Dr. Khaled Pain and Allergy Center

Dr. Khaled Pain and Allergy Center pain and Allergy treatment center

05/04/2021

ডা:খালেদ হোসাইন,[মেডিসিন, শিশুরোগ, বাতব্যথা,এলারজি (চর্ম ও যৌনরোগ)], চেম্বার :পেইন এন্ড এলারজি সেন্টার,সেগুনবাগান ২ নম্বর লেইন সংলগ্ন, ওয়ারলেস কলোনি, চট্টগ্রাম।নিয়মিত রোগি দেখার সময়:প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭.৩০টা-১০টা পর্যন্ত।সিরিয়ালের জন্য:০১৬৮০৩৩৯৪৫১

স্টিভেন জনসন সিন্ড্রোমঃএটি শরীরের একটি তীব্র প্রতিক্রিয়া সম্বলিত (hypersensitivity) বিরল রোগ, যাতে সাধারণত এক মিলিয়নে ২-...
18/02/2020

স্টিভেন জনসন সিন্ড্রোমঃ
এটি শরীরের একটি তীব্র প্রতিক্রিয়া সম্বলিত (hypersensitivity) বিরল রোগ, যাতে সাধারণত এক মিলিয়নে ২-৭ জন ব্যক্তি আক্রান্ত হন।

#উপসর্গঃ
ত্বক ও মিউকাস ঝিল্লি আক্রান্ত হয়। দেহের চামড়া, ঠোঁট, মুখ গহ্বর, কন্ঠ, অন্ত্র, পায়ু, মূত্রনালি, চোখ ইত্যাদি সবকিছুই আক্রান্ত হতে পারে। ফোস্কা পড়ে যায়। জীবাণু সংক্রমণ হতে পারে। শরীরের বাইরে যতটা আক্রান্ত দেখা যায়, ভেতরেও তেমন আক্রান্ত হয়। কয়েকদিনের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গ যেমন কিডনি, ফুসফুস, যকৃত অকেজো হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হতে পারে।

দেহের ত্বকের ১০% এর কম আক্রান্ত হলে সাধারণত চিকিৎসায় আরোগ্য হয়। ৩০% এর বেশি অংশ আক্রান্ত হলে মৃত্যুর আশংকা অনেক বেড়ে যায়। ত্বক আমাদের দেহের সবচেয়ে বড় অঙ্গ, যা বাইরের জীবাণু থেকে সুরক্ষা দেয়। এটি আক্রান্ত হলে সুরক্ষাব্যবস্থা ভেংগে পড়ে। মারাত্মকভাবে জীবাণু আক্রান্ত হলে বাঁচার সম্ভাবনা কমে যায়।
#চিকিৎসাঃ
মূলত সাপোর্টিভ বা পরিচর্যামূলক চিকিৎসা (symptomatic treatment)। আক্রান্ত অংশের যত্ন, জীবাণু মুক্ত রাখা, ক্ষত পূরণের জন্য শরীরে পুষ্টি জোগান দেয়া ইত্যাদি। সেই সাথে বিভিন্ন অঙ্গ বিকল হলে তার চিকিৎসাও চালাতে হয়। যেমন কিডনি বিকল হলে ডায়ালাইসিস, ফুসফুস অকার্যকর হলে কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র ইত্যাদি। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে হয়।

#রোগের কারনঃ
১.প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে কোনো কারণ পাওয়া যায় না।
২.বড়দের মাঝে রোগের জন্য বিভিন্ন ওষুধ ও ক্যান্সারকে দায়ী করা হয়।
৩.শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয় জীবাণু সংক্রমণ দারা।
অর্থাৎ জীবাণু সংক্রমণের ফলে জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি উপসর্গের পাশাপাশি স্টিভেন জনসন সিন্ড্রোম দিয়ে আক্রান্ত হতে পারে।
৪.জীবাণু সংক্রমণ নিজে যেমন ক্ষতি করছে, তেমনি জীবাণুর বিরুদ্ধে দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থা অতি সক্রিয় হয়ে নিজের শরীরকেই আক্রমণ করে বসেছে!
এ ধরনের উপসর্গ শুরু থেকেই আলাদা করা সম্ভব না। তাই জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে ওষুধ প্রয়োগ করলে শুধু জীবাণু মরে, স্টিভেন জনসন সিন্ড্রোম এর প্রতিক্রিয়া একবার শুরু হলে তার তীব্রতা সময়ের সাথে বাড়তেই থাকে।
#করনীয়ঃ
১.আক্রান্ত হবার সাথে সাথে চলমান সব ওষুধ বন্ধ করে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে বলা হয়।
২.প্রথমবার আক্রান্ত হবার কারণ সাধারণত বুঝা যায় না। জীবাণু নাকি ওষুধের কারনে এই রোগ হয়েছে। এর কারণ নিরনয় করা আমাদের দেশের জৈবপ্রযুক্তিগত (বায়োটেকনোলজি) সুবিধাদির অপ্রতুলতা বিবেচনায় অবান্তর। তবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বেশ কিছু সংখ্যক থাকায় চিকিৎসা করার সুযোগ বেড়েছে।
৩.সুস্থ হয়ে উঠলে পরবর্তীতে যেকোনো সময় চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত ওষুধ সেবন একেবারেই উচিত নয়। প্রতিবারই চিকিৎসককে ইতিপূর্বে স্টিভেন জনসন সিন্ড্রোম আক্রান্ত হবার কথা অবশ্যই জানাতে হবে। ওষুধের কথা জানাতে হবে। চিকিৎসক শুনে বুঝে বিবেচনা করবেন। তথাপি পরবর্তীতে নতুন করে জীবাণু সংক্রমণের কারণে, একই ওষুধ সেবন করা যাবেনা।
#

স্ক্যাবিসঃস্ক্যাবিস এক প্রকার চর্ম রোগ যা Sarcoptes scabei নামক এক প্রকার জীবাণু দ্বারা সংঘটিত হয়। এর প্রধান লক্ষণ হল শ...
25/12/2019

স্ক্যাবিসঃ
স্ক্যাবিস এক প্রকার চর্ম রোগ যা Sarcoptes scabei নামক এক প্রকার জীবাণু দ্বারা সংঘটিত হয়। এর প্রধান লক্ষণ হল শরীরে চুলকানি ও গুটি গুটি র‍্যাশ ওঠা। স্পর্শের মাধ্যমে সাধারণত এ রোগ ছড়ায় । তাছাড়া রোগীর ব্যবহৃত কাপড় গামছা, বিছানার চাদর ও বালিশ ব্যবহার করলে এ রোগ হতে পারে। শিশুরা এই রোগে ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হয় ৷প্রথমবার সংক্রমণে একজন ব্যক্তির সাধারণত দুই থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়।দ্বিতীয় সংক্রমণের লক্ষণগুলি ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দেখা দিতে পারে।রাতের বেলা চুলকানির তীব্রতা বেড়ে যায়।চুলকানোর সময় খুব আনন্দ লাগে।কিন্তু পরে ক্ষতস্থান থেকে রক্ত বের হতে পারে এবং ক্ষতস্থানে খুব জালাপোড়া করে।
# রোগের লক্ষনঃ
আঙ্গুলের ফাঁকে, আঙ্গুলে, বগলে, যৌনাঙ্গে, নাভি ও নাভির চার দিকে ছোট ছোট দানা বা গুটি দেখা দেয়। তবে এ গুটিগুলো মুখ, মাথা বাদে সমস্ত শরীরে দেখা দিতে পারে।
গুটি গুলোতে প্রচণ্ড চুলকায় এবং চুলকানি রাতে বেড়ে যায়।
# রোগ প্রতিরোধঃ
পারমেথ্রিন বা আইভারমেক্টিন ব্যবহার করে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায় । স্ক্যাবিসের জন্য কোন টিকা পাওয়া যায় না।সংক্রমণের লক্ষণ না দেখা সত্ত্বেও রোগীর সংস্পর্শে যারা থাকেন,সবারই চিকিৎসা করা বাঞ্ছনীয়। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাই স্ক্যাবিস প্রতিরোধের প্রধান উপায়।
# রোগের চিকিৎসাঃ
স্ক্যাবিস চিকিৎসার জন্য অনেক প্রকার ক্রিম জাতীয় ঔষধ আছে,তবে এর পাশাপাশি যাবতীয় গৃহস্থ জিনিসপত্র এবং যারা রোগীর সংস্পর্শে ছিলেন,তারাও চিকিৎসার আওতায় থাকবেন।[৩] ঔষধের মধ্যে আছে অ্যান্টিহিস্টামিন এবং অ্যান্টি সংক্রামক ঔষধ ।[৫] বিছানার চাদর,কাপড় ,তোয়ালে সহ ব্যবহৃত সবকিছু গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকানো উচিৎ।
* পারমেথ্রিনঃ
পারমেথ্রিন স্ক্যাবিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা ।এটি ঘাড় থেকে নিচে,শরীরের সব জায়গায় রাতে ঘুমানোর আগে লাগানো হয় এবং সকালে ধুয়ে ফেলতে হয়।শরীরের প্রতিটি জায়গায় পারমেথ্রিন লাগাতে হবে,নাহলে সুস্থ অংশও সংক্রমিত হবে।পারমেথ্রিন একবার লাগালেই যথেষ্ট,তবে অনেক চিকিৎসক তিন থেকে সাত দিন পর দ্বিতীয় বার এটি পূর্ব সতর্কতার জন্য প্রয়োগ করতে বলেন।স্ক্যাবিস শক্ত হলে আইভারমেক্টিন ব্যবহার করা যেতে পারে।পারমেথ্রিন ব্যবহারে ত্বক সামান্য জ্বালা হতে পারে,যা সহনীয়।

* আইভারমেক্টিনঃ
একবার ব্যবহার করলেই আইভারমেক্টিন স্ক্যাবিস দূর করতে বেশ কার্যকর।শক্ত হয়ে যাওয়া স্ক্যাবিসের চিকিৎসায় এটিই সর্বোত্তম চিকিৎসা।ছয় বছরের কম বাচ্চাদের জন্য এটা ব্যবহার করা নিষেধ।

টনসিলাইটিসঃটনসিলের সমস্যা সব বয়সেই হয়ে থাকে, তারপরও শিশুদের ক্ষেত্রে টনসিলের ইনফেকশন একটু বেশি হয়। টনসিলের এই ইনফেকশনকে ...
22/12/2019

টনসিলাইটিসঃ
টনসিলের সমস্যা সব বয়সেই হয়ে থাকে, তারপরও শিশুদের ক্ষেত্রে টনসিলের ইনফেকশন একটু বেশি হয়। টনসিলের এই ইনফেকশনকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় টনসিলাইটিস বা টনসিলের প্রদাহ।
# টনসিল পরিচিতিঃ
আমাদের জিহ্বার শেষ প্রান্তে, আলজিহ্বার নিচে বাম ও ডানপাশে বাদামের মতো ১.৫ সেন্টিমিটার আকারের লালবর্ণের মাংসপিণ্ডকে টনসিল (Tonsil) বলা হয়ে থাকে। টনসিল দেখতে মাংসপিণ্ডের মতো মনে হলেও এটি লসিকা কলা বা লিম্ফয়েড টিসু দিয়ে গঠিত।
# টনসিলাইটিসঃ
টনসিলাইটিস হচ্ছে টনসিলের প্রদাহ।টনসিল সমূহ যখন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের সংক্রমণ দ্বারা আক্রান্ত হয়ে প্রদাহের বা ইনফেকশনের সৃষ্টি করে,তখন সেই অবস্থাকে টনসিলাইটিস বলে। টনসিলের প্রদাহ বর্ষায় বেশি হয়। শীতকালে টনসিল প্রদাহ কম হয় এবং ৮৫% প্রদাহ ভাইরাস সংক্রমণ দিয়ে হয়। যাদের শরীরে ইমিউনিটি শক্তি কম বা ঠাণ্ডা সহ্য ক্ষমতা কম তাদের বেলায় ভাইরাসসমূহ বেশি ইনফেকশন করে।
# টনসিলাইটিস প্রকারভেদঃঃ
টনসিলাইটিস সাধারণত দুই ধরনেরঃ
► একটা হলো তীব্র বা একিউট
► অন্যটি হলো দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক টনসিলাইটিস।
# রোগের লক্ষণসমুহঃ
► টনসিলের ইনফেকশন হলে মূলত গলাব্যথা হবে, গিলতে অসুবিধা হবে। শরীরে জ্বর থাকতে পারে।জ্বরের মাত্রা ১০২ ফারেনহাইট অথবা এর বেশিও হতে পারে। অনেক সময় গলার স্বর পরিবর্তিত হয়, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ থাকে। এর সঙ্গে শিশুর খাবার গ্রহণে অনীহা কিংবা নাক দিয়ে পানি ঝরা ইত্যাদি থাকতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে গলার বাইরের দিকে গ্রন্থি ফুলে যেতেও দেখা যায়।
► ভাইরাসজনিত টনসিলাইটিসে টনসিলের প্রদাহ ধীরে ধীরে বাড়ে, ফলে উপসর্গগুলোও ধীরে ধীরে আবির্ভূ হয়। ব্যাক্টেরিয়াজনিত টনসিলাইটিস হঠাৎই তীব্রভাবে আক্রমণ করে। ফলে উপসর্গ সমূহ এবং গলাব্যথা, জ্বালা পোড়া ইত্যাদি দেখা দেয়।
► শিশুদের বেলায় বমি, পেটে ব্যথা এবং বড়দের বেলায় মাথা ব্যথাও থাকতে পারে। ৫ বছরের কম বয়সীদের বেলায় ডায়রিয়াসহ খাওয়ার অরুচির লক্ষণ দেখা দিতে পারে । সেই সঙ্গে কম বেশি কাশিও হতে পারে।
# অ্যাকিউট টনসিলাইটিসের লক্ষণ : ঠাণ্ডা-সর্দি, অত্যধিক জ্বর বা জ্বরের সঙ্গে কাঁপুনি, গলাব্যথা খুসখুসে কাশি, খাবার গিলতে বা পানি পান করতে ব্যথা, নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা, মুখের ভিতরে টনসিল বেশ লালচে বর্ণ ধারণ করে, টনসিলের ওপর হলুদ বা সাদা আস্তরণ পড়তে পারে, গলার ভিতর এর আশপাশের অন্যান্য লসিকাগ্রন্থিও ফুলে যাওয়া অথবা গলায় ও মাড়িতে ব্যথা হয়।
# ক্রনিক টনসিলাইটিসের লক্ষণ : জিনিসের গন্ধ পাওয়া যায় না, জোর করে ঘ্রাণ নিতে গেলে সবকিছুতেই বাজে গন্ধ পাওয়া যায়। ঘুমাতে খুব অসুবিধা হয়। শিশু ঘুমাতে ভয় পায়, নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে, অনেক সময় বাচ্চার ঘুমের ধরন পাল্টে যায়। থুঁতনি এগিয়ে আসে, মাথাব্যথা, গলায় ঘায়ের কারণে ব্যথা, কানে ব্যথা, ক্লান্তিময়তা, মুখে অনবরত লালা জমতে থাকে, খাবার খেতে কষ্ট ও মুখ হাঁ করতে অসুবিধা হয়, মুখ দিয়ে লালা বের হয় ও কণ্ঠস্বর ভারি হয়ে যেতে পারে, মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে পারে।
# রোগ নিরনয়ঃ
টাং ডিপ্রেসর (মুখ খোলার এক ধরনের ফরসেপ বিশেষ) দিয়ে জিবকে চেপে ধরে ভিতরে প্রদাহ আছে কি না দেখে সহযে টনসিলাইটিস বুঝা যায়। প্রদাহের কারণে টনসিল বড় ও লালাভ হয়ে থাকে। টনসিলের ওপর হলুদাভ বা ধূসর আবরন দিয়ে টনসিল আংশিকভাবে আবৃত থাকতে পারে। টনসিলাইটিস নির্ণয়ে বিশেষজ্ঞের এই পর্যবেক্ষণই যথেষ্ট।
‌*তবে দুটি পরীক্ষা দ্বারা টনসিলাইটিস নির্ণয় করা যায়। ভাইরাসজনিত হলে ভাইরাস সেনসিটিভিটি কালচার করাতে পারলে বুঝা যাবে,কোন ধরনের ভাইরাস টনসিলাইটিস এর জন্য দায়ী।
*র‌্যাপিড স্ট্রিপ টেস্ট :
এ পরীক্ষায় গলার ভিতরের ইনফেকশনের ওপরের ঝিল্লির মিউকাস পরীক্ষা করে মাত্র ৭ মিনিটে নিশ্চিত হওয়া যায় স্ট্রেপটোকোকাস ব্যাক্টেরিয়ার দ্বারা আক্রান্ত কিনা।
*স্ট্রিপ কালচার
পরীক্ষাগারে স্ট্রেপটোকোকাস কালচার করা হয়। মনে রাখতে হবে, এ পরীক্ষার আগে কোনো ধরনের এন্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা যাবে।
* সেই সঙ্গে চিকিৎসক রোগের জটিলতা নিরনয়ের জন্য রক্তের হিমোগ্লোবিন, টিসি, ডিসি, ইএসআর ও এসও টাইটার পরীক্ষা করাতে পারেন।
# রোগের চিকিৎসাঃঃ
টনসিলাইটিসের চিকিৎসা দুইভাবে করা যায়। এক ওষুধ সেবন এবং দুই অপারেশন। টনসিলের চিকিৎসা নির্ভর করে কারণের ওপর। যদি ব্যাক্টেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক নিয়মমাফিক সেবন করলে মাত্র ৭ দিনে ১০০% আরোগ্য লাভ করা যায়। আর যদি এন্টিবায়োটিক ওষুধ সেবন করার পরও না কমে, তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে অপারেশন করানো যেতে পারে। এ ছাড়া কারও বেলায় অসুখটি কমে যাওয়ার পরও টনসিল দুটি ছোট হতে কিছু সময় লাগে। যদি ব্যথা না থাকে তা হলে ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই।
# সংকলিত #

সাইনোসাইটিসঃআমাদের শরীরে নাক  ও চোখের চারপাশে হাড়ের ভিতরের বায়ুপূর্ণ গহ্বরকে  সাইনাস বলা হয়। যখন এই সাইনাসগুলোতে প্রদাহ ...
10/12/2019

সাইনোসাইটিসঃ
আমাদের শরীরে নাক ও চোখের চারপাশে হাড়ের ভিতরের বায়ুপূর্ণ গহ্বরকে সাইনাস বলা হয়। যখন এই সাইনাসগুলোতে প্রদাহ হয়- তখন তাকে বলা হয় সাইনোসাইটিস। সাইনাসগুলোর সঙ্গে মধ্য কর্ণের এবং নাকের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে।সাইনাসে প্রদাহ হলে নাক দিয়ে সর্দি পড়তে পারে মাথা ব্যথা হতে পারে। সাইনাসের মধ্যে পুঁজ জমতে পারে ইত্যাদি।
যদি কারও সাইনোসাইটিস ১২ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, তখন তাকে ক্রনিক (দীর্ঘমেয়াদি) সাইনোসাইটিস বলে। এই সমস্যা যেকোনো বয়সে হতে পারে। এই সমস্যায় নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে, মাথা ধরা, মাথা ব্যথা হতে পারে।
# রোগের কারনঃ
১. সাধারণত ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ জনিত কারণে সাইনোসাইটিস হতে পারে।
২.ফাংগাস অথবা অ্যালার্জিজনিত কারণেও সাইনোসাইটিস হতে পারে।
৩.এই রোগের কিছ রিস্ক ফ্যাক্টর রয়েছে । যার মধ্যে আছেঃনাকের হাড় বাঁকা হওয়া, নাকের অ্যালার্জিক রাইনাইটিস, নাকের পলিপ, অ্যাজমা, এসপিরিন জাতীয় ওষুধ ইত্যাদি ।
৪.প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত ডাস্ট অর্থাৎ ধুলাবালি, কলকারখানার ধোঁয়া, সুগন্ধি, ঝাঁঝাল গন্ধ, মরিচের গুঁড়া, ধূমপান, দন্ত রোগ ইত্যাদি কারনেও এই রোগ হতে পারে।
# রোগের লক্ষ্মণসমুহঃ
১.নাক বন্ধ থাকা, নাক দিয়ে সর্দি ঝরা, নাকের মধ্যে শুলশুল করা, নাকের ভিতর চুলকানো, চোখ চুলকানো, চোখ দিয়ে পানি পড়া, মাথা ধরা, ব্যথা করা, নাকে গন্ধ টের না পাওয়া ইত্যাদি। ২.গলার প্রদাহ, শ্বাস-প্রশ্বাসে দুর্গন্ধ হতে পারে।
৩. অ্যাজমার রোগীদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। চোখ ঝাপসা হয়ে যাওয়া, খাদ্যের স্বাদ না পাওয়া,জ্বরও হতে পারে।
৪ খাবারে অরুচি আসতে পারে, দাঁত ব্যথা করতে পারে। নাক-কান-গলা এদের মধ্যে একটির সঙ্গে অন্যটির সংযোগ রয়েছে। রোগের যা বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
# রোগের জন্য পরীক্ষাসমুহঃ
১.নাকের এক্স-রে করলে প্যারান্যাজাল সাইনাসের সমস্যা, নাকের হাড় বাঁকা পাওয়া যেতে পারে।
২.রক্তের রুটিন পরীক্ষা(CBC), অ্যালার্জির পরীক্ষা ইত্যাদি করে রোগ নির্ণয় করা যায়।
# চিকিৎসাঃ
ফুল কোর্স এন্টিবায়োটিক, এন্টিহিস্টামিন, প্রয়োজনে মন্টিলুকাস্ট, কিটোটিফেন, অক্সি বা জাইলোমেটাজলিন নাকের ড্রপ ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে যাদের নাক বন্ধ থাকে- তাদের ক্ষেত্রে কর্টিকোস্টেরয়েড নাকের স্প্রে দেয়া হয় । মেনথল ভ্যাপার সকাল-বিকাল ব্যবহার করা যেতে পারে। তারপরও যদি সুফল না পাওয়া যায়, নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞগণ অ্যান্ট্রাল ওয়াশ বা নাকের ওয়াশ করে থাকেন।
# রোগ প্রতিরোধে করনীয়ঃ
১.যারা দীর্ঘমেয়াদী সাইনোসাইটিসে আক্রান্ত তাদের জীবন যাত্রার মানে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। যেমন-ঠান্ডা খাবার, ঠান্ডা লাগানো নিষেধ। রাস্তাঘাটে চলাফেরার সময় এমনকি কর্ম ক্ষেত্রে যদি ধুলাবালির প্রকোপ থাকে, সে ক্ষেত্রে সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করবেন। বাড়িতে লোমশ গৃহপালিত জীব-জন্তু পোষা যাবে না। সর্বক্ষেত্রে সূতির কাপড় ব্যবহার করতে হবে। কার্পেট ব্যবহার করা যাবে না। কেরোসিন বা লাকড়ির চুলা ব্যবহার করা যাবে না।
২.সাস্থ্য ভাল রাখার জন্য সঠিক পরিমাণে সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণ করতে হবে, বিশুদ্ধ বায়ু সেবন এবং বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। ধুমপান করা যাবে না।। এমনকি বাড়িতে ধুমপায়ী বাস করলেও পরোক্ষভাবে রোগীর সমস্যা হতে পারে, সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। প্রতিদিন নিয়মিত ও প্রয়োজনমতো ব্যায়াম, খেলাধুলা, কায়িক পরিশ্রম করা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
৩. যেকোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিরেকে ওষুধ সেবন করা যাবেনা।

মাইগ্রেন( Migraine) মাথাব্যথাঃমাইগ্রেন একপ্রকার দীর্ঘকালীন মাথাব্য।সাধারণত  মাথার একদিকে হয় বলে, একে এক কপালী মাথাব্যথা...
08/12/2019

মাইগ্রেন( Migraine) মাথাব্যথাঃ
মাইগ্রেন একপ্রকার দীর্ঘকালীন মাথাব্য।সাধারণত মাথার একদিকে হয় বলে, একে এক কপালী মাথাব্যথা বলে।এই ব্যাথা মাথার উভয় দিকেও হতে পারে। যাদের মাইগ্রেন এর সমস্যা আছে, তাদের শব্দ, আলো, গন্ধ, বাতাসের চাপের তারতম্য ও কিছু খাবার যেমন চকলেট, আঙুরের রস, পনির ইত্যদির প্রভাবে পুনরায় নতুন করে ভয়ঙ্কর মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। তবে মাইগ্রেনে শুধু মাথাব্যথাই হয় না, তার সঙ্গে আরো কয়েকটি স্নায়বিক উপসর্গ হয়ে থাকে (যেমন কিছু আলো বা শব্দের অনুভুতি)। উপসর্গ অনুযায়ী মাইগ্রেনের মধ্যেও অনেক রকমফের আছে। সেরকম কয়েকটি মাইগ্রেনের উপসর্গ থাকলে মাথা ব্যথা না থাকলেও মাইগ্রেন হয়েছে বলা যেতে পারে।
# মাইগ্রেনের রোগতত্ত্বঃ
ধারণা করা হয়, মাইগ্রেন একধরনের নিউরোভাস্কুলার ডিজঅর্ডার। কারণ এই সমস্যা মস্তিষ্কে সৃষ্টি হয় ও ব্রেইনের শিরা বা vein এ-র মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে
এবং ব্রেইনের সঞ্চালক রাসায়নিক নিউরোট্রান্সমিটার সিরোটনিন এই ক্ষেত্রে প্রভাব রাখে বলে ধারণা করা হয়।
# সামাজিক জীবনে এর প্রভাবঃ
মাইগ্রেন চিকিৎসা খাতের খরচ বাড়িয়ে তোলে ও উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেয়। ইউরোপীয় অঞ্চলে এটি সবচেয়ে ব্যয়বহুল নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার। এর কারণে ব্যক্তির করমক্ষতা কমে যায়। যারা মাইগ্রেন সহ্য করেও কাজে যায়, তাদের ক্ষেত্রে কার্যক্ষমতা এক তৃতীয়াংশ কমে যায়।ব্যক্তির পরিবারেও এর খারাপ প্রভাব দেখা দেয়।
# চিকিৎসাঃঃ
মাইগ্রেনের চিকিতসা দীর্ঘমেয়া। মাইগ্রেনের জন্য দীর্ঘমেয়াদে এমিট্রিপ্টিলিন বা ফ্লুনারিজিন জাতীয় অসুধ খেতে হয়।এসব অসুধ মাইগ্রেনের এটাক প্রতিরোধ করে।এছাড়া যখন মাইগ্রেনের ব্যথা উঠে তখন, ব্যথা কমানোর জন্য পেইনকিলার
খেতে হয়।

সোরিয়াসিসঃস্কিনের একটি প্রদাহজনিত রোগ সোরিয়াসিস। এটি একটি জটিল রোগ। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কোনো বয়সীরা এ রোগে আক্তান্...
06/12/2019

সোরিয়াসিসঃ
স্কিনের একটি প্রদাহজনিত রোগ সোরিয়াসিস। এটি একটি জটিল রোগ। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কোনো বয়সীরা এ রোগে আক্তান্ত হতে পারে। তবে ত্রিশোর্ধ্বরা বেশি আক্রান্ত হয়। এটি সংক্রামক রোগ নয়।মানুষের ত্বকের কোষস্তর প্রতিনিয়ত মারা যায় এবং নতুন করে তৈরি হয়। সোরিয়াসিসে এই কোষ বৃদ্ধির হার অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। যেমন ত্বকের সবচেয়ে গভীরের স্তর থেকে নতুন কেরাটিনোসাইট কোষ ওপরের স্তরে আসতে স্বাভাবিকভাবে সময় নেয় ২৮ দিন, আর এ ক্ষেত্রে তা পাঁচ থেকে সাত দিন। শরীরের কয়েক মিলিমিটার থেকে কয়েক সেন্টিমিটার জায়গাজুড়ে এই রোগ দেখা দিতে পারে।
# সংক্রমণের স্থানঃ
সোরিয়াসিস কেবল ত্বক নয়, আক্রমণ করতে পারে শরীরের অন্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গেও। সাধারণত কনুই, হাঁটু, মাথা, হাত ও পায়ের নখ আক্রান্ত হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে মাথার ত্বক আক্রান্ত হতে পারে এবং হাতের নখের রঙ নষ্ট হয়ে যায় এবং গর্ত হয়ে যায়
# ক্ষতিকারক দিকঃ
সরাসরি সূর্যালোক ও শুষ্ক ত্বক সোরিয়াসিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর। তাই সরাসরি রোদে অনেকক্ষণ থাকা যাবে না। ত্বক আর্দ্র রাখতে নিয়মিত অলিভ ওয়েল, নারকেল তেল বা পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যায়।
# রোগের ও উপসর্গঃ
১. স্কিন পুরু হয়ে যায় এবং লালচে দাগ পড়ে। ত্বক চুলকায় অথবা ব্যথা হয়। আক্রান্ত অংশ রুপালি সাদা আঁশ দ্বারা আবৃত, উজ্জ্বল লালচে বর্ণের প্লাক/খত দেখা যায়।
# রোগের কারনঃ
বংশগত কারণ ছাড়া সোরিয়াসিস রোগের নির্দিষ্ট কোনো কারণ নির্ণয় করা দুরূহ। কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে দ্রুত বৃদ্ধি হতে পারে, যেমন কোন ধরনের সংক্রমণ, ত্বকে আঘাত জনিত কারণে, আবহাওয়াজনিত শীতে বেশি এবং কিছু ওষুধ সেবনের কারণে।
# যেসব অবস্থায় রোগ ছড়িয়ে পরতে পারেঃ
কিছু শারীরিক অবস্থায় এই রোগ পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যেমন-
১.ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণ (ইনফেকশন), টনসিলাইটিস বা মুখগহ্বরের সংক্রমণ;
ত্বকে আঘাত, কাটা-ছেঁড়া, রোদে পোড়া ইত্যাদি;
২.কিছু কিছু ওষুধ, যেমন উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ, ম্যালেরিয়ার ওষুধ, লিথিয়াম, কর্টিকোস্টেরোইড ইত্যাদি;
৩. ধুমপান ও মদ্যপান;
৪ শারীরিক ও মানসিক আঘাত-অসুস্থতা ইত্যাদি।
এসব পরিস্থিতিতে সরিয়াসিস পুরো শরীরে ছড়িয়ে ইরাইথ্রোডার্মার মতো মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে, যাতে মৃত্যুও হতে পারে।
# রোগের চিকিৎসাঃ
রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে, অল্প অংশ আক্রান্ত হলে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ক্রিম, লোশান, জেল ইত্যাদি ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়ে থাকে। বেশি অংশে ছড়িয়ে পড়লে মুখে খাবার ওষুধ, আলট্রাভায়োলেট থেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ রোগ কখনোই পুরোপুরি ভালো হয় না এবং কখনোই জীবনহানির কারণ হয় না। নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।মনে রাখতে হহবে, রোগ যত পুরোনো হয়, ততই জটিল হতে থাকে। তাই দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার আওতায় আসা জরুরি। আক্রান্ত ব্যক্তিকে আজীবন চিকিৎসা নিতে হয়। তাই নির্দিষ্ট সময় নিয়মিত চেকআপ এবং ওষুধের মাত্রা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
# খাদ্যাভ্যাস ও শরীরের উপর রোগের প্রভাবঃ
সোরিয়াসিস রোগের ক্ষেত্রে খাদ্য ও খাদ্যাভ্যাসের কোনো সরাসরি প্রভাব নেই। ডায়াবেটিসের মতো এই রোগে দীর্ঘমেয়াদে শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপর প্রভাব আছে; যেমন আর্থ্রাইটিস, হৃদরোগ, লিভারের রোগ, রক্তে স্নেহজাতীয় পদার্থের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি। রোগীর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এই রোগের মারাত্মক প্রভাব রয়েছে।

10/11/2019
10/11/2019

মেদহীন শরীরে জন্য:
শরীরের মেদ কমাতে নিয়মিত ব্যায়াম করার পরেও,কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলে চিন্তিত হবেন না।কয়েকটি সহজ টিপস
অনুসরণ করে কানখিত ফল পেতে পারেন–
প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন আপনি আসলে মেদ কমাতে চান। এরপরই সারাদিনের জন্য কিছু হালকা ব্যায়াম দিয়ে শুরু করুন।হালকা হাঁটা, দুই- চার বার বুকডন দিয়েই শুরু করুন মেদ কমানোর মিশন:
১.ওয়ার্ম আপ:
ব্যায়াম করার আগে হালকা ওয়ার্ম আপ করে নিন। ওয়ার্মআপের মাধ্যমে আমাদের শরীরের পেশীগুলো ব্যায়াম করার উপযোগী হয়। আর সঠিক ভাবে ওয়ার্মআপ করলে ব্যায়ামের সময় আঘাত(ইনজুরি) থেকে রক্ষা পাওয়া যায় । ওয়ার্মআপ করতে আমরা হাঁটতে পারি,অথবা বসে সামনে ঝুঁকে হাত দিয়ে পায়ের আঙ্গুল স্পর্শ করতে পারি।
২.শ্বাস:আমাদের শরীরের পেশীগুলোর পূর্ণ ক্ষমতা কাজে লাগাতে চাইলে, গভীরভাবে শ্বাস নিন।
৩.মনোযোগ:
শরীরচর্চা করার সময় টিভি দেখার পরিবর্তে ব্যায়ামে মনোযোগ দিন।
শক্তিশালী অ্যাবস ও ভারসাম্য বাড়ানোর জন্য আপনি এক পায়ে দাড়িয়ে ব্যায়াম করতে পারেন। যখন একপায়ে দাঁড়াবেন আপনার দুই হাত মাথার ওপরে সোজা করে রাখুন।
৪:পর্যাপ্ত বিশ্রাম
সুঠাম দেহ ও মেদহীন পেট পেতে হলে আমাদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে। শুধুমাত্র কাজ করা,অথবা ব্যায়াম করার মাধ্যমে আমাদের কাঙ্ক্ষিত মেদহীন শরীর পেতে সাহায্য করবে না বরং বিশ্রামের সময়ই পেশী মজবুত ও সুগঠিত হয়।
৫. দ্রুত ব্যায়ামের চেয়ে ধীর গতীর ব্যায়ামেই আমাদের চর্বি দ্রুত কমে। তাই ব্যায়াম করার সময় প্রতিটি পদক্ষেপ ধীরে ধীরে করতে হবে।
৬. যোগব্যায়াম:
জিমে যেতে না চাইলে ঘরেই যোগব্যায়াম করার চেষ্টা করা যেতে পারে।অধিকাংশ যোগব্যায়ামের চমৎকার অঙ্গ ভঙ্গি আমাদের শরীরের সঙ্গে সঙ্গে মনও নিয়ন্ত্রণে রাখে। যার ফলে আমরা মানসিক চাপমুক্ত থাকতে পারি।
৭.ওজন নিয়ন্ত্রণ:
খুব ভালো হয় যদি আমরা নিজেদের ওজন কমানোকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে পারি। যেমন নির্দিষ্ট ৭ দিন সময়ের মধ্যে মাত্র এক পাউন্ড ওজন কমাবেন সেভাবে চেষ্টা করুন। আর সপ্তাহ শেষে ওজন চেক করে নিন। যখন আপনি কাঙিক্ষত ফলাফল পাবেন। তখন আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। এভাবেই ধীরে ধীরে শরীরের সব বাড়তি ওজন দূর হবে।
৮. খাবার: মেদহীন শরীর পেতে চাইলে খাবারে বিষয়ে অবশ্যই সর্তক হতে হবে। প্রতিদিনের খাবারে যেমন অতিরিক্ত তেল, মশলা, লাল মাংস, ফার্স্টফুড, রিচফুড রাখা যাবে না, তেমনি প্রচুর পানি পান, তাজা ফল ও সবজি, কম চর্বির দুধ ইত্যাদি প্রতিদিন খেতে হবে।
নিয়মিত ব্যায়াম এবং সঠিক ডায়েটের মাধ্যমেই আমরা পেতে পারি কাঙ্ক্ষিত মেদহীন শরীর।

10/11/2019
19/10/2019

ডেংগু জরের লক্ষন ও প্রতিকারঃ

ডেঙ্গু বর্তমান সময়ের সবচেয়ে পীড়াদায়ক রোগের একটি। এই জ্বরে আক্রান্ত একদিকে যেমন দূর্বল হয়ে পড়ে অন্যদিকে এর রেশ শরীরে থেকে যায় দীর্ঘদিন। তবে ডেঙ্গু প্রাণঘাতি কোনো রোগ নয়। বিশ্রাম ও নিয়মমাফিক চললে এ থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ডেঙ্গু জ্বর কী ও কিভাবে ছড়ায়ঃ

ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ডেঙ্গু ভাইরাস দ্বারা এবং এই ভাইরাস বাহিত এডিস ইজিপ্টাই নামক মশার কামড়ে। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা কোন ব্যক্তিকে কামড়ালে, সেই ব্যক্তি ৪ থেকে ৬ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। এবার এই আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোন জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে, সেই মশাটিও ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে একজন থেকে অন্যজনে মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে থাকে।

ডেঙ্গুর প্রকারভেদঃ
প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে, ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু ফিভার এবং ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার।

ডেঙ্গু জ্বর কখন ও কাদের বেশি হয়ঃ

মে মাস থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বিশেষ করে গরম এবং বর্ষার সময়টাতেই ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি থাকে। শীতকালে এই জ্বর হয় না বললেই চলে। শীতে লার্ভা অবস্থায় ডেঙ্গু মশা অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারে। বর্ষার শুরুতেই সেগুলো থেকে নতুন করে ডেঙ্গু ভাইরাস বাহিত মশা বিস্তার লাভ করে।

ডেঙ্গু ভাইরাস ৪ ধরনের হয়ে থাকে। তাই ডেঙ্গু জ্বরও ৪ বার হতে পারে। যারা আগেও ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে ডেঙ্গু হলে তা মারাত্মক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি বেশি দেখা যায়।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণসমূহঃ

ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর ও সেই সঙ্গে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়ে থাকে। জ্বর ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমড়, পিঠসহ অস্থি সন্ধি এবং মাংসপেশীতে তীব্র ব্যথা হয়। এছাড়া মাথাব্যথা ও চোখের পিছনে ব্যথা হয়। অনেক সময় ব্যথা এত তীব্র হয় যে মনে হয় বুঝি হাড় ভেঙ্গে যাচ্ছে। তাই এই জ্বরের আরেক নাম “ব্রেক বোন ফিভার”।

জ্বর হওয়ার ৪ বা ৫ দিনের মধ্যে সারা শরীরজুড়ে লালচে দানা দেখা যায়, যাকে বলা হয় স্কিন র‌্যাশ, অনেকটা এলার্জি বা ঘামাচির মতো। এর সঙ্গে বমি বমি ভাব, এমনকি বমি হতে পারে। রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে এবং রুচি কমে যায়। সাধারণত ৪ বা ৫ দিন জ্বর থাকার পর তা এমনিতেই চলে যায় এবং কোন কোন রোগীর ক্ষেত্রে এর ২ বা ৩ দিন পর আবার জ্বর আসে। একে “বাই ফেজিক ফিভার”বলে।

ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বরঃ

এই অবস্থাটাই সবচেয়ে জটিল। এই জ্বরে ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও উপসর্গের পাশাপাশি আরো যে সমস্যাগুলো হয়, তা হল-

১. রীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত পড়া শুরু হয়, যেমন চামড়ার নিচে, নাক ও মুখ দিয়ে, মাড়ি ও দাঁত হতে, কফের সঙ্গে, রক্তবমি, পায়খানার সাথে তাজা রক্ত বা কালো পায়খানা, চোখের মধ্যে এবং চোখের বাহিরে, মহিলাদের বেলায় অসময়ে ঋতুস্রাব অথবা রক্তক্ষরণ শুরু হলে অনেকদিন পর্যন্ত রক্ত পড়তে থাকা ইত্যাদি।
২. এই রোগের বেলায় অনেক সময় বুকে পানি, পেটে পানি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। অনেক সময় লিভার আক্রান্ত হয়ে রোগীর জন্ডিস, কিডনীতে আক্রান্ত হয়ে রেনাল ফেইলিউর ইত্যাদি জটিলতা দেখা দিতে পারে।

৩. ডেঙ্গু শক সিনড্রোমঃ
ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াবহ রূপ হল ডেঙ্গু শক সিনড্রোম। ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারের সাথে সার্কুলেটরী ফেইলিউর হয়ে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হয়। এর লক্ষণ হল-

১.রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া।
২.নাড়ীর স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হয়।

৩. শরীরের হাত পা ও অন্যান্য অংশ ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

৪. প্রস্রাব কমে যায়।

৫. হঠাৎ করে রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

কখন ডাক্তার দেখাবেনঃ
ডেঙ্গু জ্বরের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। তবে এই জ্বর সাধারণত নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। তাই উপসর্গ অনুযায়ী সাধারণ চিকিৎসাই যথেষ্ট। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়াই ভালো-

১. শরীরের যে কোন অংশ থেকে রক্তপাত হলে।

২. প্লাটিলেটের মাত্রা কমে গেলে।

৩.শ্বাসকষ্ট হলে বা পেট ফুলে পানি আসলে।
৪. প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে।

৫. জন্ডিস দেখা দিলে।

৬. অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা দেখা দিলে।

৭. প্রচণ্ড পেটে ব্যথা বা বমি হলে।

কী কী পরীক্ষা করা উচিতঃ

আসলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেঙ্গু জ্বর হলে খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার দরকার নাই, এতে অযথা অর্থেলরের ৪-৫ দিন পরে সিবিসি এবং প্লাটিলেট করাই যথেষ্ট। এর আগে করলে রিপোর্ট স্বাভাবিক থাকে এবং অনেকে বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন। প্লাটিলেট কাউন্ট ১ লক্ষের কম হলে, ডেঙ্গু ভাইরাসের কথা মাথায় রেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

ডেঙ্গু এন্টিবডির পরীক্ষা ৫ বা ৬ দিনের পর করা যেতে পারে। এই পরীক্ষা রোগ সনাক্তকরণে সাহায্য করলেও রোগের চিকিৎসায় এর কোন ভূমিকা নেই। এই পরীক্ষা না করলেও কোন সমস্যা নাই, এতে শুধু শুধু অর্থের অপচয় হয়।

প্রয়োজনে ব্লাড সুগার, লিভারের পরীক্ষাসমূহ যেমন এসজিপিটি, এসজিওটি, এলকালাইন ফসফাটেজ ইত্যাদি করা যাবে।

এছাড়াও প্রয়োজনে পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাম, বুকের এক্সরে ইত্যাদি করা যাবে।

চিকিৎসক যদি মনে করেন যে রোগী ডিআইসি জাতীয় জটিলতায় আক্রান্ত, সেক্ষেত্রে প্রোথ্রোম্বিন টাইম, এপিটিটি, ডি-ডাইমার ইত্যাদি পরীক্ষা করতে পারেন।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা কী করতে হবেঃ

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগী সাধারণত ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়, এমনকি কোনো চিকিৎসা না করালেও। তবে রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই চলতে হবে, যাতে ডেঙ্গু জনিত কোনো মারাত্মক জটিলতা না হয়। ডেঙ্গু জ্বরটা আসলে একটা গোলমেলে রোগ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হয়।

সম্পূর্ণ ভালো না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামে থাকতে হবে।

যথেষ্ট পরিমাণে পানি, শরবত, ডাবের পানি ও অন্যান্য তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।

খেতে না পারলে দরকার হলে শিরাপথে স্যালাইন দেওয়া যেতে পারে।

জ্বর কমানোর জন্য শুধুমাত্র প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধই যথেষ্ট। এসপিরিন বা ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ব্যথার ঔষধ কোনক্রমেই খাওয়া যাবে না। এতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়বে।

জ্বর কমানোর জন্য ভেজা কাপড় দিয়ে গা মোছাতে হবে।

ডেঙ্গু জ্বর কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়ঃ

ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূল মন্ত্রই হল এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং এই মশা যেন কামড়াতে না পারে, তার ব্যবস্থা করা। মনে রাখতে হবে, এডিস একটি ভদ্র মশা, অভিজাত এলাকায় বড় বড় সুন্দর সুন্দর দালান কোঠায় এরা বাস করে। স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে এই মশা ডিম পাড়ে। ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেনের পানি এদের পছন্দসই নয়। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং একই সাথে মশক নিধনের জন্য প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

#বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

#যেহেতু এডিস মশা মূলত এমন বস্তুর মধ্যে ডিম পাড়ে যেখানে স্বচ্ছ পানি জমে থাকে, তাই ফুলদানি, অব্যবহৃত কৌটা, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার ইত্যাদি সরিয়ে ফেলতে হবে। ব্যবহৃত জিনিস যেমন মুখ খোলা পানির ট্যাংক, ফুলের টব ইত্যাদিতে যেন পানি জমে না থাকে, সে ব্যবস্থা করতে হবে।

#ঘরের বাথরুমে কোথাও জমানো পানি ৫ দিনের বেশি যেন না থাকে। একুরিয়াম, ফ্রিজ বা এয়ার কন্ডিশনারের নিচেও যেন পানি জমে না থাকে।

#এডিস মশা সাধারণত সকাল ও সন্ধ্যায় কামড়ায়। তবে অন্য সময়ও কামড়াতে পারে। তাই দিনের বেলা শরীর ভালোভাবে কাপড়ে ঢেকে বের হতে হবে, প্রয়োজনে মসকুইটো রিপেলেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘরের চারদিকে দরজা জানালায় নেট লাগাতে হবে।

#দিনে ঘুমালে মশারি টাঙিয়ে অথবা কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমাতে হবে।

#বাচ্চাদের যারা স্কুলে যায়, তাদের হাফপ্যান্ট না পরিয়ে ফুল প্যান্ট বা পায়জামা পরিয়ে স্কুলে পাঠাতে হবে।

#ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই সব সময় মশারির মধ্যে রাখতে হবে, যাতে করে রোগীকে কোন মশা কামড়াতে না পারে। মশক নিধনের জন্য স্প্রে, কয়েল, ম্যাট ব্যবহারের সাথে সাথে মশার কামড় থেকে বাঁচার জন্য দিনে ও রাতে মশারী ব্যবহার করতে হবে।

#ডেঙ্গু জ্বর হয়ত বা নির্মূল করা যাবে না। এর কোন ভ্যাক্সিনও বের হয় নাই, কোন কার্যকরী ঔষধও আবিস্কৃত হয় নাই। ডেঙ্গু জ্বরের মশাটি আমাদের দেশে আগেও ছিল, এখনও আছে, মশা প্রজননের এবং বংশবৃদ্ধির পরিবেশও আছে। তাই ডেঙ্গু জ্বর ভবিষ্যতেও থাকবে। একমাত্র সচেতনতা ও প্রতিরোধের মাধ্যমেই এর হাত থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব।

Address

Lane No. 2, Segunbagan, Wireless Colony, Khulshi, Chhittagong
Chittagong
4225

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Khaled Pain and Allergy Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share