চিশতিয়া সুফি সেন্টার Chishtiya Sufi Centre

চিশতিয়া সুফি সেন্টার Chishtiya Sufi Centre Spiritual Science | Sufi Wisdom | Inner Transformation|
(7)

Sufi Centre™- A Centre for Spiritual Science

Sufi Centre is a distinguished spiritual institution grounded in the rich Islamic intellectual tradition and the living heritage of Chishtia Sufism. সুফি সেন্টার কেন?
এসেছো যারা আসোনি যারা, হয়ে পথহারা, তোমাদের সবার নিমন্ত্রণ।

মানুষ বলে জ্ঞানই শক্তি, অথচ আজকের মানুষ হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছে এই জ্ঞানের ধাক্কাতেই।
নতুন-নতুন মতবাদ, এক এক মানুষের এক একরকম চিন

্তা,পুরনো ট্র্যাডিশন, নিজের সংস্কার চারদিকে জ্ঞানের ছড়াছড়ি, চিন্তা ও মতবাদের বড় বড় ঢেউ। এবং এর অনেকগুলিই পরস্পর-বিরোধী। মানুষ বিভ্রান্ত।

কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক, কোনটা ভাল কোনটা মন্দ, প্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনীয় কোনটি ?
বেছে নিতে অসুবিধা হচ্ছে। বাড়িতে জেনারেশন গ্যাপ, অফিসে মূল্যবোধের সংকট, সমাজে আচার-প্রথার বাহুল্য মানুষ আজ হতবুদ্ধি । এই অবস্থায় পাশ্চাত্য মনোবিজ্ঞান মানুষকে বলে সমাজের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করতে, খাপ খাওয়াতে। সুফি সেন্টার, এই ধারণার বিপক্ষে কারণ সমাজ অধিকাংশ বিষয়েই অসুস্থ। সুফিরা তাই উত্তরণের পথ দেখিয়েছেন, রূপান্তরের পথ বলেছেন।


পাশ্চাত্য মনোবিজ্ঞান আপনাকে সাহায্য করবে সাধারণ মানুষের মতো চেতনা নিয়ে বেঁচে থাকতে, খুব বেশি হলে, ইঁদুর-দৌড়ে প্রথম হতে বলবে।
সুফি সেন্টার বলছে স্বকীয়তা প্রকাশ করতে। জনতার একজন হয়ে নয়, নতুন মানুষ হয়ে বেঁচে থাকার কথা বলছে। সিগমুন্ড ফ্রয়েড জীবন-জিজ্ঞাসা তোলেননি। এটা তুললেন জাঁ পল সার্ত্রে, আলবেয়ার কামু, হাইডেগার, ফ্রানজ কাফকা । আরও পরে স্যামুয়েল বেকেট।
উত্তর তাঁরাও পাননি। পাশ্চাত্যের অস্তিত্ববাদী দর্শন তাই বিষাদ দর্শনে পরিণত। জীবন তাৎপর্যহীন, মূল্যবোধ অর্থহীন, মানুষের সমস্ত ইচ্ছা, সবকিছু মূল্যহীন। সার্ত্রে -কামু-কাফকা বেকেট বুদ্ধি দিয়ে এর উত্তর খুঁজছিলেন এবং সামান্য চেষ্টা করেই প্রয়াস ত্যাগ করেছিলেন।
সুফি সেন্টার দেখায়, বিষাদের এই আকুতির পেছনে আছে এক গভীরতর ডাক অন্তরতম সত্তার ডাক "আমি কি তোমাদের প্রভু নই?" (আল কুরআন)।

বিজ্ঞান দিয়ে শরীরকে জানা যায়, জীবনকে নয়। কারণ জীবন এক রহস্য। একে জানা যায় না, অনুভব করা যায়। জীবন কোনো সমস্যা নয়, জীবন এক চ্যালেঞ্জ। এ এক দুঃসাহসিক যাত্ৰা (adventure) অজানার উদ্দেশ্যে। যাত্রাপথের বাহন হচ্ছে সুফি সেন্টার।

মানুষ এত কিছু পড়ছে, শিখছে তবুও তার মনে তৃপ্তি নেই কেন? কারণ, আত্মজ্ঞানের অভাব। আজকের দুনিয়ায় এটিই চলছে। মানুষ অনেক কিছু জানছে, কিন্তু যে মন নিয়ে এই জ্ঞানগুলির প্রয়োগ করবে সেই মন সম্বন্ধে সে কিছু জানেনা, সেই মনটাই বিভ্রান্ত। তাই আপন মনের সন্ধান দিতেই সুফি সেন্টার।

নতুন মনোবিজ্ঞানের সমস্ত তত্ত্ব স্পষ্ট প্রবৃত্তিপূজা;
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রবণতা প্রকটতর হয়ে দেখা দেয় যে, সমস্ত মনস্তাত্ত্বিক এবং মানসিক কারণ প্রকৃতপক্ষে জৈবিক এবং শারীরিক। এ থেকে এই উপসংহার হয় যে, পাশ্চাত্যসমাজ আত্মাকে ইতোমধ্যেই ভুলে গিয়েছে। এখন মন, নফস থেকেও অপরিচিত হয়ে যাচ্ছে। অবশেষে একমাত্র 'দেহই' থেকে গেছে।
মনোবিজ্ঞানের পাশাপাশি এখানে নতুন আরেকটি জ্ঞানের উল্লেখ হওয়া উচিত, যাকে বলা হয় সাইবারনেটিক্স (Cybernetics)। এই জ্ঞানের সাহায্যে কম্পিউটার তৈরি করা হয়। অর্থাৎ এমন সব যন্ত্র, যেগুলো মানুষের মনের কিছু নির্দিষ্ট বিষয় নিজেরাই সম্পাদন করতে পারে।

যেমন জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, এমনকি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কারণ সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা। এই জ্ঞানের পেছনে ভিত্তি হল, মানুষের মন একটি যন্ত্রের মতো কাজ করে। আর যে আইনকানুন যন্ত্রগুলোকে পরিচালনা করে, ঠিক সেই আইনকানুন মনকেও পরিচালনা করে। তাই এই আইনগুলো জানা থাকলে মানুষ মন থেকে যেসব কাজ আদায় করে নেয়, যন্ত্র থেকেও একই কাজ নিতে পারে। ফলে আশা করা যায়, মানুষ যেভাবে মহাবিশ্ব ও প্রকৃতিকে জয় করতে পারে, সেভাবে মনকেও জয় করতে পারে এবং এটিকে তার পছন্দ অনুযায়ী গঠন করতে পারে। অর্থাৎ, মনও আসলে একটি কায়া বা বস্তু। আর বস্তুগত জিনিসের সাথে যে আচরণ করা হয়, মনের সাথেও অনুরূপ আচরণ করা যেতে পারে।

উনিশ শতকের অনেক লোক ‘আধ্যাত্মিকতা' (রূহানী.), ‘আত্মশুদ্ধি' (তাসাউফ) এবং ‘গুপ্ত জ্ঞান' (ইলমে বাতেনী)-এর এই অর্থ গ্রহণ করেছিল যে, এই জিনিসগুলোর উদ্দেশ্য হল মানুষের মনের ‘গোপন শক্তিগুলো' জাগিয়ে তোলা। যেমন কোনো বাহ্যিক উপায় ছাড়াই মানুষের মনে প্রভাব বিস্তার করা, কোনো মাধ্যম ছাড়াই কোনো শহর বা দেশের অবস্থা বলা ইত্যাদি।
কিন্তু উনিশ শতকের বিজ্ঞানীরা এগুলোকে অমূলক চিন্তা ও কুসংস্কার বলতেন। পক্ষান্তরে বিশ শতকের কিছু বিজ্ঞানী এ বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং নীতিগতভাবে এগুলোকে “সম্ভব” বলে বিবেচনা করতে শুরু করেছেন। তারা এ ধরনের মানসিক শক্তিকে ‘অতিন্দ্রিয় উপলব্ধি' বলেন। এই গবেষণায় আগ্রহী এমনকি রাশিয়ার বিজ্ঞানীরাও। এই প্রবণতা থেকে কখনো কখনো এই বিভ্রম হয় যে, বিজ্ঞান এখন আধ্যাত্মিকতা এবং ধর্মের কাছে আসছে। অথচ স্পষ্টতই এই তত্ত্বের ভিত্তিও বস্তুবাদের উপর; বরং এটি আত্মা ও ধর্মের বাস্তবতাকে অস্পষ্ট করে তুলতে আরও সহায়তা করে।

মোদ্দাকথা, কোথাও ধর্মের বাস্তবতা বোঝার চেষ্টা নেই, সেটা বর্তমান বিজ্ঞান হোক বা মনোবিজ্ঞান বা দর্শন। এ ধরনের লোকেরা ধর্ম এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতি যে অনুরাগ প্রকাশ করে, তার অধিকাংশই প্রতারণা; আদতে কোনো পার্থক্য নেই। এতদিন পর্যন্ত বিজ্ঞান ধর্মের শত্রু হয়ে সামনে এসেছিল, এখন বন্ধু হয়ে আসছে; এটা আরও বিপজ্জনক না হলেও স্পষ্ট না।

ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত বিজ্ঞানের ধর্ম নিয়ে অনেক আপত্তি ছিল এবং সন্দেহ- সংশয় জাগিয়েছিল। বিজ্ঞান যুক্তিবাদকে পরিত্যাগ করেছে বলে নতুন বিজ্ঞান এখন এসব পুরোনো আপত্তি পরিত্যাগ করেছে; কিন্তু নতুন বিজ্ঞান ‘যৌনতাবাদ' বা 'জীবনবাদে'র চর্চা শুরু করেছে। সেজন্য সে ধর্মকে নির্মূল করার পরিবর্তে নতুন ধর্ম তৈরি করার চেষ্টা করছে। এই নতুন বিজ্ঞান পুরান বিজ্ঞানের চেয়ে বেশি ধ্বংসাত্মক।

পুরান বিজ্ঞান আল্লাহর অস্তিত্বের অস্বীকারকারী ছিল, নতুন বিজ্ঞান নতুন খোদার আবিষ্কার করছে। এই নতুন ধর্ম আরও বেশি বিভ্রান্তিকর। এসব বিভ্রান্তির চিহ্নকে সহজ পদ্ধতিতে জাতির সামনে উপস্থাপন করতে পারে খুব সহজেই সুফিতত্ত্ব। এই কারণেই সুফি সেন্টার।

Sufi Centre is a platform to connect people worldwide to the breadth and depth of meditation practices, the science, techniques, information, community and inspiration about its purpose and its physical, emotional, and spiritual benefits.

30/04/2026
29/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ!
রাজধানী ঢাকায়, বাংলা বাজারে—
সুফি সেন্টার-এর নতুন সেলস সেন্টার Sufi Centre Books
আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।

📍 ঠিকানা:
৬৫/১ প্যারীদাস রোড, কওমী মার্কেট (২য় তলা)
বাংলাবাজার, ঢাকা (দোকান নম্বর ২৪)

📚 এটি শুধু একটি বুকশপ নয়—
এটি জ্ঞান, আধ্যাত্মিকতা ও চিন্তার এক নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র।

এখানে আপনি পাবেন—
🟥 সুফি সেন্টার প্রকাশিত, খাজা ওসমান ফারুকী-র গবেষণাধর্মী বইসমূহ,
পাইকারি ও খুচরা—সব ধরনের সংগ্রহের সুযোগ।
এছাড়াও আগামী জুন মাস থেকেই পাবেন ইনশাআল্লাহ
▪️ সুফি বিষয়ক প্রামাণ্য ও নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহ
▪️ আধ্যাত্মিকতা, তাসাউফ ও আত্মশুদ্ধির গভীর গ্রন্থ
▪️ধ্যান বিষয়ক বাংলা, ইংরেজি বইসমূহ

✨ ঢাকায় যারা আছেন—
আপনার জন্য এটি একটি নতুন দরজা, যেখানে বই শুধু কেনা হয় না—
চেতনা জাগে, দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়, আত্মা স্পর্শ পায়।

আগামীকাল বিকাল ৩টায় সুফি সেন্টার বুকস এর উদ্বোধন করা হবে ইনশাআল্লাহ। সবাইকে আন্তরিক দাওয়াত যারা ঢাকায় আছেন।

📲 অনলাইনেও যুক্ত থাকুন
এই পেইজে লাইক দিয়ে রাখুন— Sufi Centre Books
ঘরে বসেই সহজে পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের কিতাব।
🟥 সুফি সেন্টার বুকস
জ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার এক নতুন ঠিকানা।

#অস্তিত্বের_আদিম_সুর
#সুফি_মেডিটেশন
#আত্মার_নকশা
#সিররুল_কুরআন
#আত্মার_বিজ্ঞান
#কুন_ফায়াকুন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী


বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে সুফি সেন্টার-এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।পহেলা বৈশাখ কেবল সময়ের পরিব...
14/04/2026

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে সুফি সেন্টার-এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

পহেলা বৈশাখ কেবল সময়ের পরিবর্তন নয়; এটি অন্তরের নবায়নের আহ্বান। সুফি দৃষ্টিতে প্রতিটি নতুন দিন এক নতুন সফর—নফসের পরিশুদ্ধি, হৃদয়ের জাগরণ এবং সত্যের পথে অগ্রযাত্রার এক সম্ভাবনাময় দুয়ার।

এই নববর্ষ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার বাহ্যিক রূপে নয়, বরং তার অন্তর্লোকের প্রশান্তি, প্রেম ও আলোকিত চেতনায়। সংস্কৃতি আমাদের বাহ্যিক পরিচয়ের ভাষা, আর তাসাউফ আমাদের অন্তরের জাগরণের পথ; এ দুইয়ের সমন্বয়েই পূর্ণতা পায় মানবজীবন।

বঙ্গাব্দের সূচনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কৃষিজীবী মানুষের জীবনসংগ্রাম আমাদের শেখায়—প্রকৃতির সাথে সঙ্গতি রেখে, ধৈর্য ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই আসে ফলপ্রসূতা। তেমনি আত্মার জমিনেও সাধনা, মুজাহাদা ও ভালোবাসার বীজ বপন করতে হয়, তবেই জন্ম নেয় মারিফাতের ফসল।

নতুন বছরের এই প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমাদের অঙ্গীকার হোক—অহংকারকে সংযত করে, হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে, মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা। ভালোবাসা হোক আমাদের পথ, সহমর্মিতা হোক আমাদের ভাষা, আর সত্যের অনুসন্ধান হোক আমাদের চিরন্তন সাধনা।

নতুন দিনের আলোয় জাগুক অন্তরের নূর, প্রস্ফুটিত হোক প্রেম, করুণা ও আত্মিক জাগরণ।

শুভ নববর্ষ
পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে সুফি সেন্টার-এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।পহেলা বৈশাখ কেবল সময়ের পরিব...
14/04/2026

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে সুফি সেন্টার-এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

পহেলা বৈশাখ কেবল সময়ের পরিবর্তন নয়; এটি অন্তরের নবায়নের আহ্বান। সুফি দৃষ্টিতে প্রতিটি নতুন দিন এক নতুন সফর—নফসের পরিশুদ্ধি, হৃদয়ের জাগরণ এবং সত্যের পথে অগ্রযাত্রার এক সম্ভাবনাময় দুয়ার।

এই নববর্ষ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার বাহ্যিক রূপে নয়, বরং তার অন্তর্লোকের প্রশান্তি, প্রেম ও আলোকিত চেতনায়। সংস্কৃতি আমাদের বাহ্যিক পরিচয়ের ভাষা, আর তাসাউফ আমাদের অন্তরের জাগরণের পথ; এ দুইয়ের সমন্বয়েই পূর্ণতা পায় মানবজীবন।

বঙ্গাব্দের সূচনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কৃষিজীবী মানুষের জীবনসংগ্রাম আমাদের শেখায়—প্রকৃতির সাথে সঙ্গতি রেখে, ধৈর্য ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই আসে ফলপ্রসূতা। তেমনি আত্মার জমিনেও সাধনা, মুজাহাদা ও ভালোবাসার বীজ বপন করতে হয়, তবেই জন্ম নেয় মারিফাতের ফসল।

নতুন বছরের এই প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমাদের অঙ্গীকার হোক—অহংকারকে সংযত করে, হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে, মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা। ভালোবাসা হোক আমাদের পথ, সহমর্মিতা হোক আমাদের ভাষা, আর সত্যের অনুসন্ধান হোক আমাদের চিরন্তন সাধনা।

নতুন দিনের আলোয় জাগুক অন্তরের নূর, প্রস্ফুটিত হোক প্রেম, করুণা ও আত্মিক জাগরণ।

শুভ নববর্ষ
পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী






#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড
#চিশতিয়া_দর্শন

তারীখে খাজায়ে খাজেগানমূল লেখক,  প্রফেসর ড. সৈয়দ জিয়া উদ্দিন শামসি তাহরানী তরজমা, খাজা ওসমান ফারুকী 🌺উক্ত গ্রন্থে অভিমত প...
08/04/2026

তারীখে খাজায়ে খাজেগান
মূল লেখক, প্রফেসর ড. সৈয়দ জিয়া উদ্দিন শামসি তাহরানী
তরজমা, খাজা ওসমান ফারুকী

🌺
উক্ত গ্রন্থে অভিমত প্রকাশ করেছেন
প্রফেসর ড. মাহমুদুর রহমান
সাবেক উপাচার্য, আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়।

🟧
অভিমতের কিছু অংশ আপনাদের জন্য....

কয়েক মাস পূর্বে গবেষক প্রফেসর সৈয়দ জিয়াউদ্দীন শামসি তাহরানির নিকট হতে প্রাপ্ত এক টেলিফোনালাপে জানতে পারি যে, তিনি খাজাদের খাজা, খাজা মঈনুদ্দিন হাসান চিশতি (রহ.)-এর জীবন, দর্শন ও আধ্যাত্মিক শিক্ষাধারা নিয়ে একটি সুগভীর ও গবেষণাভিত্তিক গ্রন্থ প্রণয়ন করেছেন এবং সেই পাণ্ডুলিপি আমাকে পর্যালোচনার জন্য প্রেরণ করতে ইচ্ছুক। সংবাদটি আমার জন্য বিশেষ আনন্দের কারণ ছিল, কেননা প্রফেসর তাহরানির প্রজ্ঞা, পাণ্ডিত্য এবং গভীর অনুশীলন সম্পর্কে আমি পূর্ব থেকেই অবগত ছিলাম।

আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমি তাঁকে একাধিকবার শিক্ষার্থীদের জ্ঞানবিকাশের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা প্রদানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তাঁর প্রতিটি বক্তব্য ছিল উচ্চমানসম্পন্ন, তথ্যসমৃদ্ধ এবং বৌদ্ধিকভাবে উদ্দীপক, যা শ্রোতাদের মধ্যে গভীর প্রভাব বিস্তার করত।

বর্তমানে আলোচ্য গ্রন্থ 'তারীখে খাজায়ে খাজেগান' পাঠান্তে আমি গভীরভাবে অভিভূত হয়েছি। এ গ্রন্থে খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.) এবং তাঁর উত্তরসূরি খলিফাদের জীবন, কর্ম ও আধ্যাত্মিক সাধনাকে যে পদ্ধতিগত ও গবেষণামূলক কাঠামোর মধ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা একক গবেষকের পক্ষে সম্পাদন করা দুষ্কর বলেই প্রতীয়মান হয়। গ্রন্থটির প্রতিটি অধ্যায়ে আধুনিক গবেষণার মানদণ্ড, তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণ এবং সমালোচনামূলক পদ্ধতির সফল প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, চিশতিয়া তরিকার নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শিক্ষাসমূহকে নবী করিম (দ.), তাঁর পরিবার, সাহাবায়ে কেরাম, আসহাবে সুফফা ও আহলে বাইতের আদর্শের সঙ্গে সংযুক্ত করে যে বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা তাসাউফের ধারাবাহিক বিকাশ ও ঐতিহাসিক প্রাসঙ্গিকতাকে সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে। একইসঙ্গে, ভক্তি আন্দোলনে খাজা গরীবে নেওয়াজ ও তাঁর খলিফাদের প্রভাব বিষয়ক আলোচনা গবেষণার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

গ্রন্থটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—খাজা গরীব নেওয়াজের দরগাহ সংশ্লিষ্ট খাদেমদের অধিকার, নজরানা ও প্রশাসনিক বিধানসমূহের উপর হানাফি ফকিহদের ফতোয়া এবং মুসলিম শাসকদের ফরমানসমূহের সুশৃঙ্খল সংকলন। এই অংশটি ইতিহাস, ফিকহ এবং সমাজ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের এক অনন্য সমন্বয় উপস্থাপন করে।

তাসাউফকে ঘিরে সমকালীন যে সব আপত্তি ও বিতর্ক রয়েছে, প্রফেসর তাহরানি সেগুলোর যুক্তিনিষ্ঠ ও প্রমাণভিত্তিক উত্তর প্রদান করেছেন। কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে হিন্দু দর্শন ও ভারতীয় ধর্মসমূহের তুলনামূলক বিশ্লেষণ, তাঁর সংস্কৃত ভাষাজ্ঞান এবং প্রাচীন শাস্ত্রসমূহের ব্যবহার—সব মিলিয়ে গ্রন্থটিকে একটি আন্তঃবিভাগীয় (interdisciplinary) গবেষণাকর্মে পরিণত করেছে।

উল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক যে, দালাই লামা-এর মতো বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্বও তাঁর বিদ্যাবত্তা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাঁর একটি ইংরেজি গ্রন্থের ভূমিকা রচনা করেন। তদুপরি, ডক্টর বাবাসাহেব আম্বেদকর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল সায়েন্সেস-এ তাঁর অধ্যাপনা ও গবেষণা কার্যক্রম তাঁর একাডেমিক মর্যাদাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

গ্রন্থটির বিস্তৃত গ্রন্থপঞ্জি পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রামাণ্য গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণা নির্মিত হয়েছে—যা একে একটি প্রামাণ্য রেফারেন্স গ্রন্থে উন্নীত করেছে।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস,, 'তারীখে খাজায়ে খাজেগান' বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গবেষক ও বিদ্বানদের জন্য একটি দিকনির্দেশক আলোকবর্তিকা হিসেবে বিবেচিত হবে।

পরিশেষে বলা যায়, প্রফেসর তাহরানির এই অনন্য সাধনা শুধু চিশতিয়া তরিকার ইতিহাসকেই সমৃদ্ধ করেনি, বরং সামগ্রিকভাবে ইসলামের আধ্যাত্মিক ও বৌদ্ধিক ঐতিহ্যের প্রতি এক অসামান্য অবদান রেখেছে।

তাঁর এই অবদানের যথার্থ স্বীকৃতি হিসেবে যে কোনো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ডি.লিট. ডিগ্রি প্রদান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় হবে।

আল্লাহ তাআলা তাঁকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশ্বজনীন কল্যাণমূলক গবেষণাকর্মে নিয়োজিত থাকার তাওফিক দান করুন।

Sufi Centre Books খুব শীঘ্রই তারীখে খাজায়ে খাজেগান প্রকাশ করতে যাচ্ছে।

আশা করি এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের প্রথম সপ্তাহে হাতে পাবেন।

#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড
#চিশতিয়া_দর্শন


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী





زنده باد ایران LONG LIVE IRAN #সুফি_সেন্টার #সুফি_মেডিটেশন_মেথড #চিশতিয়া_দর্শন   #সুফি_মেডিটেশন #খাজা_ওসমান_ফারুকী      ...
07/04/2026

زنده باد ایران
LONG LIVE IRAN

#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড
#চিশতিয়া_দর্শন


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী





এই কিতাব সম্পর্কে উচ্চ প্রশংসা ব্যক্ত করেছেন আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদুর রহমান। তাঁর...
07/04/2026

এই কিতাব সম্পর্কে উচ্চ প্রশংসা ব্যক্ত করেছেন আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদুর রহমান। তাঁর অভিমত অনুযায়ী, খাজা মুঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.)-এর জীবনদর্শন বোঝার ক্ষেত্রে এটি অন্যতম গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ।

আলহামদুলিল্লাহ
সুফি সেন্টার প্রকাশ করতে যাচ্ছে।

#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড
#চিশতিয়া_দর্শন


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী





 #সুফি_সেন্টার #সুফি_মেডিটেশন_মেথড #চিশতিয়া_দর্শন   #সুফি_মেডিটেশন #খাজা_ওসমান_ফারুকী
05/04/2026



#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড
#চিশতিয়া_দর্শন


#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী





সুফি মেডিটেশন—দেশব্যাপী ফ্রী মাস্টারক্লাস উদ্যোগ

আমরা ইনশাআল্লাহ আগামী মে ২০২৬ থেকে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় সুফি মেডিটেশন ফ্রী সেশন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

আপনি যদি এই পোস্টটি দেখে থাকেন, পড়েন—তাহলে
🌸 খাজা ওসমান ফারুকী-র অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে যুক্ত থাকার জন্য আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন।

🔸 আমরা আপনার জেলার নাম জানতে আগ্রহী
কমেন্টে আপনার জেলার নাম লিখে জানান—
আপনি কোন জেলা থেকে আমাদের সাথে আছেন।

🔸 সুফি মেডিটেশন ফ্রী মাস্টারক্লাস
আপনি কি চান আপনার জেলায় এই আয়োজন হোক?
আপনি কি এই মহৎ উদ্যোগের একজন সহযাত্রী হতে চান?

👉 যারা ইতিমধ্যে আমাদের সুফি মেডিটেশন মাস্টারক্লাসে অংশগ্রহণ করেছেন
👉 এবং ‘সুফি মেডিটেশন’ বইটি পড়েছেন

আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।

🔸 আপাতত শুধু আপনার জেলার নামটি কমেন্টে লিখুন—
এতে আমরা বুঝতে পারবো কোন কোন জেলার প্রিয়জনরা আমাদের সাথে আছেন।

🔸 ইনশাআল্লাহ পরবর্তী পোস্টে
প্রতিটি জেলায় কীভাবে আয়োজন করা হবে তার বিস্তারিত রূপরেখা প্রকাশ করা হবে।

💚 সুফি প্রেমিক, তাসাউফপন্থী সকল প্রিয়জনের আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য...

#সুফি_মেডিটেশন
#খাজা_ওসমান_ফারুকী






#সুফি_সেন্টার
#সুফি_মেডিটেশন_মেথড
#চিশতিয়া_দর্শন

Address

Harualchhari, Fatikchhari
Chittagong
4354

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চিশতিয়া সুফি সেন্টার Chishtiya Sufi Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to চিশতিয়া সুফি সেন্টার Chishtiya Sufi Centre:

Share