Ruqyah Care & Consultations

Ruqyah Care & Consultations This page provides Sunnah based Ruqyah services in Chittagong and around cities.

Message in the page or Call +8801722686936 (7:00PM - 10:30PM) for appointments.

01/01/2026

রাস্তার পাশের খাবার

সেদিন এক রোগীর রুকইয়াহ করতেছিলাম। পুরোনো এবং জ্বিনের প্যাশেন্ট। পর পর দুইদিন করাতে শয়তানটা মনে হয় বেশ কাহিল। এক পর্যায়ে বলল, বিরিয়ানি খাবে, মিষ্টি খাবে, সিঙ্গাড়া খাবে। রাস্তার পাশের সিঙ্গারার কথা বেশ কয়েকবার বলল।

আরো কিছু সময় যাওয়ার পর বলল, রাস্তার পাশের সিঙ্গারা খেলে তার অনেক শক্তি আসে। কারণ এসব সিঙ্গারায় মানুষের নজর পড়ে থাকে।

এজন্য রাস্তার পাশের খাবার হুমড়ি খেয়ে খাওয়ায় লেগে পড়ার আগে অন্তত দুয়া পড়ে নেয়া উচিত। পারলে সুরা ফালাক, নাস পড়ে ফুঁ দেয়া।

11/12/2025

অতি গুরুত্বপূর্ণ লেখাটি শ্রদ্ধেয় মাওলানা Iftekhar Sifat
____

রোকেয়ার পরবর্তী জীবনে ইসলামের দিকে ফিরে আসার আলাপ হচ্ছে। রোকেয়ার পরবর্তী জীবনে যেসব জিনিসকে আলামত বানানো হচ্ছে, সেটা হল ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ ইত্যাদি বলা।

এখন প্রশ্ন হল, এসব জিনিসের জন্য কি তাকে কুফুরের হুকুম দেয়া হচ্ছে? রোকেয়া ইনশাআল্লাহ বলত না, আল্লাহ বলত না- এসব কারণ দেখিয়ে তো কুফুরের হুকুম বলা হচ্ছে না। তাকে তো নাস্তিক অর্থেও কুফুরের কথা বলা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে মুরতাদ, যার ঈমান নষ্ট হয়ে গেছে।

ঈমান ও কুফুরের কোন উসুলে আছে কেউ আল্লাহ, ইনশাআল্লাহ বললে তাকে কুফুরের হুকুম দেয়া যাবে না? ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ বলা ব্যক্তিকে মুরতাদ মানা নিয়ে আশ্চর্য প্রকাশ করা হচ্ছে, এটাই নাকি ইতিহাসে প্রথম। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তো কাদিয়ানিও বলত। তাকে কেন কাফের বলা হয়? ইতিহাসে ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ বলা মুরতাদের অভাব নেই। এতে আশ্চর্য প্রকাশের কিছু নেই। একজন মানুষ আল্লাহ, ইনশাআল্লাহ বলে, নামাজ হজ্ব করেও মুরতাদ হতে পারে- এটা উলামায়ে উম্মতের কাছে নতুন কোন বিষয় নয়।

মানুষ ইনশাআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ বলেও মদ খেতে পারে, নাচগান করতে পারে, কুফুরিও করতে পারে।

এবার কিছু বোল্ড পয়েন্ট বলি:
১। মুরতাদ হওয়ার জন্য পুরো দ্বীনকে অস্বীকার করার দরকার নেই। বরং দ্বীনের যেকোন অকাট্য বিধানকে অস্বীকার বা তিরষ্কারই ব্যক্তির ঈমানকে ভঙ্গ করে দেয়।

সারাখসি রহিমাহুল্লাহ(মৃত্যু:৪৯০হি.) কৃত শরহে সিয়ারে কাবির গ্রন্থে আছে,
وَمَنْ أَنْكَرَ شَيْئًا مِنْ شَرَائِعِ الْإِسْلَامِ فَقَدْ أَبْطَلَ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ مَعْنَاهُ أَنَّهُ يَصِيرُ مُرْتَدًّا فَيُقْتَلُ إنْ لَمْ يُسْلِمْ، وَبِهَذَا اللَّفْظِ تَبَيَّنَ خَطَأُ مَنْ يَقُولُ مِنْ الْمُتَأَخِّرِينَ مِنْ أَصْحَابِنَا: إنَّ مَنْ أَنْكَرَ شَيْئًا مِنْ الشَّرَائِعِ فَهُوَ كَافِرٌ فِيمَا أَنْكَرَهُ مُسْلِمٌ فِيمَا سِوَى ذَلِكَ
যে ব্যক্তি ইসলামি শরিয়াহর কোনো একটি রোকনকে প্রত্যাখ্যান করল। সে মূলত ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’কে বাতিল ও অকার্যকর সাব্যস্ত করল। এই কথার উদ্দেশ্য হলো, সে মুরতাদ হয়ে গেছে। পুনরায় ইসলাম কবুল না করলে তাকে হত্যা করা হবে। এই কথার মধ্য দিয়ে আমাদের মাজহাবের পরবর্তীদের একটি ভুল কথা স্পষ্ট হয়ে (অপনোদিত হয়ে ) যায়। কথাটি হলো, যে শরিয়াহার কোনো একটি বিষয়কে অস্বীকার করবে। সে তাঁর অস্বীকারকৃত বিষয়ের ক্ষেত্রে কাফির হলেও ইসলামের অবশিষ্ট বিষয়ে সে মুসলিম বলে গণ্য হবে । ( শরহে সিয়ারে কাবির)

সুতরাং ইনশাআল্লাহ বলা, আল্লাহ বলা কোন ব্যক্তির কাছ থেকেও যদি দ্বীনের অকাট্য বিধানের অস্বীকৃতি- তিরষ্কার কিংবা কোন মৌলিক বিশ্বাসের বিপরীত বিশ্বাস প্রকাশ পায়, তবে এটাই তার মুরতাদ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। আর বেগম রোকেয়া থেকে এরকম একাধিক জিনিস সুস্পষ্ট প্রমাণিত। তাও সে নিজে এগুলো ধারণ করেনি, বরং প্রচার, প্রসার ও সংগ্রাম করে গেছে। অর্থাৎ মুফসিদ ফিল আরদ্ব ছিল।

২। একজন মুসলিমের আসল অবস্থা তো সে ঈমানের উপর আছে। কিন্তু যখন তার থেকে কুফুর ও রিদ্দাহ আবশ্যককারী বিষয় প্রকাশ পায়, তখন ঈমানের অবস্থায় আসার জন্য জরুরী হল, সেই বিষয় থেকে সুস্পষ্ট তাওবা ও সম্পর্ক ত্যাগ করা।

এখন যার কুফর সুস্পষ্ট ও প্রচারিত, যাকে এই অবস্থার উপর আইডল বানানো হয়েছে, তার ব্যাপারে হুকুম তার প্রকাশ্য হালতের উপরই আসবে। গোপনে তাওবা করলে সেটা তার ও আল্লাহর মাঝখানের ব্যাপারে। বাহ্যিক অবস্থার ব্যাপারেই বান্দা আদিষ্ট।

এমতাবস্থায় তাকে কেউ কাফের বললে তাকে তাওবা না করার দলিল দেখানোর প্রয়োজন নাই। কারণ কুফর এখানে সুস্পষ্ট ও প্রকাশ্য। বরং যে তাওবার দাবি করবে, দলিল তাকে পেশ করতে হবে। তার কোন লেখা বা বক্তব্যে এর তাওবার উল্লেখ থাকতে হবে। নতুবা তার উপর দুনিয়াবি হুকুম রিদ্দাহরই হবে। পার্থিব জীবনে একজন মানুষের ঈমান ও কুফুরের অবস্থান সুস্পষ্ট থাকাটা জরুরী। আর এটার জন্য বাহ্যিক অবস্থাই ধর্তব্য, গোপন অবস্থা নয়।

পাকিস্তানের সহস্রাধিক উলামায়ে কেরামের সম্মিলিত এক ফতোয়াতে এসেছে,

"মূলনীতি হচ্ছে, ব্যক্তি যখন একবার কুফরিতে জড়িয়ে পড়ে, যতক্ষণ তা থেকে তাওবা না করবে এবং এর প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ না করবে , ততক্ষণ মুসলিম হতে পারবে না। নিজের পূর্বের কোনো লেখাকে ( বর্তমানের) বিপরীতে পেশ করে দেওয়া এই পর্যায়ে এসে যথেষ্ট হবে না। বরং পরিষ্কার স্বীকার করে নিতে হবে, আমার এই কথা ভুল ও কুফরি। আমি এর থেকে তাওবা করছি ।" ( ফিতনায়ে ইনকারে হাদিস, ৯১)

আল্লামা কাশ্মিরি রহিমাহুল্লাহ বলেন, কোনো ব্যক্তি কুফরি কথা ও আকিদা-বিশ্বাস বলা ও লেখার পরে ততক্ষণ মুসলিম হতে পারবে না যতক্ষণ না কুফরি আকিদা থেকে তাওবার প্রকাশ্য ঘোষণা না দিবে। ( মুকাদ্দামায়ে ভাওয়ালপুর, ৮০)

05/12/2025

এমন কিছু টপিক দিন যেগুলো নিয়ে মোটামুটি আলোচনা করা উচিত। রুকইয়াহ মূল ফোকাস করে। আলোচনার ভিডিও দেয়ার চেষ্টা করবো

03/12/2025

কিছু ছোট রুকইয়াহ বিষয়ক প্রশ্ন লিখুন যেগুলোর উত্তর আপনি জানতে চান। ইনশা আল্লাহ্ উত্তর দেয়া হবে।

22/11/2025

হারাম রিলেসন থেকে বাঁচুন

সন্তানকে যখন দায়িত্ববান করে বড় করবেন, তখন সন্তান চাইলেও এভাবে উড়াতে পারবে না।
01/11/2025

সন্তানকে যখন দায়িত্ববান করে বড় করবেন, তখন সন্তান চাইলেও এভাবে উড়াতে পারবে না।

অবিশ্বাস্য! 🫡🔥

বিস্তারিত কমেন্টে..

