08/08/2025
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চরম বিরোধিতাকারী ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী কিছু সংগঠনঃ
❑❑ শান্তি কমিটিঃ
•গঠন: ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে।
•আহ্বায়ক: খাজা খয়রুদ্দীন।
•উদ্যোক্তা: ৩ জন: গোলাম আযম, সায়েম মাসুম ও এ কিউ এম শফিকুল ইসলাম।
•মূল কাজ: পাক সেনাবাহিনীর হয়ে সশস্র অংশগ্রহণ।
❑❑রাজাকারঃ
•গঠন: ১৯৭১ সালের মে মাসে খুলনায়।
•আহ্বায়ক: কে এম ইউসুফ।
•পরিচালক: এ এস এম জহুরুল।
মূল কাজ: শান্তি কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করা
•প্রশিক্ষণ: ৭ দিনের (সশস্র)।
•সদস্য: ৫০ হাজার।
❑❑ আল বদরঃ
•গঠন: ২২ এপ্রিল, ১৯৭১।
•গঠনকারী: ময়মনসিংহের ইসলামী ছাত্র সংঘের (বর্তমানে ইসলামী ছাত্র শিবির) সভাপতি মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন।
•সমন্বয়ক: মতিউর রহমান নিজামী।
•সদস্য: প্রতি ইউনিটে ৩১৩ জন।
•প্রধান: আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ।
•মূল কাজ: ছাত্রদের মধ্যে অখন্ড পাকিস্তানের জনমত সৃষ্টি এবং মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে পাক সেনাদের হাতে দেয়া। ১৪ ডিসেম্বর এরাই পাক সেনাদের সহায়তা করে।
❑❑আল-শামসঃ
• গঠন: আল বদরের সময়েই।
• সদস্য: ইসলামী ছাত্র সংঘের পাশাপাশি অন্যন্য সমমনা ইসলামী দলগুলোর (মুসলিম লীগসহ অন্যান্য) ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা।
ধরণ: সশস্র।
• সমন্বয়ক: তৎকালীন ইসলামী ছাত্র সংঘের প্রধান মতিউর রহমান নিজামী।
• মূল কাজ: মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে সশস্র অংশগ্রহণ।
সংগৃহীত।
বাঙালী, আদিবাসী বা পাহাড়ি ও অন্যান্য জাতিসত্তা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মিলনে বাংলাদেশ গঠিত।
দেশদ্রোহী বিশ্বাসঘাতক বা আলবদর রাজাকারেরা দেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখেন না। সাধারণ জনগণের ন্যায় এঁরা জীবনযাপন করবেন। আর এটাই এদের শাস্তি হওয়া উচিত ছিলো। কিন্তু ক্ষমতাসীনরা শ্রেনী স্বার্থে এদের রাষ্ট্রীয় সম্মান দিয়ে রাজনীতিতে পুনর্বাসন করেছেন। আর তাঁহারই খেসারত বাংলাদেশকে বারবার দিতে হইতেছে।