AYAAT : আয়াত

AYAAT : আয়াত "প্রচার করো, যদি একটিমাত্র আয়াতও হয়।"
(সহীহ বুখারী, হাদীস নম্বর: ৩৪৬১)

28/12/2025

"রজব হলো ফসল রোপনের মাস। শাবান ফসলে পানি সেচ দেবার মাস, আর রমাদান ফসল তোলার মাস।"

— আবু বকর বলখি (রহ.)
[লাতায়েফুল মাআরেফ: ১৪৩]

25/12/2025

পুত্রসন্তানকে সাহসী বীর বানানোর জন্য কী কী স্টেপ নিচ্ছেন আপুরা?

সাহসী মায়ের হাত ধরেই কিন্তু বীর সন্তান বড় হয়। জীবনের আদর্শ, চিন্তাগুলো আত্মকেন্দ্রিকতা ছাপিয়ে তখনই মানুষের হয়ে কথা বলবে, যখন তার ভেতরে অন্যের প্রতি ভালোবাসার বীজ বুনে দিতে পারবেন। আর এটার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো দীনি তারবিয়াত।

পরিবর্তনটা ঘর থেকেই শুরু হয় কিন্তু! মায়ের হাতেই তো সন্তান গড়ার চাবি থাকে!

ইসলামী ইতিহাসের/দেশের যুদ্ধের লেখাগুলো যখন পড়ি, বুকের মধ্যে ধুকপুক করে—ওই যোদ্ধাদের স্ত্রী, মা, বোনের কথা ভেবে।

অনেকবার নিজেকে সেই জায়গায় দাঁড় করাতে গিয়েছি আমি। মনকে শক্ত করি, ঝরঝর করে পানি পড়ে চোখে। সেই মায়ের, স্ত্রীর বুকটা চিরে দেখতে ইচ্ছে করে—যে তার সন্তানকে, স্বামীকে যুদ্ধে পাঠায়। তারপর তারা কীভাবে পাথর হয়, তা আমার শিখতে ইচ্ছে করে।

আমরা মায়েরা যেন শুধু বাচ্চার পরীক্ষার খাতার নম্বরে আটকে না যাই। বাচ্চার অন্তরে সত্য প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সাহস যেন ঢুকাতে ভুলে না যাই।

আব্বু, তুমি বড় হয়ে কী হতে চাও? ডাক্তার না ইঞ্জিনিয়ার? এই বাক্যালাপে যেন আমাদের প্যারেন্টিং আটকে না থাকে। মানুষ হওয়া কাকে বলে, বাচ্চা যেন নিজেই বুঝতে পারে!
______________________
|| মানুষ হওয়া কাকে বলে? ||
ডাঃ রুবাইয়া বিনতে রশিদ

#রৌদ্রময়ী

24/12/2025
22/12/2025
22/12/2025

সব ধোঁয়াশা কাটিয়ে সামনে এল হাদি খুনের রোমহর্ষক কাহিনী;

হাদি হত্যার ঘটনা নিয়ে বর্তমানে যা ঘটছে, তাতে ৫টি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠছে (১) প্রশাসনের একটি অংশ (ডঃ ইউনুস) হাদি হত্যার বিষয়টি আদৌ জানতো না, যেহেতু ডঃ ইউনুস কোন প্রকার ইন্টেলিজেন্স ব্রিফিং পান না; (২) জেঃ ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের অন্য অংশটি হাদি’র হত্যাকান্ডের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত; (৩) ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এই অংশের রাষ্ট্রবিরোধী প্রতিটি ষডযন্ত্রের সাথে বিএনপি সরাসরি জড়িত; (৪) ওয়াকারের সাথে বিএনপি’র পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, গোরখোদক আব্বাসের সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রয়েছে; (৫) হাদি হত্যার সাথে ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন অংশের প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে প্রথম আলো, ডেইলি ষ্টার, আল-জাজিরার গতরখাটা সাংবাদিক সহ আরোও কয়েকজন আওয়ামি সুবিধাভোগী সাংবাদিকদেরকে ব্যবহার করা হয়েছে।

ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের অংশটি বিডিআর পিলখানা হত্যাকান্ড তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে ভারত ও সেনাবাহিনীর একটি অংশের সরাসরি জড়িত থাকার প্রমানিত অভিযোগ; এবং গুম খুনের সাথে জড়িত সেনা অফিসারদেরকে মানবতা বিরোধী মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হওয়ার পর
নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পরে।ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন অংশ প্রচন্ডভাবে জন-অসন্তোষ সহ জনরোষের মুখোমুখি হয়।

ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন অংশটি হত-বিহ্বলতা কাটিয়ে প্রশাসনের উপর পুনঃনিয়ন্ত্রনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে; তারা “র” এর সহায়তায় ডিজিএফআই, এনএসআই, এএসইউ, সিআইডি ও এসবি’র কিছু কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহনে একটি নিখুঁত পরিকল্পনা গ্রহন করে।

ওয়াকারের অংশটি ছাত্রজনতার বিপ্লবী অংশটির উপর চরম আঘাত হানার সিদ্ধান্ত নেয়; যেহেতু তারাই দেশের অস্তিত্বের সার্থ্য
রক্ষায় বদ্ধপরিকর; এবং ডঃ ইউনুসের সমর্থন তাদের প্রতি! অনেক সুযোগ, সুবিধা ও লোভ এমনকি ভয় দেখিয়েও ডঃ ইউনুসকে ভারত ও ওয়াকারের অংশের সাথে মেলানো যায়নি।

ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন অংশটি এনসিপি নেতাদেরকে পাশ কাটিয়ে টার্গেট করেছিল ভিপি নুরকে; যেহেতু ডিপ্লোম্যাটিক মিশনের কাছে ভিপি নুর এর গ্রহনযোগ্যতা এখন খুব একটা নেই। সুতরাং ভিপি নুরকে একটা চরম ধোলাই দিলে এমনকি নুর যদি মারা ও যায়, সেটা থেকে এনসিপি সহ ছাত্রজনতার বিপ্লবী অংশটি ভয় পাবে, এবং ডঃ ইউনুসও দুর্বল হয়ে পরবে।

“র” এর পরিকল্পনা মাফিক, দেশের সকল গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর হাসিনা নিয়োজিত ভারতপন্থী অফিসারদের সমন্বয়ের একটি টীম ভিপি নুর এর উপর হামলা চালায়।নুর গুরুতর জখম নিয়েও কোন রকম বেচে গেলেও ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন অংশটির উদ্দেশ্য সফল হয়। এনসিপি ও ছাত্রজনতার বিপ্লবী অংশটি পুরোপুরি ভীত হয়ে পরে! তারা আগের মত বিপ্লবী বক্তব্য দেয়া থেকেও বিরত থাকে।

ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন অংশটি মনে করেছিল যে নিয়ন্ত্রন আবার তাদের হাতে চলে এসেছে।কিন্তু বাঁধ সেধে বসেছেন ডঃ ইউনুস এর সুক্ষ পরিকল্পনা। তিনি ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন অংশটিকে জনগনের সামনে উলঙ্গ করার লক্ষ্যে প্রথমে বিডিআর হত্যা তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করে দিলেন; দ্বীতিয় ধাপে আইসিটি’র মাধ্যমে হাসিনা শেখ ও আসাদুজ্জামান কামালের মৃত্যু দন্ডাদেশ নিশ্চিত করলেন; এবং তৃতীয় ধাপে গুম খুনের সাথে জড়িত সেনা অফিসারদেরকে মানবতা বিরোধী মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি নিশ্চিত করেন।

ডঃ ইউনুস এর সুক্ষ্ম খেলায় ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের অংশটি একেবারেই উলঙ্গ হয়ে পরে।তারা পুনরায় ভারত ও “র” এর স্মরনাপন্ন হয়। এ পর্যায় তারা এনসিপি বা ছাত্রজনতার বিপ্লবী অংশের অনেককেই টার্গেট করা থেকে বিরত থাকে; যেহেতু তারা টের পেয়েছে যে ভিপি নুরকে আক্রমনের পর থেকে বাংলাদেশে “র” ও বাংলাদেশী গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কার্যকলাপের উপর পশ্চিমা দেশগুলোর এজেন্সীগুলো কড়া নজর রাখছে।

আর তাই, প্রশাসনের ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন অংশ এমন একজনকে টার্গেট করে যে ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় সার্থ্যরক্ষাকারীদেরকে টিভি টক শো’তে ও পাবলিক ফোরামে প্রতিনিয়ত উলঙ্গ করে দেয়।তার কথাবার্তায় মনে হয় যে সে বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতীয় নীল নকসা’র প্রতিটি অংশই তার নখদর্পনে। কিন্তু তার সাথে কোন ডিপ্লোম্যাটিক মিশনের সাথেই কোন সমন্বয় নেই।

আর সেই ব্যক্তিটিই আমাদের হাদি।

“র” ওয়াকারের মাধ্যমে ভারতপন্থী বাংলাদেশী কামলা মিডিয়াগুলোকে পরামর্শ দেয় উস্কানির মাধ্যমে হাদি হত্যার ক্ষেত্র তৈরীর।পরবর্তীতে, ওয়াকারের নির্দেশানুযায়ী প্রথম আলো, ডেইলী ষ্টার, সময় টিভি, একাত্তর সহ বসুন্ধরার মালিকানাধীন সকল মিডিয়া এবং যমুনা টিভি সহ ভারতপন্থীরা ভারতীয় হাইকমিশনে মিলিত হয়।”র” এর সিনিয়র এক কর্মকর্তা একটি ব্রিফিং উপস্থাপন করে; ব্রিফিংএর পর ছিল প্রশ্নত্তোর ও আপ্যায়ন পর্ব; আপ্যায়নের মধ্যে ছিল পানিয় ও খানাপিনা; সাথে ছিল মোটা এনভেলপ।

মিডিয়া কভারেজ এর বিষয়ে, ডিজিএফআই প্রায়ঃশই তাদের বেতনভুক্ত কামলা, যেমন মনির হায়দার, আনিস আলমগীর, আব্দুন নুর তুষার, সাইফুর সাগর, সাহেদ আলম, সহ হাসিনাদের ব্যবহার করে; ঠিক তেমনি নামকাওয়াস্তে আল-জাজিরার ট্যাগধারী জুলকারনাইন সায়ের খান নামক এক কামলাকেও তারা ব্যবহার করে।হাদি’র বিষয়ে ভারত পন্থীদের হয়ে আল-জাজিরার ট্যাগ-সর্বস্ব গতর-খাটা জুলকারনাইন সায়ের খান ও তার পান্ডিত্ব ঝাড়ার সুযোগ নিয়েছে এবং ভারত সেবা’র নামে দু’চার ডলার কামিয়েছে।

পাশাপাশি, বিএনপি’র ভারতপন্থীদেরকে আরোও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে হাদি হত্যা পরিকল্পনায় আব্বাস, মির্জা ফখরুল, সালাহউদ্দিন ও আমির খসরুকেও জড়ানো হয়; এবং এই পরিকল্পনাটি ছিল আব্বাসের জন্য পোয়া-বারো; যেন না চাইতেই বৃষ্টি।

হাদি হত্যা পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপে খুন করার জন্য আওয়ামি ক্যাডার নির্বাচন করে। খুনি’র সাথে ১৫০ কোটি টাকা ও খুনের পর ভারতে পার করে দেয়ার শর্তে দফারফা হয়।বিএনপি ক্যাডারদের মধ্যে শিবির বা দেশপ্রেমিক কেউ থাকতে পারে বিধায় পরিকল্পনাকারীরা বিএনপি ক্যাডারদেরকে বিশ্বস্ত মনে করেনি।

নির্বাচিত খুনি ছিল মেজর সাদেক এর দ্বারা প্রশিক্ষিত। তাকে নির্দেশ দেয়া হলো হাদি’র নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নিয়ে হাদি’র প্রতিদিনের কর্মসুচী ও সময়সুচী জেনে নিতে।

এত্তো কিছু হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ইউনুস এর নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের অংশটি এসবের কিছুই জানেনা! কিন্তু কেন?

ডঃ ইউনুস এর নেতৃত্বাধীন অংশের অধিকাংশরা আখের গোছানোতে ব্যস্ত। দেশ সেবা ও রক্ষা তাদের কাছে চতুর্থ বিষয়। পাশাপাশি, ডঃ ইউনুসের খুব কাছের লোকগুলোও ওয়াকারের নিয়োজিত। সুতরাং ঐসব লোকগুলোর আনুগত্য ইউনুসের চেয়ে ওয়াকারের প্রতি অনেকাংশেই বেশী।

প্রস্তুতি সম্পন্ন! দফারফা মোতাবেক খুনিকে ১৫০ কোটি টাকা দেয়া হলো এবং পুরো টাকাটাই আব্বাসের দেয়া; এবং যথাসময়ে হাদি’কে শ্যুট করা হলো।

“র” এবং দেশী গোয়েন্দা সংস্থার ভারতপন্থীরা খুনি’র ব্যাপারে দু’টো সিদ্ধান্ত নিয়েছিল; ভারতের সম্মতি থাকলে খুনি’কে সীমান্ত পার করে দেয়া; নতুবা, ইলিয়াস আলী’র পন্থায় তাকে গায়েব করে দেয়া।যেহেতু খুনিকে বাচিয়ে রাখা পরিকল্পনাকারীদের জন্য অত্যন্ত ঝুকিপূর্ন।

শ্যুট্ করার পর হাদি’কে হাসপাতালে নেয়ার সাথেসাথেই ডাক্তাররা বুঝতে পারে যে হাদিকে টেকানো যাবে না। ডঃ ইউনুস শেষ চেষ্টা করলেন তাকে সিঙ্গাপুর পাঠিয়ে পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রনের।

হাদিকে টেকানো গেলো না।

দেশপ্রেমিক ছাত্রজনতার বিপ্লবী অংশ যারা মনে করে যে ওয়াকারের নেতৃত্বাধীন ভারতপন্থী প্রশাসনের অংশ ও বিএনপি জন্য ২৪ এর বিপ্লব হাতছাড়া হয়েছে, তারা হাদি হত্যাকান্ডটি সামনে রেখে বিপ্লবকে পুনর্জীবিত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে।এনসিপি ও জামায়াত সহ সকল রাজনৈতিক দলগুলো যদি ডঃ ইউনুসকে সামনে রেখে ২৪ এর বিপ্লবকে পুনঃরুজ্জীবিত করতে সক্ষম হয় তবেই হাদি হত্যা সহ সকল হত্যাকান্ডেরই বিচার সম্ভব। অন্যথায় বিচার তো দুরের কথা, দেশের অস্তিত্বটুকুও থাকবে না।

22/12/2025
22/12/2025

৫ আগস্টের পর হাদি যখন ক্ষ্যাপাটে ভাবে, জোরালো ভাবে, ক্ষুরধার যুক্তিতে বলিষ্ঠ বয়ান দিত, টক শোগুলোতে ওর যুক্তির সামনে উপস্থাপক চুপ করে শুনতো—আমার কী ভীষণ ভালো লেগে গিয়েছিল ছেলেটাকে! আমি বলতাম, হাদি পাগলা।

এরপর যখন তার কণ্ঠে আমি নজরুলকে দেখলাম, বক্তব্যে দেশপ্রেম আর নির্বাচনের জন্য সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাওয়া—আমি বুঝলাম, এ তো মহামানব। ও তো আমাদের সাধারণ মানুষের কণ্ঠ, যা চাপা থাকে।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার আগের দিন ফজরের পর থেকে ওর নির্বাচনের প্রচারণা দেখে এক আপু বললেন, “এই ফজরের বারাকাতে ও জিতে যাবে।”

জিতে তো গেলই সে। আখিরাত জিতে না নিলে এই সম্মান আর ভালোবাসার সাথে জুম্মাবারে আল্লাহ কাকে এভাবে নিয়ে যান? যদি না প্রিয় বান্দা হয়?
সবচেয়ে কম ব্যথায়, ব্যথার অনুভূতি চলে যায়—এমন মৃত্যু কার নসিব হয়?

অট্টালিকায় বসে ধনী থেকে শুরু করে সমাজের সাধারণ মধ্যবিত্ত বা টিনের ঘরে গিজগিজ করে থাকা মানুষ, লাখ-কোটির অঙ্কের ইনকামকারী থেকে দিন আনে দিন খায় কলা-মুড়ি বিক্রেতা—কে কাঁদে নাই? কে করে নাই দোয়া?
কিভাবে একটা মানুষ পরিচয়ের কয়েকটা বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই এভাবে ভালোবাসা লুটে নেয়?

কি রত্নগর্ভা মা, যিনি এমন ৬ রত্ন জন্ম দিয়েছেন! কী দূরদর্শী সে পিতা, যিনি বলেছেন—সাধারণ মুসলিমদের জন্য যদি করতে চাও, তবে যাও ইংরেজি শিখো, শিখাও মুসলিমদের।
এমন ঘরেই কি এমন সন্তান হবে না?

গত শুক্রবার থেকে কী অবিরাম কাঁদলাম। দুনিয়া এলোমেলো হয়ে গেল। হাদি তো শুধু একা স্বপ্ন দেখে নি। স্বপ্ন তো আমি দেখেছিলাম—যে একজন জ্ঞানী বিপ্লবী, বলিষ্ঠ কণ্ঠের, সৎ, দেশপ্রেমী, মুসলিম, আল্লাহপ্রেমী নেতা পাব।

আমার স্বপ্ন এভাবে ভেঙে যাবে? এই কণ্ঠের ক্ষুরধার যুক্তি, বক্তব্য আমি আর শুনবো না? এও কি হয়?

এই শুক্রবার এসে আমি অনেক শক্ত।
নিজেকে ভেঙে পড়তে দিচ্ছি না। বরং মনে এক শান্তি—যে ছেলেটা শহীদের মর্যাদা পাবে, ইনশাআল্লাহ।
একজন মুসলিমের সর্বোচ্চ চাওয়া—ও পাবে।

কিন্তু আমরা কি পাব? আমাদের কী হবে?
কিভাবে আমরা বিপ্লব ধরে রাখবো—সেই রূপরেখা কে নির্মাণ করবে? সামনে এখন কী করণীয়?
হাদির রক্তের দাম আমরা কিভাবে চুকাবো? তার বিপ্লবী বাংলাদেশের স্বপ্ন নির্মাণের জন্য লক্ষ হাদি কখন, কিভাবে তৈরি হবে?

আমি এখন কী হবে জানি না।
কিন্তু আমরা যারা সন্তানের মা আছি—আমরা কি আসলেই জানি না কিভাবে তৈরি হবে সালাহউদ্দিন আইয়ুবী, আবরার ফাহাদ বা হাদি?
জানি না!

হাদি তৈরি হয়েছিল তার বাবা-মা, বড় ভাই, মাদ্রাসা, তার ফিতরাত ও জ্ঞান দিয়ে—আল্লাহর রহমত দিয়ে।
লক্ষ হাদি দূরদর্শী মা-বাবার হাত ধরে তৈরি হবে। আমাদের তারবিয়াতের ওপর তৈরি হবে, ইনশাআল্লাহ।

দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মত?

— কাণ্ডারী হুঁশিয়ার, কাজী নজরুল ইসলাম
______________________
|| জিতেই গেল ||
নুসরাত জাহান প্রমা
#রৌদ্রময়ী

22/12/2025

তুমি অপরিচিত হয়ে উঠলে এটাই নিয়ম; মাঝপথে ক্ষণিকের পরিচিয়টুকুই ছিল অনিয়মের বিড়ম্বনা।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AYAAT : আয়াত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram