Dr. Ameer Khosru H

Dr. Ameer Khosru H Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Ameer Khosru H, Doctor, Chittagong.

এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
পিজিটি
সিসিডি (ডায়াবেটিস-বার্ডেম)
মেডিসিন, শিশু, চর্ম, ডায়াবেটিস, হাঁড়-জোড়া, বাত-ব্যথা ও সার্জারিতে অভিজ্ঞ
বিঃদ্রঃ লেজার/কসমেটিক/ডিভাইস খতনা করা হয়।
📞 01786-910690 (Emergency Contact)

আজ গ্রামের একজন পড়ালেখা না জানা ব্যক্তিও যে ডায়াবেটিস শব্দ টা জানেন, রোগটার নাম জানেন তার সম্পূর্ণ সফলতা ডা মোহাম্মদ ইব্...
02/01/2026

আজ গ্রামের একজন পড়ালেখা না জানা ব্যক্তিও যে ডায়াবেটিস শব্দ টা জানেন, রোগটার নাম জানেন তার সম্পূর্ণ সফলতা ডা মোহাম্মদ ইব্রাহিম স্যারের। লাখ লাখ মানুষের সুস্থ নিরাপদ জীবনের উসিলা হয়ে গেলেন তিনি।

কিংবদন্তি চিকিৎসক ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম। ১৩ জন রোগী দিয়ে শুরু, এখন সে সংখ্যা ৪০ লাখের ও বেশী।
বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর মতো অবদান আর কেউ রাখেননি। নিজের গোটা জীবন উৎসর্গ করে গেছেন একটি দেশের মানুষ চিকিৎসা সেবা পাবে বলে। তিনি স্বপ্ন দেখে গেছেন, কাজ করে গেছেন নিরন্তর। মৃত্যুর আগে শেষ নিঃশ্বাস
অব্দি।
জন্মেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের এক প্রত্যন্ত গ্রামে। বাবা ছিলেন স্বল্প বেতনের এক ডাকঘরের পোস্টমাস্টার। বাড়ি থেকে তাঁদের নিকটতম স্কুলের দূরত্ব ও ছিল ৬ মাইল দূরে।
প্রতিদিন সেই স্কুলে হেঁটে যাতায়াত করতেন তিনি। সাংসারিক আর্থিক অভাব অনটনে বহু কষ্টে একটি বৃত্তি জোগাড় করে ফেলেছিলেন। কারণ সেকালে মুসলিম ছাত্রদের জন্য বৃত্তি পাওয়াও ছিল ভীষণ কঠিন।
১৯৩৮ এ কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে সর্বোচ্চ নাম্বার নিয়ে মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছিলেন তিনি। দেশভাগের সময় তিনি চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন কলকাতা মেডিকেলে ।‌ দেশভাগের পর নিজের ভিটেমাটি ত্যাগ করে চলে এলেন ঢাকায়। তখন তাঁকে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন করা হয়।
এর দু বছর পর পূর্ণকালীন বৃত্তি নিয়ে এমআরসিপি ডিগ্রি অর্জনের জন্য পাড়ি জমান বিশ্বখ্যাত রয়েল‌ কলেজ অব ফিজিশিয়ানে। সেখানে ডিগ্রি সম্পন্ন করে এফসিসিপি ডিগ্রির জন্য যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।
তাঁর মেধা ও দক্ষতা দেখে তাঁকে রাখার জন্য মার্কিন সরকার বেতন ও প্রনোদনা হিসেবে মোটা অংকের অর্থ দিতে চেয়েছিলো। কিন্তু নিজের বাংলাকে ভুলতে চাননি তিনি।
দেশে ফিরে এসে ডাঃ ইব্রাহিম ঢাকা মেডিকেল কলেজে ফিজিশিয়ান হিসেবে যোগ দিলেন। অথচ ঢাকা মেডিকেলের তখনো ভঙ্গুর দশা। মাত্র ৫ বছর হয়েছে মেডিকেল হয়েছে।
ডাঃ ইব্রাহিমের প্রজ্ঞা ও মেধা কতোটা ছিলো তা অবর্ণনীয়। বাঙালি হয়েও সর্বোচ্চ যোগ্যতায় ভর করে চিকিৎসা গবেষণা কাউন্সিল, পাকিস্তানের বিজ্ঞান গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন অধ্যাপক ডাঃ ইব্রাহিম।
.
ঢাকা মেডিকেল কলেজে কর্মরত থাকা অবস্থাতেই ১৯৫৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ও সমাজসেবীদের সহযোগিতায় ঢাকার সেগুনবাগিচায় তিনি প্রতিষ্ঠা করলেন 'পাকিস্তান ডায়াবেটিক সমিতি'।
পঞ্চাশের দশকেই ডাঃ ইব্রাহিম বুঝতে পেরেছিলেন, কিছুদিন পরই সময়ে ডায়াবেটিস হতে যাচ্ছে এদেশের মানুষের অন্যতম বড় শত্রু। দূরদর্শী মানুষটি তাই সত্তরের দশকেই প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ রিহ্যাবিলিটেশন ইন ডায়াবেটিস, এন্ডোক্রাইন অ্যান্ড মেটাবলিক ডিজঅর্ডারস (বারডেম)।
কালের বিবর্তনে সেই বারডেমই আজ ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় ভরসার জায়গা। প্রতিদিন সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশী রোগী এই হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন।
অথচ এই বিশাল বারডেম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ভীষণ স্বল্প পরিসরে। কারণ অর্থ এবং স্থান সংকট দুটোই ছিল। ১৯৫৭ সালে সেগুন বাগিচায় মাত্র ৩৮০ স্কয়ার ফুটের একটি টিনের ঘরে ২৩ জন ডায়াবেটিক রোগী নিয়ে বহির্বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডাঃ ইব্রাহিম।
ওখানে কেবল বহির্বিভাগ থাকার কারণ ছিলো ওখানে কোন রোগীর ভর্তির ব্যবস্থা ছিলোনা। জটিল রোগীদের হাসপাতালেই পাঠাতে হতো। ১৩ বছর পরে ১৯৭০ সালে কয়েকটি বিছানা এখানে যুক্ত করে কিছু রোগী রাখার ব্যবস্থা করেছিলেন ডাঃ ইব্রাহিম। রোগীদের ব্যবস্থাপত্রের জন্য এক টাকাও ফি নিতেন না ডাঃ ইব্রাহিম ডাঃ ইব্রাহিম চেয়েছিলেন কোন ডায়াবেটিক রোগী যেন বিনা চিকিৎসায় না মারা যায়।
দেশ স্বাধীনের পরে ১৯৮০ সালে শাহবাগে নতুন আঙ্গিকে স্থাপিত হলো বারডেম। সেগুন বাগিচার হাসপাতাল এখানে সরিয়ে আনা হল। গোটা এশিয়া মহাদেশের এটিই ছিলো সর্বপ্রথম ডায়াবেটিসের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল।
শুধু হাসপাতালই না বারডেম, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত যোগ্য লোকবল তৈরির উদ্দেশ্যে ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বারডেম একাডেমি। ওখানে এখন ডায়াবেটিস, এন্ডোক্রাইন ও মেটাবলিজম বিষয়ে এমফিল, এমডি ও পিএইচডি সহ ডিপ্লোমা ও ডিগ্রি কোর্স পরিচালনা করা হয়।
আজকের বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক কিংবা বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি, সব ডায়াবেটিস হাসপাতালগুলো আজ জানান দেয় কতো বিস্মৃত পরিসরে চিকিৎসা সেবার দ্বার উন্মোচন করেছেন তিনি। ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল বারডেম জেনারেল হাসপাতাল।
রোগীদের আর্থিক অবস্থাভেদে ওষুধ ও চিকিৎসায় ২৫ থেকে ১০০ ভাগ পর্যন্তও ছাড় দেয়া হয়। দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা ও খাবারের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করে বারডেম কর্তৃপক্ষ। বারডেমে এখন মোট ৬০টির ও বেশী বিভাগে ছয়শোর বেশী চিকিৎসক, সাতশোর বেশী নার্স ও আড়াই হাজারেরও বেশি কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন।
যে ডায়াবেটিক সমিতি শুরুতে মাত্র ১৩ জন নিবন্ধিত রোগী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলো সেই ডায়াবেটিক সমিতির বর্তমানে কার্ডধারী সেবাগ্রহীতার সংখ্যাই প্রায় ৪০ লাখ।
মানুষের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়ার এক মহারথী ছিলেন অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম। যার ত্যাগ আর তিতিক্ষার সুফল যুগ যুগ ধরে ভোগ করছে এদেশের সাধারণ মানুষ। যে অসামান্য লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবাদপ্রতিম কিংবদন্তী অধ্যাপক ডাঃ ইব্রাহিম যাত্রা শুরু করেছিলেন সেই সৃষ্টিই রাখবে তাঁকে মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায়।
আজ কিংবদন্তি জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের ১১৪ তম জন্ম বার্ষিকী। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই এই প্রবাদপ্রতিম কিংবদন্তি চিকিৎসকের প্রতি। 🙏 💕

সংগৃহীত।

01/01/2026

🦶 নখকুনি (Ingrown Toenail): ছোট সমস্যা, বড় যন্ত্রণা

অনেকেই ভাবেন—
“নখ ঢুকে গেছে, নিজেই কেটে ফেললেই ঠিক হয়ে যাবে।”
কিন্তু বাস্তবে এই সমস্যাটা ধীরে ধীরে ইনফেকশন, পুঁজ, প্রচণ্ড ব্যথা, হাঁটতে কষ্ট, এমনকি স্থায়ী ক্ষত তৈরি করতে পারে।

নখকুনি কী?
পায়ের নখ যখন পাশের চামড়ার ভেতরে ঢুকে যায়, তখন ওই জায়গায় হয়—
🔹 লালভাব
🔹 ফুলে যাওয়া
🔹 প্রচণ্ড ব্যথা
🔹 পুঁজ ও দুর্গন্ধ
🔹 জ্বর পর্যন্ত হতে পারে

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটা আরও ভয়ংকর, কারণ ছোট ক্ষত থেকেও বড় জটিলতা তৈরি হতে পারে।



🩺 চিকিৎসা: ছোট অপারেশন, বড় স্বস্তি

নখকুনির সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হলো Minor Surgery —
স্থানীয় অ্যানেসথেশিয়ায়, মাত্র 15–20 মিনিটের ছোট অপারেশন:

✔ ঢুকে যাওয়া নখের অংশ সরিয়ে ফেলা হয়
✔ ইনফেক্টেড টিস্যু পরিষ্কার করা হয়
✔ প্রয়োজনে নখের গোড়া স্থায়ীভাবে সংশোধন করা হয়
✔ ব্যথা কমে যায় অবিলম্বে
✔ ২–৩ দিনের মধ্যেই হাঁটা স্বাভাবিক

এই অপারেশনটি
🔹 নিরাপদ
🔹 সহজ
🔹 দীর্ঘমেয়াদে পুনরাবৃত্তি রোধ করে



⚠️ দেরি করবেন না যদি দেখেন—
• নখের পাশে বারবার পুঁজ হচ্ছে
• জুতা পরতে কষ্ট হচ্ছে
• হাঁটলেই ব্যথা
• নখের চারপাশে মাংস ফুলে উঠেছে



❤️ একটি সিদ্ধান্ত, আজীবনের স্বস্তি

নখকুনি এমন সমস্যা, যেটা সহ্য করলে বাড়ে,
আর সঠিক চিকিৎসা নিলে চিরতরে সারে।

নিজের পা-কে ভালোবাসুন।
ব্যথাকে অবহেলা করবেন না।
সময়মতো চিকিৎসাই সুস্থতার চাবিকাঠি।

#নখকুনি #নখ

অনেকের ই এমন হয়। পায়ের নখ মাংসের মধ্যে ঢুকে যাওয়ার চিকিৎসা...
31/12/2025

অনেকের ই এমন হয়। পায়ের নখ মাংসের মধ্যে ঢুকে যাওয়ার চিকিৎসা...

31/12/2025

🩺 একজন চিকিৎসকের দৃষ্টিতে — “পেটে পানি জমা মানে শরীরের শেষ সতর্ক সংকেত”

এই রোগীর পেটে যে বিপুল পরিমাণ পানি জমেছে,
এর চিকিৎসা নাম Ascites।
আজ আমরা যে প্রক্রিয়ায় এই পানি বের করছি,
তার নাম Paracentesis —
লোকের ভাষায়: “পানি বের করা”।

কিন্তু মানুষকে বুঝতে হবে —
পানি বের করা কোনো চিকিৎসা নয়, এটা উপসর্গের সাময়িক উপশম মাত্র।

এই পানি জমে কারণ হতে পারে —
লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার, হার্ট ফেইলিউর, কিডনি ডিজিজ, টিবি কিংবা মারাত্মক ইনফেকশন।

একজন ডাক্তার হিসেবে বলছি —
যেদিন রোগীর পেটে পানি জমে,
সেদিন শরীর আমাদের জানিয়ে দেয় যে
ভেতরের অঙ্গগুলো আর স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারছে না।

⚠️ দেরি করলে জটিলতা বাড়ে — শ্বাসকষ্ট, ইনফেকশন, কিডনি ফেলিউর, এমনকি মৃত্যু।
⚠️ শুধু পানি বের করালে রোগ থামে না।
⚠️ মূল রোগের চিকিৎসাই একমাত্র সমাধান।

📌 আমার অনুরোধ —
পেট অস্বাভাবিক ফুলে থাকলে অবহেলা করবেন না।
এটা কসমেটিক সমস্যা নয় — এটা লাইফ থ্রেটেনিং মেডিক্যাল কন্ডিশন।

শরীর চুপচাপ ভেঙে পড়ে —
ডাক্তার হিসেবে আমরা সেটা আগেই দেখতে পাই।

#পানিবেরকরা

30/12/2025

💔🫁 যখন শ্বাস নেওয়াটাই যুদ্ধ হয়ে যায়… তখন চিকিৎসাই হয়ে ওঠে আশ্রয়।

ফুসফুসের চারপাশে পানি জমে গেলে মানুষের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বুক ভরে যায়, মনে হয় দম বন্ধ হয়ে আসছে।

ঠিক তখনই এই প্রক্রিয়াটি করা হয় — Thoracentesis —
একটি সূক্ষ্ম যন্ত্রের মাধ্যমে সেই পানি বের করে আনা হয়, যাতে রোগী আবার স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারেন।

এই কাজটি করার সময় রোগীর চোখে থাকে ভয়,
কিন্তু শেষে মুখে ফিরে আসে স্বস্তির নিঃশ্বাস…
আর চিকিৎসকের মনে থাকে শুধু একটাই কথা —
“এই মানুষটা যেন আবার ঠিকভাবে বাঁচতে পারে।”

ফুসফুসের এই পানি বিবিধ রোগ, যেমন-

* ফুসফুসের ক্যান্সার
* যক্ষা
* কিডনী ফেইলিওর
* লিভার ফেইলিওর
*রক্তে এলবুমিন নামক প্রোটিন কমে যাওয়া
*ফুসফুসের তীব্র সংক্রমণ -
ইত্যাদি কারণে জমতে পারে।

এই পদ্ধতিতে পানি বের করে দুইটি উপকার হয়
- পানি পরীক্ষা করে পানি জমার কারণ/রোগ নির্ণয় করা যায়।
- পানি জমার কারণে যে শ্বাসকষ্ট হয় তা কমানো যায়।

একজন দক্ষ চিকিৎসক এর সাথে এই সংক্রান্ত সমস্যার জন্যে পরামর্শ করতে পারেন।

🙏 সুস্থতা সবার প্রাপ্য।



#পরামর্শ #ফুসফুস #ক্যান্সার #যক্ষা #টিবি #পানি

“খতনা শুধু রীতি নয়, এটি স্বাস্থ্য ও সভ্যতার দর্শন।”"যা নবীরা শিখিয়েছেন, আজ বিজ্ঞান তা স্বীকার করছে।”🔹 ইহুদী ধর্ম:ইহুদী ধ...
29/12/2025

“খতনা শুধু রীতি নয়, এটি স্বাস্থ্য ও সভ্যতার দর্শন।”
"যা নবীরা শিখিয়েছেন, আজ বিজ্ঞান তা স্বীকার করছে।”

🔹 ইহুদী ধর্ম:
ইহুদী ধর্মে খতনা হলো ঈশ্বরের সঙ্গে মানবের চুক্তির চিহ্ন। এটি নবজাতক পুরুষদের ৮ম দিনে করা হয় এবং ধর্মীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔹 ইসলাম:
ইসলামে খতনা “ফিতরাত” এবং সুন্নাত—ধর্মীয় পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔹 খ্রিস্টধর্ম:
খ্রিস্টধর্মে শারীরিক খতনা ধর্মীয় কর্তব্য নয়, তবে প্রাথমিক খ্রিস্টান সমাজে এটি প্রচলিত ছিল।

🔹 অন্যান্য ধর্ম/সংস্কৃতি:
হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন বা শিন্তোতে এটি বাধ্যতামূলক না হলেও কিছু সমাজে ঐতিহ্যগতভাবে পালন হয়েছে।

ধর্মীয় অনুশাসন ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের সাথে জড়িত, আর এর সামাজিক অর্থ বিভিন্ন সমাজে ভিন্ন।



🧬 2. আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বলে?

চিকিৎসা গবেষণা দীর্ঘকাল ধরে খতনার স্বাস্থ্যগত প্রভাব অধ্যয়ন করে এসেছে।

✔️ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা:
বিশ্বব্যাপী গবেষণায় দেখা গেছে যে খতনা HIV, HPV, ইউরিনারি ইনফেকশন, ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ও পেনাইল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

✔️ স্বাস্থ্য-পরিচ্ছন্নতা:
খুলে পরিষ্কার করা সহজ হওয়ায় ব্যাকটেরিয়া জমার সম্ভবনা কমে।

📊 USA-তে খতনা খুবই সাধারণ। প্রাধান্য ডাটা অনুযায়ী প্রায় ৭৭-৮০% পুরুষ নাগরিক খতনা করা হয়েছে।
✔️ American Academy of Pediatrics (AAP) বলেছে যে খতনার স্বাস্থ্যসম্মত উপকারিতা রয়েছে এবং পরিবার পছন্দ করলে তা করা যায়, কিন্তু এটি সব শিশুর জন্য বাধ্যতামূলক নয়।
📊 UK-তে আনুমানিক ~২০% পুরুষের খতনা হয়েছে।

#খতনা #মুসলমানি #পরামর্শ #নিয়ম #ইতিহাস #ডিভাইস

27/12/2025

এসাইটিস/পেটে পানি জমা
____________________

দেখে কি মনে হচ্ছে না এই ব্যক্তির পেট অস্বাভাবিক। অনেক বড় হয়ে গিয়েছে বা ফুল গিয়েছে। দেখে কি মনে হচ্ছে না যে উনি এখন প্রেগন্যান্ট ,কিছু পরেই বাচ্চা হবে।

কিন্তু আসলে না।একজন পুরুষ মানুষ তো আর গর্বধারণ করফে পারেন না। তাহলে এই ব্যক্তির পেটে কি?

ওনার পেটে যা আছে তা হলো সব- পানি।
হ্যা শুনতে অবাক লাগলেও এগুলো সব পানি।

আমাদের যখন

-লিভার ডিজিজ
-কিডনী ডিজিজ
- ক্যান্সার
-যক্ষা
সহ এমন কোন রোগ হয় যখন রক্তের এলবুমিন নামক প্রোটিন কমে যায় অথবা শরীর থেকে কন কারণে পানি বের হতে না পারে - তখন এমন অবস্থা হয়।

এর চিকিৎসা /প্রতিকার কি?
_____________________

পানি কিভাবে বের করতে হয় সেটা আলাদা একটি ভিডিও তে দেখাব। তবে কারণ/মূল রোগের চিকিৎসা না করলে এই পেটে পানি জমার ও কোন সমাধান হবে না।

#পরামর্শ #নিয়ম #পেট #এসাইটিস #লিভার #কিডনী #যক্ষা #পানি

খতনা করা নিয়ে এবং খতনা করার পরে গ্রামের দিকে মানুষ কিছু নিয়ম-কানুন/সংষ্কার মেনে চলেন। যার কিছুটার সত্যতা/ভ্যালু আছে, কিছ...
26/12/2025

খতনা করা নিয়ে এবং খতনা করার পরে গ্রামের দিকে মানুষ কিছু নিয়ম-কানুন/সংষ্কার মেনে চলেন। যার কিছুটার সত্যতা/ভ্যালু আছে, কিছুর নেই।

খতনা করার পরে প্রায় বাবা-মা জানতে চান?

০১. বাচ্চার খাওয়া দাওয়ার কোন বাচা/বিধি-নিষেধ আছে কিনা? টক খাওয়ানো যাবে কিনা?
০২. বাচ্চাকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে কিনা?
০৩. বাচ্চা কে প্যান্ট পড়াবে/লুংগি পড়াবে?
০৪. ডিভাইসের ক্ষেত্রে জিজ্ঞেস করেন বাচ্চা কিভাবে প্রস্রাব করবে?

আমি যেসব পরামর্শ সব বাবা-মা কেই দিই-

--> খতনা করার পরে বাচ্চাকে যে কোন খাবার খাওয়ানো যাবে। তবে যদি র্নির্দিষ্ট কোন খাবারে বাচ্চার এলার্জি-চুলকানি বা শ্বাসকষ্ট হয় তবে সেটা খাওয়ানো যাবে না।

--> বাচ্চাকে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দুধ/ডিম/মাছ/মাংস ইত্যাদি প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়াবেন।

--> বাচ্চাকে লেবু/আমলকি/জলপাই/কমলা/মাল্টা অর্থাৎ যে কোন টক জাতীয় খাবার খাওয়াবেন।

--> ডিভাইস খতনার ক্ষেত্রে বাচ্চাকে খতনা করার ২৪ ঘন্টা পর থেকে গোসল করানো যাবে।

--> ডিভাইস খতনার ক্ষেত্রে বাচ্চাকে প্যান্ট পড়ালে ভাল হয়। লুংগি নয়। তবে লেজার/সারজিকাল পদ্ধতিতে করলে তখন লুংগি পড়াতে হবে।

--> ডিভাইসের সামনে ফাকা জায়গা থাকে। এটা দিয়ে বাচ্চা সুন্দর ভাবেই প্রস্রাব করতে পারে।

___এই পরামর্শ গুলো সবার জন্যে কমন থাকে।

(ছবিতে খুব ই কিউট ছেলেকে দেখা যাচ্ছে যার খতনা কিছুদিন পূর্বে সম্পন্ন করেছিলাম)

#শিশু #খতনা #ডিভাইস #পরামর্শ #নিয়ম

26/12/2025

বাচ্চা অতিরিক্ত কান্না করলে/পেটে গ্যাস হলে/পেট ফাপল্র করণীয়...

ধন্যবাদ পৃথামণির বাবাকে এত সুন্দর ভাবে ভিডিও টি করে দেয়ার জন্যে।

#পেট #ফাপা #গ্যাস #কান্না #বাচ্চা #শিশু #ডাআমীরখসরুহৃদয়

শিশুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি
25/12/2025

শিশুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি

শিশুর হাসি—আপনার যত্নেই নিরাপদ।

১️⃣ শিশুকে কখনোই এমবিবিএস ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত এন্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ঔষধ দিবেন না
২️⃣ ওজন এবং বয়স অনুযায়ী ঔষধ এর ডোজ/মাত্রা নির্ধারণ জরুরী
৩️⃣ এন্টিবায়োটিক মাঝপথে বন্ধ করবেন না।
৪️⃣ জ্বর ৩ দিন না কমলে ডাক্তার দেখান।
৫️⃣ খাওয়ার সময় বমি করলে জোর করে ওষুধ দেবেন না।

​ডা. আমীর খসরু হৃদয়
​(Child & Medicine)
সিরিয়াল : ০১৭৮৬-৯১০৬৯০










ডায়াবেটিস কে বলা হয় - Mother of all disease. তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ খুব ই জরুরি
25/12/2025

ডায়াবেটিস কে বলা হয় - Mother of all disease.

তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ খুব ই জরুরি

এগুলো কোন যুদ্ধের প্রস্তুতির অস্ত্র শস্ত্র নয় নয় বড়সড় কোন গাড়ি/ভবন তৈরির জন্যে যন্ত্র।এগুলো একজন অর্অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্...
24/12/2025

এগুলো কোন যুদ্ধের প্রস্তুতির অস্ত্র শস্ত্র নয়
নয় বড়সড় কোন গাড়ি/ভবন তৈরির জন্যে যন্ত্র।

এগুলো একজন অর্অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ এর খেলনা।
😁

Address

Chittagong

Telephone

+8801786910690

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Ameer Khosru H posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Ameer Khosru H:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category