ডাঃ জামিউল হাসান ফাহিম

ডাঃ জামিউল হাসান ফাহিম Dr. Zamiul Hasan (Fahim)
MBBS(CU)
PGT(Medicine)
CCD(BIRDEM)

রোগীর লোকের ভাষ্যমতে, "সুস্থ রোগী হাসপাতালে নিয়ে গেছিলাম ডাক্তার ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলছে" একসময় স্বাস্থ্য বিসিএস এর প...
29/04/2026

রোগীর লোকের ভাষ্যমতে, "সুস্থ রোগী হাসপাতালে নিয়ে গেছিলাম ডাক্তার ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলছে"
একসময় স্বাস্থ্য বিসিএস এর প্রতি অনেক ঝোঁক ছিল, কিন্তু এসব দিন দিন শুধু ডিমোটিভেট করে!

😓😓😓
28/04/2026

😓😓😓

বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার এই অবস্থা সত্যিই চিন্তার বিষয়।

আজ আমার চেম্বারে ১৯ মাস বয়সী (ওজন ৯.৫ কেজি) একটি শিশু আসে। প্রেসক্রিপশনটি দেখে বিস্মিত না হয়ে পারলাম না—কোন ক্লিনিকাল জাজমেন্টের ভিত্তিতে এতগুলো ওষুধ, তাও আবার এত উচ্চ মাত্রায় দেওয়া হয়েছে?

🔹 Paracetamol (Ace): যেখানে ৬–৬.৫ মি.লি. যথেষ্ট, সেখানে দেওয়া হয়েছে ১০ মি.লি।
🔹 Ketotifen (Tofen): ½ চামচের জায়গায় ১.৫ চামচ।
🔹 Levosalbutamol (Levostar): প্রয়োজনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ডোজ।

🔴 সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়:
মাত্র ২ দিনের ব্যবধানে ২টি 3rd generation cephalosporin—Cefixime এবং Ceftriaxone—প্রেসক্রাইব করা হয়েছে।
“Allergic asthma + fever” এর মতো একটি কন্ডিশনে ৭ দিন ধরে IM ceftriaxone দেওয়া—এটি evidence-based practice-এর সাথে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ?

একটি ১৯ মাসের শিশুকে প্রতিদিন ইনজেকশনের ব্যথা সহ্য করতে হয়েছে—এটা শুধু অপ্রয়োজনীয়ই নয়, অমানবিকও।

🔹 এর সাথে যুক্ত হয়েছে steroid (Zodef)—যারও প্রয়োজনীয়তা প্রশ্নবিদ্ধ।

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো—যারা “Fever” শব্দটিও সঠিকভাবে লিখতে পারেন না, তারাই আজ চিকিৎসা দিচ্ছেন।

চিকিৎসা শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশন লেখা নয়—এটি একটি দায়িত্ব, যেখানে প্রতিটি ডোজ, প্রতিটি ওষুধের পেছনে যুক্তি থাকতে হয়।

দুঃখজনকভাবে, আমাদের দেশে এখনো অনেকেই বুঝতে পারেন না—কে আসল চিকিৎসক, আর কার কাছে যাওয়া উচিত।

সচেতনতা বাড়ানো ছাড়া এই অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয়।
কারণ ভুল চিকিৎসার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী—এই নিষ্পাপ শিশুরাই।

IYK YK 😑
28/04/2026

IYK YK 😑

একজন তরুণ ডাক্তারের কান্না কেউ শোনে না কেন?ইন্টার্নশিপ শেষ করার সাথে এমবিবিএস ডাক্তারটি যখন বেকার হয়ে যায় কেউ শোনে না৷ এ...
27/04/2026

একজন তরুণ ডাক্তারের কান্না কেউ শোনে না কেন?

ইন্টার্নশিপ শেষ করার সাথে এমবিবিএস ডাক্তারটি যখন বেকার হয়ে যায় কেউ শোনে না৷ এমবিবিএস পাশ করেও বাসা থেকে টাকা নেয়ার বেদনা, শুধু একটা বিশ-পঁচিশ হাজার টাকার চাকরির জন্যে পাগলের মতো এ দ্বারে ও দ্বারে ঘোরার সময়গুলোতে কে পাশে থাকে?

ক্লিনিকে "খ্যাপ" নামক ডিউটিতে যখন স্টোর রুমে ডাক্তারকে থাকতে দেয়, মালিকপক্ষের নানা দুর্ব্যবহার, অযাচিত অনৈতিক চাপে যখন মনে মনে আর কখনও খ্যাপ মারতে আসব না বলা ডাক্তারটি টানা ২৪ ঘণ্টা ডিউটি শেষে ২০০০ টাকা, ১ ঘণ্টায় ৮৩.৩৩ টাকা হাতে পায় তখন তার দীর্ঘশ্বাস কেউ শোনে না।

সন্তান বড় হয়েছে এবার সংসার তো একটু দেখবে। অন্তত বাবা-মা-ভাই-বোন-আত্নীয়দের তো ঈদে ভালো কিছু উপহার দেবে। যে তরুণ ডাক্তারটি বড় পরিবার-আত্নীয়দের ঈদের উপহার দিয়ে খুশি করতে গিয়ে টাকা ধার করে ফেলে তার বুকের পাথরের ওজনটা কেউ মাপে না।

পাশ করে বেরুতে না বেরুতেই শুরু হয়ে যায়, আপনার সন্তান এখন কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ, কীসের ডাক্তার? ও সিম্পল এমবিবিএস? ৬ বছর পড়াশোনা করার পর আবার ৪/৫ বছরের কোর্সে ঢোকার জন্যে মাসের পর মাস প্রস্তুতি। কোচিং-এ ভর্তি, আবার বই কেনা...নিজের ইন্টার্নশিপে জমানো ২১০০০ টাকা যখন কোচিং-এ দিতে হলো সেদিন তার চোখের জল লুকানোটা কারও চোখে পড়েনি।

বিসিএস না পোস্ট গ্র‍্যাজুয়েশান? পোস্ট গ্র‍্যাজুয়েশান না বিসিএস? সরকারি ডাক্তার না হলে সমাজে আবার দাম নেই। বেসরকারিতে মালিকপক্ষ দু আনার সম্মান দিতে চায় না। আবার অসম্ভব রকমের কাঠখড় পুড়িয়ে সরকারি চাকরি নামক সোনার হরিণের দেখা পাওয়ার পর গ্রামে পাতি নেতাদের উপদ্রব, কিছু থেকে কিছু হলেই জনগণের মারমুখী আচরণ--তার এ জ্বালা নিভে কীভাবে তা কেউ জানতে চায় না।

একবার এফসিপিএস পার্ট ওয়ান দিতে লাগে ১১০০০ টাকা, রেসিডেন্সি/ডিপ্লোমা কোয়ালিফাইং এক্সাম দিতে ৫০০০ টাকা। এম আর সিপি পার্ট ওয়ানের জন্যে ৭০০০০-৮০০০০ টাকা। একজন তরুণ চিকিৎসকের জন্যে শুধু একটা পরীক্ষার জন্যে ১১০০০ টাকা দিয়ে ফর্ম ফিল আপ করার বেদনা কে বোঝে? তাও সে পরীক্ষা ১০০ জন দিলে পাশ করে ২/৩/৪ জন। তাও সে পরীক্ষায় কোয়ালিফাই করতে অর্থ ইনকামের সব চিন্তা মাটিচাপা দিয়ে একটানা চেয়ার টেবিলে বসে থাকতে হয় তাকে। ছোট বাচ্চা থাকলে দরজা লক করে পড়তে হয়। "আম্মু/আব্বু দরজা খোলো" বললেও খোলা যায় না; কোলে নেয়া যায় না নিলে যে আর নামবে না। এভাবে কতোবার পরীক্ষা দিতে থাকার পর যে খুব সৌভাগ্যবান হলে একটা ডিগ্রি করার সুযোগ ঘটে তা কে বোঝে? শুধু চান্স পেলেই কি হলো? সেখানে ফেইল করে/কোর্স আউট হয়ে কতো মানুষের জীবনটা নির্জীব হয়ে যায় তা কে বোঝে?

অনারারি ডিউটি নামে বর্বরপ্রথায় বছরের পর বছর বিনা বেতনে খেটে যাওয়া তরুণ চিকিৎসকটিকে কেউ জিজ্ঞেস করে না তোমার সংসার কীভাবে চলে। তুমি কীভাবে খাও? কীভাবে পরো? এতোকিছু সামলে আবার কীভাবেই বা অবিশ্বাস্য কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হও? কেউ জিজ্ঞেস করে না তোমার পরিবারকে তুমি দিনে কয় ঘণ্টা সময় দাও? তুমি যখন বের হও তখনও তোমার সন্তান ঘুমে, তুমি ফেরার সময়েও সে ঘুমে? তোমার সন্তানকে পিতৃ/মাতৃস্নেহ থেকে যে বঞ্চিত রাখছো তোমার কান্না পায় না? তুমি দিনের পর দিন ৩-৪ ঘণ্টা করে ঘুমাও তোমার অসুখ করে না? তুমি যে বছরে একটা দিন ট্যুরে যাও না তোমার একঘেঁয়েমি আসে না?

তরুণ ডাক্তারগুলো কেন হয় ডিপ্রেশান না হয় এংজাইটি না হয় স্ট্রেস ডিজ অর্ডারের রোগী হয়ে যায় কেউ গবেষণা করে না কেন?

একজন তরুণ ডাক্তার তার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় যৌবনকালটা কী করে কাটিয়ে দেয় তা কেউ দেখেও দেখে না কেন?

©ডাঃ মারুফ রায়হান

26/04/2026

তনু ধ/র্ষ/ণ ও হ/ত্যা মামলার ভুয়া ফরেনসিক রিপোর্ট প্রদানকারী চিকিৎসক বিদেশ পালানোর চেষ্টা করছেন 🤐🤐🤐

25/04/2026

#জলাতঙ্ক

25/04/2026
একটা ৫ মাসের বাচ্চা আসছিল হাসপাতালে গতকাল সকাল ৯টায়, ভোরেও নাকি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল, দুধ ও খাইছে, আমার কাছে যখন আনছে বাচ...
25/04/2026

একটা ৫ মাসের বাচ্চা আসছিল হাসপাতালে গতকাল সকাল ৯টায়, ভোরেও নাকি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল, দুধ ও খাইছে, আমার কাছে যখন আনছে বাচ্চা সম্পূর্ণ faint, bluish, cold তাও নাকি প্রায় আধা ঘণ্টার উপরে, কতক্ষন হচ্ছে কেউ জানে না সবাই ঘুম ছিল! Suction করার পর পর নাকমুখ দিয়ে শুধু দুধ আসতেছিল! বুঝা যাচ্ছে aspiration হইছিল, পরে ওকে dead declare করে পাঠিয়ে দিলাম!😓

❓এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেন এমন হলো একটা সুস্থ বাচ্চা হঠাৎ এই দশা?
বাচ্চাকে শুইয়ে রেখে বুকের দুধ খাওয়ানো অনেক মায়ের জন্য, বিশেষ করে সিজারিয়ান পরবর্তী সময়ে বা রাতে আরামদায়ক হতে পারে। তবে সঠিক নিয়ম না জানলে এটি হতে পারে এরকম বাচ্চার জন্যে প্রানঝুঁকি। নবজাতকের শারীরবৃত্তীয় গঠন প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে ভিন্ন। শুইয়ে দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে প্রধান ঝুঁকিগুলোর মধ্যে,

❌ ১. অ্যাসপিরেশন বা বিষম খাওয়া
❌ ২. সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রোম ও শ্বাসরোধ অন্যতম!

শুয়ে থাকা অবস্থায় দুধের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা বাচ্চার জন্য কঠিন হতে পারে। কোনো কারণে দুধ যদি শ্বাসনালীতে ঢুকে পড়ে (Aspiration), তবে তা থেকে মারাত্মক শ্বাসকষ্ট এমনকি **Aspiration Pneumonia** হয়ে বাচ্চার এমন মৃত্যুও হতে পারে।
আবার, মায়ের স্তন বা কাপড়ে বাচ্চার নাক-মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ (Suffocation) হয়ে বাচ্চার এমন মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে!

❓তাহলে কি শুইয়ে খাওয়ানো একদম নিষেধ?
না, বিষয়টি একদম নিষিদ্ধ নয়। যদি সঠিক সতর্কতা অবলম্বন করা হয়, তবে এটি নিরাপদ হতে পারে। নিরাপদ করার নিয়মগুলো হলো:

✅ বাচ্চার মাথা যেন শরীরের তুলনায় কিছুটা উঁচুতে থাকে। একটি পাতলা বালিশ বা কোলবালিশের সাহায্যে বাচ্চার পিঠ ও মাথা এমনভাবে সাপোর্ট দিতে হবে যেন দুধ খাওয়ার সময় তার কান গলার চেয়ে উঁচুতে থাকে।

✅ সতর্ক থেকে মা যেন কোনোভাবেই ঘুমিয়ে না পড়েন। দুধ খাওয়ানো শেষ হলে বাচ্চাকে আলাদা বিছানায় বা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া।

✅ মায়ের স্তন যেন বাচ্চার নাকের ছিদ্র বন্ধ না করে দেয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

✅ শুইয়ে খাওয়ানোর পরও বাচ্চাকে কাঁধে নিয়ে ঢেকুর তোলানো (Burping) জরুরি, যাতে পেটে গ্যাস না জমে বা দুধ উগরে না দেয়।

পেশা কখনোই ছোট বা নিচু হয় না, হোক না সেটা রিকশা চালানো! ছোট বা নিচু হয় একমাত্র মানুষ!
25/04/2026

পেশা কখনোই ছোট বা নিচু হয় না, হোক না সেটা রিকশা চালানো! ছোট বা নিচু হয় একমাত্র মানুষ!

সুমির ঠিকঠাক বিয়ে হয়েছিল। সুমির বাবা রিকশাচালক। শুধু এই কারণে সুমির স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিব্রত। সুমির ডিভোর্স হয়ে যায়।
মাথায় জেদ চেপে যায়। ঘরে বসেই প্রস্তুতি নেয়। সুমি পৃথিবী জয়ের শুরুটা লিখে ফেলেছে।
সুমি সদ্য প্রকাশিত এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ৭৭ দশমিক ৫ মেধা স্কোর নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। অভিনন্দন সুমি।

জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক সুমির গল্প ❤️
আমরা সকলেই তাকে অভিনন্দন জানাই। 🔥❤️

ছবি: আজকের পত্রিকা
লেখা: আশরাফুল হক

25/04/2026

বাংলাদেশের মিডিয়া 😓

23/04/2026

🤣🤣🤣

Address

Chittagong

Telephone

+8801521486827

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ জামিউল হাসান ফাহিম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাঃ জামিউল হাসান ফাহিম:

Share