ডাঃ জামিউল হাসান ফাহিম

ডাঃ জামিউল হাসান ফাহিম Dr. Zamiul Hasan (Fahim)
MBBS(CU)
PGT(Medicine)
CCD(BIRDEM)

হঠাৎ করে কেউ নিজে নিজে  "মেয়ে থেকে ছেলে" বা "ছেলে থেকে মেয়ে" হয়ে যাচ্ছে — এমন ঘটনা সাধারণভাবে বাস্তব জীবনে শারীরিকভাব...
19/07/2025

হঠাৎ করে কেউ নিজে নিজে "মেয়ে থেকে ছেলে" বা "ছেলে থেকে মেয়ে" হয়ে যাচ্ছে — এমন ঘটনা সাধারণভাবে বাস্তব জীবনে শারীরিকভাবে ঘটে না। তবে কিছু জটিল বৈজ্ঞানিক, জিনগত ও হরমোনজনিত কারণ রয়েছে, যেগুলোর ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো।

🧬 বৈজ্ঞানিকভাবে মেয়ে থেকে ছেলে হওয়ার সম্ভাব্য কারণসমূহ:

1. ⚙️ Disorders of S*x Development (DSD):
এগুলো এমন একটি শ্রেণির জিনগত ও হরমোনজনিত রোগ, যেখানে কোনো ব্যক্তির জিন, হরমোন এবং বাহ্যিক যৌন অঙ্গের মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকে।

🔹 উদাহরণ:
Androgen Insensitivity Syndrome (AIS) – যাদের XY (ছেলের) ক্রোমোজোম থাকে, কিন্তু শরীর এন্ড্রোজেন হরমোনের প্রতি প্রতিক্রিয়া করে না, তারা বাহ্যিকভাবে মেয়ের মতো দেখতে হয়। কিন্তু পরে দেখা যায় তারা জেনেটিকালি ছেলে।

2. 🌡️ Congenital Adrenal Hyperplasia (CAH):
এটি একটি জন্মগত হরমোনজনিত সমস্যা যেখানে শরীর অতিরিক্ত অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন) তৈরি করে।

যদি কোনো শিশু XX (মেয়ের) জিন নিয়ে জন্মায় কিন্তু শরীরে অস্বাভাবিকভাবে বেশি পুরুষ হরমোন থাকে, তাহলে বাহ্যিক যৌন অঙ্গ পুরুষসদৃশ হয়ে উঠতে পারে।

🧪 এমন ক্ষেত্রে জন্মের সময় তাকে মেয়ে মনে হলেও বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছেলেদের মত শারীরিক গঠন দেখা দিতে পারে।

3. 🔄 S*x Reversal Syndromes:
কখনো-কখনো XY জেনোটাইপ থাকা সত্ত্বেও কেউ নারী হিসেবে জন্মায় (উদা: Swyer Syndrome), আবার XX জেনোটাইপ থাকা সত্ত্বেও পুরুষ বৈশিষ্ট্য দেখা যেতে পারে (উদা: XX male syndrome)। এগুলো জিনগত রদবদলের ফল।

🧠 মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন (Gender Dysphoria):
অনেকে জন্মগতভাবে একজন লিঙ্গে থাকলেও মানসিকভাবে অন্য লিঙ্গের মতো অনুভব করে।
একে জেন্ডার ডিসফোরিয়া বলা হয়। এটা শারীরিক পরিবর্তন নয়, বরং মানসিক এবং আত্মপরিচয়ের পরিবর্তন।

❌ যা হয় না:
কোনো সুস্থ মেয়ে হঠাৎ করে ছেলে হয়ে যাবে এমনটি শারীরিকভাবে প্রাকৃতিক নিয়মে হয় না।

যদি শরীরে হঠাৎ করে পরিবর্তন দেখা যায় (যেমন: গলার আওয়াজ বদলে যাওয়া, চেহারায় লোম গজানো), তাহলে সেটি সাধারণত হরমোনের ব্যাঘাত বা টিউমারজনিত সমস্যা।

🏥 করণীয়:
হরমোন পরীক্ষা, কেরিওটাইপ (Chromosome Test), এবং আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করে সঠিক কারণ নির্ণয় করা যায়।

এসব সমস্যার চিকিৎসা করতে হলে একজন এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট বা জেনেটিক বিশেষজ্ঞ-এর পরামর্শ জরুরি।

নিচের ছবিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে, কান খোঁচানোর ফলে কানের ভেতরের সংবেদনশীল অংশ যেমন কানের পর্দা (eardrum) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।...
18/07/2025

নিচের ছবিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে, কান খোঁচানোর ফলে কানের ভেতরের সংবেদনশীল অংশ যেমন কানের পর্দা (eardrum) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ধরনের অভ্যাস অনেকেরই থাকে—নিজে নিজে কটন বাড বা অন্য কোনো বস্তু দিয়ে কান খোঁচানো। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি অভ্যাস, যার মারাত্মক পরিণতি হতে পারে।

🦻 নিজে নিজে যখন তখন কান খোঁচানোর অপকারিতা

1. ✅ কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে:
অনেক সময় ভুলবশত খুব ভেতরে খোঁচালে কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে। এতে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইনফেকশনের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

2. ✅ ইনফেকশন হতে পারে:
নোংরা হাত বা অস্বাস্থ্যকর বস্তু দিয়ে কান খোঁচালে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক কানে ঢুকে ইনফেকশন ঘটাতে পারে।

3. ✅ কান পরিষ্কার না হয়ে আরও ক্ষতি হয়:
অনেক সময় কটন বাড দিয়ে খোঁচানোর ফলে ময়লা আরও ভিতরে ঠেলে দেওয়া হয়, যার ফলে কানের মধ্যে ব্লক বা চাপ অনুভব হয়।

4. ✅ শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে পারে:
দীর্ঘমেয়াদী কানের ক্ষতির কারণে শ্রবণশক্তি চিরতরে কমে যেতে পারে।

5. ✅ কানের অভ্যন্তরীণ গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হয়:
কানের হাড় ও সংবেদনশীল নার্ভে আঘাত লেগে ভারসাম্যহীনতা বা মাথা ঘোরা দেখা দিতে পারে।

⚠️ করণীয়:

নিজে কান খোঁচানো থেকে বিরত থাকুন।

কানে চুলকানি বা অস্বস্তি হলে কানের বিশেষজ্ঞ (ENT) চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কটন বাড শুধু বাহিরের অংশ পরিষ্কার করতে ব্যবহার করা উচিত, ভেতরে নয়।

👉 মনে রাখবেন: কান আমাদের শরীরের একটি অমূল্য অঙ্গ। সামান্য অবহেলা ভবিষ্যতে বড় বিপদের কারণ হতে পারে।

🩺 স্টোমা (Stoma) কী?স্টোমা হলো শরীরের বাইরে একটি কৃত্রিম মুখ বা ছিদ্র, যা সাধারণত অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। এট...
17/07/2025

🩺 স্টোমা (Stoma) কী?
স্টোমা হলো শরীরের বাইরে একটি কৃত্রিম মুখ বা ছিদ্র, যা সাধারণত অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। এটি মূলত মল (stool) বা প্রস্রাব (urine) নিষ্কাশনের জন্য ব্যবহার করা হয়, যখন স্বাভাবিক রাস্তাটি ব্যবহারযোগ্য থাকে না।

📌 স্টোমা কেন করা হয়?
স্টোমা তৈরি করার প্রয়োজন হতে পারে নিচের কোন কারণগুলোর জন্য:
১. ক্যান্সার (বিশেষ করে কোলন বা রেক্টামের)
২. অন্ত্রের বড় ক্ষত বা সংক্রমণ
৩. জন্মগত ত্রুটি
৪. পচনশীল রোগ (যেমনঃ ক্রোন্স ডিজিজ, আলসারেটিভ কোলাইটিস)
৫. দুর্ঘটনায় অন্ত্রের ক্ষতি

🩹 স্টোমার ধরন:
1. কলোস্টোমি (Colostomy): বৃহৎ অন্ত্রে তৈরি ছিদ্র
2. ইলিওস্টোমি (Ileostomy): ক্ষুদ্র অন্ত্রে তৈরি ছিদ্র
3. ইউরোস্টোমি (Urostomy): প্রস্রাব নিষ্কাশনের জন্য

🧴 স্টোমার যত্ন:
১. প্রতিদিন পরিষ্কার রাখতে হয়
২. স্টোমা ব্যাগ (pouch) নিয়মিত বদলাতে হয়
৩. সংক্রমণ যেন না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হয়
৪. চামড়ার যত্ন নিতে হয়, যেন অ্যালার্জি বা ঘা না হয়

❤️ স্টোমা নিয়ে জীবন:
স্টোমা থাকলেও স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব। অনেকে কাজ করেন, ভ্রমণ করেন এবং স্বাভাবিকভাবে খাওয়া-দাওয়া ও সামাজিক জীবন চালিয়ে যান। শুধু কিছু নিয়ম মানা ও সচেতন থাকা দরকার।

গর্ভধারণের আগে ও পরে নারীর শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন।গর্ভধারণের আগে (বাম পাশে):গর্ভধারণের পূর্বে নারীর জরায়ু ছোট এবং প...
15/07/2025

গর্ভধারণের আগে ও পরে নারীর শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন।

গর্ভধারণের আগে (বাম পাশে):
গর্ভধারণের পূর্বে নারীর জরায়ু ছোট এবং পেলভিস অঞ্চলে অবস্থিত থাকে। অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেমন পাকস্থলি, অন্ত্র, মূত্রাশয় – সব কিছু স্বাভাবিকভাবে তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় থাকে।

গর্ভধারণের সময় (ডান পাশে):
গর্ভে শিশু বেড়ে ওঠার সাথে সাথে জরায়ু বিস্তৃত হয়ে উপরের দিকে চলে যায় এবং আশেপাশের অঙ্গগুলোর উপর চাপ সৃষ্টি করে। অন্ত্র, পাকস্থলি ও ফুসফুস উপরের দিকে ঠেলে যায়, ফলে অনেক নারী গর্ভাবস্থায় অস্বস্তি, শ্বাসকষ্ট কিংবা হজমে সমস্যা অনুভব করেন। মূত্রাশয় নিচে চাপ খায়, যার ফলে ঘনঘন প্রস্রাবের প্রবণতা দেখা যায়।

এই পরিবর্তনগুলো সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও সাময়িক। সন্তান জন্মের পর বেশিরভাগ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আবার তাদের আগের অবস্থানে ফিরে আসে।

Omphalocele একটি জন্মগত ত্রুটি বা Congenital defect, যার ফলে শিশুর পেটের কিছু অঙ্গ (যেমন—আন্ত্র, যকৃত) নাভির মাধ্যমে শরী...
14/07/2025

Omphalocele একটি জন্মগত ত্রুটি বা Congenital defect, যার ফলে শিশুর পেটের কিছু অঙ্গ (যেমন—আন্ত্র, যকৃত) নাভির মাধ্যমে শরীরের বাইরে বেরিয়ে আসে, কিন্তু এগুলো একটি পাতলা ঝিল্লির (membrane) মধ্যে আবৃত থাকে।

এটি নবজাতকের জন্মের সময়ই দেখা যায় এবং এটি এক ধরনের abdominal wall defect।

অফালোসিল (Omphalocele) সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:

✅ ১. অফালোসিল কীভাবে হয়?
• গর্ভে থাকা অবস্থায় শিশুর পেটের দেয়াল ঠিকভাবে গঠিত না হলে এই সমস্যা হয়।
• সাধারণত গর্ভকালীন ৬ থেকে ১০ সপ্তাহে অন্ত্র পেটের বাইরে থাকে এবং পরে তা স্বাভাবিকভাবে পেটের ভিতরে চলে আসে। এই প্রক্রিয়া যদি সম্পূর্ণ না হয়, তাহলে অফালোসিল হয়।

✅ ২. উপসর্গ (Symptoms):
• শিশুর নাভির কাছে একটি ফোলা থলে দেখা যায়।
• থলেটির মধ্যে অন্ত্র, যকৃত, বা অন্যান্য অঙ্গ থাকতে পারে।
• থলেটি সাধারণত স্বচ্ছ ঝিল্লি দিয়ে ঢাকা থাকে।

✅ ৩. কারণসমূহ:
• স্পষ্ট কোনো কারণ সবসময় পাওয়া যায় না, তবে কিছু ঝুঁকি ফ্যাক্টর:
• মায়ের ডায়াবেটিস
• বয়স বেশি হলে
• কিছু জিনগত ত্রুটি (genetic syndromes), যেমন:
• Beckwith-Wiedemann syndrome
• Trisomy 13, 18, বা 21

✅ ৪. ডায়াগনোসিস (সনাক্তকরণ):
• আলট্রাসোনোগ্রাম (Ultrasound): গর্ভকালীন সময়ে ধরা পড়ে।
• জন্মের পর দেখা যায় চোখে পড়ার মতো থলে।

✅ ৫. চিকিৎসা:
• অপারেশন (surgery) ছাড়া এটি ভালো হয় না।
• ছোট অফালোসিল হলে জন্মের পরেই অপারেশন করা যায়।
• বড় হলে ধাপে ধাপে চিকিৎসা করতে হয়।
• অপারেশনে অঙ্গগুলো পেটের ভিতরে ঢুকিয়ে পেটের দেয়াল ঠিক করা হয়।

✅ ৬. জটিলতা:
• ইনফেকশন হতে পারে।
• শ্বাসকষ্ট হতে পারে যদি অঙ্গগুলো বেশি বড় হয়।
• পেটের ভেতর জায়গা কম থাকলে অঙ্গ ঢোকানো কঠিন হয়।

✅ ৭. প্রতিকার ও যত্ন:
• গর্ভকালীন নিয়মিত চেকআপ জরুরি।
• জন্মের পর শিশুকে ইনটেনসিভ কেয়ারে রাখতে হতে পারে।
• অপারেশনের পর শিশুর পুষ্টি, ওষুধ, ও পরবর্তী ফলোআপ প্রয়োজন।

📌 বিশেষ পরামর্শ:
• গর্ভাবস্থায় নিয়মিত আলট্রাসনোগ্রাম করান।
• কোনো জেনেটিক সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিন।
• জন্মের পরে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে নিন।

#সংগৃহীত_পোস্ট

📣শিশুর জন্য বালিশ ব্যবহার কি উপকারী ❓➡️অনেক প্রচলিত অভ্যাসে সরিষার বীজের বালিশ বা তুলার বালিশ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হ...
13/07/2025

📣শিশুর জন্য বালিশ ব্যবহার কি উপকারী ❓

➡️অনেক প্রচলিত অভ্যাসে সরিষার বীজের বালিশ বা তুলার বালিশ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়, তবে আধুনিক শিশু বিশেষজ্ঞরা এতে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন ।

📣নবজাতকের জন্য কি বালিশ ব্যবহার করা উচিত? 🤔

প্রথম এক মাস শিশুর জন্য কোনো উঁচু, নরম বা তুলার বালিশ ব্যবহার না করাই ভালো 🚫। এর পরিবর্তে পাতলা কাপড় বা কাঁথা ভাঁজ করে হালকা উচ্চতা দেওয়া যেতে পারে, যা শিশুর মেরুদণ্ডের সঠিক অবস্থান বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং অস্বস্তি দূর করে 🛌

✅শিশুর মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের উপর বালিশ ব্যবহারের প্রভাবঃ

প্রথম দুই বছর শিশুকে যত কম বালিশে শোয়ানো যাবে, তার মেরুদণ্ড, ঘাড়ের হাড় ও পেশির জন্য ততই ভালো । শিশুর হাড় ও পেশি নরম থাকায় অতিরিক্ত উচ্চতার বালিশ চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং বিকাশে বাধা আনতে পারে ⚠️।

🟠শিশুর জন্য উঁচু বালিশ ব্যবহারের ঝুঁকি ⚠️
অতিরিক্ত উঁচু বালিশ ব্যবহারের ফলে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে:

🔹শ্বাস-প্রশ্বাসের অসুবিধা: বালিশ বেশি উঁচু হলে শিশুর থুতনি বুকের দিকে চেপে যায়, ফলে বায়ু চলাচলে বাধা সৃষ্টি হতে পারে ❌।
🔹ঘুমের ব্যাঘাত: যদি বালিশ খুব শক্ত বা উঁচু হয়, তাহলে শিশু আরামদায়কভাবে ঘুমাতে পারে না , ফলে ঘন ঘন জেগে ওঠার প্রবণতা দেখা যায় ।
🔹পোশ্চার বা অঙ্গবিন্যাসের সমস্যা: দীর্ঘদিন পুরু বা উঁচু বালিশ ব্যবহারের ফলে শিশুর মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত হতে পারে❗

✅শিশুর জন্য সঠিক বালিশ কেমন হওয়া উচিত? 🛏️

যদি বালিশ ব্যবহার করতেই হয়, তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিত :
🟢 পাতলা ও নরম বালিশ নির্বাচন করুন: শিশুর মাথাকে স্বাভাবিকভাবে সহায়তা করার জন্য পাতলা, সমতল ও শ্বাস-প্রশ্বাস উপযোগী বালিশ ব্যবহার করুন ।
🟢 সঠিক বাতাস চলাচল নিশ্চিত করুন: শিশুর মুখের চারপাশে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের সুযোগ রাখতে হবে, যাতে শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি না থাকে।

#সংগৃহীত_পোস্ট

11/07/2025
ডেঙ্গু রোগীর জন্য নির্দেশনা:০১। ডেঙ্গু রোগের সুনিদ্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নাই তাই প্রথম কাজ হলো আপনার রব/সৃষ্টিকর্তার নিকট দো...
06/07/2025

ডেঙ্গু রোগীর জন্য নির্দেশনা:

০১। ডেঙ্গু রোগের সুনিদ্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নাই তাই প্রথম কাজ হলো আপনার রব/সৃষ্টিকর্তার নিকট দোয়া/প্রার্থনা করা।

০২। ডেঙ্গু রোগে শরীর ব্যথার জন্যে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য শক্তিশালী (Powerful) ব্যথানাশক ওষধ খাওয়া সম্পূর্ন নিষেধ।

০৩। রোগী পরিপূর্ন বিশ্রামে থাকবেন, বিশ্রাম করতে হবে অবশ্যই মশারির ভিতরে।

০৪। দোকানের কোন জুস অথবা ফরমালিন যুক্ত কোন ফল-ফলাদি খাওয়া যাবে না।

০৫। দোকানদারের দেওয়া কোন প্রকার এন্টিবায়োটিক খাওয়া যাবেনা।

০৬। তরল খাবার বেশী পরিমান খাবেন, যেমন- ORS/স্যালাইন, ডাবের পানি, লেবুর শরবত, সুপ, দুধ ইত্যাদি।

০৭। ১০-১৪ দিন দাঁত পরিস্কারের জন্য ব্রাশ ব্যবহার করবেন না।

০৮। শরীরের কোনো স্থানে রক্তক্ষরণ হয় কিনা খেয়াল রাখতে হবে এবং দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।
যেমন - চোখে রক্ত আসা, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত আসা, প্রস্রাব/পায়খানা হওয়া, মহিলাদের অতিরিক্ত রক্তশ্রাব হওয়া, শরীরের চামড়ায় লাল দাগ (Rash) দেখা যাওয়া ইত্যাদি।

02/07/2025

পাত্রী রান্না পারে কিনা জিজ্ঞেস করা তে উত্তর এলো।
কেন বুয়ার কাজ করাবেন? আপনাদের বউয়ের দরকার না বুয়ার?

পাল্টা জিজ্ঞেস করলাম, মেয়ে বিয়ে দিচ্ছেন কেন? মেয়ের ভরণ পোষণ দেয়ার অক্ষমতা?

আজব, ভরণ পোষণের অভাব হবে কেন? জীবনসঙ্গী সংসারের জন্য বিয়ে করা।

তো বুয়ার অভাবে বিয়ে করছি এটা ভেবে নিলেন কি করে? বেতনভোগী বুয়ার জন্য কেউ দেনমোহর ভরণ পোষণের দায় নিয়ে বিয়ে করে?

নিজের সংসারের কাজ করলেই যদি বুয়া হয়, তবে ভরণ পোষণের শর্তে বিয়ে বসলে কেন অভাবী নয়?

#সংগৃহীত_পোস্ট

"বিয়ে হয়নি, কিন্তু প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ?" (আপনার একটি শেয়ারে হয়তো বেচে যাবে একটি জীবন)অনেক সময় দেখা যায়, একজন অবিব...
02/07/2025

"বিয়ে হয়নি, কিন্তু প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ?"
(আপনার একটি শেয়ারে হয়তো বেচে যাবে একটি জীবন)

অনেক সময় দেখা যায়, একজন অবিবাহিত মেয়ের হঠাৎ মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে। ডাক্তার দেখাতে গেলে প্রথমেই বলা হয় “প্রেগনেন্সি টেস্ট করে আসেন।”

পরিবারের কেউ হয়তো বলে বসে-
“এখনও তো মেয়ের বিয়ে হয়নি, প্রেগনেন্সি কীভাবে?”
ডাক্তার তখন স্পষ্ট জানিয়ে দেন -
“প্রেগনেন্সি টেস্ট ছাড়া দেখবো না।”

যাই হোক, টেস্ট হয়। রিপোর্ট পজিটিভ!!
পরিবার হতবাক। মেয়ে অজ্ঞান।

এবার শুরু হয় প্রশ্ন, কান্না, অস্বীকার-
রোগী বলছে, “আমি কিছু করিনি।”
পরিবার বলছে, “তাহলে পজিটিভ টেস্ট আসলো কীভাবে?”

কেউ কেউ বলে - “জীনের ব্যাপার!”
তবে ডাক্তার তখন আসল কাজ শুরু করেন - “চলুন, আলট্রাসনোগ্রাফি করা যাক।”

আলট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টে দেখা যায় — পেটে কোনো বাচ্চা নেই।

তাহলে? প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ হলো কেন?

এই যে স্ট্রিপ দিয়ে টেস্ট করা হয়, ওটা আসলে “বাচ্চা শনাক্ত করার যন্ত্র” না।
এই টেস্টে চেক করা হয় শরীরে HCG (human chorionic gonadotropin) হরমোনের উপস্থিতি।

এই হরমোন গর্ভাবস্থায় শরীরে তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু একই হরমোন কিছু টিউমারের ক্ষেত্রেও নিঃসৃত হতে পারে, যেমন:

Choriocarcinoma
Germ cell tumor
Hydatidiform mole
Teratoma (with choriocarcinoma)
Seminoma
Islet cell tumor ইত্যাদি।

অর্থাৎ, হরমোন বাড়লেই আপনি গর্ভবতী বিষয়টি এমন নয়। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, এই ধরণের ভুল বোঝাবুঝি থেকে অনেক মেয়ে চরম মানসিক আঘাত পায়। অনেকে হতাশ হয়ে আত্মহত্যার কথা ভাবে। কারও চরিত্র নিয়ে চলে অযথা বিচার সমালোচনা।

একটা রিপোর্ট আসার পর সবকিছু ভেঙে পড়ার আগে একটু ভাবুন, ডাক্তার দেখান, পুরো ঘটনা বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি সচেতন থাকলে, হয়তো কোনো একদিন কাউকে একটা বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে পারবেন।

#সংগৃহীত_পোস্ট

#নারীস্বাস্থ্য #প্রেগনেন্সিটেস্ট #ভুল_বোঝাবুঝি #স্বাস্থ্যসচেতনতা #সচেতনহোন #জীবন_বাঁচান

Address

Chittagong

Telephone

+8801521486827

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ জামিউল হাসান ফাহিম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাঃ জামিউল হাসান ফাহিম:

Share