Dr. Robiul Hossen Chowdhury

Dr. Robiul Hossen Chowdhury নবজাতক,শিশু-কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ;
মেডিসিন,বাতব্যথা,এলার্জি-চর্মরোগ অভিজ্ঞ।
রক্তপাতহীন ও ব্যথামুক্ত ডিভাইস কসমেটিক খৎনা করা হয়।

31/12/2025
16/12/2025

আজকে রাউজান চেম্বার সন্ধ্যা ৭:৩০টা থেকে ইনশাআল্লাহ।

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
16/12/2025

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

15/12/2025

শিক্ষিত/অশিক্ষিত,
ম্যাক্সিমাম মা-বাবাই প্রেসক্রিপশন পড়েনা।
এত সময়/ধৈর্য বাবা/মায়েদের নেই।

15/12/2025

আগামীকাল ১৬ই ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,রাউজানের চেম্বার বন্ধ থাকবে।
আলিফের চেম্বার খোলা থাকবে,
তবে বিকেল ৩:৩০ থেকে।
ধন্যবাদ।

Childhood Asthma (শিশুর হাঁপানি) সম্পর্কে এমনভাবে আলোচনা করা হলো, যাতে একজন শিশুর বাবা–মা সহজে বুঝতে পারেন, সচেতন হতে পা...
04/12/2025

Childhood Asthma (শিশুর হাঁপানি) সম্পর্কে এমনভাবে আলোচনা করা হলো, যাতে একজন শিশুর বাবা–মা সহজে বুঝতে পারেন, সচেতন হতে পারেন এবং সঠিকভাবে শিশুকে যত্ন নিতে পারেন।

⭐ Childhood Asthma কি?

Childhood asthma হলো শিশুদের শ্বাসনালীর একটি দীর্ঘমেয়াদী (chronic) সমস্যা। এতে শিশুর শ্বাসনালী কিছু জিনিসের সংস্পর্শে এলে (যেমন ধুলাবালি, ঠান্ডা, ধোঁয়া, ভাইরাস) সহজেই সংকুচিত হয়ে যায়। এর ফলে—

• শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হয়
• শিশুর বুকে হুইজিং বা সাঁ সাঁ শব্দ হয়
• শিশুর কাশি হয়
• শিশুর বুকে চাপ লাগা অনুভূতি হয়

এ সমস্যা গুলো বারবার শিশুর মধ্যে দেখা দেয়।

ভাল খবর হলো:
এটি সঠিকভাবে চিকিৎসা ও যত্ন নিলে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

⭐ কেন শিশুর asthma হয়?

অ্যাজমা হওয়ার একাধিক কারণ রয়েছে—

১. পরিবারে কারো হাঁপানি বা এলার্জি সমস্যা থাকলে শিশুরও জেনেটিক কোড অনুযায়ী সম্ভাবনা বেশি থাকে।

২. শিশুর শ্বাসনালী অতিরিক্ত সংবেদনশীল হলে শিশুর শ্বাসযন্ত্র ধুলা, ধোঁয়া, ঠান্ডা, ভাইরাস পেলেই তা দ্রুত সংকুচিত হয়ে যায়।

৩. এলার্জি : ধুলাবালি, ঘরের ধুলো, কুকুর-বিড়াল, পোকামাকড় (cockroach), ফুলের পরাগ রেণু ইত্যাদি।

৪. ইনফেকশন : শৈশবে যদি শিশু বারবার সর্দি-কাশি, ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়।

৫. পরিবেশ : শিশুর গৃহে ধূমপান, রান্নার ধোঁয়া, ট্রাফিক দূষণের ফলে এই অ্যাজমা রোগ হতে পারে।

⭐ যেসব ঝুঁকির কারণে শিশুর অ্যাজমা রোগ হতে পারে (Risk Factors)

• পারিবারিক এলার্জি/হাঁপানি
• শিশুর চর্মের একজিমা বা এলার্জির ইতিহাস থাকলে
• ধুলাবালি ভরা পরিবেশে বসবাস করলে
• শিশুর ঘরে কেউ ধূমপান করলে
• শিশুর অল্প বয়সে যদি বারবার ভাইরাল সংক্রমণের স্বীকার হয়
• ঠান্ডা আবহাওয়া
• শিশুর স্থূলতা (Obesity)
• শিশুর অকাল জন্ম বা কম ওজনে জন্ম হলে

⭐ শিশুর অ্যাজমার লক্ষণ ও উপসর্গ

শিশুদের অ্যাজমা বিভিন্নভাবে দেখা দিতে পারে-

১. শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
২. বুক থেকে সাঁ-সাঁ বা হুইজিং শব্দ হওয়া
৩. বার বার কাশি, বিশেষ করে রাতে/ভোরে/খেলাধুলা বা দৌড়ানোর পর কাশি যদি বৃদ্ধি পায়
৪. শিশুর বুকে চাপ অনুভব লাগা বা ভারী লাগা
৫. সহজেই শিশু ক্লান্ত হয়ে যায়
৬. কাশির কারণে যদি শিশুর ঘুম ভেঙে যায়

⭐ শিশুর অ্যাজমা হলে কি কি সমস্যা হতে পারে? (Complications)

• ঘন ঘন শ্বাসকষ্ট
• স্কুলে অনুপস্থিতি
• খেলাধুলায় কম অংশগ্রহণ
• বারবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হতে মানসিক চাপের সৃষ্টি হওয়া
• সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে বড় হলে রোগটা আরো বেশি জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

⭐ শিশুর অ্যাজমা হয়েছে নিশ্চিত হবেন কিভাবে?

শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শিশুর অ্যাজমা নির্ণয় করতে মূলত শিশুর রোগের ইতিহাস ও লক্ষণ দেখে নির্ণয় করতে পারেন।
তবে কিছু পরীক্ষা শিশুর করতে হতে পারে—

১. Spirometry (ফুসফুসের ক্ষমতা পরীক্ষার জন্য) : ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুরা করতে পারে।
২. PEFR মাপা : বাড়িতে বা হাসপাতালে ব্যবহার করা যায়।
৩. Allergy test : শিশুর কোন জিনিসে এলার্জি আছে সেটা জানতে।
৪. Chest X-ray : অন্য রোগ আছে কিনা দেখতে।
৫. শিশুর রক্তের IgE বা eosinophil : এতে শিশুর রক্তের এলার্জির মাত্রা দেখতে পাওয়া যায়।

⭐ Childhood Asthma শিশুর জন্য সুবিধা (Good News!)

• সময়মতো সঠিক শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা শুরু করলে শিশুটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে।

• বেশিরভাগ শিশু বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেকটাই ভালো হয়ে যায়।

• Proper inhaler technique শিখলে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই সহজ।

• ট্রিগার বা উদ্দীপক জিনিসগুলো এড়িয়ে চললে আক্রমণ অনেকটাই কমে যায়।

⭐ Childhood Asthma এর অসুবিধা

• দীর্ঘমেয়াদী রোগ হওয়ায় শিশুর নিয়মিত যত্ন প্রয়োজন
• Inhaler ঠিকভাবে না ব্যবহার করলে সমস্যা বাড়তে পারে
• কিছু শিশুর স্কুলে উপস্থিত হতে অসুবিধা হয়
• পরিবেশজনিত সমস্যা থাকলে রোগ বারবার ফিরে আসে।

⭐ বাবা–মা কীভাবে শিশুকে সাহায্য করবেন?

• ঘর দোর পরিষ্কার রাখুন
• ধুলা, ধোঁয়া, সুগন্ধি, এয়ারফ্রেশনার ও সিগারেটের ধোঁয়া শিশুর থেকে এড়িয়ে চলুন
• ইনহেলার সঠিকভাবে ব্যবহার করতে শিখুন
• শিশুকে বারবার ঠান্ডা লাগতে দেবেন না
• ট্রিগার চিনে নিন এবং এড়িয়ে চলুন
• ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী শিশুকে নিয়মিত ওষুধ দিন
• নেবুলাইজার বা ইনহেলার সবসময় শিশুর কাছে রাখুন (emergency plan সহ)

⭐ উপসংহার

Childhood asthma একটি দীর্ঘমেয়াদী কিন্তু সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগ।

বাবা–মা যদি সচেতন হন, সঠিক সময়ে চিকিৎসা নেন এবং ট্রিগারগুলো এড়িয়ে চলেন, তাহলে তাদের শিশুটি—

• স্বাভাবিকভাবে খেলাধুলা করতে পারবে
• স্কুলে যেতে পারবে
• ভালোভাবে বড় হতে পারবে

অ্যাজমা কোনো ভয়ানক রোগ নয়—এটি একটি manage করা যায় এমন সহজ ও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণযোগ্য অবস্থা।

দয়াকরে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।

মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ।

পোস্টটি শেয়ার করুন। অসংখ্য বাবা-মায়ের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই পোষ্টটি পড়া অত্যন্ত জরুরী।

আপনার জীবনে এমন একদিন আসুক, যেদিন একটা ছোট্ট মানুষের হাগুর জন্য অপার হয়ে বসে থাকবেন, একদিন গ্যাপ হয়ে গেলে টেনশনে পড়ে যাব...
28/11/2025

আপনার জীবনে এমন একদিন আসুক, যেদিন একটা ছোট্ট মানুষের হাগুর জন্য অপার হয়ে বসে থাকবেন, একদিন গ্যাপ হয়ে গেলে টেনশনে পড়ে যাবেন।

ফাইনালি, হাগু করার পর একটু রিলিফ হবে, শুকরিয়া করবেন স্রষ্টার।

ছোট্ট একজন মানুষের হাগুর টেনশন, একদিন আসুক আপনার জীবনেও...

Collected

অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহারের ফলে দিন দিন এই সংকট আরও তীব্রতর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা
24/11/2025

অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহারের ফলে দিন দিন এই সংকট আরও তীব্রতর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা

🌼 ২ বছরের বাচ্চাকে দুধ ছাড়ানোর সঠিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক উপায় — সব মায়েদের জন্য পূর্ণ গাইডআসা করি কাজে আসবে💁‍♀️২ বছরের পরেও ...
23/11/2025

🌼 ২ বছরের বাচ্চাকে দুধ ছাড়ানোর সঠিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক উপায় — সব মায়েদের জন্য পূর্ণ গাইড

আসা করি কাজে আসবে💁‍♀️

২ বছরের পরেও অনেক বাচ্চাই মায়ের দুধ ছাড়া থাকতে পারে না। বিশেষ করে যে বাচ্চা সারাদিন মায়ের সাথেই থাকে, ঘুম–বিরক্তি–ভয়—সবকিছুর সমাধান হিসেবে দুধকে ব্যবহার করে, তাদের ক্ষেত্রে দুধ ছাড়ানো আরও কঠিন হয়। অনেক মা করলা, নিম, ওষুধ, তেতো লাগানো—সবই চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, বাচ্চা আবারও দুধই চায়। কারণ—এটা খাবারের সমস্যা নয়, এটা “ইমোশন + অভ্যাস” দুইয়ের মিলিত সমস্যা। তাই সঠিক জ্ঞান, ধৈর্য এবং মৃদু পরিবর্তনই বাচ্চাকে দুধ ছাড়ানোর সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

💛 কেন ২ বছরের বাচ্চা দুধ ছাড়তে চায় না?

এই বয়সে শিশুর ব্রেইন দ্রুত বিকাশের পর্যায়ে থাকে। সে নিজের নিরাপত্তা, ভালোবাসা, ঘুম—সবকিছু মায়ের সাথে জড়িয়ে ফেলেছে। দুধ তার কাছে শুধু ক্ষুধা মেটানোর কিছু না; এটা হলো মায়ের বুকের উষ্ণতা, সান্ত্বনা, স্ট্রেস কমানোর উপায়, “মা আমার পাশে আছে”—এর একটা প্রমাণ। যে বাচ্চা সারাদিন মাকে পায়, তাদের মধ্যে “মা-ডিপেন্ডেন্সি” একটু বেশি হয়, তাই তাদের অভ্যাস ভাঙতে সময় লাগে। এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।

💛 হঠাৎ দুধ বন্ধ করলে সমস্যা কেন বাড়ে?

হঠাৎ দুধ বন্ধ করে দিলে শিশুর ব্রেইনে আতঙ্ক তৈরি হয়। তার নিরাপত্তা হুমকিতে পড়ে। অনেক মা তেতো লাগান, বকা দেন, জোর করেন—এসব বাচ্চার মনে ট্রমা তৈরি করতে পারে। শিশুর ঘুম নষ্ট হয়, কান্না বাড়ে, মায়ের শরীর–মনও খারাপ হয়ে যায়। তাই দুধ ছাড়ানোর একটাই সঠিক পদ্ধতি—ধীরে ধীরে, স্নেহ দিয়ে, নিয়ম তৈরি করে।

🌼 ধাপে ধাপে সঠিক সমাধান: গ্রাজুয়াল উইনিং পদ্ধতি

✔ ১. প্রথম ধাপ: দিনের দুধ কমানো

দিনের বেলায় বাচ্চা যদি ৪–৫ বার দুধ খায়, সেটিকে প্রথমে ৩-এ আনুন। তারপর ২-এ। কোনোদিনেই একদম বন্ধ করবেন না।
ধীরে ধীরে অভ্যাস কমলে শিশুর মস্তিষ্কে বার্তা যায়—
“দুধ সবসময় পাওয়ার জিনিস নয়।”
সাথে সাথে বিকল্প দিন—নাটস বাটার, ফল, স্যুপ, পানি, স্টোরি টাইম, কোলে নেওয়া। যাতে শিশুর মনোযোগ অন্য বিষয়ে যায়।

✔ ২. দ্বিতীয় ধাপ: দুধের সময় নির্দিষ্ট করা

অন-ডিমান্ড দুধ দিলে বাচ্চা প্রতিবার বিরক্ত হলেই দুধ চাইবে।
তাই সময় নির্ধারণ করুন—
“খাবার হয়ে গেলে ১ বার দুধ।”
“দুপুর ঘুমের আগে ১ বার।”
“রাত ঘুমানোর আগে ১ বার।”
এইভাবে বাচ্চা বুঝবে—দুধ মানে একটা নির্দিষ্ট রুটিন, খেলনা নয়।

✔ ৩. তৃতীয় ধাপ: দুধ চাওয়ার সময় বিকল্প কমফোর্ট দেওয়া

২ বছরের বাচ্চা দুধ চায় মূলত ৩ কারণে—
১) সে ক্লান্ত
২) সে বিরক্ত
৩) সে ঘুমাতে চায়

তাই বিকল্প দিন—

অনেক কোলে নেওয়া

গল্প বলা

শান্ত গান

স্ন্যাক/পানি

বাবার সাথে কোয়ালিটি টাইম
বাচ্চা ধীরে ধীরে শিখবে—“কান্না = দুধ” নয়।

✔ ৪. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ: নাইট উইনিং (রাতে দুধ কমানো)

বেশিরভাগ বাচ্চাই রাতে বেশি দুধ খায়। কারণ রাতে তাদের নিরাপত্তাবোধ কম থাকে।

🟣 রাত ১–৩:

পুরো সময় না দিয়ে, ৩০–৪৫ সেকেন্ড করে কমিয়ে দিন।
যেমন: আগে ৫ মিনিট → এখন ৪ মিনিট ১৫ সেকেন্ড।

🟣 রাত ৪–৬:

আরো ৩০–৪৫ সেকেন্ড কমান।
বাচ্চা কান্না করতে পারে—এটা স্বাভাবিক।
মা শান্ত থাকলে বাচ্চাও শান্ত হবে।

🟣 রাত ৭–১০:

বাচ্চাকে দুধ না দিয়ে কোলে নিন, থপ থপ করে ঘুম পাড়ান।
যে মা শান্তভাবে “ধীরে ধীরে” কমান, তার বাচ্চাই দ্রুত অভ্যাস বদলায়।

✔ ৫. ঘুমানোর আলাদা রুটিন তৈরি করা

২ বছরের বাচ্চারা দুধ = ঘুম মনে করে।
তাই ঘুমানোর আলাদা রুটিন থাকলে দুধের ওপর নির্ভরতা কমে।

রুটিন হতে পারে:

হালকা স্নান/মুখ ধোওয়া

লোশন

গল্পের বই

লাইট ডিম করা

মায়ের সাথে শান্ত সময়

লালাবাই

এই রুটিন ৭–১০ দিন করলে শিশুর মস্তিষ্ক বুঝতে শুরু করবে—
“দুধ ছাড়াও ঘুম আসে।”

✔ ৬. শিশুকে কথা বলে বোঝানো (এই বয়সে অনেক কার্যকর)

২ বছরের শিশুর ভাষা বোঝার ক্ষমতা অনেক বেশি।
শান্ত কণ্ঠে বলুন—
“বাবু তুমি এখন বড়। দুধ একটু কম খাবা। পরে গল্প করবো, খেলবো।”
এভাবে প্রতিদিন বারবার বললে বাচ্চা নিজের মনেই রেডি হতে শুরু করে।

✔ ৭. বাচ্চার খাবার ঠিক রাখতে হবে

অনেক বাচ্চা পেটে ক্ষুধা থাকলে রাতে বারবার দুধ চায়।
তাই দিনে—

কার্ব + প্রোটিন + ফ্যাট থাকলে

হাই ফাইবার খাবার দিলে

শোবার আগে হালকা স্ন্যাক দিলে
রাতে জাগা অনেক কমে যায়।

✔ ৮. মায়ের মানসিক অবস্থা খুব গুরুত্বপূর্ণ

যদি মা ক্লান্ত, দুঃখী বা স্ট্রেসে থাকেন—
বাচ্চা সেটা ধরে ফেলে এবং দুধে আরও নির্ভর করে।

মায়েরও বিশ্রাম, পানি, খাবার, নিজের সময়—অত্যন্ত প্রয়োজন।
মা যত শান্ত ও রিল্যাক্স থাকবেন, দুধ ছাড়ানো তত দ্রুত হবে।

🌼 কতদিনে অভ্যাস বদলাবে?

সাধারণত ৭–২১ দিনের মধ্যে অভ্যাস বদলায়।
তার আগে কান্না হওয়া, খিটখিটে আচরণ, ঘুম কম হওয়া—এগুলো সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।

মা যদি ধৈর্য ধরেন এবং নিয়ম ধরে রাখেন—
বাচ্চা ১০০% অভ্যাস বদলাবে।

দুধ ছাড়ানো কোনো যুদ্ধ নয়।
এটা একটি ইমোশনাল ট্রানজিশন—ধীরে ধীরে, নিরাপদে, ভালোবাসা দিয়ে করতে হয়।
বাচ্চা কান্না করবে, আঁকড়ে ধরবে—এটা তার বয়সের আচরণ।
মা যদি শান্ত, ধৈর্যশীল এবং নিয়মিত থাকেন—
বাচ্চা দুধ ছাড়বে, ঘুম ভালো হবে, মায়ের জীবনও অনেক সহজ হবে। মায়ের সাপোর্ট দেবার মতো একজন লাগবে, সবচেয়ে ভালো হয়, বাবা সাপোর্ট দিলে❤️

21/11/2025

I got over 1,000 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

21/11/2025

''তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছ যে, যিনি আসমানে রয়েছেন তিনি তোমাদের সহ এ জমিনকে ধ্বসিয়ে দেবেন না, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?'' [সূরা আল-মুলক : ১৬]

21/11/2025

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন: যখন মাটি কাঁপে, তখন প্রস্তুত থাকুন!

ঢাকার যে অবস্থা সেখানে বড় সাইজের ভুমিকম্প হলে হয়ত কিছুই করা যাবে না। এত বিল্ডিং সব গায়ে গায়ে লাগা, তেমন কোন সেফটি চেক ছাড়াই অনেকগুলা নির্মান করা। ভুমিকম্পের পর আমাদের নাই কোন ন্যাশানাল ইমার্জেন্সি রেস্পন্স যেটা রেডি টু ডিপ্লয়, নাই ন্যাশানাল এম্বুলেন্স সার্ভিস আর হাসপাতালে নাই ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট যেগুলা ইকুইপড মাস ক্যাজুয়েল্টি হ্যান্ডেল করার। এটা একটা সুযোগ এগুলা সব আপগ্রেড করার - বিশেষজ্ঞ অনেক আছে, জাস্ট দরকার সরকারের সদিচ্ছা।

তাও কিছু জিনিস জানা দরকার সবার পার্সোনাল সেফটির জন্যে। ভূমিকম্প কোনো সতর্কতা ছাড়াই আঘাত হানে, তাই এই অপরিহার্য নির্দেশিকাটি একবার দেখে নিন! বিশেষ করে বাংলাদেশ ভুমিকম্প জোনে, তাই প্রস্তুত থাকা অরুরি।

১. নুইয়ে পড়ুন, আশ্রয় নিন এবং ধরে থাকুন! (যদি ভেতরে থাকেন) - Drop, Cover and Hold On

এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ:
* তাৎক্ষণিকভাবে হাত ও হাঁটুর ওপর নুইয়ে পড়ুন (Drop)। এই অবস্থান আপনাকে ঝাঁকুনিতে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করবে।

* আপনার মাথা ও ঘাড় হাত দিয়ে প্রটেক্ট করেন (COVER)। সম্ভব হলে একটি মজবুত টেবিল বা ডেস্কের নিচে যান। যদি আশেপাশে কোনো আশ্রয় না থাকে, তবে একটি ভেতরের দেয়ালের (বাইরের দেয়াল বা জানালার কাছে নয়) পাশে নিচু হয়ে বসুন।

* ঝাঁকুনি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আপনার আশ্রয়স্থল (টেবিল/ডেস্ক) ধরে থাকুন (HOLD ON)।

২. ঘরের ভেতরে যা এড়িয়ে চলবেন:

* বাইরে দৌড়ে যাবেন না যতই মনে হয় এটা করতে। বাইরের দরজার কাছে বা দেয়ালের পাশ দিয়ে ছোটার সময় ওপর থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আহত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

* জানালার কাঁচ, আয়না, বাইরের দরজা এবং দেয়াল এবং পড়ে যেতে পারে এমন যেকোনো কিছু, যেমন ভারী ফার্নিচার বা আলমারি থেকে দূরে থাকুন।

* লিফট ব্যবহার করবেন না (Do NOT)।

৩. যদি আপনি বাইরে থাকেন:

* বড় বিল্ডিং, রাস্তার ল্যাম্প পোস্টএবং ইউটিলিটি তার থেকে দূরে সরে যান। কোন বাসার বাইরের দরজার ঠিক বাইরে এবং বাইরের দেয়ালের পাশে সবচেয়ে বেশি বিপদ থাকে।

* একবার খোলা জায়গায় এলে, নুইয়ে পড়ুন, আশ্রয় নিন এবং ধরে থাকুন। ঝাঁকুনি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত নিচু হয়ে থাকুন।

৪. গাড়িতে থাকলে:

* নিরাপদে রাস্তার পাশে গাড়ি থামান এবং হ্যান্ডব্রেক অন করবেন। ভবন, ব্রিজ, ওভারপাস বা ইউটিলিটি তারের নিচে থামানো এড়িয়ে চলুন।

* ঝাঁকুনি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আপনার গাড়ির ভেতরে থাকুন । গাড়ি আপনাকে ধ্বংসাবশেষ থেকে রক্ষা করতে পারে।

ঝাঁকুনি বন্ধ হওয়ার পর

১. নিজের এবং অন্যদের আঘাত কেমন হয়েছে দেখুন আর ভাবেন কোন চিকিৎসা লাগবে কিনা।

২. আফটারশক বা পরবর্তী ঝাঁকুনির জন্য প্রস্তুত থাকুন। আবার হলে তাৎক্ষণিকভাবে নুইয়ে পড়ুন, আশ্রয় নিন এবং ধরে থাকুন।

৩. বিপদগুলো বুঝে নিন: ছোট আগুন লাগলে তা নেভান। গ্যাস, পানি এবং বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা দেখুন। যদি গ্যাসের গন্ধ পান, তবে জানালা খুলুন, দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যান এবং মূল গ্যাসের ভালভ বন্ধ করে দিন।

মুসলিম যারা, আমাদের জন্যে অতি গুরুত্বপুর্ন যে এই সময় গুলোতে আল্লাহর স্মরন করি, তাওবা করি ও তাঁর সাহায্য কামনা করি।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Robiul Hossen Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category