Natural Solution

Natural Solution Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Natural Solution, Medical and health, Gec, Chittagong.

আসসালামু আলাইকুম আপনারা যা-রা স্ব/স্থ্য নিয়ে চি'ন্তি'ত তাদের জন্য রয়েছে স্থা'য়ী স'মাধা'ন মি'ল্ক শে'খ সে'বন করে সু'স্থ...
21/03/2023

আসসালামু আলাইকুম

আপনারা যা-রা স্ব/স্থ্য নিয়ে চি'ন্তি'ত তাদের জন্য রয়েছে স্থা'য়ী স'মাধা'ন মি'ল্ক শে'খ সে'বন করে সু'স্থ থাকুন সব সময়

সীমিত সময়ের জন্য রয়েছে 30%ডিসকাউন্ট অফার

বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ করুন অথবা কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে
01834606443

মি'ল্ক শেখ সে'ব'ন করে সু\স্থ থাকুন সবসময় আমাদের প্রো'ডাক্ট সে'ব'ন করে ঘু'মের অভাব পূরণ করবে ক্যা'লসি'য়াম প্লাস পটা'শিয...
21/03/2023

মি'ল্ক শেখ সে'ব'ন করে সু\স্থ থাকুন সবসময় আমাদের প্রো'ডাক্ট সে'ব'ন করে ঘু'মের অভাব পূরণ করবে

ক্যা'লসি'য়াম প্লাস পটা'শিয়া'মের ঘাটতি পূরণ করবে খাওয়ার রু'চি বা'ড়াবে

আমরা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে ৩/৪ দিনের মধ্যে হোম ডেলিভারি করে থাকি।
20/03/2023

আমরা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে ৩/৪ দিনের মধ্যে হোম ডেলিভারি করে থাকি।

Customers review 😍😍
20/03/2023

Customers review 😍😍

৩.৫-আউন্স (১০০-গ্রাম) কলাতে ১০% এবং অ্যাভোক্যাডোতে ১৪% পটাশিয়াম থাকে।বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, উচ্চ পটাশিয়াম ...
20/03/2023

৩.৫-আউন্স (১০০-গ্রাম) কলাতে ১০% এবং অ্যাভোক্যাডোতে ১৪% পটাশিয়াম থাকে।
বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, উচ্চ পটাশিয়াম রক্তচাপ হ্রাস করে যা হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কিডনি ফেইলিউরের ঝুঁকি কমায়।

৩. হার্ট এর জন্য উপকারী মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ:

অ্যাভোক্যাডো একটি উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার। প্রকৃতপক্ষে, এতে থাকা ক্যালোরিগুলির ৭০% আসে ফ্যাট থেকে। তবে এগুলিতে কোনও চর্বি থাকে না।
অ্যাভোক্যাডোতে থাকা বেশিরভাগ ফ্যাট হলো অলিক অ্যাসিড (একটি মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড) যা অলিভ অয়েলের প্রধান উপাদান এবং এর বেশ কিছু উপকারীতা রয়েছে।
অলিক অ্যাসিড জ্বালাপোড়া কমাতে এবং ক্যান্সার কোষ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

অ্যাভোক্যাডোতে থাকা ফ্যাটগুলি অনেকটা তাপ বিরোধী, তাই অ্যাভোক্যাডো তেল রান্নার জন্য বেশ স্বাস্থ্যকর এবং নিরাপদ।

৪. উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ:

অ্যাভোক্যাডোতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। ফাইবার হলো এমন একটি পুষ্টি উপাদান যা ওজন হ্রাসে অবদান রাখে, রক্তে শর্করার স্পাইকগুলি হ্রাস করে এবং সাথে আরো অনেক রোগের ঝুঁকি কমায়।

দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবারের মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে।

দ্রবণীয় ফাইবার আপনার অন্ত্রের বন্ধুত্বপূর্ণ অন্ত্র-ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য, যা শরীরের অনুকূল কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতি ৩.৫-আউন্স (১০০-গ্রাম) অ্যাভোক্যাডোতে ৭ গ্রাম ফাইবার থাকে, যা RDA এর ২৭%।
অ্যাভোক্যাডোতে থাকা প্রায় ২৫% ফাইবার দ্রবণীয় এবং ৭৫% অদ্রবণীয়।

কালোজিয়া শুধু ছোট ছোট কালো দানা নয়, এর মধ্যে রয়েছে বিস্ময়কর শক্তি। প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা মানবদেহের বিভিন্ন রোগের...
20/03/2023

কালোজিয়া শুধু ছোট ছোট কালো দানা নয়, এর মধ্যে রয়েছে বিস্ময়কর শক্তি। প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা মানবদেহের বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক।

শুধু এখানেই শেষ নয়, কালোজিরা চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি এবং মস্তিষ্ক শক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়ায়।

এ ছাড়া অনেকে গোপন শক্তি বাড়াতে চিকিৎসকের আশ্রয় নেন ও ভায়াগ্রা সেবন করেন! তাদের বলছি-এর জন্য ভায়াগ্রা নয়, এক চামুচ কালোজিরাই যথেষ্ট। কারণ কালোজিরায় এ ক্ষমতা অপরিসীম।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কালোজিরায় রয়েছে-ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান। কালোজিরায় ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাবসংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

আসুন জেনে নিই কালোজিরায় আর কি কি উপকারিতা রয়েছে-

মাথাব্যথা: মাথাব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তী স্থানে দৈনিক ৩-৪ বার কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। তিন দিন খালি পেটে চা চামচে এক চামচ করে তেল পান করুন উপকার পাবেন।

যৌন দুর্বলতা: কালোজিরা চুর্ণ ও অলিভ অয়েল, ৫০ গ্রাম হেলেঞ্চার রস ও ২০০ গ্রাম খাঁটি মধু একসঙ্গে মিশিয়ে সকালে খাবারের পর এক চামুচ করে খান। এতে গোপন শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

চুলপড়া: লেবু দিয়ে সব মাথার খুলি ভালোভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ও ভালোভাবে মাথা মুছে ফেলুন। তার পর মাথার চুল ভালোভাবে শুকানোর পর সম্পূর্ণ মাথার খুলিতে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এতে এক সপ্তাহেই চুলপড়া কমে যাবে।

কফ ও হাঁপানি: বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এ ক্ষেত্রে হাঁপানিতে উপকারী অন্যান্য মালিশের সঙ্গে এটি মিশিয়েও নেয়া যেতে পারে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ে ও অ্যাজমায় উন্নতি ঘটে: এক চামচ মধুতে একটু কালোজিরা দিয়ে খেয়ে ফেলুন। এতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। হালকা উষ্ণ পানিতে কালোজিরা মিলিয়ে ৪৫ দিনের মতো খেলে অ্যাজমার সমস্যার উন্নতি ঘটে।

ডায়াবেটিস: কালোজিরার চূর্ণ ও ডালিমের খোসা চূর্ণ মিশ্রণ এবং কালোজিরার তেল ডায়াবেটিসে উপকারী।

মেদ ও হৃদরোগ: চায়ের সঙ্গে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ কমে যায়।

অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্টিক: এক কাপ দুধ ও এক

গাজর দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি গাজরে আছে নানা ধরণের পুষ্টিগুণ। আমাদের দেহের সুস্থতায় গাজর অনেক বেশি কার্যকরী। বেশ সহজলভ্য...
20/03/2023

গাজর দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি গাজরে আছে নানা ধরণের পুষ্টিগুণ। আমাদের দেহের সুস্থতায় গাজর অনেক বেশি কার্যকরী। বেশ সহজলভ্যও এই পুষ্টিকর সবজিটি। কাচা এবং রেঁধে দুইভাবেই খাওয়া যায় গাজর। চলুন জেনে নিই গাজরের উল্লেখযোগ্য কিছু উপকারিতা-১. শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় দ্রুত। গাজর খেলে ত্বকে পটাশিয়ামের অভাব দূর হবে এবং ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।২. চুল পড়া রোধে গাজরে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল কার্যকর। গাজর চুল পড়া কমায়, চুলকে শক্ত ও মজবুত করে।৩. গাজরের থাকা বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন ‘এ’-তে রূপান্তরিত হয়। ভিটামিন ‘এ’ দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।৪. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে এই সবজি। তাই শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।৫. এই সবজির আলফা ক্যারোটিনসহ আরও কিছু উপাদান হৃদ্রোগ ও হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখে।৬. গাজরের উপকারী উপাদানগুলো ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধে অংশ নেয়। এ ছাড়া শ্বাসনালির প্রদাহ ভালো করে।৭. গাজর দাঁতের সুরক্ষা দেয়। দাঁত পরিষ্কারক হিসেবে যেমন কাজ করে, তেমনি দাঁতের গোড়ায় ক্যালকুলাস জমতেও বাধা দেয়।৮. গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য গাজর খুব ভালো সবজি। গাজরের রসে শিশুর জন্ডিস হওয়ার ঝুঁকি কমে।১০. যারা দীর্ঘদিন পেটের সমস্যায় ভুগছেন, এবার গাজরে সমাধান খুঁজতে পারেন, এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করারও ভালো ওষুধ।১১. এটি অ্যান্টিবায়োটিকের মতো কাজ করে। শরীরের যেকোনো ক্ষত দ্রুত শুকিয়ে ফেলে সবজিটি। এ ছাড়া যেকোনো সংক্রমণের বিরুদ্ধেও লড়ে।১২. এটি কৃমিনাশক হিসেবে পরিচিত। নিয়মিত গাজর খেলে পেটে কৃমি হওয়ার শঙ্কা কমবে।১৩. গাজরে ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক পদার্থ রয়েছে। এ উপাদানটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।১৪. গাজর খেলে পেট ভরবে ঠিকই, আবার বেশি ক্যালরিও যোগ হবে না শরীরে। তাই ওজন কমাতে বেশি বেশি গাজর খেতে পারেন।এইচএন/এমএস

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী উপকারী উদ্ভিদ। এর পাতার মাঝে যে স্থিতিস্থাপক অংশটা আছে, তার মূল উপাদান পানি। এতে প্রচুর অ্যান্টি...
20/03/2023

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী উপকারী উদ্ভিদ। এর পাতার মাঝে যে স্থিতিস্থাপক অংশটা আছে, তার মূল উপাদান পানি। এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস আছে, যা শরীরের নানা উপকার করে। চলুন দেখে নিই উপকারগুলো কী কী।

ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে

ছোটখাটো কাটা-পোড়া, অ্যালার্জি, ত্বকের সমস্যা ইত্যাদি সারাতে অ্যালোভেরা খুব কার্যকর। অ্যালোভেরা ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। আর আর্দ্র ত্বকে যে বলিরেখা পড়ে না, সে তো সবাই জানেন। সরাসরি পাতা থেকে জেলটা নিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।

অ্যালোভেরা জেল, মধু, দুধ, হলুদ অথবা সামান্য দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাস্কের মতো লাগালে ব্রণ তাড়াতেও দারুণ কাজ করে। রোদে পোড়া ত্বকে অ্যালোভেরা, শসার রস আর দইয়ের মিশ্রণ লাগালে ত্বকের উপকার হয়।

ওজন কমাতে অ্যালোভেরা

দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করবে অ্যালোভেরা। এর মধ্যে প্রচুর ভিটামিন আর মিনারেল থাকে। থাকে অ্যামাইনো অ্যাসিড, এনজাইম আর স্টেরল। তাই নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খেলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

অ্যালোভেরার জুস খানিকটা তিতা। তাই ব্লেন্ডারে শাঁস, পানি, বরফ দিয়ে জুস করে সামান্য মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খাওয়া যায়।চুল পড়া কমাতে

অ্যালোভেরার জুসে প্রোটিয়োলাইটিক এনজাইমস নামে এক ধরনের উৎসেচক থাকে, যা তালুর ত্বকের কোষগুলোর স্বাস্থ্যরক্ষায় বিশেষভাবে কার্যকর। নিয়মিত ব্যবহার করলে বাড়বে চুলের দৈর্ঘ্য, কমে যাবে খুশকি, মাথার তালুর ইনফেকশন। এটি কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করবে এবং চুল থাকবে নরম ও মোলায়েম।রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়বহু যুগ ধরে ডায়াবেটিসের প্রাকৃতিক চিকিৎসায় ব্যবহার হয়েছে অ্যালোভেরার জুস। বলা হয়, এই পানীয় নিয়মিত সেবন করলে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ে, রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাটা সহজ হয়ে আসে। কোষ্ঠকাঠিন্যতে উপকার করেঅ্যালোভেরার পাতার নিচের দিকে চটচটে হলুদ রঙের আঠালো একটি পদার্থ মেলে, এই উপাদানটি কোষ্ঠকাঠিন্যের ওষুধ হিসেবে দারুণ কার্যকর। তবে পাচনতন্ত্রের অন্য কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারবে না এটা। তাই এই সমস্যায় অ্যালোভেরা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

শাক-সবজি খাওয়ার উপকারিতার কথা আয়ুর্বেদ থেকে বিজ্ঞান সকল ক্ষেত্রেই উল্লেখ রয়েছে। সবুজ শাক-সবজি খাওয়া প্রকৃত অর্থেই স্বাস্...
19/03/2023

শাক-সবজি খাওয়ার উপকারিতার কথা আয়ুর্বেদ থেকে বিজ্ঞান সকল ক্ষেত্রেই উল্লেখ রয়েছে। সবুজ শাক-সবজি খাওয়া প্রকৃত অর্থেই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এতে ফাইবার, ভিটামিন এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজ শাক-সবজি ক্যানসার এবং হার্টজনিত সমস্যা সমাধানে অনেক সহায়ক। কিন্তু মানুষের মধ্যে দ্বিধা থেকে যায় যে শাক ভালো, না সবজি ভালো। এবার তাহলে শাক ও সবজির বিষয়ে তুলে ধরা হলো-

ডায়েটে কার্বসের পরিমাণ রক্ষণাবেক্ষণ বা ওজন হ্রাস করার চেষ্টা ঠিকমতো করছেন তো। যে সকল লোকজন ওজন হ্রাস করার চেষ্টা করছেন তাদের জন্য সবুজ শাক-সবজি বেশি উপকারী। কেননা তাদের ভেতর কার্বস কম রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, এক কাপ করলাতে কার্বসের পরিমাণ থাকে ৮.৪ গ্রাম এবং একটি পালং শাকে রয়েছে ৪ গ্রাম। পুষ্টির দিকে বিচার করলে উভয়ের মধ্যেই পুষ্টি রয়েছে। তবে শাকে সবজির থেকে দ্বিগুণ পুষ্টি। অর্থাৎ, দুই কাপ সবজিতে আপনি যতটুকু পুষ্টি পাবেন ঠিক ততটুকু পুষ্টি পাবেন এককাপ সবুজ শাকে।



সবজি নির্বাচন : আজকাল সবাই সময় সাশ্রয় করতে চায়। সে জন্য অনলাইনেই বাজার করা হয় সকলের। কিন্তু অনলাইনের এই সময়ে কি তাজা সবজিটাই মিলছে! বিশেষজ্ঞদের মতে শাক-সবজি গ্রহণের ব্যাপারে বেশ সতর্ক হওয়া উচিত। তাজা শাক-সবজি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী। তাই অনলাইনের পরিবর্তে সরাসরি বাজার থেকে পছন্দ অনুযায়ী কেনা ভালো উপায়।

রান্নার সময় কোনও ভুল করা যাবে না। শাক-সবজি যত কম কাটা যায় ততোই ভালো। এতে করে স্বাদ নষ্ট হবে না। অতিরিক্ত কাটাকাটির জন্য পুষ্টি এবং খনিজ হ্রাস হতে থাকে। আরও ভালো হয় শুধু সিদ্ধ সবজি খাওয়া।



বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতিদিন ২.৫ কাপ সবুজ শাক-সবজি খাওয়া উচিত। এরমধ্যে হাফ কাপ শাক খাওয়া প্রয়োজন। সামগ্রিকভাবে প্রতিদিন অন্তত ৫ কাপ সবুজ শাক-সবজি খাওয়া উচিত একজন মানুষের। এরমধ্যে রয়েছে পালং শাক, কলা, বাঁধাকপি, লেটুস, ব্রোকলি, সরিষার শাক, পার্সল, গোলমরিচ ইত্যাদি খাবারের সঙ্গে ডায়েটে মটরশুঁটি, লাউ, কুমড়া এবং ফুলকপি রাখতে পারেন। যা আপনার ডায়েটে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এছাড়াও সুস্থ থাকার জন্য ফলমূল, পুদিনা, গ্রিন টি, তুলসী পাতা খেতে পারেন নিয়মিত।

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি...
19/03/2023

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি শরীরের জন্য উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত।

মধুর উপাদান
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশমন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশএনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।

মধুর উপকারিতা

শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।

হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।

রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।

ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।

অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।

যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন।

Address

Gec
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Natural Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share