Dr. Sohel Siddike

Dr. Sohel Siddike I am Dr. Sohel Siddike is working as a Heart disease and Interventional Cardiologist. You can take

চিকিৎসা সেবা সমূহ

বুকে ব্যাথা ⨀ বুক ধড়পড় ⨀ হার্ট এটাক

হার্ট ফেইলিউর ⨀ বাতজ্বর ⨀ শ্বাসকষ্ট

হার্টের জন্মগত সমস্যা ⨀ হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ

নন - ইনভেসিভ প্রসিডিওর

ইটিটি ⨀ ইকোকার্ডিওগ্রাফি ⨀ হলটার মনিটরিং

21/11/2025

ভূমিকম্পের সময় হার্টের রোগীদের জন্য জরুরি সতর্কতা: নিরাপদ থাকুন!
(আজকের কম্পনের পরিপ্রেক্ষিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা)
ভূমিকম্প একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা যা হঠাৎ করে তীব্র মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। হার্টের রোগীদের জন্য এই চাপ (stress) এবং শারীরিক ঝুঁকি (physical danger) উভয়ই অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।
আপনি যদি হার্টের রোগী হন অথবা আপনার পরিবারের কেউ হার্টের রোগী হন, তবে এই জরুরি সতর্কতাগুলি অবশ্যই মেনে চলুন। মনে রাখবেন, শান্ত থাকা এবং প্রস্তুত থাকা আপনার জীবন বাঁচাতে পারে।
১. 🛑 তাৎক্ষণিক সুরক্ষা: প্রথম কয়েক সেকেন্ড
ভূমিকম্প শুরু হওয়ার সাথে সাথেই আপনার হার্টের স্বাস্থ্যের কথা মনে রেখে দ্রুত এবং শান্তভাবে এই পদক্ষেপগুলি নিন:
* শান্ত থাকুন এবং আতঙ্কিত হবেন না: আপনার হার্টের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো হঠাৎ করে তৈরি হওয়া তীব্র মানসিক চাপ এবং আতঙ্ক। একটি গভীর শ্বাস নিন।
* "ড্রপ, কভার, হোল্ড অন" (Drop, Cover, Hold On) নীতি অনুসরণ করুন:
* নিচু হোন (Drop): মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ুন।
* আশ্রয় নিন (Cover): কোনো শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নিচে ঢুকে মাথা ও ঘাড় হাত দিয়ে ঢেকে নিন।
* ধরে থাকুন (Hold On): কম্পন না থামা পর্যন্ত টেবিল বা ডেস্কের পায়া শক্ত করে ধরে থাকুন।
* যদি বিছানায় থাকেন: মাথা ও ঘাড় বালিশ দিয়ে ঢেকে সেখানেই থাকুন। জানালা, ভারী আসবাবপত্র বা ঝুলে থাকা জিনিস থেকে দূরে থাকুন।
* নিজেকে অতিরিক্ত ক্লান্ত করবেন না: কম্পন থামার আগে দ্রুত দৌঁড়ানোর চেষ্টা করবেন না। আপনার হার্টের উপর যেন অতিরিক্ত চাপ না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
২. 💊 ওষুধ এবং স্বাস্থ্য সামগ্রী
ভূমিকম্পের আগে এবং পরে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক:
* ওষুধের ব্যাগ প্রস্তুত রাখুন: আপনার জরুরি ওষুধপত্র (বিশেষত নাইট্রোগ্লিসারিন বা অন্যান্য প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী), প্রেসক্রিপশনের কপি, চিকিৎসকের ফোন নম্বর, এবং একটি ছোট ফার্স্ট এইড কিট সবসময় সহজে বহনযোগ্য একটি ব্যাগে রাখুন। এই ব্যাগটি সবসময় আপনার কাছে বা সহজে পৌঁছানো যায় এমন জায়গায় রাখুন।
* ডিভাইস চেক করুন: যদি আপনার পেসমেকার বা অন্য কোনো কার্ডিয়াক ইমপ্ল্যান্ট করা থাকে, তাহলে কম্পনের পরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেটি একবার পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো।
৩. 🗣️ মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ
কম্পনের পরে মানসিক চাপ কমাতে এইগুলি মেনে চলুন:
* শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম: কম্পন থেমে গেলেও হার্ট রেট যদি বেড়ে যায়, তবে ধীরে ধীরে বুক ভরে শ্বাস নিন এবং ধীরে ধীরে ছাড়ুন। এই প্রক্রিয়া কয়েকবার পুনরাবৃত্তি করুন।
* নিরাপদ স্থানে অবস্থান: কম্পন থামার পর দ্রুত বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি খোলা ও নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন। ভিড়, তার বা উঁচু বিল্ডিংয়ের কাছাকাছি থাকবেন না।
* চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ: আপনার যদি বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বা অস্বাভাবিক ধড়ফড়ানির মতো কার্ডিয়াক উপসর্গ দেখা দেয়, তবে দ্রুত আপনার চিকিৎসক অথবা জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবার সাথে যোগাযোগ করুন।
> বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই নির্দেশিকাগুলি শুধুমাত্র সাধারণ সচেতনতার জন্য। আপনার নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থার জন্য আপনার হার্ট বিশেষজ্ঞের দেওয়া নির্দেশাবলী কঠোরভাবে অনুসরণ করুন। নিজে নিজে কোনো ওষুধ পরিবর্তন করবেন না।

Chittagong medical college hospital e Angiogram & stenting er price….
18/11/2025

Chittagong medical college hospital e
Angiogram & stenting er price….

14/11/2025

অনেকেই জানতে চেয়েছেন হৃদরোগে এত রকমের ওষুধ সব সময় খেতে হয় কেন?
হৃদরোগের প্রকৃত কারণ জানা জায়নি, বলা হয়ে থাকে বহুবিধ কারণ (Mulltifactorial)।
Secondary prevention এবং চিকিৎসার জন‍্য কিছু ওষুধ নিয়মিত খেতেই হয়, সেজন্য আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ মত ওষুধ ও স্বাস্থ্য বিধি মেন চলবেন।
কি ধরনের ওষুধ সাধারণত থাকে( বিভিন্ন মানু্ষ এবং রোগের ভিন্নতার জন্য কিছু ব‍্যাতিক্রম হতে পারে):
১. Anti-platelet
২. Anti Lipid
৩.Beta blockers/ Calcium channel blockers.
৪. ACEi/ARB/ARNI
৫. Aldosterone antagonist
৬. Anti- ischemic: Nitrate/Trimetazidine/ Ranolazine
৭. Anti- Diiabetic যদি ডায়াবেটিস থাকে ।
যারা হৃদরোগী তাদের প্রেসক্রিপশনে এই ওষুধগুলি সচরাচর দেখতে পাবেন।
এগুলোর কাজ রোগ প্রতিরোধ করা, উপসর্গ ও জটিলতা কমানো, মৃত‍্যুহার কমানো ।
সুতরাং অন‍্যরোগ কথায় বিভ্রান্ত হবেন না।
আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

08/11/2025

বাংলাদেশের প্রায় ৩ কোটি মানুষ উচ্চরক্তচাপে ভুগছে, তার মধ্যে ৬০ভাগ মানুষ জানেই না তারা উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত...

27/10/2025

‼️ হার্ট অ্যাটাকের পর Golden Hour 🕐…?
অনেকেই জানতে চেয়েছেন হার্ট অ্যাটাকের পর কতক্ষণের মধ্যে সঠিক চিকিৎসা করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়?

⏱️Golden Hour বলতে হার্ট অ্যাটাক শুরু অর্থাৎ উপসর্গ শুরু হওয়ার পরের প্রথম ১ ঘণ্টাকে বোঝায়।
এই সময়ে দ্রুত চিকিৎসা দিলে রোগীকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো যায় এবং হার্টের পেশীর ক্ষতি অনেক কম হয় ফলে জটিলতা অনেক কমে যায়।

⏱️ Golden Hour কেন গুরুত্বপূর্ণ?
* হার্ট অ্যাটাক হলে সাথে সাথে হার্টের সেই রক্তনালীর নীচের অংশের মাংসপেশিতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় ফলে অক্সিজেনের অভাবে পেশী নষ্ট হওয়া শুরু হয়।
এক ঘন্টা পর থেকে প্রতি মিনিটে মাংসপেশি খুব বেশি নষ্ট হতে থাকে এবং ১২ ঘন্টা পরে হার্টের আক্রান্ত অংশের মাংসপেশির কোষের সম্পূর্ণ কার্যকারিতা বন্ধ হয় অর্থাৎ মরে যায়।
* প্রথম ১ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা শুরু করলে:
• হার্টের বড় অংশকে বাঁচানো সম্ভব।
• মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক কমে যায়।
• জটিলতা (হার্ট ফেইলিউর, অ্যারিদমিয়া ইত্যাদি)
প্রতিরোধ করা যায়।

⌚️Golden Hour-এ কি করতে হবে?

✅ বুকে তীব্র ব্যথা, ভারী, চাপ বা অস্বস্তি সাথে ঘাম, শ্বাসকষ্ট, বমি ভাব, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ কমে যাওয়া ইত্যাদি হলে দেরি না করে অতি দ্রুত হাসপাতালে যান।
✅ জরুরি ভিত্তিতে ECG করে রোগ নির্ণয় করতে হবে।
✅ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রক্ত জমাট দূর করার ওষুধ (Thrombolysis) বা Primary Angioplasty (PCI) করতে হবে প্রয়োজনে।যার জন্য যেটা প্রযোজ্য।
✅ অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার সময় বা ঘরে থেকেই চারটি Aspirin ৭৫ মিলিগ্রাম চিবিয়ে খাওয়াতে হবে + চারটি Clopidogrel ৭৫ মিলিগ্রাম + ২টি Atorvastatin ৪০ মিলিগ্রাম এবং প্রয়োজনে Gastric এর ১ টি Pantoprazole ৪০ মিলিগ্রাম খাওয়াতে হবে তাহলে অনেক ক্ষেত্রে জীবন রক্ষা করে (যদি contraindication বা নিষেধ না থাকে)।
Collect

21/10/2025

হার্টের রিং লাগাতে কেমন খরচ হয় ????
ডাঃ সোহেল ছিদ্দিকী
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ,
কনসালটেন্ট-চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
চেম্বার- চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল।
মোবাইল- 01886 260 795

17/10/2025

হার্ট ও রক্তচাপের রোগীদের প্রতিদিনের জিজ্ঞাসা: দুধ কি খেতেই হবে? ❤️🥛

​আসসালামু আলাইকুম।
​আজ একটা খুব স্পর্শকাতর প্রশ্ন নিয়ে কথা বলব—যেটা অনেক হার্ট এবং ব্লাড প্রেসারের রোগী আমাদের জিজ্ঞেস করেন: "আমি কি গরুর দুধ খেতে পারব?"

​এই প্রশ্নটার উত্তর আমার কাছে খুব সহজ, কিন্তু এর পেছনের অনুভূতিটা অনেক গভীর। অসুস্থতার সময় প্রিয় খাবার নিয়ে একটা দ্বিধা কাজ করে, তাই না? মনে হয় যেন একটু ভুল হলেই বিপদ!

​আপনাদের দুশ্চিন্তা দূর করে বলছি—উত্তরটা একটাই, আর সেটা হলো: অবশ্যই খাবেন!

​দুধ আমাদের শরীরের জন্য এক প্রাকৃতিক আশীর্বাদ, বিশেষত ক্যালসিয়ামের জন্য। এটি আমাদের দৈনন্দিন ক্যালসিয়ামের অন্যতম প্রধান উৎস, যা আমাদের হাড় ও সার্বিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। নিজেকে ভালো রাখতে, শরীরের ভিত মজবুত রাখতে দুধের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

​কিন্তু কিভাবে খাবেন?
• ​যদি আপনার বয়স বেশি হয়, তবে দুধের সর বা ফ্যাট অংশটা এড়িয়ে চলুন। আপনার হৃদযন্ত্রের কথা মাথায় রেখেই এই সামান্য পরিবর্তনটা আনুন।
• ​দৈনিক অন্তত এক গ্লাস দুধ খাওয়ার একটা ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস করুন। এটা কেবল খাবার নয়, সুস্থ থাকার প্রতি আপনার যত্নের একটি প্রতীক।
• ​যদি দুধ খেলে আপনার পেটে সমস্যা হয়, অর্থাৎ আপনি ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট হন, তবে মন খারাপ করবেন না। বাজারে ল্যাকটোজ-ফ্রি দুধ পাওয়া যায়। আপনার শরীরের প্রয়োজনকে সম্মান জানিয়ে সেই দুধটুকু পান করুন। কারণ, এই প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে নিজেকে বঞ্চিত করা একেবারেই উচিত নয়

​প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত এক গ্লাস দুধ খাওয়ার অভ্যাসটা গড়ে তুলুন। এটা কেবল স্বাস্থ্য নয়, আপনার মনের জোরও বাড়াবে। নিজের প্রতি একটু যত্নশীল হন, ভালো থাকুন।
​ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিজের যত্ন নেবেন।
Collected

13/10/2025

হৃদরোগীদের ❤️ জন্য কেমন খাবার প্রযোজ্য হবে:
হৃদরোগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা খুবই
গুরুত্বপূর্ণ।

• ভাত/রুটি চাহিদা অনুযায়ী পরিমান মত গ্রহণ করতে
হবে।লাল আটা এবং লাল চাল হলে ভালো হয়।
• সব ধরণের মাছ খাওয়া যাবে (বড় চিংড়ি বাদে)।
• ঘি, ডালডা, মাখন, চর্বি অর্থাৎ দৃশ্যমান চর্বি, বেকারীর
বিস্কুট, কেক, পিৎজা, বার্গার,পুডিং,গুর-চিনি, মিষ্টি জাতীয়
খাবার ইত্যাদি পরিহার করুন।
• মু্রগী ও হাঁস চামড়া ছাড়া খেতে হবে।
• একটা ডিম কুসুম সহ খাওয়া যাবে যদি নিষেধ না থাকে।
• চার পা যুক্ত প্রাণীর মাংস হৃদরোগীদের জন্য না খাওয়াই
ভালো তবে পরিমান মত (পায়ের মাংসে চর্বি কম ও আমিষ
বেশী থাকে) চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে পারেন খুব
খেতে ইচ্ছা করলে।মাংসের ঝোলে প্রচুর লবন ও চর্বি থাকে
এজন্য ঝোল বাদ দিয়ে খেতে হবে।
• প্রতিদিন শাকসবজি ও ফলমূল গ্রহণ করুন সাধ্যের মধ্যে।
• পাতে আলগা লবণ (রান্নার বাইরে) পরিহার করুন
(ভাজা বা অন্য কোন লবণ খাবেন না)।
• বাইরের তৈরি আচার,চানাচুর ,তেলে ভাজা খাবার গ্রহণ
থেকে বিরত থাকুন।
• টক জাতীয় খাবার এবং বাদাম খেতে পারেন।
• পানি চিকিৎসকের পরামর্শ মত খাবেন।
• কোমল এবং এনার্জী পানীয় বর্জন করুন।
• সয়াবিন তেল,সূর্যমুখী তেল,কুরার তেল (রাইস ব্রান),
তিলের তেল,অলিভ ওয়েল ইত্যাদি রান্নায় ব্যবহার
করতে পারেন তবে পরিমাণ মতো।
• একই তেলে বার বার রান্না করা খাবার গ্রহণ থেকে
বিরত থাকুন।
• সবুজ চা ও রং চা (চিনি ও দুধ ছাড়া) খেতে পারেন।
• সর ছাড়া (লো-ফ্যাট) দুধ,টক দই খেতে পারেন।
• দুই চা চামচ ইসবগুলের ভূষি পানিতে ভিজিয়ে সাথে
সাথে খেতে পারেন পায়খানা না হলে।
** প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের সাথে যোগাযোগ করবেন।
** ডায়াবেটিস, কিডনীর সমস্যা ও গাউট বাত থাকলে খাদ্য
তালিকায় কিছু পরিবর্তন হবে।

10/10/2025

অনেকেই জানতে চেয়েছেন 🫀হার্টের ব্যথা এবং গ‍্যাস্ট্রিকের ব‍্যথা পার্থক্য করবেন কিভাবে?

ক) ব্যথার অবস্থান:
*🫀 হার্টের ব‍্যথা: সাধারণত বুকের মাঝখানে হয়। অনেক সময় ব্যথা গলা, চোঁয়াল,কাঁধ, ঘাড় বা হাতে ছড়িয়ে পড়ে।
* গ‍্যাস্ট্রিকের ব‍্যথা: পেটের উপরের দিকে (নাভির ওপরে, বুকের নিচে) হয়।

খ) ব্যথার সময়কাল:
* 🫀হার্টের ব্যথা: হঠাৎ শুরু, ৫-২০ মিনিট স্থায়ী হতে পারে।
* গ‍্যাস্ট্রিকের ব‍্যথা: ধীরে ধীরে শুরু, দীর্ঘ সময় স্থায়ী হতে পারে।

গ) খাবারের সাথে সম্পর্ক:
* 🫀হার্টের ব্যথা: খাবারের পরে বাড়তে পারে।
* গ‍্যাস্ট্রিকের ব‍্যখা: খালি পেটে বা খাবারের পরে বেড়ে যায়।
মসলা, ঝাল,চর্বি জাতীয়, তৈলাক্ত খাবারে বেশি হয়।

ঘ) ব্যথার প্রকৃতি:
* 🫀হার্টের ব্যথা: চাপ বা ভারী কিছু বসে আছে এমন অনুভূতি।
* গ‍্যাস্ট্রিকের ব‍্যথা: জ্বালাপোড়া বা থেমে থেমে তীব্র ব্যথা।

ঙ) ব্যথার সাথে অন্যান্য উপসর্গ:
* 🫀হার্ট অ্যাটাক হলে: শ্বাসকষ্ট, ঘাম, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা,বমি বমি ভাব বা বমি, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, অজ্ঞান হওয়া ইত‍্যাদি।
* গ‍্যাস্ট্রিকের ব‍্যথা: অরুচি, বমি ভাব বা বমি, আলকাতরার মতো কালো পায়খানা বা রক্ত বমি (জটিলতা হলে)।

চ) পরিশ্রমের সাথে সম্পর্ক:
* 🫀হার্টের ব্যথা পরিশ্রমে বাড়ে এবং বিশ্রামে কমে।
* গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা পরিশ্রমের সাথে সম্পর্ক নাই।

ছ) ঔষধে প্রতিক্রিয়া:
* 🫀হার্টের ব‍্যথা: নাইট্রোগ্লিসারিনে উপশম হতে পারে।
* গ‍্যাস্ট্রিকের ব‍্যথা: অ্যান্টাসিড বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে কমে যায়।

জ) ‼️জীবনের ঝুঁকি:
* 🫀হার্ট অ্যাটাক: তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না নিলে মারাত্মক হতে পারে। মৃত্যুহার ও জটিলতা অনেক বেশি।
* গ‍্যাস্ট্রিকের ব‍্যথা: সাধারণত প্রাণঘাতী নয়, তবে চিকিৎসা না করলে জটিলতা হতে পারে।

** 🫀হার্টের ব্যথা হলে গ‍্যাস্ট্রিকের ব‍্যথা মনে করে অবহেলা করবেন বা শুধু গ‍্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে বসে থাকবেন না।
হার্টের ব্যথা হলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

07/10/2025

অনেকেই জানতে চেয়েছেন তেঁতুল খেলে কি সাথে সাথেই উচ্চ রক্তচাপ কমে যায় ?
এর উত্তর হচ্ছে না। তেঁতুল সরাসরি বা সাথে সাথেই উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পারে না।
তবে তেঁতুল একটি সহজলভ্য খুব উপকারী ফল ।
বিভিন্ন দেশে তেঁতুল ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে গবেষণা হচ্ছে তার কিছু হাইপোথিসিস দেওয়া হলো।

তেঁতুল অল্প পরিমাণে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে মূলতঃ
• এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে
• কিছু সোডিয়াম কমাতে পারে
• কিছু অতিরিক্ত পানি বের করতে পারে
• কিছু পরিমাণ রক্তনালী শিথিল করতে পারে
• কিছু পরিমাণে রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে
পারে ইত্যাদি ভাবে।
যে ফলে পটাশিয়াম আছে সেই ফল অনেকদিন ধরে খেলে অল্প কিছু রক্তচাপ কমতে পারে। তেঁতুলের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য ।

তেঁতুল এটি শুধু সহায়ক খাবার, চিকিৎসার বিকল্প নয়।
উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ ও নিয়মিত ওষুধ চালিয়ে যেতে হবে। রক্তচাপ খুব বেশি বেড়ে গেলে শুধু তেঁতুল খেয়ে বসে থাকবেন না।

05/10/2025

পা ঝিন ঝিন করা, পা অবস হয়ে আসা, এমনটা যদি আপনার প্রায় সময় অনুভব হয়, তাহলে আপনার পায়ের রক্তনালী ব্লক হওয়ার কারনে এমনটা হতে পারে।
যত দ্রুত সম্ভব "চিকিৎসক এর পরামর্শ নিন, সুস্থ্য থাকুন"।

Address

Chattagram Metropolitan Hospital, New Building, Room No-4014, 4th Floor, CTG
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Sohel Siddike posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Sohel Siddike:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category