Dr. Jahangir Kabir

Dr. Jahangir Kabir হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট হতে স্থায়ীভাবে ?

এ্যা,'জমা বা হাঁ,'পানি হলো শ্বাস-নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস-নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্র...
12/06/2022

এ্যা,'জমা বা হাঁ,'পানি হলো শ্বাস-নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস-নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হাঁ,'পানির বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন- কা,শি, শ্বাস-কষ্ট, বু কে চাপ চাপ অনুভব করা, দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাঁশির মতো শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাস-নালিতে যদি ধুলা,ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এর প্রকোপ।

এ্যা,'জমার উপসর্গগুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাস নালীতে কোন ধরনের এ্যা,'লজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কা,'শি বা শ্বাস-কষ্ট, বুকে বাঁশির মতো শোঁ শোঁ শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাঁচি হয়,না'ক দিয়ে পানি পড়ে, চো'খ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গগুলোর সঙ্গে বংশে কারও যদি এ্যা,'জমায় আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যা"জমা রয়েছে

এ্যা"জমা/হাঁ 'পানি যে কোন বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে, কারও কারও বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগ-রেণু থেকে,পশুপাখির পালক, ছত্রাক,মল্ট,ইস্ট,প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে যারা থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি/শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে।কারও কারও বিভিন্ন সুগন্ধি,মশার কয়েল বা কারও কারও কীটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।

এ্যা,'জমার বয়স যত বৃদ্ধি পাবে এর সমস্যার পরিধিও তত বৃদ্ধি পাবে।তাই উক্ত সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে Send Message অপশনে ক্লিক করে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন।

বিশ্বাস রেখে দেখেন,অবশ্যই সমাধান পাবেন।ইনশাআল্লাহ।

অ্যাজমা বা হাঁপানি ।দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপ...
12/06/2022

অ্যাজমা বা হাঁপানি ।
দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা । অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোন কারণ জানা না গেলেও চিহ্নিত করা হয়েছে প্রধানত ২ টি কারণকে বলে জানালেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা.শাহরিয়ার জামান দীপ ।
১) ‘এটোপি’ বা বংশগত (Genetic) ও ‘এলার্জি’ পরিবেশগত উপাদান এবং
২) শ্বাসনালীর অতি-সক্রিয়তা (Bronchial hyper-responsiveness)
পৃথিবীজুড়ে ৩০ কোটি লোক অ্যাজমায় আক্রান্ত, যা ২০২৫ সাল নাগাদ ৪০ কোটিতে পৌছবে । বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ । যার মধ্যে ৪০লাখই শিশু ।
৬৫% মানুষের আক্রান্ত হবার কারণ এলার্জি । যুবক বয়সে অ্যাজমা আক্রান্তের হার ১৫% । পেশাগত ভাবে ‘potent sensitizer’ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫-২০% এজমায় আক্রান্ত হয় ।
অ্যাজমা রোগের লক্ষণ চেনার উপায় ।
- শ্বাসকষ্ট, সাথে শুকনো কাশি ।
- শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাঁশির মতো সাঁ সাঁ শব্দ ।
- হঠাৎ দমবন্ধ ভাব অনুভব করা ।
- ধুলোবালি বিশেষভাবে ঘরের ধুলো, ঠাণ্ডা কিংবা গরমের কারণে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট ।
- ঋতু পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্ট ।
- বিটাব্লকার বা অ্যাসরিন জাতীয় ওষুধ খেলে শ্বাসকষ্ট ।

12/06/2022

#আসসালামু_আলাইকুম।।।।।।।
আজকে আমরা জানবো #ডাস্ট_এলার্জি_কি?
#ডাস্ট_এলার্জি মূলত আমাদের আশেপাশের ধুলাবালি এবং পরিবেশগত করনে হয়ে থাকে।আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে আমাদের ফুসফুসে এবং শ্বাস নালীতে ধুলাবালি প্রবেশ করে যা আসলে অধিক দিন জমাট বেঁধে থাকতে থাকতে কফ শ্লেষায় পরিনত হয়।যার ফলে আমাদের শ্বাস নালীতে জমাট বেঁধে থাকার কারনে নিঃশ্বাসে সমস্যা হয়।তখন আমরা মূলত অতিরিক্ত হাঁটা চলা,ভারী পরিশ্রম, জোরে কথা বললে,বা শুয়ে থাকলে ফুসফুসে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন সরবরাহ হতে না পেরে মূলত শ্বাসকষ্ট সমস্যা দেখা দেয়। আবার অনেকের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধোঁয়া বা ধুলাবালি থেকে অতিরিক্ত হাঁচি, সর্দি,চোখ চুলকানো,চোখ লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

