30/01/2023
👉গাজরের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ
গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু শীতকালীন সবজি, যা প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। গাজরের উপকারিতা ও পুষ্টিগুনে আধিক্যতার কারনে
গাজরকে
বলা হয় সুপার ফুড। কাচাঁ ও রান্না দুভাবেই খাওয়া যায় গাজর, তাই গাজরকে সবজি এবং ফল দুটাই বলা যায়। নানা প্রকার খাদ্য তৈরিতে গাজর ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তরকারি, ভাঁজি, হালুয়া ও সালাদ হিসেবে গাজর অত্যন্ত জনপ্রিয়। তবে সর্বোচ্চ পুষ্টিগুনের লাভের জন্য কাচা গাজর খাওয়াই সর্বোত্তম। তাই কাঁচা গাজর অথবা গাজরের জুস বানিয়ে খেলেই গাজরের সর্বোচ্চ পুষ্টি উপাদান পাবেন।
গাজরে প্রচুর পরিমাণ বিটা ক্যারোটিন বা ভিটামিন এ, মিনারেলস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। গাজরের ভিটামিন ও মিনারেলস দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, এটি স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও সৌন্দর্যচর্চায় বহুদিন থেকে সমাদৃত, তবে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে উপকারটি হ’ল দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পাওয়া। গাজর এর ইংরেজি নাম Carrot এবং বৈজ্ঞানিক নাম Daucus Carota যা একপ্রকার মূল জাতীয় সবজি।
গাজরের উপকারিতা এবং পুষ্টি বার্তাঃ
গাজরে রয়েছে নানা ধরনের পুষ্টিগুন এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য উপকারিতা। আসুন আমারা সেই উপকারিতা গুলো আজ জেনে নেই..
দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করেঃ গাজর চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে বিটা-ক্যারোটিন (ভিটামিন এ) একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গাজর এ প্রচুর পরিমাণ বিটা-ক্যারোটিন নামের এক ধরনের উপাদান থাকে। এই উপাদানটি শরীরে ভিটামিন ‘এ’-তে পরিণত হয়। তাই গাজরে উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে, চোখের কোষকলা তৈরীতে সাহায্য করে রাতকানা, গ্লুকোমা ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করে।
রোধ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ গাজরের মধ্যে যে ক্যারটিনয়েড থাকে তা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে। আর এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে ক্ষতিকর জীবাণু, ভাইরাস এবং বিভিন্ন ধরনের প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। এ ছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে বিষমুক্ত করে, হৃদরোগ এবং ক্যানসার প্রতিরোধেও সহায়তা করে। গাজরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খনিজ যেমন, পটাশিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি থাকে যা হাড় গঠন, নার্ভাস সিস্টেমকে শক্ত করা ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
ওজন কমায়ঃ পুষ্টি গুণ সমৃদ্ধ গাজরে ক্যাল!