02/03/2025
#রোজায়_ডায়াবেটিক_রোগীদের_কি_করণীয় ?
কিছুসংখ্যক জটিল রোগী বাদে অধিকাংশ ডায়াবেটিক রোগী বড় ধরনের কোনো সমস্যা ছাড়াই রোজা পালন করতে পারবেন।
রোজা পালনের কারণে ডায়াবেটিক রোগীরা কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন। যেমন
১. হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে শর্করা স্বল্পতা,
২. হাইপারগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে শর্করা অত্যধিক বেড়ে যাওয়া,
৩. ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা,
৪. কিটো অ্যাসিডোসিস
৫. থ্রম্বোসিস বা রক্ত জমাট বাঁধা।
ঝুঁকি বিবেচনা করে কিছু রোগীকে চিকিৎসকেরা উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন,
#যাঁদের_রোজা_পালন_না_করাই_ভালো_তারা_হলেন
রোজার আগে তিন মাসের মধ্যে যাঁদের তীব্র হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা হাইপারগ্লাইসেমিয়াজনিত জটিলতা হয়েছে,
যাঁদের বারবার রক্তে শর্করা কমে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে বা যাঁরা রক্তে শর্করা কমে গেলে টের পান না,
ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ বা হৃদ্রোগ আছে যাঁদের,
রমজানরে সময় আকস্মিক অসুস্থতা (জ্বর, সংক্রমণ ইত্যাদি),
বয়স্ক রোগী ও অন্তঃসত্ত্বা ডায়াবেটিকে রোগী যাঁরা ইনসুলিন গ্রহণ করেন।
#রমজানে_খাদ্যাভ্যাস_ও_ব্যায়াম
* সাহ্রি না খেয়ে রোজা রাখবেন না। সাহ্রিতে ভাত বা রুটি, সবজি, মাছ বা মাংসসহ একটি পূর্ণাঙ্গ খাবার খেতে হবে।
* ইফতারে শরবত বা মিষ্টি জুস না খেয়ে ডাবের পানি, ফলের রস, লেবুপানি পান করতে পারেন।
* ইফতার ও সাহ্রির মাঝখানে দুধ, ফলমূল, চিড়া, দই ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।
* রাতের বেলা পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
রমজান মাসে দিনের বেলায় ব্যায়াম বা ব্যায়ামের উদ্দেশ্যে হাঁটাহাঁটি না করাই ভালো। সন্ধ্যার পর হালকা ব্যায়াম করা যেতে পারে।
#সন্দেহ_হলেই_রমজানে_রক্তে_সুগার_পরিমাপ_করুন
রমজান মাসেও সময় নির্ধারণ করে রক্তে শর্করা পরিমাপ করতে হবে। খারাপ লাগলে বা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্তে গ্লুকোজ মাপতে হবে। হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণগুলো হচ্ছে দুর্বল লাগা, মাথা ঝিমঝিম করা, চোখে ঝাপসা দেখা, ঘাম হওয়া, হাত কাঁপা, মাথা শূন্য বোধ হওয়া ইত্যাদি।
#চিকিৎসকের_পরামর্শ_নিন
* রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ ৩.৯ মিলিমোল বা ৭০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের কম হয়ে গেলে
* রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ ১৬.৬ মিলিমোল বা ৩০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের বেশি পাওয়া গেলে
এবং যেকোনো আকস্মিক অসুস্থতায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।