The rights of the WifeCredits: Al-FirdawsOfficial
22/10/2025

The rights of the Wife

Credits: Al-FirdawsOfficial

Rights of Husbands in IslamCredits: -Firdaws Official
22/10/2025

Rights of Husbands in Islam

Credits: -Firdaws Official

07/10/2025

সরাসরি রুকইয়ার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার নিয়ম

এদের বিষয়ে আমরা কি জিজ্ঞাসিত হবো না?
21/09/2025

এদের বিষয়ে আমরা কি জিজ্ঞাসিত হবো না?

কিছু লোকজনের ধারণা, হুজুরদের যা ইচ্ছা করা যায়। আরো ধারণা, টাকা দিলেই তো রুকইয়াহ পাওয়া যায়!  আদব রক্ষা করা কি আবার!
21/09/2025

কিছু লোকজনের ধারণা, হুজুরদের যা ইচ্ছা করা যায়। আরো ধারণা, টাকা দিলেই তো রুকইয়াহ পাওয়া যায়! আদব রক্ষা করা কি আবার!

03/09/2025

একটা মেয়েকে একটা ছেলে ধর্ষণের জন্য আহবান জানায়ছে।

আরেকটা মেয়েকে অলরেডি ৭/৮ ছেলে মিলে ধর্ষণ করেছে।

দুটোই অপরাধ। কিন্তু কোনটা গুরুতর? অবশ্যই যেখানে ধর্ষণটা হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের সেকুলার ও নারীবাদী সুশীল সমাজের প্রতিক্রিয়াটা দেখুন।

দেখুন, এদের কাছে দেশে নারীবাদী কিছু মেয়ে ছাড়া আর কোন নারী নেই। এরা আপামর বাংলার মেয়েদের নারীত্বকে এবং একই সাথে তাদের অধিকারকে অস্বীকার করে।

হিজাবের জন্য ক্লাস থেকে বের করে দেয়া মেয়েগুলো এদের কাছে নারী না।
৭/৮ জন হিন্দু যুবকের হাতে ধর্ষিত মুসলিম মেয়েটা এদের কাছে নারী না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিজাব পরিহিত যেসব নারীদের ছবিতে বাজে অঙ্কন করা হয়েছে, তারাও নারী না।

মোটকথা এদের কাছে এই দেশের আপামর সাধারণ মুসলিম নারীরা নারী না। এদের কোন অধিকারও নেই।

এখন আপনারা বুঝতেই পারছেন, এরা আসলে যখন নারী বলে সেখানে কেবল নির্দিষ্ট কিছু মানুষকেই স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরা যখন নারী অধিকার বলে, সেটা আসলে কোন নারীদের অধিকারের কথা বলা হয়। এরা যখন নারী নিপীড়ন ও অধিকার হননের কথা বলে, তখন আদতে কি বুঝায়- এসব জিনিস স্পষ্ট।

এদের নারী অধিকারের ভাল একটা নমুনা ছিল নারী অধিকার নিয়ে এদের কমিশনের প্রস্তাবনা পত্রটা।

যারা বাংলাদেশের আপামর সাধারণ নারীদের ধারণ করে না, এদেশের সাধারণ মুসলিম নারীদের অধিকার ও আদর্শ নিয়ে যাদের কোন কনসার্ন নেই, যাদের অধিকার কেবল পশ্চিমের বেঁধে দেয়া কিছু অশ্লিলতা আর সিলেক্টিভ কিছু নারীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ, তখন আসলে এদের মুখে নারীর অধিকার ও মর্যাদার কথা মানায় না।

এরা নারী অধিকারের নামে কি বাস্তবায়ন করতে চায় সেটা পরিষ্কার। তাই এরা যখন নারী অধিকারের কথা বলে, সেটাকে তাদের মুখেই নিক্ষেপ করুন। মুসলিম নারীদের উচিত, এদের ভণ্ডামিগুলোকে বুঝতে ও চিনতে শেখা। এদের অধিকারের গালগল্পে প্রতারিত না হওয়া।

Iftekhar Sifat

Address

Chandrima, Chandgaon
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Care & Consultations posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ruqyah Care & Consultations:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram