Ruqyah Shariyah Chattagram- রুকিয়া শরীয়াহ চট্টগ্রাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • Ruqyah Shariyah Chattagram- রুকিয়া শরীয়াহ চট্টগ্রাম

Ruqyah Shariyah Chattagram- রুকিয়া শরীয়াহ চট্টগ্রাম কুরআনিক চিকিৎসা।
islamic ruqyah shariyah treatment center.
ইসল?

জাদুর সাধারণ লক্ষণ ও জ্বীনের আক্রমণের ধরনজাদু যেহেতু সাধারণত জ্বীন দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তাই তাদের কাজ হয় পেশেন্টের ...
18/04/2026

জাদুর সাধারণ লক্ষণ ও জ্বীনের আক্রমণের ধরন

জাদু যেহেতু সাধারণত জ্বীন দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তাই তাদের কাজ হয় পেশেন্টের দুর্বল জায়গায় আঘাত হানা।
জাদুর প্রভাবে নারী ও পুরুষদের মধ্যে কিছু কমন সমস্যা দেখা দেয়। নিচে সেগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দেওয়া হলো:

পুরুষদের ক্ষেত্রে লক্ষণসমূহ:

১. রিযিক ও ক্যারিয়ারে বাধা:
• যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সফলতা না আসা
• আয়ের চাইতে অধিক ব্যয় হওয়া
• ব্যবসায় একের পর এক ক্ষতি
• চেষ্টা করেও কাজ না হওয়া বা হঠাৎ ইনকাম বন্ধ হয়ে যাওয়া

২. ফিজিক্যাল ও ইন্টিমেট সমস্যাঃ
• স্বাভাবিক সুস্থতা থাকলেও দাম্পত্য জীবনে সমস্যা
• ইন্টিমেট আগ্রহ হারিয়ে ফেলা
• ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন, চিকিৎসা নিলেও কাজ না হওয়া

৩. মনের শক্তি ও স্বভাবের পরিবর্তন:
• হঠাৎ করে আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া
• অস্বাভাবিক ভয়, অলসতা, হতাশা
• দায়িত্ব নিতে ইচ্ছা না হওয়া বা সাহস হারিয়ে ফেলা
➡️ অথচ আল্লাহ পুরুষদের করেছেন দায়িত্বশীল ও সাহসী—এটাই পুরুষের আসল ‘ফিতরাত’।


মহিলাদের ক্ষেত্রে লক্ষণসমূহ:

১. বিয়েতে সমস্যা:
• উপযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও প্রস্তাব না আসা
• বিয়ের কথা উঠলেই বারবার পিছিয়ে যাওয়া বা বাতিল হওয়া
• সব ঠিক থাকার পরও অযথা বিয়ে ভেঙে যাওয়া
• বিয়ের প্রসঙ্গে শরীর খারাপ লাগা, মাথা ঘোরা, কান্না বা রাগ উঠে যাওয়া

২. দাম্পত্য জীবনে অশান্তি:
• স্বামীকে সহ্য করতে না পারা
• ভালো আচরণেও বিরক্তি বা রেগে যাওয়া
• সংসার করতে ইচ্ছা না হওয়া বা ঝগড়া লেগে থাকা

৩. সন্তান গ্রহণে সমস্যা:
• চিকিৎসাগত কোনো সমস্যা না থাকলেও সন্তান না হওয়া
• বারবার মিসক্যারেজ
• মাসিক সংক্রান্ত সমস্যা: ব্যথাযুক্ত, অনিয়মিত বা অতিরিক্ত রক্তপাত



সমাধান কী?

এ ধরণের সমস্যা অনেক সময় সাধারণ চিকিৎসা বা থেরাপিতে ভালো না হলেও, রুকইয়াহ শরইয়্যাহ ও হালাল উপায়ে হিজামা (সুন্নাহ কপিং)-এর মাধ্যমে উপশম বা আরোগ্য লাভ সম্ভব।

আল্লাহ বলেন:
“শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই।”
— (সূরা আল মু’মিনূন ২৩:৯৮)

আপনি যদি এই উপসর্গগুলোর সাথে পরিচিত হন অথবা নিজের মধ্যে লক্ষণ পান, তবে দেরি না করে রুকইয়াহ বা হিজামার সহায়তা নিন। #রুকিয়াহ #জীন #যাদু #আত্মরক্ষা #জিনজাদু

রুকইয়াহ কী?রুকইয়াহ অর্থ ঝাড়ফুঁক করা, মন্ত্র পড়া, তাবিজ-কবচ, মাদুলি ইত্যাদি। আর রুকইয়াহ শারইয়্যাহ (رقيةشرعية) মানে শ...
18/04/2026

রুকইয়াহ কী?

রুকইয়াহ অর্থ ঝাড়ফুঁক করা, মন্ত্র পড়া, তাবিজ-কবচ, মাদুলি ইত্যাদি। আর রুকইয়াহ শারইয়্যাহ (رقيةشرعية) মানে শরিয়াত সম্মত রুকইয়াহ, কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা। তবে স্বাভাবিকভাবে ‘রুকইয়া’ শব্দটি দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা বুঝায়। এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি কারো ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা খাওয়া অথবা ব্যাবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়।

আর সবগুলোই সালাফে সালেহিন থেকে বর্নিত আছে।

রুকইয়ার বিধানঃ রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৫৪৪) বিশুদ্ধ আক্বিদাঃ উলামায়ে কিরামের মতে রুকইয়া করার পূর্বে এই আক্বিদা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া উচিত ‘রুকইয়া বা ঝাড়ফুঁকের নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই, সব ক্ষমতা আল্লাহ তা’আলার, আল্লাহ চাইলে শিফা হবে, নইলে নয়।’

রুকইয়া প্রকারভেদঃ বিভিন্ন ভাবে রুকইয়াহ করা হয়, যেমনঃ দোয়া বা আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া হয়, মাথায় বা আক্রান্ত স্থানে হাত রেখে দোয়া/আয়াত পড়া হয়। এছাড়া পানি, তেল, খাদ্য বা অন্য কিছুতে দোয়া অথবা আয়াত পড়ে ফুঁদিয়ে খাওয়া ও ব্যাবহার করা হয়।

পূর্বশর্তঃ রুকইয়া করে উপকার পেতে তিনটি জিনিসের প্রয়োজন।

*নিয়্যাত (কেন রুকইয়া করছেন, সেজন্য নির্দিষ্টভাবে নিয়াত করা)
*ইয়াক্বিন (এব্যাপারে ইয়াকিন রাখা যে, আল্লাহর কালামে শিফা আছে)
*মেহনত (অনেক কষ্ট হলেও, সুস্থ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রুকইয়া চালিয়ে যাওয়া)।

01612 445262

✅রুকইয়াহ কী?

কুরআনের মাধ্যমে চিকিৎসার ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা বলেন—
"আমি কুরআনে এমন বিষয় নাজিল করি; যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।" ((সুরা বনি ইসরাইল : আয়াত ৮২)

☑️ বিঃদ্রঃ শরীরিক বিভিন্ন সমস্যার জন্য রুকইয়াহ করা যায়। তবে জ্বীন, যাদু, বদনজর, হাসাদ ইত্যাদি প্যারানরমাল সমস্যাগুলোর জন্যই বিশেষভাবে রুকইয়াহ করা হয়ে থাকে।

✅রুকইয়ার বিধান

রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রুকইয়াহতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৫৪৪)

বিশুদ্ধ আক্বিদা: উলামায়ে কিরামের মতে রুকইয়া করার পূর্বে এই আক্বিদা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া উচিত যে, "রুকইয়া বা ঝাড়ফুঁকের নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই, সব ক্ষমতা আল্লাহ তা’আলার, আল্লাহ চাইলে সুস্থ হবে, নইলে নয়।"

ফিক্বহী বিধান: ফক্বিহদের মতে রুকইয়াহ বৈধ হওয়ার জন্য ৪ শর্ত পূরণ হওয়া আবশ্যক। যথা—
১. রুকইয়াহতে কোন শিরক বা কুফরির সংমিশ্রণ না থাকা।
২. ঝাড়ফুঁকের নিজস্ব কোন সক্ষমতা আছে, এমন বিশ্বাস না রাখা; বরং এই বিশ্বাস রাখা যে, আল্লাহর ইচ্ছাতেই এর প্রভাব হয়, আল্লাহর ইচ্ছাতেই এর দ্বারা আরোগ্য হয়।
৩. রুকইয়াহতে যা পাঠ করা হবে তা স্পষ্ট আরবি ভাষায় হওয়া।
৪. যদি অন্য ভাষায় হয়, তবে এমন হওয়া; যার অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে।

✅ রুকইয়াহ-এর প্রামাণিকতা

হাদিসের বহু জায়গায় রুকইয়াহর বিষয়ে আলোচনা এসেছে। এসব হাদিস থেকে স্বয়ং নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, জিবরাইল আলাইহিসসালাম ও সাহাবিগণের রুকইয়াহ করার প্রমাণ পাওয়া যায়। যেমন—

= নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিবরাইল আলাইহিসসালাম রুকইয়াহ করেছেন। (সহিহ মুসলিম,হাদিস নং ২১৮৬)

= নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসুস্থ ব্যক্তিকে রুকইয়াহ করেছেন। (সুনানু ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩৫২১)

= অসুস্থ থাকাকালীন আয়েশা রা. নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রুকইয়াহ করেছেন। (সুনানু ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩৫২৯)

= সাহাবিগণ অন্যদেরকে রুকইয়াহ করেছেন।
(সহিহ বুখারি, হাদিস নং ৫৩৩১)

এটা কোন রসিকতা না.  এটা সত্যি. জিন সম্পর্কে তথ্য আল্লাহ বলেন (এবং তিনি জিন ও মানুষকে শুধুমাত্র ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছে...
18/04/2026

এটা কোন রসিকতা না. এটা সত্যি.

জিন সম্পর্কে তথ্য

আল্লাহ বলেন (এবং তিনি জিন ও মানুষকে শুধুমাত্র ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন)
জিনরা আমাদের দেখে কিন্তু আমরা তাদের দেখি না কারণ আল্লাহ মানুষের চোখে একটি ঝিল্লি তৈরি করেছেন যাতে আমরা তাদের দেখতে না পারি কারণ আমরা তাদের দেখলে ভয়ে মারা যেতে পারি বা ধাক্কা খেয়ে অন্ধ হয়ে যেতে পারি। তাদের দৃষ্টি সত্যিই ভয়ঙ্কর।

তারা সর্বদা আমাদের চারপাশে বাস করে এবং তাদের ৩ প্রকার রয়েছে:
➖এলিফ্রিট -এগুলির মধ্যে জিনিসগুলি এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এগুলি ডাইনি এবং যাদুকররা ব্যবহার করে

➖আলখাবাল- এরা জ্বীনের পাগল এবং তারা মানুষকে বিরক্ত করে যেমন তাদের পোশাক পরা, মৃগীরোগ ইত্যাদি

➖গিলান- এরা মানুষ, বিড়াল, কুকুর, গাধা বা যে কোনো প্রাণীর আকারে আবির্ভূত হয়।

আল্লাহ বিভিন্ন প্রকার জিন সৃষ্টি করেছেন। তাদের মধ্যে কিছু আছে যারা বিভিন্ন রূপ ধারণ করতে পারে, যেমন কুকুর এবং সাপ; কিছু যারা ডানা দিয়ে উড়ন্ত বাতাসের মত; এবং কিছু যারা ভ্রমণ এবং বিশ্রাম করতে পারে। আবু থালাবাহ আল-খুশানী বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জিন তিন প্রকার: এক প্রকার যাদের ডানা আছে এবং তারা বাতাসে উড়ে যায়; একটি প্রকার যা দেখতে সাপ এবং কুকুরের মতো; এবং একটি প্রকার যা বিশ্রামের জন্য থেমে যায় তারপর আবার যাত্রা শুরু করে।

(মুশকিল আল-আথার, 4/95-এ আল-তাহহাবী এবং আল-কাবীর, 22/214-এ আল-তাবারানী দ্বারা রিপোর্ট করা হয়েছে। শাইখ আল-আলবানি আল-মিশকাতে (2/1206, নং 4148) বলেছেন: আল -তাহহাবী এবং আবুল-শাইখ সহীহ সনদ সহ বর্ণনা করেছেন)।

সাধারণত তারা সবাই দুর্বল এবং তারা সূরা ইয়াসিন, মুওয়াদাতেইন বা সূরা বাকারাহ শুনে পালিয়ে যায়। তাই আমি আপনাকে উপদেশ দিচ্ছি প্রিয় মুসলিম ভাই বা বোনদের

১। যখন আপনি আপনার পোশাক পরিবর্তন করবেন তখন বিসমিল্লাহি রাহমানির রাহীম বলুন, যাতে তারা আপনার নগ্নতা দেখতে না পায়।

২। যখন আপনি ঘুমান, তখন আপনার ডান দিকে ঘুমান এবং মুয়াওয়াদাতিন পড়ুন কারণ জিন আপনার উপর ঘুমাবে এবং আপনাকে শ্বাসরোধ করবে এবং আপনাকে বিরক্ত করার জন্য আপনাকে দুঃস্বপ্ন দেখাবে।

৩। পুতুল বা পুতুলগুলিতে পিন বা পেরেক লাগানোর বিষয়ে সতর্ক থাকুন কারণ তারা সেখানে থাকে। আপনি যদি তাদের বিরক্ত করেন তবে তারা আপনার উপর প্রতিশোধ নেবে।

৪।মাঝরাতে জোরে কথা বলবেন না কারণ আপনি তাদের বিরক্ত করতে পারেন এবং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে নীরবে আপনাকে আঘাত করে

৫।একা কাঁদবেন না কারণ আপনার জিন আপনার দুঃখে দুঃখী হয়ে ওঠে এবং তারা আপনাকে আলিঙ্গন করার জন্য অপেক্ষা করে যাতে আপনার শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়।

৬।কোন কিছু নিক্ষেপ করার সময় এবং উঁচু স্থান থেকে লাফ দেওয়ার সময় আপনার আল্লাহকে স্মরণ করা উচিত কারণ সেখানে একটি জিন ঘুমিয়ে থাকতে পারে এবং আপনি তাদের বিরক্ত করেন এবং তারা আপনার উপর প্রতিশোধ নেয়।

৭।টয়লেটে গরম পানি ঢালবেন না যতক্ষণ না আপনি টয়লেটে প্রবেশের জন্য দোয়া করবেন (আল্লাহুমা ইন্নি আউজু বিকা মিনাল খুবুসি ওয়াল খাবাইস)
কারণ টয়লেট তাদের থাকার প্রিয় জায়গা।

৮।. যদি আপনি অনুভব করেন যে আপনার কান কোন কারণ বা অসুস্থতা ছাড়াই শিস দিচ্ছে এবং আপনি আগুনের গন্ধ পাচ্ছেন, তাহলে জেনে রাখুন যে একটি জিন আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

৯।যদি আপনি একটি প্রাণী দেখেন এবং আপনি ভয় পান বা আপনি তাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন কিন্তু সাড়া না দেন, তাহলে জেনে রাখুন যে এটি একটি জিন।

১০।আয়নার সামনে পোশাক খুলে দাঁড়াবেন না বা নিজের দিকে তাকাবেন না কারণ একটি জ্বিন আপনার প্রেমে পড়তে পারে এবং আপনার সাথে মিশতে চেষ্টা করবে এবং যে কেউ আপনার কাছে আসবে তাকে আঘাত করবে।

ভয় পাবেন না। সর্বদা আল্লাহকে স্মরণ করুন কারণ আল্লাহকে স্মরণ করা হলে তারা গলে যায় ঠিক যেমন আগুনে গলে যাওয়া ধাতু।
(মুয়াদ্দাতিন অর্থ, সূরাতুল নাস ও সুরাতুল ফালাক)

------

মাঝে মাঝে আমি আমার রোগীকে রুকিয়া পানি দিয়ে GHUSSL (ধোয়া) করার পরামর্শ দিই, আমার অবাক হয়ে অনেক ভাই ও বোন আমাকে জিজ্ঞাসা করে কিভাবে এটি করতে হয় তাই সেখানে একটি গাইড আছে কিভাবে শ্বাস-প্রসাদ করা যায়।

1 আপনার উদ্দেশ্য বর্ণনা করুন (নিয়্যাহ)
বিসমিল্লাহ বলুন

2 আপনার হাত তিনবার ধুয়ে ফেলুন
আপনার গোপনাঙ্গ এবং শরীরের অন্য কোনো নাপাক অংশ ভালো করে ধুয়ে নিন।

3 আপনি প্রতিদিনের মতো উডু করুন (শরীর পরিষ্কার করার একটি ইসলামিক অনুশীলন) কিন্তু এখনও আপনার পা ধুবেন না।

4 আপনি যদি একটি প্লাটফর্ম বা মলের উপর গোসল করছেন যেখানে দ্রুত পানি প্রবাহিত হচ্ছে, তাহলে আপনাকে সম্পূর্ণরূপে ওযু করতে হবে। কিন্তু, যদি মনে হয় আপনার পা পানিতে ডুবে যাবে, তাহলে গোসলের পর সেগুলি ধুয়ে ফেলুন।

5 আপনার মাথা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ধুয়ে ফেলুন যাতে জল মাথার ত্বকে পৌঁছায়। পুরুষদেরও তাদের দাড়ি ভালোভাবে পরিষ্কার করা উচিত। মহিলাদের জন্য গোসলের ধাপগুলির মধ্যে রয়েছে চুল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ধোয়া, এবং যদি চুলগুলি একটি থালায় না থাকে, তবে তা গোড়া পর্যন্ত ধোয়া গুরুত্বপূর্ণ। একটি চুলও বের করবেন না অন্যথায় গোসল বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে, যদি কোনও মহিলার চুল একটি প্লেটে থাকে তবে এটি খোলার দরকার নেই, প্রতিটি চুলের গোড়া ভিজিয়ে রাখুন।

6 ডান দিক থেকে শুরু করে সারা শরীরে পানি ঢালুন। বাম পাশে এবং তারপর পুরো শরীর একই করুন। এটি প্রতিবার তিনবার করুন এবং নিশ্চিত করুন যে কোনও জায়গা শুকনো না থাকে এবং ধোয়ার সময় আপনার হাত সারা শরীরে ভালভাবে ঘষুন।

৭ গোসলের পর এলাকা থেকে সরে গিয়ে ডান পা এবং তারপর বাম পা ধুয়ে ফেলুন। তবে, প্রক্রিয়া চলাকালীন যদি আপনার পা ধুয়ে ফেলা হয়, তবে সেগুলি আবার ধোয়ার দরকার নেই।

8 আপনার শরীরকে একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে শুকিয়ে নিন এবং সাজান।
আপনি যদি রাতে একাকীত্ব এবং কষ্ট
নিয়ে ঘুমান,তবে মনে রাখবেন একটা জ্বীন
আপনাকে এইভাবে জড়িয়ে ধরতে চায়৷

For Ruqyah appointment
⁨01612-445262⁩

This is not a joke. This is true.Information about JinnAllah says that He created jinn and humans only for worship.Jinn ...
18/04/2026

This is not a joke. This is true.

Information about Jinn

Allah says that He created jinn and humans only for worship.

Jinn can see us, but we cannot see them. It is said that Allah placed a barrier over human sight so we cannot see them, because if we did, we might be terrified by their appearance.

They are believed to live around us at all times, and some people classify them into three types:
• Ifrit – Said to have the ability to move things from one place to another, and often mentioned in stories about magic and sorcery.
• Al-Khabal – Said to be harmful jinn who disturb people, causing trouble or illness.
• Ghilan – Said to appear in the form of humans, cats, dogs, donkeys, or other animals.

Allah created different kinds of jinn. Some can take various forms such as dogs and snakes, some have wings and fly through the air, and some travel and rest.

A narration from Abu Tha’labah Al-Khushani states that the Prophet Muhammad (peace be upon him) said:

“The jinn are of three types: one type has wings and flies through the air, one type appears as snakes and dogs, and one type travels and then rests.”

(Reported by Al-Tahawi and Al-Tabarani. Shaykh Al-Albani graded it authentic.)

It is commonly believed that jinn are weak and flee when hearing Surah Yasin, the Mu’awwidhatayn (Surah Al-Falaq and Surah An-Nas), or Surah Al-Baqarah.

So here is some advice for Muslim brothers and sisters:
1. When changing clothes, say Bismillahir Rahmanir Rahim, so they do not see your nakedness.
2. When sleeping, sleep on your right side and recite the Mu’awwidhatayn, because harmful jinn may disturb your sleep or cause nightmares.
3. Be careful about putting pins or nails into dolls, as some believe jinn may stay there and become angry.
4. Do not speak loudly at midnight, as you may disturb them.
5. Do not cry alone, because some believe a jinn may be drawn to your sadness.
6. When throwing something or jumping from a high place, remember Allah, because you may disturb a jinn.
7. Do not pour hot water in the toilet before reciting the dua for entering the bathroom:
Allahumma inni a’udhu bika minal khubuthi wal khaba’ith
because bathrooms are considered places where jinn may stay.
8. If your ears ring for no medical reason and you smell fire, some believe a jinn may be near you.
9. If you see an animal that does not react normally, some believe it may be a jinn in disguise.
10. Do not stand undressed in front of a mirror, because some believe a jinn may become attached to you.

Do not be afraid. Always remember Allah, because remembrance of Allah protects a person.

(Mu’awwidhatayn means Surah Al-Falaq and Surah An-Nas.)



Sometimes I advise my patients to perform ghusl (ritual washing) using Ruqyah water. Many brothers and sisters ask me how to do it, so here is a guide:

How to Perform Ghusl with Ruqyah Water
1. Make your intention (niyyah) and say Bismillah.
2. Wash your hands three times.
Clean your private parts and any impure areas of the body thoroughly.
3. Perform wudu (ablution) as usual, but do not wash your feet yet.
4. If you are bathing where water flows away quickly, complete the full wudu. If water may collect around your feet, wash them after finishing the ghusl.
5. Wash your head thoroughly so the water reaches the scalp.
Men should wash their beards properly.
Women should wash their hair thoroughly, ensuring water reaches the roots. If the hair is braided, it is not necessary to undo it as long as water reaches the roots.
6. Pour water over the whole body starting from the right side, then the left side, then the entire body. Do this three times, ensuring no part remains dry. Rub the body well while washing.
7. After finishing, move away from the bathing area and wash the right foot, then the left foot, if they were not already washed.
8. Dry yourself with a clean towel and get dressed.



If you sleep at night feeling lonely and distressed, remember that this feeling should be turned toward Allah through prayer and remembrance.

For Ruqyah appointment:
01612-445262

🔴 আশিক জিন মানেই সে শরীরে থাকে — এটা ভুল ধারণা!অনেকে মনে করেন, আশিক জিন শুধু শরীরে ভর করে থাকে।কিন্তু বাস্তবতা আরও জটিল।...
17/04/2026

🔴 আশিক জিন মানেই সে শরীরে থাকে — এটা ভুল ধারণা!
অনেকে মনে করেন, আশিক জিন শুধু শরীরে ভর করে থাকে।
কিন্তু বাস্তবতা আরও জটিল।
চালাক আশিক জিন বাইরে থেকেই অপারেট করে।
সে নিজে শরীরে না ঢুকে —
তার নিযুক্ত খাদেম জিনকে শরীরে রেখে দেয়।
আর নিজে বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রণ করে।
উদ্দেশ্য একটাই —
✔ সময়মতো ডিস্টার্ব করা
✔ রুকইয়াহতে ধরা না পড়া
✔ চিকিৎসাকে জটিল করে তোলা
এজন্যই অনেক ক্ষেত্রে রুকইয়াহ করলে রিঅ্যাকশন আসে, কিন্তু সমস্যা পুরোপুরি যায় না।
মূল সত্তাটাকে চিহ্নিত করাই আসল চ্যালেঞ্জ।

আপনার বা কাছের কারো এরকম অভিজ্ঞতা আছে?
কমেন্টে জানান। 👇

স্বপ্নে খেতে দেখছেন??হতে পারে “খাওয়ানোর যাদু”‼️অনেক রোগীই বলেন—“আমি স্বপ্নে প্রায়ই দেখি কেউ আমাকে কিছু খাওয়াচ্ছে!”এটা মজ...
13/04/2026

স্বপ্নে খেতে দেখছেন??
হতে পারে “খাওয়ানোর যাদু”‼️

অনেক রোগীই বলেন—
“আমি স্বপ্নে প্রায়ই দেখি কেউ আমাকে কিছু খাওয়াচ্ছে!”
এটা মজা না, বরং একটি মারাত্মক লক্ষণ!

📌 খাওয়ানো যাদু কীভাবে হয়?
➡️ এটি সরাসরি খাবারের মাধ্যমে অথবা
➡️ স্বপ্নে জ্বীনের মাধ্যমে করা হয়।
বিশেষ করে যখন আমল/রুকইয়াহ করতে করতে জ্বীন দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে স্বপ্নে যাদু খাওয়ানোর চেষ্টা করে—
শরীরে আবার শক্তি ফিরে পেতে।

তাই অনেক যাদুগ্রস্থ পেশেন্টই স্বপ্নে বারবার খেতে দেখেন।



🍃 পেটের যাদু বের করার সুন্নাহসম্মত ও প্রাকৃতিক পদ্ধতি: ইস্তিফারগ (বমি)

ইস্তিফারগ মানে:
➡️ শরীর থেকে ক্ষতিকর, যাদুবাহিত, বা অতিরিক্ত বস্তু বমির মাধ্যমে বের করে দেওয়া।
📖 ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন:
“ইস্তিফারগ শরীরের জন্য উপকারী। এতে যাদু, বদনজর, হিংসা—সব বের হয়ে যায়।”



✅ ইস্তিফারগ পদ্ধতি (৩ দিনের স্পেশাল রুটিন):

🕣 সকালে খালি পেটে:
১. ২ লিটার পানি নিন।
২. ৭টি বরই পাতা বেটে মেশান।
৩. তারপর এই সূরাগুলো প্রতিটা ৩ বার করে পড়ে পানিতে ফুঁ দিন:
• সূরা ফাতিহা
• আয়াতুল কুরসি
• ইখলাস
• ফালাক
• নাস

💧 এরপর:
• ১ লিটার পানি পান করুন (নিয়্যত করুন যাদু বের করার)।
• তারপর “পেটের যাদু খুরুজের আয়াত”-এর অডিও শুনুন ইয়ারফোনে।
• অডিও চলাকালীন সময় আর ১ লিটার পানি খান।

এভাবে ৩ দিন—
📤 ইনশাআল্লাহ যাদু বের হবে
💪 শরীরও অনেক হালকা লাগবে
🌿 আর অসুস্থতা থেকেও মিলবে আরাম।



📣 শেয়ার করুন — আপনার শেয়ার হয়তো কারও মুক্তির কারণ হতে পারে ইনশাআল্লাহ!
#রুকইয়াহ #ইস্তিফারগ #পেটেরযাদু #স্বপ্নেজাদু #জ্বীন #খাওয়ানোযাদু #হিজামা_অ্যাভিনিউ

আসিক জ্বীন।আসিক জ্বীন মানে প্রেমিক জ্বীন, যার প্রেমে পরে তার সাথে বসবাস শুরু করে। এই জ্বীন দ্বারা ক্ষতির দিকগুলি অনেক।আস...
12/04/2026

আসিক জ্বীন।

আসিক জ্বীন মানে প্রেমিক জ্বীন, যার প্রেমে পরে তার সাথে বসবাস শুরু করে। এই জ্বীন দ্বারা ক্ষতির দিকগুলি অনেক।

আসিক জ্বীন সাধারণত দুইভাবে সৃষ্টি হয় এবং আসে।

প্রথমটি সে নিজের ইচ্ছে আসে। অনেকেই ভাবেন আমি কাল, দেখতে সুন্দর না, আমার কাছে কেন আসবে??

হ্যাঁ আপনি দেখতে কাল আপনার কাছেও আসার কারণ আছে কারণ আপনার কিছু গুন তাকে আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে। হয় আপনার কথা বলার ধরণ ভাল, আপনার চুল গুলি লম্বা দেখতে সুন্দর লাগে, বা আপনার কন্ঠ টা শুনতে খুব মধুর লাগে বা আপনার চলাফেরা খুব ভাল, বা আপনার আচার ব্যবহার মানুষের সাথে ভাল, বা আপনার জীবের প্রতি মায়া আছে, আপনি গুছিয়ে কাজ করেন, আপনি পোষাক পড়লে খুব স্মার্ট লাগে দেখতে খুব ভাল লাগে, আপনার চোখ গুলি দেখতে খুব সুন্দর লাগে, বা আপনার নাক দেখতে খুবি সুন্দর দেখায় মোট কথা আপনার কোনো কিছু তাকে আকৃষ্ট করে। যার ফলে সে আপনার পিছু নেয় এবং বসবাস করতে শুরু করে।

যারা সুন্দর তাদের সুন্দর্য তো আকৃষ্ট করেই পাশাপাশি উপরে যা বলা আছে সেগুলো থাকতে পারে!!!

সবচেয়ে বেশী সমস্যা সৃষ্টি হয় "পিরিয়ড"এর পেড বা যে যা ব্যবহার করে সেগুলো নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় না ফেলে এদিক সেদিক ফেললে, এটা ফেলার সময়ে তিন কুল পড়ে ফু দিয়ে ফেলে দিলেই আর এতো সমস্যা সৃষ্টি হয়না!!!

দ্বিতীয় যে কারণ সেটা হচ্ছে কেউ দীর্ঘ দিন যাদুগ্রস্ত, দীর্ঘ দিন যাদুগ্রস্ত থাকায় রুগীর সাথে থাকতে থাকতে এক সময় আসিক জ্বীনে পরিণত হয়ে যায়।

আশিক জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হবার কিছু লক্ষণ আছে যার দ্বারা একজন রাকি রোগীকে জিজ্ঞাসা করে বা তার উপর আয়াত পাঠ করে এবং তার সাথে আসিক জ্বীন আছে কিনা তা নির্ণয় করেন।

আশিক জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হবার কিছু লক্ষণ:

(১) অত্যধিক ফিজিক্যাল টাইপের স্বপ্ন দেখা যা আশিক স্পর্শের উপস্থিতির প্রমাণ, তবে অন্যান্য কিছু উপসর্গের উপস্থিতি, যেমন স্বপ্নে নগ্ন নারী দেখা বা অজাচারী সহবাস এবং এর মতো।

(২) যে লালসা বিনা কারণে বা মাহরামদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠা বা আকৃষ্ট হওয়া এবং সে তার স্ত্রীর প্রতি আকৃষ্ট নাও থাকতে পারে এবং স্ত্রীর তার স্বামীর প্রতি আকৃষ্ট নাও থাকতে পারে।

(৩) নারী পুরুষ উভয়'ই হস্তমৈথুনের মধ্যে পড়ে যাওয়া।

(৪) বিয়ে করতে না চাওয়া, বিয়েকে ঘৃণা করা এবং মেয়েটি পুরুষের যৌনতাকে ঘৃণা করতে পারে এবং পুরুষ মেয়ের যৌনতা কে ঘৃণা করতে পারে।

(৫) গোপনাঙ্গে পিঁপড়ের মতো কিছু নড়াচড়া অনুভব করা, বিশেষ করে জরায়ুতে, এতে অনিচ্ছা, চুলকানি বা যৌন মিলনের উদ্রেক ভাব আসা এবং সাদা স্রাব নির্গত হওয়া।

(৬) ব্যক্তি মনে করে যেন কেউ তার সাথে আছে এবং তার পাশে ঘুমাচ্ছে এবং বিছানায় তার পাশে একটি লুকানো দেহ, বা ওজন, বাতাস বা নিঃশ্বাস (যেন কেউ শ্বাস নিচ্ছে) অনুভব করে।

(৭) অবিবাহিত পুরুষ তাদের শরীরে একটি মহিলার চুল খুঁজে পায় এবং কেউ কেউ তাদের প্যান্টের ভিতরে বা তাদের গোপনাঙ্গের চারপাশে মোড়ানো দেখতে পায়।
(৮) কিছু মহিলা এমন কাউকে দেখে যে তাকে বিভিন্ন উপায়ে উলঙ্গ করে দেখায় এবং তার ক্ষতি করতে পারে, সে জেগে থাকুক বা ঘুমিয়ে থাকুক।

(৯) স্বামী তার স্ত্রীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অনেক দূরে ঘুমায় এবং স্ত্রী তার স্বামীর কাছ হতে অনেক দূরে ঘুমায় এবং তার স্ত্রী যদি তার কাছে আসে খুব বিরক্ত হয়, এবং স্বামী তার স্ত্রীর কাছে গেলে স্ত্রী খুব বিরক্ত হয় এবং উভয়ই একাকীত্বকে ভালবাসে তবে তাদের দীর্ঘ মাস কেটে যায় এবং সে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে না।

(১০) স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে দুর্গন্ধের উপস্থিতি, অত্যধিক নার্ভাসনেস, উত্তেজক সমস্যা এবং শরীরের উত্তাপ সহ, তিনি তার স্বামীর দ্বারা স্পর্শ করা পছন্দ করেন না, এমনকি তার সন্তানদের দ্বারা এবং একাকীত্বের ভালবাসা, প্রায় নগ্ন ঘুম, এবং দীর্ঘ ঘন্টা জন্য ভারী ঘুম।

(১১) অকাল বীর্যপাত, নাভির নিচে ব্যথা যেন ছুরিকাঘাতের মতো, অণ্ডকোষ ও মলদ্বারের মাঝখানে ব্যথা এবং তাতে শিহরণ।

(১২) রাতে না ঘুমানো এবং বাথরুমে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা এবং মন ঘুরে বেড়ায়।

(১৩) সুগন্ধি কোন উৎস নাই কিন্তু ঘরে কিছু সুগন্ধি গন্ধ পাওয়া।

(১৪) সহবাসের সময় স্ত্রী অনুভব করে যে তার সাথে সহবাস করেছে সে তার স্বামী নয় অথবা সহবাসের পর সে অনুভব করে যে সে কাউকে না দেখে সহবাস করছে।

(১৫) স্বপ্নে ছোট ছোট বাচ্চা দেখা

(১৬) সমকামিতা বা লেসবিয়ানিজম থেকে বিচ্যুত হওয়ার বা এটি অনুশীলন করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং লালসার অনুভূতি।

(১৭) বিয়ের প্রস্তাব আসলে কান্না করা চেহারা কালো হয়ে যাওয়া, বিয়ের জন্য রাজি হলেও পরে তাকে বিনা কারণে প্রত্যাখ্যান করে বা সৌন্দর্য এবং শালীনতা এবং এর মধ্যে থাকা সমস্ত কিছুর সাথে কথাবার্তা পুনরায় ফিরে না আসে।

(১৮) অণ্ডকোষ, লিঙ্গ, জরায়ু এবং ডিম্বাশয়ের গোপনাঙ্গে ব্যথা অনুভব করা।

(১৯)মাথায় অশ্লীল চিন্তা ভাবনা আশা।

(২০)একাধিকবার প্রস্রাবের ইনফেকশন হওয়া।

(২১)অনিয়মিত পিরিয়ড হওয়া অথবা তিন চার মাসে ও একবার পিরিয়ড না হওয়া, পিরিয়ডের সময় তলপেটে প্রচন্ড ব্যথা হওয়া।

(২২)সাদা স্রাব বের হওয়া পুরুষ মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে।

(২৩)বিছানায় শুতে গেলে হঠাৎ যৌন উত্তেজনা বেড়ে যাওয়া এবং অধিক পরিমাণে স্বপ্নদোষ হওয়া।

(২৪)পছন্দের মানুষ গুলোকে স্বপ্নে কাছে আসতে দেখা, স্পর্শ করতে দেখা, ফিজিক্যাল রিলেশন করতে দেখা অথবা তাদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া।

(২৫)ঘুম থেকে ওঠার পরে পুরা শরীর ব্যথা হয়ে থাকা, কোন কারন ছাড়াই লজ্জাস্থানে ব্যথা অনুভব করা।

(২৬) বিবাহ করতে মনে চায় না,বিবাহের কথা শুনলেই ভিতর থেকে কান্না আসে এবং মুখে ব্রণ ওঠা।

(২৭) বিবাহের পরে হাসবেন্ডের কাছে গেলে বিরক্ত লাগে অথবা ফিজিক্যাল রিলেশনে অনীহা আশা।

(২৮) বিপরীত লিঙ্গের মানুষ বিরক্ত লাগা, বিপরীত লিঙ্গের প্রতি খুব বেশি আকর্ষণ ফিল করা, বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও অন্য নারী অথবা পুরুষের দিকে আকর্ষণ ফিল করা।

(২৯) শারীরিক সমস্যা একের পর এক লেগেই থাকা, বিশেষ করে গোপনীয় সমস্যা বেশি হওয়া।

(৩০)বাচ্চা কনসিভ না করা অথবা কনসিভ করার পরে নষ্ট হয়ে যাওয়া।

(৩১)একা একা থাকতে পছন্দ করা অথবা অধিকাংশ সময় মন খারাপ করে বসে থাকা, মনে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা জাগা, ইমোশনালি প্রভাব বেশি থাকা..

Hijama Avenue : Cupping & Ruqyah Center
For Appointment: 01612-445262

11/04/2026

হজ্জে তালবিয়া (লাব্বাইক) পড়া —

হানাফি মাজহাব অনুযায়ী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল।

📖 তালবিয়ার শব্দ

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لَا شَرِيكَ لَكَ

উচ্চারণ:
লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক…

হানাফি মাজহাবে তালবিয়া অনুযায়ী
• তালবিয়া পড়া “ওয়াজিব” (অত্যাবশ্যক)
• ইহরাম বাঁধার সময় অন্তত একবার তালবিয়া বলা আবশ্যক
• ইচ্ছাকৃতভাবে না বললে দম (কোরবানি) দিতে হয়

কখন থেকে কখন পর্যন্ত পড়তে হবে?

• ইহরাম করার পর থেকেই শুরু
• পুরুষরা উচ্চস্বরে, নারীরা আস্তে পড়বে
• বারবার পড়া সুন্নত (বিশেষ করে):
• নামাজের পর
• গাড়িতে ওঠা/নামা
• উঁচু-নিচু জায়গা পার হলে

তালবিয়া বন্ধ করা হয়:
• ১০ জিলহজ্জে জামরাতে আকাবা (বড় শয়তান) পাথর মারার আগে পর্যন্ত

আর এই তালবিয়া এর অর্থ সহ যাতে আরেকজন হাজী কিংবা মুসলমান ভাই বা বোন যাতে শিখতে পারেন তাই সহযোগিতা করতে আপনি শেয়ার করার অনুরোধ থাকলো ।

10/04/2026

দুইশো বার সূরা ইখলাস পড়তে কতো ঘন্টা লাগে জানেন? মাত্র বিশ মিনিট! সর্বোচ্চ পনেরো মিনিট।।
আজকে রাতে অবশ্যই পড়বেন। প্রতি রাতে পড়ার নিয়ত করলে তো আলহামদুলিল্লাহ্।

(সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত)
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন। (সুবহানআল্লাহ)

( সহীহুল বুখারীঃ ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ ১৪৬১ আহমাদঃ ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সাগীরঃ৬৪৭২

10/04/2026

ইচ্ছে পূরণের সালাতকেই সালাতুল হাজত বলা হয়।

সালাতুল হাজত নামাজের নিয়ম।

অজু: প্রথমে উত্তমভাবে অজু করতে হবে।

উদ্দেশ্য: মনে মনে বৈধ কোনো প্রয়োজন পূরণের জন্য এই নামাজ পড়ার নিয়ত করতে হবে।

রাকাত সংখ্যা: সাধারণত দুই রাকাত নফল নামাজ পড়তে হয়, তবে ইচ্ছা করলে চার বা তার বেশি রাকাতও পড়া যায়।

নামাজের পদ্ধতি:
প্রথম রাকাত: 'আল্লাহু আকবার' বলে নামাজ শুরু করে সুরা ফাতিহার পর অন্য কোনো সুরা পড়তে হবে। এরপর রুকু, সিজদা ও অন্যান্য নিয়ম মেনে প্রথম রাকাত শেষ করতে হবে।

দ্বিতীয় রাকাত: একইভাবে সুরা ফাতিহার পর একটি সুরা পড়ে রুকু, সিজদা ও তাশাহহুদ পড়ে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করতে হবে।

নামাজ শেষে: নামাজ শেষে আল্লাহর প্রশংসা করতে হবে এবং নবী করিম (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করতে হবে।

তারপর নিজের প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর কাছে দু'আ করতে হবে!

সালাতুল হাজত হলো একটি নফল নামাজ যা যেকোনো বৈধ প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পড়া হয়। এই নামাজ আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, তবে সাধারণত দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া হয়। এতে উত্তমভাবে অজু করে কিবলামুখী হয়ে স্বাভাবিক নফল নামাজের মতোই নিয়ম মেনে নামাজ আদায় করতে হয়। এই নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর ওপর বিশ্বাস দৃঢ় হয় এবং এতে অনেক ফজিলত রয়েছে।

জ্বিন-শয়তান পালায় আঊযুবিল্লাহতে।মানুষ-শয়তান?সে বসে থেকে আঊযুবিল্লাহরই অপব্যাখ্যা করে!এই কথাটা এক সালাফ বলেছিলেন।আর এই...
10/04/2026

জ্বিন-শয়তান পালায় আঊযুবিল্লাহতে।
মানুষ-শয়তান?
সে বসে থেকে আঊযুবিল্লাহরই অপব্যাখ্যা করে!
এই কথাটা এক সালাফ বলেছিলেন।
আর এই এক বাক্যেই রুক্বইয়্যাহর ময়দানের সবচেয়ে বড় সত্যটা বলা হয়ে গেছে।

রোগীরা জ্বিনের নাম শুনলে কাঁপি। কিন্তু আল্লাহ তা’আলা সূরাহ নাসে স্পষ্ট বলেছেন দুই প্রকার শয়তানের কথা — “মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।” জ্বিনদের মধ্য থেকে এবং মানুষদের মধ্য থেকে।
আমরা শুধু অদৃশ্যকে ভয় পাচ্ছি।
আর সামনে যে বসে আছে তাকে চিনতেই পারছি না।

কেন মানুষ-শয়তান বেশি ভয়ংকর?

জ্বিন শয়তান পালায়, মানুষ থাকে।
আয়াতুল কুরসী পড়লে জ্বিন দৌড় দেয়। কিন্তু মানুষ-শয়তান আপনার পাশে বসে হাসিমুখে ষড়যন্ত্র করে। তাকে দু’আ পড়ে তাড়ানো যায় না।

জ্বিন শয়তান ওয়াসওয়াসা দেয়, মানুষ ’আক্বীদাহ ভাঙে।
জ্বিন শয়তান মনে সন্দেহ ঢোকায়।
কিন্তু মানুষ-শয়তান যুক্তির আড়ালে, হুযুরের বেশে, তিলাওয়াতের ফাঁকে কুফরী মিশিয়ে আপনাকে শিরকের পথে হাতে ধরে নিয়ে যায়।

জ্বিন শয়তান হুকুম মানে, মানুষ হুকুম দেয়।

জ্বিন নিজে থেকে যাদু করে না।
যখন একজন মানুষ টাকা দিয়ে কুফরী করিয়ে জ্বিনকে লেলিয়ে দেয় — তখন আসল অপরাধী কে?
সেই শয়তান রূপী মানুষটাই। জ্বিন শয়তান শুধু হাতিয়ার। পেছনে যে হাত চালাচ্ছে, সেটা মানুষের।

ইতিহাস সাক্ষী:

ইহুদী লাবীদ বিন আসম —
নবীজি ﷺ-এর উপর যাদুর পরিকল্পনাকারী একজন মানুষ।

আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা — ইসলামের ভেতরে রক্তক্ষয়ী ফিতনার স্থপতি একজন মানুষ।

আপনার পরিচিত সেই মা বা শাশুড়ী যিনি সংসার ভাঙতে যাদুকরের দরজায় গেছেন — একজন মানুষ।

জ্বিন শয়তান যাদু করে না — করায় মানুষ।
জ্বিন শয়তান ফিতনা বাঁধায় না — বাঁধায় মানুষ।
জ্বিন শয়তান সংসার ভাঙে না — ভাঙায় মানুষ।

তাই রুক্বইয়্যাহর কাজ শুধু জ্বিন তাড়ানো না।
মানুষ-শয়তান চেনার হিকমাহও অর্জন করতে হবে।
আল্লাহ আমাদের উভয় প্রকার শয়তানের ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

10/04/2026

জাদু নেই —
এই কথা বলার আগে একটু থামুন।
আপনার পরিচিত কেউ কি হঠাৎ বদলে গেছে?
আগে যে মানুষটা হাসত, কথা বলত, স্বাভাবিক ছিল !

এখন তাকে দেখলে মনে হয় ভেতর থেকে কেউ একটু একটু করে ভেঙে দিচ্ছে।
ডাক্তার দেখানো হয়েছে,পরীক্ষা হয়েছে,
কারণ মেলেনি।

এই অবস্থাকে আমরা অনেকে “বেশি ভাবছো” বলে উড়িয়ে দিই।
কিন্তু এই উড়িয়ে দেওয়াটাই সবচেয়ে বড় ভুল।

জাদু — এটা কুসংস্কার না,
আবার সবকিছুর কারণও না।

তবে এটা সত্য যে,
কিছু কষ্ট আছে যার শিকড় অনেক গভীরে।
হঠাৎ অসুখ, দাম্পত্যে ফাটল, মানসিক অশান্তি, জীবনের গতি থেমে যাওয়া —
এসব যখন একসাথে আসে, তখন সচেতন হওয়াটা জরুরি।

আল্লাহ যেমন পরীক্ষা নেন , শিফাও তাঁরই কাছে।
রুকইয়া, হিজামা —
এগুলো নবীজি (সা.)-এর দেখানো পথ।

অস্বীকার না, আতঙ্কও না —
সঠিক পদক্ষেপ, সঠিক সময়ে।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি এমন অবস্থায় থাকেন —
Hijama Avenue-তে আসুন।

আমরা আছি আপনার পাশে —
ইলমের সাথে, বিশ্বাসের সাথে।

📍 Hijama Avenue: Cupping & Ruqyah Center
🔗 এ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে বা কোন তথ্য জানতে ফোন করুন:

+88.01612.445262

আমাদের ঠিকানাঃ "চৌধুরী হাউস" আস্কারদিঘী পশ্চিমপাড় মসজিদ এর পাশের বিল্ডিং,চট্টগ্রাম
(চট্টগ্রাম আনসার ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট অফিস এর বিপরীত পাশে )
(কোন সিএনিজি কে আস্কারদিঘী পশ্চিমপাড় আনসার অফিস এর সামনে বললেই আপনি সহজেই চলে আসতে পারবেন,ইনশা আল্লাহ)

Address

Ashkardighi Pocchimpaar
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801612445262

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Shariyah Chattagram- রুকিয়া শরীয়াহ চট্টগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ruqyah Shariyah Chattagram- রুকিয়া শরীয়াহ চট্টগ্রাম:

Share