শরীরে এমন অনেক সমস্যা আছে যা রোগ হিসাবে গন্য করা হয় না কিন্তু সেই সমস্যা গুলি রোগের থেকেও বেশি চিন্তিত করে তোলে। এখন যদি...
12/06/2022

শরীরে এমন অনেক সমস্যা আছে যা রোগ হিসাবে গন্য করা হয় না কিন্তু সেই সমস্যা গুলি রোগের থেকেও বেশি চিন্তিত করে তোলে। এখন যদি ত্বক সম্পর্কিত সমস্যার কথা বলা হয়, তাহলে ত্বকের এলার্জির কথা শুনতে সাধারণ মনে হলে্, কখনও কখনও এটি এমন সমস্যার সৃষ্টি করে যে মানুষের জ্বর পর্যন্ত হয়ে যায়।

ত্বক আপনার সৌন্দর্যর একটি আয়না। নিজেকে আকর্ষণীয় দেখার জন্য আপনি যেটা চেষ্টা করেন তা আপনার শরীরে কোথাও জমা হয়। প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের চামড়ার এলার্জি রয়েছে কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এটি প্রতিরোধ করার জন্য কোনো প্রতিকার গ্রহণ করেন না। সর্বাধিক বিষয় হল যে অনেকেই জানেন না যে সঠিক চিকিত্সার অভাবের কারণে, তাদের ত্বক খুব খারাপ হতে পারে এবং ক্ষতির শিকার হতে পারে। সুতরাং চর্ম এলার্জি, উপসর্গ এবং তাদের প্রতিরোধ করার উপায়গুলি সম্পর্কে জানা যাক।

কিভাবে এলার্জির প্রতিক্রিয়া হয়-

বহু মানুষ ত্বক এলার্জি দ্বারা আক্রন্ত হয়, যার জন্য তাদের চুলকানির বদলে দাদ, ছোল, ফুসকুড়ি ইত্যাদি হয় এবং এগুলিকে সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় না, কিন্তু এর পরিনাম গভীর হতে পারে। যদি ঠিক সময় এগুলির ওপর গুরুত্ব না দেওয়া হয় তাহলে নানান ত্বকের রোগ দেখা দিতে পারে। এগুলি ছাড়াও বহুবার প্লাস্টিকের ব্যাগের কোন দ্রব্য, পারফিউম, চশমা, সাবান ইত্যাদি থেকে এলার্জি হতে পারে। এলার্জি এই ধরনের কনটেক্ত ডার্মাইটিস বলা হয়। সুতরাং জানা যাক এর লক্ষণ, কারণ এবং এগুলি নির্মূল করার ঘরোয়া উপায়।

এলার্জি হওয়ার কিছু নির্দিষ্ট কারণ

আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে নাকে এলার্জি হতে পারে
বায়ু দূষণ
চামড়া ওপর ট্যাটুরপ্রভাব
শরীরের অনুপযুক্ত খাবার খাওয়া
পরিচ্ছন্নতা
সৌন্দর্যতার চুলের রং ব্যবহার করা
কোন ড্রাগ বা ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
শুষ্ক ত্বকের কারণে ত্বক এলার্জি
পোকামাকড় কামড়ালে
এলার্জির লক্ষণ

ত্বক রঙ পরিবর্তন হওয়া, যেমন লাল দাগ হওয়া
চুলকানি হওয়া
ব্রণর মত ফুসকুড়ি হওয়া
পতন বা ফাটল।
জ্বালা জ্বালা করা
ব্রণে পরিণত হত্তয়া
এলার্জি এড়ানোর জন্য কিছু নিয়মাবলী

বাড়ির বাইরে বেরোনোর সময় মুখ এবং শরীরের অন্যান্য অংশ কাপড় ঢেকে দিন। সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।
মুখে জল দিয়ে মুখ ধুন এতে মুখের ধুলো, নোংরা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
অ্যালো ভেরা জেল বা অ্যালো থেকে তৈরি ক্রিম ব্যবহার করুন।
কাজের পর সন্ধ্যায় স্নান করুন এতে আপনার শরীরে ধুলো-নোংরা ইত্যাদি দূর হয়ে যাবে এবং এতে এলার্জি হবে না।

12/06/2022

এ্যা জমা বা হাঁ পানি হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হাঁ পানির বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন- কা শি, শ্বাস কষ্ট, বু কে চাপ চাপ অনুভব করা, দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাঁশির মতো শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা,ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এর প্রকোপ।

এ্যা জমার উপসর্গগুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাস নালীতে কোন ধরনের এ্যা লজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কা শি বা শ্বাস কষ্ট, বুকে বাঁশির মতো শোঁ শোঁ শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাঁচি হয়,না ক দিয়ে পানি পড়ে, চো খ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গগুলোর সঙ্গে বংশে কারও যদি এ্যা জমায় আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যা জমা রয়েছে

এ্যা জমা/হাঁ পানি যে কোন বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে, কারও কারও বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু থেকে,পশুপাখির পালক, ছত্রাক,মল্ট,ইস্ট,প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে যারা থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি/শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে।কারও কারও বিভিন্ন সুগন্ধি,মশার কয়েল বা কারও কারও কীটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।

এ্যা জমার বয়স যত বৃদ্ধি পাবে এর সমস্যার পরিধিও তত বৃদ্ধি পাবে।তাই উক্ত সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন অথবা কল

ব্রংকাইটিস একটি সংক্রমণ থেকে উত্পন্ন হয় যা সাধারণত ঠান্ডা বা শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের সময় ঘটে। এটা দীর্ঘস্থায়ী ব্রংকাই...
12/06/2022

ব্রংকাইটিস একটি সংক্রমণ থেকে উত্পন্ন হয় যা সাধারণত ঠান্ডা বা শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের সময় ঘটে। এটা দীর্ঘস্থায়ী ব্রংকাইটিস হিসাবে বলা হয় যা সময় মাধ্যমে অগ্রগতি করতে পারে যে একটি স্থায়ী রোগ হতে পারে। যাইহোক, এটি সাধারণত প্রতিকারযোগ্য। হাঁপানি (অ্যাস্থমা) হিসাবে, এটি সিওপিডি (COPD), বা ক্রনিক অস্ট্রিচট্টিভ পালমোনারি রোগের অধীনে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, ইফ্ফিসাইমা সহ। হাঁপানি উৎপত্তি ব্রংকাইটিস মত পরিষ্কার নয়। হাঁপানি একটি স্থায়ী ব্যাধি। এটি বিশ্বাস করা হয় যে তার ট্রিগার বিষয়গুলির মধ্যে দুটি ধরনের হাঁপানি রয়েছে। অভ্যন্তরীণ এবং বহিরাগত উভয় ধরনের হাঁপানি হয়।

হাঁপানি রোগের সঙ্গে অ্যালার্জির সম্পর্ক রয়েছে। বেশির ভাগ হাঁপানি রোগীর নানা বস্তু ও খাবারে অ্যালার্জি থাকে। অনেক সময় দ...
12/06/2022

হাঁপানি রোগের সঙ্গে অ্যালার্জির সম্পর্ক রয়েছে। বেশির ভাগ হাঁপানি রোগীর নানা বস্তু ও খাবারে অ্যালার্জি থাকে। অনেক সময় দেখা যায়, ধুলাবালু বা ঠান্ডা খাবার এ ধরনের রোগীর শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য উপসর্গ বাড়িয়ে দেয়। তাই প্রত্যেক হাঁপানি রোগীর জানা উচিত, তার কী খাবারে অ্যালার্জি আছে বা কী ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

• চিংড়ি মাছে সালফাইটের পরিমাণ বেশি বলে এটি অনেকেরই অ্যালার্জির কারণ হয়। প্রক্রিয়াজাত কিংবা টিনজাত যেসব খাবারে প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে। এ ধরনের খাবারে থাকা রাসায়নিক উপাদান, যেমন পটাশিয়াম বাই সালফাইট বা সোডিয়াম সালফাইট ইত্যাদি ফুসফুসে প্রদাহ বাড়ায়।

• চিনাবাদাম, পেস্তা, কাজুবাদামে কারও কারও অ্যালার্জি থাকে। গমের প্রোটিন গ্লুটেনে অনেকের অ্যালার্জি হয়।

• ঠান্ডা দুধ, পনির, দই, আইসক্রিম ইত্যাদি খেলে অনেক হাঁপানি রোগীর সমস্যা হয়। কাজেই শ্বাসকষ্ট শুরু হলে ঠান্ডা দুধ, দই বা আইসক্রিম না খাওয়াই ভালো।

• ট্রান্সফ্যাট ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার হাঁপানির সমস্যা বাড়াতে পারে। গবেষণার তথ্যানুসারে, শিশুদের অ্যাজমার প্রবণতা ২৭ শতাংশ বৃদ্ধির কারণ ফাস্ট ফুড। উচ্চমাত্রার সম্পৃক্ত চর্বিও প্রদাহ বাড়ায়। স্থূল ব্যক্তিদের হাঁপানি বা অ্যাজমার ঝুঁকি বেশি।

• অনেকের ডিমে অ্যালার্জি থাকে। এ ছাড়া গরুর মাংস, ইলিশ, বেগুন, মিষ্টিকুমড়া, হাঁসের মাংস, নারকেল, কাঁকড়া, লবস্টার, ব্লু চিজ, সয়া ইত্যাদি খাবারেও অ্যালার্জি হয়।

অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীর সংখ্যা দিন দিন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশুসহ যেকোনো বয়সের নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারে। ...
12/06/2022

অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীর সংখ্যা দিন দিন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশুসহ যেকোনো বয়সের নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারে। অ্যাজমায় মানুষ মারা যায় না বললেই চলে। কিন্তু সুচিকিৎসার অভাবে তারা বেশ কষ্ট পায়।

শ্বাসনালির প্রদাহজনিত দীর্ঘস্থায়ী রোগ হলো অ্যাজমা। শ্বাসনালিতে বিভিন্ন কোষ প্রধানত ইওসিনোফিল ও অন্যান্য উপাদান জমা হয়ে শ্বাসনালির ছিদ্র পথ সরু হয়ে যায়। রোগী শ্বাসকষ্টসহ শুকনো কাশি, বুকে কাশি জমে যাওয়া, শ্বাস নেওয়ার সময় বুকে শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি সমস্যায় ভুগতে থাকে।

শীতকালে শুষ্ক ঠান্ডা আবহাওয়া বাতাসে উড়ে বেড়ানোয় ধূলিকণার আধিক্যে অ্যাজমার সমস্যা বেড়ে যায়।

কারণ

অ্যাজমার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে গবেষকরা ধারণা করেন, কিছু বংশগত ও পরিবেশগত কারণে অ্যাজমা হয়। সব বয়সের মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত ঝামেলা বেশি হয়।

যাদের রক্তের সম্পর্কে কারও মধ্যে অ্যাজমা থাকে, তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এছাড়াও ঘরের উপাদানের থাকা ক্ষুদ্র কীট, ধুলাবালি, গাছ-আগাছা, ফুলের পরাগরেণু, পশুপাখির পালক, কীটপতঙ্গ ইত্যাদি থেকে সংক্রমণ হয়ে থাকে।

লক্ষণসমূহ

শ্বাসকষ্ট।

কাশি (রাতে ঘুমানোর সময় কাশি বেড়ে যায়)।

কফ থাকতে পারে।

শারীরিক কর্মকাণ্ড যেমন হাঁটলে বা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।

বুক ভার হয়ে থাকে।

শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো আওয়াজ হয়।

করণীয়

অ্যাজমার ওষুধ বা ইনহেলার সবসময় হাতের কাছে রাখুন।

ভিটামিন-এ জাতীয় খাবার, কলিজা, গাজরসহ শাক-সবজি ও মধু খাবেন।

নিয়মিত চেকআপ করাবেন।

নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে পারেন।

ধূমপান ও ধুলোবালি এড়িয়ে চলুন।

বালিশ লেপ তোশক-পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।

ঘরে কার্পেট ব্যবহার না করা।

ঠাণ্ডা খাবার আইসক্রিম ইত্যাদি না খাওয়া।

বাড়িতে পোষা প্রাণী (কুকুর, বিড়াল) থাকলে নিয়মিত গোসল করাতে হবে বা পরিচ্ছন রাখতে হবে।

মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা এড়িয়ে চলতে হবে।

12/06/2022

এ্যাজমার সমস্যা সমাধানের জন্য যে পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।
১. এলার্জি কারক বস্তু এড়িয়ে চলুন । যেমনঃ ধুলো, বালি, ঘরের ঝুল, ধোঁয়া ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন ।
২. ঘর বাড়িকে ধুলো বালি থেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করা । এজন্য দৈনিক অন্তত একবার ঘরের মেঝে, আসবাপত্র, ভেজা কাপড় দিয়ে মুছতে হবে অথবা ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার করা ।
৩. ঘরে কার্পেট রাখবেন না ।
৪. বালিশ, তোষক, ম্যাট্রেসে তুলা ব্যবহার না করে স্পঞ্জ ব্যবহার করা ।
৫. শীতকালে যথা সম্ভব গরম পানিতে গোসল করা ।
৬. ধূমপান করবেন না ।
৭. যেসব খাবারে এলার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা পরিহার করে চলুন ।
৮. ঠাণ্ডা খাবার, আইসক্রিম ইত্যাদি খাবেন না ।
৯. মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তাকে ইতিবাচক মনোভাবে মানিয়ে চলুন । কিংবা মানসিক চাপের কারণকে এড়িয়ে চলুন ।
১০. পেশাগত কারণে অ্যাজমা হলে চেষ্টা করতে হবে স্থান কিংবা পেশা পরিবর্তন ।
১১. পরিশ্রম কিংবা খেলাধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট বাড়লে চেষ্টা করতে হবে পরিশ্রমের কাজ কম করতে ।
১২. সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করবেন । ইতিবাচক মন আপনাকে ভালো থাকতে সাহায্য করবে ।
১৩. রেণু পরিহারে সকাল কিংবা সন্ধ্যা বাগান এলাকায় কিংবা শস্য ক্ষেতের কাছে যাবেন না ।
১৪. রেণু এলাকা থেকে বাসায় ফিরে মাথার চুল ও কাপড় ধুয়ে ফেলুন ।
১৫. কুকুর বিড়াল বাগান থেকে রেণু বহন করতে পারে । এজন্য নিয়মিত কুকুর বিড়ালকে গোসল করানো প্রয়োজন

12/06/2022

অ্যাজমা বা হাঁপানি ।
দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা । অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোন কারণ জানা না গেলেও চিহ্নিত করা হয়েছে প্রধানত ২ টি কারণকে বলে জানালেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা.শাহরিয়ার জামান দীপ ।
১) ‘এটোপি’ বা বংশগত (Genetic) ও ‘এলার্জি’ পরিবেশগত উপাদান এবং
২) শ্বাসনালীর অতি-সক্রিয়তা (Bronchial hyper-responsiveness)
পৃথিবীজুড়ে ৩০ কোটি লোক অ্যাজমায় আক্রান্ত, যা ২০২৫ সাল নাগাদ ৪০ কোটিতে পৌছবে । বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ । যার মধ্যে ৪০লাখই শিশু ।
৬৫% মানুষের আক্রান্ত হবার কারণ এলার্জি । যুবক বয়সে অ্যাজমা আক্রান্তের হার ১৫% । পেশাগত ভাবে ‘potent sensitizer’ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫-২০% এজমায় আক্রান্ত হয় ।
অ্যাজমা রোগের লক্ষণ চেনার উপায় ।
- শ্বাসকষ্ট, সাথে শুকনো কাশি ।
- শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাঁশির মতো সাঁ সাঁ শব্দ ।
- হঠাৎ দমবন্ধ ভাব অনুভব করা ।
- ধুলোবালি বিশেষভাবে ঘরের ধুলো, ঠাণ্ডা কিংবা গরমের কারণে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট ।
- ঋতু পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্ট ।
- বিটাব্লকার বা অ্যাসরিন জাতীয় ওষুধ খেলে শ্বাসকষ্ট ।

চিকিৎসার জন্য দরকার প্রথমেই রোগ নির্ণয় । রক্ত পরীক্ষায় বিশেষত ইয়োসিনোফিল এবং সিরাম আইজিইয়ের মাত্রা বেশি থাকে আছে কিনা দেখা হয় অ্যাজমা নির্ণয়ে ।
এবং এলার্জির জন্য স্কিন প্রিক টেস্ট করা হয় । এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলারজেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর এলার্জি আছে তা ধরা পরে । বুকের এক্স-রে করে দেখা হয় যে অন্য কোন কারণে রোগীর শ্বাসকষ্ট কি না তা জানতে । কিছু কিছু বিষয়ে সচেতনতা হাঁপানি থেকে দূরে রাখে ।
১. এলাজেন পরিহার : অ্যাজমার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা হলো যে জিনিসে এলার্জি তা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা । তাই এজমা রোগীদের প্রথমেই এলার্জি টেস্ট করে জানা দরকার তার কিসে কিসে এলার্জি হয় ।
২. ওষুধপত্র : নানা ধরনের হাঁপানির ওষুধ আছে । প্রয়োজন মতো ওষুধ ব্যবহার করে রোগী সুস্থ থাকতে পারেন । সাধারণত দুই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয় ।
ক) শ্বাসনালির সঙ্কোচন বন্ধ করতে ওষুধ ব্যবহার করা, যেমন ব্রঙ্কোডাইলেটর, নালবিউটামল, থিউফাইলিন, ব্যামবুটারল

Address

Muradpur
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Jahangir Kabir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Jahangir Kabir:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram