Good Health

Good Health Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Good Health, Medical and health, Chittagong.

আসসালামু আলাইকুম।👉স"ম্পুর্ন ,,,পা"র্শপ্রতি"ক্রিয়া মুক্ত ও ন্যা"চা"রাল, নকল প্র"মানে এক"লক্ষ টা"কা পুর"ষ্কার। নিজেকে বানি...
20/06/2023

আসসালামু আলাইকুম।
👉স"ম্পুর্ন ,,,পা"র্শপ্রতি"ক্রিয়া মুক্ত ও ন্যা"চা"রাল, নকল প্র"মানে এক"লক্ষ টা"কা পুর"ষ্কার। নিজেকে বানিয়ে নিন মহা পুরুষ।
👉প্রতি"টি কো"র্সে পাচ্ছেন 25% ডিস"কাউ"ন্ট এবং সারা বাংলাদেশ ক্যা"শ অন ডেলি.ভারিতে পাচ্ছেন অ"গ্রিম পেমে'"ন্ট ছাড়াই।
বাংলাদেশ সায়েন্সল্যাব কর্তৃক অনুমোদিত,,

👉বিস্তারিত জানতে Send message অপশনে ক্লিক করে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
☎অথবা কল করুন,, 01973646224 এই নাম্বারে।

আসসালামু আলাইকুম।👉স"ম্পুর্ন ,,,পা"র্শপ্রতি"ক্রিয়া মুক্ত ও ন্যা"চা"রাল, নকল প্র"মানে এক"লক্ষ টা"কা পুর"ষ্কার। নিজেকে বানি...
19/06/2023

আসসালামু আলাইকুম।
👉স"ম্পুর্ন ,,,পা"র্শপ্রতি"ক্রিয়া মুক্ত ও ন্যা"চা"রাল, নকল প্র"মানে এক"লক্ষ টা"কা পুর"ষ্কার। নিজেকে বানিয়ে নিন মহা পুরুষ।
👉প্রতি"টি কো"র্সে পাচ্ছেন 25% ডিস"কাউ"ন্ট এবং সারা বাংলাদেশ ক্যা"শ অন ডেলি.ভারিতে পাচ্ছেন অ"গ্রিম পেমে'"ন্ট ছাড়াই।
বাংলাদেশ সায়েন্সল্যাব কর্তৃক অনুমোদিত,,

👉বিস্তারিত জানতে Send message অপশনে ক্লিক করে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
☎অথবা কল করুন,, 01973646224এই নাম্বারে।

শিশু থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ সবাই ডিম খেতে পছন্দ করে। ডিমে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়...
12/06/2023

শিশু থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ সবাই ডিম খেতে পছন্দ করে। ডিমে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। করোনায় এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো খুবই জুরুরি। তাই প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়া উচিত।

শরীর দুর্বল হলে সকালবেলার নাশতায় সিদ্ধ ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।

Advertisement

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত ডিম খাওয়া বেশ উপকারী। ডিম অনেক পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ একটি খাবার। এটি ক্যালসিয়াম, আয়রন ও প্রোটিনের ভালো উৎস।

আসুন জেনে নিই প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়ার উপকারিতা।

১. প্রতিদিন একটি ডিম খেলে শরীরে ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়। এটি দেহের কোষের কার্যক্রম ভালো রেখে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

২. চোখ ভালো রাখতে প্রতিদিন একটি ডিম খান। ডিমের মধ্যে রয়েছে লুটেইন এবং জিয়াক্সএনথিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা চোখের ছানি ও অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে।

৩. ডিমে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল মস্তিষ্কের কোষকে ভালো রাখে। এটি স্নায়ুকেও সুস্থ রাখে ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

৪. ডিমে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও উচ্চমাত্রায় প্রোটিন, যা শরীরের পেশিকে ভালো রাখে। এবং পেশির শক্তি বাড়ায় ও কর্মক্ষম রাখে।

৫. গবেষকরা বলেন, ডিম খেলে দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরা থাকে। ফলে অন্য খাবার গ্রহণে আগ্রহ কমে ও দৈনন্দিন ক্যালোরির চাহিদার পূরণ হয়।
৬. ডিমের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১২ ও সেলেনিয়াম, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৭. ডিমের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভালো চর্বি। অনেকে ভাবেন– সব চর্বিই খারাপ। কথাটি সঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর চর্বিও রয়েছে। এটি শরীরের জন্য ভালো।

দই খাওয়ার উপকারিতাআজকের পোস্টে আপনারা জানবেন দই খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে। আরো জানবেন দই কখন খাবেন এবং দই খা...
12/06/2023

দই খাওয়ার উপকারিতা

আজকের পোস্টে আপনারা জানবেন দই খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে। আরো জানবেন দই কখন খাবেন এবং দই খাওয়ার সঠিক নিয়ম।

দইয়ের অনেক উপকারিতার কারণে এটি সারা বিশ্বে একটি প্রিয় খাদ্য উপাদান। বলা হয়ে থাকে দুধের চেয়ে দই বেশি উপকারী। দই স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য উভয়ের জন্যই খুব ভালো।

আমাদের দেশ ছাড়াও বিদেশের লোকেরা দিনের বেলায় খাবারে এটি গ্রহণ করে। চিকিৎসক এবং সমস্ত ডায়েটিশিয়ানরা দুপুরের খাবারে 1 বাটি দই খাওয়ার পরামর্শ দেন।
তাজা দইয়ে অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। দুধে চর্বি বেশি থাকে, যার কারণে এক সময় শরীরে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কিন্তু দইয়ে ফ্যাট অনেক কম, কম ফ্যাট দুধ দিয়ে তৈরি দইয়ে ফ্যাট একেবারেই নেই।
দই খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

দই আমাদের শহরের জন্য খুবই উপকারী একটি উপাদান। এখানে আমরা আপনাকে এর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে তথ্য দিতে যাচ্ছি।

দইয়ের পুষ্টিগুণ

পুষ্টি উপাদানপ্রতি ১০০ গ্রামক্যালোরি100-150চর্বি2 গ্রামচিনি20 গ্রামপ্রোটিন8-9 গ্রামভিটামিন ডি20 গ্রামক্যালসিয়াম20 গ্রাম

এছাড়াও এতে ফসফরাস, আয়রন, ল্যাকটোজ রয়েছে। দইয়ের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে আজ আমি আপনাদের বলব এবং কখন খেতে হবে তাও জানাব।

দইয়ের উপকারিতা ও বৈশিষ্ট্য

হার্টের জন্য উপকারীঃ আজকাল হার্ট সংক্রান্ত সমস্যা বয়সের কারণে হয় না, আজকের ডায়েটের কারণে অল্প বয়সেই এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এটি এড়াতে আপনার দই খাওয়া উচিত, প্রতিদিন দই খেলে আপনার হার্টের যত্ন নেয়া হয়। দই খেলে কোলেস্টেরল কমে এবং উচ্চ রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ দইয়ে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়া আমাদের শরীরের ভিতরে থাকা জীবাণু এবং চারপাশের ছোট ছোট জীবাণুর সাথে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়ায়। দই খেলে শরীরে চাঞ্চল্য আসে এবং অনেক রোগ দূরে থাকে।

হাড় মজবুত করেঃ দইয়ে ক্যালসিয়াম থাকে যা হাড়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি হাড় ও দাঁত মজবুত করে।

পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করেঃ দই খেলে হজম ঠিকমতো হয়, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা দূর হয়।

হালুয়া তৈরি করতে বাড়ির রাঁধুনিকে খাবারের স্বাদের সঙ্গে পুষ্টির দিকেও নজর রাখতে হয়। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ...
12/06/2023

হালুয়া তৈরি করতে বাড়ির রাঁধুনিকে খাবারের স্বাদের সঙ্গে পুষ্টির দিকেও নজর রাখতে হয়। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেছেন নানা রকম হালুয়ার পুষ্টির দিকের কথা।



বুটের হালুয়া

বুটের হালুয়াতে আছে উচ্চ ক্যালরি ও নানা পুষ্টিকর খাদ্য। দুধ, ঘি, তেল এর অন্যতম উপাদান।

১০০ গ্রাম বুটের ডালে রয়েছে ৩৭২ কিলোক্যালরি, ২০ দশমিক ৮ গ্রাম আমিষ, ৫৯ দশমিক ৮ গ্রাম শর্করা, ৫ দশমিক ৬ গ্রাম চর্বি এবং ৫৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। মাত্র এক টুকরা বুটের হালুয়ার মধ্যে আছে ৩২০ কিলোক্যালরি। উচ্চ ক্যালরিসম্পন্ন এই খাবার ছোট থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্করা খেতে পারবেন। যাঁরা খেলাধুলা করেন, তাঁরা মাঠে নামার আগে বুটের হালুয়া খেলে অনেক বেশি এনার্জি পাবেন।

তবে এই খাবার বয়স্কদের জন্য পরিমিত।



গাজরের হালুয়া

পৃথিবীর অনেক দেশ গাজর দিবস পালন করে। কারণ গাজর অনেক বেশি পুষ্টিকর। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও তেল।

এ ছাড়া অন্য খাদ্য উপাদানের জন্যও এটি পুষ্টিকর।

গাজরের হালুয়া ক্যালরির সঙ্গে সঙ্গে খাবার হজমে সাহায্য করে এবং এতে ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ আছে, যার জন্য শুধু শিশুদের জন্যই নয়—বড়দের জন্যও উপকারী।



সুজি ও ডিমের হালুয়া

আমাদের দেশে সুজির হালুয়ার চল সবচেয়ে বেশি। দাম কম এবং সহচলভ্য, তাই চাহিদাও বেশি। শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে অনেক বেশি; এর মধ্যে যদি ডিম দেওয়া যায়, তাহলে খেতেও হবে সুস্বাদু এবং প্রোটিনের চাহিদাও মিটে যাবে।

ডিমের সঙ্গে দুধ, ঘি ও তেল দিয়ে রান্না করা হয়, তখন এই শর্করাজাতীয় খাবারটিই প্রোটিন ও চর্বি বা ফ্যাটের মিশ্রণে হয় উত্কৃষ্ট খাবার।



খেজুরের হালুয়া

খেজুরের হালুয়ায় আছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন বি৬, আমিষ, শর্করাসহ একাধিক খাদ্যমান। এ ধরনের হালুয়া শিশুদের হাড় মজবুত করতে সহায়তা করে। এ হালুয়া খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।



কাজু ও কাঠবাদামের হালুয়া

কাজু বাদামের হালুয়া মানুষের শরীরের ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সহায়তা করে। আমাদের শরীরে দৈনিক ৩০০-৭৫০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন, যা কাজু বাদাম মেটাতে সক্ষম হবে। কাজু বাদামের হালুয়ায় কোলেস্টেরল থাকে না। এতে বিদ্যমান ফ্যাট মানবদেহের!

আলকুশির বীজ গুঁড়ার উপকারিতাআলকুশি অনেকটা সিমগাছের মতো এবং ছোট ছোট মোমদ্বারা আবৃত, ৪ থেকে ৬ টা বীজ থাকে। প্রতিটি বীজ ৫৫ থ...
12/06/2023

আলকুশির বীজ গুঁড়ার উপকারিতা

আলকুশি অনেকটা সিমগাছের মতো এবং ছোট ছোট মোমদ্বারা আবৃত, ৪ থেকে ৬ টা বীজ থাকে। প্রতিটি বীজ ৫৫ থেকে ৮৫ গ্রাম ওজন হয়। এর বীজ চেপ্টা, ঈষৎ পীতবর্ণ, মুখটি কৃষ্ণবর্ণ। এর পাতা আট থেকে ১২ সে. মি. পর্যন্ত লম্বা হয় এবং পাতাগুলো বেশ মসৃণ। সারাবছরই পর্যায়ক্রমে ফুল ও ফল পাওয়া যায়। । এবং বীজগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লোম দ্বারা আবৃত থাকে যা সহজেই পৃথক হয়ে যায়। এগুলি ত্বকের সংস্পর্শে এলে প্রচণ্ড চুলকানি সৃষ্টি করে। বানরের সঙ্গে এদের সম্পর্ক হল, যখন আলকুশি ফল পুষ্ট হতে থাকে তখন চুল্কানির ভয়ে বানরের দল ঐ এলাকা ছেড়ে চলে যায়, কারণ এর হুল বাতাসেও ছড়িয়ে পড়ে। বানরেরা ফিরে আসে যখন মাটিতে ফল পড়ে যায়। সেগুলো তারা খায় বিশেষ দৈহিক কারণে।

দেখে নিন কি কি উপকার করে আলকুশি:

১) কোন পোকা মাকড়ের কামড়ে বা বিছের দংশনে আলকুশীর বীজের গুড়া লাগালে অনেক যন্ত্রণা কমে যায়।

২) এর শিকড়ের রস এক চামচ করে একমাস খেলে আমাশয় রোগ সারে।

৩) আলকুশির পাতার রস ফোঁড়ায় দিলে অচিরেই সেটি ফেটে যায়।

৪) এর বীজ চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের উপশম হয়, শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়, শুক্র বৃদ্ধি ও গাঢ় হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে।

৫) এর শিকড়ের রসে জ্বর, সর্দি-কাশি ভালো করে।

৬) আলকুশির শিকড়ের মণ্ডু মূত্রবর্ধক ও মূত্রযন্ত্রের রোগ নিরাময়ে বেশ উপকার।

৭) এর কাণ্ডের রস চোখের রোগের ক্ষেত্রেও ফলপ্রসূ।

৮) শিকড়ের রস জীবজন্তুর গায়ের ঘায়ে লাগালে ক্ষত দ্রুত সরে যায়।

আলকুশির বৈজ্ঞানিক নাম: মুকুনা পুরিয়েন্স। ইংরেজিতে এর নাম Velvet bean, Cowitch, Cowhage, Kapikachu, Nescafe, Sea bean। এটি ফ্যাবাসি পরিবারের একটি উদ্ভিদ। বোটানিক্যাল নামের পুরিয়েন্স শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ভাষা থেকে, যার অর্থ চুলকানির অনুভূতি। ফলের খোসা ও পাতায় আছে- সেরাটোনিন, যার কারণে চুলকানির উদ্রেক হয়।

মধ্য আমেরিকায় আলকুশির বীচি আগুনে ভেজে চূর্ণ করা হয় কফির বিকল্প হিসেবে। এ কারণে ব্রাজিলসহ অন্যান্য দেশে এর প্রচলিত নাম হচ্ছে নেস ক্যাফে। গুয়েতেমালায় কেচি সম্প্রদায়ের মানুষ এখনও খাদ্যশস্য হিসেবে এটি আবাদ করে, সবজি হিসেবে রান্না হয়।

প্রাচীনকাল থেকেই রান্নার পাশাপাশি চিকিৎসার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে রসুন। ছবি: হেলথওয়্যার‘আমরা যদি দেখি অতীতে যে কয়...
12/06/2023

প্রাচীনকাল থেকেই রান্নার পাশাপাশি চিকিৎসার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে রসুন। ছবি: হেলথওয়্যার

‘আমরা যদি দেখি অতীতে যে কয়টি বিখ্যাত সভ্যতা ছিল, প্রাচীন ব্যাবিলন, মিসর, গ্রিস, রোম, চীন, ভারত; এই সকল বিখ্যাত প্রাচীন সভ্যতার মানুষেরা সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত রসুন খেতেন। কেন তারা খেতেন, তারা জানতেন না। তারা রসুন খেতেন এবং সুস্থ থাকতেন, কিন্তু এখনকার কালের বিজ্ঞানীরা রসুনকে অ্যানালাইসিস (বিশ্লেষণ) করে তারা বলছেন যে, নিঃসন্দেহে রসুন একটি হারবাল ওয়ান্ডার ড্রাগ।’

বিশ্বজুড়ে রান্নায় বহুল ব্যবহৃত একটি উপকরণ রসুন। ওষুধ হিসেবেও সুপ্রাচীনকাল থেকেই এটি ব্যবহার হয়ে আসছে।

রসুনের অনেক গুণের কথা বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাদের একজন কোয়ান্টাম হার্ট ক্লাবের কো-অর্ডিনেটর ডা. মনিরুজ্জামান।

এক ভিডিওতে রসুনের নানাবিধ উপকারিতা এবং এটি কীভাবে খেতে হয়, তা তুলে ধরেছেন এ চিকিৎসক। বিষয়গুলো তার ভাষায় উপস্থাপন করা হলো নিউজবাংলার পাঠকদের সামনে।

‘ওয়ান্ডার ড্রাগ’

এখন আমরা একটি অতি পরিচিত খাবার নিয়ে আলোচনা করব, যা প্রত্যেক দিন আপনার রান্নাঘরে থাকে। রান্নার স্বাদ বৃদ্ধির জন্য, রান্নাকে আকর্ষণীয় করার জন্য প্রতিদিন এটি ব্যবহার করা হয়। সেটি হচ্ছে রসুন। অথচ এই রসুনটিই হতে পারে একটি ‘ওয়ান্ডার ড্রাগ’ যদি আপনি যথাযথভাবে তা গ্রহণ করতে পারেন।

আধুনিক অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার জনক হিপোক্রেটস। প্রাচীন গ্র্রিসের তিনি বিখ্যাত চিকিৎসক ছিলেন। তার একটি বিখ্যাত উক্তি ‘লেট ফুড বি দাই মেডিসিন অ্যান্ড মেডিসিন বি দাই ফুড’। মানে আপনার খাদ্য এমনভাবে হওয়া উচিত, যা ওষুধ হবে; ওষুধের মতো কাজ করবে এই খাবার এবং যা আপনাকে সুস্থ রাখবে।

আমাদের খাদ্যতালিকায় এমন কিছু খাবার নির্বাচন করা উচিত, প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় এমন কিছু খাবার থাকা উচিত, যা আমাকে সুস্থ, কর্মময়, দীর্ঘ জীবনের দিকে নিয়ে যাবে। তেমনই একটি ওষুধ হচ্ছে রসুন, যেটিকে আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি হারবাল ওয়ান্ডার ড্রাগ।

রসুন কেন ‘বিস্ময়কর ওষুধ’

আমরা যদি দেখি অতীতে যে কয়টি বিখ্যাত সভ্যতা ছিল, প্রাচীন ব্যাবিলন, মিসর, গ্রিস, রোম, চীন, ভারত; এই সকল বিখ্যাত প্রাচীন সভ্যতার মানুষেরা সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত রসুন খেতেন। কেন তারা খেতেন, তারা জানতেন না। তারা রসুন

দুধ পুষ্টিগুণে ভরপুর। শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধ–সবারই প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করা উচিত। দুধ ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম...
12/06/2023

দুধ পুষ্টিগুণে ভরপুর। শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধ–সবারই প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করা উচিত। দুধ ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের উৎস। দুধে আছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি, ওমেগা থ্রি, ওমেগা সিক্সসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। দুধকে বলা হয় সুপার ফুড। এতে আছে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ, যা শরীরের জন্য জরুরি। এতে প্রচুর ভিটামিন বি-১২ আছে, যা মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজন। দুধ শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া দেহের টিস্যু ও কোষ মেরামতের জন্য দারুণ উপকারী।

বিজ্ঞাপন

কেন দুধ পান করবেন
আমাদের দেশে গরু ও ছাগলের দুধ সহজলভ্য। শিশুরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ পান করতে পারে। মায়ের বুকের দুধের পর নিয়মিত গরু-ছাগলের দুধ পান করা উচিত। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধরাও গরু-ছাগলের দুধ পান করলে উপকার পাবেন।

গরুর দুধের উপকারিতা
১. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে।
২. ঘুম ভালো হয়।
৩. হাড় মজবুত করে।
৪. সারাদিনের শক্তি অর্জিত হয়।
৫. ত্বক সুন্দর করে।

বিজ্ঞাপন

ছাগলের দুধের উপকারিতা
১. হার্ট ভালো রাখে।
২. পুষ্টিগুণ মায়ের বুকের দুধের কাছাকাছি।
৩. এলার্জি প্রবণতা কম।
৪. উচ্চ ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ।
৫. ত্বকের যত্নে উপকারী।
৬. ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু।
৭. হজম করা যায় সহজেই।
৮. এলার্জি নিয়ন্ত্রণ করে।
৯. হাঁড়ের গঠনকে শক্তিশালী করে।
১০. কোলেস্টেরল কম।
১১. বাড়ন্ত শিশুর জন্য উপকারী।

দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।তাপ উৎপাদনে: শীতের ঠান্ডায় এটি শরীরকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা–চ...
12/06/2023

দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।

তাপ উৎপাদনে: শীতের ঠান্ডায় এটি শরীরকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা–চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে।

পানিশূন্যতায়: ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।

রূপচর্চায়: মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।

ওজন কমাতে: মধুতে নেই কোনো চর্বি। পেট পরিষ্কার করে, চর্বি কমায়, ফলে ওজন কমে।

হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে।

গলার স্বর: গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে।

তারুণ্য বজায় রাখতে: তারুণ্য বজায় রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিহার্য। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও তারুণ্য বাড়ায়।

হাড় ও দাঁত গঠনে: মধুর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে।

রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে: এতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

আমাশয় ও পেটের পীড়া নিরাময়ে: পুরোনো আমাশয় এবং পেটের পীড়া নিরাময়সহ নানাবিধ জটিল রোগের উপকার করে থাকে।

হাঁপানি রোধে: আধা গ্রাম গুঁড়ো করা গোলমরিচের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মেশান। দিনে অন্তত তিনবার এই মিশ্রণ খান। এটা হাঁপানি রোধে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ কমায়: দুই চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ রসুনের রস মেশান। সকাল-সন্ধ্যা দুইবার এই মিশ্রণ খান। প্রতিনিয়ত এটার ব্যবহার উচ্চ রক্তচাপ কমায়। প্রতিদিন সকালে খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত।

রক্ত পরিষ্কারক: এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধু ও এক চামচ লেবুর রস মেশান। পেট খালি করার আগে প্রতিদিন এই মিশ্রণ খান। এটা রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া রক্তনালিগুলোও পরিষ্কার করে।

রক্ত উৎপাদনে সহায়তা: রক্ত উৎপাদনকারী উপকরণ আয়রন রয়েছে মধুতে। আয়রন রক্তের উপাদানকে (আরবিসি, ডব্লিউবিসি, প্লাটিলেট) অধিক কার্যকর ও শক্তিশালী করে।

প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা নানা রোগের প্রতিষেধক এবং প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতি গ্রাম কালজিরায় যেসব পুষ্টি উপ...
12/06/2023

প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা নানা রোগের প্রতিষেধক এবং প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতি গ্রাম কালজিরায় যেসব পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা হলো- প্রোটিন, ভিটামিন-বি, নিয়াসিন, ক্যালসিয়াম, আয়রণ, ফসফরাস, কপার, জিংক এবং ফোলাসিন। কালোজিরা খুব পরিচিত একটি নাম। কালোজিরা সাধারণত খাবারে ফোড়ন হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে। যে কোনও রান্নায় কালোজিরে ফোড়ন দিলে সেই রান্নার পুষ্টিগুণ অনেকটাই বেড়ে যায়। কালো জিরে দিয়ে সাদা আলুর চচ্চড়ি, ইলিশ মাছের পাতলা ঝোল! এছাড়াও নিমকি তৈরি করতে বা যে কোনও ধরনের চপ তৈরিতে বেসনের গোলোতেও কালোজিরা মেশানো হয়ে থাকে। বহুযুগ থেকে কালোজিরা মানবদেহের নানা রোগের প্রতিষেধক এবং প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এজন্য একে সকল রোগের মহঔষধও বলা হয়ে থাকে। সত্যি তাই, কালোজিরের মধ্যে রয়েছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন, লিনোলিক অ্যাসিড, ওলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম ,ফসফেট, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি ২, নায়াসিন, ভিটামিন-সি, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট। সুস্থ থাকতে তাই প্রতিদিন কালোজিরা খাওয়া উচিত।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়



রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। যে কোনও জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। কালোজিরা আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। নিয়মিত পেট খারাপের সমস্যা থাকলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়। তাই সকালে কালোজিরার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। কালোজিরা ও মধু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুণ ভূমিকা পালন করে। কালোজিরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

বাতের ব্যাথায় আরাম পেতে



বাতের ব্যাথায় আরাম পেতে, ব্যথার জায়গা ভাল করে ধুয়ে পরিষ্কার করে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এক চা- চামচ কাঁচা হলুদের রসের সঙ্গে ১ চা চামচ কালোজিরার তেল ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে দিনে তিনবার খান। ২-৩ সপ্তাহ টানা খেলে ফল মিলবে হাতেনাতে। পিঠে ব্যথায় ভুগছেন? কালোজিরার থেকে তৈরি তেল আমাদের দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘমেয়াদী রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Good Health posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram