলো এপিসিওটমি যে পদ্ধতিতে ডেলিভারির সময় জরায়ু থেকে শিশু বের হওয়ার জন্য যোনীর নিচের অংশে (পেরিনিয়ামে) একটি ছোট্ট কাটা দেওয়া হয়। এটি একটি চিকিৎসাগত পদ্ধতি যা অনেক সময় জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়। যদিও এটি অনেকের জন্য সাধারণ, তবুও এপিসিওটমির পরে সেরে ওঠার প্রক্রিয়া বেশ সময়সাপেক্ষ এবং কিছু যত্নের প্রয়োজন হয়।
এপিসিওটমির কাটার পর মা এবং শিশু উভয়ের সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ যত্ন নেয়া প্রয়োজন। কখনো কখনো, এই কাটা শুকাতে ধীরে ধীরে সময় লাগে এবং কিছু মায়েরা এটির কারণে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। তবে, সঠিক যত্ন ও চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে আপনি দ্রুত সুস্থ হতে পারবেন।
এখানে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব এপিসিওটমি পরবর্তী যত্ন নিয়ে, যাতে আপনি সুস্থ হতে সাহায্য করতে পারেন।

১. বিশ্রাম এবং শারীরিক চাপ কমানো
প্রথম কয়েক দিন, বিশ্রাম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শরীর যখন বিশ্রাম নেয়, তখন এর প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে। প্রসবের সময় শরীর অনেকটা ক্লান্ত হয়ে যায়, তাই অতিরিক্ত শারীরিক কাজ বা চাপ না দেওয়া উচিত। বিশেষ করে, মায়ের পেটের নিচের অংশে চাপ দিতে পারলে তা কাটা অংশে তীব্র ব্যথা বা ইনফেকশন সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্রাম নিন: যতটা সম্ভব মিষ্টি এবং শান্তিপূর্ণ অবস্থায় থাকুন।
বিরতি নিন: অতিরিক্ত হাঁটা, দৌড়ানো বা ভারী কিছু তোলা থেকে বিরত থাকুন।
বিশ্রামের সঙ্গে, সিট করার সময় কম্ফোর্টেবল সিট প্যাড বা পিলো ব্যবহার করুন। এর ফলে চাপ কমবে এবং কাটা জায়গায় কোনো অতিরিক্ত চাপ পড়বে না।
২. কাটা স্থানটি পরিষ্কার রাখা
এপিসিওটমি কাটার স্থানটি যত্ন নিয়ে পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। এই জায়গায় যেকোনো ধরনের ইনফেকশন এড়াতে নিয়মিত পরিষ্কার রাখা উচিত।
গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন: প্রতিদিন গরম পানি দিয়ে যোনী অঞ্চলে পরিষ্কার করুন। তবে সাবান বা অ্যালকোহলযুক্ত কোনও দ্রব্য ব্যবহার না করা ভালো, কারণ এগুলি ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক এবং সংবেদনশীল করতে পারে।
পানির ধারা ব্যবহারের চেষ্টা করুন: তীব্র ঝক্কি বা রগড়ানোর পরিবর্তে, পানি দিয়ে ধীরে ধীরে কাটা স্থানটি পরিষ্কার করুন।
৩. ঠাণ্ডা এবং গরম সেঁক
প্রথম কয়েক দিন, ঠাণ্ডা সেঁক ব্যথা এবং স্ফীতি (swelling) কমাতে সহায়ক হতে পারে। ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহারে যন্ত্রণা অনেকটাই কমে যায় এবং কাটা স্থানটি দ্রুত সুস্থ হতে সহায়ক হয়।
প্রথম ৩-৪ দিন ঠাণ্ডা সেঁক ব্যবহার করুন। একটি আলতোভাবে ঠাণ্ডা বরফের প্যাক কাটা অংশে কয়েক মিনিট ধরে রাখুন।
পরবর্তীতে, সেরে ওঠার জন্য গরম সেঁক ব্যবহার করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং দ্রুত সুস্থতা হবে। গরম পানির সেঁক কাটা অংশের আকার ও ত্বককে সুস্থ করে তোলে।
৪. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মলম বা ক্রিম ব্যবহার
অনেক সময় চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম বা মলম দেন, যা ত্বকে কোনো ইনফেকশন হওয়া আটকাতে সাহায্য করে। এই ধরনের মলমগুলো কাটা স্থানে মালিশ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
এপিসিওটমি পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শে মলম বা ক্রিম ব্যবহার করুন। এই মলমগুলি ত্বককে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে এবং ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে।
৫. প্রাকৃতিক তেল বা অ্যালোভেরা
কিছু প্রাকৃতিক উপাদান যেমন অ্যালোভেরা বা নারিকেল তেল কাটা স্থানে হালকাভাবে মালিশ করা যেতে পারে। তবে, এগুলোর ব্যবহারের আগে আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অ্যালোভেরা বা নারিকেল তেল কাটা স্থানে মৃদু করে লাগাতে পারেন, কারণ এগুলোর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে।
তবে, যদি আপনার ত্বকে এলার্জি বা অস্বস্তি সৃষ্টি হয়, তাহলে এর ব্যবহার বন্ধ করুন এবং চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
৬. সঠিক পুষ্টি গ্রহণ
দ্রুত সেরে ওঠার জন্য সঠিক পুষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিকর খাবার শরীরের সুস্থতা বাড়িয়ে দেয় এবং কাটা স্থানে দ্রুত আরোগ্য লাভে সহায়তা করে।
প্রোটিন (যেমন মাংস, ডাল, মৎস্য) এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার (যেমন ফল, সবজি, টমেটো, কমলা) খান।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন যাতে ত্বক আর্দ্র থাকে এবং শরীর সুস্থ থাকে।
৭. অতিরিক্ত শারীরিক চাপ থেকে বিরত থাকা
এপিসিওটমি কাটার পর, প্রথম কয়েক সপ্তাহ ভারী কিছু তোলা বা অতিরিক্ত শারীরিক চাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। এটি কাটা স্থানে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যা সেরে ওঠার প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়।
সিট করার সময় আরামদায়ক কোনো পিলো বা সিট প্যাড ব্যবহার করুন।
অতিরিক্ত কসরত বা ভারী বস্তু তোলার চেষ্টায় কাটা অংশে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
৮. কোন সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া
যদি কাটা স্থানে কোনো ধরনের অস্বস্তি, ব্যথা, বিষাক্ততা বা অস্বাভাবিক লালভাব দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিন। কোনো ধরনের সংক্রমণ বা জটিলতা ঘটলে, তা দ্রুত সমাধান করা উচিত।
যদি কাটা স্থান থেকে অতিরিক্ত রক্তপাত হয় বা গুরুতর ইনফেকশন হয়, চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি দেবেন।

এপিসিওটমি কাটার পর সুস্থ হয়ে উঠতে কিছু সময় প্রয়োজন, কিন্তু সঠিক যত্ন নিলে তা অনেক দ্রুত হতে পারে। নিয়মিত যত্ন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আপনার শরীরের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া অনেক সহজ হবে। এখানে উল্লেখিত সকল বিষয়গুলো অনুসরণ করলে আপনি এপিসিওটমি পরবর্তী সুস্থতার দিকে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারবেন।

সবাইকে অনুরোধ অযথা ছেলে /মেয়ে নাকি জানতে চেয়ে সম্মানিত চিকিৎসক কে বিব্রত না করি।আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই সবাই।
11/05/2026

সবাইকে অনুরোধ অযথা ছেলে /মেয়ে নাকি জানতে চেয়ে সম্মানিত চিকিৎসক কে বিব্রত না করি।আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই সবাই।

আলহামদুলিল্লাহ। আজকে অনেক দিন পর একটা (breech baby)উল্টো বাচ্চা নরমাল এ ডেলিভারি হলো। খুব ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। রোগি বাসায় চেষ...
26/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ। আজকে অনেক দিন পর একটা (breech baby)উল্টো বাচ্চা নরমাল এ ডেলিভারি হলো। খুব ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। রোগি বাসায় চেষ্টা করে হাসপাতালে এসেছিল।সিজারের পূর্ণ ব্যবস্থা রেডি রেখে তারপর নরমাল এ ট্রায়াল দেওয়া হয়েছে।রোগি সর্বাত্বক চেষ্টা করেছে নাহয় সম্ভব ছিল না।তবে এত ঝুঁকি নিয়ে নরমাল ডেলিভারি চেষ্টা না করাই ভাল।কারন বাচ্চা আটকে গিয়ে বাচ্চার সমস্যা হতে পারে।বাচ্চা উ-ল্টো থাকলে ব্যথা উঠার আগেই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

24/03/2026

আজ থেকে নিয়মিত চেম্বারে পাবেন আমাকে।
শনি,রবি,মংগল, বুধ
সকাল ১০-২টা,
@কেয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

11/03/2026

আগামীকাল ১২.৩.২৬
সকাল১১.০০-১.০০টা পর্যন্ত চেম্বারে দেখা করতে পারবেন।
কেয়ার হাসপাতাল সীতাকুণ্ড

28/02/2026

মায়ের গর্ভেই শিশুর গলায় নাড়ি পেঁচানো! এটা শুনলে অনেক মায়ের বুক কেঁপে ওঠে, মনে হয় বড় বিপদ! কিন্তু চিন্তা করবেন না—এটি খুবই সাধারণ এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় না।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটাকে বলা হয় “নুকাল কর্ড” (Nuchal Cord)। গবেষণা অনুসারে, প্রায় ২০–৩০% (কিছু স্টাডিতে ১৫–৩৫% পর্যন্ত) গর্ভাবস্থায় বা জন্মের সময় শিশুর গলায় একবার নাড়ি পেঁচানো থাকে। এটি অস্বাভাবিক কিছু নয়, বরং স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়ার অংশ।
কেন ভয়ের কিছু নেই?
🔹 গর্ভের শিশু ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নেয় না। অক্সিজেন পায় প্লাসেন্টা ও নাড়ির মাধ্যমে। তাই গলায় নাড়ি থাকলেও শ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে—এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।
🔹 নাড়ির ভেতরে ২টি ধমনী ও ১টি শিরা থাকে, যা Wharton's jelly নামের জেলির মতো সুরক্ষামূলক স্তরে ঘেরা। এটি চাপ পড়লেও রক্ত চলাচল সহজে বন্ধ হয় না।
🔹 শিশু গর্ভে নিয়মিত নড়াচড়া করে, যার ফলে অনেক সময় পেঁচানো নাড়ি নিজে থেকেই ঢিলে হয়ে যায় বা খুলে যায়।
তবে সতর্কতা অবশ্যই দরকার:
⚠️ যদি নাড়ি খুব টাইট হয়, একাধিকবার (২–৩ লুপ) পেঁচানো থাকে, বা রক্তপ্রবাহে বাধা পড়ে—তাহলে সমস্যা হতে পারে। এজন্য নিয়মিত আল্ট্রাসাউন্ড, ফেটাল হার্টবিট মনিটরিং ও ডাক্তারের পরামর্শ অত্যন্ত জরুরি।
সবচেয়ে ভালো খবর—অধিকাংশ শিশু গলায় নাড়ি পেঁচানো অবস্থাতেই স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেয়। ডেলিভারির সময় ডাক্তার সহজেই এটি খুলে দেন, এবং শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ থাকে।
ভয় নয়, সঠিক তথ্য জানুন। জ্ঞান মাকে শক্তিশালী করে! 💪❤️

27/02/2026
প্রসবব্যথা বা লেবার পেইন নিয়ে আমাদের মনে যে পরিমাণ ভয় থাকে, সেই তুলনায় এটি মোকাবিলা করার কৌশলগুলো নিয়ে আমরা খুব কম জানি।...
10/02/2026

প্রসবব্যথা বা লেবার পেইন নিয়ে আমাদের মনে যে পরিমাণ ভয় থাকে, সেই তুলনায় এটি মোকাবিলা করার কৌশলগুলো নিয়ে আমরা খুব কম জানি। লেবার পেইন মানেই কেবল চিৎকার আর কষ্ট নয়; কিছু সহজ এবং বৈজ্ঞানিক টেকনিক জানা থাকলে এই সময়টাকে অনেক বেশি সহনীয় এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য করে তোলা সম্ভব।

🔴 আসলেই কি লেবার পেইন সহ্য করা সম্ভব?
হ্যাঁ, সম্ভব, আর খুব ভালোভাবেই সম্ভব। গবেষণা বলছে, পেইন ম্যানেজমেন্ট টেকনিকগুলো সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারলে কোনো ধরনের মেডিকেশন ছাড়াই প্রসবব্যথা প্রায় ৫০% পর্যন্ত কম অনুভূত হওয়া সম্ভব। মানে প্রায় অর্ধেক ব্যথাই হাওয়া।
প্রসবব্যথা জীবনের আর দশটা ব্যথার মতো নয়, এটি একটি "উদ্দেশ্যমূলক ব্যথা" (Purposeful Pain), যা আপনার সন্তানকে পৃথিবীতে আনার পথ তৈরি করে। তাই এই ব্যথার সাথে লড়াই না করে, একে গ্রহণ করার মানসিকতা রাখলে লেবার অনেক সহজ হয়।

🔴 নিচে কিছু প্রাকৃতিক ও কার্যকরী টেকনিক দেওয়া হলো যা লেবার পেইন ম্যানেজমেন্টে জাদুর মতো কাজ করে:

👉 সঠিক ব্রিদিং টেকনিক বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম (Breathing Techniques):
লেবারের সময় সঠিক উপায়ে শ্বাস নেওয়া সবচেয়ে বড় ঔষধ। কন্ট্রাকশন বা ব্যথা যখন শুরু হবে, তখন নাক দিয়ে গভীর শ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে ছেড়ে দিন। এটি আপনার জরায়ুতে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ায় এবং আপনার মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে।

👉 পজিশন পরিবর্তন:
একভাবে শুয়ে না থেকে নড়াচড়া করুন। বারবার পজিশন পরিবর্তন করুন। বিভিন্ন লেবার পজিশন নেয়া, স্কোয়াটিং পজিশনে বসা, বার্থ বলের ওপর বসা - লেবার পেইন কমাতে সাহায্য করে। মহাকর্ষ শক্তি বা গ্র্যাভিটিকে ব্যবহার করলে বাচ্চা দ্রুত নিচে নামে এবং ব্যথা কম অনুভূত হয়।

👉 হাটাহাটি বা মুভমেন্ট:
প্রসবব্যথার সময় হাটাহাটি করলে তা লেবারকে প্রায় ২৮% পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত করতে পারে। চলাফেরা করলে শরীরের পেলভিক জয়েন্টগুলো খুলে যায় এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে বাচ্চা দ্রুত ও সহজে নিচের দিকে নামতে পারে।

👉 কন্ট্রাকশনের সময় সামনের দিকে ঝুঁকে থাকা (Leaning Forward):
যখনই প্রসবব্যথা বা কন্ট্রাকশন আসবে, তখন চিত হয়ে শুয়ে না থেকে সামনের দিকে ঝুঁকে থাকুন। বসে থাকলে টেইলর সিটিং পজিশনে আর দাঁড়িয়ে থাকলে কোনো মজবুত ফার্নিচার (যেমন: উঁচু টেবিল, বেড বা সোফার হাতল) ধরে সামনের দিকে কিছুটাজ ঝুঁকে দাঁড়ান। এতে জরায়ুর পুরো ওজন সামনের দিকে চলে আসে, যা পিঠের ব্যথা কমায় এবং বাচ্চাকে সঠিক পজিশনে আসতে সাহায্য করে।

👉 ভারি কিছুতে ধাক্কা দেওয়ার অনুভূতি (Counter Pressure):
ব্যথা তীব্র হলে সামনের দিকে ঝুঁকে কোনো ভারি ফার্নিচার বা দেওয়ালকে দু হাত দিয়ে ধাক্কা দেওয়ার মতো ভঙ্গি করুন। এই 'পুশিং' অ্যাকশন আপনার শরীরের নিচের অংশের ওপর চাপ কমায় এবং মনকে ব্যথার কেন্দ্রবিন্দু থেকে সরিয়ে অন্য কাজে মনোযোগী করে তোলে।

👉 গরম বা ঠান্ডা সেঁক (Hydrotherapy):
কোমরের নিচের দিকে বা তলপেটে গরম জলের সেঁক (Hot Compress) দিলে মাংসপেশি রিল্যাক্স হয় এবং ব্যথা অনেক কমে আসে। অনেক হাসপাতালে কুসুম গরম পানিতে গোসল করার ব্যবস্থা থাকে, যা লেবার পেইন কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।

👉 মাসাজ বা স্পর্শের জাদু:
লেবারের সময় সঙ্গী বা দৌলা যদি আপনার লোয়ার ব্যাকে (কোমরের নিচে) জোরে চাপ দিয়ে মাসাজ করে দেয়, তবে ব্যথার তীব্রতা অনেক কম মনে হয়। একে বলা হয় 'কাউন্টার প্রেসার'। এটি স্নায়ুগুলোকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে।

👉 মানসিক মনোযোগ বা ভিজ্যুয়ালাইজেশন (Visualization):
যখন ব্যথা তীব্র হবে, চোখ বন্ধ করে ভাবুন জরায়ুর মুখ একটি ফুলের মতো ফুটছে এবং আপনার প্রিয় সন্তানের সাথে আপনার সাক্ষাতের সময় এগিয়ে আসছে। পজিটিভ চিন্তা শরীরের এন্ডোরফিন (Endorphin) নামক প্রাকৃতিক পেইনকিলার হরমোন নিঃসরণ বাড়ায়।

👉 কোরআন তিলাওয়াত শোনা:
লেবার রুমের পরিবেশ আপনার পছন্দমতো সাজিয়ে নিন। মৃদু আলো, আপনার পছন্দের কোনো তিলাওয়াত বা প্রার্থনা আপনাকে মানসিকভাবে নিরাপদ ও শান্ত রাখবে। ভয় যত কমবে, ব্যথাও তত কম অনুভূত হবে।
মনে রাখবেন, প্রসবের সময় আপনার শরীর এবং মন যত বেশি রিল্যাক্স থাকবে, আপনার জরায়ু তত ভালোভাবে কাজ করতে পারবে। ভয়কে জয় করে সঠিক প্রস্তুতি নিলেই একটি সুন্দর প্রসব অভিজ্ঞতা সম্ভব।

✍️ রেজওয়ানা রাজ্জাক
সার্টিফাইড চাইল্ডবার্থ এডুকেটর এন্ড দৌলা

আমাদের সমাজে একটা অদ্ভুত দৃশ্য দেখা যায়। স্ত্রী অসুস্থ হলে বা প্রেগন্যান্সির চেকআপে যাওয়ার সময় স্বামী সাথে থাকলে আশেপাশে...
09/02/2026

আমাদের সমাজে একটা অদ্ভুত দৃশ্য দেখা যায়। স্ত্রী অসুস্থ হলে বা প্রেগন্যান্সির চেকআপে যাওয়ার সময় স্বামী সাথে থাকলে আশেপাশের মানুষ এমনভাবে তাকায় যেন স্বামীটি পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য! অনেকে তো বলেই বসেন, "বাহ, আপনি তো খুব দয়ালু স্বামী, স্ত্রীর জন্য এত সময় দিচ্ছেন!"

থামুন। এখানেই আমাদের চিন্তাভাবনা বদলানো দরকার।
আপনার স্ত্রীর সাথে ডাক্তারের চেম্বারে যাওয়াটা কোনো 'দয়া' বা 'এহসান' নয়; এটা আপনার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কেন? চলুন আজ সোজাসুজি কথা বলি:

১. সে তো একা আপনার জন্যই অসুস্থ নয়
স্ত্রী যখন অসুস্থ হন বা মা হতে চলেন, সেই শরীরিক কষ্টটা তিনি একা ভোগ করেন। কিন্তু সেই পরিস্থিতির কারণ বা লক্ষ্য কিন্তু আপনারা দুজনই। তিনি আপনার সংসার আগলে রাখেন, আপনার সন্তানের মা হচ্ছেন—তাহলে কষ্টের সময়টাতে তাকে একলা ফেলে রাখাটা কি পুরুষত্ব?

২. মানসিক শক্তির উৎস আপনি
ডাক্তারের চেম্বার, সাদা অ্যাপ্রন আর ওষুধের গন্ধ অনেক সময় ভীতি তৈরি করে। এমন মুহূর্তে যখন আপনি তার হাতটা ধরে পাশে বসেন, তখন তার অর্ধেক অসুখ আপনার উপস্থিতিতেই সেরে যায়। এই মানসিক প্রশান্তি কোনো দামী ওষুধ দিতে পারে না।

৩. প্রেসক্রিপশন শুধু কাগজের টুকরো নয়
ডাক্তার কী বলছেন, কী খেতে নিষেধ করছেন, বা কোন বিপদের সংকেত দিচ্ছেন—তা কেবল রোগীর একার শোনার কথা নয়। সঙ্গীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আপনার সম্যক জ্ঞান থাকা জরুরি। বাসায় এসে তাকে মনে করিয়ে দেওয়া, ওষুধ খাইয়ে দেওয়া—এগুলোই তো প্রকৃত ভালোবাসার ভাষা।

৪. ভাগ করে নেওয়াটাই তো জীবন
সংসার মানে কি শুধু দিনশেষে টাকা এনে দেওয়া? মোটেও না। কঠিন সময়ে পাশে থাকা, লম্বা সিরিয়ালে তার সাথে বসে থাকা, আর রিপোর্ট হাতে নিয়ে একসাথে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলা—এটাই হলো জীবনসঙ্গী হওয়ার সার্থকতা।

প্রিয় ভাইদের বলছি, স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়াকে 'স্ত্রীর কাজ' মনে করবেন না। তাকে একা পাঠিয়ে দিয়ে 'আমি ব্যস্ত' অজুহাত দেবেন না। মনে রাখবেন, বিপদের সময় যে ছায়া হয়ে পাশে থাকে, দিনশেষে তার প্রতি সম্মান আর ভালোবাসা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

আপনার স্ত্রী আপনার অর্ধাঙ্গিনী, আপনার দয়ার পাত্রী নন। তাকে সময় দিন, তাকে আগলে রাখুন।


12/01/2026

আগামী ১৪-১৫ তারিখ
(বুধবার -বৃহস্পতিবার আমার চেম্বার বন্ধ থাকবে।

04/01/2026

Abembryonic Pregnancy কী?

(Blighted O**m)

Abembryonic pregnancy হলো এমন একটি প্রাথমিক গর্ভধারণ, যেখানে
👉 Gestational sac তৈরি হয় কিন্তু ভ্রূণ (embryo) তৈরি হয় না
অথবা খুব শুরুতেই ভ্রূণের বিকাশ বন্ধ হয়ে যায়।

কেন হয়? (কারণ)

সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো
• Chromosomal abnormality (বিশেষ করে aneuploidy)
• খারাপ গুণগত মানের ডিম বা শুক্রাণু
• Early cell division failure
• ART/IVF গর্ভধারণে তুলনামূলক বেশি দেখা যায়

👉 এটি মায়ের কোনো ভুল বা অবহেলার কারণে নয়।

উপসর্গ
• মাসিক বন্ধ হওয়া
• Pregnancy test positive
• হালকা বমি বা breast tenderness শুরুতে থাকতে পারে
• পরে
• Vaginal spotting
• Lower abdominal pain

কখনো কখনো কোনো উপসর্গই থাকে না।

আল্ট্রাসাউন্ডে কী দেখা যায়?

TVS-এ:
• Gestational sac আছে
• Yolk sac নেই
• Fetal pole নেই

ডায়াগনস্টিক ক্রাইটেরিয়া (SRU/ACOG অনুযায়ী):
• Mean Sac Diameter (MSD) ≥ 25 mm কিন্তু কোনো embryo নেই
অথবা
• Gestational sac দেখা যাওয়ার ≥ 2 সপ্তাহ পরও embryo না দেখা গেলে

ব্যবস্থাপনা (Management)

১. Expectant management
• স্বাভাবিকভাবে miscarriage হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা
• Stable patient হলে উপযুক্ত

২. Medical management
• অসম্পূর্ণ বা delayed miscarriage এ

৩. Surgical management
• MVA / D&C
• বেশি bleeding, infection, বা patient preference থাকলে

রোগী কাউন্সেলিং
• এটি খুবই সাধারণ early pregnancy loss
• ভবিষ্যতে স্বাভাবিক গর্ভধারণের সম্ভাবনা ভালো
• সাধারণত বারবার হয় না।

সহজভাবে বললে

Sac আছে, কিন্তু baby নেই — এটিই Abembryonic pregnancy।
Courtesy .taslima begum.

Address

Sitakund
Chittagong

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Promi Afrin Sweety posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Promi Afrin Sweety:

Share

Category