Dental Health Care.

Dental Health  Care. Here you can find details and advice about dental first aid. If you have any questions about teeth,

দাঁত থাকতে দাঁতের যত্ন নিন,যৌবন কালের চেয়ে বৃদ্ধ কালের দঁাতের প্রয়োজন বেশী হয়।
14/09/2025

দাঁত থাকতে দাঁতের যত্ন নিন,
যৌবন কালের চেয়ে বৃদ্ধ কালের দঁাতের প্রয়োজন বেশী হয়।

🦷মার্কারী ফিলিংয়ের ক্ষতিকর দিক 🦷মার্কারী ফিলিং (Mercury Filling) – যেটিকে সাধারণত অ্যামালগাম ফিলিং (Amalgam Filling) বল...
05/08/2025

🦷মার্কারী ফিলিংয়ের ক্ষতিকর দিক

🦷মার্কারী ফিলিং (Mercury Filling) – যেটিকে সাধারণত অ্যামালগাম ফিলিং (Amalgam Filling) বলা হয় – এতে পারদ (mercury), রূপা (silver), টিন (tin), তামা (copper) ইত্যাদি ধাতব উপাদান থাকে। যদিও এটি বহু বছর ধরে দাঁতের ক্ষয় পূরণে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, তবে এতে থাকা পারদের জন্য কিছু স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে।

🛑 মার্কারী ফিলিংয়ের ক্ষতিকর দিকসমূহ:
1. পারদ বাষ্প নির্গমন করে
অ্যামালগাম ফিলিং থেকে খুব অল্প পরিমাণে পারদ বাষ্প নির্গত হতে পারে, বিশেষত চিবানো, দাঁত ঘষাঘষি করা বা গরম পানীয় খাওয়ার সময়।

দীর্ঘমেয়াদে এটি ফুসফুস দিয়ে শরীরে ঢুকে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

2. অ্যালার্জি বা সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া
কিছু মানুষ পারদের প্রতি সংবেদনশীল হতে পারে, যার ফলে মুখে জ্বালা, ফোলাভাব বা অন্যান্য অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

3. গর্ভবতী নারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ
গর্ভাবস্থায় মার্কারী শরীরে প্রবেশ করলে গর্ভের শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

4. পরিবেশ দূষণ
ফিলিং বাদ দেওয়ার সময় বা ফেলায় মার্কারী পরিবেশে মিশে যায় এবং জলজ প্রাণী ও পরিবেশে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

5. কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানসিক সমস্যা
দীর্ঘমেয়াদি মার্কারী এক্সপোজারে মাথাব্যথা, মনোযোগে সমস্যা, হতাশা বা স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার মতো মানসিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

✅ বিকল্প হিসেবে কী ব্যবহার করা যায়?
💊কম্পোজিট ফিলিং (Composite resin) – দাঁতের রঙের সঙ্গে মেলে, মার্কারী নেই।

💊গ্লাস আয়োনোমার (Glass Ionomer) – শিশুদের দাঁতের জন্য ভালো বিকল্প।

💊সেরামিক বা পোরসেলিন ফিলিং – দীর্ঘস্থায়ী ও দেখতে ভালো।

🔍মার্কারী ফিলিং এখনও অনেক দেশে নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে যাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেশি বা যাঁরা পরিবেশ-সচেতন, তাঁদের জন্য বিকল্প ফিলিং বেছে নেওয়া অধিক উত্তম।
Noor Dental BD নূর ডেন্টাল ঝিনাইদহ

সময়ের কাজ সময়ে করুন।
07/07/2025

সময়ের কাজ সময়ে করুন।

পরফাইরোমোনাস জিনজাইভালিস। দাঁতে থাকা ৬০০+ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে একটি। ২০১৯ সালে এই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি আলঝেইমার ...
09/03/2025

পরফাইরোমোনাস জিনজাইভালিস।
দাঁতে থাকা ৬০০+ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে একটি। ২০১৯ সালে এই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি আলঝেইমার রোগীদের মস্তিষ্কে খুঁজে পাওয়া যায়, যা মূলত দাঁতের ক্যাভিটি থেকে রক্তনালির মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছায়।

এবার আসি অন্য গল্পে। ইদুর নিয়ে একটা গবেষণা হয়। দেখা যায়, ইদুরের দাঁত থেকেও একই ব্যাকটেরিয়া রক্তের সাথে ব্রেইনে পৌঁছায়। এরপর গোটা মস্তিষ্কজুড়ে তৈরি করে ব্যাকটেরিয়ার কলোনি।

কলোনিগুলো রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিশেষ এক প্রোটিন তৈরি করে। ধীরে ধীরে স্নায়ুকোষ ধ্বংস করাই এই প্রোটিনের কাজ। যা আলঝেইমার রোগের কারণ। ইদুরের এই গবেষণা থেকে জানা যায়, এই ব্যাকটেরিয়া আলঝেইমারের জন্য দায়ী।

তবে মানুষের মস্তিষ্কে এই ব্যাকটেরিয়া একইভাবে কাজ করে কি না, তা এখনও পরিস্কার জানা যায়নি। প্রয়োজন আরও বিস্তর গবেষণার। ব্যপারটি নিশ্চিত হলে আলঝেইমার চিকিৎসার নতুন কিছু দিক উন্মোচন হবে।

Have a nice teeth,have a nice smile, Laser composite filling.
30/10/2024

Have a nice teeth,have a nice smile,
Laser composite filling.

সময় থাকতে যত্ন নিন নতুবা আপনার দাতঁ ই হতে পারে আপনার কাল।ছবিতে দেখুন আক্কেল দাঁতটি শুয়ানো অবস্থায় পাশের দাতঁ কে কিভাবে ধ...
09/12/2022

সময় থাকতে যত্ন নিন নতুবা আপনার দাতঁ ই হতে পারে আপনার কাল।ছবিতে দেখুন আক্কেল দাঁতটি শুয়ানো অবস্থায় পাশের দাতঁ কে কিভাবে ধাক্কা দিচ্ছে,নিরবে অন্য দাতঁকে নিরবে নষ্ট করছে।প্রতি ৬ মাস অন্তর আপনার ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ নিন।সুস্থ থাকুন।

দাঁতের রোগ ফ্লুরোসিস  কি? কেন হয়? চিকিৎসা ও প্রতিকার কি    ? খুব সাধারণভাবে তুলে ধরছি।।।।। * দাঁতের ফ্লুরোসিস কি?      ...
09/06/2022

দাঁতের রোগ ফ্লুরোসিস কি? কেন হয়? চিকিৎসা ও প্রতিকার কি ? খুব সাধারণভাবে তুলে ধরছি।।।।।

* দাঁতের ফ্লুরোসিস কি?

ফ্লুরোসিস একটি দীর্ঘস্থায়ী দাঁতের রোগ।যা উচ্চস্তরের ফ্লুরাইড দীর্ঘদিন ধরে গ্রহণ করার জন্য রোগীর দাঁত এবং হার গুলিতে আক্রান্ত হয়।
কারণ: দীর্ঘদিন ধরে ডাক্তাররা এর উপস্থিতির কারণ হিসেবে দুই ভাবে ফ্লুরাইড মানুষের শরীরে অবস্থান করে বলে বুঝিয়েছেন :
১. পানি ফর্মে: যেমন কোন অঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রভাবিত করে যেখানে অতিরিক্ত জলের মিশ্রণ গুলো পানীয় জলের পাশাপাশি খাবারে পাওয়া যায় ফ্লুরাইড। কোন ব্যক্তি পানিতে উচ্চ পরিমানে ফ্লোরাইড রয়েছে তা না জেনে গ্রহণ করতে থাকলে এই রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়
২. পেশাদার ফর্মে:কোন অ্যালুমিনিয়াম শিল্পের শ্রমিক রা সংস্পর্শে আসে ফ্লোরা ইন যৌগ গুলো। এই ফ্লুরাইড যৌগগুলো বায়ুমন্ডলে র মধ্যে অবস্থিত। এর প্রসার ও তীব্রতা সরাসরি পানীয় জল এবং খাদ্য ফ্লোরাইডের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। তাই এ রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
অতএব আমরা বলতে পারি যে মানবদেহে ফ্লোরসিস সংঘটিত হওয়ার প্রধান কারণ হলো দীর্ঘদিন ফ্লোরিন যৌগের নিয়মিত বর্ধিত ভোজন।
*****ফ্লোরাইডযুক্ত পানি 1.5 মিলিগ্রাম/লিটার ।এর চেয়ে বেশি ফ্লুরাইড থাকলে তা গ্রহণ করা যাবে না আর যদি দীর্ঘদিনগ্রহণ করা হয় তবে ফ্লুরোসিস অনিবার্য প্রকাশ পায়। প্রায়ই শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে বিশেষত যাদের বয়স চার বছরের বেশি হয় না।

লক্ষণ গুলোর মধ্যে দেখা যায় যে
*ফ্লুরোসিস এর প্রধান লক্ষণ হলো দাঁত এনামেলের পৃষ্ঠে দাগের উপস্থিতি এবং মারাত্মক রূপ হচ্ছে এনামেল ভঙ্গুরতা। যা সহজেই মাড়ির কিনারে পুরো দাঁতের উপর ক্ষত ক্ষত দাগ। দাগ গুলি সাদা বা হলুদ বর্ণের হতে পারে।সাদা থেকে আস্তে আস্তে দাঁতের উপর ডার্ক বাদামী বর্ণের পিগমেন্ট যুক্ত দাগ গুলো প্রকাশ পায় এবং দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয় ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত দেখা যায়।
মারাত্মক আকার যেটি সেটি হল এনামেল ধীরে ধীরে ধ্বংস হয় ওপুরো দাঁত নষ্ট হয়ে যায়।

চিকিৎসা:
যদি কোন রোগীর মধ্যে ফ্লুরোসিস ধরা পড়ে তবে তাড়াতাড়ি যথাসম্ভব চিকিৎসা শুরু করা উচিত।
১. প্রথমেই অবশ্যই দাঁতের দাগগুলো মোচন করতে হবে হোয়াইটেনিং পদ্ধতির মাধ্যমে। যেমন লেজার হোয়াইটেনিং উইথ হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ব্যবহার করে।সতর্কতাঃ খেয়াল রাখতে হবে যে মাড়িতেযেন না লাগে।
২ রাসায়নিক ব্লিচিং এনজাইম হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ব্যবহার করে। সতর্কতাঃ মারিতে যেন না লাগে
৩.যদি সম্ভব হয় ভালো ফিলিং ম্যাটেরিয়াল দিয়ে ফিলিং করা ।
৪.ফিলিং যদি সম্ভব না হয় তবে ভিনিয়ার বা ক্রাউন ফিলিং করা যায় ।
৫.ফ্লোরসিস চিকিৎসা সময় এবং এর সমাপ্তির পরে রোগীর শরীরে ফ্লুরাইড গ্রহণ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে । ফ্লুরাইড যদি পানীয় জলের ঘনত্বের বেশি থাকে তবে বোতলজাত পানি খাওয়া উচিত ।যতটা সম্ভব দুধ শাকসবজি এবং ফল খাওয়া । গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট কমপ্লেক্স গ্রহণ করা । যেমন ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট, ক্যালসিয়াম ফসফরাস।
৬. কোন ক্ষেত্রেই টুথপেস্টে ফ্লোরাইড থাকা উচিত না। ফ্লুরাইড ছাড়া টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে।
শিশুদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক কৃত্রিম খাওয়ানোর তাড়াহুড়া করবেন না সুষম পরিপূরক খাদ্য খাওয়ানোর সময় দুগ্ধজাতীয় খাবার উচিত এবং শরীরের ভিটামিন সি এবং ডি গ্রহণের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম শরীরের চাহিদা বিবেচনা করে তা নিশ্চিত করতে হবে ডাক্তারের পরামর্শে।
**ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস একটি উচ্চ উপাদান যুক্ত ভিটামিন গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় যা শরীরের অতিরিক্ত ফ্লুরাইড অপসারণ করে থাকে।
৭. টুথপেস্ট এবং মাউথওয়াশ গুলি ফ্লোরাইড মুক্ত থাকতে হবে।
৮. নরম টুথব্রাশ ব্যবহার করবেন।
পানিতে ফ্লুরাইডের পরিমাণ হবে প্রতি লিটারে ১.৫ মিলিগ্রাম।
৯. বাসার খাওয়ার পানিতে যদি ফ্লুরাইড বেশি থাকে তবে সে পানি খাওয়া যাবে না। বোতলজাত পানি খেতে হবে। এরকম রোগীদের ক্ষেত্রে বাসা বা অঞ্চলের পানি পরীক্ষা করে নিতে হবে। জানতে হবে ফ্লুরাইড এর পরিমাণ কতটুকু আছে।
দাঁতকে সাদা করার একটি ঘরোয়া উপায় হল: সপ্তাহে একবার দাঁত ব্রাশ করুন বেকিং সোডার সাথে প্রতি চিমটে তিন ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
ধন্যবাদ।

18/04/2022

বেশিরভাগ মানুষ ভাবেন, দাঁত তুলে ফেললে হয়তো চোখের ক্ষতি হতে পারে।
এ বিষয়টির মুখোমুখি আমরা প্রতিনিয়ত হই। তবে বিষয়টি আসলে সত্য নয়।’

দাঁতের নার্ভ আর চোখের নার্ভ সম্পূর্ণ আলাদা।অনেক সময় দাঁতে ব্যথা হলে সে ব্যথা আমাদের কানে বা মাথায় বা চোখে অনুভূত হয়। একে রেফার্ড পেইন বলে। তার মানে দাঁতে যে ব্যথা হচ্ছে, ব্যথা কোনোভাবে সেখানে চলে যাচ্ছে। তবে তার মানে এই নয় যে দাঁতের নার্ভের সঙ্গে চোখের নার্ভ বা কানের নার্ভের যোগাযোগ রয়েছে। সুতরাং দাঁত তুলে ফেললে চোখের বা কানের কোনো ক্ষতি হবে না। চোখের পাওয়ার কমে যাওয়ারও কোনো আশঙ্কা নেই।’

তবে মুখের অসুখ (পিরিয়ডনিটিটিস) হলে হৃদরোগের ঝুঁকি নিয়ে থাকে।দুর্বল দাঁত বা মুখে অসুখ থাকলে সেই জীবাণু রক্ত প্রবাহে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়, যা হৃদরোগকে প্রভাবিত করতে পারে।যাদের কৃত্রিম ভালভ আছে তাদের বিপদ বেশী। দুর্বল দাঁত বা মুখে অসুখের সাথে ডায়াবেটিস এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের সম্পর্ক রয়েছে।

18/04/2022

এই ডাক্তারি পরামর্শটির বাস্তব উদাহরণ আমি নিজে!!!
গত মার্চের ৬ তারিখের গভীর রাতে আমার ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল! দ্রুত ওঠে বাথরুমে পেসাব করে বোতলে পানি খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ি। তার দুইদিন পর সিমটম শুরু হলে নিউরোসাইন্স হাসপাতালে যাই। যথারীতি সিটিস্ক্যান! ধরা পড়ে মাইনর স্ট্রোক!
পরামর্শঃ-
যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ:

আমরা প্রায়ই শুনতে পাই একেবারে সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন। এটার একটা কারন হচ্ছে রাতে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি, যা ব্রেইনে রক্তের প্রবাহ হঠাত কমিয়ে দেয়। এটা আপনার ইসিজি প্যাটার্নও বদলে দেয়।

হুট্ করে ঘুম থেকে উঠেই দাঁড়িয়ে পড়ার দরুন আপনার ব্রেইনে সঠিক ভাবে অক্সিজেন পৌছাতে পারেনা, যার ফলে হতে পারে হার্ট এ্যাটাকের মত ঘটনাও।

ডাক্তাররা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার আগে সবাইকে 'দেড় মিনিট' সময় নেয়ার একটি ফর্মুলা দিয়েছেন।

এই দেড় মিনিট সময় নেয়াটা জরুরি কারন এটা কমিয়ে আনবে আপনার আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা।

হঠাৎ এই উঠে পড়ার সময়ে এই দেড় মিনিটের ফর্মুলা বাঁচিয়ে দিতে পারে আমাদের জীবন।

১। যখন ঘুম থেকে উঠবেন, হুট করে না উঠে মিনিমাম তিরিশ সেকেন্ড বিছানায় শুয়ে থাকুন।

২। এরপর উঠে বিছানায় বসে থাকুন তিরিশ সেকেন্ড।

৩। শেষ তিরিশ সেকেন্ড বিছানা থেকে পা নামিয়ে বসুন।

এই দেড় মিনিটের কাজ শেষ হবার পর আপনার ব্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন পৌছাবে যা আপনার হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি একদম কমিয়ে আনবে।

খুবই গুরুত্তপুর্ন এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যটি‌ ছড়িয়ে দিন আপনার পরিবার, বন্ধু এবং পরিচিত লোকজনের মাঝে। নিজে এই ফর্মুলাটি মেনে চলুন এবং অন্যদেরকেও মানতে বলুন।

মনে রাখবেন যেকোন বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। সুতরাং সবাই নিয়মটি মানতে চেষ্টা করবেন প্লিজ।
বিদ্রঃ সংগৃহীত, জনসচেতনতার জন্যে প্রচারিত।

06/04/2022

ইফতারের পর হার্ট এটাক বাড়ছে
"সতর্ক হতে হবে"

ইফতারের পর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি হওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।অনেকে হার্ট এটাকের ব্যাথা কে ভুল করে এসিডিটির পেইন মনে করে এন্টাসিড বা ইনো খেয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে বা তীব্র বুকের ব্যাথা নিয়ে রমজান মাসে সন্ধ্যা বেলা ইফতারির পর চিকিৎসক এর চেম্বারে বা হসপিটালের ইমারজেন্সী বিভাগে চলে আসেন। ইসিজি করার পর প্রতীয়মান হয় যে উনার হার্ট এটাক হয়েছে এবং ততক্ষণে জটিলতা বেড়ে যায়।

যেকোনো ভারী খাবার দাবারের পর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রচুর খাবার একসাথে গেলে সেগুলোকে সামাল দেয়ার জন্য পাকস্থলীকে তার কাজ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে হয়। বেশি কাজ মানেই বেশি শক্তি। এই অতিরিক্ত শক্তির জন্য তার রক্তও দরকার হয় বেশি। কিন্তু এই রক্ত সে পাবে কই?
পাকস্থলীর মোটামোটি কাছের প্রতিবেশী যেহেতু হার্ট, তখন হার্টকে স্যাক্রিফায়েস করতে হয় বেশ খানিকটা রক্ত। আর ঠিক তখনই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।

রোজায় সারাদিন না খেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বেশ ক্ষুধার্ত থাকি। ব্রেইন বারবার সিগনাল পাঠাতে থাকে - খাবার দাও, খাবার দাও।
টেবিলে সাজানো সুস্বাদু সব খাবার আর ব্রেইনের সিগনালের ফাঁদে আমরা খুব সহজেই ধরা পড়ে যাই। গোগ্রাসে প্রচুর খাবার গিলতে থাকি।
তারপর আমাদের অজান্তেই শরীরের মধ্যে চলতে থাকে আন্তঃপ্রতিবেশী রক্ত আদান-প্রদান। কখনো কখনো হজম প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে শরীরের বিভিন্ন অর্গান বা অংগ থেকে পাকস্থলী বা স্টম্যাক এর দিকে রক্তের ডাইভারসন হয়, এর মাঝে হৃদপিন্ড বা হার্ট অন্যতম যেখানে রক্ত চলাচলে স্বল্পতা ঘটে।ফলশ্রুতিতে ভারী খাবার দাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় চারগুণ।

তাই, ইফতারে খাবার কম খান। দরকার হলে অল্প অল্প করে ২/৩ বারে খান।
নিজের স্বজনদের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখুন।

Collected from Dr. Hafsar Diary's page

ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্যের অনেকখানিই নির্ভর করে মুখের স্বাস্থ্যগত অবস্থা তথা দুর্গন্ধমুক্ত মুখগহ্বরের ওপর। কিন্তু দুর্গন্ধ ...
09/03/2022

ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্যের অনেকখানিই নির্ভর করে মুখের স্বাস্থ্যগত অবস্থা তথা দুর্গন্ধমুক্ত মুখগহ্বরের ওপর। কিন্তু দুর্গন্ধ বা দুর্গন্ধযুক্ত শ্বাস অনেক সময়ই বিরক্তিকর সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কেউ কেউ হয়তো এমন অবস্থা সম্পর্কে খুব একটা অবগত থাকেন না। কিছু নিয়মকানুন মেনে চললেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

মুখে দুর্গন্ধ কেন হয়????

১. প্রতিবার খাবার গ্রহণে মুখের ভেতরে খাদ্য আবরণ দাঁতের ফাঁকে, মাড়ির ভেতর জমে দন্তমল সৃষ্টি হয়। পরে তা থেকে মাড়ির প্রদাহ দেখা দেয়।
২. মুখের যেকোনো ধরনের ঘা বা ক্ষত।
৩. আঁকাবাঁকা দাঁত থাকার কারণে খাদ্যকণা ও জীবাণুর অবস্থান।
৪. মুখের ভেতরে ছত্রাক ও ফাঙ্গাস।
৫. মুখের ক্যানসার।
৬. ডেন্টাল সিস্ট বা টিউমার।
৭. দুর্ঘটনার কারণে ক্ষত।

এ ছাড়া দেহের অন্যান্য রোগের কারণেও মুখের দুর্গন্ধ হতে পারে, যেমন: পেপটিক আলসার বা পরিপাকতন্ত্রের রোগ, লিভারের রোগ, গর্ভাবস্থা, কিডনির জটিলতা, বাতজনিত রোগ, ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র, উচ্চ রক্তচাপ, গলা বা পাকস্থলীর ক্যানসার, এইডস, হূদেরাগ, মানসিক রোগ, নাক, কান, গলার রোগ ইত্যাদি।

মুখে দুর্গন্ধ হলে আপনি যা করবেন

১. পরিষ্কার উন্নতমানের একটি ব্রাশ ও পেস্ট দিয়ে দাঁতের সব কটি অংশ ভেতরে-বাইরে পরিষ্কার করুন (তিন বেলা খাবারের পর)।

২. জিব পরিষ্কারের জন্য জিব ছোলা ব্যবহার করুন। বাজারে স্টেনলেস স্টিল অথবা প্লাস্টিকের জিব ছোলা পাওয়া যায়।

৩. যেকোনো ধরনের মাউথওয়াশ (ক্লোরহেক্সিডিন জাতীয়) দুই চামচ মুখে ৩০ সেকেন্ড রেখে ফেলে দিয়ে আবার অল্প গরম লবণপানিতে কুলকুচি করুন। প্রতিদিন অন্তত দুবার, সকালে ও রাতে খাবারের পর।

৪. অবসর সময়ে মুখের ভেতরে একটি লং বা এলাচির দানা রাখুন।

৫. প্রতিবার আহারের পর (যা কিছু খাবেন, যেমন: বিস্কুট, ফলমূলজাতীয় খাবার) সম্ভব হলে দাঁত ব্রাশ করুন অথবা কুলকুচি করে ফেলুন।

৬. ধূমপান বা তামাকজাত দ্রব্য জর্দা, পান ইত্যাদি ত্যাগ করুন।

৭. দাঁতের ফাঁকে বা মাড়ির ভেতরে অনেক সময় খাদ্যকণা জমে পচন শুরু হয়। ডেন্টাল ফ্লস, টুথ পিকসের (একধরনের জীবাণুমুক্ত শলাকা) সাহায্যে খাদ্যকণাগুলো বের করুন।

ডেন্টিস্ট শিপন সূএ ধর।

Address

Chittagong

Telephone

+8801627661958

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dental Health Care. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram