M/s Hoque Medico

M/s Hoque Medico Assalamualaikum. Welcome to M/s Hoque Medico.We provide all your health needs in one place.

08/11/2025

এটা যতটা সহজ মনে হয়, প্রকৃতপক্ষে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। প্রতিদিন কিছু বাদাম খেলে আমাদের শরীর এমন এক অসাধারণ কাজ করতে পারে-ক্ষতিকর ক্যান্সার কোষ চিহ্নিত করে ধ্বংস করা। প্রথমবারের মতো এই ধরনের মানব পরীক্ষায় দেখা গেছে, যেসব নারীরা দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় বাদাম যোগ করেছেন, তাদের শরীরে ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের সঙ্গে সম্পর্কিত পথগুলো সক্রিয় হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বাদামের মধ্যে থাকা ওমেগা-৩, পলিফেনল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো যৌগগুলো স্তনকোষে জিনের কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে। এর ফলে এমন পরিবেশ তৈরি হয় যা টিউমারের বৃদ্ধি বাধা দেয় এবং কোষের স্ব-ধ্বংস প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে। অর্থাৎ, শরীর নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত কোষ চিহ্নিত করে তা বৃদ্ধি পেতে দেওয়ার আগে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়।

বাদামের শক্তি শুধু পুষ্টিগুণেই সীমাবদ্ধ নয়; এদের যৌগিক মিলনে রয়েছে বিশেষ ক্ষমতা। একসাথে, এদের যৌগগুলো প্রদাহ কমায়, হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে-যা ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বহু বছর ধরে বিজ্ঞানীরা জানতেন খাদ্য আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এই পরীক্ষা দেখিয়েছে যে প্রতিদিনের সাধারণ খাবারও লক্ষ্যভিত্তিক সুরক্ষার শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে।

যদিও কোনো খাবার চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না, তবে গবেষণার ফলাফল দেখাচ্ছে, ভবিষ্যতে প্রতিরোধ শুরু হতে পারে রান্নাঘর থেকেই। সাধারণ মনে হওয়া একটি নাস্তা, কখনও কখনও অসাধারণ প্রতিরক্ষার চাবিকাঠি হতে পারে।

তাহলে পরবর্তীবার যখন নাস্তা খেতে বসবেন, মনে রাখবেন-প্রকৃতি প্রায়শই তার বিস্ময়গুলো সাধারণ জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে রাখে।

(সংগৃহীত)

02/11/2025

★কানের পর্দা ফেটে গেলে করনীয়----

কানের ভেতরের দিকে একটি পর্দার মতো থাকে, যা টিমপ্যানিক মেমব্রেন নামে পরিচিত। মধ্যকর্ণ থেকে অন্তঃকর্ণের মাঝখানে এটি পর্দা হিসেবে থাকে। এটি খুবই স্পর্শকাতর, শব্দতরঙ্গ কানের পর্দায় কম্পন তৈরি করে। এই কম্পন মধ্যকর্ণের ছোট ছোট হাড়ের মাধ্যমে অন্তঃকর্ণে পৌঁছায়। অতঃপর অন্তঃকর্ণ থেকে মস্তিষ্কে পৌঁছায়। এভাবে আমরা শুনতে পাই।
কিন্তু বহু কারণে এই পর্দা ফেটে যেতে পারে, ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, ছিঁড়ে যেতে পারে। এতে শুনতে অসুবিধা হয়, কখনো কখনো শ্রবণশক্তি পুরোপুরি লোপ পায়। কানের পর্দা ফেটে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে মধ্যকর্ণে ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

💎 পর্দা ফাটার কারণঃ

কানের পর্দা বিভিন্ন কারণে ফাটতে পারে বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যেমন-
১.কানের কোনো অসুখ যেমন-মধ্যকর্ণে ক্রনিক সাপোরেটিভ অটাইটিস মিডিয়া হলে
২. কোনো কিছু দিয়ে কান খোঁচালে। যেমন-কটন বাড।
৩.কানে কোনো কিছু প্রবেশ করলে এবং অদক্ষ হাতে তা বের করার চেষ্টা করলে
৪.দুর্ঘটনা বা আঘাতে কান ক্ষতিগ্রস্ত হলে
৫.হঠাৎ কানে বাতাসের চাপ বেড়ে গেলে। যেমন-থাপ্পড় মারা, বোমা বিস্ফোরণ, অতি উচ্চ শব্দের শব্দ ইত্যাদি কারণে
৬.পানিতে ডাইভিং বা সাঁতার কাটার সময় হঠাৎ পানির বাড়তি চাপের কারণে পর্দায় চাপ পড়লে
৭. কানের অন্য অপারেশনের সময়ও কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হলে
৮.যাদের কানের পর্দা আগে থেকেই দুর্বল বা ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের ক্ষেত্রে নাক চেপে কানে বাতাস দিয়ে চাপ দিলে।

💎 উপসর্গঃ
১.প্রথমে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়, যা পরবর্তী সময়ে কমে আসে

২.কান দিয়ে রক্ত পড়া। বিশেষ করে আঘাতজনিত কারণে কানের পর্দা ফেটে গেলে কান দিয়ে রক্ত পড়তে পারে

৩.কানে কম শোনা

৪.মাথা ঘোরানো বা ভার্টিগো

৫.কানে শোঁ শোঁ বা ভোঁ ভোঁ শব্দ (টিনিটাস) হওয়া।

💎পরীক্ষা-নিরীক্ষাঃ
অটোস্কোপের মাধ্যমে খালি চোখেই ডাক্তার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কানের পর্দা ফেটে গেছে কি না তা নির্ণয় করতে পারেন। এ ছাড়া কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষারও প্রয়োজন হতে পারে। এর মধ্যে আছে কানের ভেতর থেকে বের হওয়া তরলের কালচার পরীক্ষা, টিউনিং ফর্ক এভালুয়েশন, টিমপ্যানোমেট্রি। এগুলো থেকেও যথাযথ রোগ নির্ণয় না করা গেলে অডিওলজি টেস্ট করা হয়।

💎চিকিৎসাঃ
অনেকেই কানে কোনো সমস্যা হলে নিজেরাই কানের ড্রপ ব্যবহার করে, যা উচিত নয়। কানের পর্দা ফেটে গেলে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ নেওয়া উচিত। যাদের কানে আগে থেকেই কোনো সমস্যা আছে বা কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার ইতিহাস আছে, তাঁদের নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলা উচিত।

১. কানে কোনোভাবেই যেন পানি প্রবেশ না করে এ জন্য গোসলের সময় কানে তুলা বা ইয়ার প্লাগ ব্যবহার করা।

২.সাঁতার না কাটা

৩.উড়োজাহাজে ভ্রমণ এড়িয়ে চলা

৪.উচ্চ শব্দে গান না শোনা, হেড ফোন ব্যবহার না করা।

৫.কানে যাতে কোনো ইনফেকশন না হয়, এ জন্য কানো কোনো অসুবিধা হওয়ামাত্র ডাক্তার দেখিয়ে উপযুক্ত ওষুধ সেবন করা।

৬.কান না খোঁচানো

৭.নিজে নিজে কোনো ওষুধ দেওয়া থেকে বিরত থাকা

৮.কানে কোনো কিছু গেলে বা আটকে থাকলে নিজে তা বের করার চেষ্টা না করা।

কানের পর্দার ছিদ্র যদি ছোট হয় বা অল্প একটু ফেটে যায়, তাহলে কয়েক সপ্তাহ পর আপনা আপনি তা ঠিক হয়ে যায়।

যদি তিন মাসের মধ্যেও ক্ষতিগ্রস্ত পর্দা ঠিক না হয়, সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে অপারেশনের মাধ্যমে কানের পর্দা ঠিক করা যায়।

©Dr. Md. Jihad Lasker

 #সতর্কতা
02/11/2025

#সতর্কতা

19/10/2025
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি....
07/08/2025

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি....

For details check the first comment.
25/06/2025

For details check the first comment.

15/06/2025

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৬।
আসুন সাবধানে থাকি এবং রাখি।

12/06/2025

অভিনেতা সমু চৌধুরী সম্ভবত ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত। অসংখ্য কারণের মাঝে বার্ধক্য একটি। এছাড়া স্ট্রোক, পারকিনসন্স ডিজিজ, জেনেটিক্স ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ডিমেনশিয়া হতে পারে। ইতিহাস নিলে হয়তো পাওয়া যাবে, তিনি অনেকদিন ধরেই একই কাজ বারবার করেন, একই কথা বারবার বলেন, একই ব্যক্তিকে বারবার খোঁজেন।

ডিমেনশিয়া একটা নিউরো-সাইকিয়াট্রিক ডিসঅর্ডার। অনেকেই এটাকে অ্যামনেশিয়া বা স্মৃতিভ্রমের সাথে গুলিয়ে ফেলেন। কিন্তু এটা আসলে আরো অনেক জটিল।

প্রথম কথা হচ্ছে, ডিমেনশিয়া কখনো ঠিক হয় না এবং সময়ের সাথে সাথে এটা বাড়তে থাকে। কিছু ওষুধ কাজ করে বলে দাবী করা হলেও তেমন কোনো দীর্ঘমেয়াদী রেসপন্স আসলে পাওয়া যায় না।

দ্বিতীয় কথা হলো, ডিমেনশিয়া মানেই অ্যালঝেইমার্স নয়। ঐটা ডিমেনশিয়ার একটা ধরণ মাত্র।

এখন আসি ডিমেনশিয়াতে কী কী হয় সেটা নিয়ে। মেডিকেল সায়েন্স কপচায়ে লাভ নাই। সহজ বাংলায় বললে, ডিমেনশিয়াতে অর্জিত স্মৃতি, ব্যক্তিত্বের গুণাবলী, ভাষা এবং দক্ষতা ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়।

এখানে স্মৃতিশক্তি হারানোটা আসলে কী বুঝায়? আমজনতা তো বটেই মেডিসিন ফ্যাকাল্টির বাইরের ডাক্তারদেরও অনেকেই ধরে নেন, বাবা তো ত্রিশ বছর আগের কথাও বলে দিচ্ছেন। তাহলে ডাক্তার কেন বলছেন যে উনি ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত?

এর কারণ হলো ডিমেনশিয়ার একদম শুরুতে রোগী রিসেন্ট মেমোরি হারানো শুরু করেন। একদম বেইসিক জিনিস যেগুলো সহজে নজরে পড়ে না। যেমন, চাবি কোথাও রেখে ভুলে যাওয়াটা আমাদের সবার সাথেই হয়, তাই আমরা শুরুতে এই জিনিসটা ধরতে পারি না। অনেক রোগী এই পর্যায়ে নিজেই বলতে পারেন যে উনি বারবার ভুলে যাচ্ছেন। যত সময় যায়, রোগী আস্তে আস্তে পেছনের কথা ভুলতে থাকেন। মানে এখানে স্মৃতিশক্তি হারায় বর্তমান থেকে উল্টোদিকে।

ছয় মাস পর কোনো এক সকালে দেখা যায়, রোগী তার ছোট নাতিকে চিনতে পারছেন না কিন্তু বড় নাতিকে ঠিকই চিনতে পারছেন এবং বারবার ছোটজনকে দেখিয়ে জিজ্ঞেস করছেন যে এটা কে। এর কয়েক বছর পর দেখা যায়, রোগী এখন তার নিজের সন্তানের স্ত্রীর সাথেও অপরিচিতের মতো আচরণ করছেন। একসময় রোগী সম্পূর্ণ চুপচাপ হয়ে যান।

স্মৃতিশক্তি ছাড়াও রোগী আরো অনেক কিছুই হারাতে থাকে। যেমন, রোগী আগে অনেক রাশভারী ছিলেন, এখন একদম নরম হয়ে গেছেন। রোগী আগে ভালো বক্তৃতা দিতেন, এখন ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না। খাবার মুখে নিয়ে বসে থাকেন। একই পজিশনে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে বা শুয়ে থাকেন। দিনে ঘুমান, সারারাত জেগে পাগলামি করেন। দেখে মনে হবে, এক মাসের কোনো শিশুকে অ্যাডাল্ট মানুষের শরীরে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। শরীর বড় হলেও, আচার আচরণ সব শিশুর মতো।

এর সাথে যোগ হয় অস্বাভাবিক আচরণ। যেমন, কারণ ছাড়াই প্রচন্ড ভয় পাওয়া, অমূলক সন্দেহপ্রবণতা, গায়ে বা বিছানায় পোকামাকড় দেখা বা অনুভব করা, যেখানে সেখানে প্রস্রাব-পায়খানা করে দেয়া ইত্যাদি।

নিজের চোখে দেখা সবচেয়ে এক্সট্রিম ডিমেনশিয়ার কেইসটা লিখে শেষ করি। মহিলা রোগী মোটামুটি সবসময় কমবেশি নরমাল আচরণ করেন। একটাই সমস্যা, ছেলের সাথে ছেলের বৌকে দেখলেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। নরমাল মানুষ দেখলে ভাববে হয়তো উনি পুত্রবধূকে অপছন্দ করেন বলে গালিগালাজ করছেন। আসলে তার ছেলের চেহারা দেখতে তার স্বামীর মতো। তার স্বামী বহু আগে মারা গেছেন। কিন্তু রোগীর স্মৃতি দিনকে দিন চলে যাচ্ছে পেছনের দিকে। উনি নিজের ছেলেকে ভাবছেন তার কমবয়সী স্বামী এবং পুত্রবধূকে ভাবছেন পরনারী।

Dementia is probably the cruelest method to torture a human to death.

(পুনশ্চঃ ডিমেনশিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে দিয়ে কোনো দলিলপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নিলে আদালতে সেটা খারিজ হয়ে যায়।)

© ডা. ইফতেখার চৌধুরী

اَللّٰهُ أَ كْبَرُ، اَللّٰهُ أَ كْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَ كْبَرُ، اَللّٰهُ أَ كْبَرُ، وَلِلّٰهِ ال...
06/06/2025

اَللّٰهُ أَ كْبَرُ، اَللّٰهُ أَ كْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَ كْبَرُ، اَللّٰهُ أَ كْبَرُ، وَلِلّٰهِ الْـحَمْدُ

Address

South Sholokbahar, Panchlaish
Muradpur
4203

Opening Hours

Monday 09:30 - 23:59
Tuesday 09:30 - 23:59
Wednesday 09:30 - 23:59
Thursday 09:30 - 23:59
Friday 10:00 - 23:59
Saturday 09:30 - 23:59
Sunday 09:30 - 23:59

Telephone

+8801820999484

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M/s Hoque Medico posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to M/s Hoque Medico:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram