12/04/2026
আসিক জ্বীন।
আসিক জ্বীন মানে প্রেমিক জ্বীন, যার প্রেমে পরে তার সাথে বসবাস শুরু করে। এই জ্বীন দ্বারা ক্ষতির দিকগুলি অনেক।
আসিক জ্বীন সাধারণত দুইভাবে সৃষ্টি হয় এবং আসে।
প্রথমটি সে নিজের ইচ্ছে আসে। অনেকেই ভাবেন আমি কাল, দেখতে সুন্দর না, আমার কাছে কেন আসবে??
হ্যাঁ আপনি দেখতে কাল আপনার কাছেও আসার কারণ আছে কারণ আপনার কিছু গুন তাকে আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে। হয় আপনার কথা বলার ধরণ ভাল, আপনার চুল গুলি লম্বা দেখতে সুন্দর লাগে, বা আপনার কন্ঠ টা শুনতে খুব মধুর লাগে বা আপনার চলাফেরা খুব ভাল, বা আপনার আচার ব্যবহার মানুষের সাথে ভাল, বা আপনার জীবের প্রতি মায়া আছে, আপনি গুছিয়ে কাজ করেন, আপনি পোষাক পড়লে খুব স্মার্ট লাগে দেখতে খুব ভাল লাগে, আপনার চোখ গুলি দেখতে খুব সুন্দর লাগে, বা আপনার নাক দেখতে খুবি সুন্দর দেখায় মোট কথা আপনার কোনো কিছু তাকে আকৃষ্ট করে। যার ফলে সে আপনার পিছু নেয় এবং বসবাস করতে শুরু করে।
যারা সুন্দর তাদের সুন্দর্য তো আকৃষ্ট করেই পাশাপাশি উপরে যা বলা আছে সেগুলো থাকতে পারে!!!
সবচেয়ে বেশী সমস্যা সৃষ্টি হয় "পিরিয়ড"এর পেড বা যে যা ব্যবহার করে সেগুলো নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় না ফেলে এদিক সেদিক ফেললে, এটা ফেলার সময়ে তিন কুল পড়ে ফু দিয়ে ফেলে দিলেই আর এতো সমস্যা সৃষ্টি হয়না!!!
দ্বিতীয় যে কারণ সেটা হচ্ছে কেউ দীর্ঘ দিন যাদুগ্রস্ত, দীর্ঘ দিন যাদুগ্রস্ত থাকায় রুগীর সাথে থাকতে থাকতে এক সময় আসিক জ্বীনে পরিণত হয়ে যায়।
আশিক জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হবার কিছু লক্ষণ আছে যার দ্বারা একজন রাকি রোগীকে জিজ্ঞাসা করে বা তার উপর আয়াত পাঠ করে এবং তার সাথে আসিক জ্বীন আছে কিনা তা নির্ণয় করেন।
আশিক জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হবার কিছু লক্ষণ:
(১) অত্যধিক ফিজিক্যাল টাইপের স্বপ্ন দেখা যা আশিক স্পর্শের উপস্থিতির প্রমাণ, তবে অন্যান্য কিছু উপসর্গের উপস্থিতি, যেমন স্বপ্নে নগ্ন নারী দেখা বা অজাচারী সহবাস এবং এর মতো।
(২) যে লালসা বিনা কারণে বা মাহরামদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠা বা আকৃষ্ট হওয়া এবং সে তার স্ত্রীর প্রতি আকৃষ্ট নাও থাকতে পারে এবং স্ত্রীর তার স্বামীর প্রতি আকৃষ্ট নাও থাকতে পারে।
(৩) নারী পুরুষ উভয়'ই হস্তমৈথুনের মধ্যে পড়ে যাওয়া।
(৪) বিয়ে করতে না চাওয়া, বিয়েকে ঘৃণা করা এবং মেয়েটি পুরুষের যৌনতাকে ঘৃণা করতে পারে এবং পুরুষ মেয়ের যৌনতা কে ঘৃণা করতে পারে।
(৫) গোপনাঙ্গে পিঁপড়ের মতো কিছু নড়াচড়া অনুভব করা, বিশেষ করে জরায়ুতে, এতে অনিচ্ছা, চুলকানি বা যৌন মিলনের উদ্রেক ভাব আসা এবং সাদা স্রাব নির্গত হওয়া।
(৬) ব্যক্তি মনে করে যেন কেউ তার সাথে আছে এবং তার পাশে ঘুমাচ্ছে এবং বিছানায় তার পাশে একটি লুকানো দেহ, বা ওজন, বাতাস বা নিঃশ্বাস (যেন কেউ শ্বাস নিচ্ছে) অনুভব করে।
(৭) অবিবাহিত পুরুষ তাদের শরীরে একটি মহিলার চুল খুঁজে পায় এবং কেউ কেউ তাদের প্যান্টের ভিতরে বা তাদের গোপনাঙ্গের চারপাশে মোড়ানো দেখতে পায়।
(৮) কিছু মহিলা এমন কাউকে দেখে যে তাকে বিভিন্ন উপায়ে উলঙ্গ করে দেখায় এবং তার ক্ষতি করতে পারে, সে জেগে থাকুক বা ঘুমিয়ে থাকুক।
(৯) স্বামী তার স্ত্রীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অনেক দূরে ঘুমায় এবং স্ত্রী তার স্বামীর কাছ হতে অনেক দূরে ঘুমায় এবং তার স্ত্রী যদি তার কাছে আসে খুব বিরক্ত হয়, এবং স্বামী তার স্ত্রীর কাছে গেলে স্ত্রী খুব বিরক্ত হয় এবং উভয়ই একাকীত্বকে ভালবাসে তবে তাদের দীর্ঘ মাস কেটে যায় এবং সে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে না।
(১০) স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে দুর্গন্ধের উপস্থিতি, অত্যধিক নার্ভাসনেস, উত্তেজক সমস্যা এবং শরীরের উত্তাপ সহ, তিনি তার স্বামীর দ্বারা স্পর্শ করা পছন্দ করেন না, এমনকি তার সন্তানদের দ্বারা এবং একাকীত্বের ভালবাসা, প্রায় নগ্ন ঘুম, এবং দীর্ঘ ঘন্টা জন্য ভারী ঘুম।
(১১) অকাল বীর্যপাত, নাভির নিচে ব্যথা যেন ছুরিকাঘাতের মতো, অণ্ডকোষ ও মলদ্বারের মাঝখানে ব্যথা এবং তাতে শিহরণ।
(১২) রাতে না ঘুমানো এবং বাথরুমে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা এবং মন ঘুরে বেড়ায়।
(১৩) সুগন্ধি কোন উৎস নাই কিন্তু ঘরে কিছু সুগন্ধি গন্ধ পাওয়া।
(১৪) সহবাসের সময় স্ত্রী অনুভব করে যে তার সাথে সহবাস করেছে সে তার স্বামী নয় অথবা সহবাসের পর সে অনুভব করে যে সে কাউকে না দেখে সহবাস করছে।
(১৫) স্বপ্নে ছোট ছোট বাচ্চা দেখা
(১৬) সমকামিতা বা লেসবিয়ানিজম থেকে বিচ্যুত হওয়ার বা এটি অনুশীলন করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং লালসার অনুভূতি।
(১৭) বিয়ের প্রস্তাব আসলে কান্না করা চেহারা কালো হয়ে যাওয়া, বিয়ের জন্য রাজি হলেও পরে তাকে বিনা কারণে প্রত্যাখ্যান করে বা সৌন্দর্য এবং শালীনতা এবং এর মধ্যে থাকা সমস্ত কিছুর সাথে কথাবার্তা পুনরায় ফিরে না আসে।
(১৮) অণ্ডকোষ, লিঙ্গ, জরায়ু এবং ডিম্বাশয়ের গোপনাঙ্গে ব্যথা অনুভব করা।
(১৯)মাথায় অশ্লীল চিন্তা ভাবনা আশা।
(২০)একাধিকবার প্রস্রাবের ইনফেকশন হওয়া।
(২১)অনিয়মিত পিরিয়ড হওয়া অথবা তিন চার মাসে ও একবার পিরিয়ড না হওয়া, পিরিয়ডের সময় তলপেটে প্রচন্ড ব্যথা হওয়া।
(২২)সাদা স্রাব বের হওয়া পুরুষ মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে।
(২৩)বিছানায় শুতে গেলে হঠাৎ যৌন উত্তেজনা বেড়ে যাওয়া এবং অধিক পরিমাণে স্বপ্নদোষ হওয়া।
(২৪)পছন্দের মানুষ গুলোকে স্বপ্নে কাছে আসতে দেখা, স্পর্শ করতে দেখা, ফিজিক্যাল রিলেশন করতে দেখা অথবা তাদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া।
(২৫)ঘুম থেকে ওঠার পরে পুরা শরীর ব্যথা হয়ে থাকা, কোন কারন ছাড়াই লজ্জাস্থানে ব্যথা অনুভব করা।
(২৬) বিবাহ করতে মনে চায় না,বিবাহের কথা শুনলেই ভিতর থেকে কান্না আসে এবং মুখে ব্রণ ওঠা।
(২৭) বিবাহের পরে হাসবেন্ডের কাছে গেলে বিরক্ত লাগে অথবা ফিজিক্যাল রিলেশনে অনীহা আশা।
(২৮) বিপরীত লিঙ্গের মানুষ বিরক্ত লাগা, বিপরীত লিঙ্গের প্রতি খুব বেশি আকর্ষণ ফিল করা, বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও অন্য নারী অথবা পুরুষের দিকে আকর্ষণ ফিল করা।
(২৯) শারীরিক সমস্যা একের পর এক লেগেই থাকা, বিশেষ করে গোপনীয় সমস্যা বেশি হওয়া।
(৩০)বাচ্চা কনসিভ না করা অথবা কনসিভ করার পরে নষ্ট হয়ে যাওয়া।
(৩১)একা একা থাকতে পছন্দ করা অথবা অধিকাংশ সময় মন খারাপ করে বসে থাকা, মনে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা জাগা, ইমোশনালি প্রভাব বেশি থাকা..
Hijama Avenue : Cupping & Ruqyah Center
For Appointment: 01612-445262