Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম

Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম, 197, lalchand Road, chawkbazar, Chittagong.

A Glorious Medical and Dental Admission Coaching

আমাদের সেবা সমূহঃ https://sites.google.com/view/retinactg/home-our-success
রেটিনা, চট্টগ্রাম।
01711396212
01842396212

⭐⭐সম্পূর্ণ নতুন ব্যাচে আগামীকাল ২৮/০৩/২০২৬ থেকে ক্লাশ শুরু হচ্ছে⭐⭐সেকেন্ড টাইম মেডিকেল ভর্তি প্রস্তুতি শুরুর এখনই পারফেক...
27/03/2026

⭐⭐সম্পূর্ণ নতুন ব্যাচে আগামীকাল ২৮/০৩/২০২৬ থেকে ক্লাশ শুরু হচ্ছে⭐⭐

সেকেন্ড টাইম মেডিকেল ভর্তি প্রস্তুতি শুরুর এখনই পারফেক্ট সময়। কারণ এখন থেকেই যদি তোমার দুর্বলতাগুলো খুঁজে কোথায় আরো ভালো করা প্রয়োজন এবং পুরো কনসেপ্ট ক্লিয়ার করে প্রস্তুতি নিতে পারো তাহলে তোমার ভর্তি যুদ্ধ হবে অনেকটাই সহজ।

তবে যেহেতু সেকেন্ড টাইম-এ ০৩ মার্ক কেটে নেয়া হয় তাই নিয়মিত অধ্যবসায় ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

আর সেজন্যই সেকেন্ড টাইমারদের জন্য রেটিনার রয়েছে একক ও অনন্য সিলেবাস পদ্ধতি, যা প্রমাণ করে দেখিয়েছে এবারে মেডিকেলে এক-তৃতীয়াংশ চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা।

তাই স্বপ্নপূরণে সারথি হতে রেটিনা প্রস্তুত, তুমি প্রস্তুত তো?

"চাঁদের হাসিতে উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুখ,শান্তি, সম্প্রীতি আর সহযোগিতায় ভরে উঠুক প্রতিটি জীবন।""তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ও...
21/03/2026

"চাঁদের হাসিতে উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুখ,
শান্তি, সম্প্রীতি আর সহযোগিতায় ভরে উঠুক প্রতিটি জীবন।"

"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম"

রেটিনা পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা - ঈদ মোবারক! 🌙

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ-বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার এক গর্বিত প্রতিষ্ঠান, যেখানে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্...
17/03/2026

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ-বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার এক গর্বিত প্রতিষ্ঠান, যেখানে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্বশীল চিকিৎসক।

২০২৫–২৬ সেশনে চট্টগ্রাম রেটিনা থেকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে সুযোগ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ সাফল্য তাদের অদম্য পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও স্বপ্নজয়ের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন।
এই অর্জন হোক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন।

চিকিৎসা জীবনের প্রতিটি ধাপে তোমাদের পথচলা হোক মানবতার সেবায় আলোকিত—চট্টগ্রাম রেটিনা পরিবারের পক্ষ থেকে রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা, দোয়া ও ভালোবাসা ❤️

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ-বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার এক উজ্জ্বল ঠিকানা, যেখানে গড়ে ওঠে আগামী দিনের দক্ষ ও মানবিক চ...
16/03/2026

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ-বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার এক উজ্জ্বল ঠিকানা, যেখানে গড়ে ওঠে আগামী দিনের দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক।
২০২৫–২৬ সেশনে চট্টগ্রাম রেটিনা থেকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল ইউনিটে সুযোগ পাওয়া কৃতী ছাত্রীদের এই সাফল্য নিঃসন্দেহে তাদের নিরলস পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও অদম্য স্বপ্নের ফল।
এই অর্জন হোক নতুন এক পথচলার সূচনা। চিকিৎসা পেশায় তোমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ মানবতার কল্যাণে আলোকিত হোক-চট্টগ্রাম রেটিনা পরিবারের পক্ষ থেকে রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা, দোয়া ও ভালোবাসা ❤️

একসাথে ইফতার, একসাথে দোয়া—চট্টগ্রাম রেটিনায় সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ ও অত্র প্রতিষ্ঠানের এক্সিকিউটিভদের সম্মানে গতকাল আয়োজন ...
11/03/2026

একসাথে ইফতার, একসাথে দোয়া—
চট্টগ্রাম রেটিনায় সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ ও অত্র প্রতিষ্ঠানের এক্সিকিউটিভদের সম্মানে গতকাল আয়োজন করা হয় এক আন্তরিক ইফতার মাহফিল। এই বন্ধন ও ভালোবাসা আরও দৃঢ় হোক—এই কামনা করি।

সেকেন্ড টাইম মেডিকেল ভর্তি প্রস্তুতি শুরুর এখনই পারফেক্ট সময়। কারণ এখন থেকেই যদি তোমার দুর্বলতাগুলো খুঁজে কোথায় আরো ভালো...
28/02/2026

সেকেন্ড টাইম মেডিকেল ভর্তি প্রস্তুতি শুরুর এখনই পারফেক্ট সময়। কারণ এখন থেকেই যদি তোমার দুর্বলতাগুলো খুঁজে কোথায় আরো ভালো করা প্রয়োজন এবং পুরো কনসেপ্ট ক্লিয়ার করে প্রস্তুতি নিতে পারো তাহলে তোমার ভর্তি যুদ্ধ হবে অনেকটাই সহজ।

তবে যেহেতু সেকেন্ড টাইম-এ ০৩ মার্ক কেটে নেয়া হয় তাই নিয়মিত অধ্যবসায় ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

আর সেজন্যই সেকেন্ড টাইমারদের জন্য রেটিনার রয়েছে একক ও অনন্য সিলেবাস পদ্ধতি, যা প্রমাণ করে দেখিয়েছে এবারে মেডিকেলে এক-তৃতীয়াংশ চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা।

তাই স্বপ্নপূরণে সারথি হতে রেটিনা প্রস্তুত, তুমি প্রস্তুত তো?

আসসালামু আলাইকুম। আমার বাসা চুয়েটের মধ্যে হওয়ায় সবসময়ই একটা Peer Pressure কাজ করত ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার।1st year থেকেই ইঞ্জিন...
28/02/2026

আসসালামু আলাইকুম। আমার বাসা চুয়েটের মধ্যে হওয়ায় সবসময়ই একটা Peer Pressure কাজ করত ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার।1st year থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং question bank solve করতাম আর ব্যগের মধ্যে সবসময় কেতাব স্যারের উত্তরমালাটা নিয়ে ঘুরতাম।।

সবকিছু বদলে যায় 2nd year এ ওঠার পরে।এলাকার এক বড় ভাই আমাকে Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম আয়োজিত Talent Hunt exam এ অংশ নিতে বলেন।আল্লাহর রহমতে সেইখানে খুব ভালো একটা মেরিট পাই আমি।সেই থেকেই শুরু Physics,Math আর কিছুতেই মন বসে না।

বোটানি,জুলোজির গভীরতায় নিজেকে হারিয়ে ফেলি।ভর্তি হয়ে যাই রেটিনার Advanced Premedical Batch -এ,সেইখানে অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে HSC এক্সামের আগেই আমাদেরকে একদম বেসিকসহ একবার ফুল সিলেবাস শেষ করা হয়।HSC এর পরে আমাদের ক্লাস শুরু হয় অফলাইনে। লালচান্দ রোডের সেই বিখ্যাত রেটিনা ভবনে ৩০৩ নাম্বার সেই রুমের কত যে স্মৃতি। ক্লাস করার সময় মনে হতো না যে এইটা কোন কোচিং সেন্টারে ক্লাস করছি,মনে হইতো যেনো আমারই কোন বড় ভাই আমাদের ক্লাস নিচ্ছেন।ক্লাসে ভাইয়াদের কে অনেক উল্টা পাল্টা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে জ্বালাইতাম,মাঝেমধ্যে শুধু ডেইলি এক্সাম টা দিয়ে ক্লাস না করে পালায় যাইতাম, আবার কখনো টিউটোরিয়ালে পড়া শেষ না হইলে এক্সাম না দেওয়া সহ অনেক ফাকিবাজি করতাম।

কিন্তু আমার মতো ফাকিবাজ ছেলেকেও বড় ভাইয়ের মতো শাসনে রেখেছিল রেটিনার ভাইয়েরা।নাম্বার কম পেলে কিংবা এক্সাম না দিলে বাসায় ফোন দেওয়া,মেন্টর ভাই সার্বক্ষণিক পড়াশোনার খোজ নেওয়া সহ একজন বড় ভাইয়ের সবরকম দায়িত্বই উনারা পালন করেছিলেন।১৭ই জানুয়ারি অনেক ভালো এক্সাম দিয়ে আসছিলাম,ভেবেছিলাম একটা বিভাগীয় মেডিকেল ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে।কিন্তু Unfortunately আমার নাম্বার কিছু গায়েব হয়ে যায়,যার কারণে মাত্র 0.5 এর জন্য চান্স মিস হয়। সবার আশা ছিল আমার চান্স হবে,কিন্তু আমার ভাগ্যটা খারাপ ছিল সেইবার।চান্স না পাওয়ার পরে ভেঙে না পরে ভাইদের অনুপ্রেরণায় আবারো শুরু করি।

আলহামদুলিল্লাহ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সারির Subject ACCE (Applied Chemistry and Chemical Engineering) -এ ভর্তি হয়ে নিজের সেকেন্ড টাইম জার্নি Start করি রেটিনার সাথে। এইবার শুধু এক্সাম ব্যচেই ছিলাম আমি।রেটিনার এক্সাম ব্যাচে একটা টপিক থেকে যতরকম question করা যায় সব রকমের question করা হত। কিছু Analytical, কিছু একটু সহজ, আবার কিছু থাকে জ্ঞানমূলক।বিশেষ করে রেটিনার Analytical question গুলায় যদি কেউ একবার অভ্যস্ত হয়ে যায়,তাহলে তার কাছে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন অনেক সহজ মনে হবে।একজন Candidate কে এমন ভাবে প্রস্তুত করে সেইসব প্রশ্ন যে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন যতই কঠিন হোক না কেন তার চান্স কেউ ঠেকাতে পারবে না।

আমি অশেষ কৃতজ্ঞ Retina Chattogram/রেটিনা চট্টগ্রাম এর ভাইদের প্রতি একজন Engineering Aspirant কে,একজন ফাকিবাজ ছেলেকে,মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।আমার মনের সকল অব্যক্ত ভালোবাসা রেটিনা পরিবারের প্রতি কখনো ভাষায় প্রকাশ করার মতো না❤️।

(পালায় যাওয়া নিয়ে একটা কাহিনি আছে যেইটা না বললেই না😁।একবার পালানোর সময় হালিম ভাই আমাকে ধরে ফেলছিলেন😂,আমি অসুখ বিসুখের বাহানা দিচ্চিলাম😷,কিন্তু উনি আমাকে উল্টা ঔষুধ দিতে চাচ্ছিলেন🤣,দরকার হইলে চিকিৎসা দিবেন এরপরেও ক্লাস থেকে যাইতে দিবেন না😅।সেইদিনের পর থেকে আর পালাই নাই আমি😅।)

1st time-

MAT-172.5❎❎
2nd time
MAT-177.5(Khulna Medical College)✅

27/02/2026

“ আমি চট্টগ্রাম রেটিনার একাডেমিক কেয়ার বায়োকেমের স্টুডেন্ট এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য রেটিনা কে বেছে নিই। ভাইয়ারা শুরু থেকে আমাদের প্রতি যত্নশীল ছিলেন।রেটিনার ক্লাশ এবং প্রশ্ন কোয়ালিটি খুবই স্ট্যান্ডার্ড। ”

নাজিজ বিন রওফ | স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
জাতীয় মেধায় ২৪৪ তম

হরমোন প্রয়োগ করে বীজহীন ফল উৎপাদন করার প্রক্রিয়ার নাম [MAT: 2025-26]
26/02/2026

হরমোন প্রয়োগ করে বীজহীন ফল উৎপাদন করার প্রক্রিয়ার নাম [MAT: 2025-26]

ভেঙে পড়েছিলাম তবুও হাল ছাড়িনি, হতাশ হয়েছিলাম তবুও জেদ ছাড়িনি,,,,journey of a 2nd timer....ভেঙে পড়েছিলাম তবুও হাল ছাড়িন...
25/02/2026

ভেঙে পড়েছিলাম তবুও হাল ছাড়িনি, হতাশ হয়েছিলাম তবুও জেদ ছাড়িনি,,,,journey of a 2nd timer....

ভেঙে পড়েছিলাম তবুও হাল ছাড়িনি,হতাশ হয়েছিলাম তবুও জেদ ছাড়িনি,,,,journey of a 2nd timer
: ছোটবেলা থেকে নিজেকে ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া আর কিছু ভাবতেই পারতাম না,ইঞ্জিনিয়ার হবার স্বপ্নটা আমার মা-ই আমাকে দেখিয়েছেন।কিন্তু সব বদলে গেলো ২৯শে ডিসেম্বর,২০২১ এর পর।স্কুলে যাওয়ার সময় আমার এক্সিডেন্ট হয়।বাম পা থেঁতলে যায়,আঙুলের হাড় ভেঙে কয়েক টুকরা হয়ে যায়।চট্টগ্রাম মেডিকেলের ইমারজেন্সিতে এডমিট করিয়ে সন্ধ্যায় সার্জারি করেন ডাক্তাররা।পরেরদিন একজন ডাক্তার আমাকে জিজ্ঞেস করল,𝗪𝗵𝗮𝘁'𝘀 𝘆𝗼𝘂𝗿 𝗮𝗶𝗺? আমি মেডিকেলের ৫৬ নং বেডে শুয়ে চারপাশে ব্যাথার যন্ত্রণায় কাঁতরাতে থাকা রোগীদের দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ ভেবে বুঝলাম এই পৃথিবীতে মানুষকে সুস্থ করার মতো যদি কোনো 𝗠𝗮𝗴𝗶𝗰𝗮𝗹 𝗽𝗿𝗼𝗳𝗲𝘀𝘀𝗶𝗼𝗻 থাকে সেটা হলো ডাক্তারি।তখনই আমি প্রথমবারের মতো বলি"𝗜 𝘄𝗮𝗻𝘁 𝘁𝗼 𝗯𝗲 𝗮 𝗱𝗼𝗰𝘁𝗼𝗿"।মূলত তখন থেকেই আমার ডাক্তারি পেশার প্রতি তীব্র ভালোলাগা কাজ শুরু করে।SSC তে রেটিনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে বায়োলজি ক্লাস করতাম যা মানবশরীর নিয়ে জানার আগ্রহের জন্ম দেয়।

#ফার্স্টটাইমে এইচএসসির পর ভর্তি হয় রেটিনার ফুল মেডিকেল ব্যাচে(M-05)।নিয়মিত ক্লাস এক্সাম দিতে থাকতাম।কিন্তু শেষের দিকে হাল ছেড়ে দেই,পড়া ঠিকমতো গুছাইতে পারিনি।১৭ই জানুয়ারি ২০২৫ এক্সাম হলে প্যানিক হয়ে যায়,আর ১৯ তারিখের রেজাল্টে আমার মার্ক আসে মাত্র ১৫৫।তখন থেকে শুরু হয় এক বিভীষিকাময় সময় যা মনে করলেই গা শিউরে উঠে।চারপাশের লোকজন অপমান করতে লাগলো,অনেক ধরণের কথা শুনাতে লাগল,তখন নিজের উপরেই রাগ হতে থাকলো,ফ্রাস্ট্রেশন এ ভুগে তখন পড়ার ইচ্ছাই হারিয়ে ফেলি।জীবনে এর থেকে খারাপ সময় আমি মনে হয় না আর পাড় করেছি।বাবা জোর করাই কয়েকটা ভার্সিটির ফর্ম তুলি।তারমধ্যে সবার প্রথমে চান্স হয় #জগন্নাথ_বিশ্ববিদ্যালয়ে (৪১৬তম)।তারপর #কৃষিগুচ্ছ (সিলেট কৃষিবিশ্ববিদ্যালয়- এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং) তারপর (4109তম) হয় আর ভর্তি হয় রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং)এ।শুরু করে দিই একমনে সেকেন্ড টাইম মেডিকেল প্রিপারেশন।

#সেকেন্ডটাইমে অফলাইনে রেটিনার এক্সাম ব্যাচে ভর্তি হই ও এক্সামের সিলেবাস অনুযায়ী ডেইলি পড়া কমপ্লিট করতে থাকি।প্রথমবারে রেটিনার সব ক্লাস করেছিলাম তাই দ্বিতীয়বার শুধু পড়সি আর এক্সাম দিসি। রেটিনার প্রশ্নে যেগুলো ভুল হতো সেগুলো আইডেন্টিফাই করে সলভ করি।এক্সট্রা ইনফোর জন্য নতুন করে বই না কিনে শুধু মাত্র রেটিনার #ডাইজেস্টগুলোই পড়ি। রেটিনার #অনুশীলনীপ্রশ্নব্যাংক এর প্রতিটা প্রশ্ন ব্যাখ্যা সহ সলভ করি।প্রথমবারে আমি প্রশ্নব্যাংক এনালাইসিস না করেই পড়েছিলাম কিন্তু দ্বিতীয়বারে আমি #রেটিনারপ্রশ্নব্যাংক এর টপিক ধরে পড়েছিলাম যা আমাকে বুঝিয়েছে যে মেডিকেলের জন্য সব পড়া লাগে না।রেটিনার প্রশ্নে [৭০:২০:১০] সূত্র মেন্টেইন করতো,মানে ৭০ টা দাগানো লাইন থেকে ২০ টা Conceptual আর ১০টা এক্সট্রা ইনফো থেকে।তাই ৮০+ তোলার জন্য অনেক প্র‍্যাক্টিস ও ডাইজেস্ট থেকে এক্সট্রা ইনফো পড়তে উৎসাহ দিতো।মেডিকেল এক্সামে রেটিনার অনেক প্রশ্নই হুবহু কমন পাই।লাস্ট ১ মাসে যখন মেন্টাল প্রেশার হাই ছিলো তখন রেটিনার ভাইয়ারা বলতো-"তুমি ভুলছো মানে তুমি পড়তেসো,রাইট পথে আগাচ্ছো।ভুল আইডেন্টিফাই করে পড়তে থাকো"।

রেটিনার সবচেয়ে সুন্দর একটা Feature ছিলো প্রতিটা বিষয়ের আলাদা আলাদা মেন্টর।যখনই Medi-chemistry/Medi-physics এর কোনো প্রবলেম পারতাম না,তখনই ভাইয়াদের পাঠাইতাম টেলিগ্রামে তারা সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা সহ সলভ করে দিতো।

আমার মেডিকেল এডমিশনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা দিয়েছেন আমার বাবা।আমি হোস্টেলে থাকতাম,বাবা-মা দিনে ১২-১৫ বার কল করে আমার খবর নিতেন।আমার ডেইলি এক্সামের রেজাল্ট যেমনই হোকনা কেন তিনি আমার উপর আস্থা রেখেছেন।আমি কোনোবার এক্সামে টপ করিনি,সেকেন্ড টাইমেও হায়েস্ট ৮৮ মার্ক এর চেয়ে বেশি তুলতে পারিনি।কিন্তু তবুও বাবা বলতো"আরেকটু খেঁটে পড়,৮০ পার্সেন্টের উপরে কন্টিনিউ করতে পারলেই চান্স হবে"।আমার মা বলতো-"তুই যেটার জন্য মনপ্রাণ দিয়ে চেষ্টা করস সেটা তুই পারস,আমি জানি তুই পারবি।"দেখতে দেখতে কেটে গেল নভেম্বর।১২ডিসেম্বর পরীক্ষা মনে হচ্ছে আমার দ্বারা হবে না,কিন্তু আমি ওসব চিন্তাকে পাত্তা না দিয়ে শুধু পড়েছি।

#১২ডিসেম্বর২০২৫:সকাল ৪টায় ঘুম থেকে উঠে অর্গানিকটা রিভাইস দিই,ফিজিক্স-কেমিস্ট্রির অনুশীলনী প্রশ্নসব চোখ বুলিয়ে নিই তারপর বাবার সাথে যাই এক্সাম সেন্টারে।চট্টগ্রাম মেডিকেলের নতুন একাডেমিক ভবনে আমার সিট।এক্সাম শুরুর প্রথম ১৫ মিনিট আমি অনেক নার্ভাস হয়ে যায় আর ৬ টার মতো জানা জিনিস ভুল করে আসি তারপর দীর্ঘশ্বাস নিয়ে সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ করতে করতে বাকিগুলো দাগানো শুরু করি দেখি সবইতো আমার পারা জিনিস।

#১৪ডিসেম্বর২০২৫: ১২ তারিখ থেকে অনেক টেনশনে ছিলাম।রেজাল্ট এর দিন বিকেলে কোনোভাবেই ওয়েবসাইট এ ঢুকতে পারছিলাম না।তাই আমার বন্ধুকে দেই পাসওয়ার্ড,আইডি আর রোল।সে দেখে পাঠায় আমার রেজাল্ট।অবশেষে ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পূর্যন্ত সেই দূর্বিষহ মানসিক অবস্থার সমাপ্তি হয়,শত শত রাত জাগা পরিশ্রম সার্থক,পরিবারের প্রথম ডাক্তার।😇

এই ডাক্তারি পেশা নিয়ে স্কুলজীবনে আমার হোম টিউটর চন্দন স্যার অনেক অনুপ্রেরণা দিতেন।কলেজজীবনে ইংরেজি শিক্ষক শওকত স্যার আমাকে অনুপ্রেরণা দিতেন,তিনি এডমিশনে প্রায়সময়ই কল করে আমার পড়াশোনার খবর নিতেন।স্কুলজীবনের সবচেয়ে মজার আনন্দঘন মুহুর্ত ছিলো ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো রোল-১ হওয়া ও তারপর জুনিয়র সায়েন্স অলম্পিয়াডে ২য় হওয়া ও সবশেষে সিটি কলেজে চান্স পাওয়া।

স্বাস্থ্যব্যাবস্থা নিয়ে আমার ভাবনা:মেডিকেল সেক্টরে আমাদের পর্যাপ্ত রিসার্চ এর অপ্রতুলতা আছে তাই এটিতে জোড় দেওয়া উচিত সাথে সকল মেডিকেল কলেজের হোস্টেল ও খাবারের মান মানসম্মত হওয়া উচিত।।।

আমার জার্নিতে আমার পাশে থাকা সকল বন্ধুরা,শুভাকাঙ্ক্ষী,রুমমেট,পরিবার,শিক্ষক ও সিনিয়র(যারা আমাকে নিয়মিত গাইডলাইন দিয়েছেন)সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।

অনিরুদ্ধ চক্রবর্ত্তী।
জাতীয় মেধায় ৪৬৪৫ তম।

রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ,রাঙ্গামাটি।

এক্স- সরকারি সিটি কলেজ,চট্টগ্রাম।

এক্স- কানুনগোপাড়া ড. বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয়,বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম।





স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ — বাংলাদেশের স্বনামধন্য সরকারি মেডিকেল কলেজ, যা মানসম্...
25/02/2026

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ — বাংলাদেশের স্বনামধন্য সরকারি মেডিকেল কলেজ, যা মানসম্মত চিকিৎসা শিক্ষা ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবার জন্য সুপরিচিত।

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম রেটিনা থেকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল ইউনিটে চান্সপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের একাংশ…

এই ছবি তোমাদের নিরলস পরিশ্রম, অটুট বিশ্বাস আর স্বপ্নজয়ের নীরব সাক্ষী হয়ে থাকবে।
তোমাদের আগামীর পথ হোক আরও উজ্জ্বল — চট্টগ্রাম রেটিনা পরিবারের পক্ষ থেকে রইল আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা ❤️

Address

197, Lalchand Road, Chawkbazar
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:30
Tuesday 09:00 - 19:30
Wednesday 09:00 - 19:30
Thursday 09:00 - 19:30
Friday 09:00 - 19:30
Saturday 09:00 - 19:30
Sunday 09:00 - 19:30

Telephone

+8801711396212

Website

https://sites.google.com/view/retinactg/home-our-success

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Retina, Chattogram - রেটিনা, চট্টগ্রাম:

Share